সিফা - Sefa নাগেরপাড়া

সিফা - Sefa নাগেরপাড়া Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from সিফা - Sefa নাগেরপাড়া, Business service, ani20ani15@gmail. com, Nagerpara.

25/09/2021
28/06/2021
17/06/2016
১৯৭৫ সালের নভেম্বরের উত্তাল কয়েকটি দিন   ডেস্ক রিপোর্টনিউজবিডি৭১ডটকমবাংলাদেশে ১৯৭৫ সালে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই অভ্যুত...
09/11/2015

১৯৭৫ সালের নভেম্বরের উত্তাল কয়েকটি দিন
ডেস্ক রিপোর্ট
নিউজবিডি৭১ডটকম
বাংলাদেশে ১৯৭৫ সালে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহেই অভ্যুত্থান এবং পাল্টা অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটটি তৈরি হয়েছিল বেশ আগে। অভ্যুত্থানের কারণ নিয়ে বেশ কিছু ব্যাখ্যা থাকলেও সেনাবাহিনীর তৎকালীন অনেক কর্মকর্তা মনে করেন, ১৫ই অগাস্ট বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর থেকেই সেনাবাহিনীতে যে বিশৃঙ্খল অবস্থা তৈরি হয়েছিল, তার একটি ফলশ্রুতি হচ্ছে নভেম্বরের সেই ঘটনাপ্রবাহ।

সেসময় বাংলাদেশের প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান সেনাপ্রধান থাকলেও বঙ্গভবন থেকে সেনাবাহিনীর অনেক বিষয় নিয়ন্ত্রণ করছিলেন শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার সাথে জড়িত কয়েকজন মেজর। অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার শাখাওয়াত হোসেন তখন ছিলেন ঢাকায় ৪৬ ব্রিগেডের মেজর পদমর্যাদার স্টাফ অফিসার। তিনি বলছেন, সেই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সাথে যোগ হয়েছিল পারস্পরিক দ্বন্দ্ব। ১৫ই অগাস্টের পর তৎকালীন সেনাপ্রধান মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহকে সরিয়ে দেয়ার পর মূলত: যে দ্বন্দ্বটি ছিল খালেদ মোশাররফ এবং জিয়াউর রহমানের মাঝে। অক্টোরের শেষ নাগাদই তারা অনেকটা খোলামেলাভাবেই শুনতে পারছিলেন কিছু একটা হতে যাচ্ছে।

কে এম শফিউল্লাহ বলেন, ১৫ই অগাস্টের পর তিনি অনেকটা গৃহবন্দী হিসেবেই সেনাপ্রধানের বাড়িতে অবস্থান করছিলেন। কিন্তু সেনাবাহিনীর মধ্যে যে একটি উত্তেজনা রয়েছে সেটি তিনি টের পাচ্ছিলেন।

নভেম্বরের ৩ তারিখের প্রথম কয়েকটি প্রহরে বাংলাদেশের ইতিহাসের গতিপথ পাল্টে দেয়ার মতো দুটি ঘটনা ঘটে, একটি অভ্যুত্থান এবং ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগারে একটি হত্যাকাণ্ড।

মধ্যরাত পার হবার পরই খালেদ মোশাররফের নেতৃ্ত্বে একটি অভ্যুত্থানে তৎকালীন সেনাপ্রধান জিয়াউর রহমানকে বন্দী করা হয়।

অন্যদিকে সেই রাতেই কেন্দ্রীয় কারাগারে চলে একটি হত্যাকাণ্ড। কয়েকজন সেনাসদস্যের হাতে খুন হন ১৯৭১ সালের প্রবাসী সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ, তৎকালীন সরকারের অর্থমন্ত্রী এম মনসুর আলী এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান।

