Business Sheba

Business Sheba A platform to export- import, Marketing, products and develop business careers.
(1)

আম, কাঁঠাল, লিচু সহ সিজনাল তাজা ফল ও শাকসবজি বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানির ক্ষেত্রে রয়েছে ব্যাপক সম্ভাবনা।...
27/05/2026

আম, কাঁঠাল, লিচু সহ সিজনাল তাজা ফল ও শাকসবজি বাংলাদেশ থেকে ইউরোপ ও মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানির ক্ষেত্রে রয়েছে ব্যাপক সম্ভাবনা। পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত খাদ্যের চাহিদাও আন্তর্জাতিক বাজারে দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এই বিশাল সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রয়োজন সঠিক জ্ঞান ও বাস্তবধর্মী গাইডলাইন। তাই ফল ও তাজা শাকসবজি সোর্সিং, রপ্তানি বাজার বিশ্লেষণ, রপ্তানিযোগ্য ফসলের কন্ট্রাক্ট ফার্মিং প্রসেস, কৃষিজাত পণ্যের কোয়ালিটি মেইনটেইন, আন্তর্জাতিক বায়ার ফাইন্ডিং, এক্সপোর্ট ডকুমেন্টেশন এবং রপ্তানির বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার কৌশল—এই সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে “বিজনেস সেবা” আয়োজন করতে যাচ্ছে ২ দিনব্যাপী অনলাইন ট্রেইনিং প্রোগ্রাম।

🔥 রেজিষ্ট্রেশন লিংক:
https://forms.gle/hEJNW8Vnbn69oFxx9

▪️ক্লাস ডিটেইলস :
--------------------------
➡️ কোর্স ফি :১৬৮০টাকা।
➡️ ০৬-০৭জুন ২০২৬ ইং।
➡️ অনলাইন- জুম প্লার্টফর্ম।
➡️ সময় - ৮:৩০ রাত ।
🎟️ বিকাশ : 01864-314771 (পার্সোনাল)।

যে কোন বিষয়ে জানতে আমাদের কল করুন
☎️ 01864314771

25/05/2026

কোরিয়া,জাপান, সহ ইউরোপের প্রবাসী ভাইয়ারা রেডি তো বাংলাদেশের আম নিয়ে আমদানি -রপ্তানি ব্যবসার সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য।

ঢাকার গাবতলীতে অবস্থিত VHT প্লান্টে Bangladesh Agricultural Development Corporation (BADC)-এর তত্ত্বাবধানে এই গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

এই প্রযুক্তির মাধ্যমে আমকে আন্তর্জাতিক রপ্তানি মান অনুযায়ী প্রস্তুত করা সম্ভব হবে, যা বিশেষ করে জাপান, চীন, কোরিয়া ও অন্যান্য উচ্চমানসম্পন্ন বাজারে বাংলাদেশের আম রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে।

বাংলাদেশের আম রপ্তানি সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজার সম্প্রসারণে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।

ভিডিও ক্রেডিড: Zahidul Islam

ফল ও সবজি মৌসুমে অনেক সময় কৃষক ন্যায্য মূল্য না পেলে ফল ও সবজি ড্রাই ও ভ্যালু অ্যাডেড প্রসেসড পণ্যে রূপান্তর করা সম্ভব। ...
24/05/2026

ফল ও সবজি মৌসুমে অনেক সময় কৃষক ন্যায্য মূল্য না পেলে ফল ও সবজি ড্রাই ও ভ্যালু অ্যাডেড প্রসেসড পণ্যে রূপান্তর করা সম্ভব। আর এসব পণ্যের দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে রয়েছে ক্রমবর্ধমান চাহিদা।

এই সম্ভাবনাময় খাতকে কেন্দ্র করে ফ্রুটস প্রসেসিং, ড্রাই প্রোডাক্ট তৈরি, আধুনিক প্যাকেজিং, রপ্তানি প্রক্রিয়া, এক্সপোর্ট ডকুমেন্টস ও আন্তর্জাতিক বায়ার ফাইন্ডিং বিষয়ে বিস্তারিত ধারণা দিতে ৩ দিনব্যাপী অনলাইন ওয়ার্কশপ আয়োজন করতে যাচ্ছে “Business Sheba”।

