Bashar Al amin

Bashar Al amin Motivational vedio making and some expensive & emergency product sell near future...

26/09/2025

*"Set yourself apart. Focus on what lies ahead, keeping your goals clear. Not too much, not less than anyone — just enough. That’s all it takes."*

The 7 Tools of Quality are fundamental instruments used in quality management to monitor, analyze, and improve processes...
18/11/2024

The 7 Tools of Quality are fundamental instruments used in quality management to monitor, analyze, and improve processes. These tools help identify problems, streamline workflows, and ensure consistent product or service quality. Let's explore each tool and understand how it enhances efficiency:

🔧 Cause-and-Effect Diagram (Fishbone Diagram)
Pinpoints root causes, encourages brainstorming, and streamlines problem-solving.

📋 Check Sheet
Simplifies data collection, reduces errors, and highlights frequent issues.

📈 Control Chart
Identifies process variations, promotes consistency, and prevents over correction.

📊 Histogram
Highlights data patterns, makes complex data accessible, and supports decision-making.

📊 Pareto Chart
Focuses on significant issues, improves resource allocation, and accelerates solutions.

🔍 Scatter Diagram
Identifies correlations, supports predictive analysis, and reduces wasted effort.

🔄 Flowchart
Clarifies workflows, identifies inefficiencies, and simplifies ex*****on and training.

These tools are simple yet powerful instruments for improving efficiency, reducing waste, and maintaining consistency in quality management. By leveraging them, organizations can foster a culture of continuous improvement and operational excellence.

18/11/2024

আসসালামু আলাইকুম ওয়ারাহমাতুল্লাহ্।
🌄শুভ সকাল!
🟧আজ সোমবার।
🟩১৮ নভেম্বর ২০২৪ খ্রিষ্টাব্দ।
🟦০৩ অগ্রহায়ণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ।
🟪 ১৫ জামাদিউল আউয়াল ১৪৪৬ হিজরী।
🌅ঋতু- হেমন্তকাল।
⬛ফজর- ০৪:৫৭-০৬:১৪মিনিট।
🟨যোহর- ১১:৪৭-০২:৫১মিনিট।
🟫আসর- ০৩:৩৭-০৪:৪২মিনিট।
🔲মাগরিব- ০৫:১৫-০৬:০৪মিনিট।
⬜ইশা- ০৬:৩১-০১:০০মিনিট।
🌄সূর্যোদয়- ০৬:১৪মিনিট এবং
⏺সূর্যাস্ত- ০৫:১৫মিনিট (ঢাকা)।
সকলের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনায়-

বিঃদ্রঃ ঢাকা জেলা ও আশেপাশে জেলা গুলোর পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ শুরু ও শেষ সময়।

 ি? Six Sigma হচ্ছে যে কোন সিস্টেমের Process Improvement এর জন্য ব্যবহৃত কিছু টুলস ও টেকনিকের সমষ্টি। এটি কোন সিস্টেমের ...
17/11/2024

