Beauty of Mymensingh

Beauty of Mymensingh ময়মনসিংহের সৌন্দর্য উপভোগ করতে পেজটিতে লাইক দিয়ে আমাদের সাথেই থাকুন

09/04/2026
03/04/2026

ময়মনসিংহের গর্ব

ইরানের দুটো মিসাইল আজ সরাসরি ই*জ*রাইলের বারসেবা শহরে আঘাত হেনেছে। এটি ই*জ*রাইলের একটি শিল্পাঞ্চল। প্রথমে ই*জ*রাইলের সেনা...
29/03/2026

ইরানের দুটো মিসাইল আজ সরাসরি ই*জ*রাইলের বারসেবা শহরে আঘাত হেনেছে। এটি ই*জ*রাইলের একটি শিল্পাঞ্চল। প্রথমে ই*জ*রাইলের সেনাবাহিনী ঘটনাটা লুকাতে চেয়েছিল। কিন্তু আগুন আর ধোঁয়া এত পরিমাণ বেড়ে গেছে যে, চাইলেও আর লুকাতে পারেনি।পুরো শহরটি অচল হয়ে গেছে। সেখান থেকে লোকজনকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। কারণ মুহুর্মুহু কেমিক্যাল বিস্ফোরণ ঘটছে।

ইরান গতকালই জানিয়ে রেখেছিল

- তোমরা যেহেতু আমাদের শিল্পাঞ্চলে আঘাত করছো। আমরাও তোমাদের শিল্প ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেব।

পুরো পৃথিবীকে ইরান তাক লাগিয়ে দিয়েছে ওদের মিসাইল ক্ষমতা দিয়ে। বলে-কয়ে ই*জ*রাইলের একের পর এক শহরের স্থাপনাগুলো ওরা ধ্বংস করে দিচ্ছে। আইরন ডোম কাজই করছে না। ওদের একটা মিসাইল গন্তব্যে পৌঁছে ক্লাস্টার আকারে একাধিক মিসাইলে পরিণত হচ্ছে। কয়েক কিলোমিটার জুড়ে ক্ষয় ক্ষতি করছে। যেমনটা সামরিক বিশেষজ্ঞ ম্যাক গ্রেগর একটু আগে বলেছেন

- Americans don't have any answers against these. (অ্যামেরিকানদের এই মিসাইল ঠেকানোর কোন উত্তর জানা নেই)

শুধু ই*জ*রাইলে নয়। আবুধাবি এবং বাহরাইনে অবস্থিত পৃথিবীর সব চাইতে বড় অ্যালুমেনিয়াম প্ল্যান্ট ধ্বংস করে দিয়েছে ইরান। গতকাল অ্যামেরিকা এবং ই*জ*রাইল মিলে তেহরানের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে আঘাত করেছিল। আজ ইসফাহান শহরে থাকা আরেকটা বিশ্ববিদ্যালয়ে আঘাত করেছে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে

- কেন এরা ইরানের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে ধ্বংস করে দিতে চাইছে?

উত্তরটা খুব সহজ। অ্যামেরিকার ধারণাও ছিল না- ইরানিরা জ্ঞান-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে কতটা এগিয়ে গেছে। এখন যখন বুঝতে পেরেছে। তাই ওদের জ্ঞান অর্জনের জায়গাগুলো ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তবে ইরান বসে থাকেনি। কিছুক্ষণ আগে ইরান থেকে ঘোষণা এসেছে

- ই*জ*রাইলের যে কোন বিশ্ববিদ্যালয় এখন ইরানের বৈধ টার্গেট।

ধারণা করছি আজ কিংবা আগামীকাল তেল আবিবে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে জ্বলতে দেখা যাবে।

এছাড়া ইরান একটু আগে ঘোষণা করে বলেছে

- মধ্য প্রাচ্যে থাকা অ্যামেরিকান সকল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মানুষজনকে সরে যেতে হবে।

হয়ত সেখানেও ইরান আঘাত করবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি- সৌদি , কাতার এইসব দেশের বেশিরভাগ বিশ্ববিদ্যালয়ই অ্যামেরিকার কোন না কোন বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা। এদিকে আল জাজিরাকে দেয়া এক এক্সকুলসিভ ইন্টার্ভিউতে ইরানের মুখপাত্র আজ বলেছেন

- আমরা আমাদের শর্ত জানিয়ে দিয়েছি। আমাদের অনেক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি পূরণ দিতে হবে, হরমুজ প্রণালিও আমাদের দখলে থাকবে।নইলে এই যুদ্ধ বন্ধ হবে না।

