22/05/2020
⏩খাকি ক্যাম্বেবল-নাগিনী
⏩আসসালামুআলাইকুম,,,☑
⏩আপনারা সবাই কেমন আছেন,এবার আমি যেটা শেয়ার করবো।
⏩উন্নত খাকি ক্যাম্বেবল-নাগিনী জাতের #হাঁস পালন করবেন যেভাবে।
⏩অদ্ভুত এক জলচর পাখি হাঁস, পৃথিবীর সব হাঁস এসেছে বুনোপাখি ম্যালরড থেকে, আর পৃথিবীর সব উন্নত জাতের হাঁসের সৃষ্টি হয়েছে এশিয়ার জল জঙ্গলের বুনোহাঁস থেকেই। হাঁসের চামড়ার নিচে আছে চর্বির একটা চাদর এজন্য এদের শরীরে পানি বসে না।
⏩আমাদের দেশে লেয়ার মুরগির তুলনায় ডিমপাড়া হাঁসের খামার খুবই কম।
⏩বাজারে হাঁসের ডিমের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে।
⏩অনেকেই খামারের মুরগির ডিম খেতে কম পছন্দ করেন, কারণ- কখনো কখনো লেয়ার খামারে এন্টিবায়টিকসহ বিভিন্নি প্রকার ওষুধের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার হয়ে থাকে।
⏩যেহেতু হাঁসের রোগবালাই খুব কম, সে কারণে হাঁসের খামারে তেমন কোন ওষুধের প্রয়োজন হয় না।
⏩হাঁসের ডিম আকারে বড়, খাদ্যমান উন্নত ও খুবই পুষ্টিকর।
⏩হাওর, বিল, নদী এলাকায় হাঁসের খামারে অতিরিক্ত খাদ্য খুব বেশী লাগে না।
⏩হাঁস একেবারে প্রাকৃতিক পানি থেকেই মাছ, ঝিনুক, শামুক, পোকামাকড়, জলজউদ্ভিদ ইত্যাদি খেয়ে থাকে তাই তৈরি খাদ্যের প্রয়োজন খুব কম।
⏩পুকুরে হাঁস চাষ করলে সার ও মাছের খাদ্য ছাড়াই মাছের উৎপাদন অধিক বৃদ্ধি সম্ভব। তাই
হাঁসের খামার বাড়ানোর ব্যাপারে সরকারি-বেসরকারিভাবে আরো জোড়ালো উদ্যোগ নিতে হবে।
⏩দেশের সর্বত্র চাষিরা যাতে হাতের কাছে হাঁসের বাচ্চা পেতে পারে সে ব্যবস্থা করা জরুরি।
⏩ দেশে মুরগির তুলনায় হাঁসের হ্যাচারির সংখ্যা খুব কম থাকায় চাষিরা সময়মতো হাঁসের বাচ্চা পায় না।
⏩এতে করে দেশের অনেক জলভূমির পানি জাতীয় স্বার্থে ব্যবহৃত হচ্ছে না।
⏩শুধু মুরগির ডিমের ওপর নির্ভরতার কারণে মুরগির ডিমের দাম বেড়ে যায়, তাছাড়া লেয়ার মুরগি পালনে রোগবালাই সহ নানা রকম দুর্যোগের ঝুঁকি রয়েছে।
⏩বেকারত্ব ও দারিদ্র্যবিমোচনে হাঁসের খামারের গুরুত্ব অপরিসীম।
⏩উন্নত জাতের খাকি ক্যাম্বেবল/নাগিনী হাঁসের সুবিধা
⏩❶ বছরে ২৮০-৩০০টি ডিম দেয়।
⏩❷ প্রায় ৩ বছর বয়স পর্যন্ত ডিম দেয়, যেখানে লেয়ার মুরগি ডিম দেয় দেড় বছর পর্যন্ত।
⏩❸ সবাই হাঁসের ডিম খেতে পছন্দ করেন।
