SEBA Agro and biofloc ind. Ltd. Manikgonj

SEBA Agro and biofloc ind. Ltd. Manikgonj প্রানী,পাখি, মাছ, প্রতিপালন, ফল ও সবজি বাগান করে কৃষি শিল্পের বিপ্লব ঘটাবো এ বাংলায়। Fisheries, Dairy, Goat, Poultry, pegion, spirulina etc.

14/01/2026

Celebrating my 9th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

https://www.facebook.com/share/p/1Bp8Adiu4m/
14/01/2026

https://www.facebook.com/share/p/1Bp8Adiu4m/

পাঙ্গাস মাছ ডিসেকশন করার সময় পেটের ভেতরে যে সাদা হলুদ নরম চর্বির স্তর দেখা যায়, সেটি মূলত visceral adipose tissue বা abdominal storage fat। এটি কোনো সংক্রামক রোগ নয়, বরং পাঙ্গাসের স্বাভাবিক শক্তি সংরক্ষণ প্রক্রিয়ার অংশ। পাঙ্গাস জেনেটিকভাবেই খাবার থেকে পাওয়া অতিরিক্ত শক্তি ট্রাইগ্লিসারাইড বা এরকম চর্বি আকারে শরীরের ভেতরে, বিশেষ করে অভ্যন্তরীণ অঙ্গের চারপাশে জমা করে রাখতে সক্ষম।
শীতের আগে যখন পানির তাপমাত্রা খাবার উপযোগী থাকে এবং মাছ নিয়মিত উচ্চ এনার্জিযুক্ত(হাই কাবোহাইড্রেট ও ফ্যাট) ফিড গ্রহণ করে, তখন অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট ও লিপিড প্রথমে লিভারেই মেটাবলাইজ হয়। লিভার এই অতিরিক্ত শক্তিকে ফ্যাটি অ্যাসিড ও ট্রাইগ্লিসারাইডে রূপান্তর করে চর্বি আকারে পেটের ভেতরে সংরক্ষণ করে। এ সময় লিভার একটি কেন্দ্রীয় মেটাবলিক অর্গান হিসেবে অতিরিক্ত চাপের মধ্যে কাজ করে এবং লিভার অনেক স্ট্রেসের উপর দিয়ে যায়।
শীতকালে পানির তাপমাত্রা কমে গেলে পাঙ্গাসের খাদ্য গ্রহণ কমে বা বন্ধ হয়ে যায় এবং বেসাল মেটাবলিক রেট উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়। একই সঙ্গে লিভারের এনজাইম কার্যক্রম ও লিপোলাইসিস প্রক্রিয়া ধীর হয়ে পড়ে। ফলে মাছ না খেলেও পূর্বে সঞ্চিত visceral fat বা চর্বি দ্রুত ব্যবহার হয় না এবং ডিসেকশনের সময় তা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান থাকে।
যদি দীর্ঘদিন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি এনার্জি ডেন্স ফিড দেওয়া হয়, তবে ট্রাইগ্লিসারাইড শুধু পেটের ভেতরেই নয়, লিভারের হেপাটোসাইটেও জমা হতে শুরু করে। এতে লিভার ফ্যাকাশে রঙের, নরম ও কিছুটা বড় হয়ে যায় যা fatty liver বা hepatic lipidosis হিসেবে পরিচিত। এই অবস্থায় লিভারের ডিটক্সিফিকেশন ক্ষমতা কমে যায়, পিত্তরস উৎপাদন ও ডাইজেশন/মেটাবলিজম ব্যাহত হয় এবং পরবর্তীতে মাছের বৃদ্ধি ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হয়ে পড়ে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, visceral fat নিজে কোনো রোগ না হলেও এটি লিভারের দীর্ঘমেয়াদি মেটাবলিক চাপের বা স্ট্রেসের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূচক। তাই শীতের আগে খাদ্য কোম্পানিগুলোর প্রোটিনের সাথে এনার্জি ব্যালান্স ঠিক রাখা, অতিরিক্ত খাবার না দেওয়া এবং চাষীর তাপমাত্রা অনুযায়ী ফিড ম্যানেজমেন্ট করা ,খাবারের সাথে লিভারটনিক যুক্ত করা পাঙ্গাস চাষে বৈজ্ঞানিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