ি?
Six Sigma হচ্ছে যে কোন সিস্টেমের Process Improvement এর জন্য ব্যবহৃত কিছু টুলস ও টেকনিকের সমষ্টি। এটি কোন সিস্টেমের আউটপুট এর কোয়ালিটি উন্নত করে ও কাস্টমার সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য সিস্টেমের ত্রুটিগুলো চিহ্নিত করে ও তা দূর করে বা কমিয়ে প্রসেসের Variability কমিয়ে সর্বোচ্চ ভাল আউটপুট নিশ্চিত করে। Six Sigma কে 6σ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।
Six Sigma কে অনেক সময় “Customer Perfection”, “Zero Defects” অথবা “Operational Excellence” বলেও ডাকা হয়।
Six Sigma (6σ) সম্পর্কে একটি উক্তি
Six Sigma (6σ) সম্পর্কে কিছু তথ্য (ইতিহাস)
১। বিল স্মিথ সর্বপ্রথম Six Sigma (6σ) প্রবর্তন করেন যখন তিনি মটরোলা কোম্পানিতে চাকুরী করতেন। তখন ছিল ১৯৮০ সাল।
২। জ্যাক ওয়েলচ ১৯৯৫ সালে Six Sigma (6σ) কে তার ব্যবসার মূল কেদ্রবিন্দুতে পরিণত করেন।
৩। Six Sigma (6σ) এর লক্ষ্য হচ্ছে ৯৯.৯৯৯৬৬% ত্রুটিমুক্ত পণ্য উতপাদন করা।
৪। Six Sigma শব্দ দুটির প্রথম বর্ণ সবসময় ইংরেজি বড় হাতের অক্ষরে লেখা হয়। কারণ ১৯৯৩ সালের ২৩ ডিসেম্বর যখন এটিকে মটরোলা কোম্পানির ট্রেডমার্ক হিসেবে রেজিস্ট্রেশন করা হয় তখন তা এভাবেই লেখা হয়েছিল।
৫। তৎকালীন সময়ে মটরোলা তার সব ধরণের উৎপাদন ব্যবস্থায় Six Sigma এর লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করেছিল।
hashtag Sigma (6σ) এর মৌলিক উদ্দেশ্যঃ
১। প্রসেসের Cycle Time কমানো
২। প্রসেসের ত্রুটি দূর করা।
৩। উৎপাদন খরচ কমানো
৪। ক্রেতার সর্বোচ্চ সন্তুষ্টি এবং
৫। লাভ বৃদ্ধি করা।
Six Sigma (6σ) এর মূলনীতি
Six Sigma (6σ) এর মূলনীতি হল এটি Measurement-Based Strategy অনুসরণ করে যা প্রসেসের উন্নতি সাধন করে প্রসেসের বৈচিত্র কমায় ও ত্রুটি দূর করে।
Six Sigma (6σ) দুটি মূল Strategy হল
১। DMAIC (Define, Measure, Analyze, Improve, Control) এবং
২। DMADV (Define, Measure, Analyze, Design, Verify)
hashtag এমন একটি উন্নয়নের প্রক্রিয়া যা চলমান কোন প্রসেস বা প্রোডাক্ট যেটি Six Sigma এর নির্দিষ্ট আদর্শ মানের নিচে অবস্থান করে তাকে খুঁজে বের করে তার চলমান উন্নটি সাধন করে।
hashtag এমন একটি উন্নয়নের প্রক্রিয়া যা কোন নতুন প্রসেস বা প্রোডাক্টকে Six Sigma এর কোয়ালিটি লেভেলে উন্নীত করে।
DMAIC এর ৫ টি ধাপ
hashtag : এই ধাপে একটি সিস্টেমকে নির্ধারণ করা হয়, কাস্টমার কি চায় তা লিপিবদ্ধ করা হয় এবং প্রজেক্টের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ধারণা নেওয়া হয়।
hashtag : এই ধাপে প্রসেসের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানা হয় এবং প্রসেসের ডাটা সংগ্রহ করা হয়।
hashtag : এর ধাপে প্রসেসের ডাটা বিশ্লেষণ করে সমস্যা চিহ্নিত করা হয় এবং সমস্যাগুলোর Root Cause বের করা হয়।
hashtag : এই ধাপে Analye ধাপ থেকে প্রাপ্ত Root Cause দূর করা হয় এবং প্রসেসকে আরো উন্নত করা হয়। এক্ষেত্রে সাধারণত Poka Yoke বা Mistake Proofing নামক Lean Tool টি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।
hashtag :এই ধাপে আগের ধাপের ত্রুটিমুক্ত প্রসেসটিকে নিয়ন্ত্রণ করা হয়।
DMAIC এর ৫ টি ধাপ
hashtag :এই ধাপে কাস্টমার ও সিস্টেমের চাহিদা অনুযায়ী প্রসেসের জন্য একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়।
hashtag :এই ধাপে এমন বিষয়গুলো খুঁজে বের করা হয় যেগুলো প্রসেসের জন্য নির্ধারিত কোয়ালিটি অর্জনে বাধা দেয়।
hashtag :এই ধাপে প্রসেসের জন্য উন্নত বা বিকল্প কোন প্রক্রিয়া বিশ্লেষণ করে বের করা হয়।
hashtag :এই ধাপে প্রসেসের জন্য উন্নত বা বিকল্প কোন প্রক্রিয়া ডিজাইন করা হয়।
hashtag :এই ধাপে প্রস্তাবিত ডিজাইনটি যাচাই করা হয়, পাইলট রান করে দেখা হয় ও উন্নত প্রক্রিয়াটি প্রসেসের মালিককে বুঝিয়ে দেওয়া হয়

15/11/2024

🔹 Quality Assurance (QA): Building Quality from the Ground Up🔹

In any industry, quality assurance (QA) is essential for embedding quality at every stage, not just in the final product. It’s a proactive, process-focused approach aimed at preventing defects by establishing reliable, repeatable processes.

🌐 What is QA?
QA focuses on creating strong, efficient processes that ensure every product or service meets high standards before it reaches the customer. Unlike quality control, QA is about setting up processes to prevent defects from occurring in the first place.

🔑 Key Components of QA:
1️⃣ Process Design: structured workflows to guide quality at every stage.
2️⃣ Standards & Compliance: Adopting standards like ISO 9001 for consistency.
3️⃣ Documentation: Maintaining clear records for transparency and review.
4⃣ Training: Equipping teams to maintain and improve quality.
5️⃣ Audits: Regular reviews to identify improvement areas.

🎯 Why QA Matters:
Prevention over Correction: Reduces costly rework by catching issues early.
Customer Trust: Consistent quality builds brand loyalty.
Efficiency & Cost Savings: Streamlined processes save resources.
Compliance & Reputation: Ensures regulatory compliance and reduces risk.