⏩❹ হাঁসের বাচ্চার দাম খুব কম ৩০-৩৫ টাকা, যেখানে মুরগির বাচ্ছার দাম ৬০-১১০ টাকা।
⏩❺ হাঁসের ডিমের সাইজ বড়।
⏩❻ ৫. ১ হাজার মুরগির চেয়ে ১ হাজার হাঁস পালন করলে বেশি লাভবান হওয়া যায়।
⏩❼ ডিম উৎপাদন কমে গেলে ৩ বছর পর হাঁসগুলো মাংস হিসেবে বাজারে বিক্রি করা যায়। হাঁসের মাংস মুরগির মাংসের চেয়ে সুস্বাদু।
⏩❽ মুরগি সারাদিনের যেকোন সময় ডিম দেয়, কিন্তু হাঁস রাত্র থেকে সকাল ৯টার মধ্যে ডিম পাড়া শেষ করে।
ফলে নজরদারি কম করা লাগে।
⏩❾ উন্নত জাতের ⏩খাকি-ক্যাম্বেবল/নাগিনী হাঁস ১৭-১৮ সপ্তাহ অর্থাৎ ৪.৫ মাস বয়সেই ডিম দেওয়া শুরু করে।
⏩উন্নত জাতের খাকি ক্যাম্বেবল/নাগিনী হাঁসের বৈশিষ্ট্য:
উৎপত্তি : ইংল্যান্ডে, পালকের রঙ খাকি, মাথা এবং ঘাড় ব্রোঞ্জ রঙের, দেহের আকার মাঝারি- ১.৫-২ কেজি, পা এবং পায়ের পাতায় রঙ হাঁসার হলুদ, হাঁসীর কালো। ⏩ঠোটের রঙ হাঁসা নীলাভ, হাঁসী কালো, ডিম দেয় ২৮০-৩২০টি বছরে।
⏩( খাবার দেয়ার উপর নির্ভর করে)
⏩হাঁসের বাসস্থান:
মুরগির মতো ততো ভালো বাসস্থান না হলেও চলে।
⏩আলো বায়ু চলাচল ভালো থাকতে হবে।
⏩বয়স্ক হাঁসপ্রতি জায়গা লাগবে ২-৩ বর্গফুট।
⏩উঠতি হাঁসা-হাঁসীর জন্য ১ বর্গফুট জায়গাই যথেষ্ট।
⏩বন্য জন্তু বিশেষ করে শেয়ালের হাত থেকে রক্ষা করার ব্যবস্থা থাকতে হবে।
⏩থাকার জায়গায় মুরগির লিটারের মতো বিচুলি, তুষ, কাঠের গুঁড়া বিছিয়ে দিতে হবে, এতে আরামে থাকবে পাখিগুলো, ডিম গড়িয়ে যাবে না, ভাঙবে না।
⏩ঘর পূর্ব-পশ্চিম লম্বা করলে ভাল হয়।
⏩বাণিজ্যিক খামারের ক্ষেত্রে ঘরের প্রস্থ ১৮-২০ ফুট, উচ্চতা ৬ ফুট এবং দৈর্ঘ্য হাঁসের সংখ্যার ওপর ভিত্তি করে নির্ণয় করতে হবে। ঘর দেশি সামগ্রী – বাঁশ, টিন, ছন, খড় প্রভৃতি দিয়ে তৈরি করা যায়। ঘরের তাপমাত্রা ৫৫-৭৫% ও আর্দ্রতা ৩০-৭০% হাঁসের জন্য অনুকূল।
⏩লেয়ার হাঁসের জন্য ১৪-১৬ ঘণ্টা আলো দরকার।
⏩৩০০ বর্গফুট স্থানের জন্য ১টি ৬০ ওয়াটের বাল্ব দরকার।
⏩ঘরের চারপাশে তারের জাল দ্বারা ঘিরে দিতে হবে।
⏩পানি ছাড়া হাঁস পালন:
মানুষের খুব একটা ভুল ধারণা আছে হাঁস পালনে পানি লাগে।
⏩ প্রজননের জন্য হাঁস পালন করলে পানি অবশ্যই দরকার। তবে শুধু ডিমের জন্য হাঁস পালন করলে মুরগির মতো ‘ডিপলিটার’ পদ্ধতিতে অর্থাৎ মেঝেতে ৩ ইঞ্চির মতো শুকনো কাঠের গুঁড়া, তুষ বিছিয়ে হাঁস পালন চলবে।
