Organic fruits Buy and sell ‘‘সম্পূর্ণ বিষ মুক্ত ফল““

  • Home
  • Bangladesh
  • Lakshmipur
  • Organic fruits Buy and sell ‘‘সম্পূর্ণ বিষ মুক্ত ফল““
Call Directions

Organic fruits  Buy and sell ‘‘সম্পূর্ণ বিষ মুক্ত ফল““ 🍎🍇 এখানে সকল প্রকার বিষমুক্ত (Organic) ও সিজনাল ফল বিক্রি করা হয়।

🌳🌳 আমের বিখ্যাত অঞ্চল বরেন্দ্রভূমি সাপাহার থেকে কার্বাইডমুক্ত, ইথোফিনমুক্ত (কেমিক্যালমুক্ত) আম। যা আপনার সন্তান ও ফ্যামি...
05/07/2026

🌳🌳 আমের বিখ্যাত অঞ্চল বরেন্দ্রভূমি সাপাহার থেকে কার্বাইডমুক্ত, ইথোফিনমুক্ত (কেমিক্যালমুক্ত) আম। যা আপনার সন্তান ও ফ্যামিলীর জন্য খুবই উপকারী 🥭 ✅

অথবা আপনার বৃদ্ধ বাবা-মা, বোন / ভাই, বন্ধু বা কলিগকে পাঠিয়ে দেব আপনান অর্ডারে হোম ডেলিভারির মাধ্যমে ইনশাআল্লাহ। 🚚🎁🥭

আমাদের প্যাকেজ ২টি 📋
📦 ২২ কেজি (ফ্যামিলি প্যাক): 0000 টাকা।
(হাতে পৌঁছানো সহ)
📦 ১২ কেজি (স্মল প্যাক): 0000 টাকা।
(হাতে পৌঁছানো সহ)

ম্যাম / স্যার আপনার কোন প্যাকটি প্রয়োজন?
২২ কেজিরটি না ১২ কেজিরটি ? Or more?

#অর্গানিক_আম #অর্গানিক_খাবার #প্রাকৃতিক_খাদ্য #তাজা_ফল #স্বাস্থ্যকর_খাবার #কেমিক্যালমুক্ত #ফার্ম_টু_টেবিল #নিরাপদ_খাদ্য #বাংলাদেশি_আম

05/07/2026

🌳🌳 আমের বিখ্যাত অঞ্চল বরেন্দ্রভূমি সাপাহার থেকে কার্বাইডমুক্ত, ইথোফিনমুক্ত (কেমিক্যালমুক্ত) আম। যা আপনার সন্তান ও ফ্যামিলীর জন্য খুবই উপকারী 🥭 ✅
For order- 01892-52 8811

#আম
#ফ্রুটস

30/06/2026

Looking for fresh, naturally ripened mangoes?

11/05/2021

ইনশাআল্লাহ খুব শিগ্রই ১০০% অর্গানিক আম পাওয়ার জন্য ফ্রি অগ্রিম অর্ডার নেওয়া হচ্ছে

প্রচুর ব্যাস্ত সময় যাচ্ছে, আমাকে যারা আমের জন্য ম্যাসেঞ্জারে নক করছেন, কিন্ত আমি সময় মতো রিপ্লাই করতে না পারার জন্য খুবই...
15/06/2020

প্রচুর ব্যাস্ত সময় যাচ্ছে, আমাকে যারা আমের জন্য ম্যাসেঞ্জারে নক করছেন, কিন্ত আমি সময় মতো রিপ্লাই করতে না পারার জন্য খুবই দুখিঃত। আপনারা প্লিজ সরাসরি ফোন করুন।
01788 320101

05/06/2020

One marketplace, millions of professional services. Browse. Buy. Done.

