Dreamania Group Ltd.

Dreamania Group Ltd. ★Welcome to official page of Dreamania Group. It's a group of business which is run by some young people of this county. ★

28/01/2017

ধনী হওয়ার ৯ টি সফল টিপস :

ধনী হওয়ার পথটা কোনো গোপন বিষয়
নয়। ধনী মানুষদের বিভিন্ন বিষয় বিশ্লেষণ
করে যা পাওয়া গেছে তার মধ্যে আছে
একনিষ্ঠ পরিশ্রম আর কয়েকটি মূলমন্ত্র।
লটারির টিকিট কেনার মতো সহজ পন্থায় সবাই
ধনী হতে চায়। কিন্তু বাস্তবে তা খুব কম
মানুষের ভাগ্যেই জোটে। বাস্তবে যে
মূলমন্ত্র দিয়ে মানুষ ধনী হয়, তা থাকছে এ
নিবন্ধে।
১. শূন্য থেকে শুরু করে সংগ্রামের মধ্য
দিয়ে বেড়ে উঠুন
বহু সফল ব্যক্তি খালি হাতেই তাদের কাজ শুরু
করেছিলেন। স্টারবাকস প্রতিষ্ঠাতা ও সিইও
হাওয়ার্ড স্কুলজ ও গোল্ডম্যান সাক্স-এর
সিইও লয়েড ব্ল্যাংকফেইন বড় হয়েছেন
এভাবেই। প্রতিযোগিতা ও দুর্ভাগ্য তৈরি করে
বড় নেতা।
২. যা ভালো লাগে, তাই করুন
আপনার নিজের ভালোলাগার বিষয় করুন এবং
তার বাজারের জন্য প্রার্থনা করুন। অ্যাপলের
প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবস বলেন, ‘সবচেয়ে
ভালো কাজের একমাত্র উপায় হল নিজের
কাজকে ভালোবাসা। আপনি যদি এটা না পেয়ে
থাকেন তাহলে খুঁজতে থাকুন। স্থীর
হবেন না।’ তিনি ঠিকই বলেছিলেন। আপনি যদি
নিজের আগ্রহের বিষয়ে কাজ করেন
তাহলে গ্রাহকরাও আপনাকে খুঁজে বের
করবে। আর এভাবে টাকাও খুঁজে বের
করবে আপনাকে।
৩. সিলিকন ভ্যালি অনুসরণ করুন
যুক্তরাষ্ট্রের হাইটেক ইন্ডাস্ট্রির কেন্দ্র
সিলিকন ভ্যালি বহু মানুষের ভাগ্য ফিরিয়েছে।
শুধু প্রধান নির্বাহীরাই নয়, বহু চাকরিজীবীও
এখানে খুব ভালো আছেন। এর কারণ
প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো হয়ে উঠেছে বহু
মানুষের সমৃদ্ধির সোপান।
৪. নিজের ব্যবসা শুরু করুন, সন্নাসীর মতো
থাকুন
নতুন ব্যবসা শুরু করে নিজে একজন
সন্নাসীর মতো জীবন নির্বাহ করুন।
আমেরিকার মিলিয়নেয়ারদের মধ্যে দুই
তৃতীয়াংশই আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে এ
অবস্থায় এসেছেন। তাদের অধিকাংশই আবার
ছোট ব্যবসা করেন আর তাদের সামর্থের
চেয়ে কম অর্থে জীবন নির্বাহ করেন।
তবে তাদের অর্থ তারা আবার ব্যবসায়
বিনিয়োগ করেন। সাধারণত তারা পূর্বপুরুষের
কাছ থেকে কোনো অর্থ পাননি। তাই
কেনার আগে আরেকবার চিন্তা করুন-
আপনার কি নতুন গাড়ি বা দামি যন্ত্রটা লাগবেই?
৫. ঝুঁকি নিন, ভুল করুন, নিজের ওপর বিশ্বাস
রাখুন
অধিকাংশ মানুষ অবিবেচনাপ্রসূত অথবা সাধ্যের
অতিরিক্ত ঝুঁকি নিয়ে ফেলে, যা তাদের
নেয়া উচিত নয়। তার বদলে স্মার্ট ঝুঁকি নিতে
হবে, যা বাস্তবে পূরণ করা সম্ভব। নিজের
ওপর বিশ্বাস রেখে সামনে এগিয়ে যান। ভুল
হলেও তা স্বাভাবিক। আঘাত না পেয়ে কেউ
সামনে এগোতে পারে না।
৬. অনেক ত্যাগ করে সর্বশক্তি দিয়ে কাজ
করুন
ইয়াহুর সিইও মেরিসা মেয়ার খুবই পরিশ্রমি
একজন নারী। তিনি সপ্তাহে ৯০ ঘণ্টা কাজ
করেন। আর এলন মাস্ক দুটি প্রতিষ্ঠা চালান।
একই বিষয় প্রযোজ্য ছিল স্টিভ জবসের
ক্ষেত্রে। তিনি অ্যাপল ও পিক্সার চালাতেন।
আপনি যা বিনিয়োগ করবেন তার ফলাফল
পাবেন।
৭. নিজের ভাগ্য নিজেই তৈরি করুন
এটা বলা হয় যে, সুযোগ যখন প্রস্তুতির
সঙ্গে মিলে যায় তখন সৌভাগ্য আসে। আমি
খুব ভাগ্যবান – এ কথার পাশাপাশি এটাও সত্য যে
আমি ভাগ্য খোঁজার কাজে কখনো থামিনি।
আর যখনই কোনো সুযোগের আশা
মিলেছে তা হারাইনি। এ কারণে
অপ্রয়োজনীয় কাজ বাদ দিয়ে বাস্তব
জগতের সফল মানুষদের সঙ্গে পরিচিত
হতে হবে।
৮. স্থিতিশীল বিবাহিত জীবন
বিয়ে ভাঙার পর বহু ধনী মানুষের সম্পত্তি
কমে গেছে। এ কারণে ধনী হওয়া ও
থাকার জন্য স্থিতিশীল বিবাহিত জীবন
গুরুত্বপূর্ণ।
৯. বৈচিত্র্য আনুন
বহু ধরনের ধারণা আনুন নিজের কাজে।
এতে অনেক কষ্ট ও সময় ব্যয় হতে
পারে। তবে প্রাথমিকভাবে কষ্ট হলেও
ভবিষ্যতে এর সুফল অবশ্যই পাবেন।