⏩এভাবে পালন করলে মুরগির মতো হাঁসকেও সেই সুষম খাদ্য দিতে হবে।
⏩বাচ্চা ব্রুডিং:
হাঁসের বাচ্চা ৪ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত ব্র্বডিংয়ের জন্য ব্রুডারের ব্যবস্থা করতে হয়।
⏩ব্রুডার -কাম গ্রোয়ার হাউসে হোভায়ের সঙ্গে ১০০ ওয়াটের ৩/৪টি বাল্ব সংযোজন করে তাপ উৎপাদন করা হয়।
⏩৪ দিন বয়স পর্যন্ত ব্রডারে পেপার বা কাগজের ওপর খাদ্য দিতে হবে।
⏩ব্রুডারের তাপমাত্রা অবশ্যই ৯০৹ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট তাকতে হবে।
⏩প্রতি সপ্তাহে বাচ্ছা বড় হওয়ার সাথে সাথে ৫৹ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেট করে তাপমাত্রা কমিয়ে দিতে হবে।
⏩এবাবে ৬-৮ সপ্তাহ পালন করতে হবে।
⏩ বাচ্ছা উঠানোর আগেই ব্রুডারের তাপমাত্রা থার্মোমিটার দিয়া মেপে ঠিক করে নিতে হবে।
⏩ঘরের মেজে থেকে ২ ইন্চি উপরে এই তাপমাত্রা মাপতে হবে।
⏩বাচ্ছা উঠানোর পরে সাথে সাথেই প্রতি লিটার পানিতে ৮০ গ্রাম গ্লুকোজ ৪ গ্রাম ভিটামিন সি মিশিয়ে ৩ ঘন্টা খাওয়াতে হবে।
⏩৩ সপ্তাহ পর্যন্ত হাঁসের বাচ্চাকে পানিতে ছাড়া যাবে না।
⏩হাঁস কমবেশি ১৯-২০ সপ্তাহ বয়সে ডিম পাড়ে, তাই ১৮ সপ্তাহ বয়সের পরে লেয়ার খাদ্য প্রদান করতে হবে ভাল ডিম উৎপাদনের জন্য।
⏩ দৈনিক ১৩০-১৫০ গ্রাম খাবার দিতে হবে।
⏩অবস্থা বুজে ব্যাবস্থা নিতে হবে।
দৈনিক নিয়মাবলি।
⏩সকাল ৯টায় খাবার দেয়ার সময় হাঁসের ডিম সংগ্রহ করতে হয়।
⏩ডিম সংগ্রহ করে হাঁস চড়ার জন্য ছেড়ে দিতে হবে।
⏩পরিচিত ও বিশ্বস্ত হ্যাচারি থেকে বাচ্চা সংগ্রহ করতে হবে।
⏩খাবার ও পানির পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে।
⏩লিটার ভিজতে দেয়া যাবে না।
⏩বাসি, পচা খাবার খেতে দেয়া যাবে না।
⏩অসুস্থ হাঁস আলাদ করে চিকিৎসা প্রদান করতে হবে।
⏩মৃত হঁসকে মাটিতে পুঁতে ফেলতে হবে।
⏩রোগ ও প্রতিষেধক ব্যবস্থা।
⏩হাস মুরগীর রোগ হলে প্রতিকার করা খুব কঠিন হয়ে পরে ,এক্ষেত্রে রোগ ছরিয়ে পড়লে প্রতিকার করা প্রায় ৯০% অসম্ভব, অনেক ক্ষেত্রে এই হার ১০০% ও হয়ে থাকে।
⏩তাই সময়মত প্রতিষেধক দেওয়া উত্তম এবং নিরাপদ থাকা যায।
⏩৩ সপ্তাহ বয়সে বুকের মাংসে ১ এম এল ডাক প্লেগ টিকা দিতে হবে এবং ১৫ দিন পর : পুনরায় বুকের মাংসে ডাকা প্লেগ টিকা।
