একদর.কম

একদর.কম সুলভ মূল্যে গুনগত মানসম্মত অনলাইন পণ্য।

মুড়ি এতো উপকারী ?অনেকেই গ্যাস-অম্বলের সমস্যায় ভোগেন। জানেন কি মুড়ি, আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। মুড়ি পেটের...
01/03/2024

মুড়ি এতো উপকারী ?
অনেকেই গ্যাস-অম্বলের সমস্যায় ভোগেন। জানেন কি মুড়ি, আপনাকে এই সমস্যা থেকে মুক্তি দিতে পারে। মুড়ি পেটের ভিতরের অ্যাসিড ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করে। মুড়ির সঙ্গে চা খাওয়ার মজাই আলাদা। এ ছাড়া ঝালমুড়ি মাখা কার পছন্দ নয় এমন লোক কমই আছে। মুড়ি অনেকের কাছে স্বাচ্ছন্দ্যের। কিন্তু মুড়ি খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা জানেন কি?
চিকিৎসকরা বলছেন, একমুঠো মুড়ির গুণ একটি ওষুধের গুণের সমান! উপকরণটির মধ্যে থাকা পুষ্টিগুণ সারিয়ে ফেলতে পারে বিভিন্ন রোগ!
মুড়ির নানা উপকারিতা জানলে হয়তো এটি খাওয়ার জন্য প্রতিদিন অভ্যাসই করে ফেলবেন। তাহলে জেনে নিন মুড়ির কী কী গুণ রয়েছে?
গ্যাস্ট্রিক সমস্যা সমাধান
চিকিৎসকদের মতে, মুড়ি খেলে গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা অনেক কমে যায়। নিয়মিত মুড়ি খেলে পেটে অ্যাসিডের ক্ষরণে ভারসাম্য আসে। বাড়াবাড়ি রকমের অ্যাসিড হলে, মুড়ি পানিতে ভিজিয়ে খান অনেকে। তাতে দ্রুত অ্যাসিডের সমস্যা কমে।শুধু তাই-ই নয়, মুড়ি পেপটিক আলসারের মতো ব্যাধি থেকেও মুক্তি দেয়।এছাড়া প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা হজম প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
হাড় মজবুত করে
মুড়িতে রয়েছে ক্যালসিয়াম আর আয়রন। এ ছাড়া মুড়ি চিবিয়ে খেতে হয়। এর ফলে দাঁত ও মাড়ির একটা ব্যায়াম হয়। তাই নিয়মিত মুড়ি খেলে হাড় ও দাঁত মজবুত হয়।
ওজন নিয়ন্ত্রণ
মুড়িতে ক্যালোরির মাত্রা অত্যন্ত কম।অল্প ক্ষুদা পেলে মুড়ি খেলে পেট ভরে যায়। ক্যালোরির মাত্রা কম বলে মুড়ি খেলে ওজন বাড়ে না। যারা হালকা খাবার হিসেবে নিয়মিত মুড়ি খান, তাদের পক্ষে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা সহজ।
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
প্রতিদিন মুড়ি খেল নিয়ন্ত্রণে থাকতে পারে আপনার রক্তচাপও। এতে সোডিয়ামের মাত্রা কম। ফলে এটি খাওয়ার পরে পেট ভরলেও রক্তচাপ বাড়ে না।এ ছাড়া যাদের পেটের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে মুড়ি বিশেষ উপকারী।
শক্তি বৃদ্ধি
মুড়ি খেলে শরীরে শক্তির মাত্রা বেড়ে যায়। মুড়িতে প্রচুর পরিমাণে কার্বোহাইড্রেট থাকে। শরীর কার্বোহাইড্রেটকে গ্লুকোজে রূপান্তর করে, যা শক্তির মাত্রা বাড়িয়ে তোলে। এগুলো শরীরের শক্তির চাহিদার ৬০ থেকে সত্তর শতাংশ পূরণে সাহায্য করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
মুড়ি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সহায়ক ভূমিকা পালন নেয়। মুড়ি ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইটোকেমিক্যাল সমৃদ্ধ । এগুলি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে।
তথ্যসুত্রঃ সময় নিউজ

সম্পূর্ণ ক্যামিকেলমুক্ত মুড়ি খুচরা/পাইকারি অর্ডার করতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন। পাইকারি মিনিমাম ১০ কেজি নিতে হবে।
মুড়ি আছে ২ ধরনের
(১) সাদা
(২) লাল চালের (আউশ/আমন ধানের)

