মৌলভীবাজার-Moulvibazar

মৌলভীবাজার-Moulvibazar Welcome to Moulvibazar
(1)

18/06/2025

এই পেইজেটি বিক্রি করা হবে। আগ্রহীরা তাদের ব্যক্তিগত, ব্যবসার কাজে ব্যবহার করতে পারেন, একদম জেনুইন এবং অর্গ্রানিক ফলোয়ার যারা পেইজে লাইক এবং ফলো করে পেইজের সাথে কানেক্টেড আছেন তারা সবাই আমাদের মৌলভীবাজারের লোকাল মানুষ।

বিঃ দ্রঃ আগ্রহী হলে ইনবক্সে যোগাযোগ করবেন।

20/07/2022

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সম্ভাব্য লোডশেডিংয়ের তালিকা ও সময়সূচি, ওরফে লোডশেডিংঃ--🥵

১) শমসেরনগর রোড ফিডার- সকাল ৯ টা থেকে ১০ টা, দুপুর ১ টা থেকে ২ টা ও সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭ টা।
২) সার্কিট হাউস ফিডার- রাত ৯ টা থেকে ১০ টা
৩) সদর হাসপাতাল ফিডার- রাত ১ টা থেকে ২ টা, সকাল ৮ টা থেকে ৯ টা, সন্ধ্যা ৫ টা থেকে ৬ টা।
৪) পশ্চিমবাজার ফিডার- দুপুর ১২ টা থেকে ১ টা, বিকাল ৪ টা থেকে ৫ টা এবং রাত ৮ টা থেকে ৯ টা।
৫) ধরকাপন ফিডার- রাত ২ টা থেকে ৩ টা, সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা এবং সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭ টা।
৬) চাদনীঘাট ফিডার- সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা, দুপুর ২ টা থেকে ৩ টা এবং সন্ধ্যা ৭ টা থেকে ৮ টা।
৭) ডিসি অফিস ফিডার- সকাল ৭ টা থেকে ৮ টা এবং রাত ৯ টা থেকে ১০ টা।
৮) কাজিরগাও ফিডার- রাত ১ টা থেকে ২ টা, সকাল ৭ টা থেকে ৮ টা এবং বিকাল ৪ টা থেকে ৫ টা।
৯) সোনাপুর ফিডার- সকাল ৯ টা থেকে ১০ টা, সন্ধ্যা ৭ টা থেকে ৮ টা এবং রাত ৩ টা থেকে ৪ টা।
১০) কুসুমবাগ ফিডার- সকাল ১১ টা থেকে ১২ টা, বিকাল ৩ টা থেকে ৪ টা এবং সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭ টা।
ফিডার ভিত্তিক অন্তর্গত এলাকাসমূহ
★ শমসের নগর রোড ফিডার এর আওতাধীন এলাকাঃ সৈয়ারপুর স্কুল রোড, ফরেস্ট অফিস রোড, গীর্জাপাড়া, শমসেরনগর রোড, মাইজপাড়া, মাতারকাপন, ধনাশ্রী ও কাশীনাথ রোড, সৈয়ারপুর।
★কুসুমবাগ ফিডারের আওতাধীন এলাকাঃ কুসুমবাগ, সেন্ট্রাল রোড (আংশিক), বড়হাট, জুগিডহর, বেরীর পাড়।
★ডিসি অফিস ফিডারের আওতাধীন এলাকাঃ উত্তর কলিমাবাদ, ডিসি অফিস রোড, বনবিথী।
★ সদর হাসপাতাল ফিডারের আওতাধীন এলাকাঃ সদর হাসপাতাল এলাকা, রঘুনন্দনপুর, জগন্নাথপুর, ঢাকা বাসস্ট্যান্ড।
★ চাদনীঘাট ফিডারের আওতাধীন এলাকাঃ চাদনীঘাট, উত্তর মুলাইম, ইসলামপুর, কালার বাজার, একাটুনা।
★ পশ্চিমবাজার ফিডারের আওতাধীন এলাকাঃ পুরাতন হাসপাতাল রোড, মুসলিম কোয়ার্টার, পশ্চিমবাজার, সাইফুর রহমান রোড, সুলতানপুর, গীর্জাপাড়া, সাবিয়া, চৌমুহনা।
★ কাজিরগাও ফিডারের আওতাধীন এলাকাঃ চুবড়া রোড, কাজিরগাও, দক্ষিণ কলিমাবাদ।
★ সোনাপুর ফিডারের আওতাধীন এলাকাঃ বড়বাড়ি, বনশ্রী, সোনাপুর, বর্ষিজুড়া, টিবি হাসপাতাল রোড।
★ ধরকাপন ফিডারের আওতাধীন এলাকাঃ গোবিন্দশ্রী, ধরকাপন, হিলালপুর, শ্রীমঙ্গল রোড, শেখেরগাও, সিলেট রোড।
★সার্কিট হাউস ফিডার এর আওতাধীন এলাকাঃ সার্কিট হাউস রোড, কোর্ট রোড এবং ফাটাবিল রোড।

