Dramafull Life

Directions

Dramafull Life This page works on our mental emotions. It's care your mind.

আগে আমি ভাবতাম মাদ্রাসার মেয়েরা হি*ন্দু মালুদের ফাঁদে কেন পড়ে। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন।ইসক%নের ভাগওয়া ফাঁদে পড়া অধিকা...
17/08/2026

আগে আমি ভাবতাম মাদ্রাসার মেয়েরা হি*ন্দু মালুদের ফাঁদে কেন পড়ে। কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন।

ইসক%নের ভাগওয়া ফাঁদে পড়া অধিকাংশ মেয়েই প্রথমে জানে না যে, যার সাথে সে কথা বলছে সে হি*ন্দু। ছেলেটি শুরুতে মুসলমানদের মতোই আচরণ করে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে, হিন্দু না হয়ে মুসলিম হলেও বিয়ের আগে পরপুরুষের সাথে কথা বলা ইসলামি দৃষ্টিতে অপরাধ। তবে সেটা সম্পূর্ণ আলাদা আলোচনা।

আজকের কুফরি সমাজে আমরা বাস করি। আমাদের দেশে বিয়ে ছাড়া নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা রাষ্ট্রীয় আইনে অপরাধ নয়। মালুরা ঠিক এই সুযোগটাই কাজে লাগায়। বর্তমানে মুসলিম ও হি&ন্দু যুবকদের মধ্যে বাহ্যিক তফাৎ প্রায় নেই। অনেক মুসলিম যুবকের মুখেও দাড়ি নেই। ফলে কে হি%ন্দু আর কে মুসলিম, তা চেনা অনেক সময় প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়ে।

বিয়ের আগে প্রেম নামক জিনা যে অপরাধ, সে কথা আমি আবারও জোর দিয়ে বলছি। কিন্তু মেয়েরা প্রথমে বুঝতেই পারে না ছেলেটি কোন ধর্মের। সে প্রথমে মুসলমানসুলভ আচরণ করে। তারপর ধীরে ধীরে উপহার দেয়, ঘুরতে নিয়ে যায়। এসব করতে করতে সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে ইসকন মালু মেয়েকে বিছানায় নিয়ে যায় এবং সেই অন্তরঙ্গ মুহূর্তগুলো ভিডিও করে রাখে।

এরপরই আসল খেলা শুরু হয়। ঐ মেয়েকে ইস&কন গ্রুপ বেঁধে ভোগ করা হয়। রাজি না হলে ভিডিও ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। চাপের মুখে অনেককে ধর্ম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়। কেউ কেউ ভারতে পাচার পর্যন্ত হয়ে যায়।

এভাবেই মুসলিম মেয়েদের ইজ্জত হরণ করা হয়। আর এই ফাঁদে সবচেয়ে বেশি পড়ে মাদ্রাসার মেয়েরা।
✍️ Ali Arshad Rajon

সেয়ার বা কপি পোস্ট দিন সচেতনতায়
পরবর্তী আবডেট পেতে আইডিটিতে ফলো দিয়ে রাখুন আমিন

গাড়িতে করে আদালতে হাজিরা দিতে যাচ্ছিল সুখরঞ্জন বালি। মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার জন্যেই যাচ্ছিল সে...
14/08/2026

গাড়িতে করে আদালতে হাজিরা দিতে যাচ্ছিল সুখরঞ্জন বালি। মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন সাঈদীর পক্ষে সাক্ষ্য দেয়ার জন্যেই যাচ্ছিল সে। গাড়িতে তার সাথে দুজন আইনজীবীও ছিল তখন।

কিন্তু আদালতের গেইটে ঢুকার আগমুহূর্তে সাদা পোশাক পড়া কয়েকজন লোক এসে তাদের গাড়ি আটকে ফেলে। তারপর টেনেহিঁচড়ে গাড়ি থেকে নামায় সুখরঞ্জন বালিকে।

সাথে থাকা আইনজীবীরা বাঁধা দিচ্ছিল কিন্তু তারা এতগুলো লোকের সাথে পেরে উঠছিল না। তারপর তড়িঘড়ি করে অন্য একটা গাড়িতে তুলে ফেলা হয় তাকে।

গাড়িতে উঠিয়েই কালো জম টুপি দিয়ে চোখমুখ বেঁধে ফেলা হয়। তারপর এক টানে গাড়ি চলতে থাকে অনেকক্ষণ ধরে।

সুখরঞ্জন বুঝতে পারছিল না এরা কারা, কেনই বা তাকে এভাবে তুলে নিয়ে যাচ্ছে। তাই গাড়িতে থাকা অবস্থাতেই অনেকবার আর্তনাদ করে জিজ্ঞেস করতে থাকে- আপনেরা কারা? আমারে তুইলা নিয়া যাইতাছেন ক্যান?

