সর্দার মৎস বীজ উৎপাদন খামার

সর্দার মৎস বীজ উৎপাদন খামার মাছ উৎপাদন খামার

♦কার্পু মাছের রেনু ও ধানী পোনা♦উন্নত জাতের মা মাছ থেকে উৎপাদিত কার্পু মাছের রেনু ও দানী পোনা বিক্রি করা হয়রেণু প্রতি কেজ...
23/01/2024

♦কার্পু মাছের রেনু ও ধানী পোনা♦
উন্নত জাতের মা মাছ থেকে উৎপাদিত কার্পু মাছের রেনু ও দানী পোনা বিক্রি করা হয়
রেণু প্রতি কেজি ২০০০ টাকা মাএ
phone- 01860112343

05/10/2023
19/09/2023

১২০-১৪০ লাইনের পাঙ্গাশ মাছের পোনা
যোগাযোগ - 01860112343

♦কার্পু মাছের রেনু ও ধানী পোনা♦উন্নত জাতের মা মাছ থেকে উৎপাদিত কার্পু মাছের রেনু ও দানী পোনা বিক্রি করা হয়. phone 018646...
31/12/2022

♦কার্পু মাছের রেনু ও ধানী পোনা♦
উন্নত জাতের মা মাছ থেকে উৎপাদিত কার্পু মাছের রেনু ও দানী পোনা বিক্রি করা হয়. phone 01864606260
৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷ ৷ 01860112343

বিগহেড,সিলভার, গ্রাসকাপ,পুটি ও কার্পু মাছের রেনুর লাগলে যোগাযোগে করুন -সর্দার মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার লাকসাম, কুমিল্লা মো...
28/02/2022

বিগহেড,সিলভার, গ্রাসকাপ,পুটি ও কার্পু মাছের রেনুর লাগলে যোগাযোগে করুন -সর্দার মৎস্য বীজ উৎপাদন খামার
লাকসাম, কুমিল্লা
মোবাইল - 01860112343

“কার্প ফ্যাটেনিং” – কার্প জাতীয় মাছের বানিজ্যিক চাষ পদ্ধতি পুকুরের মাছ এক বছরেই বড় করা হয় ৬ থেকে ৭ কেজি। ১৫ থেকে ১৬ মাসে...
23/06/2018

“কার্প ফ্যাটেনিং” – কার্প জাতীয় মাছের বানিজ্যিক চাষ পদ্ধতি
পুকুরের মাছ এক বছরেই বড় করা হয় ৬ থেকে ৭ কেজি। ১৫ থেকে ১৬ মাসের মধ্যে ৮ থেকে ১০ কেজি। অল্প সময়ের মধ্যে মাছ এতো বড় করার পদ্ধতিকে বলা হচ্ছে
‘কার্প ফ্যাটেনিং’ ।
কার্প ফ্যাটেনিং পদ্ধতিতে পুকুরে বছর শেষে প্রতি বিঘায় এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ কেজি মাছের উৎপাদন পাওয়া যায়। বড় মাছ হওয়ার কারণে এসব মাছ প্রতি কেজি ৩৫০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি করা হয়। এতে বিঘা প্রতি ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকার পর্যন্ত মাছ বিক্রি করা সম্ভব। মাছ চাষিরা মাছ ছোট উৎপাদন করে প্রতি বিঘা থেকে বছর থেকে এক লাখ ৫০ হাজার থেকে সর্বোচ্চ এক লাখ ৮০ হাজার টাকার মাছ বিক্রি করা যেতো। তবে ‘কার্প ফ্যাটেনিং’ পদ্ধতিতে মাছ উৎপাদন করে এক দুই থেকে তিন গুণ বেশি মাছের চাষ করা সম্ভব হচ্ছে।
কার্প ফ্যাটেনিং পদ্ধতিঃ এ পদ্ধতিতে পুকুরে মাছ পাতলা করে চাষ করা হয়। সাধারণ পদ্ধতিতে বেশি মাছ পুকুরে ছেড়ে সামান্য বড় হতেই বাজারজাত করা হয়। কিন্তু ‘কার্প ফ্যাটেনিং’ পদ্ধতিতে মাছ পুকুরে পাতলা করে চাষ করা হয়।
এ পদ্ধতিতে প্রতি বিঘায় ১৫০ থেকে ২০০টি রুই, সিলভার কার্প ও কাতলা ৫০টি করে, মিরর কার্প ২৫ থেকে ৩০টি, মৃগেল ১৫০টি ও গ্রাস কার্প ৫টি করে চাষ করা হয়। পুকুরে সাধারণত যে পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা হয় তাতে প্রতি বিঘায় এ সংখ্যার তুলনায় ৫ থেকে ৬ গুণ বেশি মাছ চাষ করা হয়।
কার্প ফ্যাটেনিং পদ্ধতিতে মাছের পোনা নির্ধারণ করাই মুখ্য বিষয়। এ পদ্ধতিতে মাছ চাষ করতে হলে পোনাকে অধিক সংখ্যক (চাপে) একটি পুকুরে সংরক্ষণ করে রাখা হয়। অতি চাপে মাছের পোনা একটি পুকুরে ৭ থেকে ৮ মাস রাখা হয়। এরপরে পোনাগুলো ৪০০ থেকে ৫০০ গ্রাম ওজন হলে ‘কার্প ফ্যাটেনিং’ পদ্ধতিতে নির্ধারিত সংখ্যায় মাছ অন্য পুকুরে ছাড়া হয়। অল্প মাছের জন্য বেশি করে সুষম খাবার দেয়া হয়। এ পদ্ধতিতেই এক বছরেই মাছ ৮ কেজি থেকে ১০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।
তবে বর্তমান সময়ে এ পদ্ধতিতে নতুন একটি প্রক্রিয়া যোগ করেছে মাছ চাষিরা। কার্প ফ্যাটেনিং পদ্ধতিতে কার্প জাতীয় মাছের সঙ্গে মনোসেক্স জাতীয় তেলাপিয়া মাছ চাষ করা হয়। এ কার্প ফ্যাটেনিং এর নতুন একটি পদ্ধতি। এতে কার্প জাতীয় মাছের পাশাপাশি বিঘায় ২ হাজার টি মনোসেক্স তেলাপিয়া পুকুরে চাষ করা হয়। অবাক করা বিষয়টি হচ্ছে এ তেলাপিয়া মাছ একেকটি বছর শেষে এক কেজি ওজনের হয়ে থাকে।
কার্প ফ্যাটেনিং একটি নতুন ধারনা বাংলাদেশে। কার্প ফ্যাটেনিং যদি সারা বাংলাদেশে ছড়িয়ে দেয়া যায় তাহলে বাংলাদেশ মাছ উৎপাদনে প্রথম স্থানে চলে আসবে।

Address

Laksham
3570

Telephone

+8801860112343

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সর্দার মৎস বীজ উৎপাদন খামার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share