কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র

কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র /anikahamad.hridoy
পেইজে লাইক কমেন্ট করে সাথেই থা?

04/11/2022
https://www.facebook.com/maa.Duck.farm24.coom/photos/a.107910100780997/107936694111671/?type=3
21/03/2022

https://www.facebook.com/maa.Duck.farm24.coom/photos/a.107910100780997/107936694111671/?type=3

গরুর খামার গড়ে স্বাবলম্বী সুমনা

পীরগঞ্জে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্স পড়–য়া ছাত্রী সুমনা বেগম লেখাপড়ার পাশাপাশি তিল তিল করে গড়ে তুলেছেন স্বপ্নের গরুর খামার। তার খামারে প্রায় ২০ লাখ টাকা মূল্যের ১৮টি বিদেশী জাতের গরু রয়েছে। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের আত্মপ্রত্যয়ী ওই ছাত্রী উপজেলা সদরের ওসমানপুরের জসিম উদ্দিন মণ্ডলের মেয়ে।

সরেজমিন খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পীরগঞ্জ উপজেলা সদরের ওসমানপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন মণ্ডলের মেয়ে সুমনা বেগম। পড়ালেখা করা অবস্থায় তার বিয়ে হয়। তার স্বামী শাহীন মিয়া সোনালী ব্যাংকের কর্মকর্তা। বিয়ের পর সুমনা বিগত ২০১২ সালে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে অনার্সে ভর্তি হন। পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি গরুর খামার করার ইচ্ছা পোষণ করেন। এক সময় তার বাবা ও স্বামীর কাছ থেকে কিছু টাকা নিয়ে ২০১২ সালেই বিদেশী জাতের ২টি বকনা বাছুর দিয়ে খামার গড়ার স্বপ্নের বীজ বুনেন। বকনা বাছুর ২টি বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে সুমনার স্বপ্নও বড় হতে থাকে। একপর্যায়ে বাছুর ২টিও বাচ্চা প্রসব করে। গরুর সংখ্যা হয় ৪টি। এভাবে গরুর সংখ্যা বাড়তে থাকে। পড়ালেখার ফাঁকে ফাঁকে চলে তার গরুর লালন-পালন। পীরগঞ্জ থেকেই বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস করেন আত্মপ্রত্যয়ী ওই ছাত্রী। গরুর দুধ বিক্রি করে গরুর খাবার আর বাড়তি কিছু আয় জমা হতে থাকে।

এভাবে কিছুদিন চলার পর সুমনা দুধ উৎপাদন থেকে গরু মোটাতাজাকরণের জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। স্বামীর উৎসাহে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি পান ওই ছাত্রী। একপর্যায়ে উপজেলা সদরে খামারের জায়গা না পেয়ে স্বামীর মামার বাড়ি উপজেলার সুকানচৌকিতে গরুর খামারটি স্থানান্তর করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ালেখার চাপ বেড়ে যাওয়ায় সুমনা গরু লালন-পালনের জন্য ২ জনকে নিয়োগ দেন। সুমনা জানান,পত্রিকায় খামারের খবর পড়ে আমি উৎসাহিত হয়েছি। আগে কিছুদিন দুধ উৎপাদন করেছি। এতে দুধ দোহন ও বিক্রি করা খুবই সমস্যা হতো।

তাই এখন মোটাতাজাকরণ পদ্ধতির দিকে ঝুঁকেছি। সরকারিভাবে ঋণ পেলে খামারটি আরও বড় করতে পারতাম। সুমনার স্বামী শাহীন মিয়া বলেন, সুমনা ভালো ছাত্রী। পাশাপাশি তার গরুর খামারেও সে বেশ উৎসাহী। আমার চাকরির কারণে সময় দিতে না পারলেও তাকে উৎসাহ দিয়ে থাকি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাসুদার রহমান সরকার বলেন, সুমনার গরুর খামারে গিয়েছি। অনেক গরু রয়েছে। তাকে সরকারিভাবে সহযোগিতা করলে খামারটি বড় হতে পারে। আমরা তাকে প্রশিক্ষণ দেয়ার জন্য নির্বাচিত করেছি।

29/08/2020

PUBG HARAM | মক্কা শরীফকে নিয়ে খেলা হচ্ছে এখানে | এখোনি ডিলিট করে দিন এই গেম | আসল তথ্য যেনে নিন !
অনিক আহ্মেদ হৃদয়

আসুন আজকে হাঁসের বিভিন্ন রোগ বালাই ও চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করি।১।ডাক ভাইরাল হেপাটাইটিস #এটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা p...
12/07/2020

