Narail - নড়াইল

Directions Website Contact the business

Narail - নড়াইল গর্বে ঐতিহ্যে নড়াইল
(13)

নড়াইল জেলা বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি জেলা। ১৮৬১ সালে যশোর জেলার অধীন নড়াইল মহাকুমা প্রতিষ্ঠিত হয়। নড়াইল শব্দটি স্থানীয় লোকমুখে নড়াল নামে উচ্চারিত হয়। ঐ সময় নড়াইল সদর, লোহাগড়া ও কালিয়া থানার সমন্বয়ে এই মহাকুমা গঠিত হয়। ১৯৮৪ সালের ১লা মার্চ নড়াইল মহাকুমাকে জেলায় রুপান্তরিত করা হয় ।

কোকের সাথে এখন গ্লাস ফ্রি দিচ্ছে দেখে অনেকেই হয়তো বলবে গ্লাসটা তো ফ্রিই একটা কিনলে ক্ষতি কী?  কিন্তু আমার কাছে ব্যাপারটা...
28/08/2026

কোকের সাথে এখন গ্লাস ফ্রি দিচ্ছে দেখে অনেকেই হয়তো বলবে গ্লাসটা তো ফ্রিই একটা কিনলে ক্ষতি কী? কিন্তু আমার কাছে ব্যাপারটা শুধু একটা গ্লাসের না। একসময় আমরা নিজের জায়গা থেকে কোক না কিনে প্রতিবাদ করেছি। নিজের বিবেক থেকেই সিদ্ধান্তটা নিয়েছিলাম। আজ একটা ফ্রি গ্লাসের জন্য সেই সিদ্ধান্তটা বদলে ফেলব?গ্লাসটা কয়েকদিন পর বাসায় পড়ে থাকবে, হয়তো একসময় ভুলেই যাব কোথা থেকে পেয়েছিলাম। কিন্তু কেন একসময় বয়কট করেছিলাম, সেই কারণটা যেন ভুলে না যাই। সবকিছুতেই হয়তো আমাদের অনেক কিছু করার সুযোগ নেই। কিন্তু অন্তত কী কিনব আর কী কিনব না এই সিদ্ধান্তটা তো আমাদের হাতেই।

প্রিয় নড়াইলকে নিয়ে ..
20/08/2026

প্রিয় নড়াইলকে নিয়ে ..

বাংলা সংগীতের প্রবাদপুরুষ: সুরসম্রাট কমল দাশগুপ্ত। জন্ম ও পৈত্রিক পরিচয়: কিংবদন্তি এই সংগীত ব্যক্তিত্ব ১৯১২ সালের ২৮ জুল...
26/07/2026