ধন্যবাদ
মিল্লাত হোসাইন।

মানিকগঞ্জের গ্রীন শাহী।
20/12/2025

মানিকগঞ্জের গ্রীন শাহী।

https://www.facebook.com/share/p/1DHM65WYAZ/
19/12/2025

https://www.facebook.com/share/p/1DHM65WYAZ/

ভ্যালু এডিশন: সাধারণ হাতেই অসাধারণ ব্যবসা

আমরা সাধারণত ব্যবসাকে দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। একটাকে বলে ট্রেডিং ব্যবসা, আর অন্যটাকে বলে ভ্যালু এডিশন। ট্রেডিং ব্যবসায় আপনি চাল কিনলেন, চাল বিক্রি করলেন। আলু কিনলেন, আলু বিক্রি করলেন। এখানে পণ্য বদলায় না, শুধু মালিক বদলায়। এই ব্যবসায় লাভ তুলনামূলক কম, ঝুঁকি বেশি, আর সবচেয়ে বড় কথা—পুঁজি লাগে অনেক।

একজন সাধারণ পরিবারের ছেলে হিসেবে আমার কাছে সেই বড় পুঁজি ছিল না। আমি যদি এক ট্রাক চাল কিনতে চাই, তাহলে সেই টাকাটা কোথা থেকে আসবে?

যদি আলু কিনে বাজারে নামাই, তাহলে একদিন লোকসান হলেই আমি শেষ। এই বাস্তবতা আমাকে ট্রেডিং থেকে দূরে রাখল। কিন্তু বাস্তবতা আমাকে থামায়নি, বরং নতুন পথ দেখিয়েছে।

আমি দেখলাম—আমাদের আশেপাশে এমন অনেক জিনিস আছে যেগুলো খুব সস্তা, খুব সাধারণ, কিন্তু সেগুলোর ভেতরে লুকিয়ে আছে অসাধারণ সম্ভাবনা। তেঁতুল তার একটা উদাহরণ। তেঁতুলের দাম খুব বেশি না। কিন্তু আমি যখন সেই তেঁতুলে চিনি, লবণ, আর মসলা যোগ করে আচার বানালাম—তখন সেই তেঁতুল আর শুধু তেঁতুল রইল না। সেটা হয়ে গেল একটি নতুন পণ্য, নতুন স্বাদ, নতুন অভিজ্ঞতা তেতুলের আচার ।

“এই যে একটি পণ্যকে আরেকটি রূপে রূপান্তর করা—এটাই ভ্যালু এডিশন”

আমি রসুন কিনি। বাজারে রসুনের দাম ওঠানামা করে। আজ সস্তা, কাল দামি। কিন্তু আমি রসুন দিয়ে যখন রসুনের আচার তৈরি করি, তখন আমি আর কাঁচা রসুন বিক্রি করি না। আমি বিক্রি করি রসুনের আচার। একইভাবে বোম্বাই মরিচ দিয়ে তৈরি করি ঝাল-মিষ্টি, সুস্বাদু মরিচের আচার।

ভ্যালু এডিশনের সবচেয়ে বড় শক্তি হলো—এটি পণ্যের দাম নয়, পণ্যের মূল্য বাড়ায়। দাম আর মূল্য এক জিনিস না। দাম হলো বাজার যা দেয়, আর মূল্য হলো আপনি যা তৈরি করেন। ভ্যালু এডিশন সেই মূল্য তৈরির শিল্প।

এখানে পুঁজির চেয়ে বেশি দরকার বুদ্ধি, শ্রম আর ধৈর্য। একটি ছোট রান্নাঘর, কিছু মৌলিক উপকরণ, আর শেখার আগ্রহ—এই তিনটি থাকলেই ভ্যালু এডিশনের যাত্রা শুরু করা যায়।

এজন্যই ভ্যালু এডিশন সাধারণ মানুষের জন্য, বিশেষ করে কম পুঁজির উদ্যোক্তাদের জন্য, সবচেয়ে বাস্তবসম্মত ব্যবসার পথ।