অর্থাৎ যুদ্ধের টার্ম এখন ইরানের হাতে এটি পরিষ্কার। কিন্তু ট্রা*ম্প তো এটা মানবে বলে মনে হচ্ছে না। আজ এর মাঝেই প্রায় ৫০০০ সৈন্য মধ্য প্রাচ্যে পৌঁছে গেছে। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মারান্ডি গতকাল রাতে বলেছিলেন

- শনিবার রাতে অ্যামেরিকা ইরানের কয়েকটা দ্বীপ দখলে নিতে পারে।

সেটা হয়নি। যদিও অধ্যাপক মারান্ডি এরপর বলেছেন

- যদি ওরা দখলে নেয়; তাহলে অ্যামেরিকা কষ্ট করে নিজেরাই নিজেদের কবর রচনা করবে।

অর্থাৎ দখল হয়ত করতে পারবে কিন্তু টিকে থাকতে পারবে না। ইরানের মিসাইলগুলো তখন এক সঙ্গে থাকা অনেক অ্যামেরিকার সৈন্যকে খুব সহজে টার্গেট করতে পারবে। আমার ধারণা ম্যানিয়াক ট্রা*ম্প ছোট কয়েকটা দ্বীপ দখল করে দেখাতে চায়

- দেখো আমরা ইরান দখল করেছি। আমরা জিতে গেছি।

কিন্তু এভাবে কি অ্যামেরিকা আদৌ জিততে পারবে? ইরানের প্রেসিডেন্ট আজ আবার বলেছেন

- আমরা জানি অ্যামেরিকা স্থল অভিজান পরিচালনা করবে। আনন্দের সাথে ওদের অপেক্ষায় আছি।

চিন্তা করা যায়! এই যুদ্ধের মাঝেও তিনি বলেছেন- আমরা আনন্দের সাথে ওদের অপেক্ষায় মাছি। অবশ্য এর কারণও আছে। অ্যামেরিকা এবং তাঁদের মিত্র ইউরোপীয় দেশগুলো ১৯৯১ সালে যখন ইরাকে প্রবেশ করে। তখন ওদের মোট সৈন্য সংখ্যা ছিল সাড়ে সাত লাখ। এর মাঝে অ্যামেরিকান সাড়ে পাঁচ লাখ; বাদ বাকিগুলো ব্রিটিশ এবং অন্যান্য ইউরোপীয় দেশের সৈন্য।

মার্কিন অধ্যাপক মার্সেইমার আজ বলেছেন

- ইরাক হচ্ছে ইরানের চার গুণ ছোট একটা দেশ। জনসংখ্যা ইরানের চাইতে অনেক কম। ইরাক ভৌগলিক ভাবে অনেক সহজ দেশ। ইরান অনেক দুর্গম একটা দেশ। ইরাকে আক্রমণ করার আগে ছয় মাস অ্যামেরিকার সৈন্যদের মধ্য প্রাচ্যে বিল্ড-আপ করতে হয়েছে। তারপর প্রবেশ করেছে। এরপরও পারে নাই। ইরানে পারার তো প্রশ্নই আসে না।

আপনাদের জানিয়ে রাখি- ইরাক যুদ্ধে অ্যামেরিকার পরাজয় হয়েছে বলে খোদ ট্রা*ম্প নিজে স্বীকার করেছে। একাধিক বার বলেছে। আর ব্রিটিশরা তো সকাল-বিকাল বলে বেড়ায়

- ইরাকে আক্রমণ করা আমাদের ভুল সিদ্ধান্ত ছিল।

এ জন্যই এবারের যুদ্ধে ইউরোপের কোন দেশ জড়ায়নি। অ্যামেরিকার সাবেক কর্নেল ডেভিস, যিনি নিজেও ইরাক যুদ্ধে গিয়েছেন। তিনি কিছুক্ষণ আগে বলেছেন

- সাড়ে সাত লাখ সৈন্য নিয়ে ইরাকের সাথেই আমরা পেরে উঠি নাই। তখন আমাদের পরিকল্পনা ছিল, লক্ষ্য স্থির ছিল। আর ইরানে তো আমরা শুধু বিমান হামলা করে সরকার উৎখাত করার পরিকল্পনা করেছিলাম। স্থল অভিজানের কোন উদ্দেশ্যই ছিল না। এখন এই ৫/৭ হাজার সৈন্য নিয়ে অ্যামেরিকা কী করবে?