🔥রেজিষ্ট্রেশন লিংক:
https://forms.gle/vb65pZe9XfzVQdcZA

▪️ক্লাস ডিটেইলস :
-------------------------
➡️কোর্স ফি: ১৭৫০ টাকা।
➡️ ১৯,২০&২১ জুন ২০২৬ ইং (৩দিন ব্যাপি)।
➡️ অনলাইন লাইভ জুম।
➡️ সময় - রাত ৮:৩০মিনিট।
🎟️বিকাশ : 01864-314771 (পার্সোনাল)

যে কোন বিষয়ে জানতে আমাদের কল করুন
☎️ 01864-314771

জাপান, ইতালি,লন্ডন এবং সুইজারল্যান্ড সহ ইউরোপের প্রবাসী ভাইয়ারা রেডি তো বাংলাদেশের আম নিয়ে আমদানি -রপ্তানি ব্যবসার সাথে ...
23/05/2026

জাপান, ইতালি,লন্ডন এবং সুইজারল্যান্ড সহ ইউরোপের প্রবাসী ভাইয়ারা রেডি তো বাংলাদেশের আম নিয়ে আমদানি -রপ্তানি ব্যবসার সাথে যুক্ত হওয়ার জন্য।

বাংলাদেশের ইতিহাসে আজ প্রথমবের মতো তিন টন আম বানিজ্যিকভাবে V***r Heat Treatment করা হলো। ঢাকার গাবতলীতে অবস্থিত এই প্লান্টে আজ BADC এর তত্তাবধানে এই কর্মযজ্ঞ সম্পন্ন হলো।

ক্রেডিড: প্রফেসর নোমান ফারুক স্যার।
শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

সস্তা লেবুতেই লুকিয়ে আছে কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা! ​আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বহু দেশে 'শুকনো লেব...
23/05/2026

সস্তা লেবুতেই লুকিয়ে আছে কোটি টাকার বৈদেশিক মুদ্রা!

​আমরা অনেকেই হয়তো জানি না, মধ্যপ্রাচ্যসহ বিশ্বের বহু দেশে 'শুকনো লেবু' (Dried Lemon) রান্নার একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় উপাদান। বিশেষ করে আরব দেশগুলোতে স্যুপ, স্ট্যু, আর বিরিয়ানির স্বাদ ও সুগন্ধ বাড়াতে এর জুড়ি নেই। অথচ আমাদের দেশে সঠিক প্রক্রিয়াজাতকরণের অভাবে প্রতি বছর প্রচুর লেবু নষ্ট হয়।

​একটু উদ্যোগ নিলেই কিন্তু এই সাধারণ লেবুকে 'কালো সোনা' বা মূল্যবান রপ্তানি পণ্যে রূপান্তর করা সম্ভব!

​➤শুকনো লেবুর অবিশ্বাস্য কিছু উপকারিতা:

✔​হজমশক্তি বাড়ায়: এটি পাকস্থলীর কার্যক্ষমতা বাড়াতে এবং বদহজম দূর করতে দারুণ কার্যকরী।

✔​ডিটক্সিফিকেশন: শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বা বর্জ্য পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।

✔​হার্টের সুরক্ষা: এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃদযন্ত্র ভালো রাখে।

✔​প্রচুর ভিটামিন সি ও ডি: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং হাড়ের সুরক্ষায় এটি চমৎকার কাজ করে।

✔​ওজন নিয়ন্ত্রণ: কুসুম গরম পানিতে শুকনো লেবুর গুঁড়ো বা চা ওজন কমাতে সাহায্য করে।

​➤প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বহুমুখী পণ্য উৎপাদন:
​সরাসরি আস্ত লেবু শুকানোর পাশাপাশি এটি থেকে তৈরি করা যায় আন্তর্জাতিক মানের বিভিন্ন পণ্য:

১. শুকনো লেবুর গুঁড়ো (Dried Lime Powder): যা মসলা হিসেবে সরাসরি রান্নায় বা সালাদে ব্যবহার করা যায়।

2. লেমন হার্বাল টি (Lemon Tea Bags): গ্রিন টি বা ব্ল্যাক টি-এর সাথে শুকনো লেবুর ব্লেন্ড বিশ্বজুড়ে দারুণ জনপ্রিয়।

