Easy Audit Solution -EAS

Easy Audit Solution -EAS Audit সম্পর্কে যেকোনো ফ্রী পরামর্শ নিতে অথবা অডিট কনসালটেন্ট নিয়োগ দিতে যোগাযোগ করুন।
(1)

21/12/2025

বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬-এর ধারা ১৯ মূলত মৃত্যুজনিত ক্ষতিপূরণের (Compensation for Death) বিষয়ে আলোকপাত করে, যেখানে কোনো শ্রমিকের কর্মক্ষেত্রে বা কর্মক্ষেত্রের বাইরে মৃত্যু হলে তার নমিনি বা নির্ভরশীলদের জন্য নিয়োগকর্তার করণীয় এবং ক্ষতিপূরণের পরিমাণ (যেমন, ৩০ দিনের মজুরি বা ৪৫ দিনের মজুরি, যা বেশি) নির্ধারণ করে। এই ধারাটি শ্রমিকদের মৃত্যুতে আর্থিক নিরাপত্তা দিতে এবং নিয়োগকর্তার দায়িত্ব নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে, যা অন্যান্য সুবিধা (যেমন গ্র্যাচুইটি, প্রভিডেন্ট ফান্ড) ছাড়াও প্রযোজ্য হয়।
ধারা ১৯ (Section 19) এর মূল বিষয়:
মৃত্যুর কারণ: কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যু বা কর্মক্ষেত্রে বাইরে মৃত্যু (যদি কর্মী ২ বছরের বেশি সময় ধরে চাকরি করে থাকেন) উভয় ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
ক্ষতিপূরণের পরিমাণ:
সাধারণ মৃত্যুতে: মৃত শ্রমিকের নমিনিকে ৩০ দিনের মজুরি প্রদান করতে হবে (যদি কোনো নমিনি না থাকে, তবে নির্ভরশীলকে)।
কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনাজনিত মৃত্যুতে: প্রতি বছর চাকরির জন্য ৪৫ দিনের মজুরি বা ৬ মাসের বেশি সময়ের জন্য আনুপাতিক হারে, যা বেশি, তা দিতে হবে (অথবা গ্র্যাচুইটি, যা বেশি)।
অতিরিক্ত সুবিধা: এই ক্ষতিপূরণ প্রভিডেন্ট ফান্ড, গ্র্যাচুইটি (যদি ইতিমধ্যে ক্ষতিপূরণ হিসেবে ব্যবহৃত না হয়), ছুটির টাকা (Leave Encashment) এবং বোনাস ইত্যাদির অতিরিক্ত হিসেবে গণ্য হবে।
সংক্ষেপে: ধারা ১৯ নিশ্চিত করে যে, একজন শ্রমিকের আকস্মিক মৃত্যু হলে তার পরিবার যেন আর্থিক সহায়তা পায় এবং এটি নিয়োগকর্তার একটি বাধ্যতামূলক আইনি দায়িত্ব।

01/12/2025

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ,২০২৫ এর ১৩ নং অধ্যদেশ অনুযায়ী ধারা ২৭ এর উপ-ধারা ০৪ অনুযায়ী কোন স্থায়ী শ্রমিক কত বছর পর্যন্ত অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে ইস্তফা দিলে ক্ষতিপূরণ পাবার অধিকারী হবেন?

বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) অধ্যাদেশ,২০২৫ এর ১৩ নং অধ্যদেশ অনুযায়ী ধারা ২৭ এর উপ-ধারা ০৪ অনুযায়ী কোন স্থায়ী শ্রমিক যদি ০৩ বছর অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করে ইস্তফা দেই তাহলে সে প্রতি বছরের জন্যে ৭ দিনের মজুরি পাবে। এবং ৩ বছরের বেশি কিন্তু ১০ বছরের কম সময় যদি অবিচ্ছিন্ন কাজ করে তাহলে প্রতি বছরের জন্যে ১৫ দিনের মজুরি এবং ১০ বছর বা তার বেশি সময় কাজ করলে প্রতি বছরের জন্যে ৩০ দিনের মজুরি পাবেন। এইখানে আমাদের খেয়াল রাখতে হবে ৩ বছর বলতে বাবর ৩ বছর ই হতে হবে সেটা নোই ৩ বছর বলতে ৩ বছর ২ মাস ও হতে পারে ৩ বছর ১১ মাস ২৯ দিন ও হতে পারে। অর্থাৎ ৪ বছর এর মন এবং ৩ বছর হলে তারা সবাই ৩ বছরের আওতায় আসবে।