আসুন আজকে হাঁসের বিভিন্ন রোগ বালাই ও চিকিৎসা সম্পর্কে আলোচনা করি।
১।ডাক ভাইরাল হেপাটাইটিস
#এটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ যা picorna virus দিয়ে হয়।
# হঠাত আক্রান্ত হয় এবং দ্রুত বিস্তার লাভ করে ও সবুজ পায়খানা করে।
# বাচ্চা গুলি চোখ বন্ধ করে রাখে এবং বসে থাকে ও এক পাশে কাত হয়ে শুয়ে থাকে।
চিকিৎসা; চিকিসায় ভাল রিজাল্ট পাওয়া যায়না
টিকা; হে পাটোভেক্স ০.৩ সি সি করে;৩-১১ সপ্তাহে ১ম টিকা চামড়ার নিচে এবং ৪ সপ্তাহ পর আবার দিতে হবে
২।ডাক প্লেগ।
এটি ডাক প্লেগ ভাইরাস দিয়ে হয়।
প্রতি বছর অনেক হাস এই রোগে মারা যায়।মৃত্যহা র ১০০ পর্যন্ত হতে পারে।
#হঠাত আক্রান্ত হয় এবং অনেক মারা যায় যেতে থাকে ও ডিম কমে যায়।
#পানি বেশি খায় এবং পুরুষ হাসের পুংলিংগ অবশ হয়ে বের হয়ে আসে।
চোখের পাতা ফুলে যায়, পানি পড়ে ও ময়লা জমে,ঘাড় পাশে বা পিছনের দিকে বেকে যায় ও মারা যায়।
চিকিৎসাঃ
চিকিৎসা দিলে ভাল রিজাল্ট পাওয়া যায় না।
টিকা;
১ম বার ২১-২৮দিনে,২য় বার ১৫ দিন পর মানে ৩৬-৪৩ দিনে বুকের মাংসে।পরবরতিতে ৪-৫ মাস পর পর।
সরকারী টিকা ১০০ডোজ,১০০ মিলি ডিস্টিল পানির সাথে মিশিয়ে বুকের মাংসে ১এম এল করে ইনজেকশন দিতে হবে।
৩।ডাক কলেরা;
এটি পাস্টোরেলা মাল্টোসিডা নামক ব্যাক্টেরিয়া দিয়ে হয়।মৃত্যহার ৫০%।৪ সপ্তাহের অধিক বয়সের হাস আক্রান্ত হয়।
#খাবার কমে যায় এবং জর আসে।
#পা প্যারালাইসিস হয় এবং সবুজ পায়খানা হয় ও পানি বেশি খায়।
চিকিৎসাঃ
জেন্টামাইসিন এবং পটেনশিয়াল সালফোনেমাইড( মাইকোনিড, কসুমিক্স ভাল কাজ করে।
টিকা;
১ম বার ৪৫-৬০ দিনে ,২য় বার বুস্টার ডোজ ১৫ দিন পর ৬০-৭৫ দিন পর,ডানার তলদেশে পালক এবং শিরা বিহীন স্থানে চামড়ার নিচে।পরবরতিতে ৪-৫ মাস পর পর।
১০০ ডোজ
৪।মাইকোটক্সিকোসিস;
হাস বাহিরে খায় বলে অনেক ছত্রাক আক্রান্ত খাবার এবং দূষিত পানি খেয়ে ফেলে ফলে সহজেই এরা আক্রান্ত হয়ে পড়ে।
#খাবার কম খায়,ডিম কমে যায়, খোসা পাতলা হয় ও ডিমে রক্ত দেখা যায়
#হঠাত মারা যায়
চিকিৎসাঃ
পুরান খাবার বাদ দিয়ে নতুন ভাল খাবার দিতে হবে এবং টক্সিনিল প্লাস পানিতে দিতে হবে ৫-৭ দিন।
৫।আমাশয়;
হাসে বাচ্চা আক্রান্ত হয়,টাইজেরিয়া পারনিসিয়া নামক প্রোটোজোয়া দিয়ে এ রোগ হয়।
লক্ষণঃ
#ওজন কমে যায়,খাবার কম খায়না,দুরবল হয়ে পড়ে এবং দাড়াতে পাড়েনা।
#প্রথমে সাদা ,পড়ে রক্ত মিশ্রিত পায়খানা করে ও মারা যায়।
চিকিৎসা
ই এস বি৩ ২-২.৫ গ্রাম প্রতিলিটার পানিতে সব সময় ৫ দিন ।
৬।বটুলিজম
এই রোগ অত্যন্ত মারাত্মক হয়ে থাকে। সাধারণত হাঁস ময়লা কিংবা নোংরা পানিতে বেশি দিন থাকলে এই রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
তাছাড়া হাঁসের আরো কিছু রোগ হয়ে থাকে। যেমনঃ
*ডিম আটকে যাওয়া
*পায়ে সমস্যা মানে ভিটামিন নিয়াসিনের ঘাটতি, ইত্যাদি।
তবে মনে রাখবেন সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারলে হাঁস পালন অবশ্যই একটি লাভজনক ব্যবসা।
খাকি ক্যাম্পবেল হাঁসের খামার

▪চিতল মাছ▪আসসালামুআলাইকুম,,,☑▪আপনারা সবাই কেমন আছেন,এবার আমি যেটা শেয়ার করবো ▪চিতল মাছ চাষ ▪পদ্বতি= (খুব মূল্যবান একটি ম...
30/05/2020

▪চিতল মাছ
▪আসসালামুআলাইকুম,,,☑
▪আপনারা সবাই কেমন আছেন,এবার আমি যেটা শেয়ার করবো
▪চিতল মাছ চাষ ▪পদ্বতি= (খুব মূল্যবান একটি মাছ)

▪চিতল মাছের দেহ ও মুখ চ্যাপ্টা, পিট বাঁকানো, পেটের দিক ঝোলানো । ▪চিতল মাছের দেহের দু- পাশে পৃষ্ঠদেশের উপর ১২ – ১৫ টি রুপালী দাগ আছে ।
▪লেজের নিচের দিকে ৫-৮ ট কালো ফুটা থাকে ।
▪এ মাছটির মাথার পেছনে পৃষ্ঠদেশ ধনুকের মত বেঁকে উপরে উঠে-গেছে ।
▪চিতল মাছ রাক্ষুসে একটি মাছ।
▪সাধারণত ছোট ছোট মাছ খেয়ে ফেলে ।
▪ চিতল মাছের বৈজ্ঞানিক নাম Notopterus chitala. ইংরেজিতে চিতল মাছ কে Feather back বা crown knifefish বলে।

▪বাসস্থান বা প্রাপ্তিস্থান : চিতল মাছ সাধারণত নদী, খাল-বিল, হাওড় বাঁওড় – বা বড় পুকুরে পাওয়া যায়।
▪এটি সাধারণত স্বাদু-পানির মাছ ।
▪পরিষ্কার পানিতে পুকুরে তলদেশে গর্তে, তালপাতা, কলাপাতার নিচে বা পানিতে ঝোপড়ারে থাকতে পছন্দ করে ।
▪চিতল মাছের খাদ্য: চিতল মাছ মাংসাশী এরা শিকারের মাধ্যমে খাদ্য গ্রহণ করে থাকে ।
▪ছোট ছোট মাছই প্রধান খাদ্য।
▪তাছাড়া ছোট ছোট পোকামাকড় , শামুক, চিংড়ি প্রভৃতি খেয়ে তাকে।
▪তেলাপিয়া মাছের ছোট বাচ্চা খেতে খুব পছন্দ করে ।
▪ চিতল মাছ চাষ করার ক্ষেত্রে তেলাপিয়া মাছের ব্রুড ছাড়তে হবে।