28/01/2017

ব্যবসা পৃথিবীর প্রাচীন পেশা। এই পেশা
শুরু হয় ঠিক কোন যুগে তা সঠিকভাবে না জানা
গেলেও নব্য প্রস্তর যুগে এসে এর
বিশাল বিস্তৃতির কথা জানা যায়। কাঠুরিয়া কাঠ কাটেন
আর সেটা বিক্রি করেন। এটাই তার ব্যবসা।
আগেকার দিনে এমনই ছিলো, এখন সেই
প্রেক্ষাপট বদলে গেছে। ব্যবসা করার
জন্য এখন আর সেই প্রস্তুতকারক হতে হয়
না। এখন শুধু মাত্র কিনে এনেও বনে যাওয়া
যায় বনিক। চাহিদা আছে। গ্রহনযোগ্যতা
আছে তবে সমস্যা কি? আপনি হয়ত ভাবছেন
এটা আবার কিভাবে? হতে পারেন সফল
ব্যবসায়ী শুধু জেনে নিন কিভাবে
করবেন এর শুরুটা।
সত্যি কথা বলতে কি প্রাচীন কালের সেই
নীতি আজ অচল প্রায়। ব্যবসা এখন অনেক
বড় গবেষনা ক্ষেত্র। অনেক কোম্পানী
বা ব্যবসায়ী আছেন, শুরু করেছেন যে
উৎসাহে শেষ করেছেন কিংবা বন্ধ
করেছেন তারচে বেশি হতাশায়। আবার
বিপরীত চিত্রটা হাতের কাছেই, সবচে ধনী
মানুষেরা ব্যবসা করেই বড় হয়েছেন। তাই
একজন স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে ব্যবসা শিখে
নেওয়া অনেক বেশি কার্যকারী। আপনাকে
জানতে হবে কি করলে আপনি হতে
পারেন সফল ব্যবসায়ী ।
প্রথাগত ব্যবসা যেমন সুপার সপ কিংবা ছোট
খাট দোকান এসব ব্যবসার অংশ হলেও মুলত
ব্যবসা হলো কোন কিছু তৈরী করে
মানুষের মাঝে তার গ্রহনযোগ্যতা দিন দিন
বাড়ানো। উদাহরন দেই কয়েকটা। যেমন-
পন্য সামগ্রী- তেল, সাবান, চাল ডাল, মাছ
সব্জী। সেবামুলক- হাস্পাতাল, ওষধ, ক্লিনিক ,
ডাক্তার। ইলেক্ট্রনিক্স- নতুন আবিষ্কার,
কল্যানকর যন্ত্রপাতি , সফটওয়্যার। ক্রিয়েটিভ-
ডিজাইন, ডেভেলপমেন্ট।
খুবই সিম্পল উদাহরন এগুলো। তবে নিজে
থেকেই যখন আপনি বের করে
ফেলবেন নতুন কিছু যার চাহিদা বিশ্বব্যপী
তখনি আপনি হবেন সফল উদ্যোক্তা।
অনেকেই সাপের খামার করে ব্যবসায়ী
হতে পেরেছেন। সেই প্রসংগ বাদ দিলাম।
আপনি যদি নিজে কিছু করতে চান তা হওয়া উচিত
স্বকীয় আর ভিন্ন ধারায়। তো আসুন আমরা
জেনে নেই কী কী বিষোয় প্রাকটিস
করলেআপনিও হতে পারেন সফল
ব্যবসায়ী?
উদ্যোগঃ সফল উদ্দ্যোগ আর সঠিক চিন্তা
আপনাকে দিতে পারে সাফল্য। আপনি যখন
উদ্যোগ নিতে যাবেন তখন অনেকেই
আপনাকে খারাপ বুদ্ধি দিতে পারে আবার
অনেকেই ভাল বুদ্ধি দিতে পারে। সঠিক সিদ্ধান্ত
নেওয়াই হচ্ছে সফল ব্যক্তির বৈশিষ্ট্য।
যাচাইঃ কি যাচাই করবেন ? খুবই গুরুত্বপুর্ন প্রশ্ন।
আপনি কি যাচাই করবেন? কেন করবেন? ব্যবসা
কিংবা উদ্যোগ যা-ই করতে যাবেন আপনার উচিৎ
হবে অনেক যাচাই বাছাই করা। এই ব্যবসা এর
আগে কেউ করেছেন কিনা? করলে তিনি সফল
না বিফল, বিফল হলে কেন বিফল আর সফল হলে
কিভাবে সফল? এই বিষয় আপনাকে খুব সুন্দর
করে গবেষনা করতে হবে। সফল ব্যক্তির
কাছে গিয়ে আপনি জেনে নিতে পারেন
কিভাবে তিনি সফল হয়েছেন। বাধা বিপত্তি কি কি
এসেছিল? ইত্যাদি ।
সিদ্ধান্ত গ্রহনঃ যখন অনুপ্রেনিত হয়ে আপনার
মনে হবে এই ব্যবসা আপনি করতে পারবেন
তখনি সিদ্ধান্ত নিন। দেরি করে ফেললে দৌড়
প্রতিযোগীতার মত পিছিয়ে পড়বেন। সিদ্ধান্ত
গ্রহন হচ্ছে এমন এক্ পর্যায় যেখান থেকে
আপনি একা , কেউ সহ যোদ্ধা নাও থাকতে
পারে। তবে কার্যকরি সিদ্ধান্তের কারনেই
ব্যবসায়ের সফলতা আসে। বিল গেটস হার্ভাড
বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়ন শেষ না করেই
ব্যবসায়ের সাথে জড়িত হন। তিনিই হয়েছেন
শীর্ষ ধনাড্ড ব্যক্তি। আমি বলছি, আপনিও হতে
পারেন সফল ব্যবসায়ী ।
পরিচালনাঃব্যবসা যা ই হোক, পরিচালনায় আপনি হবেন
কঠোর আর নিবেদিত প্রান। সব কিছু সিরিয়াস ,
কোন ছাড় দেয়া চলবে না। আপনি যদি স্বাভাবিক
জীবন না মেনে চলেন তবে ভেঙ্গে
যেতে পারে পুরো সিস্টেম। তাই সিস্টেম
যেভাবেই গড়বেন তা যেন কখনোই না
ভেঙ্গে যায়।
শেষ কথা হল, ব্যবসা করুন তবে তা আপানার
উন্নতির জন্য অন্য কারো জন্য নয়। সজাগ
থাকুন ফলো করুন সফল ব্যবসায়ীদের।