⏩৬০ দিন বয়সে : ডাক কলেরার টিকা ১ এম এল চামড়ার নিচে দিতে হবে এবং ২১ দিন পর বুষ্টার ডোজ দিতে হবে।
খামারের আয়-ব্যায়ের হিসাব ।
▶১. স্থায়ী খরচ :
⏩ক. জমি নিজস্ব
⏩খ. লেয়ার সেড তৈরি ৫০০ টি হাঁসীর জন্য ১০০০ বর্গফুট,(যেমন২৫x৪০=১০০০ বর্গফিড) প্রতি বর্গফুট ১০০ টাকা হিসাবে ১০০০x১০০= ০১ লাখ টাকা।
⏩গ. ব্রুডার, খাদ্য ও পানির পাত্র ৫০০০ হাজার টাকা।
▶২. চলতি খরচ :
⏩ক. বাচ্চা ক্রয় ৫০০x৩২= ১৬ হাজার টাকা। খ. ম্যাস খাদ্য ৩০ মাসের = ৭, লাখ ৫০ হাজার টাকা।
⏩গ. আনুষঙ্গিক খরচ ২৫ হাজার টাকা।
⏩ ঘ. অপ্রচলিত খাদ্য ২৫ হাজার টাকা,
⏩ঙ. ০৬ হাজার টাকা বেতনে একজন কর্মচারীর ২.৫ বছরের বেতন= ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
⏩মোট খরচ ১১ লাখ ০১ হাজার টাকা।
▶আয় : ৫% মৃত হাঁস বাদে ৫০০-২৫= ৪৭৫টি হাঁস।
⏩ক. ৪৭৫ টি হাঁসী থেকে শতকরা ৭০টি ডিম। উৎপাদন (২৪ মাসে) মোট ডিম ২,৫২,০০০ হাজার টি x ৮ = ২০ লাখ ১৬ হাজার টাকা।
⏩গ. ৪৭৫ টি বাতিল হাঁস বিক্রি ৪৭৫x৩০০= ০১ লক্ষ, ৪২ হাজার ৫০০ টাকা।
⏩মোট আয় ২১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা ।
⏩নিট লাভ : (মোট আয় -মোট খরচ) ২১ লাখ ৮৫ হাজার টাকা - ১১ লাখ ০১ হাজার = ১০ লাখ ৮৪ হাজার টাকা।
হাঁস সাধারণত ডাকপ্লেগ, কলেরা, ভাইরাল হেপাটাইটিস, খাদ্যে বিষক্রিয়া/বটুলিজম, সর্দি কাশি ও অপুষ্টিজনিত রোগে আক্রান্ত হতে পারে। ⏩যে কোনো সমস্যায় কাছের উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করতে হবে।
⏩বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ছে, জীবনযাত্রার মান বাড়াতে নানা ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিঙ পণ্যের ব্যবহার বাড়ছে। শব্দ দূষণ ও বায়ু দূষণ বাড়ছে। বাড়ছে অপরিকল্পিত আবাসন।
⏩সম্ভোগের মাত্রা বাড়ছে, বাড়ছে শপিং মল, ফাস্টফুডের দোকান, শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হোটেল, অফিসসহ নানা স্থাপনা।
⏩প্রকৃতি কিন্তু বিপন্ন হয় নির্গত গ্যাসের কারণে।
⏩সুস্থ জীবন আজ বিপন্ন।
উন্নয়নের নামে যত বড়াই আমরা করছি, ততো আমরা ভবিষ্যতের জন্য চিন্তা করছি না। বহু নবায়নযোগ্য সম্পদ হারিয়ে গেছে, বহু প্রজাতি বিলুপ্ত হয়েছে।