▪চিতল মাছের প্রজনন ও ডিম ফুটিনো : চিতল মাছের প্রজনন দুই ভাবে হতে পারে প্রাকৃতিক উপায়ে দুই কৃতিম উপায়ে ।
▪প্রাকৃতিক উপায়ে অর্থাৎ হালদা, পদ্ম , মেঘনা নদীতে বর্ষা মৌষমে এপ্রিল বা মে মাস থেকে আগস্ট মাস পর্যন্ত প্রাকৃতিক উপায়ে চিতল মাছের ডিম ও বাচ্চা পাওয়া যায়। এই সব সংগ্রহ করে নার্সারি পুকুরে চাষ করা যেতে পারে।মার্চ এপ্রিলে আমাদের কাছে পোনা পাওয়া যাবে।
দুই হ্যাচারী পদ্ধতিতে প্রথমে ২০ -৩০ শতাংশে একটি পুকুরে স্ত্রী ও পুরুষ চিতল ছাড়া হয়। এই পুকুরের মাঝে মাঝে টিনের ডাম ও তালপাতা ঝোপ দেওয়া হয়। তারপর টিনের ডামে বা তালপাতার ঝোপে চিতল মাছ ডিম পারে । চিতল মাছ সাধারণত বর্ষা মৌসুমের প্রতি অমাবস্যা পূর্ণিমা রাতে ডিম পারে । ডিমগুলো টিনের ডামে ও তালপাতে আঠালো অবস্থায় আটকে থাকে। ডিমগুলো দেখতে টিকটিকির ডিমের মত হালকা সাদা রঙের । এই ডিমগুলো তালপাতা ও টিনের ড্রামসহ সংগ্রহ করে পাকা ট্যাংকিতে পরিষ্কার পানিতে হালকা স্রোতে ৮ থেকে ১০ দিন রাখার পর বাচ্চা ফুটে ।

চিতল মাছ চাষের নার্সারী পুকুর প্রস্ততি ও চাষ : নাসারী পুকুর আয়তন ১৫ – ৩০ শতাংশ হলে ভাল হয় তবে বাড়ীর পাশে ছোট নালা বা খাল এর মত থাকলে চিতল মাছের বাচ্চা নার্সারী করা যাবে। ১০ থেকে ১৫ দিন আগ থেকেই পুকুর শুকিয়ে নিতে হবে যাতে পুকুরের তলায় সবুজ গাস জন্মে। তারপর পুকুরে পারিষ্কার পানি দিতে হবে । পানি দেওয়ার পর প্রতি শতাংশে ১ কেজি হারে চুন দিতে হবে। চুন দেওয়ার ৩ দিন পর চিতল মাছের ১ বা ২ দিনের ১ ইঞ্চি সাইজের পোনা নার্সারী পুকুরে ছাড়তে হবে। মাছ ছাড়ার পর খাদ্য হিসাবে কাপ জাতীয় মাছের রেনু বা তেলাপিয়া মাছের রেনু দিতে হবে। চিতল মাছের বাসস্থান হিসাবে সুপারি ,বাঁশের ফালটি পানিতে দিতে হবে তালপাতা বা কাঁঠ বাঁশ দিয়ে ঝোপের মত সৃষ্টি করে দিতে হবে কারন চিতল মাছ ঝোপে থাকতে পছন্দ করে ।

চিতল মাছ চাষ পদ্ধতি: ৩ থেকে ৬ ইঞ্চি সাইজের চিতল মাছ কালচার পুকুরে ছাড়তে হবে। চিতল মাছ কাপ জাতীয় মাছের সাথে মিশ্র ভাবে চাষ করা যায়। প্রতি শতাংশে ৫ থেকে ৬ টি চিতল মাছের পোনা ছাড়া যাবে। চিতল মাছ যেহেতু ছোট ছোট মাছের পোনা খেয়ে বেচে থাকে তাই চিতল মাছের কালচার পুকুরে খাবারের জন্য তেলাপিয়া মাছের ব্রুড মাছ ছাড়তে হবে । একটি চিতল এর বিপরীতে ৫ -৭ টি তেলাপিয়া মাছের ব্রুড ছাড়তে হবে । প্রতি শতাংশে ৫ টি চিতল মাছ ছাড়লে এর জন্য ৩৫ থেকে ৪০ টি তেলাপিয়া মাছের ব্রুড ছাড়তে হবে । তেলাপিয়া মাছে বাচ্চা দিবে আর চিতল মাছ সেই গুলো খাবে। রুই কাতল মাছের সাথে চিতল মাছ চাষ করা যাবে।

চিতল মাছ চাষে আয়: চিতল মাছ চাষের জন্য সর্বদায় বড় পুকুর বা ঘের বা বিল নির্বাচন করা উচিত কারন যত বড় জায়গা হবে চিতল চাষে তত লাভ হবে । বড় জায়গাতে চিতল মাছ দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং লাভ বেশি হয়। বড় জায়গাতে একটি চিতল মাছ ১ বছরে কমপক্ষে ২ থেকে ৩ কেজি ওজন হয়। ধরে নিলাম আপনি ১০০০ শতাংশ (১০ একর) একটি জলাশয়ে কাপ জাতীয় মাছের সাথে চিতল মাছ চাষ করবেন তাহলে প্রতি শতাংশে ৬ টি করে চিতলের পোনা ছাড়ছেন মোট ৬০০০ টি । ৬ হাজার টি মাছ ছাড়লে ১ বছর পরে ৫ থেকে সাড়ে ৫ হাজার টি চিতল মাছ পাওয়া যাবে । যদি ৫০০০ টি চিতল মাছ পাওয়া যায় এবং প্রতি টির ওজন ২ কেজি প্লাজ। প্রতি কেজি ৫০০ টাকা হারে চিতল মাছ বিক্রয় করা যায় বড় মাছ হলে আর বেশি বিক্রয় করা যায়।
তাহলে প্রতিটি মাছের বিক্রয়মূল্য হবে ১০০০ টাকা থেকে ৮০০ টাকা।
মোট বিক্রয় হবে (৫০০০× ৮০০) = ৪০,০০,০০০ (৪০ লক্ষ টাকা)।
শুধু চিতল চাষ করেই এই পরিমাণ টাকা আয় করা যাবে ।
প্রতি পিচ ভাল মানের চিতল মাছের বাচ্চার ক্রয়মূল্য ২৫ থেকে ৪০ টাকার মত লাগবে।
আপনার খামারের অনন্যা খরচ কাপ জাতীয় ও তেলাপিয়া মাছ বিক্রয় করে উঠে যাবে। তাই চিতল চাষ করল খরচ কম হয়।
রোগ ব্যবস্থাপনা : চিতল মাছের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি তাই মিশ্র চাষে রোগ বালাই নাই বললেই চলে ।
প্রয়োজনীয় পরার্মশ :