তিনি এরপর প্রশ্ন করেছেন

- আমাদের সৈন্যগুলোকে কেন মরতে পাঠানো হচ্ছে?

এর মাঝেই গতকাল অ্যামেরিকার অনেক শহরে ট্রা*ম্পের বিরুদ্ধে লাখ লাখ মানুষ সমাবেশ করেছে। কঠিন বিধিনিষেধ থাকার পরও কিছু সংখ্যক ই*জ*রাইলিরাও রাস্তায় নেমে মিছিল করা শুরু করেছে।

এদিকে হরমুজ প্রণালি এখনও বন্ধ। আগামীকাল সোমবার (বাংলাদেশে না হলেও পৃথিবীর বেশিরভাগ দেশে সপ্তাহের প্রথম দিন) তেল-গ্যাসের দাম নতুন করে অনেক বেড়ে যাবে বলে প্রায় সকল বোদ্ধারা বলছেন। আজ তো থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী তাঁদের এক চ্যানেলকে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন

- ইরানের যে কোন শর্ত আমরা মেনে নিতে প্রস্তুত। তবুও হরমুজ প্রণালি দিয়ে আমাদের জাহাজ চলাচল করাতে চাই।

এর আগে থাইল্যান্ডের একটা জাহাজ অ্যামেরিকার কথা শুনে পার হতে চেয়েছিল। ওই জাহাজ ইরানের মিসাইলের আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে। তাহলে থাই প্রধানমন্ত্রী এখন অ্যামেরিকাকে ছেড়ে দিয়ে ইরানের শর্ত মানতে চাইছে কেন?

- কারণ আর কিছুই না। থাইল্যান্ডে এর মাঝেই সরকারের বিরুদ্ধে নানান সব আন্দোলন দানা বাঁধতে শুরু করেছে। তেলের দাম এভাবে বাড়তে থাকলে ওদের অনেক সমস্যা হবে। অ্যামেরিকা ওদের সরকারকে বাঁচাতে পারবে না। থাইল্যান্ডও এটা বুঝে গেছে।

অ্যামেরিকা আর ই*জ*রাইল যুদ্ধ শুরু করে ঘোষণা দিয়েছিল

- আমরা ইরানের সরকার উৎখাত করতে চাই। এটাই আমাদের যুদ্ধের উদ্দেশ্য।

সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা এখন আর সরকার উৎখাতের কথা মুখেও আনছে না। কারণ ইরানের সরকার উৎখাত করা তো দূরের কথা। এখন ট্রা*ম্প আর নে*তা*নিয়াহু এই যুদ্ধের পর সরকারে টিকে থাকতে পারবে কিনা এটাই একটা বড় প্রশ্ন। ওরা নিজদের গদি বাঁচাতে ব্যস্ত এখন।

ইরান যুদ্ধের ঠিক ৩০ দিন হলো আজ। এই যুদ্ধ নিয়ে আমার নিয়মিত সিরিজ লেখারও ৩০ দিন; মানে এক মাস হলো। ইরান এখনও টিকে আছে। ওদের মিসাইলগুলো এখনও দিব্যি ই*জ*রাইল এবং মধ্য প্রাচ্যে আঘাত করে চলেছে। আপনি কি কোন দিন ভাবতে পেরেছিলেন

- ই*জ*রাইলের শহরগুলো এভাবে মিসাইলের আঘাতে দাউ দাউ করে জ্বলে উঠবে?

যারা ভেবেছিল ৩ দিনে যুদ্ধ শেষ হয়ে যাবে। ৩০ দিন পর এসে সেই অ্যামেরিকা এখন অফ র‍্যাম্প (বের হবার) পথ খুঁজছে।

কিন্তু সাম্রাজ্যবাদী অ্যামেরিকা নিজেদের পথ অনেক আগেই হারিয়ে ফেলেছে। এখন যদি পথ খুঁজে পেতে চায়; ওই পথ অ্যামেরিকা নয়; ইরানই তৈরি করবে।

হাসনাত আবদুল্লাহকে সময় দেওয়া হলো ২ মিনিট। সে মোবাইলে টাইমার চালু করে বক্তব্য শুরু করেছে। এর আগে গণভোট নিয়ে আলোচনা পিছিয়ে...
29/03/2026

হাসনাত আবদুল্লাহকে সময় দেওয়া হলো ২ মিনিট। সে মোবাইলে টাইমার চালু করে বক্তব্য শুরু করেছে।

এর আগে গণভোট নিয়ে আলোচনা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে সরকারদলের অসহযোগিতায়। সেই বিষয়টাও কথা বলা দরকার। কিন্তু উপায় তো নেই।

