Hijama Center , Munshiganj

Hijama Center , Munshiganj হিজামা একটি সুন্নাহ ও আধুনিক বিজ্ঞান ভিত্তিক চিকিৎসা ।

31/07/2024

শিক্ষার্থীদের ন্যায্য দাবি মেনে নেওয়ার আহবান জানাই। ইতোমধ্যে অনেক মায়ের বুক খালি হয়েছে। এরপরও আলোচনায় না বসলে ক্ষতির পরিমাণ আরো বাড়বে বৈ কমবে না। আমরা আর কোনো আর্তনাদ শুনতে চাই না।

09/06/2024

সীরাহ থেকে সংগৃহীত :

ইবনুল জাওজি (রহ.) বলেছেন-

'যদি তোমার ক্ষমা প্রার্থনা ও দুআ মঞ্জুর না হয়, তাহলে নিজের অবস্থার দিকে দৃষ্টি দাও। সম্ভবত তোমার ক্ষমা প্রার্থনা সঠিকভাবে হয়নি, কাজেই মন থেকে অনুশোচনাসহ ক্ষমা প্রার্থনা করো। এবার তোমার মনের বাসনা কাকুতি-মিনতি করে আল্লাহকে জানাও। আল্লাহর কাছে বিরামহীন মিনতি করে যাও, ক্লান্ত হয়ো না। সম্ভবত তোমার দুআ মঞ্জুর হতে দেরি হওয়ার ভেতরেই কোনো কল্যাণ রয়েছে অথবা ওই দুআটি মঞ্জুর না হওয়াই তোমার জন্য কল্যাণকর।

দুআর মাধ্যমে তুমি হয়তো তোমার পুরস্কার জমা করছ এবং এর বিনিময়ে তোমার জন্য আল্লাহ সেই জিনিস বরাদ্দ করছেন, যা তোমাকে উপকৃত করবে। সম্ভবত তুমি যা চাও, তা না পাওয়াই তোমার জন্য ভালো এবং এর বদলে তোমাকে আল্লাহ এমন জিনিস দেবেন, যা তোমার কাঙ্ক্ষিত জিনিসের চাইতেও উত্তম। (৫)

(৫)ইকরাম হাওরামানি, দ্যা সেয়িংস অব ইবনুল জাওজি
বই: টাইমলেস অ্যাডভাইস,পৃ:১৩

14/05/2024

#একটু থামুন || ভাবুন || বুঝুন || সংযত হন ||


আমাদের আরো একটা ব্যামো আছে। আমরা যখন পর্দার কথা বলি, পর্দা সংক্রান্ত আলাপ-আলোচনা করি, তখন আমাদের মানসপটে জ্বলজ্বল করে একটা বোরকা পরা নারীমূর্তির ছবি ভেসে উঠে। আমরা, পুরুষেরা ধরেই নিয়েছি যে, পর্দাটা কেবল নারীদের জন্যই। পুরুষ মানুষের আবার পর্দা কী?

দুঃখের ব্যাপার হলো— পর্দা বলতে আমরা কেবল বোরকা-হিজাবকেই বুঝতে শিখেছি, ভাবতে শিখেছি। দৃষ্টিরও যে পর্দা আছে, শ্রবণেরও যে পর্দা থাকে, তা কি আমরা কখনো জানতে চেয়েছি?

কুরআনে সুরা আন-নুরে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা পর্দার বিধান নাযিল করেছেন। মজার ব্যাপার হলো— সুরা আন-নুরের পর্দা সংক্রান্ত প্রথম আয়াতটাই পুরুষদের উদ্দেশ্য করে বলা, এবং ওই আয়াতে প্রধানত পুরুষদেরকে দৃষ্টির এবং লজ্জাস্থানের হেফাযত করতেই বলা হয়েছে।