01/01/2022

২ জানুয়ারি সকাল ১০ টায় মৌলভীবাজারের সকল এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ২য় ডোজ ইপিআই ভবনে করোনার টিকা দেয়া হবে। 💉💉

22/12/2021

""এক নজরে মৌলভীবাজার জেলা""
:
১. জেলার নাম : মৌলভীবাজার।

নাম করন: মৌলভী কুদরত উল্লার নামানুসারে

২. সীমানা : পূর্ব ও দক্ষিণে ভারত, উত্তরে সিলেট ও পশ্চিমে হবিগঞ্জ

৩. জেলা প্রতিষ্ঠার তারিখ : ২২/০২/১৯৮৪খ্রিঃ

৪. মোট আয়তন : ২৭৯৯ বর্গ কিঃমিঃ

৫. মোট জনসংখ্যা :
১৯,৯৯,০৬২ জন (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)

ক) পুরুষ -৯,৪৪,৭২৮ জন, খ) মহিলা-৯,৭৪,৩৩৪ জন

৬. উপজেলার সংখ্যা :
০৭ টি (মৌলভীবাজার সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, বড়লেখা, কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল ও জুড়ী)

৭. পৌরসভার সংখ্যা : ০৫ টি (মৌলভীবাজার, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া, বড়লেখা, কমলগঞ্জ)

৮. সীমান্ত ফাঁড়ির সংখ্যা : ১৪ টি (কুলাউড়া-০৬,কমলগঞ্জ-০৪, শ্রীমঙ্গল- ০২, বড়লেখা-০২)

৯. সীমান্তবর্তী উপজেলার সংখ্যা : ০৫টি

১০. ইউনিয়নের সংখ্যা : ৬৭ টি

১১. মৌজার সংখ্যা : ৮৯৯ টি

১২. গ্রামের সংখ্যা : ২,০১৫ টি

১৩. মোট জমির পরিমাণ : ৬,৫৮,৯১৫.৭১ একর

১৪. আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ : ১,৪৬,৭৪০ একর

১৫. অনাবাদী জমির পরিমাণ : ১০,৬৯৫ হেক্টর

১৬. মোট চা-বাগানেরসংখ্যা : ৯২ টি

১৭. চা-বাগানের মোট জমির পরিমাণ : ১,৬০,২৬৪.৭৮ একর

১৮. বার্ষিক উৎপাদন : ৩,২০,৫১,৫০০ কেজি

১৯. জেলায় রাবার বাগানের সংখ্যা :
মোট ১০টি (রাজনগর-২টি, কুলাউড়া-৪টি, কমলগঞ্জ-৩টি, শ্রীমঙ্গল-১টি)

২০. জেলায় রাবার বাগানের আয়তন ৬৬,০৩৫,০৭ হেক্টর

২১. শিক্ষার হার : ৫১.১% (২০১১ সালের আদমশুমারী অনুযায়ী)