কেন খাবেন লাল চাললাল চাল কেন লাল?লাল চালে প্রচুর অ্যানথোসায়ানিন নামের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে। এই অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট ল...
01/03/2024

কেন খাবেন লাল চাল
লাল চাল কেন লাল?
লাল চালে প্রচুর অ্যানথোসায়ানিন নামের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে। এই অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট লাল রঙের ফলমূল ও শাকসবজিতে পাওয়া যায়। অ্যানথোসায়ানিন শরীরে প্রদাহ কমায়। অ্যালার্জি কমায়। ক্যানসারের ঝুঁকি কমায় এবং ওজন কমাতে সাহায্য করে। তাই যাঁরা ওজন কমানোর চেষ্টা করছেন, তাঁদের জন্যও সাদা চালের চেয়ে লাল চাল ভালো। তবে তিনবেলা প্লেট ভরে লাল চালের ভাত খেলে কিন্তু হবে না! কাপে মেপে পরিমাণে অল্প, চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী যেটুকু সাদা ভাত খাওয়া উচিত, সেটুকু লাল চালের ভাত খেতে পারেন।
কেন ভালো লাল চাল?
লাল চালের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এতে আঁশ থাকে বেশি। আর যেকোনো খাবারে আঁশ থাকলে তা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। এতে কোলেস্টেরল কমে। হজমে সাহায্য করে। ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানগুলোকে অন্ত্রের কোষের সংস্পর্শে বেশিক্ষণ থাকতে বাধা দেয়। এ ছাড়া লাল চাল সেলেনিয়ামের ভালো উত্স। এই খনিজ দ্রব্যের সামান্য পরিমাণও অন্ত্রের ক্যানসারের ঝুঁকি কমায়।
লাল চালে ভিটামিন বি১, বি৩, বি৬ ও ম্যাঙ্গানিজ, ফসফরাস প্রভৃতি খনিজ পদার্থ বেশি মাত্রায় থাকে। শরীরের জন্য এগুলো খুব দরকার। সাদা চাল তৈরির প্রক্রিয়ায় চালের এসব উপাদান অনেকাংশে নষ্ট হয়ে যায়। আঁশও কমে যায়। এসব বিবেচনায় লাল চাল নিঃসন্দেহে সাদা চালের চেয়ে ভালো।
লাল চালে প্রচুর পরিমাণে থাকা ভিটামিন বি৬ শরীরের প্রয়োজনীয় লোহিত কণিকা ও সেরোটোনিন উৎপাদন করে। এতে বেশি পরিমাণে আয়রন থাকায় খেতে খুব সুস্বাদু নয়। কিন্তু রক্তাল্পতায় ভোগা মানুষের জন্য লাল চাল ওষুধের মতো কাজ করে। রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে বলে লাল চাল ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্যও উপকারী।
লাল চালে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম থাকে। উপাদান দুটি একসঙ্গে হাড় ও দাঁত ভালো রাখে। হাড়ের ক্ষয় প্রতিরোধ করে। ম্যাগনেশিয়াম মাইগ্রেন কমায়, রক্তচাপ কমায় ও হৃদরোগ প্রতিরোধ করে।
লাল চালের অ্যানথোসায়ানিন ত্বকের ভাঁজ কমায়, ত্বকে তারুণ্য ধরে রাখে। অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকায় সূর্যের আলোর ক্ষতিকর আলট্রা ভায়োলেট রশ্মি থেকে ত্বককে রক্ষা করে।
তথ্য সূত্রঃ প্রথম আলো
আপনার সুসাস্থের জন্য লাল চাল খুচরা/পাইকারি কিনতে আগ্রহীগণ ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

পাইকারির জন্য মিনিমাম ১ বস্তা(২৫ কেজি) নিতে হবে।

কাউন/ভুরোর চালের উপকারিতাকাউনের চালের উপাদানঃ কাউনের চালে রয়েছে অনেক জৈব উপাদান যা আমাদের দেহের গঠন, ক্ষয়পূরনে সাহায্যে ...
01/03/2024