শাখাওয়াত হোসেন বলেন, ঐ জেলহত্যার ঘটনাটি তাৎক্ষনিকভাবে জানাজানি হয়নি। ঘটনাটি অভ্যুত্থানকারী সেনা অফিসারদের কাছে পৌঁছে ৪ঠা নভেম্বর সকালে।

৩রা নভেম্বরেই দিনভর খালেদ মোশাররফসহ অভ্যুথ্থানকারী সেনা কর্মকর্তাদের সাথে দফায় দফায় বৈঠকের পর বঙ্গভবনে অবস্থানরত শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যার সাথে জড়িত মেজররা সপরিবারে দেশত্যাগ করেন।

এদিকে ৩রা নভেম্বরের পরের কয়েকটি দিন কার্যকর দেখা যায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল বা জাসদের গণবাহিনীকে। কর্ণেল তাহেরের নেতৃত্বাধীন এই গণবাহিনী পরবর্তী অভ্যুত্থানে একটি মূল ভূমিকা পালন করে।

কর্ণেল তাহেরের ভাই এবং গণবাহিনীর তৎকালীন ঢাকা মহানগর প্রধান অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলছেন, জিয়াউর রহমানের কাছ থেকেই অভ্যুত্থানের খবরটি জানতে পারেন কর্ণেল তাহের। নভেম্বরের ৩ তারিখেই কর্ণেল তাহের নারায়নগঞ্জ থেকে ঢাকায় আসেন।

এরই মধ্যে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট খন্দকার মোশতাক আহমেদকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ৬ নভেম্বর নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন বিচারপতি আবু সাদাত মোহাম্মদ সায়েম।

নভেম্বরের ৫ এবং ৬ তারিখে গণবাহিনী আরো সক্রিয় এবং সংগঠিত হয়ে উঠতে শুরু করে। কর্ণেল তাহেরের নেতৃত্বে একটি অভ্যুত্থানের পরিকল্পনা চলতে থাকে। শাখাওয়াত হোসেন বলছেন, গণবাহিনী যে একটি কিছু করতে যাচ্ছে সেটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে ৬ তারিখ বিকেলে, যখন ক্যান্টনম্যান্টের ভেতরে গণবাহিনীর নামে একটি লিফলেট ছড়ানো শুরু হয়। তিনি বলেন, লিফলেটে খালেদ মোশারফসহ অভ্যুত্থানকারীদের ভারতের চর হিসেবে উল্লেখ করা হয় এবং গণবাহিনীর দাবী তুলে ধরা হয়।

অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন বলেন, গণবাহিনীর বিদ্রোহের মূল পরিকল্পনাটি হয় ৬ তারিখ সন্ধ্যায়।

৭ই নভেম্বর দিবাগত রাতেই শুরু হয়ে যায় পাল্টা অভ্যুত্থান। যার পুরোভাগে ছিল সেনাবাহিনীর জওয়ানরা। সেই রাতেই মুক্ত করা হয় জিয়াউর রহমানকে।

শাখাওয়াত হোসেন বলছিলেন, পরদিন সকালেই জিয়াউর রহমান সেনানিবাসে কর্ণেল তাহেরকে দেখতে পান। দুজনের মধ্যে কিছু উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ও হয়। কর্ণেল তাহের জিয়াউর রহমানকে শহীদ মিনারে যেতে এবং রেডিওতে জাসদের দাবী মেনে নিয়ে একটি ভাষণ দিতে বললেও তিনি সেটিতে রাজী হননি। আগেই তার ভাষণ রেকর্ড করে তিনি রেডিও স্টেশনে পাঠিয়ে দেন ।

ব্রিগেডিয়ার শাখাওয়াত হোসেন বলছেন, ৭ই নভেম্বরের অভ্যুত্থানের সময় জওয়ানদের সাথে অনেককে অস্ত্রসহ বেসামরিক পোষাকেও অংশ নিতে দেখা গিয়েছিল। তবে ঐ অভ্যুত্থানে গণবাহিনী তাদের বেসামরিক সদস্যদের অন্তর্ভুক্ত করতে পারেনি বলছেন অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন। তিনি বলছেন, জাসদ যে উদ্দেশ্য নিয়ে বিদ্রোহে অংশ নিয়েছিল সেটি ব