30/11/2025

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৮ নম্বর ধারাটি হলো "কতিপয় ক্ষেত্রে লে-অফকৃত শ্রমিকগণ ক্ষতিপূরণ পাইবার অধিকারী"। এই ধারাটি লে-অফ (সাময়িক কর্মবিরতি) চলাকালীন শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণ প্রাপ্তির অধিকার সংক্রান্ত।
বিস্তারিত:
ধারা: বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১৮ নং ধারা।
বিষয়: এই ধারা অনুসারে, কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে লে-অফ হওয়া শ্রমিকরা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার অধিকারী হন।
প্রাসঙ্গিকতা: এটি শ্রমিকদের কর্মসংস্থান সুরক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা হঠাৎ করে কাজ বন্ধ হয়ে গেলে তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
সংযুক্তি: এই ধারাটি ধারা ১২, ১৬, এবং ১৭-এর সাথে সম্পর্কিত, যা শ্রমিকের মজুরি, লে-অফকৃত শ্রমিকদের ক্ষতিপূরণের অধিকার এবং তাদের মাস্টার রোলের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করে।

25/11/2025

বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ১৭ মূলত লে-অফকৃত শ্রমিকদের মাস্টার রোল সম্পর্কিত এবং এটি ২০১৩ সালের শ্রম (সংশোধন) আইন দ্বারা যুক্ত করা হয়েছে। এই ধারাটি এমন শ্রমিকদের জন্য প্রযোজ্য যারা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকার কারণে লে-অফ (অস্থায়ীভাবে ছাঁটাই) অবস্থায় থাকেন।
মূল বিষয়:
মাস্টার রোল: লে-অফকৃত শ্রমিকদের একটি মাস্টার রোল তৈরি করতে হবে।
সংযোজন: এই ধারাটি বাংলাদেশ শ্রম (সংশোধন) আইন, ২০১৩ (২০১৩ সনের ৩০ নং আইন) এর ৯ ধারার মাধ্যমে সংযোজন করা হয়েছে।
প্রযোজ্যতা: এটি লে-অফকৃত শ্রমিকদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যাদেরকে সাময়িকভাবে কাজে রাখা সম্ভব হয় না।

24/11/2025

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৬ ধারা অনুযায়ী, যেসকল শ্রমিক লে-অফ (বন্ধ) অবস্থায় থাকে, তাদের ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। এই ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হবে শ্রমিকের মোট মূল মজুরি এবং মহার্ঘ ভাতার সমান, যা লে-অফের সময়কালের জন্য দেওয়া হবে। এটি সাপ্তাহিক ছুটির দিন ব্যতীত, মালিকের অধীন কমপক্ষে এক বছর চাকুরী করা স্থায়ী বা সাময়িক শ্রমিকদের জন্য প্রযোজ্য।
শ্রম আইনের ১৬ ধারার মূল বিষয়বস্তু:
ক্ষতিপূরণ: লে-অফ করা শ্রমিকদের তাদের লে-অফ হওয়া সকল দিনের জন্য ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।
ক্ষতিপূরণের পরিমাণ: ক্ষতিপূরণের পরিমাণ হবে শ্রমিকের মোট মূল মজুরি ও মহার্ঘ ভাতার সমষ্টি।
কারা এই আইনের আওতায় পড়বেন: যেসকল শ্রমিক বদলী বা সাময়িক শ্রমিক নন এবং যাদের নাম কোনো প্রতিষ্ঠানের মাস্টার রোলে অন্তর্ভুক্ত আছে ও কমপক্ষে এক বছর চাকুরীর মেয়াদ পূর্ণ করেছেন, তাদের ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য হবে।
সাপ্তাহিক ছুটি: ক্ষতিপূরণ দেওয়ার সময় সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলো বাদ দেওয়া হবে।

23/11/2025

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৫ ধারাটি মূলত ধারা ১২, ১৬, ১৭, এবং ১৮ এর প্রয়োগ সংক্রান্ত একটি বাধা-নিষেধ। এই ধারাটি শ্রমিক নিয়োগ, মজুরি, ক্ষতিপূরণ, ট্রেড ইউনিয়ন, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা এবং কর্মপরিবেশ সম্পর্কিত অন্যান্য আইন ও বিধানগুলো প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ আরোপ করে, যা সামগ্রিকভাবে আইনের প্রাসঙ্গিক অংশগুলির সংশোধনী এবং সংহতকরণের জন্য করা হয়েছে।

উদ্দেশ্য: এই ধারার মূল উদ্দেশ্য হলো শ্রমিক নিয়োগ, মালিক-শ্রমিক সম্পর্ক, মজুরি, ক্ষতিপূরণ, ট্রেড ইউনিয়ন গঠন, শিল্প বিরোধ নিষ্পত্তি, এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, ও কর্মপরিবেশ সম্পর্কিত বিদ্যমান আইনগুলোর সংশোধন এবং একীভূত করা।

প্রয়োগ: এই ধারার অধীনে অন্যান্য প্রাসঙ্গিক ধারা (যেমন ধারা ১২, ১৬, ১৭, এবং ১৮) প্রয়োগের ক্ষেত্রে কিছু বিধিনিষেধ যুক্ত করা হয়েছে।