গাড়িতে থাকা সাদা পোশাকধারী কেউই কোন উত্তর দিচ্ছিল না বরং সুখরঞ্জন যতবার কোনকিছু জিজ্ঞেস করেছিল ততবারই তাকে চড় থাপ্পড় দিচ্ছিল, কিল ঘুষি দিয়ে চুপ করিয়ে রাখছিল।

অনেকক্ষণ যাবত গাড়ি চালানোর পর সুখরঞ্জনকে গাড়ি থেকে টেনেহিঁচড়ে নামিয়ে হাঁটানো হয়। সিঁড়ি দিয়ে নামিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় গোয়েন্দা বাহিনীর আন্ডারগ্রাউন্ড ফ্লোরের আয়নাঘরে।

আয়নাঘরে নিয়ে প্রথম দুইদিন তাকে একটা রুমে বন্দী করে রাখা হয়। ওই রুমে তেমন কোন আলো বাতাস আসতো না, মৃদু আলো আসতো শুধু। বড় বড় এডজাস্ট ফ্যান লাগানো ছিল দেয়ালের উপরের দিকে।

দরজার নিচ দিয়ে পঁচা বাসি খাবার দেয়া হতো তাকে। যতবারই খাবার দিতে আসতো ততবারই সুখরঞ্জন চিৎকার করে করে জিজ্ঞেস করতো- আমারে ক্যান তুইলা আনছেন? আপনেরা কারা? কবে ছাড়বেন আমারে?

কিন্তু কোন উত্তর আসতো না।
এভাবে টানা দুইদিন এই রুমটাতে বন্দী করে রাখা হয় তাকে।

দুইদিন পর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় অন্য একটা রুমে। সেখানে নেয়ার পর সে দেখতে পায় রুমে বেশ কয়েকজন অফিসার বসা আছে। রুমের চারদিকে অনেকগুলো ক্যামেরা লাগানো।

তারপর সুখরঞ্জনকে বসিয়ে গোয়েন্দা বাহিনীর অফিসাররা জিজ্ঞেস করে- মুক্তিযুদ্ধের সময় তোর ভাইয়ের হ*ত্যায় সাঈদী হুজুর জড়িত ছিল না?

সুখরঞ্জন না করে।

সে বলে- আমার ভাইরে যখন মারা হইছিল তখন আমি বাড়িতেই লুকাইয়া ছিলাম। ওদেরকে আমি দেখছি। যারা আমার ভাইরে মারেছে ওদেরকে দেখলে আমি চিনব। ওদের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যও দিতে পারব।

সুখরঞ্জনের এ কথায় গোয়েন্দা অফিসাররা প্রচন্ড রেগে যায়। তার গালে জোরে জোরে থাপ্পড় দিয়ে বলে- তোকে সাঈদীর বিরুদ্ধেই সাক্ষ্য দিতে হবে।

সুখরঞ্জন তখন পুনরায় বলে- আমার ভাইরে মারার সময় সাঈদী হুজুররে তো ওইখানে দেখি নাই। উনি আমাদের এলাকায় আসছেন ভাইয়ে মরার আরও অনেক বছর পরে। উনি এমপিও হইছেন এলাকায়, তখন উনারে চিনছি। উনি তো মারে নাই আমার ভাইরে।

গোয়েন্দা বাহিনী অফিসার এবারেও রেগে যায়। রেগে গিয়ে হাতের ইশারায় একজনকে ইলেকট্রিক শকের যন্ত্রপাতি আনতে পাঠায়।

ততক্ষণে আরেকজন সুখরঞ্জনকে মোটা লাঠি দিয়ে পিটাতে থাকে, পায়ের তালুতে বেত দিয়ে মারতে থাকে।

ইলেকট্রিক শকের যন্ত্রপাতি আনার পর তার শরীরে যন্ত্রটা ফিট করে অনেকক্ষণ যাবত গোপনাঙ্গসহ সেন্সিটিভ সব জায়গায় শক দিতে থাকে আর জিজ্ঞেস করতে থাকে- সাঈদী হুজুরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিবি কি-না বল?