বাংলা সংগীতের প্রবাদপুরুষ: সুরসম্রাট কমল দাশগুপ্ত। জন্ম ও পৈত্রিক পরিচয়: কিংবদন্তি এই সংগীত ব্যক্তিত্ব ১৯১২ সালের ২৮ জুলাই তৎকালীন অবিভক্ত ভারতের কুচবিহারে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতা তারাপ্রসন্ন দাশগুপ্ত ছিলেন একজন উচ্চাঙ্গসংগীত অনুরাগী ও সফল ব্যবসায়ী। কুচবিহারে জন্ম হলেও তাঁর পৈত্রিক নিবাস ছিল তৎকালীন যশোর জেলার (বর্তমান নড়াইল জেলা) কালিয়া উপজেলার বেন্দা গ্রামে। তাঁর পুরো নাম ছিল কমলপ্রসন্ন দাশগুপ্ত, তবে তিনি 'কমল দাশগুপ্ত' নামেই সমধিক পরিচিতি লাভ করেন।শিক্ষাজীবন ও সংগীতে হাতেখড়িকমল দাশগুপ্তের শিক্ষাজীবন শুরু হয় কলকাতায়। ১৯২৮ সালে তিনি ক্যালকাটা একাডেমী থেকে প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিক পাস করেন এবং পরবর্তীতে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে বি.কম ডিগ্রি লাভ করেন।ব্যবসায়িক শিক্ষার ছাত্র হলেও সুরের প্রতি তাঁর আকর্ষণ ছিল জন্মগত। তাঁর সংগীতে প্রথম হাতেখড়ি হয় তাঁর বড় ভাই বিমল দাশগুপ্তের কাছে পরবর্তীতে তিনি বিখ্যাত সংগীতজ্ঞ দিলীপকুমার রায়, কৃষ্ণচন্দ্র দে (কানা কেষ্ট) এবং ঠুমরি সম্রাট ওস্তাদ জমিরুদ্দিন খাঁর অধীনে শাস্ত্রীয় সংগীতের উচ্চতর তালিম নেন। মীরার ভজনে সুরের প্রয়োগ ও গবেষণা করে ১৯৪৩ সালে তিনি বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সংগীতে ডক্টরেট (Doctorate in Music) ডিগ্রি লাভ করেন।সংগীতের মহাবিস্ময় ও সৃষ্টিশীলতা১৯৩৫ সালে কমল দাশগুপ্ত ভারতের বিখ্যাত গ্রামোফোন কোম্পানি এইচএমভি (HMV)-তে সংগীত পরিচালক হিসেবে যোগ দেন। তাঁর সুরারোপিত প্রথম গান "আমি সাঁঝের তারকা আমি", যা গেয়েছিলেন প্রণব রায়ের কথায় যুথিকা রায়। গানটি প্রকাশের পর রাতারাতি বিপুল लोकप्रियता পায়।বিপুল সৃষ্টি: তিনি তাঁর কর্মজীবনে প্রায় ৮,০০০ (আট হাজার) গানে সুরারোপ করেছিলেন। তাঁর সুর সৃষ্টির গতি ছিল বিস্ময়কর—তিনি প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ৪৫টি গানের সুর তৈরি করতেন। ১৯৫৮ সাল পর্যন্ত তাঁর অসাধারণ সুরের সংখ্যা ৭ হাজার ছাড়িয়ে যাওয়ায় এইচএমভি কোম্পানি তাঁর সুর সৃষ্টির ‘রজত জয়ন্তী’ (Silver Jubilee) পালন করে।চলচ্চিত্রে অবদান: তিনি প্রায় ৮০টি বাংলা চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেন। এর মধ্যে 'তুফান মেল', 'ঝামেলার প্রেম', 'এই কি গো শেষ দান', এবং ১৯৬৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত 'বধূ বরণ' উল্লেখযোগ্য। বাংলা ছাড়াও তিনি হিন্দি, উর্দু, তামিল এবং এমনকি একটি আমেরিকান চলচ্চিত্র ‘War Propaganda’-র আবহ সংগীত পরিচালনা করেন।স্বরলিপির নতুন পদ্ধতি: সংগীতে তাঁর একটি বড় আবিষ্কার হলো স্বরলিপি লেখার নিজস্ব একটি সংক্ষিপ্ত পদ্ধতি বা শর্টহ্যান্ড মেথড (Shorthand method for Swaralipi) উদ্ভাবন করা।নজরুল সংগীত ও ঐতিহাসিক কিছু সৃষ্টিকাজী নজরুল ইসলামের সাথে কমল দাশগুপ্তের ছিল অত্যন্ত নিবিড় সম্পর্ক। কবির অসুস্থতার পর তাঁর গানগুলোর বিশুদ্ধ সুর সংরক্ষণে কমল দাশগুপ্ত প্রধান ভূমিকা পালন করেন। এছাড়া ভারতীয় উপমহাদেশের বেশ কিছু ঐতিহাসিক গানের সুরকারও ছিলেন তিনি:১. রণসংগীত: নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর আজাদ হিন্দ ফৌজের বিখ্যাত রণসংগীত ‘কদম কদম বাড়ায়ে যা’-র সুরকার ছিলেন কমল দাশগুপ্ত।