20/04/2026
ই-রিটার্ন
ই-রিটার্ন" বলতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR), বাংলাদেশ দ্বারা প্রবর্তিত অনলাইন আয়কর রিটার্ন দাখিল প্রক্রিয়াকে বোঝায়। এই ব্যবস্থার মাধ্যমে করদাতারা ঘরে বসেই তাদের আয়কর রিটার্ন জমা দিতে পারেন।
ই-রিটার্নের প্রধান সুবিধা:
সময় বাঁচানো: কর অফিসে শারীরিকভাবে উপস্থিত হওয়ার প্রয়োজন হয় না।
সুবিধা: যেকোনো স্থান থেকে অনলাইনে রিটার্ন দাখিল করা যায়।
স্বয়ংক্রিয় প্রাপ্তি স্বীকার: রিটার্ন জমা দেওয়ার সাথে সাথেই সিস্টেম থেকে একটি প্রাপ্তি রসিদ (Acknowledgement slip) ডাউনলোড করা যায়।
কাগজপত্রের ঝামেলা কম: অনলাইনে রিটার্ন দাখিলের জন্য সাধারণত কোনো কাগজপত্র আপলোড বা জমা দেওয়ার প্রয়োজন হয় না।
সহজ প্রক্রিয়া: ধাপে ধাপে আয়, বিনিয়োগ, ব্যয় এবং কর পরিশোধের তথ্য ইনপুট দিয়ে সহজেই রিটার্ন পূরণ করা যায়।
ই-রিটার্ন দাখিলের জন্য প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ:
একটি বৈধ টিআইএন (TIN) নম্বর।
বায়োমেট্রিক যাচাইকৃত একটি সক্রিয় মোবাইল নম্বর।
জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা পাসপোর্ট।
আয়ের বিবরণী, বিনিয়োগের তথ্য এবং পূর্ববর্তী কর পরিশোধের প্রমাণপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে)।
ই-রিটার্ন দাখিলের প্রক্রিয়া:
১. রেজিস্ট্রেশন: NBR-এর অফিসিয়াল ই-রিটার্ন পোর্টালে (www.etaxnbr.gov.bd) টিআইএন এবং বায়োমেট্রিক করা মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
২. লগইন: টিআইএন এবং সেট করা পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে সিস্টেমে সাইন-ইন করুন।
৩. তথ্য ইনপুট: নির্দেশিত ধাপে আপনার আয়, বিনিয়োগ, পারিবারিক ব্যয়, সম্পদ ও দায় এবং কর পরিশোধের তথ্য সঠিকভাবে ইনপুট করুন।
৪. কর পরিশোধ: যদি কোনো কর দায় থাকে, তা ই-পেমেন্টের মাধ্যমে অনলাইনে পরিশোধ করুন।
৫. রিটার্ন দাখিল: সকল তথ্য যাচাই করে রিটার্ন জমা দিন।
৬. প্রাপ্তি স্বীকার ডাউনলোড: রিটার্ন দাখিলের পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে প্রাপ্তি স্বীকারপত্রটি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করুন।
এই প্রক্রিয়াটি করদাতাদের জন্য আয়কর পরিশোধের পদ্ধতিকে অনেক সহজ এবং আধুনিক করে তুলেছে। · BDT1,000.00