সুখরঞ্জন প্রতিবারই না করে। এজন্যে তার শকের পরিমাণ বাড়িয়ে দিতে থাকে গোয়েন্দা অফিসাররা।

এভাবে টানা কয়েকদিন অমানুষিক নির্যাতন করার পরও গোয়েন্দা বাহিনীর অফিসাররা যখন বুঝতে পারে মারধর করে সুখরঞ্জনের কাছ থেকে সাঈদী হুজুরের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য নেওয়া যাবে না তখন তারা অন্য প্ল্যান করে।

এর পরদিন অন্য একটা রুমে নিয়ে টেবিলভর্তি টাকা দেখানো হয় সুখরনঞ্জনকে।

তারপর বলা হয়- তোর পরিবারটা গরিব, তুই যদি হুজুরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিস তাহলে এখান থেকে ছাড়াও পাবি, টাকাগুলোও পাবি। তোর পরিবার আরামে থাকতে পারবে। সাক্ষ্য দিবি কি-না বল?

সুখরঞ্জন তখন জিজ্ঞেস করে- আমি তো মূর্খসুক্ষ মানুষ এতকিছু বুঝি না। হুজুরের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিলে আপনেরা কি উনারে রাজাকার সাজাইয়া ফাঁ*সি দিয়া দিবেন?

অফিসাররা তখন হাসতে হাসতে বলে- তোর এতকিছু জানতে হবে না।

সুখরঞ্জন কাঠমিস্ত্রী, গরিব মানুষ। আইনের এত মাইরপ্যাচ সে বুঝে না। কিন্তু হুজুরের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে ওরা যে হুজুরের সাথে বাজে কিছু করবে সেটা বুঝতে পারে।

তাই মনে মনে সিদ্ধান্ত নেয় ওরা যতযাই করুক না কেন সে মিথ্যা সাক্ষ্য দিবে না।

এভাবে অনেকক্ষণ যাবত গোয়েন্দা অফিসাররা সুখরঞ্জনকে বুঝাতে থাকে কিন্তু সে রাজি হয় না। রাজি না হওয়ায় তাকে আবারও বেধড়ক মারধর করতে থাকে এবং ইলেকট্রিক শক দিতে থাকে।

একপর্যায়ে গোয়েন্দা অফিসাররা যখন বুঝতে পারে ওকে মারধর কিংবা টাকার লোভ দেখিয়েও কাজ হবে না তখন সুখরঞ্জনকে বর্ডারের ওপারে পাচার করে দেয়ার প্ল্যান করে যাতে সাঈদী হুজুরের পক্ষেও সাক্ষ্য দিতে না পারে সে।

তার পরদিন সকালের দিকে চোখ বেঁধে সুখরঞ্জনকে আয়নাঘর থেকে বের করা হয়।

সে জিজ্ঞেস করে- আমারে কই নিয়া যাইবেন?
গোয়েন্দা অফিসাররা বলে- তোকে তোর দেশে দিয়ে আসব, তুই বাড়ি চিনে যেতে পারবি?

বাড়ির কথা শুনে সুখরঞ্জন খুশি হয়। সে বলে বাগেরহাটের কাছাকাছি নামাই দিয়া আসলে আমি চিনে যাইতে পারমু।

তারপর গাড়িতে তুলে অনেকক্ষণ যাবত তাকে নিয়ে যাওয়া হয় অচেনা পথে। একপর্যায়ে গাড়ি থামিয়ে চোখ খুলে দেয়া হয় তার। তারপর সামনে এগোতে বলে।

সুখরঞ্জন বুঝার চেষ্টা করে এটা তার বাড়ি বাগেরহাট এলাকা কি-না। কিন্তু সে দেখে এটা বাগেরহাট না, অন্য একটা বর্ডার এলাকা। সামনেই ভারতীয় বিএসএফ বাহিনী।

বাংলাদেশী গোয়েন্দা বাহিনীরা জোর করে সুখরঞ্জনকে তুলে দেয় ভারতীয় বাহিনীর হাতে। সুখরঞ্জন বারবার কেঁদে কেঁদে বলতে থাকে- আমাকে এদের হাতে দিয়েন না, দরকার হইলে মাইরা ফেলেন।