20/05/2020

রাজশাহীর পিওর,নিরাপদ , বিষ,এবং কেমিক্যাল মুক্ত ফ্রেশ আম।
প্রি-অর্ডার করতে:
আপনার নাম ,ফোন নম্বর,ঠিকানা ,আমের পরিমাণ লিখে পাঠিয়ে দিন।
আম বাজার এ আসলে /ডেলিভারি দেয়া শুরু করার আগে আপনাদের জানানো হবে আমের দাম এই পেজ এর মাধ্যমে।
ঈদ এর পরে আমরা ডেলিভারি শুরু করবো
***** ক্রমান্বয়ে যে সব আম ডেলিভারি করবো। ............
১। গোপালভোগ
২। খিরসাপাত (হিমসাগর),
৩। ল্যাংড়া, আমরুপালী, হাঁড়িভাঙা,
৪। ফজলি,
৫। আশিনভোগ
সহ আরো অনেক ভাল জাতের আম।
এ ছাড়া আপনাদের অর্ডার অনুযায়ী অন্যান্য আম ডেলিভারি করবো।

20/05/2020

কেন খাবেন অর্গানিক ফুড?
===================
সুস্বাস্থ্যের জন্য চাই নিরাপদ খাবার। বর্তমানে ভেজাল খাবারের জলোচ্ছ্বাসে কথাটি মনে কৌতুহল জাগাতে পারে। নিরাপদ খাবার আবার কোনটি? অর্গানিক ফুডকে বলা হচ্ছে সেই ধরনের খাদ্য। বিশ্বব্যাপী এ নিয়ে চলছে ব্যাপক প্রচারণা। বাংলাদেশে না হলেও বহির্বিশ্বে এখন টক অব দ্য ইস্যু অর্গানিক ফুড। বিভিন্ন এনজিও, দাতব্য প্রতিষ্ঠান, স্বাস্থ্য সংস্থা জনগণের মাঝে এর উপকারিতা তুুলে ধরে মোটিভেশনের কাজ করছে। প্রতি বছর কোটি কোটি ডলার ব্যয় করছে। কিন্তু কেন? নেপথ্যে কারণগুলো জানার প্রয়াস চালানো হলো-
অর্গানিক ফুড কি?
অর্গানিক ফুড হলো তাই যা উৎপাদনে কোনো রাসায়নিক সার, বিষ, কীটনাশক ব্যবহার করা হয় না। রক্ষণাবেক্ষণেও কোনো কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। এক কথায়, একেবারেই প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত খাদ্যশস্য, শাকসবজি, মাছ, মাংস, দুধ, ডিমকে অর্গানিক ফুড বলে।
এখন সুস্বাস্থ্য রক্ষা, দীর্ঘায়ু লাভ ও সুষ্ঠু-সুন্দর জীবনযাপনে অর্গানিক ফুডের অপরিহার্যতা নিয়ে আলোচনা করা হবে। এর আগে চলুন জেনে নিই বাজারজাত কোন খাদ্যে কি মেশানো হচ্ছে-
* বিষাক্ত কার্বাইড দিয়ে পাকানো হয় ফলমূল।
* মাছ, মাংস, দুধ, শাকসবজি, ফলমূল পচনের হাত থেকে রক্ষার্থে ব্যবহৃত হয় ফরমালিন।
* জিলাপি, চানাচুরে মেশানো হয় মবিল।
* বিস্কুট, সেমাই, নুডলস, পাউরুটিতে টেক্সটাইল-লেদারের রং মেশানো হয়।
* মুড়িতে চলছে ইউরিয়া-হাইড্রোজের অবাধ ব্যবহার।
* দুধে ফরমালিন, স্টার্চ ও মেলামাইন মেশানো হয়।
* মুরগি ও মাছের খাদ্যে ক্রোমিয়াম, বিষাক্ত রাসায়নিক যুক্ত ট্যানারি বর্জ্য ও অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হয়।
* সয়াবিন তেলে ভেজাল হিসেবে ব্যবহার করা হয় মাত্রাতিরিক্ত এসিটিক এসিড।
* চিনিতে মেশানো হয় চক পাউডার ও ইউরিয়া সার।
* আটা ও ময়দাতে মেশানো হয় বিষাক্ত চক পাউডার।
* মাখন ও ঘিতে ক্ষতিকর মার্জারিন ও পশুর চর্বি মেশানো হয়।