কুরআন যখন পর্দার বিধান নাযিল করেছে, সবার আগে, শুরুতে পুরুষদেরকেই উদ্দেশ্য করে কথা বলেছে। কিন্তু অতীব দুঃখের ব্যাপার হলো এই— আজকের সময়ে আমরা পর্দা বলতে যা কিছু বুঝি, সবকিছু একচেটিয়াভাবে নারীদের ওপরেই চাপিয়ে দিই।

পর্দাটা নারী এবং পুরুষ, দু’জনের জন্যেই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া’তায়ালা ফরয করেছেন। একজন নারী যেমন নিজেকে বোরকা আর হিজাবে আবৃত করবে, নিজের রূপ-লাবণ্যকে পর-পুরুষের দৃষ্টি থেকে বাঁচাবে, ঠিক একইভাবে একজন পুরুষও এমন পোশাক পরবেনা, যা তার শরীরের গড়ন-গাড়নকে প্রকাশ করে দেয়।

ঢিলেঢালা পোশাকই সুন্নাহর অধিক নিকটবর্তী। আজকাল আমরা দেখি, অনেক মুসলিম পুরুষেরা এমন ছিপছিপে শার্ট-প্যান্ট পরেন যা তাদের শরীরের গড়নকে মেলে ধরে। আপাতদৃষ্টিতে এটাকে ফ্যাশান কিংবা যুগের চাহিদা যা-ই বলা হোক না কেনো, এই ধরণের পোশাক নিজেকে এবং বিপরীত লিঙ্গের অন্য কাউকে যেকোন মুহূর্তে বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে দিতে পারে।

পর্দার আবশ্যিকতা-ই হলো এই কারণে যে— পর্দা আপনার দেহকে প্রদর্শনেচ্ছা থেকে বাঁচাবে। কিন্তু, আমরা যারা ছিপছিপে শার্ট-প্যান্ট পরি, যা শরীরের সাথে একেবারে লেপ্টে থাকে, তা আদতে কতোখানি আমাদের প্রদর্শনেচ্ছা থেকে বাঁচায় সেটা অবশ্য প্রশ্নসাপেক্ষ।

আমি বলতে চাইছি যে না যে ছিপছিপে শার্ট-প্যান্ট শরীয়তের দৃষ্টিতে নাজায়েজ কিংবা এই ধরণের পোশাক একেবারে পরাই যাবে না। আসলে, আমি এখানে যা বোঝাতে চাই তা মোটাদাগে এই— সুন্নাহ সম্মত পোশাকের অর্থই হলো তা আমাদের শরীরকে এমনভাবে ঢেকে রাখবে, যাতে কোনোভাবে আমাদের শরীরের গঠন, গড়ন সেভাবে প্রকাশ পাবেনা। আমাদের পোশাকের চেহারা যদি হিন্দী কিংবা তামিল সিনেমার নায়কদের মতো হয়, তাহলে সেই পোশাক নিয়ে আমাদের দ্বিতীয়বার ভাবার অবকাশ আছে বৈকি!

তবুও প্রশ্ন থেকে যায়, এ ধরণের পোশাক পরলে কি কেউ গুনাহগার হবে? প্রশ্নটার উত্তর অন্যভাবে দেওয়া যাক। গুনাহগার হবে কি না, সেই প্রসঙ্গ বাদ দিয়ে, উত্তম কিংবা অধিকতর উত্তমের কথা যদি আমরা চিন্তা করি, তাহলে হয়তো-বা এই ধরণের ছিপছিপে, গায়ে লেপ্টে থাকা পোশাক পরিধান না করাই উচিত।

ইমাম আহমাদ ইবন হাম্বল রাহিমাহুল্লাহ বলেছেন, যুহদের স্তর হচ্ছে তিনটা। মানে, আল্লাহকে ভয় করে, কিংবা আল্লাহকে ভালোবেসে একজন মানুষ তিনভাবে জীবনযাপন করে থাকে।

প্রথম স্তরের মানুষেরা কেবল যাবতীয় হারাম থেকে বেঁচে থাকে।

দ্বিতীয় স্তরের মানুষেরা হারাম থেকে তো বাঁচেই, হালালের মধ্যে যা অতিরিক্ত, তা থেকেও বিরত রাখে নিজেদের।