বাংলাদেশের মতো কৃষিভিত্তিক দেশে ভ্যালু এডিশনের সম্ভাবনা অসীম। আম, কুল, জলপাই, তেঁতুল, রসুন, মরিচ—এসব আমাদের ঘরের পাশেই জন্মায়। কিন্তু আমরা বেশিরভাগ সময় সেগুলো কাঁচা অবস্থায় বিক্রি করে দিই। ফলে লাভটা যায় মধ্যস্বত্বভোগীদের হাতে। অথচ যদি আমরা নিজেরাই প্রক্রিয়াজাত করি, নিজেরাই প্যাকেট করি, নিজেরাই গল্প বলি—তাহলে সেই লাভটা আমাদের ঘরেই থাকত।

ভ্যালু এডিশন শুধু অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনে না, এটা মানসিক পরিবর্তনও আনে। আপনি তখন নিজেকে শুধু বিক্রেতা ভাবেন না, আপনি নিজেকে একজন শিল্পী ভাবতে শুরু করেন। আপনি ভাবেন—আমি কীভাবে আরও ভালো স্বাদ আনতে পারি, কীভাবে আরও স্বাস্থ্যসম্মত করতে পারি, কীভাবে গ্রাহকের বিশ্বাস ধরে রাখতে পারি।

এই বিশ্বাসই আসল সম্পদ।

আমি যদি শুধু তেঁতুল বিক্রি করতাম, মানুষ আমাকে চিনত না। কিন্তু আমি যখন তেঁতুলের আচার বানালাম, তখন মানুষ আমার কাজকে চিনল। আমার নামকে চিনল। ভ্যালু এডিশন একটি পণ্যকে ব্র্যান্ডে রূপান্তর করার প্রথম ধাপ।

অনেকেই বলে—“আমার তো বড় ব্যবসা করার সামর্থ্য নেই।” আমি বলি—আপনার বড় ব্যবসা দরকার নেই, আপনার দরকার সঠিক ব্যবসা। ভ্যালু এডিশন সেই সঠিক ব্যবসার নাম, যেখানে আপনি ছোট থেকে শুরু করতে পারেন, কিন্তু স্বপ্ন বড় রাখতে পারেন।

আজ আমি গর্ব করে বলতে পারি—আমি খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ বা ভ্যালু এডিশনের কাজ করি। আমি কাঁচা পণ্যকে সম্মান দিয়ে, শ্রম দিয়ে, চিন্তা দিয়ে এমন কিছু বানাই—যেটা মানুষের খাবারের টেবিলে জায়গা পায়।

ভ্যালু এডিশন কোনো বড় কারখানার গল্প না। এটা একজন সাধারণ মানুষের গল্প—যে সীমাবদ্ধতাকে অজুহাত বানায়নি, বরং সেই সীমাবদ্ধতাকেই শক্তিতে পরিণত করেছে।

লেখা: Zahidul Islam
ফাউন্ডার: চুইঝাল, আখলাক স্টোর

https://www.facebook.com/share/p/1AGcwZBPaV/
18/12/2025

https://www.facebook.com/share/p/1AGcwZBPaV/

কোনো পণ্যের আন্তর্জাতিক মার্কেটে চাহিদা আছে কিনা তা বের করার জন্য আপনাকে বিভিন্ন ধরনের গবেষণা করতে হবে।

এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, কারণ এটি আপনাকে আপনার পণ্যটি কোন মার্কেটে বিক্রি করবেন এবং কীভাবে বিক্রি করবেন তা নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে।

কিভাবে বুঝবেন:

(1) মার্কেট রিসার্স:

✔ অনলাইন প্ল্যাটফর্ম: অ্যামাজন, ইবে, আলিবাবা, অ্যালিএক্সপ্রেস ইত্যাদি প্ল্যাটফর্মে আপনার পণ্য বা অনুরূপ পণ্যের জন্য অনুসন্ধান করুন। কতজন বিক্রেতা আছে, দাম কত, কী ধরনের বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন পণ্যের চাহিদা বেশি, ইত্যাদি তথ্য সংগ্রহ করুন।

✔ সোশ্যাল মিডিয়া: ফেসবুক গ্রুপ, টুইটার হ্যাশট্যাগ, ইনস্টাগ্রাম এক্সপ্লোর ইত্যাদি ব্যবহার করে আপনার টার্গেড মার্কেটের মানুষ কী ধরনের পণ্যের সন্ধান করে তা জানতে পারবেন।