⏩অনেক ফুলের সুবাস আর পাওয়া যাবে না। অনেক ফলের স্বাদ আর আমরা জানব না।
⏩অনেক মানুষ প্রকৃতির এ বিপন্ন অবস্থার কারণে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকির মুখে, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।
⏩জীবনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা সীমাবদ্ধ হয়ে প্রতিযোগিতার নামে আজ প্রশ্নবিদ্ধ।
আমি আস্থা রাখতে চাই আমাদের কর্মে আমরা যেন নদীনালা, খালবিল, জলাশয় রক্ষা করি, পানির পরিমাণ ও প্রবাহ বাড়াতে যেন চেষ্টা করি। উন্মুক্ত পানি সংরক্ষণাগার বানাতে উদ্যোগী হই।
⏩জমির পাপ্যতা অনুযায়ী পুকুর, দীঘি তৈরির কর্মসূচি প্রণয়ন করি। ⏩দূষণমুক্ত জলাশয় রক্ষণে যত্নবান হই। আমরা যেন বনাঞ্চল রক্ষা করি। ফল, ঔষধি, ফুল, বাহারি কাঠ জাতীয় বৃক্ষরোপণে আত্মনিয়োগ করে বনায়ন বৃদ্ধি করি। উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজবেষ্টনী তৈরি করি। বনদস্যুদের প্রতিহত করি। ভূমিদস্যুরা তাদের বাণিজ্যিক স্বার্থে পরিবেশগত যে বিপর্যয় ডেকে এনেছে তা প্রতিহত করে নদী, জলাশয়, পৱাবনভূমি, বনাঞ্চল, কৃষি জমিকে রক্ষা করেই পরিকল্পিত নগরায়ন সম্ভব করে তুলতে হবে। জলাশয়ের মতো মাঠের ওপর ভূমিদস্যদের আক্রমণ ঠেকাতে হবে। মুক্তভূমি আমাদের জীবনকে সমৃদ্ধ করে। চাষাবাদে পরিবেশবান্ধব কৃষিকে প্রাধান্য দেই। উপকূল বনায়ন ও পরিবেশবান্ধব জীবপ্রকৃতির সৃষ্টিতে প্রধান্য দিতে হবে।
দেশের অভ্যন্তরে যে লবণাক্ততা লৰ্যণীয়, জোয়ার-ভাটা ফিরিয়ে এনে সেখানে পানি প্রবাহের প্রকৃতি বদলে দিতে হবে। মর্বময়তা রাজশাহী অঞ্চলে যে অবস্থার সৃষ্টি করেছে, পরিবেশবান্ধব কৃষির মাধ্যমে এখানে প্রাকৃতিক পরিবর্তন আনতে হবে। নদী তীর ও মোহনায় ভাঙনের জন্য মানুষের সৃষ্ট কর্মগুলো ঠেকাতে হবে। তেমনি ভূমি পাচার, ভূমি ক্ষয়, নদী ক্ষয়ের ব্যাপারে কার্যকরভাবে অগ্রসর হতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের সম্পদ হলো জমি, পানি, বন ও জীববৈচিত্র্য, এগুলোকে নিয়েই মানুষের জীবন সমৃদ্ধ হয়। উন্নয়ন কর্মসূচি তাই এসব সম্পদসংরক্ষণে অগ্রাধিকার দিতে হবে।
⚫পোচারে কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র☑
⚫লেখকঃঅনিক আহামেদ হৃদয়☑
কৃষি,তথ্য ও পরামর্শ কেন্দ্র
পেইজে লাইক কমেন্ট করে সাথেই থাকুন ধন্যবাদ��