🎯 Benefits of Implementing Quality Assurance:

1. Prevention Over Correction: QA minimises the need for costly corrections and rework by building quality into every process stage. Proactively identifying and addressing issues at the source prevents downstream failures.

2. Enhanced Customer Trust: When customers know they’re receiving a quality-assured product or service, they’re more likely to trust and remain loyal to the brand. Consistent quality translates into a stronger, more reputable brand.

3. Operational Efficiency & Cost Savings: Effective QA practices streamline processes, reduce waste, and prevent the downtime associated with reworking defective products, ultimately saving resources and time.

4. Compliance and Reduced Risk: Adhering to recognised standards like ISO 9001 ensures that the organisation meets regulatory requirements, which can lower the risk of legal issues, product recalls, or brand damage.

5.Continuous Improvement Culture: QA fosters a culture of improvement by encouraging employees to engage with and refine processes. This focus on quality helps build teams that are committed to long-term success and continuous evolution.

QA isn’t just a process; it’s a commitment to excellence that supports sustainable growth and customer satisfaction. 🌟

Bashar Al Amin
11/15/2024

29/10/2024

লাশ কাটা ঘরে একদিন

সকাল প্রায় ৯:৩০ মিনিট। আমি তখন নেত্রকোনা সদর হাসপাতালে। অপেক্ষা করছি মৃতদেহবাহী অ্যাম্বুলেন্সের জন্য। আমি একা না, আরো কিছু মানুষ আছে। আমি তাদেরকে তেমন খুব একটা ভালো করে চিনি না। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার শ্বশুর আমাকে সবার সাথে পরিচয় করিয়ে দিলেন। আমি একজনকে জিজ্ঞেস করলাম, এসআই বা ড্রাইভার কারও সাথে কথা হয়েছে কি আপনাদের? তারা আমাকে বলল, না? তবে গতকাল আমাদেরকে এসআই বলেছিলেন হাসপাতালের সামনে যেন সকাল ৯ থেকে ৯:৩০-এর দিকেই থাকি। যাইহোক, আমি বুঝতে বাকি নেই তারা কেমন সচেতন মানুষ, আর এমনি সাদামাটা গ্রাম্য মানুষ। এতকিছু ঘুরিয়ে পেঁচিয়ে বুঝে না। তখন আমি ভাবলাম, তাদের সাথে আমি আসিনি; বরং আমার সাথেই তারা এসেছে। তাই নিজ দায়িত্বে এসআই-এর নম্বরটা নিলাম এবং ফোন করলাম। আমি আমার পরিচয়টা সংক্ষেপে দিলাম—পরিচয় বলতে শুধু বললাম আমি মৃত ব্যক্তির বাসতি জামাই বলছি। তাকে জিজ্ঞাসা করলাম, আপনারা কি আসছেন? আর না আসলে কতক্ষণ লাগবে আসতে? উনি আমাকে উত্তর দিলেন, “অপেক্ষা করুন, আমরা ৩০ থেকে ৪০ মিনিটের মধ্যে পৌঁছে যাব।” আমি ফোন রেখে সবাইকে অপেক্ষার সময়টা বললাম। ইতোমধ্যে খুব সকালে বাসা থেকে বের হয়েছি, তাই এমনিই একটা লাশ আনতে যেহেতু এসেছি, সকালবেলা নাস্তা এবং অন্য কোনো কিছুর তেমন রুচি ছিল না। তবুও চিন্তা করলাম, আমার জন্য না হোক, সাথে যারা আছে তারাও তো কিছু খায়নি। তাই সবাইকে নাস্তা খাওয়াতে নিয়ে আসলাম। বেশ কিছুক্ষণ জোরাজুরি করার পর তারা গেল নাস্তা করতে। নাস্তা করতে করতে প্রায় এক ঘণ্টা শেষ।এস.আই আর ড্রাইভারের আসার কোনো খবর নেই। শেষমেশ এস.আই এবং ড্রাইভার প্রায় বেলা ১২টা ৪০ মিনিটে পৌঁছাল। আমি জিজ্ঞেস করলাম, লাশ কোথায়? আর আমরা লাশ নিয়ে কখন যেতে পারব? ড্রাইভার বলল, আমার সাথে চলুন, লাশ কাটাঘরে যেতে হবে। এই কথা শুনে আমার সাথে থাকা সবাই মোটামুটি একে অন্যের মুখের দিকে তাকাচ্ছে, যেন ভাবছে, কে যাবে। এ সময় এস.