কাউন/ভুরোর চালের উপকারিতা
কাউনের চালের উপাদানঃ
কাউনের চালে রয়েছে অনেক জৈব উপাদান যা আমাদের দেহের গঠন, ক্ষয়পূরনে সাহায্যে করে থাকে।এই ছোট দানাবিশিষ্ট কাউনের চালে যে সকল জৈব উপাদান রয়েছে তার মধ্যে অন্যতম আমিষ, খনিজ লবন, প্রোটিন, ভিটামিন-বি, কার্বোহাইড্রেট, ডায়েটরি ফাইবার, পটাসিয়াম এবং পানি। এই সকল উপাদান সুস্বাস্থ্যের পক্ষে অগ্রনী ভূমিকা পালন করতে সক্ষম।
কাউনের চালে স্বাস্থ্যের উপকারিতাঃ
যে সকল জৈব উপাদান রয়েছে কাউনের চাউলে, সে সকল উপাদান আমাদের দেহ গঠনে এবং দৈনন্দিন জীবনে অনেক উপকার করে থাকে। নিম্নে এই চাউলের উপকারিতা সম্পর্কে ধারনা নেয়া যাক।
১) সাধারন চাউলের তুলনায় কাউনের চাউলে অনেক বেশি পুষ্টিগুন থাকার কারনে শারীরিক গঠনে অসাধারন ভূমিকা পালন করে থাকে।শরীরে ক্ষয়পূরন, দেহ গঠন, স্বাস্থ্যের স্বাভাবিক গঠন ইত্যাদিতে দারুন উপকার করে থাকে।
২) ডায়াবেটিক রোগীর জন্য কাউনের চাল এক কথায় সবচেয়ে উপযোগী এবং ডায়াটরি প্লান হিসাবে অগ্রনী ভুমিকা পালন করে থাকে।
৩) এই চালের আঁশ অনেক বেশি থাকার কারনে যেকোন ধরনের খাবার বানিয়ে খেলে অনেক সময় শক্তি সরবরাহ করে থাকে।
৪) কাউনের চালের উপাদান হিসাবে রয়েছে পটাসিয়াম।পটাসিয়াম আয়ন শরীরে নানা লবনের ঘাটতি পূরন করে থাকে।
৫) যে সকল মহিলারা গভবর্তী তাদের জন্য কাউনের চাল খুব দরকারি একটি শস্য। তারা সাধারন ভাতের পরিবর্তে খেলে, ম্যাগনেসিয়াম, পটাসিয়াম,ও আয়রনের উপাদান পূরন করে থাকে। এটা মহিলাদের জন্য খুবই দরকারি এবং উপকারি একটি খাবার।
৬) কাউনের চাল আঁশবিশিষ্ট হওয়ার কারনে পাস্থলী পরিস্কার এবং কোষ্টকাঠিন্য থেকে দূর করতে সক্ষম।
৭) যে সকল মানুষের দেহ মোটা এবং ঘনঘন খাওয়ার দরকার হয় তাদের জন্য একটি উপকারি খাবার।
৮) যে সকল মানুষ খারাপ চর্বি অর্থাৎ, যাদের খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরল রয়েছে তাদের শরীর থেকে এটা দূর করে সহয়তা করে এবং শরীরে এইচডিএলসি বৃদ্ধি করে থাকে।
৯) সাধারনত যারা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছে তাদের জন্য এটা উপকারি। একজন উচ্চ রক্তচাপবিশিষ্ট মানুষের শরীরে লবনের পরিমান বেড়ে গেলে সাধারনত উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকে। এই মাত্রাকে নিয়ন্ত্রন করতে কাউনের চালে থাকা পটাসিয়াম শরীরের লবনের ভারসাম্য রক্ষা করে থাকে।
১০) ভিটামিন এবং খনিজ লবন সমৃদ্ধ কাউনের চাল পরিপাকে অধিক সময় নেয়ার কারনে এটা দীর্ঘ সময় যাবত শক্তি বা এনার্জি সরবরাহ করে থাকে।
১১) কাউনের চালে রয়েছে ভিটামিন-সি। ভিটামিন-সি থাকার কারনে দেহে ক্ষত পূরন, দেহ গঠন এবং ভিটামিন-সি জনিত কারনে যে সকল রোগের সৃষ্টি হয় সেটা থেকে রেহায় দিতে এই চালের ভূমিকা রয়েছে।
উপরের এই সকল উপকারের কারনে পুষ্টি গবেষকগনকে একে “সুপারফুড” নামে অভিহিত করে থাকে।
কাউনের চালে রেসিপিঃ
কাউনের চালে নান ধরনের রেসিপি তৈরি করা যায়। সাধারন চালের মত কাউনের চাল দিয়ে, পোলাও, বিরিয়ানী, সাদা ভাত, ভূনা খিচুরি, পায়েশ, বিভিন্ন ধরনের বেকারিতে কাউনের চালের রেসিপি করা যায়।

