DipTa BhaTta

DipTa BhaTta Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from DipTa BhaTta, Business service, tularompur rode, Narail.

হাতটা ধরে পথটা ভুলে মনের কথা কবো।
03/05/2024

হাতটা ধরে পথটা ভুলে মনের কথা কবো।

08/04/2024

হাতিয়াড়া, এগারোখান || পাট পূজা! শিব পূজা 🙏🔱

27/10/2023

ক্লাস সেভেন পর্যন্ত আম্মা আমারে প্রতিদিন ১০ টাকা করে দিতো। এরপর সেভেনে উঠে আমি স্ট্রাইক করা শুরু করি কারণ আমার স্কুলের ক্যান্টিনের বার্গারের দাম ছিলো ১৫ টাকা। এরপর আম্মা প্রতিদিন ২০ টাকা করে দেয়া শুরু করে। মোটামুটি ক্লাস টেন পর্যন্ত আমার স্ট্রাইক করতে হয় টাকা পয়সার জন্য।' তারপর আম্মাকে অনেকভাবে পটাই বুঝাইই যে, আমি এখন বড় হইছি একটু টাকা বাড়াই দাওও। বিষয়টা এমন না যে, আমার মা বাবা অনেক গরীব। কিন্তু আম্মার এক থিওরি, কষ্ট করে বড় হইলে নাকি জীবনে উন্নতি করা যায়।
জীবনে কতটুকু উন্নতি করতে পারছি জানি না, তবে একটা বিষয় শিখছি। এখন চাইলে এক-টাকা খরচ না করেও দিন চলতে পারি আবার মন চাইলে ৫০০ টাকা এক বসায় খেয়ে চলে আসি।
আমরাই হয়তো শেষ জেনেরেশন যাদের এই ১০ টাকা ২০ টাকার গল্প থাকবে। পরবর্তী জেনেরেশন এসব শুনলে হয়তো কখনোই বিশ্বাস করতে চাইবে না। বিশ্বাস করুক আর না করুক, এইযে মা বাপরে মানিয়ে ১০ টাকা থেকে ২০ টাকা নেয়ার যে প্রশান্তি না এটা এখনকার বাচ্ছাকাচ্ছারা আর পাবে না। আমাদের মা বাবা আমাদের কষ্ট দেয়নি কিন্তু কষ্ট করে বড় হওয়া শিখিয়েছে।

©Saikat Islam

09/06/2023

আমার মন মজাইয়ারে | DipTa BhaTta

09/06/2023

কোনো একদিন আমায় তুমি খুজবে! ❤️

03/06/2023

- মালিয়াট অভিযোগ কেন্দ্র প্লিজ লাইনে বিদ্যুৎ চলাচল অফ করেন প্রচুর শীত করে তো!!

28/05/2023

বউয়ের চামড়া কালোর জ্বালায় পুরুষ কি আর কান্দে?
পুরুষ কান্দে পইড়া তাদের ছল চাতুরীর ফান্দে।

অন্তর আত্মা ভালো হইলে কালো হলেও চলে
মন পচাঁদের গায়ের চামড়া সাদা হলেও জলে।

চামড়া হলো চোখের শান্তি মনের শান্তি মন
রূপ হইল ভাই রূপক জিনিস মন অমূল্য ধন।

রূপ এবং গুণ দুটুই থাকে যে মানুষের মাঝে
লোক সমাজে তারা রাতের চন্দ্র তারা সাজে।

যাদের মাঝে রং রূপ আছে গুণের বালাই নাই
এমন রূপে হয় শুধু ভাই মানুষ পুইড়া ছাই।

যাদের আবার মনটা ভালো রং টা একটু কালো
এই কালোতে বিরাজ করে স্বর্গ সুখের আলো।

কমলালেবুর রূপ এবং গুণ দুটোই আছে তাই
দেখলে তারে চক্ষু জুরায় খেয়েও শান্তি পাই।

মাকাল ফলের রূপ থাকিলেও অন্তর কালো বলে
অবহেলায় থেঁতলে মরে লোকের পায়ের তলে।

নারিকেলের চামড়া দেখেন কেমন পুড়া পুড়া
গুন থাকাতে এর দাম এখন তিন "শ" টাকা জোড়া।