কথাগুলো বলতে বলতেই মাটিতে পড়ে গড়াগড়ি করতে থাকে সে।

তবুও জোর করেই দুইজন বাংলাদেশী বিজিবি বাহিনী এবং ৬-৭ জন গোয়েন্দা বাহিনীরা মিলে ভারতীয় বিএসএফের হাতে তুলে দেয় সুখরঞ্জনকে।

ভারতীয় বিএসএফের হাতে তুলে দেয়ার পর ওরা মোটা দড়ি দিয়ে সুখরঞ্জনের হাত পিছন দিক দিয়ে বেঁধে ফেলে। তারপর মোটা একটা লাঠি দিয়ে হাতের কনুই এবং সারা শরীরে মারতে থাকে।

সুখরঞ্জন ভারতীয় বাহিনীকে বাংলায় বারবার বুঝাতে থাকে- তাকে জোর করে এখানে আনা হয়েছে, সে নিরপরাধ। কিন্তু ভারতীয় বাহিনীরা তার কথা শুনে না। হিন্দিতে কথা বলে উল্লাস করতে করতে তাকে মারতে থাকে।

তারপর সেখান থেকে তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বশিরহাট জেলে। এই জেলেও অমানুষিক নির্যাতন করা হয় তার উপর।

সুখরঞ্জন ভেবেছিল আর কোনদিন বাংলাদেশে ফিরতে পারবে না সে। তাকে হয়তো জেলেই মেরে ফেলবে।

তারপর বশিরহাট জেল থেকে তাকে আনা হয় দমদম জেলে। এই জেলে আসার পর এক বন্দীর সাথে পরিচয় হয় তার। তার বাড়িও ছিল বাংলাদেশে। সুখরঞ্জন ওই বন্দীকে নিজের সব পরিচয় এবং ঠিকানা জানিয়ে রাখে।

বছরখানেক পর ওই বন্দী জেল থেকে মুক্তি পাওয়ার পর বাংলাদেশে ফিরে আসতে পারে এবং পরে সুখরঞ্জনের পরিবারের ঠিকানা খুঁজে বের করে। তারপর তাদেরকে জানায় যে সুখরঞ্জন বেঁচে আছে এবং ভারতের দমদম জেলে আছে।

এতদিন সুখরঞ্জনের ছেলেমেয়েরা ধরেই নিয়েছিল তাদের বাবা বেঁচে নেই। এবার বাবার বেঁচে থাকার খবের তারা প্রচন্ড খুশি হয় এবং মানবাধিকার সংস্থার সাথে যোগাযোগ করে।

পরে মানবাধিকার সংস্থার সহযোগিতায়, সুপ্রিম কোর্টের আদেশে ২০১৮ সালে দেশে ফিরানো হয় তাকে। পরবর্তীতে সুরঞ্জন নিজ মুখেই পুরো ঘটনার জবানবন্দি দিয়েছিল।

সুরঞ্জন দেশে ফিরতে পেরেছিল দীর্ঘ ৫ বছর পর কিন্তু ততদিনে হাসিনা এবং তার পালিত গোয়েন্দা অফিসাররা তাদের উদ্দেশ্যটা পূরণ করে ফেলেছিল। তারা ঘুটু করে সাঈদি হুজুরকে জেলবন্দী করে রেখেছিল।

বহু মুক্তিযোদ্ধা থেকে শুরু করে বেগম খালেদা জিয়া পর্যন্ত বলে গিয়েছিল সাঈদি হুজুর নির্দোষ ছিলেন।

কিন্তু তবুও রাজাকার প্রমাণ করে ফাঁ*সি দিতে না পেরে জেলে অমানুষিক নির্যাতন এবং খাবারের সাথে স্লো পয়জন মিশিয়ে তিলে তিলে কষ্ট দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল এই মানুষটাকে।

২০২৩ সালের আজকের এই দিনেই মৃত্যুবরণ করেছিল সাঈদী হুজুর। আজকে তার তৃতীয় মৃত্যুবার্ষিকী।

তাকে হয়তো এদেশের মানুষ সম্মান দেখাতে পারেনি কিন্তু সুখরঞ্জন বালি নামের গরিব লোকটা দেখাতে পেরেছিল।