* তরমুজ বিষাক্ত রঙের ইনজেকশন দিয়ে লাল করা হয়।
* মিষ্টিতে ব্যবহৃত হচ্ছে স্যাকারিন, ময়দা, চালের গুঁড়া ও টিস্যু পেপার।
* ঝাঁজ ও গন্ধ বজায় রাখতে সরিষার তেলে মেশানো হয় অ্যালাইল আইসো-থায়োসায়ানাইড।
* সরিষার তেলে রেড়ির তেল, পাম তেল, পোড়া মবিল, পশুর চর্বি, মরিচের গুঁড়া, খনিজও ব্যবহার করা হয়।
* সয়াবিন তেলে মেশানো হয় পাম অয়েল ও ন্যাপথলিন।
* গুড়ে ফিটকিরি, ডালডা, আটা ও বিষাক্ত টেক্সটাইল রং মেশানো হয়।
* ঘাসের বীজ বা ছোট কাওনের (পাখির খাবার) সঙ্গে ক্ষতিকর রং মিশিয়ে তৈরি হয় গুঁড়া মসলা।
* নিষিদ্ধ মোম, নিম্নমানের রং, ট্যালকাম পাউডার ও ঘন চিনি ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে চকোলেট।
* মোড়কজাত ফলের রসে (জুস) বিষাক্ত রং ও কেমিক্যাল ব্যবহার করা হচ্ছে।
* বিষাক্ত পাউডার ও রং দিয়ে তৈরি হচ্ছে বিদেশি ব্র্যান্ডের চকোলেট ও আইসক্রিম।
* কেক, জেলি ও সসে ব্যবহার করা হয় কৃত্রিম গন্ধ, রাসায়নিক ও বিষাক্ত রং।
* এনার্জি ড্রিংকে ব্যবহার করা হয় ক্যাফেইন ও যৌন উত্তেজক পদার্থ সিলডেনাফিল সাইট্রেট।
বিভিন্ন কেমিক্যাল মেশানো খাবার খেলে যেসব ক্ষতি হয়-
* লিভার ও কিডনি অকেজো হয়ে যায়। হার্ট দুর্বল করে দেয়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়।
* ফরমালডিহাইড চোখের রেটিনার কোষ ধ্বংস করে দেয়। ফলে মানুষ অন্ধ হয়ে যায়।
* তাৎক্ষণিকভাবে ফরমালিন, হাইড্রোজেন পার অক্সাইড, কার্বাইডসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহারের কারণে পেটের পীড়া, হাঁচি, কাশি, শ্বাসকষ্ট, বদহজম, ডায়রিয়া, আলসার, চর্মরোগসহ বিভিন্ন রোগ হয়ে থাকে।
* ফরমালিনযুক্ত খাদ্য গ্রহণের ফলে পাকস্থলী, ফুসফুস ও শ্বাসনালিতে ক্যান্সার হয়। অস্থিমজ্জা আক্রান্ত হওয়ার ফলে রক্তশূন্যতাসহ অন্যান্য রক্তের রোগ, এমনকি বøাড ক্যান্সারও হতে পারে। এতে মৃত্যু অনিবার্য।
* ফরমালিন মানবদেহে ফরমালডিহাইড ফরমিক এসিডে রূপান্তরিত হয়ে রক্তের এসিডিটি বাড়ায়। ফলে শ্বাসপ্রশ্বাস অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করে।
* ফরমালিন ও অন্যান্য কেমিক্যাল সামগ্রী সব বয়সী মানুষের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ। তবে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ শিশু ও বৃদ্ধদের ক্ষেত্রে। ফরমালিনযুক্ত দুধ, মাছ, ফলমূল এবং বিষাক্ত খাবার খেয়ে দিন দিন শিশুদের শারীরিক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হারিয়ে যাচ্ছে। কিডনি, লিভার ও বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ নষ্ট, বিকলাঙ্গতা, এমনকি মরণব্যাধি ক্যান্সারসহ নানা জটিল রোগে আক্রান্ত হচ্ছে শিশু-কিশোররা। শিশুদের বুদ্ধিমত্তা দিন দিন লোপ পাচ্ছে।