আই বলে উঠল, এত ভাবার সময় নেই। আমার কাজ আছে। কে যাবেন চলেন, আর যদি না যান তাহলে বলুন, আমি চলে যাই। আপনারা ঠিক করুন, কে যাবেন লাশ কাটাঘরে, আর যদি কেউ না যায় তাহলে যার প্রয়োজন তাকেই খবর দিয়ে নিয়ে আসুন, আমি পরে আসব।এই কথা শুনে উনি যখন চলে যাচ্ছিলেন, তখন আমি এস.আই কে বললাম, “চলুন, আমি যাব।” আমার কথা শুনে আমার শ্বশুর আমাকে কিছু বলার চেষ্টা করছিলেন, তবে আমি আর তা শুনিনি। এস.আই, ড্রাইভার আর আমি লাশ কাটাঘরের দিকে যেতে লাগলাম।লাশ কাটাঘরে গিয়ে দেখি কোনো লাশ নেই। আনুমানিক ১৬ থেকে ১৭ বছর বয়সের ছোট আকারের একটা ছেলে বসে আছে। সে মাথা নিচু করে কিছু একটা লিখছে। তখন এস.আই তাকে "দিপু" নামে ডাকলেন... আর তার সামনে তিন পাতার একটি ফাইল দিলেন। ছেলেটি ফাইলটি দেখে তিনটি পাতায় সিল মেরে সাইন ও সিরিয়াল নম্বর দিয়ে আমাদের নিয়ে আরেকটি রুমে গেল। সেই রুমটি লাশ কাটাঘর থেকে প্রায় ১০০ মিটার দূরে। সেখানে একজন ভদ্র লোকের কাছে ফাইলটি দিয়ে বিস্তারিত জানাল। এরপর এস.আই তার সাথে অফিসিয়াল কিছু কাজ শেষ করে হাসপাতালের আরএমও এর কক্ষে ঢুকলেন। আরএমও আরেকটি লাশ নিয়ে মিটিং করছিলেন। ওই লাশটি নাকি নেত্রকোণা সীমান্তের মধ্যে বিএসএফ-এর গুলিতে মারা গেছে। তাই ওই লাশের পোস্টমর্টেম নিয়ে একটু জটিলতা আছে, সেই বিষয়টি নিয়েই মিটিং চলছিল। ততক্ষণে আমরাও পাশে দাঁড়িয়ে বিস্তারিত শুনছিলাম। যাই হোক, সবশেষে মিটিং শেষ হলো এবং লাশ কাটাঘরে থাকা ছেলেটিকে, যার নাম ছিল দিপু, আরএমও সাহেব একটি ফাইল এগিয়ে দিয়ে বললেন, দিপু, এই ফাইলটা নিয়ে যাও এবং লাশের পোস্টমর্টেমের ব্যবস্থা করো। দিপু বলল, স্যার, এই লাশটা তো একবার পোস্টমর্টেম হয়েছে। দুইবার পোস্টমর্টেম করতে হলে আরও দুজন লোক লাগবে, আর এমনিতেই লাশের অবস্থা ভালো নয়। লাশ পচে গেছে। তখন আরএমও সাহেব বললেন, ঠিক আছে, লাশের সাথে যারা আছে তাদের সহযোগিতা নাও, এই বলে ওই লাশের ঝামেলা শেষ করলেন। আর আমাদের লাশের ফাইলটি এস.আই সাহেব সামনে এগিয়ে দিতেই আরএমও সাহেব যেন তেলে-বেগুনে জ্বলে উঠলেন। আরএমও সাহেব এস.আই সাহেবকে বলছেন, এইভাবে কে লিখেছে? এস.আই সাহেব বললেন, স্যার, আমি। আরএমও বললেন, কেন এইভাবে লিখছেন? আপনি জানেন না হাতে লেখা কোর্টে জমা দেওয়া যায় না। এই হাতে লেখা কাগজ চলবে না। আপনি পুরো ফাইলটা কম্পিউটার ফরম্যাটে লিখে নিয়ে আসুন, তারপর কাজ হবে। এর আগে হবে না। এই বলে এস.আই সাহেবকে রুম থেকে বের করে দিলেন। সবাই যখন বের হচ্ছিল, আমি বের হইনি। আমি আরএমও সাহেবকে বললাম, স্যার, আপনি কাজটা শুরু করুন, আমি এস.আই সাহেবকে দিয়ে ফাইলটা লিখিয়ে আনছি। আরএমও সাহেব আমাকে বললেন, আপনি আগে লিখিয়ে নিয়ে আসুন, তারপর যা করার করব। তখন আমি আর কিছু বললাম না। রুম থেকে বের হয়ে এস.আই সাহেবকে জিজ্ঞেস করলাম, আপনি জানেন না যে এই হাতে লেখা হবে না?এস.আই সাহেব বললেন, ভাই, আমি গত সপ্তাহেও এইভাবে একটা লাশের পোস্টমর্টেম করিয়ে নিয়ে গেছি। এখন কী হলো বুঝতে পারছি না। তখন আমার যা বোঝার মোটামুটি বুঝে গেছি। আমি এস.আই সাহেবকে বললাম, ভাই, আপনি দ্রুত ফাইলটা লিখুন, আর বাকিটা আমি দেখছি। তারপর আমি আমার ছোট ভাইকে বিস্তারিত বললাম। সে আবার আমার বন্ধুর ছোট ভাইয়ের এক বন্ধুকে বলল, সে আবার নেত্রকোণার এক বড় ভাইকে জানাল। তিনি আমাকে ফোন করে বিস্তারিত জানার পর বললেন, ভাই, তাহলে ফাইলটা লিখে দিন, তারপর আমি কথা বলছি।যাই হোক, আমার যা বোঝার বুঝে গেছি।