16/08/2022
কবিতাঃ– গাঞ্জাখোর!
লেখকঃ– মুন্সী মোঃ মুহিব্বুল মুত্তাকিন।
রচনাকালঃ– ১৬/০৮/২০২২...
─────────────────────❐
খেয়েছি গাঞ্জা' দুলছে মাঞ্জা' ঘুরছে আমার মাথা,
বৃষ্টি মাঝেও হাঁটতে বেড়োই সঙ্গে রাখিনা ছাতা!
দুপুর বেলাতে ঘুমিয়ে পড়ি বিকালকে ভাবি ভোর,
পেছন থেকে লোকেরা বলে' ঐযে গাঞ্জাখোর।
জীবন কাটাই নিজ খেয়ালে রাখিনা ভবের খোঁজ,
মস্তিষ্ক মোর থমকে দাঁড়ায় গাঞ্জা না পেলে রোজ।
নেশার বশে বশীভূত আমি রক্তরঙা চোখ,
গাঞ্জার টানে দেখিতে যে পাই' ভবিষ্যৎ-পরলোক।
অচেতন হয়ে পথের বাঁকে বসে থাকি মহা-ধ্যানে,
ভদ্র ছেলের মুখোশ পরি' থাকি যখন সজ্ঞানে।
গ্রামের ছেলেরা উৎসাহ দিয়ে বলে' তুমি তো বিশ্বসেরা,
যে কোন মেয়ে প্রেমে পরে যাবে দেখিলে এই চেহারা!
আমিতো তখন প্রমোদে ভাসি শুনিয়া তাদের কথা,
যাকেই দেখি সে পাশ কেটে যায়' আমি যেন বিষলতা।
বিবেকের কাছে প্রশ্ন করি' কি আছে আছে মাঝে?
সবাই আমার দূরে সরে যায় বাঁধা পাই সকল কাজে।
বিবেক আমায় ডেকে বলে ওহে তুমিযে গাঞ্জাখোর,
তোমার থেকেও সম্মানে আছে পাড়ার ছিস্কেচোর।
কবিতাটির মূল উদ্দেশ্যঃ– আমাদের এই যুবসমাজের প্রায় প্রত্যেক ছেলেই সিগারেট, গাঞ্জা, ইয়াবা, ফেনসিডিল সহ বিভিন্ন প্রকার মাদকদ্রব্যে নেশাগ্রস্থ হয়ে গেছে। এবং তারা মনে মনে নিজেকে অনেক মহৎ ভাবে ও শক্তিশালী বলে গণ্য কর চায়। তবে তারা সজ্ঞানে থাকাকালীন সময়ে মুরুব্বিদের সামনে এমন ভাব করে থাকে, যেন সে একেবারেই মাদকদ্রব্য সম্পর্কে কিছুই জানেনা/এক কথায় অবুঝ বালক। তাই শুধুমাত্র সেইসব নেশাগ্রস্থ যুবক ভাইদেরকে উদ্দেশ্য করে এবং তাদেরকে শুধরে যাওয়ার আবেদন জানিয়ে, আজকের এই কবিতাটি সকলের সামনে প্রকাশ করলাম। কবিতাটি প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত একটু মনোযোগ দিয়ে পড়লেই তারা তাদের অবস্থানটা নির্ণয় করতে পারবে, ইনশা-আল্লাহ!