১.খামারের পাড় ভাল হতে হবে যাতে বর্ষা মৌসুমে ডুবে না যায়।
২.বিকল্প পানি সেচের ব্যবস্থা রাখতে হবে ।
৩. চিতল মাছ কাপ জাতীয় মাছের সাথে চাষ করা যায় কারন চিতল মাছ রাক্ষুসে স্বভারের হলেও বড় মাছ খায় না তারা কেবল ছোট ছোট মাছের পোনা খেয়ে বেচে থাকে ।
৪. চিতল মাছের খামারে পর্যাপ্ত ছোট মাছ নিশ্চিত করতে হবে তা না হল চিতল মাছ বড় হবে না।
৫. চিতল মাছের খামারে ছোট ছোট মাছের ঘাটতি হলে আলাদা রুই বা মৃগেল মাছ নার্সারি করে চিতলের খাদ্য হিসাবে দিতে হবে ।
৭. নিজের মাছের ঘের না থাকলে ভাড়া নিয়ে মাছ চাষ করতে পারেন ।
৬. সঠিক জাতের সুস্থ চিতল মাছের পোনা মজুদ করুন মাছ চাষ নিশ্চিত আয় হবে।Vanco Aquaculture Hatchery মান সম্মত পোনা উৎপাদন ও বাজারজাত করে,যে কোন পোনার জন্য যোগাযোগ করুন আমাদের পেজে
আর বিস্তারিতো জানতে আমাদের পেজে sms করুন।
⚫পোচারে কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র☑
⚫লেখকঃঅনিক আহামেদ হৃদয়☑
কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র
পেইজে লাইক কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ধন্যবাদ��

↪বেকার ভাইবোনেরা↪আসসালামুআলাইকুম,,,☑↪আপনারা সবাই কেমন আছেন,এবার আমি যেটা শেয়ার করবো ⬇⬇🔜বেকার ভাইবোনেরা.. লেখাপড়া শেষ কর...
25/05/2020

↪বেকার ভাইবোনেরা
↪আসসালামুআলাইকুম,,,☑
↪আপনারা সবাই কেমন আছেন,এবার আমি যেটা শেয়ার করবো ⬇⬇
🔜বেকার ভাইবোনেরা..
লেখাপড়া শেষ করে
চাকরির আশায় বুক বেঁধেছেন !
↪স্বপ্ন দেখছেন .. ভালো চাকরি, সুন্দর ভবিষ্যৎ .. এটাই স্বাভাবিক ।

↪কিন্তু বাস্তবে
"ঠিকই চাকরি জুটিয়ে নেবো" .. এই মনোভাব নিয়ে জীবনের বেশ কিছু সময় চলে যায় ..
সরকারি চাকরির জন্য অনেকেই একটু "ইয়ে" দিতেও রাজি ..

↪কিন্তু এবার
করোনা সেই গুড়ে বালি মিশিয়ে দিয়েছে ..
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে .. ↪সরকার যতোই ফুটানি করুক ! সত্য প্রকাশ হলে গদি চলে যাবে !

↪দেশে বেকারত্ব কি পরিমানে বাড়বে সেটা করোনা ভাইরাসের প্রস্থান এর পর‌ই বুঝতে পারবেন
ভাট বকছি মনে হচ্ছে ?
↪মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে ভাই ..

↪কৃষির উপর আস্থা রেখে দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে ..

↪আপনি যোগ্য .. চাকরি পেতেই পারেন ..এই ভেবে নিশ্চিন্তে থাকলে ঠকে যাবেন ..

↪সময় টা অনেকটাই বদলে গেছে .. আজকাল মামা কাকা , হাতে মন্ত্রী টাকা
না থাকলে চাকরি পাওয়া বেশ কঠিন!

↪কয়েক টা কথা বলবো ..
আমার কথা আপনাদের মনে লাগবে জেনেও বলবো ..
↪আপনি মেধাবী , ডিগ্রি অর্জন করেছেন, খুবই ভালো .. সেই অহংকারে হাত গুটিয়ে বসে থাকবেন না ..

↪আপনি চাকরির আশায় যত গুলো দিন ও টাকা নষ্ট করবেন .. ততোদিনে ও সেই টাকায় নিজেকে দাঁড় করিয়ে নিতে পারবেন আশা করি ! পরে চাকরির সুযোগ পেলে তো মজার উপরে মজা ..
↪দরকার সৎ সাহস , জেদ , পরিশ্রমী মনোভাব এবং জেনে শুনে বুঝে যেকোনো একটা কাজ বেছে নেওয়া ! ↪যেটায় আপনি সাচ্ছন্দ্য বোধ করেন.. সেটাই করবেন ।

↪জমি জায়গার সমস্যা থাকলে লিজে নিন ,
যাদের আছে তাদের জন্য তো ভালোই ..
সমন্বিত কৃষি খামার নিয়ে সামান্য কিছু কথা বলি ..

↪সমন্বিত কৃষি খামার কি :
সহজ কথায় বলতে .. একটা নির্দিষ্ট স্থান নির্বাচন করে , সেটাকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে ..গরু, ছাগল বা ভেড়া , হাঁস মুরগি , পুকুরে মাছের চাষ , শাক সবজি , ফলের বাগান , কৃষিকাজ , নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য উৎপাদন করে নিজেদের চাহিদা মিটিয়ে , সেটাকে বানিজ্যিক ভিত্তিতে গড়ে তুলে অর্থ উপার্জনের মাধ্যম কেই সমন্বিত কৃষি খামার বলা যায়।