আমি আমার মামাকে ফোন করে সব বিস্তারিত বললাম। উনি বললেন, আরএমও-এর কাছে যাও, গিয়ে আমার ফোনটা তার কানে ধরে দাও। তখন আমি আরএমও সাহেবের রুমে গিয়ে বললাম, স্যার, আপনার সাথে একজন কথা বলতে চাইছেন, একটু যদি কথা বলতেন। উনি বললেন, দাও। ফোনটা কানে ধরতেই আরএমও সাহেব স্যার, স্যার বলে কথা বলতে থাকলেন। কিছুক্ষণ কথা বলার পর উনি আমাকে বসতে বললেন। আরএমও সাহেব আমাকে বললেন, আমি যার সাথে কথা বলছি তিনি আপনার কে হন? আমি বললাম, আমার মামা। আরএমও সাহেব আমাকে বললেন, আগে বললেই হতো, তাকে বলার কী প্রয়োজন ছিল? আমি তো সমস্যাটা শেষ করে দিতাম। যাই হোক, সবশেষে সব ধরনের ঝামেলার অবসান ঘটিয়ে অপেক্ষা করতে থাকলাম কখন আমাদের লাশের পোস্টমর্টেম হবে। তখন বাজে প্রায় বিকাল ৪টা। দীপু এসে বলল, চলুন আমার সাথে। আমি তার সাথে গেলাম, যেখানে লাশ রাখার ফ্রিজার আছে, সেখানে সে তালা খুলে ঢুকল, আমিও তার সাথে ঢুকলাম। ঢুকে দেখি অন্ধকার একটা রুম। লাইট জ্বালানোর সাথে সাথে দেখলাম বিভিন্ন ধরনের প্যাকেটে অনেকগুলো লাশ রাখা আছে। তখন দীপু আমাকে একটা লাশ দেখিয়ে বলল, ভাই, এই লাশটাই আপনার, ধরে রাখুন। লাশটা বের করতে হবে। আমি, দীপু আর আরও দুজন লোক মিলিয়ে মোট চারজনে লাশটা বের করে লাশ কাটার ঘরের দিকে নিয়ে গেলাম। সেখানে একটা উঁচু টেবিলের উপর রেখে বাকিরা চলে গেল। দীপু আমাকে বলল, ভাই, লাশের প্যাকেটটা খুলুন। আমি প্যাকেটটা খোলামাত্র ভয়ংকর একটা দুর্গন্ধ বের হলো। জীবনে এমন ভয়াবহ দুর্গন্ধ আমি কখনও পাইনি। যাই হোক, আমি মুখ ঢেকে কিছুক্ষণ সামলে নিলাম। তারপর দীপু কিছু ধারালো যন্ত্রপাতি নিয়ে এলো। আমি দীপুকে বললাম, ভাই, একটু কম সম কাটুন। দীপু আমার কথা শুনে হাসলো, আর বলল, ভাই, পোস্টমর্টেম তো পোস্টমর্টেমই, কম সম কাটার সিস্টেম নেই। আপনি ধরেন। আমি লাশটাকে ধরলাম, আর দীপু কানের নিচ থেকে কাটা শুরু করে বুকের মাঝখান দিয়ে সোজা নাভির ওপর দিয়ে নিচ পর্যন্ত কাটলো। কেটে লাশের ভিতরের অংশ যাতে দেখা যায়, সেই অবস্থায় রেখে দিল। আমাকে অপেক্ষা করতে বলে দীপু পাশের রুমে চলে গেল। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষা করার পর RMO সাহেব আসলেন। তিনি লাশটি বেশ কিছুক্ষণ ধরে লাশের বিভিন্ন অংশ দেখলেন এবং ছবি তুললেন। দীপুও বেশ কিছু ছবি তুলে রাখলো। RMO সাহেবের দেখার পর তিনি সেখান থেকে চলে গেলেন। পরে দীপু RMO সাহেবের দেওয়া একটা লিস্ট দেখে লাশের বিভিন্ন অংশের নমুনা রাখলেন। পরে আমিও আগ্রহ বসত লাশের ভিতরের অংশের বিভিন্ন জিনিস খুব ভালো করেই দেখেছি, আর যেহেতু প্রায় ২ থেকে ২.৩০ ঘণ্টা যাবত আমি এই লাশ কাটার ঘরে লাশের সঙ্গে আছি, সেহেতু এখানে ভয় বা আতঙ্কের অনুভূতি, সংকুচ মুটামুটি চলে গেছে। স্যাম্পল নেওয়া শেষ হওয়ার পর লাশের কাটা অংশ সেলাই করা শুরু করলো। আমি এক পাশে ধরলাম, আর দীপু এক পাশ থেকে সেলাই করে আসতে থাকলো। প্রায় ৩০ থেকে ৪০ মিনিট সময় লাগলো লাশটা সেলাই করতে। আরো একটু চালু হতে পারতো যদি লাশটা পুলে না যেত। দীর্ঘ সময় আগে মৃত্ত্যু হয়েছে, তো তাই লাশটা বেশ পুলে গেছে। অবশেষে লাশ সেলাই করা শেষ আমি আর দীপু দুজন মিলে লাশ আগের মতো সেই পুলিশের যে ব্যাগ দিয়ে ছিল, তাতে ঢুকিয়ে জিপার লাগিয়ে ৪ থেকে ৫ গজ পলিথিনের মধ্যে পেঁচিয়ে কিছু নেথপলিশ দিয়ে ভালো করে বেঁধে দিলাম। তারপর দীপুকে ৫ হাজার টাকা দিলাম যদিও দীপু ১১ হাজার দাবি করেছিল। তারপর কিছু ফরম আছে, সেগুলোতে স্বাক্ষর করে আমি লাশ বহনকারী গাড়ির ড্রাইভারকে ফোন দিলাম। ড্রাইভার গাড়ি নিয়ে আসলো, আমি দীপু, ড্রাইভার এবং একজনে মিলে ৪ জন লাশ গাড়িতে উঠালাম। ততক্ষণে বেজে গেছে সন্ধ্যা ৬টা। নেত্রকোনা থেকে লাশের গন্তব্যস্থান প্রায় ২৫ কিলোমিটার, আসতে আমাদের প্রায় ৪০ মিনিট লাগলো। বাড়িতে পৌঁছে লাশ গাড়ি থেকে নামিয়ে এলাকার একজন মুরুব্বি এবং আমি দুইজন মিলে লাশ ধুয়ার কাজ শেষ করলাম। পরে এলাকার ইমাম সাহেবসহ লাশের কাফন পরিয়ে আমি গুশল করতে গেলাম। গুশল সেরে লাশ নিয়ে পাশের এক মাদ্রাসার মাঠে জানাজার নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে লাশ দাফন শেষ করলাম। ততক্ষণে ঘড়ির কাটা রাত ১১টা পার হয়েছে।




