Ambition Trade Center

Call Directions Website Contact the business

Ambition Trade Center Importer, Wholesale and retailer for all kinds of power products, Trader and local stocker of agro items like Rice, Corn, Seeds and so on...

১১৭ থেকে বাড়িয়ে ২৯৫ টি ঔষদের দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল ইউনুস সরকার।সহজ করে বললে ২৯৫ টি ঔষদের দাম কম্পানিগুলো চাইলেও বাড়াতে ...
08/08/2026

১১৭ থেকে বাড়িয়ে ২৯৫ টি ঔষদের দাম নিয়ন্ত্রণে নিয়েছিল ইউনুস সরকার।

সহজ করে বললে ২৯৫ টি ঔষদের দাম কম্পানিগুলো চাইলেও বাড়াতে পারতো না সেই নীতি করে গিয়েছিলেন ইউনুস।

অথচ সেই নীতি বাতিল করে আবারো আগের জায়গায় ফিয়ে যাওয়া হয়েছে যেখানে ১৭৮ টি ঔষদের মধ্যে উচ্চরক্তচাপ, ডায়বেটিস ও ক্যান্সার সহ নানা জটিল রোগের ঔষধ রয়েছে।

আচ্ছা এই যে পরিবর্তন টা করতেছেন তা কার স্বার্থে?

ছাত্রদলের স্বার্থে?
যুবলের?
তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের স্বার্থে?
সাধারণ মানুষের স্বার্থে?

মানে কার স্বার্থে আবারো ১৭৮ টি ঔষদের দাম নির্ধারণের ক্ষমতা কম্পানিগুলোর হাতে দিয়ে দিচ্ছেন?

কত টাকার বিনিময়ে এরা রিকশা চালক বি এন পির সমর্থকটার ঔষধের দাম বাড়িয়ে দিলো?

২/১ জন এমপি মন্ত্রীর এত ক্ষমতা যারা পুরো দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলে!!!

আমরা এতটাই কপালপোড়া জাতি যে, আমাদের বিষমুক্ত কোনো খাবার নেই এমনকি শিশু খাদ্যতেও বিষ রয়েছে।

অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে যাবেন সেখানেও নিস্তার নেই, আপনার পকেট কাটার জন্য ঔষধ কম্পানিগুলো সরকারের ক্ষমতাধর ২/১ জনের পকেট ভরে দিয়েছে।

আমি রাজনীতি করি না, তাই আমি চুপ।

আমি বিএনপির কর্মী/সমর্থক আমি কথা বললে নেতা শাসাবেন।

আমি বিএনপির পাতি নেতা, লিডারের কাছে কিছুদিন ঘুরলেই ঔষধের দাম ম্যানেজ হয়ে যাবে।

আমি মাঝারি নেতা, আমার এসবে কথা বলা মানায় না, বড় নেতারা না খাইলে আমরা চলমু কেম্নে!

আমি বিরোধী দল, সংসদে আমাদের বেশ সুনাম আছে, সরকারি দলের সাথে বোঝাপড়া বেশ, লোকে যাকে কুসুম কুসুম বিরোধিতা বলে, যা বলবো সংসদেই বলবো।

বাইরে যা গরম! চাইলেই কি রাজপথে নামা যায়!

04/08/2026
He is so genius 😂😂😂
03/08/2026

He is so genius 😂😂😂

22/02/2026

চোখের সামনে চল্লিশের আশেপাশের মানুষগুলা ফট করে মরে যাচ্ছে। এদের অনেকেই মিড ক্যারিয়ারে আছে। ছোট ছোট বাচ্চা। সবার অনেক অনেক দায়িত্ব। ঘর সামলাও, চাকরি সামলাও, বাচ্চা সামলাও। তার সাথে আছে ফ্যামিলির নানা ইস্যু। সেভিংস নিয়ে চিন্তা। আরো কত কি? হায়াত-মউত আল্লাহর হাতে। কিন্তু আমার ছোট্ট জ্ঞানে বলে, কিছু না করে ভাগ্যকে মেনে নেয়া স্রেফ বোকামি। নিজেকে বাঁচাতে আমাদের অবশ্যই সিস্টেম তৈরি করতে হবে, এবং সেগুলা মানার চেষ্টা করতে হবে।

