Oishi-Shoshi Digital Collection

Oishi-Shoshi Digital Collection Sales & Service Centre with reasonable price... সুলভ মুল্যে পণ্য বিক্রয় ও সেবা দানে অঙ্গীকারবদ্ধ।

One Hundred Year Calendar in a Picture: Is it Possible? Yes, it is possible. See the picture below. The owner of this pi...
14/02/2026

One Hundred Year Calendar in a Picture: Is it Possible? Yes, it is possible. See the picture below. The owner of this picture is Jitendra Dey. He created this image with his creativity. Initially, this calendar is difficult to understand, but if you look carefully, it will seem like a normal calendar. How to use the calendar: The numbers on the left are the years (2001 to 2100). Go along that year's line and look at the month. According to the capital letter there, see what day of the week the date is below. For example: To find out what day of the week August 18, 2020 is, find the number 20 on the left, then look at the letter (F) in August on that number's line. Now look at what day of the week the 18th date is in the F column below (Tuesday). After knowing the answer, don't forget to share your opinion (comment). Surely comments are more important than upvotes.☺ Thank you.

🔶 ইউরিক অ্যাসিড বাড়ছে? সতর্ক হোন এখনই ..!!! স্বাস্থ্যই সম্পদ — আর এই সম্পদকে অবহেলা করলে জীবনই অসুস্থ হয়ে পড়ে।অনেকেই ...
18/06/2025

🔶 ইউরিক অ্যাসিড বাড়ছে? সতর্ক হোন এখনই ..!!! স্বাস্থ্যই সম্পদ — আর এই সম্পদকে অবহেলা করলে জীবনই অসুস্থ হয়ে পড়ে।

অনেকেই জয়েন্টে ব্যথা, হাত-পায়ে ঝিনঝিনে অনুভব, হাঁটতে কষ্ট এসব সমস্যায় ভোগেন। ভাবেন, ‘বয়স হয়েছে’ — কিন্তু জানেন কি, এর পেছনে লুকিয়ে থাকতে পারে এক নিঃশব্দ শত্রু: ইউরিক অ্যাসিড!

🧪 ইউরিক অ্যাসিড আসলে কী?

দেহে যখন প্রোটিন বা পিউরিনজাত খাবার ভাঙে, তখন একটি উপজাত হিসেবে তৈরি হয় ইউরিক অ্যাসিড। স্বাভাবিক অবস্থায় তা রক্তের মাধ্যমে কিডনিতে গিয়ে মূত্রের সঙ্গে বের হয়ে যায়। কিন্তু যখন এটি অতিরিক্ত হয়ে যায় বা কিডনি ঠিকমতো বের করতে না পারে, তখন রক্তে এর মাত্রা বেড়ে যায় — যাকে বলে Hyperuricemia।

⚠️ ইউরিক অ্যাসিড বেড়ে গেলে কী হয়?

🦴 গাঁটে গাঁটে ব্যথা — বিশেষ করে পায়ের বুড়ো আঙুলে

🌡️ জ্বর বা প্রদাহজনিত অনুভব

🦶 পা ফুলে যাওয়া বা লাল হয়ে যাওয়া

⚡ ঝিনঝিনে অনুভূতি বা অসাড়তা

🧠 অনেক ক্ষেত্রে মুড পরিবর্তন বা অস্থিরতা

💔 হার্ট ও কিডনি সমস্যা (দীর্ঘমেয়াদে)

🌿 প্রতিকার কী? জীবনযাপনে কিছু বদলই হতে পারে আশীর্বাদ:

1. 🥗 ডায়েট নিয়ন্ত্রণ করুন::

পরিহার করুন: লাল মাংস, অর্গান মিট (যেমন কলিজা), সামুদ্রিক মাছ, চিংড়ি, বেশি প্রোটিনজাত খাবার

গ্রহণ করুন: শাকসবজি, ফলমূল (বিশেষ করে আপেল, চেরি), ওটস, দুধ বা দই (কম ফ্যাটযুক্ত)

2. 💧 পর্যাপ্ত পানি পান করুন::

দিনে অন্তত ৮-১০ গ্লাস পানি পান করুন, এতে ইউরিক অ্যাসিড প্রস্রাবের মাধ্যমে সহজে বের হয়ে যায়।