তৃতীয় এবং সর্বোচ্চ স্তরের মানুষেরা হালালের মধ্যেও এমন সব জিনিস এড়িয়ে চলে যা সাধারণত আল্লাহর ভাবনা থেকে গাফেল করে দেয়।

এখন, যদি ধরেও নিই যে ছিপছিপে পোশাক পরিধানে কোন অসুবিধে নেই, এটা জায়েজ, তবুও এটা তো নিশ্চিত যে— এই পোশাকের চেয়ে ঢিলেঢালা পোশাক-ই সুন্নাহর অধিক নিকটে। সুতরাং, যে ব্যক্তি আল্লাহর অধিকতর প্রিয় হয়ে উঠতে চায়, কিংবা আল্লাহকে বেশিই ভালোবাসতে চায়, তার কি উচিত নয় যে, এমন হালালের দিকে ঝুঁকে পড়া, যা অন্য একটা হালালের চাইতে অধিক উত্তম?

সাধারণত, বর্তমান আধুনিক জামানায় যে স্টাইলিশ হিজাব কতিপয় নারীকূল পরে থাকেন, তা অবশ্যই সর্বসম্মতিক্রমে অপছন্দনীয়। কিন্তু, আমরা যারা স্টাইলিশ হিজাব অপছন্দ করি, তারা যখন স্টাইলিশ শার্ট-প্যান্ট পরে, স্টাইলিশ হিজাবের বিরুদ্ধে বলতে যাবো, তখন কি আমাদের উচিত নয় আগে অন্তত একবার নিজের দিকে তাকানো?

আলোচনার সারবস্তু হলো, পুরুষেরও পর্দা আছে। পুরুষেরাও শালীন পোশাক পরিধান করবে এবং দৃষ্টির হেফাযত করবে। কিন্তু দুঃখের ব্যাপার, পর্দার আয়াতে যেখানে আগে আমাদেরকে উদ্দেশ্য করেই কথা বলা হয়েছে, সেখানে আমরা পর্দার যাবতীয় হুকুম যেন নারীকূলের ওপরে উঠিয়ে দিতে পারলেই বেঁচে যাই।'

( এই লেখাটুকু আরিফ আজাদ ভাইয়ের লিখিত ‘এবার ভিন্ন কিছু হোক’ বই থেকে নেওয়া। )

09/05/2024

Coca Cola, Pepsi কি আসলেই ইসরাইলী পণ্য???
কিভাবে বুঝবেন

আপনি যদি কোকা-কোলা এর অফিসিয়াল রিপোর্ট পড়েন বা স্বাভাবিক দৃষ্টিতে দেখে। তাহলে তাদের কোথাও ইসরাইলের নাম গন্ধ পর্যন্ত পাবেন না, Wikipedia-তেও না। মজার বিষয় হচ্ছে, তারা গলা ফাটিয়ে বলে যে, ইসরাইলে কোকা-কোলার কোন প্লান্ট/কারখানা ছিলো না। এই জন্যে ইসরাইল কোকা-কোলা বয়কট করেছিলো কোন এক সময়। তারা এটাও বলে যে বর্তমানে কোকা-কোলার কারখানা ইসরাইলের পাশাপাশি ফিলিস্তিনেও আছে। সত্যি বলতে কি, এটা তাদের Brand Value বাঁচানোর চেষ্টা মাত্র। যাইহোক, আপনাদের সাথে কিছু তথ্য শেয়ার করি।

Coca-Cola কোম্পানির বড় ইনভেস্টর হচ্ছেন মি, ওয়ারেন্ট বাফেট (Warren Buffett)। এখন তিনি কিন্তু তাঁর নিজের নামে এই কোকা-কোলাতে ইনভেস্ট করেন নাই। ...**তারা সবাই**...... কোন না কোন কোম্পানির নামে ইনভেস্ট করেন। কোকা-কোলাতে এই ব্যাক্তি ইনভেস্ট করেছেন "Berkshire Hathaway" নামে নিজের একটি ইনভেস্টমেন্ট কোম্পানির আন্ডারে।