১। রেগুলার হেলথ চেকআপ করানো - প্রতি ছয় মাসে সকল বডি ভাইটালস চেক করুন। ব্লাড লিপিড প্রোফাইল, সুগার লেভেল, কিডনি হেলথ, এসব কড়া নজরে রাখুন। সবকিছু খুলে আলোচনা করা যায় এমন একজন যোগ্য ও ধৈর্যশীল ডাক্তার রাখুন। সুস্থ থাকলেও বছরে দুইবার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। প্রয়োজনে ডাক্তারের মন গলাতে তাকে গিফট দিন। বাঙালি ছেলেরা অতি অবশ্য ইন্সুলিন রেসিস্ট্যান্স এবং লিপিড পার্টিকেল সাইজ টেস্ট করান এবং সময় নিয়ে ডাক্তারের সাথে রেজাল্ট এর সিগনিফিকেন্স নিয়ে আলোচনা করুন। ৫-১০ মিনিটের ভিজিটে এই কম্ম হবে না।

২। এক্সারসাইজ - শরীর চর্চার কোনো বিকল্প নাই। আপনার টাকা-পয়সা কোনো কাজে আসবেনা যদি আপনি নাই বেঁচে থাকেন। সব বাদ দিয়ে হলেও সপ্তাহে ২০০ মিনিট হাঁটুন। ডেইলি ৫ মিনিটের জন্যে হলেও হৃদপিন্ডের গতি ১৪০-১৬০ রেঞ্জে নিয়ে যান।

৩। খাওয়া- ব্যালান্সড খাওয়া খুবই ইম্পর্টান্ট। চল্লিশের পরে ছেলেদের টেস্টেস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে থাকে। মাসল লস হয়, চুল পড়ে যায়। এই সময়ে যদি বিশ বা ত্রিশের মতো হাবিজাবি খেতে থাকেন তা আপনার জন্য ভয়ঙ্কর পরিণতি ডেকে আনবে। কেউই বাজে খাবার খেতে চায় না। পরিস্থিতির চাপে পড়ে খায়। অফিসে অনেক কাজ। ব্যাস একপ্লেট বিরিয়ানি এনে খেলাম। এটা না করে প্রতি বেলার খাওয়ার একটা সুনির্দিষ্ট প্ল্যান এবং একটি ব্যাকআপ প্ল্যান করুন। মনে রাখবেন, আপনার কি খাওয়া দরকার এটা আপনার থেকে ভালো ভাবে কেউ এনফোর্স করতে পারবেনা। পারলে খাওয়া বানানোর দায়িত্বটা নিজের হাতে তুলে নিন।

৪। সাপ্লিমেন্টেশন - আপনার ভাইটালস এর সাথে ভিটামিনস এবং মিনারেলস লেভেল চেক করুন। এস্পেশালি ভিটামিন ডি। অভিজ্ঞ ডায়েটিশিনের সাথে যোগাযোগ করে আপনার সাপ্লিমেন্টেশন প্ল্যান কনফার্ম করুন। মনে রাখবেন আমাদের ভালো থাকা বা না থাকা সব হরমোনের খেল। কোয়ালিটি সাপ্লি আপনার হরমোনের দরজা খুলে দিতে পারে।

৫। ঘুম- উপরে আল্লাহ, আর নিচে ঘুম। বউয়ের সাথে ঝগড়া হইসে, ঘুমায়ে যান। বস বকা দিসে, ঘুমায়ে যান। ফোন বন্ধ করে বাথরুমে রেখে আসুন। সবচেয়ে আরামের চাদর বিছান। সবচেয়ে প্রিয় বালিশ, কোলবালিশ রাখুন পাশে। অনেক তো ছাড় দিলেন অন্য সবার জন্যে। এই বিছানার রাজত্ব নিজের হাতেই রাখুন। কোনো বিশ্বকাপ, ইলেকশন, ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগ আপনার ঘুমের চেয়ে বেশি ইম্পর্টান্ট না। স্লিপ অ্যাপনিয়া আছে কিনা পরীক্ষা করান। থাকলে সিপ্যাপ ব্যবহার করুন।