04/09/2016
07/05/2016

You get the idea. Every
business, like a painting,
operates according to its
own rules. There are many
ways to run a successful
company. What works once
may never work again.
What everyone tells you
never to do may just work,
once. There are no rules.
You don't learn to walk by
following rules. You learn by
doing, and by falling over,
and it's because you fall
over that you learn to save
yourself from falling over.
It's the greatest thrill in the
world and it runs away
screaming at the first sight
of bullet points.

অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ে যারা নতুন কাজ শিখতে চাই তাদের অনেকে আমাকে কিছু ধরে অনলাইনর কাজ গুলো নিয়ে লিখার জন্য আমাকে প্রচুর...
15/02/2016

অনলাইনে ফ্রিল্যান্সিংয়ে যারা নতুন কাজ শিখতে চাই তাদের অনেকে আমাকে কিছু ধরে অনলাইনর কাজ গুলো নিয়ে লিখার জন্য আমাকে প্রচুর Massage করে। তাই তাদের অনুরোধে আজ গ্রাফিক্স ডিজাইন নিয়ে কিছু লিখলাম।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে অর্থ উপার্জনের অন্যতম একটি মাধ্যম হল গ্রাফিক্স ডিজাইন। গ্রাফিক্স ডিজাইন এমনি একটি ক্ষেত্র, যার চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে। একজন প্রফেশনাল ডিজাইনার মাসে হাজার ডলারেরও উপরে আয় করতে পারেন। Odesk, Elance , Fiverr, Peopleperhou গ্রাফিক ডিজাইন প্রচুর কাজ পাওয়া যায় । যারা নতুন ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ শিখতে চান তারা গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ শিখতে পারেন । বাংলাদেশেও এর চাহিদা অনেক রয়েছে। তবে নারীদের জন্য এটি একটি ভাল সেক্টর। আমার জানা মতে বাংলাদেশের অনেক নারী অনলাইনে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করে প্রচুর টাকা আয় করছেন। তবে এ কাজ ভালো করে শিখতে হবে।
গ্রাফিক্স ডিজাইনের যেসব কাজ পাবেন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলিতে…
১. লোগো ডিজাইন
২. বিজনেস কার্ড ডিজাইন
৩. ব্যানার/পোস্টার ডিজাইন
৪. ওয়েব সাইটের জন্য পিএসডি তৈরি
৫. স্টিকার ডিজাইন
৬. প্রোডাক্ট হলোগ্রাম ডিজাইন
৭. ইমেজ এডিটিংএন্ড রিসাইজ
৮. ফটো রিটাচিং
৯. স্কেচ তৈরি/ড্রয়িং করা
লোগো ডিজাইনঃ-
কোন দেশ, কোম্পানি বা ব্যাক্তিগত কোন কিছুর পরিচয় বহন করে সেই দেশ, কোম্পানি বা ব্যাক্তিগত বহনকারী কিছু ছবি। যেমন আপনি গ্রামীন মোবাইল কোম্পানির পাতার ছবি দেখেই আপনি বলে দিতে পারবেন এটা গ্রামীন মোবাইল কোম্পানি ঠিক এই ভাবেই একটি লোগো একটি কোম্পানির ব্যক্তিত্ব বহন করে। সবসময় Adobe Illistrator দিয়ে লোগো ডিজাইন করতে হবে তবে লোগো ডিজাইন শিখতে হলে আপনাকে আগে অবশ্যই বিভিন্ন কোম্পানির লোগো Google থেকে Search দিয়ে বের করে দেখতে হবে এবং সেখান থেকে ধারনা নিতে হবে। তবে সবসময় মনে রাখবেন আপনার ডিজাইন করা লোগো যেন কোম্পানির নামের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয়। লোগো ডিজাইন করার সময় সবার আগে আপনি ক্লাইন্ট এবং তার আইডিয়া এবং পছন্দ জেনে নিন। এতে করে সহজেই আপনি আপনার কাঙ্ক্ষিত লোগো ডিজাইন করতে পারবেন।
লোগো ডিজাইন করতে গেলে দেখা যাবে, প্রথমবার সাবমিট করার পর ক্লাইন্ট আপনাকে কোন অংশ পরিবর্তন করতে বলতে পারে। আপনি এই জন্য প্রতিবার সাবমিট করার সময় অবশ্যই এই সময়ের আলাদা ব্যাকআপ রেখে দিবেন। আপনি যদি প্রতিবারের ওয়ার্কসাবমিট এর ব্যাকআপ না রাখেন তাহলে পরে অনেক ঝামেলায় পড়বেন। আর তাই সব সময় ফাইল ব্যাকআপ রাখতে ভুলবেন না।
গ্রাফিক্স ডিজাইনের অন্যান্য কাজঃ
গ্রাফিক্স ডিজাইন এর একটি অংশ হচ্ছে লোগো ডিজাইন । তবে এটি ছাড়াও আরও অনেক কাজ রয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইনে। যেমন বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ব্যানার/পোস্টার ডিজাইন,ওয়েব সাইটের জন্য পিএসডি তৈরি, স্টিকার ডিজাই, প্রোডাক্ট হলোগ্রাম ডিজাইন, ইমেজ এডিটিং এন্ড রিসাইজ ইত্যাদি। তবে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলিতে ইন্টোরিয়র ডিজাইন এরও ব্যাপক চাহিদা রয়েছে ব্যানার, বিলবোর্ড থেকে শুরু করে বিভিন্ন কভার পেইজের ডিজাইন এর কাজও পাওয়া যায় অনলাইনে। । একটি ঘরের ভিতর বিভিন্ন অংশ কেমন হবে সেটা ডিজাইন করা। তাছাড়া বিভিন্ন দোকানের ডিজাইন এর কাজ পাওয়া যায়। যেমন আমার এক বন্ধু কিছু দিন আগে ঢাকা বানিজ্য মেলার ২ টি দোকানের ডিজাইনের কাজ করেছেন।
কিভাবে শিখতে পারেন গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজঃ
গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার জন্য আমি বলব আপনারা Google থেকে Search দিয়ে টিউটোরিয়াল দেখুন।, গুগলে graphics design tutorial লিখে সার্চ করলেই অনেক টিউটোরিয়াল পেয়ে যাবেন। এতে করে আপনি গ্রাফিক্স ডিজাইন সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবেন। এই রকম একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট হচ্ছে- tutsplus.com। Google এ সার্চ দিলে প্রথম পাতায় পাবেন এই ওয়েবসাইট এর লিঙ্কটা । এছাড়াও Youtube এ অনেক vedio পাবেন গ্রাফিক্স ডিজাইন এর উপর সেগুলো দেখতে পারেন।
তাছাড়া বাংলা ভাষায় অনেকেই অনেক টিউটোরিয়াল বের করেছেন যেগুলো দেখে আপনি শিখতে পারেন এবং ঢাকাতে বিভিন্ন আইটি প্রতিস্টান আছে যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনের Course করাচেছ। আপনি চাইলে সে সব প্রতিস্টান থাকে একটা Professional Course করতে পারেন। আর এই ভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ শিখতে পারেন। আজ তাহলে এই পর্যন্ত থাক।