বাশার
জীবন থেকে নেয়া।
১০/২৯/২০২৪

14/10/2024

Welcome Back

পিনাকীদা একটা কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন।  সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ২০/২৫ বছর আগে এক সার্ভেতে এই দেশটিকে সবচেয়ে সুখী মানুষ...
22/04/2023

পিনাকীদা একটা কথা স্মরণ করিয়ে দিলেন।
সম্পদের সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও ২০/২৫ বছর আগে এক সার্ভেতে এই দেশটিকে সবচেয়ে সুখী মানুষের দেশ হিসাবে তুলে ধরা হয়েছিল। আর সর্বশেষ
সার্ভেতে ১৩৭টি দেশের মধ্যে আমাদের এই অবস্থান নাকি ১১৮!
কারা কেড়ে নিল আামাদের এই সুখ?

২০০৪/২০০৫ সালে এই দেশটিকে ইমারজিং টাইগার হিসাবে তুলে ধরা হয়েছিল। ত্রুটিপূর্ণ গণতান্ত্রিক দেশ থেকে আমরা পরিপূর্ণ গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করেছিলাম! রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক সব ইনডেক্স ছিল উর্ধমুখী।

কারা থামিয়ে দিল আমাদের সত্যিকারের Slowly and Steady সেই অগ্রযাত্রা?

দেশের মানুষ কখনোই সুইজারল্যান্ড, সিঙ্গাপুর হতে চায় নি। এদেশের মানুষ রাজপ্রাসাদেও থাকতে চায় নি। চেয়েছিল নিজের ছোট্ট একটি কুটির। যেখানে দুই বেলা পেট পুড়ে খেয়ে রাতের বেলায় শান্তিতে ঘুমাবেন । এই প্রত্যাশাটি খুব বেশি ছিল না! এটি ছিল আামাদের আয়ত্তের মধ্যেই!