২. হায়দ্রাবাদের নিজামের গান: হায়দ্রাবাদের নিজামের গোল্ডেন জুবিলী উৎসবের বিশেষ গানটির সুর করার জন্য তাঁকেই আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।৩. ভাষা আন্দোলনের গান: ঢাকায় অবস্থানকালে তিনি আবদুল গাফফার চৌধুরী রচিত অমর একুশের গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’-র প্রথম স্বরলিপি বা সুরবিন্যাস করেছিলেন।ব্যক্তিগত জীবন ও উত্তরসূরিদের সংগীত ধারা১৯৫৬ সালে কমল দাশগুপ্ত ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং তাঁর নতুন নাম রাখা হয় কামাল উদ্দিন আহমেদ। একই বছর তিনি তাঁর প্রিয় ছাত্রী এবং নজরুলের গানের প্রখ্যাত কণ্ঠশিল্পী ফিরোজা বেগম-এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই দম্পতির তিন পুত্র সন্তান—তাহসিন আহমেদ, হামিন আহমেদ এবং শাফিন আহমেদ।পিতা ও পুত্রের মিউজিক্যাল মেলবন্ধন এবং ফিউশন (বিশ্লেষণ)পারিবারিক ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় কমল দাশগুপ্তের কনিষ্ঠ পুত্র শাফিন আহমেদ (১৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৬১ – ২৪ জুলাই ২০২৪) হয়ে ওঠেন আধুনিক বাংলা ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম পথিকৃৎ এবং প্রবাদপ্রতিম রক স্টার। আপাতদৃষ্টিতে পিতার শাস্ত্রীয় ও নজরুল সংগীতের ধারার সাথে শাফিনের 'রক ও ফিউশন' ঘরানার ভিন্নতা চোখে পড়লেও, তাঁদের অবদানের গভীরে এক অপূর্ব মিউজিক্যাল মেলবন্ধন ছিল:জেনেটিক সুরের জাদুকর: কমল দাশগুপ্ত যেভাবে রাগা ও ঠুমরিভিত্তিক ক্লাসিকাল সুরকে সাধারণ মানুষের বোধগম্য মেলোডিতে রূপান্তর করতেন, শাফিন আহমেদও ঠিক একইভাবে পশ্চিমা রক, ব্লুজ ও জ্যাজ মিউজিককে প্রাচ্যের মেলোডির সাথে ফিউশন করেন। শাফিনের গায়াকিতে যে ব্লুজি বা মেলোডিক টান ছিল, তা মূলত পিতার শাস্ত্রীয় সুরের নিখুঁত দীক্ষারই আধুনিক সংস্করণ।মাইলস (Miles) ও সুরের আধুনিকায়ন: বড় ভাই হামিন আহমেদকে সাথে নিয়ে শাফিন আহমেদ বাংলাদেশের কিংবদন্তি রক ব্যান্ড 'মাইলস'-এর মাধ্যমে বাংলা গানের নতুন বিপ্লব ঘটান। শাফিনের কণ্ঠে ও সুরে 'ফিরিয়ে দাও', 'কী জাদু', 'আজ জন্মদিন তোমার' বা 'চাঁদ তারা সূর্য'-র মতো গানগুলোতে যে শক্তিশালী 'গ্রুভভিত্তিক বেজ লাইন' ও 'সুরকাঠামো' দেখা যায়, তা প্রকারান্তরে কমল দাশগুপ্তের সেই সৃষ্টিশীল দূরদর্শিতারই আধুনিক রূপ।পিতার প্রতি উত্তরসূরির শ্রদ্ধা: শাফিন আহমেদ সবসময়ই সচেতনভাবে তাঁর বাবার ঐতিহাসিক কাজ ও সুরের উত্তরাধিকার বয়ে বেড়াতেন। বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মঞ্চে এবং টেলিভিশন অনুষ্ঠানে (যেমন বিটিভির 'এই কি গো শেষ দান' অনুষ্ঠান) শাফিন আহমেদ তাঁর বাবার সুর করা কালজয়ী গানগুলো রি-মেক করে নতুন প্রজন্মের কাছে পরিবেশন করতেন। তিনি মনে করতেন, তাঁর সুরের নিখুঁত পরিমাপ ও সংগীতে নিরীক্ষা করার সাহসটি সরাসরি পিতা কমল দাশগুপ্তের থেকে পাওয়া।শেষ জীবন ও মহাপ্রয়াণ১৯৬৭ সালে কমল দাশগুপ্ত সপরিবারে স্থায়ীভাবে ঢাকায় চলে আসেন। ১৯৭২ সালে তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন। জীবনের শেষ বছরগুলো তিনি অত্যন্ত সাধারণ ও নিভৃতে কাটিয়েছেন। ১৯৭৪ সালের ২০ জুলাই ঢাকার তৎকালীন পিজি হাসপাতালে (বর্তমান বিএসএমএমইউ) সুরের এই মহান জাদুকর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
সূত্র: ইউকিপিডিয়া।