সুরা ফলক্ – কাব্য-আমপারা – কাজী নজরুল ইসলাম(শুরু করিলাম) ল’য়ে নাম আল্লারকরুণা ও দয়া যাঁর অশেষ অপার।বল, আমি শরণ যাচি ঊষা-...
08/11/2015

সুরা ফলক্ – কাব্য-আমপারা – কাজী নজরুল ইসলাম
(শুরু করিলাম) ল’য়ে নাম আল্লার
করুণা ও দয়া যাঁর অশেষ অপার।
বল, আমি শরণ যাচি ঊষা-পতির,
হাত হতে তার – সৃষ্টিতে যা আছে তির।
আঁধার-ঘন নিশীথ রাতের ভয় অপকার-
এ সব হ’তে অভয় শরণ যাচি তাঁহার।
যাদুর ফুঁয়ে শিথিল করে (কঠিন সাধন)
সংকল্পের বাঁধন, যাচি তার নিবারণ।
ঈর্ষাতুরের বিদ্বেষ যে ক্ষতি করে-
শরণ যাচি, পানাহ্ মাগি তাহার তরে।

ফরিদপুর জেলাফরিদপুরের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত সুফী সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের নামানুসারে।
17/10/2015

ফরিদপুর জেলা

ফরিদপুরের নামকরণ করা হয়েছে এখানকার প্রখ্যাত সুফী সাধক শাহ শেখ ফরিদুদ্দিনের নামানুসারে।

শরীয়তপুর জেলাবৃটিশ বিরোধী তথা ফরায়েজী আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাজী শরীয়ত উল্লাহর নামানুসারে শরীয়তপুরের নামকরণ করা হয়। ১৯৮৪...
17/10/2015

শরীয়তপুর জেলা

বৃটিশ বিরোধী তথা ফরায়েজী আন্দোলনের অন্যতম নেতা হাজী শরীয়ত উল্লাহর নামানুসারে শরীয়তপুরের নামকরণ করা হয়। ১৯৮৪ সালে ১লা মার্চ শরীয়তপুর জেলা শুভ উদ্বোধন করেন তৎকালীন তথ্য মন্ত্রী জনাব নাজিম উদ্দিন হাসিম।

ভালো একজন বন্ধু যতোই ভুল করুক , তাকে কখনও ভুলে যেও না। কারণ,পানি যতোই ময়লা হোক, আগুন নিভাতে সেই পানিই সবচেয়ে বেশি কাজে ল...
27/09/2015

ভালো একজন বন্ধু যতোই ভুল করুক , তাকে কখনও ভুলে যেও না। কারণ,পানি যতোই ময়লা হোক, আগুন নিভাতে সেই পানিই সবচেয়ে বেশি কাজে লাগে।

কিছু রাত স্বপ্নের, কিছু স্মৃতি কষ্টের, কিছু সময় আবেগের, কিছু কথা হৃদয়ের, কিছু মানুষ মনের, কিছু বন্ধু চিরদিনের.
27/09/2015

কিছু রাত স্বপ্নের, কিছু স্মৃতি কষ্টের, কিছু সময় আবেগের, কিছু কথা হৃদয়ের, কিছু মানুষ মনের, কিছু বন্ধু চিরদিনের.