Updated daily, discover over 20,750 How-to tutorials. Find videos and online courses to help you learn skills like code, photography, web design and more.

11/02/2016

আপওয়ার্কে কাজ শুরু করার আগে কিছু
গুরুত্বপূর্ণ টিপস নতুনদের জন্য::
------------------------------------------------------------
--------------------------------
ক) আপনার প্রোফাইল ১০০% করুন।
খ) আপনার প্রোফাইলে সুন্দর একটি Title এবং
overview ঠিক করুন।
গ) আপনার Skills and Employment History
ভালভাবে যুক্ত করুন।
ঘ) আপনার নিজের করা সেরা কাজগুলো
(image + Link) যুক্ত করুন প্রোফাইলে।
ঙ) আপনি প্রোফাইলে যেটিতে দক্ষ উল্লেখ
করেছেন, সে ধরনের কাজগুলোতে বিডজ) নতুন
কাজে বিড করুন। ৪ থেকে ৫ জনকে ইতিমধ্যে
ইন্টারভিউতে ডাকা হয়ে গেলে সেই কাজটি
পাওয়ার সম্ভবনা খুবই ক্ষীণ।
ঝ) শুরুতে ছোট ছোট কাজ করে ফিডব্যাক
সংগ্রহ করুন।
ঞ) কাজ পাওয়ার ক্ষেত্রে ইমোশনারলি
ক্লায়েন্টকে আকর্ষণ করলে কাজ পাবেননা।
ট) বিডিং রেট বাজার রেটের চাইতে
অস্বাভাবিক কমালে কাজ না পাওয়ার
সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাতে আপনার
ব্যাপারে নেগেটিভ ধারনা পাবে।
ঠ) বিড শুরু করার আগে বায়ারের রেটিং,
পেমেন্ট মেথড ভেরিফাইড কিনা চেক করে
নিন।
ঢ) অবশ্যই আপনার স্কাইপ অ্যাকাউন্ট রেডি
করুন।ণ) ধৈয্য ও অধ্যাবসায় খুব জরুরী।
একদিনে কাজ পাওয়ার আশা না করে চেষ্টা
চালিয়ে যেতে হবে।