৩. আচার ও চাটনি: প্রিজারভেটিভ ছাড়াই শুকনো লেবু দিয়ে দীর্ঘস্থায়ী চাটনি তৈরি সম্ভব।

৪. কসমেটিক্স ও সুগন্ধি: এর খোসা থেকে তেল নিষ্কাশন করে সাবান, শ্যাম্পু ও সুগন্ধি তৈরিতে ব্যবহার করা যায়।

​➤বিশ্ববাজারে রপ্তানির বিশাল সম্ভাবনা:
​আমাদের দেশে যখন লেবুর বাম্পার ফলন হয়, তখন অনেক সময় চাষিরা সঠিক মূল্য পান না। অথচ এই লেবু আধুনিক পদ্ধতিতে শুকিয়ে গ্রেডিং ও আকর্ষণীয় প্যাকেজিং করে সৌদি আরব, ইউএই (UAE), কুয়েত, কাতার, ওমানসহ ইউরোপ-আমেরিকার বাজারে চড়া দামে রপ্তানি করা সম্ভব।

​সরকারি বা বেসরকারি উদ্যোগে যদি গ্রামীণ ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের, বিশেষ করে নারীদের এই প্রক্রিয়াজাতকরণের প্রশিক্ষণ দেওয়া যায়, তবে একদিকে যেমন ঘরে বসেই কর্মসংস্থান তৈরি হবে, অন্যদিকে দেশ অর্জন করবে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা।
​আসুন, আমাদের দেশীয় কৃষিপণ্যকে বিশ্বমঞ্চে ছড়িয়ে দিতে আমরা প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পের দিকে আরও বেশি নজর দিতে পারি।
ক্রেডিড: মনিরুল হক স্যার।

22/05/2026

মালয়েশিয়ার বাজারে যারা নিয়মিত তাজা সবজি রপ্তানি করছেন কিংবা নতুন করে রপ্তানি করার কথা ভাবছেন?

​মালয়েশিয়ার কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা মন্ত্রণালয় (KPKM) এক অফিসিয়াল নোটিশে জানিয়েছে যে, আগামী ১ জুন ২০২৬ থেকে মালয়েশিয়ায় নির্দিষ্ট কিছু আমদানি করা সবজির ক্ষেত্রে Certificate of Analysis (CoA) বা বিশ্লেষণ সনদ বাধ্যতামূলক করা হয়েছে。 মালয়েশিয়ান সরকারের এই পদক্ষেপ মূলত তাদের স্থানীয় বাজারে প্রবেশ করা খাদ্যের নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করার একটি বিশেষ উদ্যোগ。
​বাংলাদেশী রপ্তানিকারক হিসেবে মালয়েশিয়ার এই নতুন নিয়মটি সঠিকভাবে না জানলে বড় ধরণের আর্থিক ক্ষতি বা আইনি জটিলতার মুখোমুখি হতে পারেন।

নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো কোন কোন সবজির ওপর এই নিয়ম কার্যকর হচ্ছে এবং বাংলাদেশী উদ্যোক্তাদের এখন থেকেই কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে:

​🚫 কোন কোন সবজির জন্য CoA বাধ্যতামূলক?
​আপাতত সব সবজির জন্য নয়, বরং মালয়েশিয়া সরকার প্রাথমিকভাবে ৫টি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরির সবজির ওপর এই কড়া নিয়ম আরোপ করেছে:
১. লাল মরিচ (Red Chilli)
২. শসা (Cucumber)
৩. টমেটো (Tomato)
৪. সরিষা শাক (Mustard Greens / Sawi)
৫. বাঁধাকপি (Round Cabbage)

যৌথভাবে তদারকি করবে যে সংস্থাগুলো
​মালয়েশিয়ার এন্ট্রি পয়েন্ট বা বন্দরগুলোতে মালামাল খালাসের সময় এই ৩টি প্রধান সরকারি সংস্থা যৌথভাবে CoA এবং অন্যান্য নথিপত্র কঠোরভাবে যাচাই করবে:
✔​Ministry of Health Malaysia (KKM) — মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়。
✔​Malaysian Quarantine and Inspection Services Department (MAQIS) — মালয়েশিয়ান কোয়ারেন্টাইন অ্যান্ড ইন্সপেকশন সার্ভিসেস。
✔​Malaysian Border Control and Protection Agency (AKPS) — মালয়েশিয়ান সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ ও সুরক্ষা সংস্থ।