এবার দেখি কোকা-কোলা কোম্পানির সব থেকে বড় ইনভেস্ট গুলো কারা।
-Berkshire Hathaway, (400million share, 24 Billion Dollar)
-Vanguard Group (370million share, 22 Billion Dollar) এবং
-BlackRock। (303 million share, 18 Billion Dollar)

মানে Coca-Cola এর ৮০ থেকে ৯০ ভাগ মালিকানাই এই ৩টা কোম্পানির হাতে। যার পরিমান প্রায় ৭ লক্ষ্য কোটি টাকার বেশি।
এবার আমরা দেখবো "Berkshire Hathaway" কোম্পানির প্রকৃত ইনভেস্টর আসে কে??
উত্তর-
-Vanguard Group এবং
-BlackRock ,
এই দুইটা কোম্পানি প্রধান ইনভেস্টর।
(এখানে অনেকে বলবে যে, ভাই, এই কোম্পানির ইনভেস্টরের লিস্টে বিরাট এমাউন্ট অন্যান্য ইনভেস্টমেন্ট ফার্ম বা কোম্পানি আছে। আমি বলিকি, ভাই আপনি সেসকলের ইনভেস্টর, আবার ইনভেস্টরের ইনভেস্টরের লিস্ট চেক করেন, এক সময় এই দুই/তিনটি কোম্পানির নাম পাবেন)

মানে কোকা-কোলার মূল ইনভেস্টমেন্ট এখন আর Berkshire Hathaway এর কোন বড় গুরুত্ত থাকল না, শুধু কাগজে কলমে নামটাই থাকলো।
এবার তাকাই আমরা BlackRock এর দিকে। উনার ইনভেস্টরের প্রধান হচ্ছে Vanguard Group। অন্যকে Vanguard-কে ইনভেস্ট করে BlackRock !! মানে ঘুরে ফিরে সব কিছুর মালিকানায় এই এরা Vanguard Group & Black Rock! (আরেকটা আছে State Street)

আপনি হয়তো কোকের আরো কিছু খুদ্র ইনভেস্টর পাবেন, অথচ সেই ইনভেস্টদের কেও ইনভেস্ট করেছে এই দুইটা গ্রুপ।
আর মজার বিষয় হচ্ছে কিছু ক্ষেত্রে তারা একজন আরেকজকে ইনভেস্ট করে চলেছে। একজনের লেজ ধরে আরেকজন মিলিয়ে দুনিয়ার বড় বড় যা কিছু আছে সব কিছুকে এরা ইনভেস্ট করেছে। লেজ ধরে টানতে থাকলে শেষমেশ এই দুইটা/তিনটা কোম্পানিতে গিয়ে ঠেকে।

এডের ইনভেস্টমেন্টে আছে টিভি চ্যানেল, কোকা-কোলা, পেপসি, ওয়ার্ল্ড ডিজনি, ফক্স সিনেমা, নেটফ্লিক্স, প্রক্টর এন্ড গেম্বল, এপল কোর্পরেশন, ইন্টেল, এমাজন, ফক্স নিউজ, ব্যাংক অফ আমেরিকা, টেসলা, ফেসবুক, গুগল ইত্যাদি কি নেই... (গুগলের বড় দুইজন ইনভেস্ট যেই কোম্পানি, সেই দুইটার ইনভেস্ট কিন্তু আবার Vanguard Group, BlackRock এবং state street)

আপনি চাইলেই বের করতে পারবেন না বাক্তি হিসেবে কে কে আছে এই সব মেগা জায়ান্ট কোম্পানির পেছনে, এদের পেছনের শেয়ার হোল্ডার কারা এবং তারা কে? তাদের বংশ পরিচয় কি? আমি কিছু বের করেছি,
--------------------------
--BlackRock এর চেয়ারম্যান ও CEO ও ফাউন্ডার হচ্ছেন Larry D Fink যিনি ইহুদি ও ইসরাইলি বংশভুক্ত। বর্তমানে সে ব্লাক-করের সর্বোচ্চ একক ভাবে ৫লক্ষ্য ২০ হাজার শেয়ার মালিক।