কাউনের চাল অর্ডার করতে ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন।

কেন মধু খাবেন?/মধুর উপকারিতামধুর উপাদান :মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্...
01/03/2024

কেন মধু খাবেন?/মধুর উপকারিতা

মধুর উপাদান :মধুতে প্রায় ৪৫টি খাদ্য উপাদান থাকে। ফুলের পরাগের মধুতে থাকে ২৫ থেকে ৩৭ শতাংশ গ্লুকোজ, ৩৪ থেকে ৪৩ শতাংশ ফ্রুক্টোজ, ০.৫ থেকে ৩.০ শতাংশ সুক্রোজ এবং ৫ থেকে ১২ শতাংশমন্টোজ। আরও থাকে ২২ শতাংশ অ্যামাইনো অ্যাসিড, ২৮ শতাংশ খনিজ লবণ এবং ১১ শতাংশএনকাইম। এতে চর্বি ও প্রোটিন নেই। ১০০ গ্রাম মধুতে থাকে ২৮৮ ক্যালরি।
লেখক: প্রধান পুষ্টিবিদ

শক্তি প্রদায়ী : মধু ভালো শক্তি প্রদায়ী খাদ্য। তাপ ও শক্তির ভালো উৎস। মধু দেহে তাপ ও শক্তি জুগিয়ে শরীরকে সুস্থ রাখে।
হজমে সহায়তা: এতে যে শর্করা থাকে, তা সহজেই হজম হয়। কারণ, এতে যে ডেক্সট্রিন থাকে, তা সরাসরি রক্তে প্রবেশ করে এবং তাৎক্ষণিকভাবে ক্রিয়া করে। পেটরোগা মানুষের জন্য মধু বিশেষ উপকারী।
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: মধুতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স। এটি ডায়রিয়া ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ১ চা–চামচ খাঁটি মধু ভোরবেলা পান করলে কোষ্ঠবদ্ধতা এবং অম্লত্ব দূর হয়।
রক্তশূন্যতায়: মধু রক্তের হিমোগ্লোবিন গঠনে সহায়তা করে বলে এটি রক্তশূন্যতায় বেশ ফলদায়ক। কারণ, এতে থাকে খুব বেশি পরিমাণে কপার, লৌহ ও ম্যাঙ্গানিজ।
ফুসফুসের যাবতীয় রোগ ও শ্বাসকষ্ট নিরাময়ে: বলা হয়, ফুসফুসের যাবতীয় রোগে মধু উপকারী। যদি একজন অ্যাজমা (শ্বাসকষ্ট) রোগীর নাকের কাছে মধু ধরে শ্বাস টেনে নেওয়া হয়, তাহলে সে স্বাভাবিক এবং গভীরভাবে শ্বাস টেনে নিতে পারবে। অনেকে মনে করে, এক বছরের পুরোনো মধু শ্বাসকষ্টের রোগীদের জন্য বেশ ভালো।
অনিদ্রায়: মধু অনিদ্রার ভালো ওষুধ। রাতে শোয়ার আগে এক গ্লাস পানির সঙ্গে দুই চা–চামচ মধু মিশিয়ে খেলে এটি গভীর ঘুম ও সম্মোহনের কাজ করে।
যৌন দুর্বলতায়: পুরুষদের মধ্যে যাঁদের যৌন দুর্বলতা রয়েছে, তাঁরা যদি প্রতিদিন মধু ও ছোলা মিশিয়ে খান, তাহলে বেশ উপকার পাবেন।
প্রশান্তিদায়ক পানীয়: হালকা গরম দুধের সঙ্গে মিশ্রিত মধু একটি প্রশান্তিদায়ক পানীয়।
মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায়: মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য রক্ষায় মধু ব্যবহৃত হয়। এটা দাঁতের ওপর ব্যবহার করলে দাঁতের ক্ষয়রোধ করে। দাঁতে পাথর জমাট বাঁধা রোধ করে এবং দাঁত পড়ে যাওয়াকে বিলম্বিত করে। মধু রক্তনালিকে সম্প্রসারিত করে দাঁতের মাড়ির স্বাস্থ্য রক্ষা করে। যদি মুখের ঘায়ের জন্য গর্ত হয়, এটি সেই গর্ত ভরাট করতে সাহায্য করে এবং সেখানে পুঁজ জমতে দেয় না। মধু মিশ্রিত পানি দিয়ে গড়গড়া করলে মাড়ির প্রদাহ দূর হয়।
পাকস্থলীর সুস্থতায়: মধু পাকস্থলীর কাজকে জোরালো করে এবং হজমের গোলমাল দূর করে। এর ব্যবহার হাইড্রোক্রলিক অ্যাসিড ক্ষরণ কমিয়ে দেয় বলে অরুচি, বমিভাব, বুকজ্বালা এগুলো দূর করা সম্ভব হয়।