3. 🏃‍♂️ নিয়মিত ব্যায়াম করুন::

শরীর সচল থাকলে বিপাকক্রিয়াও স্বাভাবিক থাকে। ওজন নিয়ন্ত্রণেও এটি খুব জরুরি।

4. 🚭 ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করুন::

এগুলো কিডনির কার্যক্ষমতা কমিয়ে ইউরিক অ্যাসিড বাড়াতে সাহায্য করে।

5. 💊 প্রয়োজনে ওষুধ সেবন করুন::

ইউরিক অ্যাসিড নিয়ন্ত্রণে “Allopurinol” বা “Febuxostat” জাতীয় ওষুধ দেওয়া হয় — তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে।

🧡 শরীরকে ভালোবাসুন, যত্ন নিন
ইউরিক অ্যাসিড শুধু একটি নাম নয়, এটি হতে পারে আপনার ভবিষ্যতের ব্যথা। তাই এখনই সচেতন হোন, নিয়ম মেনে চলুন।

📢 আপনি যদি এই পোস্টটি পড়ে উপকার পান, তাহলে শেয়ার করুন — আপনার একটি শেয়ার কারো জীবনে আলো নিয়ে আসতে পারে। 🌟

আপনার বেতন যদি ৫০,০০০/- এর আশেপাশে হয়, তাহলে আপনাকে একটা মজার জিনিস দেখাই। ২০১১ সালে ডলারের দাম ছিল ৭৭ টাকার আশেপাশে। ২০...
30/06/2024

আপনার বেতন যদি ৫০,০০০/- এর আশেপাশে হয়, তাহলে আপনাকে একটা মজার জিনিস দেখাই।
২০১১ সালে ডলারের দাম ছিল ৭৭ টাকার আশেপাশে।
২০২১ সালে সেটা হলো ৮৫ টাকা।

তার মানে, ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে আপনি ২০১১ সালে বেতন পেতেন ৬৪৯ ডলার (ভগ্নাংশ বাদ দিচ্ছি সব জায়গাতেই)।
পরবর্তী ১০ বছরে আপনার বেতন যদি ইনক্রিমেন্টে ৫০০ টাকা করেও বাড়ে, তাহলে আপনার বেতন ২০২১-এ ৫৫,০০০ টাকা। মানে ডলারে ৬৪৭ ডলার (২০২১-এ ১ ডলার = ৮৫ টাকা ধরে)।

অর্থাৎ, বৈশ্বিক ইনফ্ল্যাশনের সাথে তালমিল রাখতেই আপনাকে ইনক্রিমেন্ট দেওয়া হয়েছে, এবং সেটা আপনার বেতনকে মোটামুটি সাম্যাবস্থায়ই রেখেছে। যদিও এটা ঠিক প্রসেস না, কারণ এই ১০ বছরে আপনার কাজের মান বেড়েছে, অভিজ্ঞতা বেড়েছে, বাসায় মানুষ বেড়েছে, খরচ বেড়েছে, তাই আপনার বেতনও বাড়া উচিত ছিল। কিন্তু তারপরও তর্কের খাতিরে ধরে নিচ্ছি এই সাম্যাবস্থাটাই অনেক বড় পাওয়া।
এবার আসুন গত তিন বছরের হিসেবে। ২০২১-এ ৫০,০০০/- বেতনের চাকরী করা একজন মানুষ ২০২৪-এ সর্বোচ্চ ৫১,৫০০/- বেতন পাচ্ছেন। বা একটু বাড়িয়ে ধরলাম ৫২,০০০/-

২০২১-এ আপনি ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ডে বেতন পেতেন ৫৮৮ ডলার।
২০২৪-এ এসে আপনি বেতন কতো পান জানেন?