কমলার মত রূপবতী গুণবতী পেলে
হাসিমুখে বেঁধে নিতে পারেন তারে গলে।

রংটা একটু কালো হইলেও নাই কোন ভাই ক্ষতি
বুকের ভেতর থাকে যদি হিরা মুক্তা মতি।

রূপ থাকিলেও যদি কারো গুন না থাকে তবে
সঙ্গী করার আগে তারে দেখো একটু ভেবে।

সঙ্গী নির্বাচন
ফেরদৌস আহমেদ।

আমার "কালের চিত্র" বইটি কেউ নিতে চাইলে মেসেজ করুন আমার পেইজে, অথবা ফোন করুন আমার এই নাম্বারে।
01407279266

28/05/2023

আবুল মিয়া ফর্সা মানুষ, বউটা তাহার কালো
এই কারণে বউটা বেশি ,লাগে না তার ভালো।

বউটা আবার কালো হইলেও, বড় ঘরের বেটি
বাপের ঘরে খাইছে শুধু ,বড় মাছের পেটি।

ভালো খেয়ে বড় হওয়া ,এই বেচা*রির মুখে
স্বামীর ঘরের ভর্তা ভাজি ,পান্তা কি আর ঢোকে।

বউয়ের জ্বালা জামাই গরিব, স্বামীর বউ তার কালো
দুইজনেই কয় এমন সংসার, ভেঙ্গে দেওয়াই ভালো।

দুইজনেই ভুইলা তাদের, দুই মানিকের কথা
সোনার সংসার ভেঙ্গে দিল, এ দুই মাতা পিতা।

নিজের ভুলে পথ হারিয়ে, পথভোলা এই নারী
নিজেই নিজের ঘর ভাঙ্গিয়া, গেল বাপের বাড়ি।

ভেবেছিল ভাইয়েরা তার, আগের মতই আছে
আগের মতই বাসবে ভালো টানবে বুকের কাছে।

বাপের বাড়ি গিয়ে দেখে ভাবনাটা তার ভুল
ভাই ভাবিদের হাতে এখন ,বিষ কাঁটা আর হূল।

কথায় কথায় কথার খুটার, হূল কাঁটা দেয় গায়
পাড়াপড়শি ও কাটা গায়ে ,লবণ দিয়ে যায়।

ভাই ভাবীদের কাছ থেকে এই, আঘাত পাওয়ার পর
বুঝতে পারে স্বামীর ঘরেই, নারীর আসল ঘর।

হেলায় হেলায় ঘর ভাঙ্গিয়া ,ঘর হারা এই নারী
চোখের জলে বক্ষ ভাসায় ,বইসা বাপের বাড়ি।

ওইদিকে তার স্বামী আবার, করছে আরেক বিয়ে
বিয়ে করে পড়ছে জ্বালায়, বাচ্চা দুটো নিয়ে।

এমনিতেই এই বাচ্চা দুটোর, মা নাই তাদের কাছে
এখন আবার সৎ মা তাদের, লেগে থাকে পাছে।

খানা খাদ্য খায় না ওরা ,সারাটা দিন ঝিমায়
এদের নিয়ে বাপটা পরছে, ফাটা বাঁশের চিপায়।

চিপায় পইরা বাপটা কান্দে, বাচ্চা বাপের দোষে
মা টা কান্দে ঘর হারাইয়া, ভাইয়ের ঘরে বসে।

