HzR Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from HzR, Business service, Mirpur.

মাটির হাড়ি পেইন্ট
25/02/2023

মাটির হাড়ি পেইন্ট

10/01/2023

বাদাম🥜🥜
বাচ্চাদের স্বাস্থ্যের জন্য বিশেষ করে, শিশুর বৃদ্ধির জন্য বাদাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশে ও পাচনতন্ত্র শক্তিশালী করতে, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে, হাড় ও দাঁত মজবুতে
বাদাম সাহায্য করে।

বাচ্চাদের কী ভাবে বাদাম খাওয়াবেন?

শিশুর বয়স ৬-৯ মাস হলে তবেই তাকে বাদাম খাওয়ান। সে ক্ষেত্রে বাদাম গুড়ো করে শিশুকে খাওয়ানো যেতে পারে।

তবে শিশুর দাঁত গজালে তাকে গোটা বাদাম খেতে দেওয়া যাবে। সে ক্ষেত্রে ভেজানো বাদাম দিতে হবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেন, ২-৩ বছরের বাচ্চাকে দিনে ৩-৪টি বাদাম খাওয়ানো যায়।
প্রথম দিকে কয়েকদিন মা-বাবাকে খেয়াল রাখতে হবে বাদাম খেলে বাচ্চার এলার্জির সমস্যা হচ্ছে কিনা।

বাচ্চাদের কেন বাদাম খাওয়াবেন?🥜

বাদামে থাকা প্রোটিন মস্তিষ্কের তীক্ষ্ণতা এবং আইকিউ বৃদ্ধি করে, মস্তিষ্কের কোষগুলি মেরামত করতে সাহায্য করে। বাদামে ভিটামিন ই এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে, যা মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য ভালো। বাদামে ম্যাগনেসিয়াম থাকে, যা মস্তিষ্কের স্নায়ুকে শক্তিশালী করে স্মৃতিশক্তি উন্নত করে।

প্রচুর শক্তি দেয়💪
বাদাম খেলে শক্তির স্তর বাড়ে। বাদামে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন থাকে, যে কারণে শিশুরা তাৎক্ষণিক শক্তি পায়। ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ বাদাম ক্লান্তি দূর করতে এবং শক্তির মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।

হাড় শক্ত করে🦴
বাদামে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম, যা হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। শিশুর শক্ত হাড় সুস্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয়। ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, ভিটামিন কে, প্রোটিন এবং তামা, দস্তাও বাদামে পাওয়া যায়। এগুলি হাড়কে শক্তিশালী করে তোলে।

তাই চেষ্টা করুন শিশুর খাদ্যে অল্প হলেও যেকোন ধরণের বাদাম রাখতে।
ধন্যবাদ🙂

🌹🌹গোলাপ ফুল🌹🌹নিজেদের একান্ত মুহূর্ত রাঙিয়ে তোলা থেকে শুরু করে নতুন পথ চলার সময়কে সরণীয় করে রাখতে ফুলের তুলনা মেলা ভার। এ...
04/12/2022