--BlackRock এর কো-ফাউন্ডার হচ্ছেন Susan L. Wagner তিনিও ইহুদি পরিবারের যার বর্তমানে ব্লাককরের ২য় সর্বোচ শেয়ারের মালিক, পরিমান ৪লক্ষ ২৯ হাজার।

---BlackRock এর প্রেসিডেন্ট একজন ইহুদি পরিবারের। নাম Robert S. Kapito, তাকে ২০১২ সালে ইহুদি কমিউনিটি থেকে এওয়ার্ড দেওয়া হয়। তিনি ব্লাক রকের ২লক্ষ ২৬ হাজার শেয়ারের মালিক।

--তাদের ধোকাবাজি দেখেন। অনেকে বলবে BlackRock এর ৪৪.৬৮ পার্সেন্ট শেয়ার Merrill Lynch ইনভেস্টইমেন্ট কোম্পানির। অথচ এটা কেউ বলেনা যে Merrill Lynch নিজেই BlackRock এর মালিকানাধীন।

---আর কস্টের কথা কি বলবো, আরব ফান্ড এন্ড সমাজ উন্নয়নের ডিরেক্ট Bader M. Alsaad নিজেও এই ইহুদি কোম্পানির ডিরেক্টর হিসেবে আছেন।

---Vanguard এর বিষয় তথ্য অনেক কম, তবে এর ফাউন্ডার নাম মৃত Herbert A. Kraft এর ছিলো ইহুদি দরদ। তিনি ইহুদিদের জন্যে আলাদা ট্রান্সপোর্টেশন ও স্কুলের ব্যবস্থাও করে দিতেন। তার পরিবার এখন এই কোম্পানির ২ কোটি ১১ লক্ষ্য এর মত শেয়ারের মালিক। তাদের হাতে কতটা ক্ষমা চিন্তা করেন। মানুষের টাকায় কাগজে কলমে কিন্তু টাকার কন্ট্রোল তাদের হাতে।

---Black Rock নিজে আবার সব থেকে বড় শেয়ার হোল্ডার এই ভ্যানগার্ডের। প্রায় ৪৫ লক্ষ্য শেয়ার তাদের।

--Israel Englander, তিনি ইসরাইল পরিবার বংশভুক্ত আমেরিকায় জন্ম। Vanguard Group এর ১৭ লক্ষ এর মতো শেয়ার তাঁর নিজের নামে। যা সম্পূর্ন কোম্পানির প্রায় ৬ পার্সেন্ট মালিকা। আরো আপডেট করে দিবো পেলে...
---------------------------------

এ ছারা আরো অনেকে আছে আছেন, তারা মিডিয়াতে আসেন না। মাত্র একজনের কথা বললাম, আরো কত ইসরাইলী বা ইহুদি (jewish) ইনভেস্টর এই ৩টি গ্রুপের পেছনে আছে কে জানে? কেন আমেরিকা তাদের কথায় উঠে বসে, কেন ফেসবুক সহ বড় বড় টেক কোম্পানি তাদের কথায় শুর মেলায় বুঝেন এবার।

একটা কথা পরিস্কার করি, তাদের এতো এতো অর্থ কিন্তু নিজেদের না। মানুষের টাকা। কাগজে কলমে মানুষের টাকা কিন্তু বাস্তবে এই অর্থ গুলো তাদের হাতে, তাদের কন্ট্রলে, সিদ্ধান্ত তারা নেয় কই ইনভেস্ট করবে আর কোন দেশকে সাহায্য করবে।