দেশটিকে সুইজারল্যান্ড / সিঙ্গাপুর বানানোর প্রলোভন দেখিয়ে বাজিকর/ বাটপাররা জাতির এই কপালটিই খাইয়েছে। আজ ঈদের দিনেও কমপক্ষে চার কোটি মানুষ পেটে ক্ষুধা ( অর্ধেক খালি থেকে পুরা খালি) রেখেই ঘুমিয়েছে। এই যন্ত্রণার কথা বলতে গেলেও এই হায়েনার দল তেড়ে আসে! এটাও একটা বড় কষ্টের কারণ!

এতগুলো বনি আদমকে অভুক্ত/ অর্ধভুক্ত রেখে আমাদের এই ঈদ আনন্দ কখনোই পূর্ণ হবে না। আসুন সবাই প্রতিজ্ঞা করি, নিজের জীবদ্দশাতেই যেন দেশের সব মানুষকে নিয়ে এমন একটা ঈদের আনন্দে শরীক হতে পারি। দোয়া করি ( সাথে চেষ্টা ও) লুটেরা, লম্পটদের হাত থেকে দেশটির নিয়ন্ত্রণ সত্যিকারের সৎ ও মানবিক মানুষের হাতে চলে যাক। এমন একটি সিষ্টেম প্রতিষ্ঠিত হোক যেখানে ভালো মানুষ গুলো যেন নেতৃত্বের কেন্দ্রে চলে যায়, অসৎ/ অদক্ষ/ অমানবিক দানবগুলি যেন ফিল্টারড হয়ে পড়ে!

এমন একটি প্রত্যাশা নিয়ে
সবাইকে ঈদ মোবারক!