এই যে এত কান্নাকাটি, এত চোখের জল
সবটা হইলো হেলায় হেলায় ,ঘর ভাঙ্গিবার ফল।

কারো বুকে ঘর ভাঙ্গিবার ,স্বপ্ন যদি জাগে
এদের একটু দেইখা নিও, ঘর ভাঙ্গিবার আগে।

শিরোনাম :-তা*লা*কের কু*ফল
লেখায় :-আমি ফেরদৌস আহমেদ।
ছবি সংগৃহীত

আমার কালের চিত্র বইটি কেউ সংগ্রহ করতে চাইলে মেসেজ করুন আমার পেইজে অথবা ফোন করুন আমার এই নাম্বারে।

01407279266

29/04/2023

আমি বিয়ে করতে চাইনা। বাসা থেকে একরকম জোর করেই আমাকে বিয়ে দিতে চাচ্ছে। বাসায় কিছুতেই বুঝতে চাচ্ছেনা আমি আসলে আরো একটু সময় নিতে চাই। কি দরকার এত তারাহুরো করার? ইস! কে বোঝাবে আমার বাসায়? গতকাল আম্মার সাথে কথপোকথন:

-ভাত খাইছো?
-খাইছি আম্মা।
-কি খাইছো?
-কি আর খাবো, এখানে যা রান্না করে তাই খাইছি।
-কি রান্না করে?
-প্রত্যেকদিন গলা পানিতে মাছ, হাঁটু পানিতে শাক আর শক্ত শক্ত ভাত।
-কেন তুমি ভাল কিছু কিনে আনতে পারোনা? ভাল কিছু কিনে নিয়ে এসে রান্না করে দিতে বলবা।
-মানুষের বাসায় থাকি। আমার কি আর বউ আছে, যে আমারে সুন্দর সুন্দর রান্না কইরা খাওয়াবে?
-কি বললা?
-না আম্মা বললাম মানুষের বাসায় থাকলে নিজের ইচ্ছার কোন প্রাধান্য থাকেনা। তাই নিজের কেউ থাকলে অন্তত আমার জন্য ভালোমন্দ কিছু রান্না করে খাওয়াতো।
-বুঝছি তুমি কি বলতে চাও। কিন্তু এখনতো সম্ভবনা। আগে তোমার বড় ভাইয়ের বিয়েটা হোক।

আব্বার সাথে কথপোকথন:

-কোথায় আছো?
-অফিসে।
-আজকে না হরতাল অফিসে কি কর?
-হরতালেও আমাদের অফিস বন্ধ থাকেনা। তাছাড়া বাসায় বসে থেকেই বা কি করবো?
-মানে? বাসায় করার কিছু নাই?
-আমিতো একলা মানুষ, একাই থাকি। বাসায় গেলেই খালি খালি লাগে, তাই অফিস ই ভালো।
-খালি খালি লাগে মানে কি? তুমি না ফ্যামিলি বাসায় থাকো? ওরা কই গেল সব?
-না মানে ওরাতো সবাই আছে কিন্তু আমার নিজের আপন তো আর কেউ নাই যার সাথে ছুটির দিনটা অন্তত একটু আনন্দে কাঁটাতে পারি।
-ও বুঝছি, তোমার আসলে মায়েরে দেখতে ইচ্ছা করছে! ঠিক আছে আমি তোমার আম্মারে কয়েকদিনের জন্য ওখানে পাঠায় দিচ্ছি।
-:(

বড় ভাইয়ের সাথে কথপোকথন:

-তুই আমাকে না বলে ছোট চাচাকে বলছিস কেন?
-কি বলছি?
-তুই নাকি আমার জন্য বিয়ে করতে পারছিস না? আমি বিয়ে করার সাথে সাথেই নাকি তুই বিয়ে করবি?
-কই নাতো। আমিতো এসব কিছুই বলিনাই।
-বলিনাই মানে? চাচা নিজে আমাকে বলল।
-এমনি বলছে মনে হয়।
-এমনি বলবে কেন? তুই আমাকে বল তুই বিয়ে করতে চাস?
-না মানে ইয়ে, না আমিতো বিয়ে করতে চাইনা এখন!
-ঠিক আছে। তাইলে এবিষয়ে যেন আর কোন কথা না শুনি।
-আচ্ছা ঠিক আছে।