৫২,০০০ ÷ ১২৫ = ৪১৬ ডলার!!
এই যে আপনার তিন বছরে চাকরীর অভিজ্ঞতা বাড়লো, কাজের মান বৃদ্ধি পেলো, ঘরে খরচ বাড়লো, তাহলে আপনার বেতন কমলো কেন? কেউ জানলো না আপনার বেতন যে কমে গেছে, কারণ, ব্যাংক একাউন্টেতো আগের চেয়ে দেড়-দুই হাজার টাকা বেশি ঢুকছে। কিন্তু বাস্তবে আপনার বেতন কতো?
----
যেই বেচারা ৫০,০০০/- বেতনের চাকরী করে তার থেকে ১০-১৫ হাজার টাকা জমানোর চিন্তা করতে পারতো ভবিষ্যতের কথা ভেবে, সেই বেচারা এখন জমানোর চিন্তা বা নিজের শখ পূরণের চিন্তা তো দূরের কথা, নিজের পরিবারের বেসিক নীডস পূরণ করতেও হিমশিম খাচ্ছে!
---
দোষ কাকে দিব জানি না। কেউই জানে না। অথবা জানলেও বলে না। কেউ ১৫ লাখ টাকা দামের ছাগল কিনে ইনস্টাগ্রামে রীলস বানায়। আর কেউ ভাগে কুরবানি দিতে গেলেও ১৫ হাজার টাকা দিতে হিমশিম খাচ্ছে।
যে সৎভাবে বাঁচতে চায় সে প্রতি রাতে মরতেছে মানসিক প্রেশারে, আর যে অসৎভাবে চলতেছে সে রাজার হালে বেহেশতি সুখ নিচ্ছে! l

জীবন চলে যাচ্ছে। কেউ হিমশিম খেয়ে পার করে দিচ্ছে। কেউ সাদিক এগ্রোর কোটি টাকার গরু খেয়ে পার করে দিচ্ছে। কেউ পুরো দেশ খেয়ে রিসোর্ট-হোটেল বানায়ে বিদেশে বসে পার করে দিচ্ছে। মাঝে আমরা হয়ে যাচ্ছি খাদ্যদ্রব্য! ওনারা আমাদেরকেই খেয়ে দিচ্ছে! ওই ১৫ লাখ টাকা দামের ছাগলটা আসলে একটা আয়না। ছাগলটা আমরাই!

25/04/2024

# #
নারীর লজ্জা হচ্ছে লজ্জাবতী গাছের মতো।হাত লাগলেই শেষ। সেটা স্বামীর হাত হোক বা অন্য কোন পুরুষের। এই হাত লাগা মানে শুধুই শারীরিক স্পর্শ না, একজন পুরুষের সঙ্গতায় ও নারীর লজ্জা কেটে যায়।

যে মেয়ে যত বেশি পুরুষের সংস্পর্শে যাবে, তার লজ্জা তত কমবে। যেমন চিত্র নায়িকারা, ওরা শুধু ব্রা-পেন্টি পরে অর্ধনগ্ন দেহ নিয়েও পুরুষের সামনে ঘুরতে দ্বিধা করে না। কারন- পুরুষের মাঝ থেকে চক্ষু লজ্জা উঠে গেছে তাদের। অথচ কনজারভেটিভ ফ্যামিলির একটা মেয়েকে ওড়না ছাড়া দাঁড়াতে বললেও সে লজ্জায় মরে যাবে।

আর ইদানীং ফেসবুক এই লজ্জা নিবারণের বড় মূখ্য ভূমিকা পালন করছে।

উদাহরণঃ
ফেসবুকে বন্ধু বেশি। আর অতি আধুনিক মেয়েরা ছেলে বন্ধুদেরর সঙ্গে পিরিয়ড নিয়ে কথা বলে। ফ্ল্যার্ট করতে গিয়ে শরীর নিয়ে নগ্ন কথা বলে। আর মাইন্ড করলে বলে ''জাস্ট কিডিং, টেক ইট ইজি"।
এই ইজিলি নিতে নিতে সেসব অশালীন বিষয় আর
অশালীন লাগে না। মানে লজ্জা শেষ!

আবার এখন ফেসবুকে প্রেমিক বেশি! কেউ প্রেমে পড়েছে তো প্রেমিক রোমান্সের ছলে অশ্লীল কথা বলে।
একদম স্বামীর মতো। এরপর ব্রেকআপ হয়। আবারও কারও প্রেমে পড়ে। আর আবারও চুম্মা-চাটি আরও কত কী করে! অতঃপর আবারও ব্রেকাপ! তখন লজ্জা-শরমের মাথা খেয়ে মেয়েটা এক সময় নির্লজ্জ হয়ে যায়। অশ্লীল প্রেম নারীর লজ্জাশীলতাকে গ্রাস
করে, ফলে নির্দিষ্ট একজন পুরুষের প্রতি আকর্ষণটা বিলীন হয়ে যায়। জাগে বহু পুরুষের সানিধ্য পাওয়ার ইচ্ছা।