🌹🌹গোলাপ ফুল🌹🌹
নিজেদের একান্ত মুহূর্ত রাঙিয়ে তোলা থেকে শুরু করে নতুন পথ চলার সময়কে সরণীয় করে রাখতে ফুলের তুলনা মেলা ভার। এছাড়া যে কোনো অনুষ্ঠানের পরিপূর্ণতা আনে এক গুচ্ছ ফুল। এসব ফুলের মধ্যে গোলাপের নাম আসে একটু আলাদা ভাবে। গোলাপের যেমন আছে নিজস্ব এক অভিরূপ তেমনি এর শোভা সৌন্দর্য পিয়াসু মানুষের কাছে এক
পরিতৃপ্তি।
গোলাপের মাঝেও আছে নানা রঙের আর ধরনের ভিন্নতা। অনেকের দৃষ্টি কেবল লাল গোলাপ পর্যন্ত সীমিত থাকলেও কালো, খয়েরি, গোলাপি, সাদা গোলাপের মতো নানা রঙের গোলাপ সবাইকে আকৃষ্ট করে। গোলাপ মূলত শীত আর নাতিশীতোষ্ণ জাতীয় ফুল। বেশি উষ্ণ কিংবা আদ্র কোনো আবহাওয়াই গোলাপ গাছের জন্য উপযুক্ত নয়। আমাদের দেশীয় তাপমাত্র অনুযায়ী ২০ থেকে ৩০ ডিগ্রি তাপমাত্র এবং দোআঁশ মাটি গোলাপ চাষের জন্য উপযুক্ত। অন্যদিকে গোলাপের চারা রোপণের দিকে নজর দিলে বছরের শেষ সময় যেমন অক্টোবর থেকে শুরু করে ফেব্রুয়ারি মাস গোলাপের চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত সময়।
গোলাপ চাষের জন্য যেমন উর্বর মাটি প্রয়োজন তেমনি তার ব্যাপ্তি সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। মাটির দিক থেকে অনেকেই এঁটেল মাটি নির্বাচিত করে থাকে গোলাপ চাষের জন্য। তবে যারা টবে সীমিত পরিসরে গোলাপ গাছের চাষ করে থাকেন তাদের জন্য দোআঁশ মাটি ব্যবহার করতে না পারলেও এঁটেল মাটি ফুরফুরে করে হালকা হাতে সারের সঙ্গে মিশ্রণ করে টবে লাগাতে পারেন। যারা টবে গোলাপের চারা রোপণ করে তারা গাছ যেন পর্যাপ্ত রোদ পায় সেই দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। গ্রীষ্মের সময় গাছে প্রয়োজন বুঝে দুই বেলা অন্তর অন্তর পানি দিতে হবে এবং প্রখর রোদে গাছ যাতে দীর্ঘ সময় না থাকে সেই দিকে নজর দিতে হবে। গাছকে রোদ থেকে রক্ষা করতে বেড়া কিংবা রোদের দিক থেকে বারবার গাছের মুখ ঘুরিয়ে দেয়া যাতে পারে। গোলাপ গাছের বেড়ে ওঠার জন্য মাটির পাশাপাশি সারের গুরুত্ব অসীম। এ ক্ষেত্রে মাটি প্রস্তুতকরণ গোলাপ চাষের জন্য অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। মাটি তৈরির জন্য চার ভাগ দোআঁশ মাটি, দুই ভাগ গোবর সার কিংবা কম্পোস্ট, আড়াই ভাগ পাতা পচা সার, দুই ভাগ বালি, দুই থেকে তিন মুঠ সরিষার খৈল, তিন চামচ চুন মিশিয়ে এক থেকে দেড় মাসের জন্য রেখে দিলে তৈরি হয়ে যাবে গোলাপের চারা রোপণের জন্য উপযুক্ত মাটি। গোলাপের চারা রোপণের পাশাপাশি কলমের মাধ্যমেও এর বিস্তার সম্ভব।
পলিথিন ব্যাগে কিংবা ছোট আকারের টবে কিনতে পাওয়া যায়। চারাটি যদি মাটির টবের হয় তাহলে তা খুব সাবধানে টব থেকে তুলে শিকড়সহ তা শুকনো মাটিতে রোপণ করতে হবে। এরপর পানি দিতে হবে। চারা রোপণের ছয় মাস অন্তর অন্তর এটিকে ছাঁটাই করে নির্দিষ্ট আকারে নিয়ে আসতে হবে যাতে গাছ পর্যাপ্ত জায়গা পায় তার নিজের জন্য। মাসে অন্তত একবার জৈব সার কিংবা ডিমের খোসা পচিয়ে তা মাটির সঙ্গে মিক্স করে ওপরের মাটি নিচে আর নিচের মাটি উল্টে পাল্টে দিতে হবে। গাছের নিচে পানি জমা হয়ে থাকলে গাছ মারা যায়। তাই টবের নিচে ফুটো করে দিন যাতে পানি জমতে না পারে। গাছের পরিচর্চা ব্যতীত ফুলের প্রতিও বাড়টি যত্ন আব্যশক। ফুল উৎপাদনের জন্য পাতা সার আর ফলিয়ার স্প্রে খুব জনপ্রিয়। কয়েকটি রাসায়নিক সারের মিশ্রণে মূলত এটি তৈরি হয়। এ ফলিয়ার স্প্রে তৈরি করতে ইউরিয়া, ডাই অ্যামোনিয়া সালফেট, ডাই পটাশিয়াম ফসফেট প্রতি দশ থেকে বারো গ্রাম গাছ বুঝে আবশ্যক। অনেক সময় গাছের পাতায় পোকার উপস্থিতি গাছের শক্তি কমিয়ে আনে। এতে করে গাছে ফুল কম ফুটে এবং খুব জলদি গাছ মুছড়ে যায়। সেই ক্ষেত্রে ফেরাস সালফেট, ম্যাগনেসিয়াম সালফেট পাঁচ থেকে দশ গ্রাম করে পানিতে মিশিয়ে গাছের পাতার উভয় পাশে স্প্রে করলে তাতে পোকার উপদ্রব কমে যায়। এছাড়া শুয়ো পোকা বিশাল আকার গোলাপের বাগান নিধন করতে সব চেয়ে বড় শত্রু। তাই এগুলো যতটা সম্ভব মেরে ফেলা আবশ্যক।