তাপ উৎপাদনে: শীতের ঠান্ডায় এটি শরীরকে গরম রাখে। এক অথবা দুই চা–চামচ মধু এক কাপ ফুটানো পানির সঙ্গে খেলে শরীর ঝরঝরে ও তাজা থাকে।
পানিশূন্যতায়: ডায়রিয়া হলে এক লিটার পানিতে ৫০ মিলিলিটার মধু মিশিয়ে খেলে দেহে পানিশূন্যতা রোধ করা যায়।
দৃষ্টিশক্তি বাড়াতে: চোখের জন্য ভালো। গাজরের রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে খেলে দৃষ্টিশক্তি বাড়ে।
রূপচর্চায়: মেয়েদের রূপচর্চার ক্ষেত্রে মাস্ক হিসেবে মধুর ব্যবহার বেশ জনপ্রিয়। মুখের ত্বকের মসৃণতা বৃদ্ধির জন্যও মধু ব্যবহৃত হয়।
ওজন কমাতে: মধুতে নেই কোনো চর্বি। পেট পরিষ্কার করে, চর্বি কমায়, ফলে ওজন কমে।
হজমে সহায়তা: মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি। তাই মধু সহজে হজম হয় এবং হজমে সহায়তা করে।
গলার স্বর: গলার স্বর সুন্দর ও মধুর করে।
তারুণ্য বজায় রাখতে: তারুণ্য বজায় রাখতে মধুর ভূমিকা অপরিহার্য। এটি অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বক সুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে। শরীরের সামগ্রিক শক্তি ও তারুণ্য বাড়ায়।
হাড় ও দাঁত গঠনে: মধুর গুরুত্বপূর্ণ উপকরণ ক্যালসিয়াম। ক্যালসিয়াম দাঁত, হাড়, চুলের গোড়া শক্ত রাখে, নখের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধি করে, ভঙ্গুরতা রোধ করে।
রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে: এতে রয়েছে ভিটামিন বি-কমপ্লেক্স, যা রক্তশূন্যতা ও কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।
আমাশয় ও পেটের পীড়া নিরাময়ে: পুরোনো আমাশয় এবং পেটের পীড়া নিরাময়সহ নানাবিধ জটিল রোগের উপকার করে থাকে।
হাঁপানি রোধে: আধা গ্রাম গুঁড়ো করা গোলমরিচের সঙ্গে সমপরিমাণ মধু এবং আদা মেশান। দিনে অন্তত তিনবার এই মিশ্রণ খান। এটা হাঁপানি রোধে সহায়তা করে।
উচ্চ রক্তচাপ কমায়: দুই চামচ মধুর সঙ্গে এক চামচ রসুনের রস মেশান। সকাল-সন্ধ্যা দুইবার এই মিশ্রণ খান। প্রতিনিয়ত এটার ব্যবহার উচ্চ রক্তচাপ কমায়। প্রতিদিন সকালে খাওয়ার এক ঘণ্টা আগে খাওয়া উচিত।
রক্ত পরিষ্কারক: এক গ্লাস গরম পানির সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধু ও এক চামচ লেবুর রস মেশান। পেট খালি করার আগে প্রতিদিন এই মিশ্রণ খান। এটা রক্ত পরিষ্কার করতে সাহায্য করে। তা ছাড়া রক্তনালিগুলোও পরিষ্কার করে।
রক্ত উৎপাদনে সহায়তা: রক্ত উৎপাদনকারী উপকরণ আয়রন রয়েছে মধুতে। আয়রন রক্তের উপাদানকে (আরবিসি, ডব্লিউবিসি, প্লাটিলেট) অধিক কার্যকর ও শক্তিশালী করে।
হৃদ্‌রোগে: এক চামচ মৌরি গুঁড়োর সঙ্গে এক বা দুই চামচ মধুর মিশ্রণ হৃদ্‌রোগের টনিক হিসেবে কাজ করে। এটা হৃৎপেশিকে সবল করে এবং এর কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায়: মধু শরীরের রোগ প্রতিরোধশক্তি বাড়ায় এবং শরীরের ভেতরে এবং বাইরে যেকোনো ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণ প্রতিহত করার ক্ষমতাও জোগান দেয়। মধুতে আছে একধরনের ব্যাকটেরিয়া প্রতিরোধকারী উপাদান, যা অনাকাঙ্ক্ষিত সংক্রমণ থেকে দেহকে রক্ষা করে।
তথ্যসুত্রঃ প্রথম আলো