একজন নারীর কাছে পুরুষের উপস্থিতি হচ্ছে ইয়*** মত। প্রথমে একটা খেলেই পিনিক আসে। পরে ২০-২৫টা খেলেও কাজ হয় না।
ব্যাস! এক সময় পুরুষের প্রতি তার আর ফিলিংস কাজ করে না। প্রেমিকের ভালোবাসা তার কাছে পানসে লাগে। একটার পর একটা পুরুষ বদল করে। কিন্তু স্থির হতে পারে না কোনোটাতেই। জানা-শোনা শেষ হলেই আর ভালো লাগে না কাউকে। বোরিং লাগে। কারণ, ডিফারেন্ট টেস্ট নিতে নিতেই তার ভালোবাসার অনুভূতিই শেষ। তখন বর্তমান হয়ে যায় এক্স। তারপর আবারও খোঁজা শুরু নতুন মুখ, নতুন প্রেমিক।

আগে মুরব্বীরা বলতেন, বিয়ের পরে মেয়েদের লজ্জা
কমে। বাচ্চা হওয়ার পরে আরও কমে যায়। তখন আমি বুঝতাম না। ভাবতাম লজ্জা 'ফোঁড়ার' মতো কিছু।
বিয়ের পরে গলে যায়।
কিন্তু এখন বুঝি। আগে মেয়েদের কাছে স্বামীই ছিল পুরুষ। তাই বিয়ের পরের কথা এসেছে। এখন বিয়ে লাগে না, পুরুষের কাছে আসতে ফেসবুক হলেই চলে। এখন ফেসবুক-ই সেই স্বামীর ভূমিকা পালন করে।
যাইহোক, সবশেষে নারীদের মাথায় রাখা উচিতঃ
এভাবে বাসা বদলের মতো প্রেমিক বদলের খেলাটা
নিজেকে খুবই সহজলভ্য করে দেয়। আর যে জিনিস সহজে পাওয়া যায় তার কদর থাকে না।

লেখাটি না বুঝলে আরেকবার পড়ুন। তবুও না বুঝলে মাথা খাটিয়ে একটু ভাবুন, তারপর মন্তব্য করুন।

বিঃদ্রঃ কথালগুলো নারীদের উদ্দেশ্য হলেও, নারী পুরুষ উভয়ের জন্যই শিক্ষণীয়!!

25/04/2024

হযরত মুসা (আ.) এর আমলে দীর্ঘদিন যাবত বৃষ্টি বন্ধ ছিলো। তাঁর উম্মতরা তাঁর কাছে এসে বললো "হে নবী, আল্লাহর কাছে বৃষ্টির জন্য দোয়া করেন, এই বৃষ্টিহীন গরম আর সহ্য হয় না"।

হযরত মুসা (আ.) সবাইকে নিয়ে বৃষ্টির জন্য নামাজ পড়ে দোয়া করতে শুরু করলেন।

দোয়া করার সাথে সাথে রোদের তীব্রতা আরো বেড়ে গেলো।

হযরত মুসা (আ.) অবাক হলেন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন-

আল্লাহ, বৃষ্টির জন্য দোয়া করলাম, তুমি রোদের তেজ বাড়াইয়া দিলা।

আল্লাহর পক্ষ থেকে জবাব আসলো-

- এই জমায়েতে এমন এক ব্যক্তি আছে, যে চল্লিশ বছর যাবত আমার নাফরমানী, আমার বিরোধীতা করছে, একটি দিনের জন্যও আমার বাধ্য হয়নি। তাঁর কারনেই বৃষ্টি আসা বন্ধ আছে।

হযরত মুসা (আ.) জমায়েতের দিকে তাকিয়ে, সেই অচেনা, অজানা লোকটিকে বের হয়ে যেতে বললেন।

সেই লোকটি ভাবলো, এখন যদি বের হয়ে যাই, তবে সবার সামনে পাপী হিসেবে লজ্জা পাবো। আর যদি থাকি, তবে বৃষ্টি আসা বন্ধ থাকবে।