​⊕ বাংলাদেশী রপ্তানিকারকদের জন্য করণীয় ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ
​১ জুন ২০২৬ এর পর থেকে CoA ছাড়া পণ্য পাঠালে মালয়েশিয়ার বন্দরে পণ্য খালাসে বিলম্ব, কাস্টমসে পণ্য আটকে যাওয়া (Detention), অতিরিক্ত ল্যাব টেস্টের মুখোমুখি হওয়া, এমনকি অতিরিক্ত পোর্ট ডেমারেজ বা চার্জ গুণতে হতে পারে। তাই মসৃণভাবে ব্যবসা পরিচালনার জন্য এখনই নিচের প্রস্তুতিগুলো নিন:

➤​স্বীকৃত ল্যাবরেটরি থেকে টেস্ট করান: আপনার রপ্তানি করা সবজিতে ক্ষতিকর ভারী ধাতু (Heavy Metals), ক্ষতিকর রাসায়নিক এবং কীটনাশকের অবশিষ্টাংশ (Pesticide Residues) আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য মাত্রার মধ্যে আছে কিনা তা বাংলাদেশের সরকারি বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অ্যাক্রেডিটেড ল্যাব (যেমন- BSTI, পরমাণু শক্তি কমিশন বা স্বীকৃত ল্যাবরেটরি) থেকে পরীক্ষা করিয়ে CoA বা ল্যাব রিপোর্ট সংগ্রহ করুন।

➤​জাহাজীকরণের আগেই ডকুমেন্ট প্রস্তুত রাখুন: পণ্য মালয়েশিয়ার বন্দরে পৌঁছানোর আগেই সবজির গুণগত মানের এই CoA সার্টিফিকেট সম্পূর্ণ প্রস্তুত রাখতে হবে এবং তা আপনার মালয়েশিয়ান আমদানিকারক (Importer) বা ক্লিয়ারিং এজেন্টকে অগ্রিম পাঠিয়ে দিতে হবে ।

➤​আমদানিকারকদের সাথে দ্রুত যোগাযোগ করুন: আপনার মালয়েশিয়ান ক্রেতা বা বায়ারদের সাথে এখনই যোগাযোগ করুন। মালয়েশিয়ার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় (KKM) কীটনাশকের অবশিষ্টাংশের যে নির্দিষ্ট সর্বোচ্চ সীমা (MRL) নির্ধারণ করে দিয়েছে, সেই অনুযায়ী ল্যাব টেস্টের প্যারামিটারগুলো সাজাতে তাদের সাথে আলোচনা করে নিন।

➤​চুক্তিভিত্তিক চাষাবাদে (Contract Farming) জোর দিন: যেহেতু কীটনাশকের পরিমাণ কঠোরভাবে মাপা হবে, তাই মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের উত্তম কৃষি চর্চা (GAP - Good Agricultural Practices) অনুসরণে উদ্বুদ্ধ করুন, যেন ল্যাব টেস্টে কোনো ক্ষতিকর উপাদান ধরা না পড়ে।

➤​অন্যান্য নিয়মিত নথিপত্র ঠিক রাখুন: নতুন এই CoA সনদের পাশাপাশি নিয়ম অনুযায়ী উদ্ভিদ সংগনিরোধ উইং (Plant Quarantine Wing) থেকে সংগনিরোধ সনদ (Phytosanitary Certificate) এবং অন্যান্য রপ্তানি নথিপত্র যথারীতি সাথে থাকতে হবে।
✔Syed Hoque

বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ আম উৎপাদনে সপ্তম হলেও রপ্তানিতে কেন পিছিয়ে??উন্নত বিশ্বে আম রপ্তানির  সাথে যেসব আন্তর্জাতিক আইন জ...
21/05/2026

বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ আম উৎপাদনে সপ্তম হলেও রপ্তানিতে কেন পিছিয়ে??