আপার সাথে কথপোকথন:

-কিরে তোর ভাগনার সাথে কি কথা হল?
-কি আর কথা হবে? ভাগনাতো আমার সাথে কথাই বলতে চায়না। শুধু মামী মামী করে।
-মামী মামী করে মানে কি?
-আরে ফোনটা মুখে নিয়ে মা্ম্মমী...মাম্মমী.. করতে থাকে। ছোট মানুষের কথা আমি বুঝতে পারি। ও আসলে মামী মামী করে।
-ও মামী মামী করে নাকি তুই নিজেই ভাগনার জন্য মামী আনতে চাস?
-ছি আপা, আমি এটা চাইতে পারি?
-ঠিক আছে। তোর শরীর ভালোতো?
-ভাল থাকে কি করে, ঠিক মত খাবার ই পাইনা। কেউ একজন নাই যে একটু ভাল মন্দ রান্না করে খাওয়াবে। এমনকি প্রত্যেকদিন একই কাপড় পরে অফিসে যাই, সেদিকে নজর দেবারও কেউ নাই।
-বুঝছি। ভাগনার মাম্মমী মাম্মমী ভাল মত বুঝছি।

আমি আসলে বিয়ে করতে চাইনা। কি করবো বাসার প্রেসার। মনে হচ্ছে এবার বিয়েটা না করা পর্যন্ত কেউ শান্তিতে থাকতেই দিবেনা। দেখলেন ই তো আম্মা, আব্বা, ভাইয়া, আপা সবাই উঠে পরে লেগেছে আমার বিয়ে দেবার জন্য। এমনকি তিন বছরের ছোট ভাগনেটাও মাম্মমী মাম্মমী বলে একটা মামী চাইছে। আমি আসলে বিয়ে করতে চাইনা! :P
-
-
ছবিতে ফলের ঝড়ির কালোজিরা পোলার চাউল ♥️♥️

29/04/2023

ছবিটা দেখার পর কি ভাবছেন আপনি ❓
সেটা আমি জানি।
আপনি ভাবছেন,
এরা তাদের নির্দিষ্ট জায়গায় নেই। এরা
যেখানে আছে, সেটা তাদের জায়গা নয়।
মানে তারা ভুল জায়গায় আছে।
যদি পেন্সিলের সাথে শার্পনারটা থাকতো,
আর নাটের সাথে স্ক্রু'টা থাকতো তাহলে মানাতো।
যদি তেমনটা থাকতো তাহলে কি হতো?
শার্পনারটা পেন্সিলকে একটু একটু করে নিঃশেষ করে ফেলতো। আর নাট'টা স্ক্রুটাকে এমনভাবে পেঁচিয়ে রাখতো, নাট'টার জীবন ওখানেই আটকে যেতো। না পারতো সে সামনে যেতে, না পারতো সে পেছনে যেতে।
পেন্সিলের জীবনটা শেষ হয়ে যেতো,
স্ক্রু'র জীবনটাও থেমে যেতো।
আসলে মাঝে মধ্যে জীবনে চলার পথে আমরা যেটাকে নিজেদের সাথে মানাবে বা খাপখাবে বলে ভাবি বা গ্রহণ করি, সেটাই কদাচিৎ আমাদেরকে তিলে তিলে নিঃশেষ করে দেয়।
মাঝেমধ্যে মানানসই জিনিসটাই সবচাইতে বেমানান ও ক্ষতির কারণ। তাই মাঝেমধ্যে বেমানানের সাথে মানিয়ে নিয়ে চলতে শিখুন।😊