নিজের ইজ্জত বাঁচানোর স্বার্থে সে আল্লাহর কাছে দোয়া করলো "আল্লাহ, চল্লিশ বছর আমার পাপ গোপন রেখেছেন, আজকে সবার সামনে বেইজ্জতি করবেন না। ক্ষমা চাচ্ছি"।

একদিকে দোয়া শেষ হলো, অন্যদিকে আকাশ ভেঙ্গে বৃষ্টি শুরু হলো।

হযরত মুসা (আ.) আবারো অবাক হয়ে জিজ্জাসা করলেন-
আল্লাহ, কেউ তো জমায়েত থেকে বের হলো না, তবে বৃষ্টি দিয়ে দিলা যে?

আল্লাহ জবাব দিলেন-
- যার কারণে বৃষ্টি আসা বন্ধ ছিলো, তাঁর কারনেই বৃষ্টি শুরু হলো। আমি তাঁকে ক্ষমা করে দিয়েছি।

চল্লিশ বছরের পাপ, দশ সেকেন্ডে ক্ষমা...

হযরত মুসা (আ.) জিজ্জাসা করলেন-
- লোকটির নাম পরিচয় তো কিছুই জানালেন না।

আল্লাহ বললেন-
- যখন পাপে ডুবে ছিলো, তখনই জানাই নাই, এখন তওবা করেছে, এখন জানাবো? পাপীদের পাপ আমি যথাসম্ভব গোপন রাখি, এটা আমার সাথে আমার বান্দার নিজস্ব ব্যাপার।

অথচ আমরা নিজেরা পাপী হয়েও প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে কারো না কারো নামে বদনাম / গীবত করতেই থাকি।

আল্লাহ আমাদের সকলের ছোট-বড় সকল পাপ মাফ করে দিন!
আমিন।

01/04/2024

১.ভাবী! আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না, দেখে মনে হয় মাত্র মাধ্যমিক পাশ করছেন! সিরিয়াসলি!
২. ম্যাডাম, একটা কথা বলবো? অনেকদিন থেকে ভাবছি! কিন্তু বলবো বলবো করে বলা হচ্ছে না। আপনি এমনিতেই সুন্দর। কিন্তু নাকের পাশের তিলটা আপনাকে একদম পরী বানিয়েছে। এত্ত সুন্দর। জাস্ট অসাধারণ লাগে!
৩. মন খারাপ কেন ভাবী? ঝগড়া টগড়া করলো নাকি? আপনার মতো এ রকম একটা মানুষের সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না!
৪. একটা কথা বলি আপু! কিছু মনে করবেন না তো? আপনার কণ্ঠটা এত্ত সুন্দর! কোনো প্রিয় গান বারবার শুনলেও যেমন বিরক্তি লাগে না, আপনার কথাবার্তার স্টাইলও এরকম। টানা ২৪ ঘন্টা শুনলেও বোরিং লাগবে না!
৫. আপনি যা ইচ্ছা মনে করতে পারেন, আজ থেকে আপনাকে আর আন্টি ডাকবো না, বলে দিচ্ছি। হুঁ! দেখলে মনে হয় আবার বিয়ে দেওয়া যাবে, আর আপনাকে ডাকবো আন্টি? না, আর না!
৬. একটা কথা বলবো? নীল শাড়ীতে আপনাকে দারুণ মানিয়েছে! না না, তেল দিচ্ছি না, সত্যি বলছি! সত্যি অনেকটা কোয়েল মল্লিকের মতো লাগে আপনাকে!
৭. জন্মদিনে এবার কি কি করলেন আপনারা?
আপনার ভাই অফিসের কাজে ব্যস্ত!!!!
কি যে বলেন! আমি এরকম একটা বউ পেলে জন্মদিন উপলক্ষ্যে এক সপ্তাহের ছুটি নিতাম! হাসবেন না, সিরিয়াসলি!