* গর্ভবতী মেয়েদের ক্ষেত্রেও মারাত্মক ঝুঁকি রয়েছে। সন্তান প্রসবের সময় জটিলতা, বাচ্চার জন্মগত দোষত্রুটি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। প্রতিবন্ধী শিশুর জন্ম হতে পারে।
* কার্বাইড মস্তিস্কে অক্সিজেনের সরবরাহে বাধা প্রদান করে। ফলে দেখা দিতে পারে মাথাব্যথা, মাথাঘোরা, ঘুমঘুমভাব, কনফিউশন বা অস্থিরতা, পারিপার্শিক অবস্থা সম্বন্ধে ভুলে যাওয়া, স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়া, খিঁচুনি এমনকি কোমা।
* ভুগতে পারেন স্নায়ুঘটিত / সংক্রান্ত মারাত্মক সমস্যায়।
* ত্বকে চুলকানি, জ্বালাপোড়া করা বা ঘা, চোখ জ্বালাপোড়া করা, চোখ দিয়ে পানি পড়া, মুখে ক্ষত ও গিলতে কষ্ট হতে পারে।
এছাড়া হতে পারে আলসার, হাইপার এসিডিটি, জন্ডিস, লিভার ও কিডনি ফেইলর। এমনকি হৃদরোগ, স্ট্রোকের সঙ্গেও দেখা হয়ে যেতে পারে।
ইমপ্রুভিং ফুড সেফটি অব বাংলাদেশের সিনিয়র ন্যাশনাল অ্যাডভাইজার ও স্বাস্থ্য অধিদফতরের সাবেক মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. শাহ মনির হোসেন জানান, মাছ ও মুরগির খাদ্যে বিষাক্ত রাসায়নিক থাকলে কিংবা উচ্চমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হলে তা যখন মানুষ খাবে, তখন শরীরে এগুলো ছড়িয়ে পড়বে। খামারগুলোয় উৎপাদিত মাছ-মাংসে দেশের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ পুষ্টির চাহিদা মিটলেও বাস্তবে এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কতটুকু হচ্ছে, তা সহজেই অনুমেয়।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, দেহে পুষ্টির জন্য মানুষের সব ধরনের খাদ্যই প্রয়োজন। কিন্তু রোগ প্রতিরোধে দরকার থাকলেও আমরা কি পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করছি? নিঃসন্দেহে বলা চলে, না। কারণ যা খাচ্ছি, তা শুধু ক্ষতিকরই নয়, এতে দেহে নিজের অজান্তেই বাসা বাঁধছে সব জটিল রোগব্যাধি।
বাংলাদেশে গত কয়েক বছরে ক্যান্সার, হৃদরোগ, কিডনি ও লিভারের রোগের ব্যাপক বিস্তারের জন্য দায়ী করা হয় অনিরাপদ ওই খাদ্য বা খাদ্যে বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদানকে।
জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ক্রোমিয়াম থেকে কেবল ক্যান্সার, হৃদরোগ, আলসার, কিডনির রোগই নয়, মানবদেহে অতিরিক্ত তা প্রবেশে পুরুষত্বহীনতা, অকাল প্রসব, বিকলাঙ্গ শিশুর জন্ম, অ্যাজমা, শ্বাসকষ্ট, চর্মরোগও হয়ে থাকে।
বাজারের খাদ্য কতটা বিপজ্জনক কয়েকটি পত্রিকার হেডলাইনে চোখ বুলালেই বোঝা যায়-
* ভেজালের অক্টোপাসে বিপন্ন জীবন, দৈনিক সংগ্রাম, ২৮ জুন, ২০১৫
