Al Imran Juwel

Al Imran Juwel One day everyone has to leave the illusion of the world, I am Al Imran This My official Page.

আমাদের কাছ থেকে পণ্য কেনার জন্য ধন্যবাদ। আমরা চাই আমাদের গ্রাহকদের সাথে চমৎকার একটি অভিজ্ঞতা হোক। যেকোনো অনলাইন ক্রয়ের অভিজ্ঞতার মতো, নীচে নীতির শর্তাবলী দেওয়া হয়েছে যা Aijuwel.com.bd এই ওয়েবসাইটে প্রযোজ্য। আপনি ওয়েবসাইটের সেবা পেতে ফি পরিশোধ করতে সম্মত হন এবং এই ফি এবং চার্জের জন্য আপনি একমাত্র দায়ী থাকবেন। আপনি যখন এই প্ল্যাটফর্ম থেকে কোনো সেবা ক্রয় করেন, তখন আপনি আমাদের গোপনীয়তা নীতি, ব্যবহারের শর্তাবলী, এবং নীচের শর্তাবলীতে সম্মত হন।

05/02/2026

কনো ভাবে কি Ai বলে চালিয়ে দেওয়া যায় না? দেখেন আপনারা যা ভালো মনে করেন,

এটা বগুড়ার একটি উপজেলা শেরপুরে জামায়াতের মহিলা বিভাগের মিছিল। আলহামদুলিল্লাহ।


জীবনে প্রথমবার চোখের সামনে দেখলাম বন্ধুত্বের এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।বাচ্চাটা অসুস্থ—CT স্ক্যান করাতে আনা হয়েছে।কিন্তু ...
05/02/2026

জীবনে প্রথমবার চোখের সামনে দেখলাম বন্ধুত্বের এমন নিঃস্বার্থ ভালোবাসা।
বাচ্চাটা অসুস্থ—CT স্ক্যান করাতে আনা হয়েছে।
কিন্তু একা সে CT স্ক্যান রুমে ঢুকতেই রাজি নয়।
প্রায় ২–৩ ঘণ্টা ধরে মা–বাবা, সবাই বোঝানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ।
ভয় আর অসহায়ত্বে শিশুটার চোখ ভরে যাচ্ছিল।
শেষমেশ ডাকা হলো তার সবচেয়ে কাছের মানুষটাকে—তার বন্ধুকে।
বন্ধু আসতেই ভয় যেন অর্ধেক হয়ে গেল।
কিন্তু শর্ত একটাই—
“একসাথে যাব, একসাথেই CT করব।”
আর ঠিক সেই কারণেই আজ এমন একটি দৃশ্য দেখা গেল—
দুজন বন্ধু, পাশাপাশি শুয়ে, ভয়ের মুখোমুখি।
এই ছোট্ট বন্ধুত্ব আমাদের মনে করিয়ে দেয়—
বন্ধু মানে শুধু খেলাধুলা নয়,
বন্ধু মানে ভয়ের সময় হাত ধরে পাশে থাকা।
পৃথিবীর সব বন্ধুত্ব এমনই অটুট থাকুক। 👬💙

ছবি: জোবায়েদ হোসেন

03/02/2026

নাসিরউদ্দিন পাটোয়ারি তখন ছাত্র, একবার পরীক্ষার হলে গেছে। পরীক্ষা শেষে বের হওয়ার সময়, একটা মেয়ের সাথে ধাক্কা লেগে হাত থেকে জ্যামিতিবক্স পড়ে যায়।

নাসির ফ্লোর থেকে পেন্সিল, রুলার, কাটা কম্পাস সব তুলে নিলো, শুধু চাদাটা ছাড়া।

মেয়েটা বলল, চাদাটা তুলবেন না?

নাসির বললো, ওটা মীর্জা আব্বাস ভাই তুলবেন। উনি বড় গ্যাংস্টার। চাদা তুললে খুব বিপদে পড়ে যাবো!