✔ ব্লগ এবং ফোরাম: আপনার পণ্যের সাথে সম্পর্কিত বিভিন্ন ব্লগ এবং ফোরামে মানুষের মতামত, প্রশ্ন এবং আলোচনা পর্যবেক্ষণ করুন।

✔ গুগল ট্রেন্ডস: গুগল ট্রেন্ডস ব্যবহার করে আপনি কোন পণ্যের জন্য অনুসন্ধান বেশি হচ্ছে তা দেখতে পারবেন।

✔ মার্কেট রিসার্স ফার্ম: পেশাদার মার্কেট রিসার্স ফার্ম থেকে বিস্তারিত রিপোর্ট কিনে নিতে পারেন।

(2) প্রতিযোগীদের বিশ্লেষণ:

আপনার প্রতিযোগীরা কারা, তারা কীভাবে পণ্য বিক্রি করছে, তাদের পণ্যের দাম কত, তাদের মার্কেটিং কৌশল কী ইত্যাদি বিশ্লেষণ করুন।

(3) আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনী:

বিভিন্ন দেশে আয়োজিত বাণিজ্য মেলা ও প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করে আপনি আপনার পণ্য প্রদর্শন করতে পারবেন এবং বৈদেশিক ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারবেন।

(4) সরকারি সংস্থার সহায়তা:

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়, রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো ইত্যাদি সরকারি সংস্থাগুলি থেকে আপনি মার্কেট সম্পর্কিত তথ্য পেতে পারেন।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:

টার্গেড মার্কেট নির্ধারণ: আপনার পণ্য কোন দেশের মানুষের জন্য উপযোগী হবে তা নির্ধারণ করুন।

ভাষা: আপনার টার্গেড মার্কেটের ভাষা জানা জরুরি।

কালচার: বিভিন্ন দেশের কালচার ও প্রথা সম্পর্কে জানা জরুরি।

নিয়মকানুন: বিভিন্ন দেশের আমদানি-রপ্তানির নিয়মকানুন সম্পর্কে জানা জরুরি।

প্রতিযোগিতা: আপনার প্রতিযোগীদের তুলনায় আপনার পণ্য কীভাবে ভিন্ন এবং ভালো তা বুঝতে হবে।

✔ উদাহরণ: ধরুন, আপনি হাতে তৈরি কাপড়ের ব্যাগ বিক্রি করতে চান। আপনি প্রথমে গুগল ট্রেন্ডসে দেখবেন যে "কাপড়ের ব্যাগ" এর জন্য অনুসন্ধান কতটা হচ্ছে। তারপর আপনি ইবে এবং অ্যামাজনে অনুরূপ পণ্যের জন্য অনুসন্ধান করবেন। আপনি ফেসবুক গ্রুপে দেখবেন যে অনেকেই পরিবেশবান্ধব পণ্যের সন্ধান করছে। এরপর আপনি আপনার টার্গেড মার্কেট হিসেবে ইউরোপ এবং উত্তর আমেরিকার দেশগুলোকে নির্ধারণ করতে পারেন, যেখানে পরিবেশবান্ধব পণ্যের চাহিদা বেশি।

মনে রাখবেন: আন্তর্জাতিক মার্কেটে পণ্য বিক্রি করা একটি জটিল প্রক্রিয়া। সফল হতে হলে আপনাকে ধৈর্য ধরে কাজ করতে হবে এবং ক্রমাগত শিখতে হবে।

আশা করি এই তথ্যগুলো আপনার জন্য উপকারী হবে।

https://www.facebook.com/share/p/14RNtcrgzbn/
11/12/2025

https://www.facebook.com/share/p/14RNtcrgzbn/

ফিড লট পদ্ধতিতে TMR বেইজড রেশনে অস্ট্রেলিয়ার মিজ ক্যাটলিন এর খামারে এসেছে অভাবনীয় সাফল্য।

৯০ দিনে ২০০ কেজি ওজন বেড়েছে গরুদের।

প্রযুক্তি সবার জন্য কাজে লাগিয়ে এগিয়ে যাচ্ছেন অনেকেই, আপনি সুযোগ হারাচ্ছেন নাতো........

Address

Saturia, Manikgonj
Manikganj
1810

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SEBA Agro and biofloc ind. Ltd. Manikgonj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to SEBA Agro and biofloc ind. Ltd. Manikgonj:

Share