↪এতে অনেক সুবিধা পাওয়া যায় .. ছবিটা ভালো করে লক্ষ্য করুন .. পুকুরে মাছ , পাড়ে ঘাস ,আর সেই ঘাসের সদ্ব্যবহার করছে ছাগল !
সমন্বিত কৃষি খামারীদের লক্ষ্য রাখতে হবে, যাতে আপনার খামারের সব কিছুই যেন একে অপরের সাথে জড়িত বা পরিপুরক হয় ।
🔚ইতিহাস সাক্ষী .. যুগে যুগে প্রমাণিত হয়ে আসছে .. "কৃষিই সমৃদ্ধি"
কিন্তু কথাটাকে বাস্তবায়ন করতে উদ্যোগী লোকের সংখ্যা যথেষ্ট কম ..
↪কারন কি ?
সরকারের উদাসীনতা , কৃষিঋনে জটিলতা , সুদের হার বৃদ্ধি , কৃষিজ সরঞ্জাম এর দাম বৃদ্ধি এবং সেই অনুপাতে চাষীর উৎপাদিত পণ্যের দাম কম ..
↪প্রাকৃতিক দুর্যোগে সরকারের সহযোগিতা না পাওয়া , প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা যথাযথ না করা ..
↪সরকারি উদ্যোগে উৎসাহ প্রদানের অভাব , কৃষির প্রতি অভিভাবকদের সনাতনী ধারনা ও ছেলেমেয়েদের চাকরিই পেতে হবে .. এমন উদ্ভট চাহিদা , সর্বোপরি মোবাইল ফোন যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে কর্মবিমুখ অলস যুবসমাজ !
অনেকেই করেছেন ! কিন্তু
সফল খামারীর সংখ্যা হাতে গোনা এবং সংখ্যা টা চরম হতাশা জনক ! তাই সাহস করে মাঠে নামতে ভয় করে .. এমন বক্তব্য অনেকেরই ..
শুনুন ... ইউটিউব ফেইসবুকে গরু ও গাছে ওঠে .. বাস্তবতা হচ্ছে পরিশ্রম ছাড়া কোনো কিছুতেই সফলতা আসবে না
এবং যেটাতে টাকা ও সময় দুটোই দেবেন সেটার আগামাথা কিছুই না জেনে শুরু করলে ধরা তো খেতেই হবে ভাই !
যাদের মুলধন নাই কিন্তু ইচ্ছে আছে .. তারা অল্প দিয়ে পরীক্ষামূলক শুরু করতে পারেন ..
কিছুতো তো একটা করতেই হবে ভাই !
"সময় গেলে সাধন হবে না"
তাই সাধনা শুরু করে দিন ..
অনেক বড়ো বড়ো কথা বলে ফেললাম .. ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিতে হবে আপনাদের !
(গতরাত রাত থেকে পোস্ট অনুমোদন পায়নি .. এডমিনভাইরা, আমার যদি পোস্টে আপত্তিকর কিছু থাকে ডিলিট করার আগে ভুলটা ধরিয়ে দেবেন .. আমি সামান্য চাষা , গুছিয়ে লিখতে পারিনা হয়তো , নিজের অভিজ্ঞতা উপলব্ধি থেকেই সামান্য কিছু বলার চেষ্টা করি মাত্র)
⚫পোচারে কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র☑
⚫লেখকঃঅনিক আহামেদ হৃদয়☑
কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র
পেইজে লাইক কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ধন্যবাদ��

এই পেইজে কিছু অভিগ এডমিন লাগবে।আসুন সবাই মিলে করি হেল্প।
24/05/2020

এই পেইজে কিছু অভিগ এডমিন লাগবে।
আসুন সবাই মিলে করি হেল্প।

⏩খাকি ক্যাম্বেবল-নাগিনী ⏩আসসালামুআলাইকুম,,,☑⏩আপনারা সবাই কেমন আছেন,এবার আমি যেটা শেয়ার করবো।⏩উন্নত খাকি ক্যাম্বেবল-নাগিন...
22/05/2020

⏩খাকি ক্যাম্বেবল-নাগিনী
⏩আসসালামুআলাইকুম,,,☑

⏩আপনারা সবাই কেমন আছেন,এবার আমি যেটা শেয়ার করবো।
⏩উন্নত খাকি ক্যাম্বেবল-নাগিনী জাতের #হাঁস পালন করবেন যেভাবে।
⏩অদ্ভুত এক জলচর পাখি হাঁস, পৃথিবীর সব হাঁস এসেছে বুনোপাখি ম্যালরড থেকে, আর পৃথিবীর সব উন্নত জাতের হাঁসের সৃষ্টি হয়েছে এশিয়ার জল জঙ্গলের বুনোহাঁস থেকেই। হাঁসের চামড়ার নিচে আছে চর্বির একটা চাদর এজন্য এদের শরীরে পানি বসে না।
⏩আমাদের দেশে লেয়ার মুরগির তুলনায় ডিমপাড়া হাঁসের খামার খুবই কম।
⏩বাজারে হাঁসের ডিমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
⏩অনেকেই খামারের মুরগির ডিম খেতে কম পছন্দ করেন, কারণ- কখনো কখনো লেয়ার খামারে এন্টিবায়টিকসহ বিভিন্নি প্রকার ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার হয়ে থাকে।
⏩যেহেতু হাঁসের রোগবালাই খুব কম, সে কারণে হাঁসের খামারে তেমন কোন ওষুধের প্রয়োজন হয় না।
⏩হাঁসের ডিম আকারে বড়, খাদ্যমান উন্নত ও খুবই পুষ্টিকর।

⏩হাওর, বিল, নদী এলাকায় হাঁসের খামারে অতিরিক্ত খাদ্য খুব বেশী লাগে না।
⏩হাঁস একেবারে প্রাকৃতিক পানি থেকেই মাছ, ঝিনুক, শামুক, পোকামাকড়, জলজউদ্ভিদ ইত্যাদি খেয়ে থাকে তাই তৈরি খাদ্যের প্রয়োজন খুব কম।

⏩পুকুরে হাঁস চাষ করলে সার ও মাছের খাদ্য ছাড়াই মাছের উৎপাদন অধিক বৃদ্ধি সম্ভব। তাই
হাঁসের খামার বাড়ানোর ব্যাপারে সরকারি-বেসরকারিভাবে আরো জোড়ালো উদ্যোগ নিতে হবে।
⏩দেশের সর্বত্র চাষিরা যাতে হাতের কাছে হাঁসের বাচ্চা পেতে পারে সে ব্যবস্থা করা জরুরি।
⏩ দেশে মুরগির তুলনায় হাঁসের হ্যাচারির সংখ্যা খুব কম থাকায় চাষিরা সময়মতো হাঁসের বাচ্চা পায় না।
⏩এতে করে দেশের অনেক জলভূমির পানি জাতীয় স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে না।

⏩শুধু মুরগির ডিমের ওপর নির্ভরতার কারণে মুরগির ডিমের দাম বেড়ে যায়, তাছাড়া লেয়ার মুরগি পালনে রোগবালাই সহ নানা রকম দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছে।
⏩বেকারত্ব ও দারিদ্র্যবিমোচনে হাঁসের খামারের গুরুত্ব অপরিসীম।

⏩উন্নত জাতের খাকি ক্যাম্বেবল/নাগিনী হাঁসের সুবিধা
⏩❶ বছরে ২৮০-৩০০টি ডিম দেয়।
⏩❷ প্রায় ৩ বছর বয়স পর্যন্ত ডিম দেয়, যেখানে লেয়ার মুরগি ডিম দেয় দেড় বছর পর্যন্ত।