-----------------------------------------------

বিঃ দ্রঃ - অবিশ্বাস্য হলেও সত্য, কিছু কিছু মানুষ আছে, নিজের অফিসের কলিগ,পাশের বাসার ভাবী, কিংবা বন্ধুর বউ,পরিচিত আপু ম্যাডামদের সাথে এভাবেই কথা বলে। আপাতদৃষ্টিতে এগুলো "জাস্ট প্রশংসাবাক্য"। এর গভীরে যে কত বড় লাম্পট্য, আর অসৎ কামনা লুকিয়ে আছে, খেয়াল না করলে বুঝার উপায় নেই। যারা এগুলো করে, এরা কিন্তু ফাঁদে ফেলবার জন্যেই করে! এদের স্বভাবই হলো ফ্লার্ট করে নিজের বশে আনা!
খুব স্মার্ট সুদর্শন পুরুষ দেখলে কিছু কিছু ক্ষেত্রে মহিলারাও এরকম ফ্লার্ট করে। সে সংখ্যাটাও কম না!! যে মহিলা জীবনে কোনোদিন স্বামীর বিকল্প স্বপ্নেও কল্পনাও করেন নি। মাঝে মাঝে ঝগড়া হয়, কিন্তুু স্বামীকে অনেক ভালোবাসেন। পর পুরুষের মুখে নিজের এত্ত সুন্দর প্রশংসা শুনে, "আমি হলে পায়ের কাছে পড়ে থাকতাম" কথাটা শুনে সেই মহিলাও ভাবেন, এই স্বামী আমাকে বঞ্চিত করছে, নিশ্চয়ই আমি আরও ভালো কিছু আশা করি!
যে মহিলা একটা সুখের সংসারে আছেন, বাচ্চা নিয়ে স্বামী স্ত্রী ব্যাস্ততার মাঝে কোনো কিছুর অভাবই বোধ করেন না, সে মহিলাও যখন বাইরের কারো কাছে নিজের কপালের তিলের এত্ত প্রশংসা শুনেন তখন তার মনে হতে পারে, "ওর সাথে এত্তদিন সংসার করলাম, ও তো একটা দিনের জন্যেও এভাবে আমার সৌন্দর্যের প্রশংসা করলো না!" নিজের বয়সের ব্যাপারে বাইরের পুরুষের প্রশংসা শুনে মহিলা, বারবার আয়নার সামনে নিজের চেহারা দেখেন। ভাবতে থাকেন, হ্যাঁ, আমি তো সুন্দরই। আর ওই পুরুষটাই আমার এ সৌন্দর্যের মূল্যায়ন করলো!
হ্যা, এভাবেই শুরু হয় দাম্পত্য কলহ যা পৃথিবীর নিকৃষ্টতম সম্পর্ক বা পরকীয়া বা ঘর ভাংগার মত ক্ষতির কাজ। তথা কথিত একটা "ইনোসেন্ট প্রশংসা"ই ধ্বংস করে দিতে পারে একটা মানুষকে, একটা পরিবারকে! যদি জীবনে সুখী হতে চান, কারো হালকা প্রশংসায় গলে যাবেন না। বরং এদের এড়িয়ে চলুন। প্রশংসা শুনতে সবারই ভাল লাগে। এভোয়েড না করলে, ধীরে ধীরে এদের ফাঁদে একদিন পড়বেনই। তাই এই মানুষ রুপী কুকুর হইতে সাবধান।।

01/03/2024
ছবির ব্যাক্তিটির নাম ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।মৃ'ত্যুর পর গায়ে থুতু দেয়ার জন্য তাঁর ম'রদেহ বাইরে রেখে দেওয়া হয়েছিল 🥲বলছি ধীরেন্...
01/03/2024

ছবির ব্যাক্তিটির নাম ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত।

মৃ'ত্যুর পর গায়ে থুতু দেয়ার জন্য তাঁর ম'রদেহ বাইরে রেখে দেওয়া হয়েছিল 🥲

বলছি ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের কথা ❤️

যদি জিজ্ঞেস করি কে সর্বপ্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্র ভাষা করার প্রস্তাব রাখেন?