~ উল্লাস জায়েদ
(পরিমার্জিত)

১৮+ অ্যালার্ট( প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত কেউ এই লেখাটা পড়বেন না)আপনার কাছে যদি একশ কোটি টাকা থাকে তাহলে আপনি গাড়ি কিনবেন, বাড়ি...
01/02/2026

১৮+ অ্যালার্ট
( প্রাপ্তবয়স্ক ব্যতিত কেউ এই লেখাটা পড়বেন না)

আপনার কাছে যদি একশ কোটি টাকা থাকে তাহলে আপনি গাড়ি কিনবেন, বাড়ি কিনবেন। যদি এক হাজার কোটি টাকা থাকে তাহলে জাহাজ কিনবেন, বিমান কিনবেন।

আর যদি দশ লক্ষ কোটি টাকা থাকে তাহলে বাচ্চা মেয়েদের মাংস খাবেন, জীবন্ত মেয়ে শিশুর পেট চিরে নাড়িভুঁড়ি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খাবেন।

কোন কল্পকাহিনী বলছি না। এমনটা সত্যিই ঘটেছে। পশ্চিমা বিলিয়নিয়াররা এতবছর এসবই করে এসেছে।

গতকাল Epstein ফাইলস ফাঁস হয়েছে। সেখানে হাজার হাজার ভিডিও এবং ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার এসব গোপন নথিপত্রের প্রমাণ রয়েছে।

এই পাশবিক এবং জঘন্য কাজগুলো কোন চুপিসারে হতো না। বরং আনুষ্ঠানিকতার মাধ্যমে জমজমাট ভাবেই হতো।

ই*সরায়েলী গোয়েন্দা জেফ্রী এপস্টেইন এবং তার ওয়াইফ মিলে ফ্লোরিডার গোপন একটা দ্বীপে এই পাশবিক আয়োজন টা করতো। এমনকি ওরা এই অনুষ্ঠানের নাম দিয়েছিল ক্যালেন্ডার গার্ল।

এই অনুষ্ঠানে নামি দামী রাজনীতিবীদ থেকে শুরু করে, গায়ক, বিজ্ঞানী সব রকমের মানুষজন থাকতো। বিল গেটস, ডোলান্ড ট্রাম, ট্রামের ছেলেমেয়ে, প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন, বব শাপিরো সহ আরও অনেকেই ছিল।

এপস্টেইন এবং তার বউয়ের কাজ ছিল বিভিন্ন দেশ থেকে বাচ্চা বাচ্চা মেয়েদেরকে পাচার করে এই দ্বীপে নিয়ে আসা। তারপর তুলে দেয়া হতো অনুষ্ঠানের পাশবিক এই অতিথিদের হাতে।

ট্রাম্পসহ বাকিরা প্রথমে মেয়েদের যৌ‌‌‌‌*নাঙ্গে আঙুল দিয়ে ধ‌‌‌*র্ষণের জন্য প্রস্তুত করতো। কোন বাচ্চার যৌ*নাঙ্গ কতটা টাইট সেসব দেখে দেখে রেটিংও দিত।

তারপর অতিথিদের পছন্দমতো বাচ্চাদেরকে পাঠিয়ে দেয়া হতো তাদের রুমে।

সেখানেই দিনরাত চলতো ধ*র্ষণ এবং পাশবিক নির্যাতন। মেয়ে বাচ্চাগুলোকে বাধ্য করা হতো ওরাল সে*ক্স করতে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে তাদের টার্গেট থাকতো বাচ্চাগুলোকে প্রেগন্যান্ট করা।

প্রেগন্যান্ট করেই ওরা ক্ষান্ত থাকতো না। পরে সেই প্রেগন্যান্ট বাচ্চা মেয়েদেরকে এবরশন করে ভ্রুণ বের করে স্যুপ বানিয়ে খেতো।

এমনকি জীবন্ত মেয়েদের পেট চিরে নারিভুরি আলাদা করে অন্ত্র থেকে পায়খানা বের করে গিলে খেতো।
কাবাবের মতো করে পুড়িয়ে পুড়িয়ে বাচ্চাদের মাংস খেতো, পার্টি করতো, উল্লাস করতো।