* খাদ্যে ভেজাল ও আমরা, প্রথম আলো, ১৫ ফেব্রæয়ারি, ২০১৪
* খাদ্যে ভেজাল ও বিষ, দৈনিক ইনকিলাব, ৪ এপ্রিল, ২০১৫
* ফলমূল ও খাদ্যে ভেজাল, সচেতনতা জরুরি, জুরি নিউজ, ৯ জানুয়ারি, ২০১২
* খাদ্যে ভেজালের মহোৎসব, দিনাজপুর নিউজ, ১৫ মার্চ, ২০১৫
* খাদ্যে ভেজালের কারণে ৩ কোটি লোক কিডনিজনিত রোগে ভুগছে, বাসস, ২৩ আগস্ট, ২০১৪
* ভেজাল খাদ্যে হুমকিতে মানুষ, বাংলাদেশ প্রতিদিন, ৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৪
* ২০ ধরনের বিষাক্ত পদার্থ বয়ে বেড়াচ্ছে মাছ মুরগি, বিডিলাইভটোয়েন্টিফোর, ১৬ ডিসেম্বর, ২০১৪
যে কারণে খেতেই হবে অর্গানিক ফুড: প্রথমত, খাদ্যে বিষক্রিয়া থেকে নিজেদের ও সন্তানদের বাঁচাতে হবে। দ্বিতীয়ত, আমাদের শরীরযন্ত্র চলে আদি নিয়মে, তাই খাবারও হতে হবে আদিম রুলসে উৎপাদিত। এজন্য আমাদের সচেতন হওয়ার এখনই সময়।
শুরুতে বিশ্বের নানা প্রান্তে অর্গানিক ফুড কথাটার বিরোধিতা করা হয়েছিল। বিজ্ঞানীরাও দ্বিধান্বিত ছিলেন এর উপকারিতা নিয়ে। তবে ২০১৪ সালে নিউ ক্যাসল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক প্রমাণ করেন অর্গানিক ফুডের উপকারিতা। তাদের গবেষণায় দেখা গেছে, সাধারণ সার মিশ্রিত ফসলের চেয়ে অর্গানিক ফসলে কীটনাশকের পরিমাণ এক চতুর্থাংশের চেয়েও কম। বিষাক্ত ধাতব উপাদানও কম। তাই এতে ক্যান্সার প্রতিরোধী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট অনেক বেশি মাত্রায় থাকে। লাভ করা যায় দীর্ঘায়ু। এছাড়া রাসায়নিক ব্যবহার না করার কারণে জমির উর্বরতা বজায় থাকে। ফলে ফলন বেশি দিন পাওয়া যায়।
অর্গানিক ফুডকে জিএম ফুডের বিপরীত ফুড বলা হয়। জিএম ফুড হলো জেনেটিক্যালি মডিফাইড ফুড। সাধারণভাবে আমাদের কাছে যা হাইব্রিড নামে পরিচিত। বিশ্বের ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা ও ক্রমহ্রাসমান ফসলি জমির দরুন কিছুদিন আগে এ ফুডকে বিজ্ঞানের কল্যাণে প্রাপ্ত নিয়ামত ভাবা হলেও এখন তা হচ্ছে না। বর্তমানে প্রায় সব বিজ্ঞানীই এ ব্যাপারে একমত, জিএম ফুডে খরচের চেয়ে লাভ বেশি হলেও শারীরিক ক্ষতি ঢের। তাই এর জায়গা দখল করছে অর্গানিক ফুড। এ ফুডের আওতায় ধান, গম, আলু, পটল ও শাকসবজিসহ অন্যান্য কৃষিজাতদ্রব্য ও গবাদিপশু রয়েছে।
আমাদের দেশে অর্গানিক ফুড কথাটি গত কয়েক বছর ধরে শোনা গেলেও এখন অবধি অনেকেই জানেন না, এটি আসলে কী? দু’এক বছর আগেও গ্রামাঞ্চলে তো নয়ই, শহুরে শ্রেণিতেও খুব অল্প সংখ্যক মানুষ অর্গানিক ফুডের সঙ্গে পরিচিত ছিলেন। তবে, ইদানীং অবস্থা পাল্টাচ্ছে। সুপারশপগুলো ঘুরে দেখা যায়, লোকজন এ ফুডের ব্যাপারে আগ্রহী। অর্থাৎ, বাজারে অর্গানিক ফুডের চাহিদা সৃষ্টি হয়েছে, হচ্ছে।