সূলভ মূল্যে মান সম্মত মধু অর্ডার করতে ইনবক্সে ম্যাসেজ করুন অথবা কমেন্ট করুন।

আমাদের কাছে পাচ্ছেন -
১) সরিষা ফুলের মধু
২) বরই ফুলের মধু
৩) লিচু ফুলের মধু
৪) কালোজিরা ফুলের মধু
৫) সুন্দরবনের মধু
৬) গ্রামের প্রাকৃতিক চাকভাঙ্গা মধু
৭) ক্ষুদে(ছোট) মৌমাছির মধু।

চিয়াসিডের উপকারিতাবীজ জাতীয় যেকোনো খাবারই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। চিয়া সিডকে বলা হয় সুপারফুড। এতে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্...
01/03/2024

চিয়াসিডের উপকারিতা
বীজ জাতীয় যেকোনো খাবারই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারি। চিয়া সিডকে বলা হয় সুপারফুড। এতে আছে প্রচুর ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড, কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড ও ক্যাফিক এসিড নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, ক্যালসিয়াম এবং দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় খাদ্য আঁশ।
বিআরবি হাসপাতাল লিমিটেডের ডায়েটেটিকস ডিপার্টমেন্টের প্রধান পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'চিয়া সিড একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর খাবার৷ এতে আছে দুধের চেয়ে ৫ গুণ বেশি ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ বেশি ভিটামিন সি, পালং শাকের চেয়ে ৩ গুণ বেশি আয়রন, কলার চেয়ে দ্বিগুণ পটাশিয়াম, মুরগির ডিম থেকে ৩ গুণ বেশি প্রোটিন, এতে আছে স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ বেশি ওমেগা-৩। তাই খাদ্য তালিকায় সপ্তাহে অন্তত ৩-৪ দিন চিয়া সিড রাখতে পারেন।'
'সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর বা রাতে ঘুমাতে যাওয়ার ১ ঘণ্টা আগে বা যারা ব্যায়াম করেন, তারা ব্যায়ামের ১ ঘণ্টা পর চিয়া সিড খেতে পারেন', যোগ করেন তিনি।
পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতির মতে চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা
১। চিয়া সিডে আছে ওমেগা-৩, যা হৃদরোগের ঝুঁকি ও ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতেও সাহায্য করে
২। এটি শরীরের শক্তি ও কর্মক্ষমতা বাড়ায়
৩। প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকায় চিয়া সিড রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে আরও শক্তিশালী করে
৪। মেটাবলিক সিস্টেমকে উন্নত করার মাধ্যমে এটি ওজন কমাতে সহায়তা করে
৫। চিয়া সিড ব্লাড সুগার (রক্তের চিনি) স্বাভাবিক রাখে, যা ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি কমায়
৬। এতে আছে প্রচুর পরিমাণ ক্যালসিয়াম, যা হাড়ের স্বাস্থ্য রক্ষায় বিশেষ উপকারী
৭। চিয়া সিড কোলন পরিষ্কার রাখে। ফলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমে
৮। এটি শরীর থেকে টক্সিন (বিষাক্ত পদার্থ) বের করে দিতে সাহায্য করে
৯। চিয়া সিড পেটের প্রদাহজনিত বা গ্যাসের সমস্যা দূর করে
১০। ভালো ঘুম হতেও সাহায্য করে চিয়া সিড
১১। এই বীজ ক্যানসার রোধ করে
১২। চিয়া সিড হজমে সহায়তা করে
১৩। চিয়া বীজ হাঁটু ও জয়েন্টের ব্যথা দূর করে
১৪। চিয়া সিড অ্যাটেনশান ডেফিসিট হাইপার-অ্যাক্টিভিটি ডিসঅর্ডার দূর করে
১৫। এটি ত্বক, চুল ও নখ সুন্দর রাখে
এই সিড খাওয়ার নিয়ম বিষয়ে পুষ্টিবিদ সৈয়দা শিরিনা স্মৃতি জানান, দ্রুত ওজন কমাতে খালি পেটে সকালে ও রাতে ঘুমানোর আগে ১ গ্লাস পানির মধ্যে ২ চা চামচ চিয়া সিড ও ২ চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেলে ভালো ফলাফল পাওয়া যাবে। খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে পানিতে সাধারণ তাপমাত্রায় ভিজিয়ে রাখতে হবে। তবে, যেহেতু চিয়া সিডের নিজস্ব কোনো স্বাদ নেই, তাই এটি যে কোনো শরবত বা স্মুদি, কাস্টার্ড, টকদই বা অন্য কোনো খাবারের সঙ্গে মিশিয়েও খাওয়া যায়।