গরিব সুখরঞ্জন কাঠমিস্ত্রীর কাজ করতো। বউ এবং এক ছেলে, এক মেয়ে নিয়ে তার অভাবের সংসার ছিল। কিন্তু তবুও টাকার লোভে মিথ্যা বলেনি সে।

ছাড়া পাওয়ার পর সবশেষে সুখরঞ্জন বলেছিল- আমি ধরেই নিছিলাম ওরা আমারে মাইরা ফেলবো কিন্তু তবুও হুজুরের বিরুদ্ধে মিথ্যা সাক্ষ্য দেই নাই।
কারণ আমি মিথ্যা সাক্ষ্য দিলে হুজুরকে ফাঁ*সি দিয়া দিতো।

সুখরঞ্জন হয়তো তেমন শিক্ষিত না, কিন্তু তার মতো সৎ, সাহসী লোকেরা আছে বলেই দেশটা এখনো টিকে আছে।

হাসিনার আমলে বাহিনীদের কথা না শোনায় সুখরঞ্জনের মতো এমন বহু মানুষকে গুম করা হয়েছে, সাঈদি হুজুরের মতো বহু নিরপরাধ আলেমকে মিথ্যা মামলায় ফাঁ*সি দেয়া হয়েছে।

সুখরঞ্জনের ভাগ্য ভালো বিধায় সে হয়তো বেঁচে ফিরেছে কিন্তু সুখরঞ্জনের মতো আরও বহু মানুষ ফিরতে পারেনি আজও। বহু মানুষের পেট কেটে লা*শ ভাসিয়ে দেয়া হয়েছে নদীতে।

অথচ তাদের ছেলেমেয়েরা এখনও অপেক্ষায় প্রহর গুণছে আর ভাবছে- হয়তো তাদের বাবাও একদিন ফিরে আসবে

✍️... Ibrahim Khalil Shawon

copu post

বাংলাদেশে হিন্দুদের বাড়ী ও মন্দিরগুলোতে চিরুনি অভিযান চালালে অনেক মুসলিম মেয়ে উদ্ধার করা যাবে। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও ...
14/07/2026

বাংলাদেশে হিন্দুদের বাড়ী ও মন্দিরগুলোতে চিরুনি অভিযান চালালে অনেক মুসলিম মেয়ে উদ্ধার করা যাবে। প্রতিদিনই কোথাও না কোথাও মুসলিম মেয়ে নিখোঁজ হচ্ছে।

গতকাল বাহ্মনবাড়িয়ার নবীনগর কালীবাড়ি সংলগ্ন উদয় শঙ্করের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একাধিক অজ্ঞান মুসলিম নারী ও মাদকসহ হিন্দু ভাগওয়া জ*ঙ্গি-সদস্যদেরকে আটক করেছে পুলিশ।

এদের নিয়ে কিংবা হিন্দু জ*ঙ্গিদের নিয়ে কোনো রাজনৈতিক নেতা বা এক্টিভিষ্টকে দেখলাম না আলাপ তুলতে, অথচ প্রতিদিনই তারা উগ্র হিন্দু জঙ্গি*বাদী কাজ করেই যাচ্ছে। আর সবাই পড়ে আছে ফাতাহ কমব্যাটের সাবির কে নিয়ে!

এক মালুর দুই মুসলিম দাsi, যদি কোনো মুসলিম ছেলে সমতা বজায় রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করতে চায়, তখন তারা সেটা মেনে নিতে পারে না...
13/07/2026

এক মালুর দুই মুসলিম দাsi, যদি কোনো মুসলিম ছেলে সমতা বজায় রেখে দ্বিতীয় বিয়ে করতে চায়, তখন তারা সেটা মেনে নিতে পারে না। কিন্ত এক হিন্দুর দ্বিতীয় প্রেমিকা, খেলার সাথী হতে সমস্যা নেই।
বেশি বেশি শেয়ার করে এদের ভাইরাল করুন।

ছেলের পরিচয়,
চাঁদপুর জেলা, ফরিদগঞ্জ থানা, গুপটি ইউনিয়ন বাজারের পাশেই বাসা।
চাঁদপুরের ভাইয়েরা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

আইডির লিংক নিচে....