২২.
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাঃ
:
কলেজঃ ২৪ টি (সরকারি কলেজ-০৩ টি, বেসরকারি কলেজ-২১ টি
মাধ্যমিক বিদ্যালয়ঃ ১৭৩ টি (সরকারি-০৩টি, বেসরকারি-১৭০টি)
মাদ্রাসাঃ ৭১ টি (দাখিল-৪৭টি, আলিম-১০ টি, ফাযিল-১৩ টি ও কামিল-০১)
প্রাথমিক বিদ্যালয়ঃ ২৫৯৫টি (সরকারি-১০০৬ টি,কিন্ডার গার্টেন-৩১৪, ইবতেদায়ী-১১৪, স্যাটেলাইট/কমিউনিটি/অন্যান্য-১১৬১ টি )
পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট : ০১টি
টেকনিক্যাল স্কুল এন্ড কলেজঃ ০১টি
প্রাইমারি ট্রেনিং ইনস্টিটিউট(পি,টি, আই) ০১ টি
২৩. সেবা ইনস্টিটিউট : ০১ টি

২৪.
সরকারি হাসপাতালের সংখ্যা
: ০৭ টি

২৫.
বে-সরকারি হাসপাতাল সংখ্যা
: ০৫ টি

২৬. উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স : ০৬ টি (জুড়ীতে অারও০১ টি নির্মানাধীন আছে)

২৭. পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র : ৩৮ টি

২৮. মাতৃমঙ্গল ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র : ০১টি

২৯. পল্লী স্বাস্থ্য কেন্দ্র : ২০ টি

৩০. গ্যাস ফিল্ডের সংখ্যা :
০২ টি
(১) ইউনিকল, কালাপুর প্রজেক্ট, শ্রীমঙ্গল এবং
(২) ভাটেরা গ্যাস ফিল্ড, কুলাউড়া

৩১. রাস্তার পরিমাণ :
৩,৪৭৫.৪৬ কিঃমিঃ
কাঁচা রাস্তার পরিমাণঃ ২,৬৭৫.১৮ কিঃমিঃ
আধা পাকা রাস্তার পরিমাণঃ ৬১.৯৩ কিঃমিঃ
পাকা রাস্তার পরিমাণঃ ৭৩৮.৩৫কিঃমিঃ

৩২. মোট খাস জমির পরিমাণ : ৩৫,১০০.৪৯ একর

৩৩. মোট ইউনিয়ন ভূমি অফিসের সংখ্যা : ৩২ টি

৩৪. মোট নদী পথ : ১৭০ মাইল

৩৫. মোট স্যানিটেশন পরিবার : ২,৩৪,৬২১ টি

৩৬. মোট হাট-বাজার : ১৫০টি

৩৭. মৎস্য খামার সরকারি-১৪০৪টি, পুকুরে-৫৫৯০টি, নদীতে-০১টি, বেসরকারি-১০২১টি

৩৮. মোট উপাসনালয় :
২৩৪২টি
মসজিদ -১৯৫২টি, মন্দির-৩৭৪টি, গীর্জা-১৬টি

৩৯. উপজাতিদের নামঃ :
ক. মনিপুরী (মৈথৈ ও বিষ্ণু প্রিয়া); খ. খাসিয়া; গ. সাঁওতাল;
ঘ. টিপরা; ঙ. ত্রিপুরা; চ. গারো

৪০. উপজাতি জনসংখ্যা : ৪২,৯১০ জন

৪১. জেলার হাওর সংখ্যা :
০৩ টি (মোট আয়তনঃ৫৪৬৪৮.৯৮ হেক্টর)
(১) হাকালুকি হাওড় (কুলাউড়া ওবড়লেখ)
(২) কাউয়া দিঘি হাওড়, রাজনগর
(৩) হাইল হাওড়, শ্রীমঙ্গল

৪২. প্রবাহিত নদীর সংখ্যা :
৬টি;
(১) মনু নদী, মৌলভীবাজার (২) ধলাই নদী, কমলগঞ্জ (৩) সোনাই নদী
(৪) ফানাই নদী (৫) কন্টিনালা নদী (৬) জুড়ী নদী (৭) বিলাম নদী।

৪৩. জলমহালের সংখ্যা :
৪২৭ টি;
২০একরের উর্ধে- ১৩৭ টি, ২০ একরের নীচে-২৯০টি

৪৪. মোট ব্যাংকের সংখ্যা : ৯৯টি

৪৫. কর্মরত এনজিও এর সংখ্যা : ১৫টি

৪৬. মোট নদী বন্দর : ০১টি (শেরপুর)