সেই ইতিহাস আমরা অনকেই মনে রাখি নি। ইতিহাসে যিনি আড়ালেই থেকে গেলেন। আসুন একটু জেনে নিই-

পাকিস্তান স্বাধীন হয় ১৯৪৭ খ্রীষ্টাব্দের ১৪ই আগস্ট। মাত্র ছয় মাসের মাথায় করাচিতে ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৪৮ খ্রীষ্টাব্দে ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলিতে যিনি স্পষ্ট ভাষায় দাবি তুলেন - “বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করা হোক”, সেই মানুষটির নাম ‘ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত’।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্তই সর্বপ্রথম বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা করার দাবি তুলে ছিলেন। ধীরেন্দ্রনাথ দত্তের সেই দাবি পাকিস্তান পার্লামেন্টে প্রত্যাখ্যাত হয়। তারপরই ভাষা আন্দোলনের সূচনা ঘটে।

ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত পাকিস্তান পার্লামেন্টে দাঁড়িয়ে বলেছিলেন, ‘‘পূর্ব পাকিস্তানের ৬ কোটি ৯০ লাখ মানুষের মধ্যে ৪ কোটি ৪০ লাখ মানুষ বাংলায় কথা বলে, তাই আমার বিবেচনায় বাংলা হওয়া উচিত রাষ্ট্রভাষা।’’ তার এই বক্তব্যকে জিন্নাহর ‘‘উর্দু হবে রাষ্ট্রভাষা’’ ঘোষণার প্রথম আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ বলা যায়। সুতরাং তাঁকে ‘ভাষা আন্দোলনের জনক’ বললেও অত্যুক্তি হবে না।

আজ আমরা উনাকে মনে রাখি না। অথচ পাকিস্তানের শাসকেরা তাঁকে মনে রেখেছিল!
ধীরেন্দ্রনাথ দত্তকে ১৯৭১ খ্রীষ্টাব্দের ২৯শে মার্চ পাক-আর্মিরা ধরে নিয়ে ময়নামতি ক্যান্টনমেন্টে নিষ্ঠুরভাবে হ'ত্যা করে। ৮৪ বছর বয়সী মানুষটিকে হাত-পা ভে'ঙ্গে প'ঙ্গু এবং দুই চোখে কলম ঢুকিয়ে অন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। মৃ'ত্যুর পর গায়ে থুতু দেয়ার জন্য তাঁর ম'রদেহ বাইরে রেখে দেওয়া হয়েছিল। 😢

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সহ সকল শহীদের কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করছি।

৪০০+ বছর আগে নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল ঢাকা শহর, নদীটির নাম বুড়িগঙ্গা। ব্রহ্মপুত্র আর শীতলক্ষ্যার পানি এক স্রোতে মিশে বুড়...
24/01/2024

৪০০+ বছর আগে নদীর তীরেই গড়ে উঠেছিল ঢাকা শহর, নদীটির নাম বুড়িগঙ্গা। ব্রহ্মপুত্র আর শীতলক্ষ্যার পানি এক স্রোতে মিশে বুড়িগঙ্গা নদীর সৃষ্টি হয়েছিল। তবে বর্তমানে এটা ধলেশ্বরীর শাখাবিশেষ। কথিত আছে, গঙ্গা নদীর একটি ধারা প্রাচীনকালে ধলেশ্বরী হয়ে সোজা দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে মিশেছিল। পরে গঙ্গার সেই ধারাটির গতিপথ পরিবর্তন হলে গঙ্গার সাথে তার সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। তবে প্রাচীন গঙ্গা এই পথে প্রবাহিত হতো বলেই এমন নামকরণ। মূলত ধলেশ্বরী থেকে বুড়িগঙ্গার উৎপত্তি। কেরানীগঞ্জ এর কলাতিয়া এর উৎপত্তিস্থল। বর্তমানে উৎসমুখটি ভরাট হওয়ায় পুরানো কোন চিহ্নর খোঁজ পাওয়া যায় না।

জোয়ারের সময় বুড়িগঙ্গা নদীর উত্তাল ঢেউ মুঘলদের মুগ্ধ করেছিল। ১৬২৬-২৭ সালে সৌন্দর্য বাড়ানোর কাজ করেছিলেন বাংলার সুবাদার মুকাররম খাঁ, তার শাসনামলে শহরের যেসকল অংশ নদীর তীরে অবস্থিত ছিল, সেখানে প্রতি রাতে আলোক সজ্জা করা হতো। এছাড়া নদীর বুকে অংসখ্য নৌকাতে জ্বলতো ফানুস বাতি। তখন বুড়িগঙ্গার তীরে অপরুপ সৌন্দের্য্যের সৃষ্টি হতো।