©️

29/04/2023

সুখ~~
শ্বশুর মশাই নিজের বাটি থেকে টুক করে একটা মাংসের টুকরো বৌমার পাতে দিয়ে দিলেন। বৌমা অপ্রস্তুত অবস্থায় পড়ে বলে, 'এ কি করলেন বাবা? আপনিই খান। সারাদিন আপনার যা পরিশ্রম'! মাংসের টুকরোটি ফেরত দেওয়ার জন্য সে জেদাজেদি করতে থাকে।
শ্বশুর মশাই অর্ধেন্দু বিশ্বাস তৃপ্ত মনে বৌমাকে বলেন, 'মা, আজ আমি খুব খুশি হয়েছি'।
বৌমা লিপা কৌতুহলী হয়ে জানতে চায়, 'কেন বাবা? কি হয়েছে'?'
অর্ধেন্দু বাবুর একটি বই বাঁধাইয়ের দোকান রয়েছে। বই বাঁধাইয়ে খুব নাম-ডাক তাঁর। অঢেল কাজ। বাড়ির সঙ্গেই দোকান। বাড়ির মধ্যেই রয়েছে আরও দুটি রুম। সংকীর্ণ জায়গা। বাড়ির চতুর্দিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ডাঁই করা বই। একটি রুমে থাকেন লিপার শ্বশুর ও শাশুড়ী। আরেকটি রুমে লিপা ও তাঁর স্বামী। এছাড়াও রয়েছে এক অবিবাহিত ননদ। ননদটি কখনো বাবা মায়ের রুমে, কখনো সিঁড়ির নিচে থাকে। রাস্তার ধারের রুমটায় সারাদিন বই বাঁধাইয়ের কাজ করেন অর্ধেন্দু বাবু। ছেলেও হাত লাগান কাজে। লিপার বয়স অল্প। উচ্চ মাধ্যমিক পাশের পর সদ্য বিয়ে হয়েছে। শ্বশুর মশাইয়ের অনুপ্রেরণায় পড়াশোনা চালিয়ে যায় লিপা। কলেজে ভর্তি হয়েছে ম্যাথেমেটিক্স অনার্স নিয়ে। পড়াশোনা সেরে লিপা আজ শ্বশুর মশাইয়ের বই সেলাইয়ের কাজে হাত লাগিয়েছিল। কাজের ফাঁকে ফাঁকে পছন্দের বই গুলো একটু একটু করে পড়েও নিচ্ছিল। সেই দেখে শ্বশুর মশাই আজ খুব খুশি। সেই সূত্র ধরে শ্বশুর মশাই বৌমার প্রশ্নের জবাবে বলেন, 'আজ আমি খুব খুশি। নতুন বিয়ে হয়েছে। এইটুকু একটা মেয়ে! সব জড়তা ছেড়ে আজ তুমি বই বাঁধাইয়ের কাজ করলে। তোমারই সংসার। এইভাবেই সংসারটাকে আগলে রেখো মা'।
এতক্ষণ শাশুড়ী মা চুপ করে ছিল। তিনি এবার অভিমানী সুরে বললেন, 'আমি কেউ নই বুঝি! এতো বছর রেঁধে বেড়ে খাওয়ালাম যে!'
শ্বশুর মশাই খুনসুটি করে বললেন, 'হুম, তাই উনি শুধু রান্না ঘরটাই চেনেন, বই বাঁধাই ঘরটা চিনতেই পারলেন না'!
সবাই হা হা করে হেসে উঠলো। খাওয়া শেষে সকলের বিছানা রেডি করে দিয়ে লিপা গেল ননদের কাছে। তাঁর কয়েকটা ম্যাথের প্রবলেম সলভ করে দিয়ে লিপা বললো, 'চল, এখন একটু লুডো খেলি'।
ননদ তো আনন্দে এক পায়ে খাড়া। লুডোর আসরে একে একে যোগ দিল লিপার শ্বশুর ও স্বামী। ওদিকে লিপার শাশুড়ী এক কোনে বসে ঘনঘন হাই তুলছে।
লিপার শ্বশুর মশাই শাশুড়ীকে বললেন, 'ওগো শুনছো! ঘুমিয়ে পড়ো যাও! আগামীকাল ভোর ভোর উঠতে হবে'।
লিপা কৌতুহলী হয়ে জানতে চায়, 'কেন? ভোরে উঠবে কেন'?
শশুর মশাই বললেন, 'একটা সারপ্রাইজ আছে'।
সবাই চুপ। সবাই ভাবছে, কি সারপ্রাইজ! লিপা জিদ ধরলো, 'আর টেনশন নিতে পারছি না। বলেই দাও না বাবা'।
শশুর মশাই বললেন, 'আগামীকাল সকাল সকাল আমরা সবাই মিলে মহিষাদল রথের মেলা যাবো'।
আনন্দে নেচে উঠলো লিপা। ননদ গিয়ে জড়িয়ে ধরলো বৌদিকে। লিপা আনন্দে বললো, 'বাবা, আমি ফুচকা খাবো'।
শ্বশুর মশাই আবেগ প্রবন হয়ে বললেন, 'আচ্ছা, আচ্ছা মা! যা খাবে তাই খাওয়াবো'।
এরপর প্রত্যেকেই দ্রুত বিছানায় চলে গেলো।