উন্নত বিশ্বে আম রপ্তানির সাথে যেসব আন্তর্জাতিক আইন জড়িত আপনাদের বুঝার সুবিধার্থে নিচে উল্লেখ করা হলো :

​উন্নত দেশগুলোতে (যেমন: EU, USA, Japan) আম রপ্তানি করতে হলে কেবল আমের স্বাদ নয়, বরং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড বা International Standards for Phytosanitary Measures (ISPM) কঠোরভাবে মেনে চলা বাধ্যতামূলক।

​➤. ISPM( International Standard of Phytosanitary Measures) রেফারেন্সসমূহের ব্যাখ্যা ও প্রয়োগ:

✔​ISPM 4 & 26 (Pest Free Areas): এটি নিশ্চিত করে যে আমটি এমন এলাকা থেকে এসেছে যেখানে ফ্রুট ফ্লাই বা নির্দিষ্ট ক্ষতিকারক পোকা নেই।

✔​ISPM 10 (Pest Free Places of Production): যদি পুরো জেলা বা এলাকা পোকামুক্ত না হয়, তবে অন্তত নির্দিষ্ট বাগানটিকে (Production Site) পোকা ও রোগমুক্ত হিসেবে গড়ে তোলা এবং নিবন্ধিত করা।

✔​ISPM 14 & 35 (Systems Approach): এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। শুধুমাত্র একটি পদ্ধতির ওপর নির্ভর না করে বাগান থেকে শুরু করে শিপমেন্ট পর্যন্ত একাধিক সুরক্ষামূলক ব্যবস্থা (যেমন: ব্যাগিং + ট্রিটমেন্ট + ল্যাব টেস্ট) গ্রহণ করা।

✔​ISPM 28 (Phytosanitary Treatments): রপ্তানির আগে আমকে নির্দিষ্ট তাপে (যেমন: Hot Water Treatment) পোকা ও জীবাণুমুক্ত করা।

✔​ISPM 31 & 23 (Sampling & Inspection): আম রপ্তানির আগে কীভাবে বৈজ্ঞানিক উপায়ে নমুনা সংগ্রহ করতে হবে এবং ল্যাবে পরীক্ষা করতে হবে তার নির্দেশিকা।

✔​ISPM 7 & 12 (Certification): সমস্ত নিয়ম পালনের পর চূড়ান্তভাবে 'ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট' প্রদান করা।

➤​ বাংলাদেশ কীভাবে এটি বাস্তবায়ন করতে পারে?

​বাংলাদেশের ন্যাশনাল প্ল্যান্ট প্রোটেকশন অর্গানাইজেশন (NPPO/প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন উইং) আন্তর্জাতিক এই মানদণ্ডগুলো বাস্তবায়নে নিচের পদক্ষেপগুলো নিতে পারে:

✔​বাগান নিবন্ধন ও ট্রেসেবিলিটি (Traceability):
​রপ্তানিযোগ্য বাগানগুলোকে বাধ্যতামূলকভাবে নিবন্ধন করা।
​প্রতিটি আমের কার্টনে একটি ইউনিক কোড ব্যবহার করা, যাতে আমটি কোন জেলার কোন বাগান থেকে এসেছে তা সহজেই চিহ্নিত করা যায়।

✔​সিস্টেম অ্যাপ্রোচ (Systems Approach) চালু করা:
​চাষীদের Good Agricultural Practices (GAP) এবং Fruit Bagging প্রযুক্তিতে প্রশিক্ষিত করা।

✔​বাগান পর্যায়ে 'ফেরোমন ট্র্যাপ' ব্যবহার করে পোকা পর্যবেক্ষণ (Monitoring) নিশ্চিত করা।

✔​VHT ও HWT প্ল্যান্টের উন্নয়ন:
​উন্নত দেশগুলোর চাহিদা অনুযায়ী জাপানি প্রযুক্তির V***r Heat Treatment (VHT) সুবিধা বৃদ্ধি করা।
​Hot Water Treatment (HWT) প্ল্যান্টগুলোর তাপমাত্রা ও সময় সঠিকভাবে বজায় রাখার জন্য নিয়মিত ক্যালিব্রেশন করা।

✔​ডিজিটাল ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেশন (e-Phyto):
​কাগজে কলমে সার্টিফিকেটের বদলে দ্রুত ই-ফাইটো সিস্টেম চালু করা, যাতে আমদানিকারক দেশ মুহূর্তেই সনদের সত্যতা যাচাই করতে পারে।