ফলে শুরু করলেন এভাবে, "মাননীয় স্পিকার আজ আপনার যেই ধরনের অনুভূতি হচ্ছে, আমারও একই ধরনের অনুভূতি। কারণ নিয়মের বেড়াজালে আপনাকে কখনো কখনো আটকে দেওয়া হয়, আবার আমাকেও আটকে দেওয়া হয়। যারা রুল করে, তাদের অনুসারেই নিয়ম চলে, অলওয়েজ। নিয়ম যখন ফেভারে থাকে তখন সেটা নিয়ম, আর যখন বিরুদ্ধে যায় তখন সেটা কাস্টম। কোনটা সাংবিধানিক, আর কোনটা অসাংবিধানিক, এই বেড়াজালে সংসদ ঘুরপাক খাচ্ছে।"

দারুণ বলেছে। এত অল্প সময়ে একটা দলের হিপোক্রেসি এভাবে পয়েন্ট আউট করে বলা কঠিন। বাট হাসনাত বলেছে।

এরপর দেবীদ্বার থেকে চান্দিনা সড়ক প্রসস্থকরণের দাবী তুলেন। যার ফলে ৪০ কিমি রাস্তা কম লাগবে, সাথে ব্যবসায়িক উন্নতি হবে।

শেষে আবার সাংবিধানিক মারপ্যাচকে ক্রিটিসাইজ করা শুরু করলে মাইক অফ করে দেওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে যা বলার তা বলা হয়ে গেছে।

22/03/2026
আগামী ১৬ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নিজেই তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের  মতো কোদাল দিয়ে ...
11/03/2026

আগামী ১৬ তারিখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান নিজেই তাঁর বাবা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মতো কোদাল দিয়ে মাটি খুঁড়ে খাল কাটতে শুরু করবেন। সারা বাংলাদেশে অসংখ্য খাল খনন শুরু হবে। এই খাল কেটে বর্ষার সময় যে পানিটা হয় সেই পানি আমরা জমা রাখবো। যা খরার সময় আমরা ব্যবহার করবো।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
মাননীয় মন্ত্রী
স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়
১০ মার্চ ২০২৬

মেয়েটি রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে রিক্সার জন্য! পেছনেই একটি প্রাইভেটকার দাঁড়িয়ে আছে। সে মেয়েটিকে লক্ষ্য করছে। দোকানপাট সব বন্ধ!...
10/03/2026

মেয়েটি রাস্তায় দাঁড়িয়ে আছে রিক্সার জন্য! পেছনেই একটি প্রাইভেটকার দাঁড়িয়ে আছে। সে মেয়েটিকে লক্ষ্য করছে। দোকানপাট সব বন্ধ!

এরপর গাড়ির চালক সামনে গিয়ে গাড়িটি ঘুরিয়ে আনে। তখন মেয়েটি পাশের রাস্তায় যায়। মেয়েটির পিছনে গিয়ে গাড়ির দরজা খোলে কৌশলে কিছু জিজ্ঞেস করছে যাতে মেয়েটি কাছাকাছি আসে৷

যখন কাছাকাছি আসলো তখনই হুট করে নেমে জোর করে মেয়েটিকে গাড়িতে তুলতে চাইলো৷ মেয়েটির সাথে জোরাজুরি ও ধস্তাধস্তি চলছে। একটু সুযোগ পেয়ে মেয়েটি দৌড়ে চলে আসে৷ চালক আবার গাড়িতে উঠে চলে যায়।

মূলত মেয়েটিকে একা পেয়ে ধর্ষ*নের উদ্দেশ্যে গাড়িতে তুলতে চেয়েছিলো। চালকে প্রথমবার যখন দেখা যায় তার হাটার ভঙ্গিতেই বুঝা যাচ্ছিলো সে মাতাল ছিলো।

মেয়েদের বলবো দেশের আইনশৃঙ্খলা যতদিন আপনাদের অনুকূল মনে না হবে ততদিন ভোরে একা বের হবেন না। অবশ্যই কোন পুরুষ নিয়ে বের হবেন। 🤔

#বাংলাদেশ #নিউজ #আইনওবিচার

মিষ্টি কুমড়ার মধ্যে কি নাম লেখা আছেকে বলতে পারবেন?
10/03/2026

মিষ্টি কুমড়ার মধ্যে কি নাম লেখা আছে
কে বলতে পারবেন?

Address

Mymensingh
2200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Beauty of Mymensingh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share