11/02/2016

====== ওয়েব ডিজাইন টিউন
=================
ওয়েব ডিজাইন শেখার জন্য যে ৬টি বিষয়
আপনাকে জানতেই হবে তা আলোচনা করা
হলো:
------------------ ১। এইচ টি এম এল (HTML)
--------------------
ওয়েব ডিজাইন শিখতে হলে আপনাকে যে
বিষয়টা প্রথমে জানতে হবে সেটি হলো এইচ
টি এম এল (HTML) এর অর্থ হচ্ছে Hyper Text
Markup Language. এই ভাষাটি হলো শুধুমাত্র
মার্ক আপ ল্যাংগুয়েজ কোন প্রোগ্রামিং
ল্যাংগুয়েজ না। এই ভাষাটি আপনি জানতে
পারলে খুব ভালো ভাবে আপনি ওয়েব
ডিজাইন শিখতে পারবেন। এই এইচ টি এম এল
শিখতে হলে আপনাকে বেশ কিছু শব্দ জানতে
হবে যেমন,
এইচটিএমএল এলিমেন্ট
এইচটিএমএল ট্যাগ
এইচটিএমএল অ্যাট্রিবিউট
এছাড়া আরো বেশ কিছু বিষয় জানতে হয় এইচ
টি এম এল শিখতে হলে
---------------------- ২। সিএসএস (css) ---------------
--------------------
ওয়েব ডিজাইন শিখতে হলে যে বিষয়টা
আপনাকে খুব ভালো জানতে হবে সেটা হলো
সিএসএস জানা। সিএসএস ও হলো একটা মার্ক
আপ ল্যাংগুয়েজ যেটা আপনি এর আগে
এইচটিএমএল এ করে এসেছেন সেটার অন্য রুপ
দেওয়া এবং নানা রকম স্টাইলিশ করা যায়
ওয়েবসাইট কে তাই ওয়েব ডিজাইন শিখতে
হলে আপনাকে ভালো সিএসএস শিখতে হবে।
সিএসএস এর কিছু কাজ আছে যেমন একটা
প্যারাগ্রাফ কে () বা হেডিং () ইত্যাদি যে কোন কিছুর পরিবর্তন
কালার পরিবর্তন, ফন্ট ছোট বড় করা এসব
নানা কিছু সিএসএস করা হয়ে থাকে এবং
একটা বিষয় আপনাকে সব সময় মনে রাখতে
হবে সেটা হলো সিএসএস শেখার আগে
এইচটিএমএল ভালো ভাবে জানতে হবে
------------------------- ৩। ফটোশপ ---------------
-------------------------------
আপনাকে ওয়েব ডিজাইন শিখতে হলে ভালো
করে ফটোশপ এর বিষয়ে জানতে হবে এবং
এখানে আপনাকে যে প্রধান কাজ টি শিখতে
হবে হবে সেটা হলো পিএসডি ফাইল থেকে
এইচটিএমএল টেমপ্লেট বানানো। ফটোশপ
হলো গ্রফিক্সের কাজ করার জন্য একটি
দারুন সফটওয়্যার।
----------------------------- ৪। জাভাস্ক্রিপ্ট
---------------------------------------
ওয়েব ডিজাইন শিখতে হলে আপনাকে এখন
যে বিষয় টা জানতে হবে সেটা হলো
জাভাস্ক্রিপ্ট। জাভাস্ক্রিপ্ট হলো ক্লাইন্ট
সাইড স্ক্রিপ্টিং ল্যাংগুয়েজ বা ব্রাউজার
এর স্ক্রিপ্টিং। ক্লাইন্ট সাইড স্ক্রিপ্টিং
ল্যাংগুয়েজ অনেক গুরুত্ব পূর্ণ কাজ আছে তাই
এটা শেখা খুব গুরুত্বপূর্ণ
---------------------------- ৫। জোকোয়েরি ---------------
-------------------------
জোকোয়েরি শেখার মাধ্যমে আপনি খুব
ভালো মানের ওয়েব ডিজাইন শিখতে পারেন
জোকোয়েরি বলতে আমরা জানি
জাভাস্ক্রিপ্টের একটা ফ্রেমওয়ার্ক। তাই
জোকোয়েরি দিয়ে আপনি আপনার ওয়েব
সাইটের অনেক কাজ করতে পারেন
------------------------------ ৬। পিএইচপি ---------------
----------------------------
ওয়েব ডিজাইন শিখতে হলে পিএইচপি
শিখতে হবে খুব ভালো করে পিএইচপি বলতে
বোঝায় Hypertext Preprocessor. এই
প্রোগ্রামটির উদ্দেশ্য হল ওয়েব পেজ দ্রুত
তৈরী করা। আরেকটি দিকে বিশেষ ভাবে
নজর রাখতে হবে সেটা হলো আপনাকে খুব
ভালো ভাবে এইচটিএমএল এবং এইচটিএমএল
ফর্ম জানতে হবে।

ই-মেইল মার্কেটিং-এক সম্ভাবনাময়ক্যারিয়ারের হাতছানিআপনারা ইতিমধ্যেই জানেন যে অনলাইনেমার্কেটিং বা কোনো কিছু বিক্রয়ের জন্...
05/02/2016