19/07/2026

নেতানিয়াহু+ট্রাম্প+ফিফা সভাপতি নিন্দাবাদ।
অভিনন্দন স্পেন ✌️
ভালোবাসা ফিলিস্তিন ❤️

27/05/2026

সুন্দরবনের বাঘের বিরলতম দৃশ্য








27/04/2026
নড়াইলের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নড়াইল সরকারী ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক অধ্যাপক মুন্সী হাফিজুর রহমান চলে গেলেন না ফেরার দেশে...
24/04/2026

নড়াইলের সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, নড়াইল সরকারী ভিক্টোরিয়া কলেজের সাবেক অধ্যাপক মুন্সী হাফিজুর রহমান চলে গেলেন না ফেরার দেশে।

নড়াইলের প্রচারবিমুখ পরমাণু বিজ্ঞানী: নির্মল কুমার দাশবাংলাদেশের মাটিতে এমন অনেক গুণী মানুষ জন্মেছেন, যাদের অবদান নিভৃতে ...
28/03/2026

নড়াইলের প্রচারবিমুখ পরমাণু বিজ্ঞানী: নির্মল কুমার দাশ

বাংলাদেশের মাটিতে এমন অনেক গুণী মানুষ জন্মেছেন, যাদের অবদান নিভৃতে থেকেও ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল হয়ে আছে। তেমনই এক অনন্য প্রতিভার নাম *নির্মল কুমার দাশ*—নড়াইলের এক প্রচারবিমুখ পরমাণু বিজ্ঞানী, যার জীবন ও কর্ম আজও অনুপ্রেরণার উৎস হতে পারে নতুন প্রজন্মের জন্য।

🎓 শিক্ষাজীবনে অসাধারণ সাফল্য

শৈশব থেকেই মেধা ও অধ্যবসায়ের এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ছিলেন নির্মল কুমার দাশ।

* ১৯৬৬ সালে *সিংগাশোলপুর কে.পি মাধ্যমিক বিদ্যালয়* থেকে এসএসসি পরীক্ষায় যশোর বোর্ডে *দ্বিতীয় স্থান* অর্জন করেন।
* ১৯৬৮ সালে *নড়াইল সরকারি ভিক্টোরিয়া কলেজ* থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় একই বোর্ডে *প্রথম স্থান* অধিকার করেন।

এই ধারাবাহিক সাফল্যই তার ভবিষ্যৎ বিজ্ঞানী হয়ে ওঠার ভিত্তি গড়ে দেয়।

🏫 উচ্চশিক্ষা ও বিদেশ যাত্রা

পরবর্তীতে তিনি *বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (BUET)*-এ অধ্যয়ন শুরু করেন। তিন বছর অধ্যয়ন শেষে ১৯৭২ সালে উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে রাশিয়ায় পাড়ি জমান। সেখানে রাশিয়ান সরকারের তত্ত্বাবধানে তিনি উন্নত বিজ্ঞান গবেষণায় যুক্ত হন।

🔬 বিজ্ঞান ও কৃষিতে অবদান

রাশিয়ায় অবস্থানকালে নির্মল কুমার দাশ বিজ্ঞানভিত্তিক কৃষি চর্চায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষিকে আরও উৎপাদনশীল ও কার্যকর করার ক্ষেত্রে তার অবদান উল্লেখযোগ্য বলে ধারণা করা হয়।

একই সঙ্গে তিনি পরমাণু বিজ্ঞানের বিভিন্ন ক্ষেত্রেও কাজ করে সাফল্য অর্জন করেন। তার গবেষণা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও গুরুত্ব পেয়েছিল বলে জানা যায়।

👨‍👩‍👧 ব্যক্তিগত জীবন

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি এক কন্যা সন্তানের জনক ছিলেন। প্রচারবিমুখ হওয়ায় তার ব্যক্তিগত জীবন সম্পর্কে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না, যা তাকে আরও রহস্যময় করে তোলে।

🇧🇩 দেশে প্রত্যাবর্তন ও রহস্যময় অধ্যায়

২০০০ সালের দিকে তিনি বিশেষ কৌশলে বাংলাদেশে ফিরে আসেন এবং স্থায়ীভাবে বসবাসের চেষ্টা করেন। কিন্তু পরবর্তীতে রাশিয়ার দূতাবাসের হস্তক্ষেপে তাকে পুনরায় রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া হয়—যা তার জীবনের এক রহস্যময় অধ্যায় হিসেবে রয়ে গেছে।

