08/09/2020
বাংলা সাহিত্যে #চায়ের আবির্ভাব
বিভিন্ন সময় বাংলা সাহিত্যে চায়ের উল্লেখ নানাভাবে এসেছে। রবীন্দ্রনাথের গল্পে-উপন্যাসে তো হরহামেশাই এসেছে বৈকালিক চা-পানের কথা। চোখের বালি’র বিনোদিনী যে দারুণ চা বানাতে পারতো সে কথা কে না জানে।
রবী ঠাকুরের উপন্যাসগুলোতে যে ব্রাহ্ম পরিবারগুলোর কথা এসেছে, সেসব পরিবারগুলোর বিকেলের চায়ের আসর গল্পের অনেক মূল ঘটনার প্রেক্ষাপট।
সমাজের প্রতিটি স্তরে কিভাবে চায়ের জনপ্রিয়তা আর গুণাগুণ সম্পর্কে নানা কথা ছড়িয়ে পড়েছিল তা জানতে পারা যায় তিরিশের দশকে লেখা বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্প ‘মড়িঘাটের মেলা’য়।
এই গল্পে দেখা যায় যে, গ্রাম বাংলায় দরিদ্র কৃষকের কাছে চা তখনও স্বাস্থ্যকর, কিন্তু বিলাসী এবং দামি পানীয়।
গল্পের একটি চরিত্রের মুখে পাওয়া যায় এমন বর্ণনা- ‘চায়ের দোকানের ভিড়ের মধ্যে দেখি মা অনিচ্ছুক ছোট ছেলের মুখের কাছে চায়ের ভাঁড় ধরে বলছে— খেয়ে নে, অমন করবি তো — এরে বলে চা — ভারি মিষ্টি — দ্যাখো খেয়ে — ওষুধ — জ্বর আর হবে না — আ মোলো যা ছেলে। চার পয়সা দিয়ে কিনে এখন আমি ফেলে দেব ক’নে? মুই তো দু ভাঁড় খ্যালাম দেখলি নে? খা —’
আরেক কবি দ্বিজেন্দ্রলাল রায় নাকি এক জমিদারকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, সে চা খায় কিনা। না-বোধক উত্তর আসায় তাঁর মন্তব্য ছিল, “কিন্তু তোমাকে তো ভদ্রলোকের মতোই দেখায়!” অবশ্য যে দ্বিজেন্দ্রলাল লিখেছিলেন “বিভব সম্পদ কিছু নাহি চাই, শুধু বিধি যেন প্রাতে উঠে পাই ভাল এক পেয়ালা চা”, তাঁর পক্ষে চা-প্রীতির ক্ষেত্রে এমন কট্টরপন্থী হওয়াটাই স্বাভাবিক।
একইভাবে ভদ্রতার সাথে চা-পানের অভ্যাসকে মিলিয়ে নিয়েছিলেন রাজশেখর বসু ওরফে পরশুরাম। তিনি নাকি বলতেন : “এক জনের বাড়িতে গেলাম, আর এক কাপ চায়ের দেখা পেলাম না, এই রকম কারও কাছে কোনও ভদ্রলোকের যাওয়া উচিত নয়।”
ধারণা করা যায়, উনিশ শতকের শেষার্ধে এসে চা শহুরে শিক্ষিত ও অভিজাত ধনশালী ব্যক্তিদের শখের পানীয়রূপে পরিচিতি পেতে শুরু করে, পরে তা ক্রমান্বয়ে সাধারণ মধ্যবিত্ত-নিম্নবিত্তের রোজকার পান-অভ্যাসের গণ্ডীতেও এসে পড়ে।
বিশ শতকে এসে চা পানের অভ্যাস চূড়ান্তভাবে ব্যাপক আকার গ্রহণ করে।
#চা নিয়ে এমন মজার সব তথ্য জানতে #স্পেশাল #সিলটি’র পেইজটিতে নিয়মিত চোখ রাখুন।
ভেজালের ভিড়ে ভালো চায়ের চাহিদা সবার কাছেই রয়েছে।
সিলেট-শ্রীমঙ্গলের ভেজালমুক্ত আসল চায়ের স্বাদ নিতে আজই অর্ডার করুন 01716-053043 এই নাম্বারে বা আমাদের স্পেশাল সিল টি‘র / Special Syl Tea’র ফেইসবুক পেজে বা ইনবক্স এ।
সারাদেশে কুরিয়ার ও পার্সেল ডেলিভারির জন্য ১ থেকে ২ কেজি চার্জ ১০০ টাকা। ২ থেকে ৫ কেজি পর্যন্ত ১৫০ টাকা। আর ৫ কেজি থেকে ৫৫ কেজি পর্যন্ত ২০০ টাকা।
You Can get Pure Sylhety tea From us ... আমাদের কাছে #সিলেটের আসল চা (পাইকারি ও খুচরা) পেতে এখনই অর্ডার করুন। আমরা আপনাকে পৌঁছে দেব ভেজাল মুক্ত আসল/খাটি চা পাতা।
#স্পেশালসিলটি,,, চুমুকেই সিলেটের আসল চায়ের স্বাদ...
https://www.facebook.com/Special-Syl-Tea-106000597883656/
আমাদের পেইজ এ লাইক দিয়ে বিস্তারিত আপডেট জানতে সঙ্গেই থাকুন আর পেইজটা শেয়ার করে অন্যদের ভালো ভেজালমুক্ত চা-পাতা পেতে সাহায্য করুন, ধন্যবাদ ।