ই-মেইল মার্কেটিং-এক সম্ভাবনাময়
ক্যারিয়ারের হাতছানি
আপনারা ইতিমধ্যেই জানেন যে অনলাইনে
মার্কেটিং বা কোনো কিছু বিক্রয়ের জন্য
ইমেইল মার্কেটিং কতটা গুরুত্বপূর্ন।
বর্তমানে বিশ্বজুড়েই ইমেইল মার্কেটিং এর
জয়-জয়কার চলছে। আমাদের
বাংলাদেশীদের জন্যও এই খাতে রয়েছে এক
বিশাল সুযোগ। ইমেইল মার্কেটিং এর জন্য
নিজের মেধাকে সঠিকভাবে ব্যাবহার করতে
পারলেই এর মাধ্যমে আয়ের বিশাল পথ
আপনার সামনে উন্মুক্ত হয়ে যাবে। বিভিন্ন
মার্কেটপ্লেসে রয়েছে ইমেইল মার্কেটিং
এর ওপর অসংখ্য কাজ। শুধুমাত্র ইচ্ছা এবং
প্রয়োজনীয় দিক-নির্দেশনা থাকলেই যে
কেউই ইমেইল মার্কেটিংকে নিজের
ক্যারিয়ার হিসেবে নিতে পারবে। এছাড়াও
ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে নিজের ই-
কমার্স সাইটের বিক্রয়ও বহুগুনে বৃদ্ধি করা
সম্ভব। বাংলাদেশে ই-কমার্স এর ধারনাটি
সম্প্রতি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেতে শুরু
করেছে এবং আশা করা যায় অতি শিগ্রই
বাংলাদেশেও ই-কমার্স এ ব্যাপক
প্রতিযোগীতার সৃষ্টি হবে। এই
প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে অন্যান্য
সবকিছুর মতোই ইমেইল মার্কেটিংও অতি
গুরুত্বপূর্ন। সঠিকভাবে ইমেইল মার্কেটিং
করতে পারলে তা আপনার ব্যবসা ক্ষেত্রে
ব্যাপক সফলতা ও মুনাফা বয়ে নিয়ে আসবে।
তাই এই ক্যারিয়ার সফলভাবে গড়ে তুলতে
বেশ কিছু কথা মাথায় রাখতে হবে। আজ
আপনাদের সাথে তেমনই কিছু বিষয়
আলোচনা করবো কিভাবে আপনি একটি
প্রতিষ্ঠানের পুরোনো গ্রাহক ধরে রাখতে
পারবেন এবং সেইসাথে নতুন ক্রেতা সংগ্রহ
করবেন।
1. একজন ক্রেতার নিকট কোনো কিছু
বিক্রির পরই তার সাথে আপনার সম্পর্ক শেষ
হয়ে যায় না। আপনি যদি সঠিকভাবে
ক্রেতাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে
পারেন তাহলে হয়তো তিনি আপনার একজন
নিয়মিত ক্রেতাও হয়ে যেতে পারেন।
2. ক্রেতার নিকট কোনো কিছু বিক্রির পর
তা ব্যাবহার করে গ্রাহকটির কেমন লাগলো
তা জানতে ভুলবেন না। এতে করে আপনার
গ্রাহকটির সাথে আপনার সুসম্পর্ক রক্ষা হবে
এবং যদি পন্যের কোনো দোষ ত্রুটি থাকে
তাহলে তা সংশোধন করে আপনার পন্যের
মান বৃদ্ধি করতে পারেন।
3. আপনার গ্রাকদের বিভিন্ন মূল্যছাড় এবং
বিশেষ অফার প্রদানের মাধ্যমে আকৃষ্ট
করতে পারেন।
4. আপনার গ্রাহকেরা যদি অন্যদেরকেও
আপনার ওয়েবসাইট হতে কেনার আমন্ত্রন
জানায় তাহলে সেসব ক্রেতাদের
বিশেষভাবে মূল্যছাড় দিতে পারেন।
এক্ষেত্র রেফারেল সিস্টেম চালু করা যেতে
পারে। এর মাধ্যমে আপনি পুরোনো ক্রেতার
পাশাপাশি অনেক নতুন ক্রেতা পাবেন যা
আপনার ব্যবসা প্রসারে অনেক ভুমিকা
রাখবে।
বাংলাদেশে ইমেইল মার্কেটিং এর রয়েছে
এক উজ্জল ভবিষ্যত। এর মাধ্যমে প্রচুর আয়ের
সম্ভাবনা রয়েছে। কেউ যদি নিজের ই-কমার্স
সাইট না খুলেও শুধু অনলাইন মার্কেটপ্লেস
যেমন: ওডেস্ক, ফ্রিল্যন্স্যার, ইল্যান্স
ইত্যাদিতে কাজ করতে চান তাহলেও সে
স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে। ইতিমধ্যেই
বাংলাদেশের অনেক ফ্রিল্যান্সাররাই
ইমেইল মার্কেটিংকে বেছে নিয়ে তাদের
সফল ক্যারিয়ার গড়ে তুলেছে। তবে আর দেরি
কেন? আপনিও শুরু করুন ই-মেইল মার্কেটিং এর
এই উজ্জল সম্ভাবনাময় ক্যরিয়ার এবং
আপনার জীবনকেও সফল করে তুলুন।

07/01/2016

ইলেন্স (Elance) এ সহজে কাজ পাওয়ার কি
উপায়!

এক্সপার্টদের ELance-এ কাজ পাওয়া মোটেই
কঠিন কিছু নয় । Proposal জমা দেয়ার আগে
দেখে নিন আপনি ক্লায়েন্টের Requirement
পূরণ করতে পারবেন কিনা। সংশ্লিষ্ট স্কিল
গুলোতে টেস্ট দিয়ে না থাকলে আগে দিয়ে
দিন তারপর Proposal জমা দিন।
নিচে কিছু টিপস দেয়া আছে:

৬) আপনি অন্য মাকের্টপ্লেসে কাজ করে
থাকেলে এবং Elance এ নতুন হলে ওই
মাকের্টপ্লেসের প্রোফাইল লিঙ্ক অবশ্যই
দিয়ে দিবেন। একথা বলছি কারন ইদানিং
oDesk এবং Freelancerএর এক্সপার্টরা Elance
এ যোগ দিচ্ছেন যেহেতু Elance এ
প্রতিযোগিতাটা অন্য মাকের্টপ্লেস থেকে
কম এবং কাজের মূল্যও বেশি।

৭) অযথা বার বার স্যার/ম্যাডাম ডেকে
নিজেকে আনকোরা হিসেবে উপস্থাপন
করবেন না। ভদ্রতার খাতিরে একবারই
যথেষ্ট। কাকুতি মিনতি করে লাভ নেই, যত
সংক্ষেপে এ গুছিয়ে লেখা যায় তার চেষ্টা
করুন। লেখার সময় বানান গুলো ঠিক হচ্ছে
কিনা ভালো করে খেয়াল করুন।

৮) অনেক ক্লায়েন্ট আবার একটি নিদিষ্ট
সময়ে আপনাকে কাজ করতে বলবে তাই
আপনি যদি রাজি হন তাহলে Proposal এ বলুন
আপনি বাংলাদেশ থেকে হলেও US/UK/
Client’s Time এর সাথে মানিয়ে নিতে
পারবেন এবং আপনি একদিনের জন্যেও ওই
সময়ে অনুপস্থিত থাকবেন না। অবশেষে
Regards/Thanks লিখে নিচের লাইনে আপনার
নামের প্রথম অংশ লিখে দিন।

৯) এবার আপনি অন্য কনট্রাক্টরদের বিডকৃত
মুল্যের দিকে এবং ক্লায়েন্টের বাজেটের
দিকে তাকান, আপনার থেকে স্কিলড এবং
অভিজ্ঞ কেউ বিড করে থাকলে তাদের
থেকে যথা সম্ভব কমে বিড করুন এবং
ক্লায়েন্টকেও বলে দিন যেহেতু আপনি
Elance এ নতুন তাই এই মূহুর্তে আপনি কম রেটে
কাজ করবেন এবং কাজ পাওয়াটাই আপনার
কাছে মূখ্য বিষয়। অন্য বিডকারিদের
প্রোফাইল লিঙ্ক এবং গড়, সব্বোচ্চ ও সবনিম্ন
বিডকৃত অর্থের পরিমান দেখতে পাবেন Job
Description এর একবারে শেষে।