৪৭. রেল স্টেশন : ১৮টি

৪৮. ডাকঘর : ১২২টি

৪৯.
দর্শনীয়/উল্লেখযোগ্য স্থানঃ
:
ক) শমসের নগর বিমান বন্দর, (শরীফপুর) চাতলা চেক পোষ্ট
খ) পৃথিমপাশা নবাব বাড়ি, শীতেস বাবুর চিড়িয়াখানা
গ) কমলার বাগান (জুড়ী) আগর-আতর শিল্প (বড়লেখা)
ঘ) পৌর পার্ক, মনু ব্যারেজ, গয়ঘর ঐতিহাসিক খোজার মসজিদ, বর্ষিজোড়া ইকোপার্ক,কাগাবালা পাখি বাড়ি(মৌলভীবাজারসদর)
ঙ) মাধবকুন্ড জলপ্রপাত, হাকালুকি হাওর, হামহাম জলপ্রপাথ, মাধবপুর লেইক
চ) বাংলাদেশ চা-গবেষণা ইনস্টিটিউট, শ্রীমঙ্গল টি রিসোর্ট, হাইল হাওর (শ্রীমঙ্গল)
ছ) মাধবপুর চা-বাগান লেইক, হামহাম জলপ্রপাত লাউয়াছড়া রিজার্ভ ফরেষ্ট (কমলগঞ্জ)
জ) বীর শ্রেষ্ঠ সিপাহী হামিদুর রহমানের সমাধি(কমলগঞ্জ)
-
ফেইসবুক পেইজঃ- মৌলভীবাজার-Moulvibazar

31/03/2021

করোনা ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে মৌলভীবাজার জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসানের নির্দেশনা অনুযায়ী ও বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তানিয়া সুলতানার সার্বিক তত্ত্বাবধানে আজ ৩১ মার্চ, ২০২১ তারিখ বুধবার মৌলভীবাজার জেলার সদর উপজেলার কোর্টরোড, ওয়াপদা, ঢাকা বাসস্ট্যান্ড, কুসুমবাগ পয়েন্ট, পশ্চিম বাজার, চৌমুহনা সহ বিভিন্ন জায়গায় মাস্ক বিতরণ ও সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হয়।

এছাড়া, পরবর্তী ১৫ দিনের জন্য সকল সামাজিক, ধর্মীয়, রাজনৈতিক অনুষ্ঠান উপলক্ষে জনসমাগম নিষিদ্ধ এবং সন্ধ্যা ৭ ঘটিকার পর শপিংমল, হাটবাজারসহ সকল ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে এ বিষয়ে মাইকিং করা হয়।

28/10/2020

20/10/2020

অভিনন্দন নব নির্বাচিত মৌলভীবাজার জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মিছবাহুর রহমান।

20/10/2020

অভিনন্দন

মিছবাহুর রহমান মহোদয়
নব-নির্বাচিত চেয়ারম্যান জেলা পরিষদ .... মৌলভীবাজার।

04/10/2020

আসুন জেনে নেই কেনো মৌলভীবাজার বাসীকে ফগা উপাধি দেওয়া হয়েছে এবং এর কারণ

১৯১৯ সালে ভারত উপমহাদেশের আসাম প্রদেশিক আইন সভার সদস্য নির্বাচনে “চিরতন মুচি”কে বিজয়ী করার কারণে অন্যান্য জেলার কতিপয় লোক মৌলভীবাজার জেলাবাসীকে একটি অপবাদ দিয়ে থাকে। আর তা হচ্ছে “পগা”। আসলেই কি মৌলভীবাজারবাসী বোকা ছিল? না। ছিল প্রতিবাদী।

তবে কেন মৌলভীবাজারবাসীকে “পগা” বলা হয়। তা বিভিন্ন সময়ে গুণীজনরা তাদের লিখনিতে উল্ল্যেখ করেছেন।


আসলে কি মৌলভীবাজারবাসী কি তৎকালিন সময়ে ভুল করেছিল? না বিট্রিশদের উপযুক্ত জবাব দিয়েছিল।

মৌলভীবাজারবাসী সব সময়েই অন্যানের পক্ষে লড়েছেন, যার প্রমাণ বিট্রিশদের পা চাটা তথাকথিতদের গোলামদের উপযুক্ত শিক্ষা দিয়েছিল।