৬। ওষুধ - আমরা ছোটবেলা থেকে শুনে বড় হইছি- ম্যালেরিয়া হলে পরে, কুইনিন দেয় তারে গিলিয়ে। এই ওষুধ ভীতিই আমাদের চল্লিশের ঘরের মানুষের অকাল মৃত্যুর মূল কারণ। শারীরিক সমস্যা করো অল্প বয়সে হতেই পারে। এটা লজ্জার কিছু না। তাই বলে আমি বীরপুরুষ সেজে ওষুধ খাবো না, টুপ করে মরে যাবো, এর মতো বোকামি আর হয়না! ওষুধের সাইড এফেক্ট নিয়ে ডাক্তারের সাথে আলোচনা করুন। একটা গেমপ্ল্যান সেট করুন।

৭। স্ট্রেস এন্ড এক্সপেকটেশন ম্যানেজমেন্ট- একটা 'সো হোয়াট' মেন্টালিটিতে চলে যান। ইউং বলেছেন-- আমরা ছোটবেলা থেকে অভিনয় করতে করতে 'ইগো' নামক যেই মুখোশটা পরে ফেলেছি, সেই মুখোশটা বাঁচাতেই আমাদের অবিরাম চেষ্টা। ইগোর বাইরে আসার চেষ্টা করুন। জীবনটা সহজ হবে। প্রয়োজনে সোলো ট্রিপ দিন। টক্সিক মানুষদের পজ বাটন টিপে দিন। প্রয়োজনে কাউন্সেলিং করান। দরকার হলে অ্যান্টি অ্যাংজাইটি বা অ্যান্টি ডিপ্রেশন মেডিকেশন নিন। রিমেম্বার, নো ট্যাবু অন নেসেসারি মেডিকেশন। প্রকৃতি আর জন্তু-জানোয়ারের মাঝে থাকুন। এরা মানুষ থেকে বহুত ভালো।

লিখেছে: Shams Tanvir

Creative...
04/02/2026

Creative...

বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইনসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হলো এই নরপিশাচ! হায়রে শিক্ষিত মানুষ 🙄.....দৈনিক প্রথম আলো লিখেছে, ১১ বছরের...
03/02/2026

বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইনসের ম্যানেজিং ডিরেক্টর হলো এই নরপিশাচ! হায়রে শিক্ষিত মানুষ 🙄.....
দৈনিক প্রথম আলো লিখেছে, ১১ বছরের এক শিশু গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগে করা মামলায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সাফিকুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী বিথীসহ ৪ জনকে গতকাল রোববার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে রাজধানীর উত্তরা থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে কাল সোমবার বিকেলে তাঁদের আদালতে পাঠানো হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজু আহমেদ তাঁদের কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

কারাগারে যাওয়া অপর দুই আসামি হলেন সাফিকুর রহমানের বাসার দুই গৃহকর্মী রুপালী খাতুন এবং মোছা. সুফিয়া বেগম। আসামি রুপালী খাতুনের ২ বছর ও ছয় মাসের দুটি শিশুসন্তান আছে। তাদের অভিভাবক না থাকায় সন্তান দুটিকে আসামির সঙ্গে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক তাহমিনা আক্তার প্রথম আলোকে জানান, আজ আসামিদের আদালতে হাজির করা হয়। কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উত্তরা পশ্চিম থানার উপপরিদর্শক রোবেল মিয়া। আসামিদের পক্ষের আইনজীবী তাঁদের জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

আবেদনে বলা হয়, আসামিদের গ্রেপ্তারের পর ঘটনার বিষয়ে জিজ্ঞেসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেন। আসামিদের নাম-ঠিকানা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। আসামিরা জামিনে মুক্তি পেলে মামলার তদন্তে বিঘ্ন সৃষ্টি হবে। মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তদন্তকার্য সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।