ছেলের আইডি লিংক 👇👇
https://www.facebook.com/rony.dey.75839923

মেয়ে ২ টার আইডি।
1. https://www.facebook.com/share/18uu781NvN/
2. https://www.facebook.com/share/1JSsbL8ozU/

13/07/2026

অসাধারণ একটা প্রতিবেদন, সময় করে দেখে নিয়েন , ঐদিনও বলছি ভাই বিশ্বের পরাশক্তির রাষ্ট্রগুলো বিনোদনটাকে ব্যবহার করে জিওপলিটিক্যাল আর ধর্মীয় বড় বড় কাজ করে ফেলছে।

সেখানে আমাদের মতো থার্ড ওয়ার্ল্ড দেশগুলো বিনোদন বিনোদন বলে উম্মাদনা করা জাস্ট বোকামি।

আপনি আমি ফুটবল দেখি, ধর্ম, জাতিগোষ্ঠীর সাথে মিলাচ্ছি না ,জাস্ট বিনোদন ভাবছি।

কিন্তু বড় বড় ক্ষমতাধর রাষ্ট্রগুলো সেটা ভাবছে না!

তারা বিগেস্ট সো অন দ্যা আর্থকে ,জিওপলিটিক্যাল, আর ধর্মীয় হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

ঐদিন গেলারিতে সরাসরি ই**রালের পতাকা উড়াইছে কেউ কিচ্ছু বলে নাই।

কিন্তু যখন মাঠের বাহিরে একজন ফিলিস্তিনের পতাকা উড়াইছে পুলিশ মারতে মারতে জেলে নিছে।

আপনি আমি যাদের জন্য জানপ্রাণ দিচ্ছি। তারাই গনহত্যাকে সমর্থন দিচ্ছে।

তারাই খেলাটাকে ধর্মীয় আর রাজনৈতিক রুপ দিছে!

খেলা দেখতে নিষেধ করছি না ,আমিও দেখি,দেখবো। আপনিও দেখেন।

কিন্তু মাত্রাতিরিক্ত উন্মাদনা বাদ দেন, শত্রু কমান, কর্মঘণ্টা বাড়ান। জানপ্রাণ দেয়া বাদ দেন।

বন্ধুত্ব নষ্ট করা বাদ দেন!!!

প্রতিবেদনটি তৈরি করেছে, Ntv Online নতুন করে বলার কিছু নাই।



ছবির প্রথম ব‍্যক্তির নাম জগদীশ বয়স ৩৮ পিতার নাম সামজানি বাড়ি বিহার,হিন্দি ইংরেজি ও বাংলায কথা বলে,জাজিরা পয়েন্টে ধরা পর...
12/07/2026

ছবির প্রথম ব‍্যক্তির নাম জগদীশ বয়স ৩৮ পিতার নাম সামজানি বাড়ি বিহার,হিন্দি ইংরেজি ও বাংলায কথা বলে,জাজিরা পয়েন্টে ধরা পরার পরে স্বীকার করেছে সে ৫ মাস যাবৎ এই দেশে পাগলের বেশে আছে
বাকি ছবির কয়েকজন পাগল ইতিপূর্বে পদ্মা ব্রিজের আশেপাশে থেকে গ্রেফতার হয়েছে!
একজন হয়েছে রূপপুর পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছে!

বাকি সব দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে,নারী পুরুষ প্রায় সবাই হিন্দিতে কথা বলে,নয়তো একদম চুপ থাকে!

এদের কারো সাথে ধারালো অস্ত্র কারো সাথে মোবাইল,আর প্রায় সবারই হাতের নখ পরিষ্কার।

নিঃসন্দেহে এরা পাগল বেশে র”এর গুপ্ত,বিভিন্ন লেবাসে দেশ বিরোধী বড় ভয়ঙ্কর কোন ছক কষছে হয়তো পাশের দেশ ?!

বাংলাদেশ দিল্লির কথা মতো চলছে না সুতরাং তারা ডু মেরে বসে থাকবে না,কোন না কোন রূপে আমার দেশের ক্ষতির জাল বুনবেই !