চাহিদা থাকা সত্তে¡ও সেভাবে তা উৎপাদিত হচ্ছে না। অনেক কৃষক জানেন না অর্গানিক ফুড কী? বিএডিসির (বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন) কৃষি কর্মকর্তা হাসনে মাহজাবীন জানান, অর্গানিক ফুড অবশ্যই ভালো। তবে, দরিদ্র কৃষকদের সেটি বোঝানো খুব মুশকিল। তারা চায় কম খরচে বেশি লাভ। তাই এখনো তেমনভাবে গ্রামাঞ্চলে এর প্রসার ঘটছে না। সরকারি পর্যায়ে অর্গানিক ফুডের উৎপাদন খরচ কমানো যায় কি না সেটির গবেষণা চলছে।
বাংলাদেশে অর্গানিক ফুডের প্রথম প্রচলনকারী হলেন বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ফরহাদ মাজহার। কয়েক দশক ধরে তিনি নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে এ ফুডের বাজার সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছেন। তার নয়া কৃষি আন্দোলন মূলত অর্গানিক ফুড বা নিরাপদ আহার আন্দোলনেরই প্রতিরূপ।
এখন অনেকেই এ ফুডের দিকে ঝুঁকছেন। কেউ কেউ ব্যবসায়ও শুরু করেছেন। বাইরে থেকে আমদানিও হচ্ছে এ ধরনের খাদ্যদ্রব্য। ফসলের পাশাপাশি অনেকে গবাদি পশুও উৎপাদন করছেন অর্গানিক পদ্ধতিতে।
প্রচারণা, সচেতনতা: অর্গানিক ফুডের প্রসারে মানুষকে সচেতন করতে হবে। এক্ষেত্রে অগ্রণী ভ’মিকা রাখতে পারে গণমাধ্যম। এ নিয়ে নানা অনুষ্ঠান ও পাবলিকেশন প্রচার ও প্রকাশের মাধ্যমে উৎপাদক পর্যায়ে এর উপকারিতা বোঝাতে হবে। সরকারকেও এগিয়ে আসতে হবে। বেসরকারিভাবে উদ্যোগের ফলে দাম একটু বেশি হয়ে যায়। তাই এটাকে কৃষকপর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে। কৃষক শুরুতেই আগ্রহী হবেন না। তবে, সরকারিভাবে উদ্যোগ নিয়ে অন্তত প্রথম কয়েকটি বছর ভর্তুকির মাত্রা বাড়িয়ে চাষের উদ্যোগ নিলে তাদের সচেতন করা সম্ভব। বিশ্বকে সুস্থ সুন্দর রাখতে অর্গানিক ফুড অপরিহার্য।

সীমাবদ্ধতা: বাংলাদেশের মতো দরিদ্র দেশে অর্গানিক ফুডের উপযোগিতা নিয়ে প্রশ্নও উঠছে। বর্তমানে অর্গানিক ফুড সোনার হরিণ। যা বেশিরভাগ সাধারণ মানুষের আয়ত্তের বাইরে। সাধারণ খাবার কিনতেই যেখানে নিম্নবিত্তদের নাভিশ্বাস উঠছে, সেখানে চড়া দামে খাদ্যদ্রব্য কিনে খাওয়া দুঃসাধ্য বটে। তবু খেতে হবে অর্গানিক ফুড।

20/05/2020

বাংলাদেশে যে কোন স্থান হতে ডাইরেক্ট সেল অর্থাত চাষা হতে সরাসরি ম্যান টু ম্যান মাধ্যম যারা বিষ মুক্ত ফল খেতে চান, তারা সরাসরি যোগাযোগ করুন-01788320101/ 01639788380/ 01823155583

Address

Badamtoli Old Dhaka
Lakshmipur
1215

Telephone

01788320101

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Organic fruits Buy and sell ‘‘সম্পূর্ণ বিষ মুক্ত ফল““ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share