গতকাল রোববার দিবাগত রাত ৩টা ৩৫ মিনিটে উত্তরা ৯ নম্বর সেক্টরের ৭/সি রোডের বাসা থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করে উত্তরা পশ্চিম থানা–পুলিশ। মামলার বাদী ওই গৃহকর্মীর বাবা। তিনি একজন হোটেল কর্মচারী। মামলায় তিনি অভিযোগ করেন, আসামি শফিকুর রহমান ওরফে সাফিকুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী বিথীর বাসার সিকিউরিটি গার্ড জাহাঙ্গীরের সাথে তাঁর (বাদী) পরিচয় হয়।

সেই সূত্রে গার্ড জাহাঙ্গীর জানতে পারেন তাঁর একটি ছোট্ট মেয়ে রয়েছে। তখন জাহাঙ্গীর তাঁকে জানায়, এই বাসায় বাচ্চা দেখাশোনার জন্য ছোট একটি মেয়ে বাচ্চা খোঁজা হচ্ছে। পরে তিনি ওই বাসায় গিয়ে শফিকুর ও বিথীর সঙ্গে দেখা করেন। তারা জানান, যাকে রাখবে তার বিয়েসহ যাবতীয় খরচ তারা বহন করবে। এতে রাজি হয়ে গত বছরের জুন মাসে তিনি তার ১১ বছর বয়সী মেয়েকে এই বাসায় কাজে দেন।

সর্বশেষ গত বছরের ২ নভেম্বর ওই বাসায় তিনি সন্তানকে সুস্থ অবস্থায় দেখে আসেন। তবে এরপর তিনি সন্তানের সঙ্গে দেখা করতে গেলেও পরিবারটি নানা অজুহাতে দেখা করতে দেয়নি। গত ৩১ জানুয়ারি বেলা দেড়টার দিকে বিথী তাঁকে ফোন করে জানান, তার মেয়েটি অসুস্থ। তাকে নিয়ে যেতে। তিনি ২টার দিকে মেয়েকে আনতে যান। তখন বিথীকে ফোন করলে তিনি বাইরে আছেন জানিয়ে তাঁকে অপেক্ষা করতে বলেন। পরে বিথী সন্ধ্যা ৭টার দিকে বাড়ির বাইরে তাঁর কাছে মেয়েকে বুঝিয়ে দেন।

বাদী তখন দেখেন তাঁর মেয়ের দুই হাতসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম। মেয়েটি ভালোভাবে কথাও বলতে পারে না। কীভাবে এমন হলো জানতে চাইলে বিথী সদুত্তর দিতে পারেনি। পরে তিনি মেয়েকে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। মেয়ে তাঁকে জানায়, গত ২ নভেম্বর তিনি দেখা করে যাওয়ার পর থেকে বিভিন্ন সময়ে অকারণে শফিকুর রহমান এবং বিথীসহ অজ্ঞাতনামা আসামিরা তাকে মারধর, খুন্তি গরম করে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছেঁকা দিয়ে গুরুতর জখম করে। পরে বাদী এসব নিয়ে নিজের পরিবারের সঙ্গে আলোচনা করে উত্তরা পশ্চিম থানায় শিশু নির্যাতনের অভিযোগে ১ ফেব্রুয়ারি মামলাটি করেন।

এইরকম গুরুতর অপরাধ করেও কী আসামি পার পেয়ে যাবে? এই অমানুষ এবং তার বিত্তশালী পরিবার কী এখনও রয়ে যাবে বিচারের বাইরে?

New Solar project structure work ongoing...
21/01/2026

New Solar project structure work ongoing...

Sub Station Equipment ready for delivery Alhumdulillah
19/01/2026

Sub Station Equipment ready for delivery Alhumdulillah

কঠিন সময়, আল্লাহ ভরসা...
18/01/2026

কঠিন সময়, আল্লাহ ভরসা...

Address

Dangi Bazar, Baliadangi
Mirpur
5140

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ambition Trade Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ambition Trade Center:

Shortcuts

Share