এরপর মাঝে কেটে গেল দশটা বছর। শ্বশুর মশাই মারা গেছেন ইতিমধ্যে। যুগের পরিবর্তনে ডিজিটাল মিডিয়ার আগ্রাসনে ছাপা বইয়ের জনপ্রিয়তাও কমেছে। ফলে বই বাঁধাইয়ের দোকানটাও বন্ধ হয়ে গেল। বছর পাঁচেক হল লিপা একটি হাইস্কুলে চাকরি পেয়েছে। লিপার একটি সন্তানও হয়েছে। স্বামী একটা ছোট কোম্পানিতে কাজ করে এখন। ননদ বিয়ে করে চলে গেছে। শাশুড়ী মাতা আধ্যাত্মিক জগতে নিজেকে বন্দী করেছেন। সেই ছোট্ট একতলা বাড়িটা আজ আরও আধুনিক হয়েছে। সেটি এখন তিনতলা। ফ্লোরে মার্বেল দেওয়া। বাথরুম, কিচেন সবই আধুনিক।
এক গ্রীষ্মের সন্ধ্যায় লিপা বাড়ির তিনতলায় একটি ঘরে এ সি চালিয়ে একাকী বসে আছে। এমনিতেই সময় কাটছে না লিপার। তার উপর একটু আগেই একটা ছোট বিষয় নিয়ে স্বামীর সাথে প্রবল ঝগড়া হয়েছে। স্বামী রাগ করে বেরিয়ে গেছেন বাজারে। ছেলে এক তলার একটি রুমে পড়াশোনা করছে। শাশুড়ী মাতা একটি অন্ধকার ঘরে ধ্যান করছেন। লিপার হঠাৎ চোখ পড়লো দেওয়ালে টাঙানো শ্বশুর মশাইয়ের ফটোটার দিকে। পরম যত্নে ফটোটা নামালেন লিপা। তাঁর চোখে জল। ফটোটা ভালো করে মুছে বিড়বিড় করে রুদ্ধ কন্ঠে লিপা বললো, 'বাবা, আগে ছোট ঘর ছিল। অনেক মানুষ ছিল। থাকার জায়গা ছিল না। কিন্ত অনেক আনন্দ ছিল। জীবনে সুখ ছিল। আর আজ অনেক বড় ঘর হয়েছে। মানুষের সংখ্যা কমে গেছে। থাকার জায়গারও অভাব নেই। কিন্তু আজ আর আনন্দ নেই। জীবনে সুখ নেই'।

সুখ © রূপেশ কুমার সামন্ত

***ছবিতে আজলদীঘী লাল আমন চাল এর খুদের ভাত আর বাড়ির কবুতর এর দুইপিস মাংস 🙂

Address

Tularompur Rode
Narail

Telephone

+8801747637479

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DipTa BhaTta posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DipTa BhaTta:

Share