সংক্ষিপ্তসার: এই ধারাটি শ্রমিকদের অধিকার ও কর্মসংস্থানের সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য অন্যান্য আইনের ধারাগুলোর প্রয়োগে একটি কাঠামো তৈরি করে, যাতে আইনগুলো সঠিকভাবে প্রয়োগ ও সমন্বয় করা যায়।

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ সংশোধনী অধ্যাদেশ ২০২৫
22/11/2025

বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬ সংশোধনী অধ্যাদেশ ২০২৫

20/11/2025

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৪ নম্বর ধারা অনুসারে, কিছু নির্দিষ্ট শর্তে কোনো শ্রমিককে “এক বছর” বা “ছয় মাস” অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন বলে গণ্য করা হবে। এই ধারা অনুযায়ী, যদি কোনো শ্রমিক আগের ১২ মাসের মধ্যে কমপক্ষে ২৪০ দিন কাজ করে থাকেন, তবে তিনি এক বছর কাজ করেছেন বলে বিবেচিত হবেন। একইভাবে, ১২ মাসের মধ্যে অন্তত ১২০ দিন কাজ করলে তাকে ছয় মাসের শ্রমিক হিসেবে গণ্য করা হবে। এই গণনা করার সময়, শ্রমিকের লে-অফের দিনগুলোও কাজের দিন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হবে।

ধারা ১৪ এর মূল বিষয়গুলো:
এক বছর পূর্ণ হিসেবে গণ্য: যদি কোনো শ্রমিক গত ১২ মাসে মোট ২৪০ দিন কাজ করেন, তাহলে তাকে “এক বছর” অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন বলে ধরা হবে।

ছয় মাস পূর্ণ হিসেবে গণ্য: যদি কোনো শ্রমিক গত ১২ মাসে মোট ১২০ দিন কাজ করেন, তাহলে তাকে “ছয় মাস” অবিচ্ছিন্নভাবে কাজ করেছেন বলে ধরা হবে।

কাজের দিনের হিসাব: এই দিনগুলো গণনার সময়, শ্রমিকের লে-অফের দিনগুলোও কাজের দিন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

গুরুত্ব: এই ধারাটি মূলত কিছু নির্দিষ্ট অধিকারের জন্য (যেমন: ছুটি, গ্রাচুইটি) শ্রমিকের চাকরির মেয়াদ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

19/11/2025

বাংলাদেশ শ্রম আইনের ১৩ ধারাটি হলো 'প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা' সংক্রান্ত। এই ধারার অধীনে, যদি কোনো শ্রমিক বেআইনি ধর্মঘটে অংশ নেয় এবং এর ফলে কারখানা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার ঝুঁকি থাকে, তাহলে মালিক সেই কারখানা বা তার কোনো অংশ আংশিক বা সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিতে পারেন এবং তখন ধর্মঘটে অংশগ্রহণকারী শ্রমিকরা মজুরি পাবেন না। যদি কোনো শাখা বা বিভাগ বন্ধের কারণে অন্য কোনো শাখা বা বিভাগ চালানো সম্ভব না হয়, তবে সেটিও বন্ধ করে দেওয়া যেতে পারে।
মূল বিধানসমূহ
বেআইনি ধর্মঘট: কোনো শ্রমিক যদি বেআইনি ধর্মঘটে অংশ নেয়, তাহলে মালিক সেই কারখানা বা তার কোনো অংশ বন্ধ করে দিতে পারেন।
মজুরি: কারখানা বন্ধের সময়কালে ধর্মঘটে অংশ নেওয়া শ্রমিকরা কোনো মজুরি পাবেন না।
শাখা বন্ধের কারণ: যদি কোনো শাখা বন্ধের কারণে অন্য কোনো শাখা চালু রাখা সম্ভব না হয়, তবে সেই অন্য শাখাটিও বন্ধ ঘোষণা করা যেতে পারে।
অন্যান্য প্রাসঙ্গিক তথ্য
বাংলাদেশ শ্রম আইন, ২০০৬-এর ১৩ ধারাটি মূলত বেআইনি ধর্মঘটের সময় মালিকের ক্ষমতা এবং এর ফলে শ্রমিকদের মজুরি না পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে।
এই আইনের অন্যান্য ধারায় শ্রমিকদের বিভিন্ন অধিকার যেমন- ছাঁটাই, ক্ষতিপূরণ, এবং কাজের সময়সীমা ইত্যাদি বিষয়গুলোও উল্লেখ করা আছে।
শ্রম আইনটি শ্রমিকদের অধিকার ও সুরক্ষার জন্য একটি সামগ্রিক আইন, যা কারখানা, শিল্প এবং অন্যান্য সেবা খাতের জন্য প্রযোজ্য।

Address

West Masdair, Fatullah
Narayanganj
1400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Easy Audit Solution -EAS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share