✔​ল্যাবরেটরি সক্ষমতা বৃদ্ধি:
​আমে কীটনাশকের উপস্থিতি (MRL) পরীক্ষার জন্য ISO স্বীকৃত ল্যাবরেটরি সুবিধা বাড়ানো এবং আমের নমুনা সংগ্রহের জন্য দক্ষ জনবল নিয়োগ করা।

​➤ উদ্যোক্তাদের জন্য পরামর্শ :

​📌 পোকা মুক্ত আম নিশ্চিত করুন: আন্তর্জাতিক বাজারে আম পাঠাতে হলে 'ফ্রুট ফ্লাই' ও 'উইভিল' মুক্ত বাগান থেকে আম সংগ্রহ করতে হবে।

​📌 ব্যাগিং প্রযুক্তি ব্যবহার করুন: আম গাছে থাকা অবস্থায় ফ্রুট ব্যাগিং করলে কীটনাশকের ব্যবহার কমে এবং আমের ত্বক দাগমুক্ত থাকে।

​📌 চুক্তিভিত্তিক চাষ (Contract Farming): অনিবন্ধিত কোনো বাগান থেকে আম কিনে রপ্তানি করা সম্ভব নয়। রপ্তানির জন্য নির্দিষ্ট পেক-হাউস ব্যবহার করুন।

​📌 সঠিক সনদ গ্রহণ: আম পাঠানোর আগে অবশ্যই আপনার জেলা বা প্রধান কার্যালয়ের 'প্ল্যান্ট কোয়ারেন্টাইন অফিসার' এর মাধ্যমে ফাইটোস্যানিটারি পরীক্ষা সম্পন্ন করুন।

​📌 প্যাকেজিং ও তাপমাত্রা: আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী সঠিক ছিদ্রযুক্ত কার্টন এবং কুল-চেইন (শীতল পরিবহন) বজায় রাখুন।

​বাংলাদেশের আমের বিশ্ববাজারে ব্যাপক চাহিদা থাকলেও কারিগরি ও আইনি (Phytosanitary) জটিলতার কারণে আমরা পিছিয়ে আছি। বর্তমান সময়ে উন্নত বিশ্বে কিছু আম রপ্তানি শুরু হলেও তা যথেষ্ট নয় I

ISPM: 46 এর নির্দেশিকা অনুসরণ করে যদি সরকার এবং উদ্যোক্তারা সমন্বিতভাবে কাজ করে, তবে বাংলাদেশের আম বিশ্ববাজারে প্রবেশ অবারিত হতে পারে। আম হতে পারে আমাদের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির উন্নয়নে অন্যতম হাতিয়ার।

➤​রেফারেন্স: 1. ISPM 46: Commodity-specific standards for phytosanitary measures.
2. Annex 1: International movement of fresh Mangifera indica fruit.
3. Department of Agricultural Extension (DAE), Bangladesh.

বাংলাদেশের জন্য নারকেলের ছোবড়া এখন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য। একসময় যেটিকে বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া ...
19/05/2026

বাংলাদেশের জন্য নারকেলের ছোবড়া এখন একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য। একসময় যেটিকে বর্জ্য হিসেবে ফেলে দেওয়া হতো, বর্তমানে সেই ছোবড়া থেকেই তৈরি হচ্ছে পরিবেশবান্ধব বিভিন্ন পণ্য, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ব্যাপক চাহিদা তৈরি করেছে।

বর্তমানে ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য ও এশিয়ার বিভিন্ন দেশে পরিবেশবান্ধব ও টেকসই পণ্যের চাহিদা বাড়ার কারণে Coconut Coir Products রপ্তানির সুযোগও দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কানাডার টরোন্টোতে শীল পাটা রপ্তানির জন্য ওয়েট করা হচ্ছে।
18/05/2026

কানাডার টরোন্টোতে শীল পাটা রপ্তানির জন্য ওয়েট করা হচ্ছে।

18/05/2026

সবজি ও বিভিন্ন ধরনের ফল সোসিং এবং রপ্তানি প্রসেস নিয়ে আগামিকাল রাত ৮:০০টায় অনলাইন জুমে ফ্রি সেমিনার আয়োজন করবে বিজনেস সেবা।

16/05/2026

নার্সারি চারা গাছ রপ্তানিতে সম্ভাবনা রয়েছে

Address

Mirpur Tower, Lifted/10, Mirpur 01, Dhaka
Mirpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Business Sheba posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Business Sheba:

Share