সূত্রঃ The Daily Star Bangla

খুচরা/পাইকারি মূল্যে চিয়াসিড নিতে ইনবক্সে নক করুন ।

পাইকারির জন্য মিনিমাম অর্ডার ১০ কেজি।

আউশ/আমন ধানের মুড়ি।নিতে চাইলে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।বি.দ্রঃ পণ্যের মান মানসম্মত না হলে ফেরত প্রদান করতে পারবেন।
19/02/2024

আউশ/আমন ধানের মুড়ি।
নিতে চাইলে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

বি.দ্রঃ পণ্যের মান মানসম্মত না হলে ফেরত প্রদান করতে পারবেন।

ভূরোর চাল নিতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।বি.দ্রঃ পণ্যের মান মানসম্মত না হলে ফেরত প্রদান করতে পারবেন।
18/02/2024

ভূরোর চাল নিতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

বি.দ্রঃ পণ্যের মান মানসম্মত না হলে ফেরত প্রদান করতে পারবেন।

কালোজিরার তেল অর্ডার করতে ইনবক্সে নক করুন। বি.দ্রঃ পণ্যের মান মানসম্মত না হলে ফেরত প্রদান করতে পারবেন।
18/02/2024

কালোজিরার তেল অর্ডার করতে ইনবক্সে নক করুন।

বি.দ্রঃ পণ্যের মান মানসম্মত না হলে ফেরত প্রদান করতে পারবেন।

নারকেল তেলভার্জিন গ্রেড(খাওয়া ও ব্যবহার করা যাবে)সাধারণ বা নরমাল(বাহ্যিক ব্যবহার শুধু) আগ্রহীগণ নিতে ইনবক্সে যোগাযোগ করু...
18/02/2024

নারকেল তেল
ভার্জিন গ্রেড(খাওয়া ও ব্যবহার করা যাবে)
সাধারণ বা নরমাল(বাহ্যিক ব্যবহার শুধু)
আগ্রহীগণ নিতে ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

বি.দ্রঃ পণ্যের মান মানসম্মত না হলে ফেরত প্রদান করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

অর্গানিক ফাংশনাল ফুড Karkuma Organic Healthy Gut আপনার পেট ভালো রাখতে সহায়তা করে। অর্ডার করতে ইনবক্সে নক করুন বা কমেন্ট ...
15/02/2024

অর্গানিক ফাংশনাল ফুড Karkuma Organic Healthy Gut আপনার পেট ভালো রাখতে সহায়তা করে।

অর্ডার করতে ইনবক্সে নক করুন বা কমেন্ট করুন।

কাঠের ঘানীর মাঘী  সরিষার তেল। আগ্রহীগণ ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
13/11/2023

কাঠের ঘানীর মাঘী সরিষার তেল।
আগ্রহীগণ ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

খোসা ছাড়ানো ঝুনা নারকেল। মিনিমাম অর্ডার ৫ পিস। আগ্রহীগণ ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।
13/11/2023

খোসা ছাড়ানো ঝুনা নারকেল।
মিনিমাম অর্ডার ৫ পিস।
আগ্রহীগণ ইনবক্সে যোগাযোগ করুন।

Address

Kushtia

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when একদর.কম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to একদর.কম:

Share