🌍 আন্তর্জাতিক সম্পর্ক

শোনা যায়, তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট *ভ্লাদিমির পুতিন*-এর ঘনিষ্ঠদের একজন ছিলেন এবং সর্বদা সরকারি নজরদারিতে থাকতেন। যদিও এই তথ্যগুলো যাচাইযোগ্য উৎসে নিশ্চিত নয়, তবুও তার গুরুত্ব ও প্রভাব সম্পর্কে একটি ধারণা দেয়।

🏡 জন্মস্থান

এই কৃতী বিজ্ঞানীর জন্ম নড়াইল জেলার *কালিয়া উপজেলার পুরুলিয়া গ্রামে*—একটি সাধারণ গ্রাম থেকে উঠে এসে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিজের অবস্থান তৈরি করেছিলেন।

✨ উপসংহার

নির্মল কুমার দাশ ছিলেন এমন এক বিজ্ঞানী, যিনি প্রচারের আলো থেকে দূরে থেকেও নিজের কর্ম দিয়ে ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন। তার জীবন আমাদের শেখায়—মেধা, পরিশ্রম এবং একাগ্রতা থাকলে ছোট জায়গা থেকেও বিশ্বজয় করা সম্ভব।

বিগত কয়েকদিন ধরে দেশে দেশে মাহে রমজানের ভিডিওগুলো দেখছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় আজকে দেখলাম ইনতিসার রহমান দীপ্ত মাদারীপুরে ...
20/03/2026

বিগত কয়েকদিন ধরে দেশে দেশে মাহে রমজানের ভিডিওগুলো দেখছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় আজকে দেখলাম ইনতিসার রহমান দীপ্ত মাদারীপুরে গেছেন ইফতার আয়োজন করতে। যাদেরকে নিয়ে এই আয়োজন করা হয়েছে, তাদের পরিবারে কেউ না কেউ প্রবাসে থাকেন কারো ভাই, কারো বাবা, কারো কাজিন।
​কেউ ৫ বছর, কেউ ৭ বছর ধরে প্রবাসে থাকার কারণে পরিবারের সদস্যদের সাথে তারা রোজা পালন কিংবা ইফতার করতে পারেন না এসব কথাই বলছিলেন তাদের পরিবারের সদস্যরা, যারা এই আয়োজনে অংশ নিয়েছিলেন। এছাড়া তারা তাদের পরিবারের কথা বলছিলেন, যারা তাদের প্রবাসে অবস্থানরত আত্মীয়দের কতটা মিস করেন। ইফতারের সময় ছোটখাটো বিভিন্ন জিনিসই তাদের কথা মনে করিয়ে দেয়, এসবই তুলে ধরছিলেন তারা। তারা যখন এসব বলছিলেন, তাদের ভেতরের কষ্টটা ভালোভাবেই টের পাচ্ছিলাম।
​তাদের এই দুঃখ-কষ্ট কিছুটা হলেও কমানোর জন্য এই ইফতারের আয়োজন করেছিল বিকাশ । ভিডিওতে দেখলাম বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলা আর মজাদার ইফতার আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি কাটান সকলেই। আসলে শুধু যারা প্রবাসী শুধু তারাই কষ্টে থাকে ব্যাপারটা এমন না; তাদের জন্য অধীর আগ্রহ আর অপেক্ষা নিয়ে দেশে থাকা প্রতিটা সদস্যও অনেক কষ্ট পায় এবং প্রবাসীদের মিস করে।
​প্রবাসীদের সম্মান জানিয়ে এই আয়োজন যারা করেছেন, তাদের সকলকে আমি জানাই আমার মন থেকে শ্রদ্ধা। এই সিরিজ চলতে থাকুক, আমি চাই এই উদ্যোগ দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়ুক। সকলের উচিত এমন সুন্দর উদ্যোগ গ্রহণ করা। এসব ভিডিও দেখতেও আলাদা শান্তি কাজ করে।

Address

Narail
7500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Narail - নড়াইল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Narail - নড়াইল:

Shortcuts

Share