Hunted Ismail

Hunted Ismail �Me�� MD Ismail Hossain��
Home District �Nandail Mymensingh��
�������?

08/10/2024
একই স্থানে ছয় ঋতু 👉👇
16/03/2024

একই স্থানে ছয় ঋতু 👉👇

আল-বিরুনি: ভুলে যাওয়া প্রতিভা যিনি পৃথিবীকে পরিমাপ করেছিলেনআল-বিরুনি (প্রায় 1,000 বছর আগে) আজকের স্বীকৃত মানের তুলনায়...
16/03/2024

আল-বিরুনি: ভুলে যাওয়া প্রতিভা যিনি পৃথিবীকে পরিমাপ করেছিলেন
আল-বিরুনি (প্রায় 1,000 বছর আগে) আজকের স্বীকৃত মানের তুলনায় 99.7% নির্ভুলতার সাথে পৃথিবীর🌍 পরিধি পরিমাপ📏📐 করেছিলেন।
আল-বিরুনি ছিলেন একজন পারস্য পলিম্যাথ যিনি ৯৭৩ থেকে ১০৪৮ সাল পর্যন্ত বেঁচে ছিলেন। তিনি জ্যোতির্বিজ্ঞান, গণিত, ভূগোল, পদার্থবিজ্ঞান এবং ইতিহাস সহ অনেক ক্ষেত্রের পণ্ডিত ছিলেন।
১০৩০ সালে আল-বিরুনি পৃথিবীর পরিধি পরিমাপের জন্য ত্রিকোণমিতি ব্যবহার করেন। তার অনুমান ছিল 6339.6 কিলোমিটার, যা 6378.1 কিলোমিটারের আধুনিক স্বীকৃত মূল্যের 0.3% এর মধ্যে।
আল-বিরুনির পদ্ধতিটি এই নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছিল যে পৃথিবীর বক্রতার কারণে দিগন্তটি সমুদ্রপৃষ্ঠের চেয়ে পাহাড়ের চূড়া থেকে নীচে প্রদর্শিত হয়। তিনি দিগন্ত এবং একটি প্লাম্ব লাইনের মধ্যবর্তী কোণটি দুটি ভিন্ন স্থানে পরিমাপ করেছিলেন এবং এই তথ্যটি পৃথিবীর ব্যাসার্ধ গণনা করতে ব্যবহার করেছিলেন।
আল-বিরুনির পৃথিবীর পরিধি পরিমাপ ছিল তার সময়ের অন্যতম সঠিক পরিমাপ। সপ্তদশ শতাব্দীর আগ পর্যন্ত এটি অতিক্রম করা যায়নি, যখন ফরাসি গণিতবিদ এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানী জিন পিকার্ড পৃথিবীর পরিধি পরিমাপের জন্য আরও সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন।

"মাশরিক-মাগরিব এক্সপ্রেস"পাকিস্তানের বেলুচিস্তান থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম, ট্রেন চলতো ১৯৫০-৬০ এর দশকে।মাশরিক-মাগরিব এক্...
16/03/2024

"মাশরিক-মাগরিব এক্সপ্রেস"
পাকিস্তানের বেলুচিস্তান থেকে বাংলাদেশের চট্টগ্রাম,
ট্রেন চলতো ১৯৫০-৬০ এর দশকে।
মাশরিক-মাগরিব এক্সপ্রেস।
বাংলা অর্থে করলে "পূর্ব-পশ্চিম" এক্সপ্রেস
এটি মুলত একটি ট্রেন হলেও ৫টি রেকে চলাচল করতো।
বিভিন্ন স্থানে যাত্রীরা একটি রেক থেকে নেমে অন্য রেকে উঠে যাত্রা করতো।পাকিস্তানের বেলুচিস্তানের কোহ-এ-তাফতান হতে বাংলাদেশের চট্টগ্রামে পৌছাতে সময় লাগতো প্রায় ৬ দিন!!!
রুট ছিলঃ (লাহোর-ওয়াগা-অমৃতসার) বর্ডার, দিল্লি,বিহার,হাওড়া (গেদে-দর্শনা) বর্ডার,
গোয়ালন্দঘাট, ফেরিতে নারায়ণগঞ্জ হয়ে চট্টগ্রাম।
ছবি ও তথ্য : সংগৃহীত

18/07/2022
17/07/2022
02/07/2022
05/06/2022

মানুষের ত্বকে ৩টি স্তর থাকে। এপিডার্মিস, ডার্মিস এবং সাবকিউট্যানিয়াস স্তর। ত্বক পুড়ে গেলে এ ৩টি স্তরে ক্ষতের ভিত্তিতে যথাক্রমে ১ ডিগ্রি, ২ ডিগ্রি এবং ৩ ডিগ্রি বার্ন চিহ্নিত করা হয়।

পুড়ে গেলে কী করবেন?

১ ডিগ্রি পোড়ার ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব ১৫-৩০ মিনিট কলের নিচে রেখে ক্ষতস্থানে সরাসরি পানি প্রবাহ চালাতে হবে। ২ ডিগ্রি পোড়ার ক্ষেত্রে একই কাজ করতে হবে ১-২ ঘণ্টা। ফোসকা পড়বে, ফোসকা গলারনোর কোনো প্রয়োজন নেই। এরপর ডাক্তারের কাছে যেতে হবে।

৩ ডিগ্রি পোড়ার ক্ষেত্রে আক্রান্ত ব্যক্তিকে নিরাপদ স্থানে নিয়ে দ্রুত কাপড় খুলে দিতে হবে। এরপর আস্তে আস্তে পানির প্রবাহ চালাতে হবে। পুড়ে যাওয়া অংশ গজ বা পরিস্কার কাপড় দিয়ে ঢেকে একটু উঁচু করে রাখতে হবে। ব্যক্তির জ্ঞান থাকলে পানিতে একটু লবণ মিশিয়ে শরবত, স্যালাইন কিংবা ডাবের পানি, এমনকি এসব না পেলে সাধারণ পানি খাওয়াতে হবে যতক্ষন/যতটুকু খেতে পারে। এর মাঝে দ্রুততর বেগে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।

যা যা করবেন না-

১. ভুল করেও ক্ষতস্থানের অবস্থা চিকিৎসককে না দেখিয়ে কোনো মলম বা ক্রিম লাগাবেন না।
২. ফোসকা পড়লে কোনো ক্রমেই তা ফাটাবেন না।
৩. পোড়া স্থানে বরফ, তুলো, ডিম, টুথপেস্ট লাগাবেন না।
৪. পোড়া স্থানে যেনো কাপড়ের ঘষা না লাগে, খেয়াল রাখবেন।
৫. পুড়ে গেলেই আগে সাধারণ তাপমাত্রার পানির প্রবাহ দিতে হবে এবং দ্রুততর সময়ে হাসপাতালে নিতে হবে।

© বিজ্ঞানপ্রিয়-Bigyanpriyo

04/06/2022

Address

Nandail
Mymensingh

Telephone

+8801916580212

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hunted Ismail posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hunted Ismail:

Share