এদের মধ্যে বেশিরভাগ বাচ্চার বয়সই ছিল মাত্র ৩-৯ বছর! আই রিপিট মাত্র ৩ বছর বয়সের বাচ্চাও এতসব জঘন্য নির্যাতনের শিকার হয়ে মা*রা যেত।

এইসব জঘন্য অপকর্মের ব্যাপারে বহুবার বহুজন মুখ খুলতে চেয়েছিল কিন্তু তেমন কোন লাভ হয়নি।

২০০৯ সালেই একটা পার্টিতে গ্যাব্রিয়েলো রিকো নামের এক মেয়ে চিৎকার করে করে বলে দিয়েছিল- ওরা নরপশু, আমি দেখেছি ওরা মানুষের মাংস খেয়েছে।

এরপর ওই মেয়েকে আর কোথাও দেখা যায়নি। তাকে স্রেফ গায়েব করে দেয়া হয়েছিল।

ব্রাউন নামের এক সাংবাদিকও এসব বিষয়ে অনুসন্ধান করতে চেয়েছিল। পরে তাকে জেলে ভরা হয় এবং ২০১৯ সালে আশ্চর্যজনকভাবে জেলেই তার মৃ*ত্যু হয়। মূলত তাকেও মে*রে ফেলা হয়েছিল।

এপস্টেইন নামক লোকটা এতসব বাচ্চা মেয়েকে সাপ্লাই দিতো এবং জঘন্য কাজে সাহায্য করতো যাতে সে পরবর্তীতে বিভিন্ন রাজনীতিবীদদের ব্ল্যাকমেইল করতে পারে এবং গোয়েন্দা বাহিনীদের স্বার্থ হাসিল করতে পারে।

ক্ষমতা এবং স্বার্থের লোভেই তাদের বাহিনীগুলো এতবছর ধরে এ নোংরা কাজগুলো করে আসছিল।

বিল গেটস পর্যন্ত এসবের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িত ছিল। রাশিয়ান এক মেয়ের সাথে যৌ‌ন সম্পর্ক করে STD রোগে আক্রান্ত হয়েছিল সে। এজন্যে তার ওয়াইফকেও রেগুলার ভ্যাকসিন নিতে হতো।

শুধু বিল গেটসই না, জোহরান মামদানীর মাও এসব পাশবিক অনুষ্ঠানে যোগদান করতো। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর নামও পাওয়া গেছে এই ফাইলে।

শুধু তাই না, নারী পাচারকারী চক্রের সাথে জড়িত আমেরিকার রাজনীতিবিদদের ক্যাম্পেইনে অনুদানও দিয়েছিল বিএনপির নেতা আব্দুল আউয়াল মিন্টু।

এমনকি এসবের সাথে জড়িত কিছু ব্যক্তির সাথে ড. মোহাম্মদ ইউনূসেরও ভালো সম্পর্ক আছে সেটা এই ফাইল থেকেই জানা যায়।

ফাইলটার একটা অংশে এটা উল্লেখও করা হয়েছে। বলা হয়েছে-

"কিছুদিন আগে ইসাবেল এবং আমি আমাদের খুব ভালো বন্ধু কার্টুনিস্ট ম্যাট গ্রোনিংকে নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মোহাম্মদ ইউনূসের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলাম।

আর আগামী রবিবার (৩রা অক্টোবর), ইউনূস হতে যাচ্ছেন সিম্পসন লিজেন্ডের (The Simpsons) একটি অংশ।"

এই যে এতসব বড়সড় নেটওয়ার্ক, হাজার কোটি ডলারের লেনদেনের মধ্যে দিয়েই ঘটে চলছিল এসব নোংরা এবং জঘন্য সব কার্যক্রলাপ। এই ফাইল ফাঁস না হলে আমরা হয়তো জানতেও পারতাম না যে পশ্চিমারা কতটা জঘন্য।