এই কোম্পানিগুলো যদি একবার বলে আমাদের ইনভেস্টমেন্টের টাকা নিয়ে যাবো তোর কোম্পানি থেকে তাহলেই হইছে, ফেসবুকের প্রায় ১০০ বিলিয়ন ডলারে শেষ। হাতে বাটি নিয়ে বসার অবস্থা হবে তাদের।

তাহলে বুঝতেই পারছেন, কোকা-কোলা আসলেই কাদের?? কোকের ফাউন্ডার যেই হোক, এর কন্ট্রোল ইহুদিদের। আশা করি বুঝতে পারছেন ওয়ার্ড লীডার কারা বর্তমানে? কেন সব কোম্পানি ইসরাইল ইসুতে একদম চুপ। এমনকি আমেরিকার নিজেরও ক্ষমতা নেই এই কোম্পানিগুলোর বিপক্ষে যাওয়ার। শুধু কি আমেরিকা, এদের সুবিধা ভোগি আরো না না দেশ।

আচ্ছা, এবার আসল প্রশ্নঃ
এই কোক, এটা কি বাদ দেয়া ঠিক হবে? আপনি তো ফেসবুকও চালান?

দেখেন ভাই, আমার উত্তর একদম সহজ। আমাকে বাধ্য হয়ে বা বিশেষ কারনে প্রতিদিন ৫ ফোটা করে বিষ খেতে হয়। এই জন্যে কি আপনি বলবেন যে ভাই, আপনি তো প্রতিদিন ৫ ফোঁটা বিষ খানে, তাই আপনাকে এই বাটিতে থাকা আরো ৯ ফোঁটা বিষ খেতে হবে। কেন খাবনে না? এটা তো বলবেন না তাইনা? অথবা...বললেন...

ওরে ভাই, কি ঢং রে ভাই, প্রতিদিন ৫ ফোটা বিষ খান, আজকে হঠাত ৩ ফোটা করে কেন বিষ খাবেন। এই কয়টা ফোঁটা বিষ খাওয়া বন্ধ রেখে কি উপকার করবেন নিজের, উম্মার কি উপকার হবে? আগেও ৫ ফোঁটা খেতেন তাই এখনো ৫ফোটা বিষ খান। বা ৩ ফোটা যেহেতু খাচ্ছেন তাই ৫ ফোটা খেতে সমস্যা কি? এটা তো আর বলবেন না তাইনা?

জী, ইসরাইলে পণ্য দিয়েই আমরা ঘেরা, মানে তাদের ইনভেস্টমেন্টে ও ম্যানেজমেন্ট ফুলে ফেপে উঠা কোম্পানির পণ্য চারদিকে। এখন একটা ব্যবহার করতে হচ্ছে বলেই যে অন্যগুলো বাদ দিতে পারবো না... ব্যবহার করতে হবে এমন কোন কথা নেই। বরং যা যা বাদ দেওয়া যায় তা অবশ্যই বাদ দিতে হবে। এবং আমাদের অল্টারনেটিভ বের করতে হবে। যেমন YouTube এর পরিবর্তে Mahfil App অনেক সুন্দর করেছে। ফেসবুকের পরিবর্তে Alfaafa Community অল্প অল্প করে চেষ্টা করছে, অনেকে দেশীয় Mojo Cola তে ডাইভার্ট হচ্ছে। সম্ভব, সামনে পা বাড়ালে আল্লাহ পথ উন্মোচন করে দেন। তাদের পরিকল্পনা ব্যার্থ হতে বাধ্য সত্যের সামনে। ইন-শা-আল্লাহ।

নিচে কিছু কোম্পানির লিস্ট দেই, তাদের বড় একটা অংশ এই কোম্পানি গুলোতে ইনভেস্টে আছে। আরো অনেক আছে সময় পেলে এড করে দিবো, বাদ বাকি নিজেরাই বুঝেনেন...