26/09/2015
চোখের ছোটখাটো সমস্যায় 'আই ড্রপ' ব্যবহারকরি আমরা। বিজ্ঞানীরা নতুন এক ধরনের আই ড্রপনিয়ে কাজ করছেন। তাদের দাবি, চোখের ছানিপ...
29/07/2015

চোখের ছোটখাটো সমস্যায় 'আই ড্রপ' ব্যবহার
করি আমরা। বিজ্ঞানীরা নতুন এক ধরনের আই ড্রপ
নিয়ে কাজ করছেন। তাদের দাবি, চোখের ছানি
পড়ার মতো সমস্যা দূর করতে আর সার্জারির
প্রয়োজন হবে না। এই আই ড্রপের মাধ্যমেই
অন্ধত্ব থেকে রক্ষা পাবে মানুষ। তবে এখন
পর্যন্ত গবেষণার পর্যায়ে রয়েছে আই ড্রপটি।
বিজ্ঞান বিষয়ক জার্নাল 'নেচার'-এ প্রকাশিত
গবেষণাপত্রে বিজ্ঞানীরা জানান, চোখের যে
সমস্যায় সবচেয়ে বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়ে
থাকেন, তা হলো ছানি। সাধারণত বয়সের কারণে
চোখে ছানি পড়ে। তবে ট্রমা, রেডিয়েশন বা
জন্মগত কারণেও ছানি পড়তে পারে। অন্ধত্ব
থেকে বাঁচতে গোটা বিশ্বে প্রতিবছর ১
কোটিরও বেশি মানুষকে অপারেশন থিয়েটারে
ছুরি-চাকুর নিচে শুতে হয়। এখন পর্যন্ত চোখের
লেন্সের এই ঘোলা উপাদান দূর করতে সার্জারিই
বহুল ব্যবহৃত।
যদিও সার্জারি এখন পর্যন্ত নিরাপদ এবং সমস্যার সুষ্ঠু
সমাধান দেয়। কিন্তু অনেক মানুষের পক্ষে
সার্জারি নেওয়া সম্ভব হয় না। অর্থনৈতিক বা স্বাস্থ্যগত
কারণে চোখের সংশ্লিষ্ট অপারেশন করতে
পারেন না তারা। বর্তমানে যারা এ সমস্যায় ভুগছেন,
আগামী ২০ বছরে এদের সংখ্যা দ্বিগুণ হয়ে
যাবে। তাই সার্জারির বিকল্প বের করতেই এ
গবেষণা প্রচেষ্টা।
চীনের গুয়াংঝুয়ের সান ইয়াত-সেন ইউনিভার্সিটির
গবেষক কাং ঝাং জানান, প্রাকৃতিক উপায়ে উৎপন্ন এক
ধরনের উপাদান, যার নাম 'ল্যানোস্টেরল'। একে
আই ড্রপের মাধ্যমে ছানিতে প্রয়োগ করা হয়।
দেখা যায়, ছানির বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে গেছে। এমনকি
যে ছানি ইতিমধ্যে পড়েছে তাও দূর হয়ে
গেছে। চোখের লেন্স গঠনে যে
প্রোটিন কাজ করে তা গুচ্ছ আকারে জমা হয়ে
ছানির সৃষ্টি করে। ল্যানোস্টেরল সেই
প্রোটিনকে দূর করে দেয়।
দুটো শিশুর চোখে ওই আই ড্রপ প্রয়োগ করা।
এতে বেশ সুফল পাওয়া গেছে। ঝাং এবং তার
সহকর্মীরা দেখেন, দেহের যে জিন
চোখে ছানি সৃষ্টিতে দায়ী, আই ড্রপটি তার
সঙ্গে ক্রিয়া করছে এবং এর বৃদ্ধি রোধ
করেছে।
প্রাথমিক পর্যায়ে কুকুরের চোখের ছানিতে
ল্যানোস্টেরল প্রয়োগ করে কার্যকারিতার
প্রমাণ পাওয়া যায়। টানা ছয় সপ্তাহের চিকিৎসায়
কুকুরের চোখের ছানির পরিমাণ দারুণভাবে কমে
যায়। সূত্র : এমএসএন

Address

Ani20ani15@gmail. Com
Nagerpara

Telephone

01722794547

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সিফা - Sefa নাগেরপাড়া posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share