আজকে এই ফাইলে যদি কোন হুজুরের নাম থাকতো, কোন মাওলানার নাম থাকতো তাহলে হয়তো দেশে দেশে মশাল মিছিল বের হতো, আমেরিকা থেকে হুশিয়ারি আসতো।

অথচ ক্ষমতার মসনদে থাকা আমেরিকার বিলিয়নিয়াররা এসব করেছে বলে পুরো বিশ্ব নিশ্চুপ।

যেসব পশ্চিমা নেতাদেরকে আমরা অনুসরণ করি, বিজ্ঞানীদের সম্মান করি, সেলিব্রিটিদের দেখলে আনন্দে আত্মহারা হই তাদের মানসিকতাই এমন জঘন্য, কলুষিত।

এই পশ্চিমারাই আমাদেরকে নারী অধিকার শিখায়, নারীর ক্ষমতায়ন শেখায় অথচ এরাই আবার ছোট ছোট বাচ্চা মেয়েদের নাড়িভুঁড়ি ছিঁড়ে খেতে দুইবার ভাবে না!

(কমেন্টে সমস্ত নথিপত্র এবং প্রমাণগুলো দেয়া হলো)

- Ibrahim Khalil Shawon

30/01/2026

বিম্পির হো/গায় একটা বাঁশ ঢোকা শেষই হয়না, পোলাপান আরেকটা বাঁশ নিয়া হাজির হয়!

এখন আবার মার্কেটে আনছে ২৪ এর ৫ আগস্টের পরবর্তী ৫০০ দিনে তাদের অপকর্ম নিয়ে বানানো ৪১৮ পেইজের একটি খতিয়ান বই (লিংক কমেন্টে)।😑

27/01/2026

আমার চোখে দেখা শিবিরের কোন কর্মী একটা মিটিং করতে হলেও সেটা করতে হতো ফজরের পর পর, যখন সবাই ঘুমে থাকে, রাতের আঁধারে করা হতো, পুলিশ একবার খোঁজ পেলেই সেখানে হামলা করতো। সকাল সকাল খবর আসতো শিবিরের ওমুক মিটিং এ হামলা এবং তাদেরকে জেলে নেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্যে শিবির নিয়ে ২ টা শব্দ লিখতেও শিবির কর্মীরা ৫০ বার ভাবতো, এটা লিখার পর কী হবে?

বর্তমান ছাত্রলীগ ওইসব নিয়ম থেকে হাজার হাজার গুণ ভালো আছে, জুলাইয়ের কোন সফলতা না আসলেও, অন্তত পক্ষে এইযে প্রতিবাদ করতে পারতেছে এটাই হাজার হাজার গুণ সফলতা ছাত্রলীগের। যদি জুলাই না আসতো, তাহলে শিবির পূর্বের মতোই থাকতে হতো। একবার আওয়ামী লীগের কর্মীরা কী ভেবে দেখেছেন আপনাদের স্বাধীনতা শুধুমাত্র জুলাইয়ের জন্য হয়েছে।

দুঃখের বিষয় হলো আপনেরা নিজেরাও অন্যায় হলে প্রতিবাদ করতে পারেন নাই তখন, কারন হাত পা বাঁধা ছিলো আপনাদের। অন্তত পক্ষে এখন প্রতিবাদ করতেছেন এটা জুলাইয়ের জন্য পারতেছেন।

বর্তমান নতুন নতুন ছাত্রশিবিরের অনেক কর্মী আছে, তারাও পূর্বের দিন গুলোর কথা জানেনা। তারা জানেই না অতীতের কর্মীদের অবস্থা কেমন ছিলো। আমার বন্ধু বান্ধব’দের মধ্যে অনেকে শিবিরের কর্মী আছে, তাদের মধ্যে ২/১ ছাড়া বাকি কেউ শিবিরের আদর্শ লালন করেনা। এরা অনেকেই নিত্যনতুন উস্কানিমূলক মন্তব্য করার জন্য নিয়মিত হয়েছে ,নাম দিয়েছে আমি শিবিরের কর্মী।