অনেকেই না জেনে মৌলভীবাজারবাসীকে “পগা” বলে একটি অপবাদ দেয়। আসলে মৌলভীবাজারবাসীরাই আসাম প্রদেশের মধ্যে ন্যায়ের প্রতিক ছিল বলে প্রতিয়মান হয়।

এ বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইদানিং ব্যাপক আলোচনা হচ্ছে। আমাদের বর্তমান প্রজন্ম এই অপবাদটিকে ব্রিটিশ বিদ্রোহে মৌলভীবাজারবাসীর অবদান সম্পর্কে জানাতে পারবে।

তার জন্য মৌলভীবাজারের এক কৃতি সন্তানকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করতে হবে। আর তিনি হচ্ছেন, নিজামূল ইসলাম। তার মাধ্যমে অনেকেই জানতে পেরেছে। কেন চিরতন মুচিকে মৌলভীবাজারবাসী ভোট দিয়েছিল।

নিজামূল ইসলামের তথ্যবহুল ঐতিহাসিক তথ্যগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরছি।

১৯১৯ সালে যখন সমগ্র ভারত জুড়ে বৃটিশ বিরোধী অসহযোগ আন্দোলন জাতীয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে চরম পর্যায়ে, তখন এই আন্দোলন থেকে জনগণের দৃষ্টি অন্য দিকে ফেরানোর জন্য চতুর ইংরেজরা ১৯১৯ সালে একটি আইন করে ” আসাম প্রদেশিক আইন সভার সদস্য ” নির্বাচনের ঘোষণা দেয়।

ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস এই নির্বাচন বর্জনের ডাক দেয়। তখন বৃটিশদের সমর্থন দিয়ে এক গোষ্ঠী ” ন্যাশ- নাল লিবারাল ফ্রন্ট ” গঠন করে নির্বাচনে অংশ গ্রহণের ঘোষণা দেয়। তখন ঐ ফ্রন্টের পক্ষ থেকে মৌলভী বাজার পৌরসভার তৎকালিন চেয়ারম্যান ইরেশ লাল সোম প্রার্থী হন। এই পরিস্থিতিতে জাতীয় কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই নির্বাচনকে বিদ্রোপ ও হাস্যকর করার লক্ষে নিম্ন শ্রেনীর মুচি, ধোপা, নাপিত, মাইমাল, মাঝি ইত্যাদি মূর্খ লোক দিয়ে নির্বাচন করার সিন্ধান্ত হয়।

সেই অনুযায়ী তখনকার মৌলভীবাজারের শিক্ষিত ও ভদ্র সমাজ নিরক্ষর ও নিম্ন শ্রেনীর চিরতন মুচিকে নির্বাচনের প্রার্থী করেন। ১৯১৯ সালের নভেম্বর মাসের এই নির্বাচনে চিরতন মুচি ” আসাম প্রদেশিক আইন সভার সদস্য ” নির্বাচিত হয়। অথচ সে একজন মূর্খ।

তখন মৌলভীবাজার বাসী দেশপ্রেম বুকে ধারণ করে, বৃটিশ বিরোধী অসহযোগ আন্দোলনের পক্ষ নিয়ে ” আসাম প্রদেশিক আইন সভার সদস্য ” করে একজন মূর্খকে। সমস্ত পৃথিবীকে দেখিয়ে দেয়, এটা একটি হাস্যকর নির্বাচন। আর এটি ছিল মৌলভীবাজার বাসীর সচেনতা।

এভাবে সুনামগঞ্জ থেকে কালিচরণ মুচি, নোয়াখালী থেকে একজন মুচি ও একজন নাপিত, কুমিল্লা অঞ্চল থেকে রাস্তার খাবারের দোকানদার মোকরম আলী ভাটিয়াল নির্বাচিত হয়ে, আসাম আইন সভাকে পৃথিবীর শিক্ষিত জাতীর কাছে হাস্যকরে করে তুলে।

আর এই কারণে কি মৌলভীবাজার বাসী ” পগা ” ?
না দেশ প্রেমিক ? এটা যাচাইয়ের ভার আপনাদের।

Address

Moulvibazar
Maulvi Bazar
3200

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when মৌলভীবাজার-Moulvibazar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share