১৬২৭ সালে তার অধিনস্ত কর্মচারীদের নিয়ে বজরা নৌকা নিয়ে নদী ভ্রমনে বের হন, মাগরিব নামাজের ওয়াক্ত হওয়াতে মাঝী মাল্লাদের আদেশ দেন নৌকা নিয়ে ঘাটে ফিরে যাবার, ফেরার পথে প্রচন্ড ঝড়ো হাওয়ায় নৌকাটি ডুবে যায়, সেখানে সবার সাথে তার মৃত্যু হয়, কিন্তু সেটা কি বুড়িগঙ্গা নদীতে হয়েছিল না অন্য জায়গায় তার আর উল্লেখ নেই কোথাও, তবে কথিত আছে ঢাকার পার্শবর্তী কোন এক নদীতে তাদের বজরা নৌকা ডুবে যায়।

১৮৪০ সালে সরকারি আদেশে প্রকাশিত ‘অ্যা স্কেচ অব দ্য টপোগ্রাফি অ্যান্ড স্ট্যাটিস্টিক্স অব ঢাকা’ গ্রন্থে জেমস টেলর লিখেছিলেন, বুড়িগঙ্গা নদী বর্ষাকালে যখন পানিতে ভরপুর থাকে তখন দুর থেকে ঢাকাকে দেখায় ভেনিসের মতো। ‘শুরুর দিকে লালবাগ কেল্লা বুড়িগঙ্গা সংলগ্ন ছিল। এখন তা সরে গেছে অনেকটা।’ বইটি যখন লেখা হয় তখনই নদী ও লালবাগ কেল্লার মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছিল।

ব্রিটিশ আমলে সোয়ারীঘাটে গয়নানৌকা বুড়িগঙ্গার ঘাটে বাধা থাকত । ঢাকা থেকে মালামালভর্তি হয়ে নৌকাগুলো যেত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সাথে বার্মার রেঙ্গুন এবং ভারতের কলকাতা বন্দরে যাতায়াত করত। দেশভাগের আগ পর্যন্ত নৌকার যাতায়াত ছিল বেশ রমারমা। এরপর থেকেই বুড়িগঙ্গার মরণকাল শুরু। যার কারনে অনেক পরিবার বাধ্য হয় গয়নানৌকার ব্যবসা গুটিয়ে মুদি-মনিহারি মালামালের ব্যবসায় চলে আসতে।

সুদুর অতীতে বুড়িগঙ্গা নদী ধলেশ্বরী নদীর সাথে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হত। তবে, নদীর প্রবাহ পরিবর্তনের ফলে গঙ্গা নদীর সাথে সংযোগ হারানোর পর এই নদীটি বুড়িগঙ্গা নামে পুনঃনামকরন করা হয়।

বুড়িগঙ্গা সাকুল্যে ৩০ কিমি দীর্ঘ। গড়পড়তা ৪০০ মিটার প্রশস্ত। ১৯৮৪ সালে এর পানি প্রবাহের পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ২ হাজার ৯০২ কিউসেক। তবে বর্তমানে বুড়িগঙ্গার পানি প্রবাহের পরিমাণ প্রায় অর্ধেকের বেশি নেমে এসেছে।

বুড়িগঙ্গার আগের সেই ঐতিহ্য আর নেই। কালের বিবর্তনে দখল হয়ে যাচ্ছে বুড়িগঙ্গার নদী তীর।
পলিথিন, কারখানার বর্জ্য এবং নদীর তীরে অবস্থিত ভবনগুলো ভেঙ্গে ফেলার ফলে এই নদীটি ব্যাপকভাবে দূষিত হচ্ছে।

আমাদের এই ঐতিহাসিক নদী আর তার সাথে প্রানীকুল রক্ষা করা এখন সময়ের দাবি। সবার একান্ত প্রচেষ্টায় এই নদীর ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখা সম্ভব।

(তথ্য সুত্রঃ ঢাকা সমগ্র ৩, মুনতাসীর মামুন,
কিংবদন্তির ঢাকা, নাজির হোসেন, Travel.xyz এ নদী নিয়ে কলাম, মোঃ বোরহান উদ্দিন, কালের কন্ঠ)

Address

Purulia Bazar
Natore
6400

Telephone

01713744955

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Oishi-Shoshi Digital Collection posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Oishi-Shoshi Digital Collection:

Share