এর পর আসি ছাত্রলীগের কথা, এরা যারা পূর্বের ছাত্রলীগ আপাতত চুপচাপ আছে, তারাও ধৈর্য ধরে আছে, তারাও চাইতেছে দেশটা ভালো থাকুক, তবে শেখ হাসিনা ফিরে আসুক। আর নব্য কিছু ছাত্রলীগ হয়েছে ৫ আগষ্টের পরে, এদেরকে রিয়েল ছাত্রলীগ কর্মীরা কখনোই পূর্বের মিটিং মিছিলে দেখেছে কিনা সন্দেহ। বর্তমান নব্য ছাত্রলীগ রা নব্য শিবিরের মতোই অশান্তি করে, উস্কানিমূলক মন্তব্য করে ফেইসবুকে প্রমাণ করতে চায় আমি ছাত্রলীগ অথবা আমি শিবির।

এছাড়া বর্তমান নির্বাচনে আমার দেখা ছাত্রদলের তেমন একটিভিটি নেই, কেন নেই আমি জানিনা, যারা পুরাতন ছাত্র দলের সাথে ছিলেন, তারা কেউ আগের মতো এক্টিভ না। কিছু এক্টিভ আছে, তবে পূর্বের সবাই নেই। তবে নব্য কিছু ছাত্রদল বের হয়েছে যারা এক্টিভ।

মাঝেমধ্যে চিন্তা হয়, দেশে কী হচ্ছে, কেন হচ্ছে, তা বুঝা মুশকিল, অবাক লাগে উস্কানিমূলক মন্তব্য। আমি চাই রাজনীতির মাঠ থাকুক গরম। তবে সেখানে থাকবে সম্মান এবং সহযোগী মতামত। দিনশেষে আগামী ১২ তারিখ এ “হ্যাঁ” জিতলে দেশটা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রনে আসবে। আর “না” জিতলে দেশটা এলোমেলো হয়ে যাবে, এমপি মন্ত্রীরা বিদেশে প্রচুর পরিমাণে টাকা পাচার করবে, ব্যাংক লুট করবে, দেশটা ধ্বংস করে দিয়ে যাবে। যেই দল জিতে যায়, সেই দল হবে রাজা। বাকিরা হবে প্রজা।

27/01/2026

“অভাগা যেদিকে যায় সাগর শুকিয়ে যায়” 😄

25/01/2026

ঢাবিতে চাঁদাবাজির প্রমাণ বড় পর্দায় দেখাচ্ছেন ডাকসু নেতারা, সরাসরি।

ডাকসু নেতারা ছাত্রদলের চাঁদাবাজির প্রমান ডকুমেন্টারি করে বড় পর্দায় দেখাচ্ছে। এমন দিনও দেখতে হবে তা হয়তো ছাত্রদল কখনো কল্...
25/01/2026

ডাকসু নেতারা ছাত্রদলের চাঁদাবাজির প্রমান ডকুমেন্টারি করে বড় পর্দায় দেখাচ্ছে।

এমন দিনও দেখতে হবে তা হয়তো ছাত্রদল কখনো কল্পনাও করেনি

24/01/2026

নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে আমরা প্রত্যেক দেশপ্রেমিক হবো একেকজন দায়িত্বশীল পাহারাদার।

#চলো_একসাথে_গড়ি_বাংলাদেশ
#চলোএকসাথেগড়িবাংলাদেশ
#গণভোটে_হ্যাঁ


#দাঁড়িপাল্লা
#দাঁড়িপাল্লায়_ভোট_দিন
#চাঁদাবাজিমুক্ত_বাংলাদেশ


#ডিজিটালপাহারাদার

📊 Business Age: মাত্র ২০ দিন২০ দিনের মধ্যেই টোটাল সেল ৮,১২,৭৫৯ টাকা⚠️ Important Tips:নতুন বিজনেস শুরু করলে সবসময় ছোট প্র...
23/01/2026