⏩❸ সবাই হাঁসের ডিম খেতে পছন্দ করেন।

⏩❹ হাঁসের বাচ্চার দাম খুব কম ৩০-৩৫ টাকা, যেখানে মুরগির বাচ্ছার দাম ৬০-১১০ টাকা।
⏩❺ হাঁসের ডিমের সাইজ বড়।
⏩❻ ৫. ১ হাজার মুরগির চেয়ে ১ হাজার হাঁস পালন করলে বেশি লাভবান হওয়া যায়।
⏩❼ ডিম উৎপাদন কমে গেলে ৩ বছর পর হাঁসগুলো মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করা যায়। হাঁসের মাংস মুরগির মাংসের চেয়ে সুস্বাদু।
⏩❽ মুরগি সারাদিনের যেকোন সময় ডিম দেয়, কিন্তু হাঁস রাত্র থেকে সকাল ৯টার মধ্যে ডিম পাড়া শেষ করে।
ফলে নজরদারি কম করা লাগে।
⏩❾ উন্নত জাতের ⏩খাকি-ক্যাম্বেবল/নাগিনী হাঁস ১৭-১৮ সপ্তাহ অর্থাৎ ৪.৫ মাস বয়সেই ডিম দেওয়া শুরু করে।

⏩উন্নত জাতের খাকি ক্যাম্বেবল/নাগিনী হাঁসের বৈশিষ্ট্য:
উৎপত্তি : ইংল্যান্ডে, পালকের রঙ খাকি, মাথা এবং ঘাড় ব্রোঞ্জ রঙের, দেহের আকার মাঝারি- ১.৫-২ কেজি, পা এবং পায়ের পাতায় রঙ হাঁসার হলুদ, হাঁসীর কালো। ⏩ঠোটের রঙ হাঁসা নীলাভ, হাঁসী কালো, ডিম দেয় ২৮০-৩২০টি বছরে।
⏩( খাবার দেয়ার উপর নির্ভর করে)

⏩হাঁসের বাসস্থান:
মুরগির মতো ততো ভালো বাসস্থান না হলেও চলে।
⏩আলো বায়ু চলাচল ভালো থাকতে হবে।
⏩বয়স্ক হাঁসপ্রতি জায়গা লাগবে ২-৩ বর্গফুট।
⏩উঠতি হাঁসা-হাঁসীর জন্য ১ বর্গফুট জায়গাই যথেষ্ট।
⏩বন্য জন্তু বিশেষ করে শেয়ালের হাত থেকে রক্ষা করার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
⏩থাকার জায়গায় মুরগির লিটারের মতো বিচুলি, তুষ, কাঠের গুঁড়া বিছিয়ে দিতে হবে, এতে আরামে থাকবে পাখিগুলো, ডিম গড়িয়ে যাবে না, ভাঙবে না।

⏩ঘর পূর্ব-পশ্চিম লম্বা করলে ভাল হয়।
⏩বাণিজ্যিক খামারের ক্ষেত্রে ঘরের প্রস্থ ১৮-২০ ফুট, উচ্চতা ৬ ফুট এবং দৈর্ঘ্য হাঁসের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নির্ণয় করতে হবে। ঘর দেশি সামগ্রী – বাঁশ, টিন, ছন, খড় প্রভৃতি দিয়ে তৈরি করা যায়। ঘরের তাপমাত্রা ৫৫-৭৫% ও আর্দ্রতা ৩০-৭০% হাঁসের জন্য অনুকূল।
⏩লেয়ার হাঁসের জন্য ১৪-১৬ ঘণ্টা আলো দরকার।
⏩৩০০ বর্গফুট স্থানের জন্য ১টি ৬০ ওয়াটের বাল্ব দরকার।
⏩ঘরের চারপাশে তারের জাল দ্বারা ঘিরে দিতে হবে।

⏩পানি ছাড়া হাঁস পালন:
মানুষের খুব একটা ভুল ধারণা আছে হাঁস পালনে পানি লাগে।
⏩ প্রজননের জন্য হাঁস পালন করলে পানি অবশ্যই দরকার। তবে শুধু ডিমের জন্য হাঁস পালন করলে মুরগির মতো ‘ডিপলিটার’ পদ্ধতিতে অর্থাৎ মেঝেতে ৩ ইঞ্চির মতো শুকনো কাঠের গুঁড়া, তুষ বিছিয়ে হাঁস পালন চলবে।
⏩এভাবে পালন করলে মুরগির মতো হাঁসকেও সেই সুষম খাদ্য দিতে হবে।

⏩বাচ্চা ব্রুডিং:
হাঁসের বাচ্চা ৪ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ব্র্বডিংয়ের জন্য ব্রুডারের ব্যবস্থা করতে হয়।
⏩ব্রুডার -কাম গ্রোয়ার হাউসে হোভায়ের সঙ্গে ১০০ ওয়াটের ৩/৪টি বাল্ব সংযোজন করে তাপ উৎপাদন করা হয়।
⏩৪ দিন বয়স পর্যন্ত ব্রডারে পেপার বা কাগজের ওপর খাদ্য দিতে হবে।
⏩ব্রুডারের তাপমাত্রা অবশ্যই ৯০৹ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাকতে হবে।
⏩প্রতি সপ্তাহে বাচ্ছা বড় হওয়ার সাথে সাথে ৫৹ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট করে তাপমাত্রা কমিয়ে দিতে হবে।
⏩এবাবে ৬-৮ সপ্তাহ পালন করতে হবে।
⏩ বাচ্ছা উঠানোর আগেই ব্রুডারের তাপমাত্রা থার্মোমিটার দিয়া মেপে ঠিক করে নিতে হবে।
⏩ঘরের মেজে থেকে ২ ইন্চি উপরে এই তাপমাত্রা মাপতে হবে।

⏩বাচ্ছা উঠানোর পরে সাথে সাথেই প্রতি লিটার পানিতে ৮০ গ্রাম গ্লুকোজ ৪ গ্রাম ভিটামিন সি মিশিয়ে ৩ ঘন্টা খাওয়াতে হবে।
⏩৩ সপ্তাহ পর্যন্ত হাঁসের বাচ্চাকে পানিতে ছাড়া যাবে না।

⏩হাঁস কমবেশি ১৯-২০ সপ্তাহ বয়সে ডিম পাড়ে, তাই ১৮ সপ্তাহ বয়সের পরে লেয়ার খাদ্য প্রদান করতে হবে ভাল ডিম উৎপাদনের জন্য।
⏩ দৈনিক ১৩০-১৫০ গ্রাম খাবার দিতে হবে।