গোলাপ গাছের এসব সমস্যা ছাড়াও আরও একটি সমস্যা হচ্ছে গাছের নানা অংশ কালো হয়ে মরে যাওয়া। এ রোগটিকে ডাইব্যাক বলে। এর প্রতিকার পেতে গাছের সেই রোগাক্রান্ত অংশটি কেটে ফেলে দিন। এছাড়া পাতায় সাদা ফুকরি আকাড়ে ছোট ছোট দানা এক ধরনের ছত্রাকের উপস্থিতি। এটি দূর করতে ডাইথেন এম-৪৫ স্প্রে করলে গাছের এই ছত্রাক দূর হয়।
ছবিঃ ইন্টারনেট

শীতকালীন ফুল🌻ফুলকে ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার ।ফুল সৌন্দর্য ও পবিত্রতার প্রতীক। দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছ...
27/10/2022

শীতকালীন ফুল🌻
ফুলকে ভালোবাসে না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার ।ফুল সৌন্দর্য ও পবিত্রতার প্রতীক। দেশের বিভিন্ন স্থানে গড়ে উঠেছে ফুলের বাগান ও নার্সারি। স্থান স্বল্পতার কারণে টবেও ফুল চাষ করেন অনেকে। বাসার বারান্দা, ছাদের অল্প জায়গাটুকুতেও অনায়াসে ফুল চাষ করা যায়।
শীতকালীন ফুলগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে গাঁদা, গ্লাডিওলাস,ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, সূর্যমূখী, কসমস, গাজানিয়া,ডায়ান্থাস, পিটুনিয়া, ডেইজি ইত্যাদি। চাষ ও পরিচর্যাশীতকালীন ফুলের বীজ বপনের উপযুক্ত সময় অক্টোবর-নভেম্বর মাস। টবসহ চারাও কিনতে পাওয়া যায়। সাধারণত ৮ থেকে ১২ ইঞ্চি মাপের টবই যথেষ্ট। টবের মাটির সঙ্গে জৈব সার বা কম্পোস্ট সার পর্যাপ্ত পরিমাণে মেশাতে হবে। সাবধানতার সঙ্গে চারা রোপণ করে ঝাঁঝর দিয়ে উপর থেকে বৃষ্টির মতো পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। যাতে গাছ এবং পাতা উভয়ই ভেজে। প্রয়োজনে হেলে পড়া গাছকে লাঠি পুঁতে তার সঙ্গে বেঁধে দাঁড় করিয়ে দিতে হবে। পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের ব্যবস্থা রাখতে হবে। প্রয়োজনে কৃষিবিদের পরামর্শ নেয়া যেতে পারে।এসব গাছ সময়ভেদে মার্চ মাস পর্যন্ত ফুল দেয়।
ছবি: সংগৃহীত।

জলজ গাছ🌱☘️গাছ দিয়েই সাজানো যেতে পারে আপনার ঘর। শুধু শোভা বাড়ানোই নয়, একই সঙ্গে ঘরের পরিবেশকে তরতাজা এবং আপনার শরীরকে ...
21/10/2022

জলজ গাছ🌱☘️

গাছ দিয়েই সাজানো যেতে পারে আপনার ঘর। শুধু শোভা বাড়ানোই নয়, একই সঙ্গে ঘরের পরিবেশকে তরতাজা এবং আপনার শরীরকে সুস্থ রাখবে সেই গাছ।

সারাদিন গরমে বাড়ির বাইরে কাটানো বিরক্ত ভাবটা কেটে যাবে ঘরের দরজা খোলার পরেই। ভিতরে ঢুকতেই সবুজ একটা আভা আপনাকে স্বাগত জানাবে। কয়েক মিনিটের মধ্যে আপনার সারাদিনের ক্লান্তি কাটিয়ে দিতে পারে আপনার ঘরের মধ্যে পানি রাখা জলজ গাছগুলো।

ছবি: সংগৃহীত।

interior design Light colour  Pic: collected
21/10/2022

interior design
Light colour

Pic: collected

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃতিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আমার উম্মাতের জন্য ক...
28/06/2020

আবূ হুরাইরা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ

তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ আমি আমার উম্মাতের জন্য কষ্টদায়ক হবে মনে না করলে তাদেরকে প্রত্যেক নামাযের সময় মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।

সহীহ। ইবনু মাজাহ- (২৮৭), বুখারী ও মুসলিম।

আবদুল্লাহ ইবনু আবী কাতাদা (রাঃ) হতে তাঁর পিতা থেকে বর্ণিতঃনবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কোন ব্যক্তিকে ডান হা...
28/06/2020

আবদুল্লাহ ইবনু আবী কাতাদা (রাঃ) হতে তাঁর পিতা থেকে বর্ণিতঃ

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যে কোন ব্যক্তিকে ডান হাত দিয়ে নিজের লজ্জাস্থান স্পর্শ করতে নিষেধ করেছেন।

সহীহ। ইবনু মাজাহ-(৩১০), বুখারী ও মুসলিম।

Address

Mirpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when HzR posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share