📊 Business Age: মাত্র ২০ দিন
২০ দিনের মধ্যেই টোটাল সেল ৮,১২,৭৫৯ টাকা

⚠️ Important Tips:
নতুন বিজনেস শুরু করলে সবসময় ছোট প্রাইস রেঞ্জ দিয়ে শুরু করুন।
Trust তৈরি হবে, অর্ডার বাড়বে, রিস্ক কম থাকবে

হ্যাঁ মানে - ৫৭ জন্য শহীদ সেনাবাহিনী। হ্যাঁ মানে - শহীদ আবরার। হ্যাঁ মানে - শহীদ আবু সাইদ।হ্যাঁ মানে - শহীদ হাদীর বিচার ...
23/01/2026

হ্যাঁ মানে - ৫৭ জন্য শহীদ সেনাবাহিনী।
হ্যাঁ মানে - শহীদ আবরার।
হ্যাঁ মানে - শহীদ আবু সাইদ।
হ্যাঁ মানে - শহীদ হাদীর বিচার নিশ্চিত।
হ্যাঁ মানে - শহীদ মুসাবি্বর হত্যা বিচার নিশ্চিত।
হ্যাঁ ভোটের অর্থ হলো।।
হ্যাঁ মানে — স্বৈরাচার মুক্ত বাংলাদেশ।
হ্যাঁ মানে — জনগণের অধিকার ফিরিয়ে আনা।
হ্যা মানে __ ওয়াজ মাহফিলে বাধা দেnওয়া বন্ধ
হ্যাঁ মানে — মসজিদ.মন্দির হামলা বন্ধ।
হ্যাঁ মানে — পাথর, ইট মেরে মানুষ হত্যা বন্ধ।
হ্যাঁ মানে — দেশের সম্পদ লুটপাট বন্ধ।
হ্যাঁ মানে — দুর্নীতি, দুঃশাসনের অবসান।
হ্যাঁ মানে — নিরপরাধের রক্ত ঝরানো বন্ধ।
হ্যাঁ মানে — আলেম-ওলামার সম্মান রক্ষা।
হ্যাঁ মানে — গুম, খুন, নির্যাতন বন্ধ।
হ্যাঁ মানে — শিক্ষা ও চিকিৎসায় সমতা।
হ্যাঁ মানে — বেকার যুবকের মুখে হাসি।
হ্যাঁ মানে — দেশের কৃষক-শ্রমিকের অধিকার নিশ্চিত।
হ্যাঁ মানে — সৎ নেতৃত্বের বিজয়।
হ্যাঁ মানে — দেশপ্রেমিকদের জন্য নিরাপদ বাংলাদেশ।
হ্যাঁ মানে — সত্য ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা।
হ্যাঁ মানে — ইসলাম, দেশ ও মানবতার সুরক্ষা।
হ্যাঁ মানে — শান্তি, প্রগতি ও স্বাধীনতার পথচলা।
হ্যা মানে — চুরি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি, বন্ধ
হ্যাঁ মানে — মত প্রকাশের স্বাধীনতা।
গণভোট হ্যাঁ বলুন।
আজাদীকে হ্যাঁ বলুন।

স্বৈরাচারকে না বলুন
চাঁদাবাজদের না বলুন
জুলাই বিরোধী না বলুন
আধিপত্যবাদ না বলুন
গোলামীকে না বলুন।
তাই গণভোটে হ্যাঁ বলুন।
হাদীর বিচার নিশ্চিত করতে হ্যাঁ বলুন।

বিগত স্বৈরাচারী শাসনের সময় ঘটে যাওয়া সকল স্বৈরাচারী ঘটনা বাংলাদেশের সকল বেতার রেডিও টেলিভিশনে এখন প্রচার করা আবশ্যক মনে করছি। এ বিষয়ে সরকারের পদক্ষেপ আবশ্যক মনে করছি। জনগণ যেন বুঝতে পারে কেন হ্যাঁ ভোট অত্যন্ত জরুরি।

Address

Road-13, Block-9/B, House-382, Imran Plaza
Maijdee Court
3800

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Imran Juwel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share