19/05/2022

৩ বারং ৩৬ .…............
সন্ধায় খেলাধুলা শেষ করে ঘরে আসলাম। এসে হাত মুখ দোয়ার পর পড়তে বসলাম। এর মধ্যে আপা এসে বলল আজ রাতে আমাদের ফুফু আসবে চিটাগং থেকে। কথাটা শুনে খুব খুশি হলাম। আমার ছোট ভাই হাবিবুর বলল হ্যা ভাই,আজ ফুফু আসবে আম্মাও বলছে। আর ভাই তোমাকে নাকি নিয়ে যাবে। আমি হাবিবুর কে বললাম তাই নাকি? তো ভালোই। অনেক দিন ধরেই তো ফুফুকে বলছি আমাকে নিয়ে যেতে চিটাগং। আমার খুব সখ যে,চিটাগং গিয়ে ২ তলা বাসে চড়া আর সাগর দেখা। তো এবার তাইলে সখটা পূরণ হবে। এই বলে আমি আম্মার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম আম্মা সত্যিই কি ফুফু আসবে রাতে। আম্মা বলল হাম। আর আমাকে নাকি এবার নিয়ে যাবে বেরানো জন্য। আম্মা বলল হাম। কথাটা শুনে নিশ্চিত হলাম৷ আর খুশি খুশি মনে পড়তে বসলাম। তো পড়তেছি এমন অবস্থায় আপা এসে বলল খাইতে আয় আম্মা ভাত বাড়ছে। তো আমি আপাকে বললাম তুই যা, আমি আসছি, আর একটা অংক আছে শেষ করেই আসছি। আমার কথাটা শেষ করতেই আপা বলল, আর অংক শেষ করতে হবে না চলে আয়, খাইয়া ঘুম যা ৷ ফুফু আসলে তো তুই চলেই যাবি। আর পড়ার কি দরকার এখন। আপার কথাটা শুনে আমি 'ত' মেরে গেলাম। কিছুক্ষণ ছুপছাপ বসে রইলাম। পড়ার টেবিল থেকে উঠে আম্মার কাছে গিয়ে জিজ্ঞেস করলাম আম্মা ফুফুর সাথে গেলে পড়ার কি সমস্যা। আমি সাথে করে বই নিয়ে যাবো। তো ওইখানে গিয়ে পড়তে পারবো না কি? আম্মা আমার দিকে তাখিয়ে বলল,তুই ছুপ থাক। আগে খা। পরে যা হবার হবে। হাম৷ যাইহোক, আমি খেয়ে ঘুম গেলাম। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি ফুফু আর আম্মা বারান্দায় বসে আছে। আমি ফুফুকে ভালো মন্দ কিছু জিজ্ঞেস করে চলে গেলাম প্রাইভেটে। প্রাইভেট মানে আমি পড়তে না,পড়াতে। আমার ২ জন ছাত্র ছিল ৫০ টাকা করে মোট ১০০ টাকা দিতো। আর এই টাকা টা দিয়ে খাতা আর কলম কেনার খরচটা চলে যেতো। আর আমি অবশ্য আরও ৫/৬ ছাত্র / ছাত্রী পড়াতাম। আর একটা কথা হলো, আমি অবশ্য ৫ম শ্রেণীতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাইছিলাম তাই সরকার থেকেও কিছু টাকা পাইতাম ৬ মাস পর পর। সাথে স্কুলের বেতন টাও দিতে হতো না। আর একটা সুবিধা পাইতাম ব্র‍্যাক থেকে, আমি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশাপাশি ১ম থেকে ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত ব্র‍্যাক স্কুলেরও ছাত্র ছিলাম। ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পাওয়ার সুবাদে ব্র‍্যাক আমাকে মাসে ২০০ টাকা করে দিতো।
আর এমনিতেই আমি ছোট থেকেই খুব পরিশ্রম করতে পারতাম। আমি একজন শিক্ষক এর কাছে কোচিং পড়তাম। উনিও আমার কাছ থেকে কোন টাকা নিতো না। উল্টো আমাকে স্যার দৈনিক ২০ টাকা করে দিতো। আর এটার পিছনে একটা কারণও ছিলো । সেটা হল, স্যারের কোচিং এর পাশাপাশি মোবাইল, ফটোকপি, কম্পিউটার কম্পোজ, আর বিভিন্ন স্কুলের প্রশ্ন করার ব্যবসা করতেন। আর আমি আমার পড়াশোনার পাশাপাশি স্যারকে সহযোগিতা করতাম। যাইহোক আমার খরচ বিভিন্নভাবে মুটামুটি চলে যেতো। আর আমি এমনিতেই আমার টাকা দিয়েই চলতাম। ঘর থেকে কোনো টাকা নিতাম না। উলটা আরও মাঝে মধ্যে আম্মাকে কিছু টাকা দিতে পারতাম।
তো প্রাইভেট পড়িয়ে আমি বাড়িতে আসলাম। তখন প্রায় সকাল ৮.৩০ বাজে। এসে আম্মাকে বললাম ভাত দিতে। ভাত খেয়ে স্কুলে যাবো। আম্মা আমাকে ভাত দিয়ে সামনে বসে আমাকে জিজ্ঞেস করলো,তোর কাপড়চোপড় গুছিয়ে রেডি করে রাখিস। তোর ফুফু কাল রাতের গাড়িতে চলে যাবে। তুইও সাথে যাবি। তোর ফুফু তোর জন্য একটা চাকরির ব্যবস্থা করে আসছে। মাসে ৩ হাজার আর বছরে ৩৬ হাজার। আর টাকা টা নাকি একসাথে দিবে। আর এমনিতেই একসাথে টাকা পাইলেই ভালো। কোনো কাজে লাগানো যাবে। আর পড়াশোনা কইরা কি করবি। তোর কি কেউ আছে যে,তোরে চাকরি দিবে। এখানে থেকে কষ্ট করার দরকার নাই। চলে যা তোর ফুফুর সাথে চিটাগং। আর তোর ফুফু যে দোকানে তোর চাকরি ঠিক করছে সেই দোকানের মালিকের কোনো ছেলে মেয়ে নাই। তোরে আদর করবে দেখবি। এই বলে আম্মা চলে গেছে কল পাড়ে পানি আনার জন্য। আমি তোম মেরে বসে আছি। আর চিন্তা করতেছি কি করা যায়। এর মধ্যে ফুফু এসে অনেক কিছু বুজাইয়া বলতে লাগলো। আর আমিও নাছোড়বান্দা সব শুনছি। আর মনে মনে কি করা যায় প্ল্যান করছি। আর আমার চিন্তা একটাই। যে যাই বলোক আমি পড়াশোনা ছেড়ে কোথাও যাবো না। আর আমার মধ্যে একটা সাহস আছে যে, আমার পড়াশোনার খরচ যেহেতু কারোই দিতে হয় না। আমি আমার পড়াশোনার খরচ আমি নিজেই চালাই, তো আমি পড়াশোনা ছাড়বো না।
যেমন চিন্তা তেমন কাজ। কাউকে কিছু না বলে ঘর থেকে বের হইয়া সোজা চলে গেলাম আমাদের পুড়ানো বাড়িতে। ওইখানে আমার চাচারা থাকে।
প্রায় ৬ দিন পর আব্বা গেলো ওই বাড়ি। এখানে একটা কথা বলি, ফুফু যখন আম্মার সাথে কথা বলে আমার চাকরি ঠিক করছে, আব্বা তার কিছুই জানে না। আব্বা তখন কোথায় যেনো গিয়েছিলো আমার সঠিক মনে নাই। আব্বা যখন ফিরে আসছে তখন আম্মা সব কিছু আব্বাকে বলার পর আব্বা সব জানতে পারছে। তো, আব্বাকে দেখে আমি সামনে আসি না। দাদু আমাকে নিয়ে আব্বার সামনে গেলো। আমাকে দেখে আব্বা বলল বাড়ি চল। কাল থেকে স্কুলে যাবি। তোর ফুফু চলে গেছে।

জীবন থেকে নেয়া।
বাশার আল আমিন।
১৯/০৫/২০২২

Address

Atharabari
Mymensingh
2282

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bashar Al amin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bashar Al amin:

Share