১০) Hourly কাজের ক্ষেত্রে আপনি কত ঘ্ন্টায়
কাজটি করতে পারবেন টা দিতে হবে।
Ongoing Job এর ক্ষেত্রে ক্লায়েন্টের দেয়া
Duration যা পাবেন তা বসিয়ে দিন। এটি
পাবেনJob Description শুরুর পূর্বেই Job Title এর
ঠিক পরে।

১১) ক্লায়েন্ট তার বাজেট সম্মন্ধে Not Sure
থাকলে এবং আপনি এ বিষয়ে কিছু না
বোঝলে Will Submit Amount Later চেকবক্সে
চেক করতে পারেন সে ক্ষেত্রে আপনি
Proposalতার বাজেটটি জানানোর জন্য প্রশ্ন
করেতে পারেন।

১২) অনেক কায়েন্টই Elance এ নতুন দের
তাদের জবে Proposal দেয়ার জন্য আমন্ত্রন
জানায়, সে ক্ষেত্রে আপনি একটি অতিরিক্ত
লাইনে যোগ করুন Proposal এর শুরুতেই “Thank
you for inviting me to your job!”.

আউটসোর্সিং কি ? ===================আউটসোর্সিং থেকে আয় করতে হলে সবারআগে জানতে আউটসোর্সিং কি। আউট অর্থবাহির । সোর্স অথ উৎ...
24/12/2015