পদ্মা ব্রিজ নির্মাণ কালিন সময়ে প্রায় ২৩ জন ভা’রতীয় পাগল বেশে ধরা পড়েছিল দুই পাশে,
ব্রিজের নিরাপত্তা রক্ষীরা থানায় হস্তান্তর করার পরে কি হয়েছে আজও কেউ জানে না।

এখন আর র”এর পাঁও চাটা সরকার ক্ষমতায় নেই যে ধরার পরে পরিচয় পেয়ে জামাই আদরে ছেড়ে দেবে বা পৌঁছে দেবে ওপারে।

প্রশাসনের টনক নড়তে হবে,বড় কোন অঘটনের আগেই।সিটি কর্পোরেশনের যেমন কুত্তা নিধন অভিযান চলে,ঠিক তেমনি দেশ ব‍্যপি পাগল নিধন অভিযান দ্রুত শুরু করতে হবে ।

সাবেক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার সাখাওয়াৎ সাহেবের মতে ,,,,
সচিবালয়ে দিল্লির পাঁও চাটা পাগলের ভয়ংকর প্রভাব ! সাথে তৃণমূলে স্কুল কলেজের সনাতনী শিক্ষক ও ইস’কন সহ বিভিন্ন রূপে লেবাসে বিশাল নেটওয়ার্ক র”এর !

এক্ষুনি টুটি চেপে ধরতে হবে,রাহু মুক্ত করতে হবে প্রাণের বাংলাদেশকে,যে কোনো লেবাসেই হোক মো’দির প্রেমে পাগল এমন মাদার বোটদের এদেশে ঠাঁই নেই।

সচেতনতার জন্য দেশের স্বার্থে পোষ্টটি যার যার ওয়াল থেকে পোষ্ট করুন।

copy post

আমি আজ পর্যন্ত বুঝ হওয়ার পর খেলা দেখিনি। কিন্তু কালকের খেলাটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যপক বিতর্ক হয়েছে। এমনকি মুসলিমরা নিজেরাই...
08/07/2026

আমি আজ পর্যন্ত বুঝ হওয়ার পর খেলা দেখিনি।

কিন্তু কালকের খেলাটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যপক বিতর্ক হয়েছে।

এমনকি মুসলিমরা নিজেরাই কেউ কেউ কনফিউজড হয়েগেছে কে কার পক্ষে থকবে।

তো কালকে খেলা হিসেবে মুসলিমরা অবশ্যই মিশরের পক্ষে থাকার কথা ছিলো এবং এটাই দাবি ছিলো।

কারণ ইসরাইলের সমর্থকরা সরাসরি আর্জেন্টিনাকে সাপোর্ট করার ঘোষনা দিয়েছিলো।

কিন্তু আফসোস হলো এসব গান্ডুরা কখন কার পক্ষে নিবে সেটাই তারা জানেনা।

খেলায় যদি মুসলিম আর ইহুদি পার্থক্য করতে না পারে তাহলে তারা নিজেদের ঈমান থেকে কুফুরি কিভাবে পার্থক্য করবে।

ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা সরাসরি ইসরায়েলকে অস্ত্র দিয়ে সাপোর্ট করে এটা জাতিয় গণমাধ্যমেও প্রকাশ পেয়েছে।

তাহলে বুঝা যাচ্ছে এসব মোনাফেক মুসলিমের ফিলিস্তিন নিয়ে কান্না ভুয়া এবং ভন্ডামি।

ভবিষ্যতে ভারত যদি আক্রমণ করে আর আর্জেন্টিনা যদি ভরতকে সাপোর্ট করে তখন এরা কোনদিকে যাবে সেটাই দেখবো।

বি:দ্র: আমি কখনো ইহুদিজমে ভরা খেলা বিশ্বাস করিনা। এটাকে আমি উন্মাদনা ছাড়া কিছু বুঝিনা।
আমার আবেগ, আমার উন্মাদনা, আমার ভালোবাসা সবই একজনকে নিয়েই,

সামনে পড়লে রেসপন্স কইরেন…আমাদের ভাইকে হারিয়ে যেতে দিয়েন না 🇧🇩🇧🇩🇧🇩
02/01/2026

সামনে পড়লে রেসপন্স কইরেন…
আমাদের ভাইকে হারিয়ে যেতে দিয়েন না 🇧🇩🇧🇩🇧🇩

02/01/2026

With ইনকিলাব মঞ্চ – I just got recognized as one of their top fans!

সবাই এই হ্যাশট্যাগ বেশি বেশি ব্যবহার করুন প্লিজ 🙏
01/01/2026

সবাই এই হ্যাশট্যাগ বেশি বেশি ব্যবহার করুন প্লিজ 🙏



Address

Sherpur
Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dramafull Life posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share