-Apple Inc
-Microsoft Corporation
-Amazon. com
-Tesla Motors
-NVIDIA Corporation (Graphics)
-Bank of America Corporation
-American Express Company
-Coca-Cola Company
-Pepsi (PEP)
-Meta Platforms (ফেসবুকের সবগুলো প্রোডাক্টস)
-Hp
-Mastercard and Visa
-Paramount Global (Movie)
-General Motors Company
-Johnson & Johnson
-Procter & Gamble (P&G)
-Google
-UnitedHealth
-Wal-Mart Stores (WMT)
-McDonald's Corporation (MCD)
-Adobe Systems Incorporated (photoshop সহ সব)
-Netflix (NFLX)
-Walt Disney Company (DIS)
-Nike
-Starbucks Corporation
-Paypal Holdings (PYPL)
-Uber Technologies (UBER)
-Ford Motor Company
-FedEx Corporation (FDX)
-Autodesk (ADSK)
-OpenAI যাদের, তারা এই ২ ইনভেস্টরের!
-DC, Marvel, Fox, Sony picture, Worner bro একজন আরেকজনের বস, এবং তাদের ইনভেস্টর উপরে উঠতে থাকবে। ঘুরে ফিরে এদেরকেই পাবেন। তাই যে কোন এজেন্ডা দেখবেন তারা মুভির মাধ্যমে প্রচার করে। চাই তাদের মুভি ফ্লপ করুন বা ওস্কার পাক। তাদের কাছে ম্যাটার করে না। তারা চায় ম্যাসেজ চলে যাক। মিউজিক ইন্ড্রাসট্রি এর বড় অংশটাও তাদের হাতে।

আরো অনেক গুলো কোম্পানি আছে, স্বাভাবিক ভাবে সেসব কোম্পানির ভেতরে আপনারা বড় ইনভেস্টরদের খুঁজে না পেলেও যদি ঠিক মতো লেজ টানতে পারেন। ইদুর খুজতে গিয়ে এই দুইটা সাপকে ঠিকই পাবেন।
©️
A message from # তারেক বিন শহিদ & ব্রাদার্স

এই মাসে হিজামা করানোর সুন্নত তারিখের শেষ দিন আজ।
04/01/2024

এই মাসে হিজামা করানোর সুন্নত তারিখের শেষ দিন আজ।

এই মাসে হিজামা করানোর সুন্নত তারিখের শেষ দিন শুরু হল।
05/12/2023

এই মাসে হিজামা করানোর সুন্নত তারিখের শেষ দিন শুরু হল।

30/11/2023
31/07/2023

পুরোদমে হিজামা কার্যক্রম চললেও ,অনলাইনে আপনাদের মাঝে শেয়ার করা হয় না।

03/06/2023

এলার্জি জনিত বিভিন্ন সমস্যা হিজামা নিলেন এই ভদ্রলোক । বেড থেকে নেমেই প্রশান্তির কথা জানালেন।

30/05/2023

জনাব মাসুম বিল্লাহ সাহেব ছয় মাস পূর্বে কোমর ব্যথায় নিয়ে এসেছিলেন , আলহামদুলিল্লাহ তিনি ওখন সুস্থ। তবে এরই মধ্যে চর্মরোগে আক্রান্ত হয়েছেন , ভরসার জায়গা থেকে নির্দ্বিধায় চলে এসেছেন হিজামা ট্রিটমেন্ট নিতে।

29/05/2023

এলার্জি জনিত নানা সমস্যায় গত 26-12-21 এ হিজামা নিয়েছিলেন আব্দুল্লাহপুর থেকে আগত শিমন ভাই, দীর্ঘদিন সুস্থ থাকার পর পূনরায় হিজামা চিকিৎসা নেয়া উচিত মনে করে ,আবার চলে আসলেন।

Address

Sipahipara
Munshiganj

Opening Hours

Tuesday 10:00 - 08:00
Wednesday 10:00 - 08:00
Thursday 10:00 - 08:00
Friday 04:00 - 08:00
Saturday 10:00 - 08:00
Sunday 10:00 - 08:00

Telephone

+8801846903331

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama Center , Munshiganj posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hijama Center , Munshiganj:

Share