আউটসোর্সিং কি ? ===================
আউটসোর্সিং থেকে আয় করতে হলে সবার
আগে জানতে আউটসোর্সিং কি। আউট অর্থ
বাহির । সোর্স অথ উৎস। তাহলে কথা হচ্ছে,
আউটসোর্সিং অর্থ বাহিরের উৎস। অর্থাৎ
আমরা আমাদের নিজস্ব পেশার বাহিরে
যেমন অফিসের চাকুরি, ব্যবসা বাণিজ্যের
বাহিরে সম্পুর্ণ ভার্চূয়াল অফিস স্টাইলে
কাজ করে ঘরে বসে ইন্টারনেটের মাধ্যমে
বাহিরের সোর্স থেকে অর্থ উপার্জন কে
আউটসোর্সিং বলে। আউটসোর্সিং হচ্ছে
তথা ফ্রিল্যান্সিং শব্দের মূল অর্থ হল
একটি স্বাধ পেশা। অর্থাৎ স্বাধীনভাবে
কাজ করে আয়ের একটি অন্যতম পেশা। একটু
সহজ ভাবে বলতে চাইলে, ইন্টারনেট
ব্যাবস্থার মাধ্যমে অন্যকোন বা ভিন্ন
ভিন্ন প্রতিষ্ঠান ভিন্ন ভিন্ন ধরনের কাজ
প্রদান করে তা ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে
তা করিয়ে নেয়া । নিজের প্রতিষ্ঠান
বাদে অন্য কোন ব্যক্তি অথবা কোন
প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে এসব কাজ করানোকেই
মূলত আউটসোর্সিং বলে। যারা
আউটসোর্সিংয়ের কাজ করেন, মূলত তারাই
হলেন ফ্রিল্যান্সার। আউটসোর্সিং হচ্ছে
মাল্টি বিলিয়ন ডলারের একটা বিশাল
বিশ্ব বাজার। উন্নত দেশগুলো কাজের মূল্য
কমানোর জন্য আউটসোর্সিং করে থাকে।
আমাদের পার্শবর্তী দেশ ভারত ও
ফিলিপাইন সেই সুযোগটিকে খুবই
ভালভাবে কাজে লাগিয়ে চলছে । আমরাও
যদি আউটসোর্সিং এর বিশাল বাজারের
সামান্য অংশ কাজে লাগাতে পারি
তাহলে এটি হতে পারে বাংলাদেশের
অর্থনীতি মজবুত করার মুল হাতিয়ার।
আউটসোর্সিং কাজগুলি কি?
=================== আউটসোর্সিং সাইট
বা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আমরা বিভিন্ন
ধরণের কাজ পেতে পারি। যেমন: Email
Marketing. SEO Search Engine Optimization,
Graphics Design, Web Design &
Developmen,,সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট,
নেটওয়ার্কিং ও তথ্যব্যবস্থা, লেখা ও
অনুবাদ, ডিজাইন ও মাল্টিমিডিয়া,
প্রশাসনিক সহায়তা, গ্রাহকসেবা (Customer
Service), ব্যবসাসেবা, বিক্রয় ও বিপণন
ইত্যাদি। এই প্রকার কাজ ইন্টারনেট
ব্যাবস্থার মাধ্যমে করে দিতে পারলেই
অনলাইনে আয় করা আপনার পক্ষে সম্ভব।
এছাড়াও আরও বিভিন্ন ধরনের উন্নতমানের
কাজের ব্যাবস্থা আছে এই বিশাল বড়
আউটসোর্সিং জগতে। কিন্তু আমাদের
দেশের কিছু অসাধু ব্যাবসায়ী
বাংলাদেশের সাধারণ মানুষকে ধোকা
দিয়ে যাচ্ছেন প্রতিনিয়তই নানা পদ্ধতির
মাধ্যমে আউটসোর্সিং করে খুব সহজেই
আয় করার নামে মানুষকে ধোকা দিচ্ছে।
বাস্তবে উপরে উল্লিখিত কাজগুলোতে
যদি আপনার কোন কারিগরি কাজের
দক্ষতা থাকে তবেই কেবলমাত্র
আউটসোর্সিং জগতে থেকে আপনি ভালো
আয় করতে পারবেন। কোনপ্রকার কাজের
দক্ষতা ছাড়া এবং আউটসোর্সিং সম্পর্কে
ভালকোন কিছু জানা না থাকলে ধোকা
খাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই। তাই
আগে কাজ করার জন্য নিজেকে তৈরী
করুন, তারপর এই পেশায় আসার চিন্তা
ভাবনা করুণ। সত্যি বলতে আপনি যদি
আপনার কাজের দক্ষতাকে সঠিকভাবে
কাছে লাগাতে পারেন তাহলেই আপনাকে
দিয়েই সম্ভব এই সেক্টরে দেশের হয়ে
হাজার হাজার ডলার ইনকাম করা। শুধু
দরকার ইনকামের সঠিক দিক নির্দেশনা,
এবং যে কাজ করবেন তার সম্পর্কে সঠিক
জ্ঞান অর্জন করা। আউটসোর্সিং কেন
করবেন এবং কিভাবে করবেন ?
==================================
আমাদের বাংলাদেশে এবং বিশ্বের প্রায়
দেশেই আউটসোর্সিং জগতে কাজ করে
এমন লক্ষ লক্ষ ফ্রিল্যান্সার রয়েছেন ।
কিন্তু তাদের সবাই শতভাগ সফল হতে
পারেননি। সর্বদা মনে রাখবেন
আউটসোর্সিং একটি স্বাধীন ও মুক্ত
পেশা, সেখানে আপনার ব্যক্তিগত
জবাবদিহিতার চেয়ে আপনার কাজের
জবাবদিহিতা অনেক বেশি। আপনি এই
জগতে আসবেন অবশ্যই আয় করার জন্য, এবং
আপনি যার কাছ থেকে এই উপার্জন করবেন
তাকে কোন না কোন সেবা প্রদান করেই
এই উপার্যন আপনাকে করতে হবে। তাই যদি
হয়, আপনার কাজ যদি সঠিক না হয়, আপনার
কাজে যদি কোন প্রকার জবাবদিহিতা না
থাকে, আপনি যদি কাজ করার ক্ষেত্রে
অনেক বেশী মনযোগী না হন, আপনার
কাজে যদি অনেক বেশী স্বচ্ছতা না থাকে
তাহলে আপনার পক্ষে এই সেক্টরে সফল
হওয়া সম্ভব নয়। আউটসোর্সিং এ সর্বদা
আপনি নিজেকে দিয়ে মূল্যায়ন করবেন।
আপনার কাজের দক্ষতায় আপনাকে উপরের
স্তরে যাওয়ার রাস্তা তৈরি করে দিবে,
তাই আপনাকে যে কাজ দেওয়ার হবে সেই
কাজ যদি আপনি সঠিক ভাবে সঠিক সময়ের
মধ্য দিয়ে কাজটি ক্ল্যায়িন্তকে প্রদান
করতে না পারেন তাহলে আপনাকে সেখান
থেকে ছিটকে যেতে হবে সেই মুহূর্তেই, আর
যদি তা পজিটিভ হয়, তাহলে সেও খুশি
থাকবে এবং আপনারও ভবিষতে কাজ
পাবার সম্ভাবনাও বেড়ে অনেক খানি
বেড়ে যাবে। আউটসোর্সিং থেকে কি কি
ভাবে আয় করা যায?
================================
আউটসোর্সিং থেকে আয় করার অনেক
উপায় আছে । তবে প্রত্যেক টি বিষয়
সম্পকে অবশ্যই আমাদের ভালো ভাবে
জানতে হবে । আমরা বিভিন্ন রকম
ডিজাইনের কাজ, মার্কেটিং করা সহ
আরো অনেক কাজ করে আয় করতে পারি ।
যেমন:- ডিজাইনের কাজ ডিজাইনের
কাজের মধ্যে অনেক রকম ডিজাইনের কাজ
রয়েছে । যেমন :- ১) গ্রাফিক্স ডিজাইন ২)
ওয়েব ডিজাইন 3. Web design & development
৪) ওয়ার্ড প্রেস ৫) ফ্লাশ এ্যানিমেশন ৬)
ভিডিও এডিটিং 7. Email Marketing
মার্কেটিং : ===== অনলাইনে বিভিন্ন
ধরনের মার্কেটিং রয়েছে। যেমন :- ১)
এ্যাফিলেট মার্কেটিং
ting
এ্যাডসেন্স : ===== এ্যাডসেন্স বলতে আমরা
অধিকাংশই শুধু Google Adsense এর কথা মনে
করি । কিন্তু এটা ঠিক না । Google Adsense
ছাড়াও আরো অনেক Adsense রয়েছে ।
যেমন :- 1. Bidvertizer 2. Clicksor Adbrite
How-to-get-Google-Adsense-Account-Approve
এছাড়া ডাটা এন্ট্রি, আর্টিকেল রাইটিং,
মাল্টিমিডিয়ার কাজ সহ হাজার ও রকমের
রয়েছে । আউটসোর্সিং টিটোরিয়ালের
পেজে মূলত আমরা দেখবো আউটসোসিং এর
কাজ গুলো কোথায় পাবো । আউটসোসিং
কাজের জন্য কিছু মার্কেট প্লেস রয়েছে ।
যেমন :- আউটসোসিং কাজের জন্য কিছু
মার্কেট প্লেস: =========================
1.)www.freelancer.com 2) http://
www.oDesk.com 3) http://
www.scriptlance.com 4) http://
www.elance.com 5) http://
www.themeforest.net 6) http://
www.graphicriver.net 7) http://
www.99design.com 8) http://
www.microworkers.com 9) http://
www.joomlalancer.com 10 ) http://
www.guru.com
1055349_0_original

Hire freelance programmers, web developers, designers, writers, data entry & more at a fraction of the cost on the World's Largest Outsourcing Marketplace.

Address

Moulvi Bazar
3200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dreamania Group Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share