⏩অবস্থা বুজে ব্যাবস্থা নিতে হবে।
দৈনিক নিয়মাবলি।

⏩সকাল ৯টায় খাবার দেয়ার সময় হাঁসের ডিম সংগ্রহ করতে হয়।
⏩ডিম সংগ্রহ করে হাঁস চড়ার জন্য ছেড়ে দিতে হবে।
⏩পরিচিত ও বিশ্বস্ত হ্যাচারি থেকে বাচ্চা সংগ্রহ করতে হবে।
⏩খাবার ও পানির পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
⏩লিটার ভিজতে দেয়া যাবে না।
⏩বাসি, পচা খাবার খেতে দেয়া যাবে না।
⏩অসুস্থ হাঁস আলাদ করে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।
⏩মৃত হঁসকে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।

⏩রোগ ও প্রতিষেধক ব্যবস্থা।

⏩হাস মুরগীর রোগ হলে প্রতিকার করা খুব কঠিন হয়ে পরে ,এক্ষেত্রে রোগ ছরিয়ে পড়লে প্রতিকার করা প্রায় ৯০% অসম্ভব, অনেক ক্ষেত্রে এই হার ১০০% ও হয়ে থাকে।
⏩তাই সময়মত প্রতিষেধক দেওয়া উত্তম এবং নিরাপদ থাকা যায।

⏩৩ সপ্তাহ বয়সে বুকের মাংসে ১ এম এল ডাক প্লেগ টিকা দিতে হবে এবং ১৫ দিন পর : পুনরায় বুকের মাংসে ডাকা প্লেগ টিকা।
⏩৬০ দিন বয়সে : ডাক কলেরার টিকা ১ এম এল চামড়ার নিচে দিতে হবে এবং ২১ দিন পর বুষ্টার ডোজ দিতে হবে।
খামারের আয়-ব্যায়ের হিসাব ।
▶১. স্থায়ী খরচ :
⏩ক. জমি নিজস্ব
⏩খ. লেয়ার সেড তৈরি ৫০০ টি হাঁসীর জন্য ১০০০ বর্গফুট,(যেমন২৫x৪০=১০০০ বর্গফিড) প্রতি বর্গফুট ১০০ টাকা হিসাবে ১০০০x১০০= ০১ লাখ টাকা।
⏩গ. ব্রুডার, খাদ্য ও পানির পাত্র ৫০০০ হাজার টাকা।
▶২. চলতি খরচ :
⏩ক. বাচ্চা ক্রয় ৫০০x৩২= ১৬ হাজার টাকা। খ. ম্যাস খাদ্য ৩০ মাসের = ৭, লাখ ৫০ হাজার টাকা।
⏩গ. আনুষঙ্গিক খরচ ২৫ হাজার টাকা।
⏩ ঘ. অপ্রচলিত খাদ্য ২৫ হাজার টাকা,
⏩ঙ. ০৬ হাজার টাকা বেতনে একজন কর্মচারীর ২.৫ বছরের বেতন= ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
⏩মোট খরচ ১১ লাখ ০১ হাজার টাকা।
▶আয় : ৫% মৃত হাঁস বাদে ৫০০-২৫= ৪৭৫টি হাঁস।
⏩ক. ৪৭৫ টি হাঁসী থেকে শতকরা ৭০টি ডিম। উৎপাদন (২৪ মাসে) মোট ডিম ২,৫২,০০০ হাজার টি x ৮ = ২০ লাখ ১৬ হাজার টাকা।
⏩গ. ৪৭৫ টি বাতিল হাঁস বিক্রি ৪৭৫x৩০০= ০১ লক্ষ, ৪২ হাজার ৫০০ টাকা।
⏩মোট আয় ২১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ।
⏩নিট লাভ : (মোট আয় -মোট খরচ) ২১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা - ১১ লাখ ০১ হাজার = ১০ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।
হাঁস সাধারণত ডাকপ্লেগ, কলেরা, ভাইরাল হেপাটাইটিস, খাদ্যে বিষক্রিয়া/বটুলিজম, সর্দি কাশি ও অপুষ্টিজনিত রোগে আক্রান্ত হতে পারে। ⏩যে কোনো সমস্যায় কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।

⏩বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে, জীবনযাত্রার মান বাড়াতে নানা ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিঙ পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে। শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ বাড়ছে। বাড়ছে অপরিকল্পিত আবাসন।
⏩সম্ভোগের মাত্রা বাড়ছে, বাড়ছে শপিং মল, ফাস্টফুডের দোকান, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হোটেল, অফিসসহ নানা স্থাপনা।
⏩প্রকৃতি কিন্তু বিপন্ন হয় নির্গত গ্যাসের কারণে।
⏩সুস্থ জীবন আজ বিপন্ন।
উন্নয়নের নামে যত বড়াই আমরা করছি, ততো আমরা ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা করছি না। বহু নবায়নযোগ্য সম্পদ হারিয়ে গেছে, বহু প্রজাতি বিলুপ্ত হয়েছে।
⏩অনেক ফুলের সুবাস আর পাওয়া যাবে না। অনেক ফলের স্বাদ আর আমরা জানব না।

⏩অনেক মানুষ প্রকৃতির এ বিপন্ন অবস্থার কারণে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির মুখে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।
⏩জীবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সীমাবদ্ধ হয়ে প্রতিযোগিতার নামে আজ প্রশ্নবিদ্ধ।
আমি আস্থা রাখতে চাই আমাদের কর্মে আমরা যেন নদীনালা, খালবিল, জলাশয় রক্ষা করি, পানির পরিমাণ ও প্রবাহ বাড়াতে যেন চেষ্টা করি। উন্মুক্ত পানি সংরক্ষণাগার বানাতে উদ্যোগী হই।
⏩জমির পাপ্যতা অনুযায়ী পুকুর, দীঘি তৈরির কর্মসূচি প্রণয়ন করি। ⏩দূষণমুক্ত জলাশয় রক্ষণে যত্নবান হই। আমরা যেন বনাঞ্চল রক্ষা করি। ফল, ঔষধি, ফুল, বাহারি কাঠ জাতীয় বৃক্ষরোপণে আত্মনিয়োগ করে বনায়ন বৃদ্ধি করি। উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজবেষ্টনী তৈরি করি। বনদস্যুদের প্রতিহত করি। ভূমিদস্যুরা তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থে পরিবেশগত যে বিপর্যয় ডেকে এনেছে তা প্রতিহত করে নদী, জলাশয়, পৱাবনভূমি, বনাঞ্চল, কৃষি জমিকে রক্ষা করেই পরিকল্পিত নগরায়ন সম্ভব করে তুলতে হবে। জলাশয়ের মতো মাঠের ওপর ভূমিদস্যদের আক্রমণ ঠেকাতে হবে। মুক্তভূমি আমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করে। চাষাবাদে পরিবেশবান্ধব কৃষিকে প্রাধান্য দেই। উপকূল বনায়ন ও পরিবেশবান্ধব জীবপ্রকৃতির সৃষ্টিতে প্রধান্য দিতে হবে।
দেশের অভ্যন্তরে যে লবণাক্ততা লৰ্যণীয়, জোয়ার-ভাটা ফিরিয়ে এনে সেখানে পানি প্রবাহের প্রকৃতি বদলে দিতে হবে। মর্বময়তা রাজশাহী অঞ্চলে যে অবস্থার সৃষ্টি করেছে, পরিবেশবান্ধব কৃষির মাধ্যমে এখানে প্রাকৃতিক পরিবর্তন আনতে হবে। নদী তীর ও মোহনায় ভাঙনের জন্য মানুষের সৃষ্ট কর্মগুলো ঠেকাতে হবে। তেমনি ভূমি পাচার, ভূমি ক্ষয়, নদী ক্ষয়ের ব্যাপারে কার্যকরভাবে অগ্রসর হতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের সম্পদ হলো জমি, পানি, বন ও জীববৈচিত্র্য, এগুলোকে নিয়েই মানুষের জীবন সমৃদ্ধ হয়। উন্নয়ন কর্মসূচি তাই এসব সম্পদসংরক্ষণে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
⚫পোচারে কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র☑
⚫লেখকঃঅনিক আহামেদ হৃদয়☑
কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র
পেইজে লাইক কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ধন্যবাদ��

⚫আসসালামুআলাইকুম,,,☑⚫আপনারা সবাই কেমন আছেন,এবার আমি যেটা শেয়ার করবো।⚫অাজকের ঔষধ পরিচিতি তে থাকছে "জাইমোভেট"⚫প্রায় অামরা ...
21/05/2020

⚫আসসালামুআলাইকুম,,,☑
⚫আপনারা সবাই কেমন আছেন,এবার আমি যেটা শেয়ার করবো।
⚫অাজকের ঔষধ পরিচিতি তে থাকছে "জাইমোভেট"

⚫প্রায় অামরা গ্রুপে-পেইজে দেখি ছাগলের পেটে গ্যাস হলে বা পেট ফাঁপালে অভিজ্ঞ ভাইয়েরা জাইমোভেট খাওয়াতে বলেন।
⚫তাই অাজকে জাইমোভেট নিয়ে রিভিউ দেয়ার চেষ্টা করবো।
⚫জাইমোভেট একমি কোম্পানির ঔষধ। সব ঔষধের দোকানে এটি পাবেন।
জাইমোভেট মূলত ভেষজ উপাদান সমৃদ্ধ পাউডার যা খাবার পানির সাথে গুলিয়ে খাওয়াতে হয়।
⚫এটি ৫ টি উপাদান দিয়ে তৈরিঃ
⚫❶এ্যামোনিয়াম বাইকার্বোনেট
⚫❷সোডিয়াম বাইকার্বোনে
⚫❸নাক্সভোমিকা
⚫❹জিনজার পাউডার
⚫❺জেনসিয়ান পাউডার
⚫এ্যামোনিয়াম বাইকার্বোনেট এবং সোডিয়াম বাইকার্বোনেট উভয়ে মূলত খাবার সোডা বা বেকিং সোডা।
সোডা মূলত পেটে সৃষ্ট এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে পেটের এসিডিটির পরিমাণ কমায়।
⚫নাক্সভোমিকা হলো একধরনের ভেসজ উপাদান যা পিত্তরস তৈরি করে খাবার দ্রুত হজম করায়। ⚫জিনজার পাউডার হলো শুকনো অাদার গুড়া, অাদা যে কি পরিমান গ্যাস কমাতে পারে সেটা অামরা সবাই জানি।
⚫জেনসিয়ান পাউডার, জেনসিয়ান হলো অপরাজিতা ফুলের মতো দেখতে এক ধরনের পাহাড়ি ভেসজ ফুল যা ক্ষুধা বৃদ্ধি করে।

⚫জাইমোভেটের উপাদান গুলো দেখে অামরা সহজেই বুঝতে পারি যে পেট ফাঁপা বা গ্যাসের জন্য এটি চমৎকার ঔষধ।
এটি খাবার পানির সাথে পরিমাণ মতো মিশিয়ে খাওয়াতে হয়।
⚫১৫-২৫ কেজি দৈহিক ওজনের ছাগলের জন্য একটি প্যাকেটের চার ভাগের এক ভাগ বা অর্ধেক ১-২ লিটার পানিতে মিশিয়ে দিনে দুইবার দিতে হবে।
⚫পরপর দুই থেকে তিন দিন
অারো বিস্তারিত প্যাকেটের গায়ে দেয়া অাছে।
জাইমোভেট গাভিন ছাগল কে দেয়া যাবে।
⚫বিঃদ্রঃ- অামি ফার্মে যে ঔষধ গুলো ব্যবহার করেছি সেগুলোর রিভিউ দেয়ার চেষ্টা করছি ইনশাআল্লাহ্।
⚫পোচারে কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র☑
⚫লেখকঃঅনিক আহামেদ হৃদয়☑

20/05/2020

- আজ পবিত্র লাইলাতুল কদর🌷
- হওয়ার একটি সম্ভাবনাময়ী রাত্রী।💜

- লাইলাতুল কদরের রাতে
- ১সেকেন্ডে =২৩ঘন্টা, ১মিনিটে =৫৬দিন,
- ১ঘন্টায় =৯.৮ বছর আর ১ রাত =৮৩ বছরের ইবাদতের চেয়ে উত্তম🖤🌸

- সুবহানাল্লাহ ❤🌿

জরুরী সতর্ক বার্তাঃঘূর্ণিঝড় আমফান ধেয়ে আসছে। শতকরা ৮০ ভাগ ধান পাকলে ধান কাটার অনুরোধ করছি। বঙ্গেপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপট...
18/05/2020

জরুরী সতর্ক বার্তাঃ
ঘূর্ণিঝড় আমফান ধেয়ে আসছে। শতকরা ৮০ ভাগ ধান পাকলে ধান কাটার অনুরোধ করছি। বঙ্গেপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি এই মুহূর্তে চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ১৩০০ কিলোমিটার ও মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ১২০০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছে। সমুদ্রবন্দর সমুহকে ৪ নং স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। ঘূর্নিঝড় জনিত কারনে ভারী বর্ষনের আশংকা রয়েছে।
ধন্যবাদ।

15/05/2020

করোনা,র ভয়❔❔

Address

Mahadebpur
MAHADEBPUR

Telephone

+8801409274481

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share