Tax & Vat Solution BD

Tax & Vat Solution BD Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Tax & Vat Solution BD, Business service, N. S Plaza, Room No: 07, Boro Mosjid More, Main Road, Noakhali, Maijdee Court, Noakhali Sadar Upazila.

Tax & Vat Solution BD একটি টিউটোরিয়াল ফেসবুক পেইজ। আয়কর ও ভ্যাট বিষয়ে যেকোন প্রশ্নের উত্তর পেতে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারেন৷
01825101985, 01725101985 (what's up)
এটি সম্পূর্ণ অলাভজনক ফেসবুক পেইজ।

24/07/2026

আয়কর আইন ২০২৩ এর ১৬৩ ধারায় সকল ধরনের ব্যবসার ওপর ১% টার্নওভার ট্যাক্স—ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসার জন্য এটি সত্যিই একটি ভয়ংকর ব্যবস্থা।

ধরা যাক, একজন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর বার্ষিক বিক্রয় ৪০ লাখ টাকা। গত বছর তাঁর GP ছিল ১৫%। সব খরচ বাদ দিয়ে তাঁর কর দাঁড়িয়েছিল ৫,০০০ টাকা—তিনি ৫,০০০ টাকা কর দিয়ে রিটার্ন দাখিল করলেন।

এবার ১% টার্নওভার ট্যাক্সের কারণে তাঁকে দিতে হবে ৪০,০০০ টাকা।

অর্থাৎ, প্রকৃত কর ৫,০০০ টাকা হলেও অতিরিক্ত ৩৫,০০০ টাকা কর দিতে হবে।

এখন তিনি যদি বলেন—
“আমার অতিরিক্ত ৩৫,০০০ টাকা ফেরত দিন”—তাহলে ফেরতযোগ্য কর সৃষ্টি হবে, ১৮৩ ধারায় অ্যাসেসমেন্টের সম্ভাবনা তৈরি হবে, অডিটে পড়ার আশঙ্কা থাকবে।

আবার যদি বলেন—
“থাক, ফেরত চাইব না; পুরো ৪০,০০০ টাকাই হিসাবের মধ্যে সমন্বয় করে নিই”—তাহলে তাঁর GP বেড়ে যেতে পারে।

আর GP বেড়ে গেলে পরের প্রশ্ন—

“এ বছর GP এত বেশি কেন? তাহলে গত বছর কম দেখিয়েছিলেন কেন?”

এরপর ২১২ ধারায় আগের বছরের হিসাব পুনরায় উন্মোচনের পরিকল্পনা শুরু হতে পারে!

অর্থাৎ— কর দিলে সমস্যা,
কর ফেরত চাইলে আরও সমস্যা,
আর কর ফেরত না চাইলে ভবিষ্যতে নতুন সমস্যা!

এভাবে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের ওপর চাপ বাড়তে থাকলে তারা ব্যবসা সম্প্রসারণে আগ্রহ হারাবেন। উদ্যোক্তা কমবে, ব্যবসা সংকুচিত হবে—আর দীর্ঘমেয়াদে রাজস্ব আদায়ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

বিক্রয় কখনোই লাভ নয়। করব্যবস্থার উদ্দেশ্য রাজস্ব আদায়; কিন্তু রাজস্বের স্থায়ী ভিত্তি হলো ব্যবসা ও উদ্যোক্তাকে বাঁচিয়ে রাখা। ব্যবসা বাঁচলে রাজস্ব বাড়বে। উদ্যোক্তা বাঁচলে করদাতা বাড়বে।

নির্বিচারে ক্ষুদ্র ও মাঝারি সব ব্যবসার বিক্রি বা টার্নওভারের উপর ১% কর বসাই দিলে কি, প্রকৃতপক্ষে ব্যবসায়ে কি এত টাকা লাভ হয়???
অবাস্তব আইন করে জনগনকে ভোগান্তিতে ফেলা হচ্ছে,তাহা দ্রুত সময়ে এস আরও দিয়ে এবং অনলাইন আপডেট দিলে উপকৃত হবেন সকলে,
পরামর্শ আমাদের, সিদ্ধান্ত আপনাদের।

টার্নওভার ট্যাক্স বাতিল না হলে ফুঁসে উঠতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ৷
23/07/2026

টার্নওভার ট্যাক্স বাতিল না হলে ফুঁসে উঠতে পারে ব্যবসায়ী সমাজ৷

আহমদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, সোনাপুর, নোয়াখালী-তে নিয়োগ ২০২৬আবেদনের শেষ তারিখ: 31/07/2026চাকুরির সব খবর আমাদের পেইজে।লাই...
20/07/2026

আহমদিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, সোনাপুর, নোয়াখালী-তে নিয়োগ ২০২৬
আবেদনের শেষ তারিখ: 31/07/2026
চাকুরির সব খবর আমাদের পেইজে।
লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।

17/07/2026

অর্থবছর শুরু হলেও এখনো করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের কার্যক্রম শুরু হয়নি। বিদায়ি অর্থবছরে পাঁচ শ্রেণি ছাড়া ব্যক্তি করদাতার অনলাইনে রিটার্ন দাখিল বাধ্যতামূলক করে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)।চলতি অর্থবছর থেকে ব্যক্তি করদাতার পাশাপাশি করপোরেট প্রতিষ্ঠানেরও অনলাইনে রিটার্ন দাখিল চালু করার কথা রয়েছে। প্রথমবারের মতো অনলাইনে করপোরেট রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম শুরুতে কয়েক মাস সময় লাগতে পারে।তবে চলতি জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহের দিকে ব্যক্তি করদাতাদার অনলাইনে রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম শুরু হতে পারে বলে এনবিআর সূত্রে জানা গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনবিআরের একজন কর্মকর্তা আমার দেশকে বলেন,অনলাইনে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম শুরুর বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে এ বছর আগাম রিটার্ন দাখিলের ক্ষেত্রে প্রণোদনা চালু করায় যত দ্রুত সম্ভব আমরা এটি শুরু করতে চাই। সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে চলতি জুলাই মাসের শেষ সপ্তাহে রিটার্ন দাখিল কার্যক্রম শুরু হতে পারে।

অনলাইন রিটার্ন দাখিল কার্যক্রমে সফটওয়্যার সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সিনোসিস আইটির চিফ সলিউশন অফিসার (সিএসও)বলেন,আয়কর আইনে যেসব পরিবর্তন আনা হয়েছে,তার আলোকে সফটওয়্যারেও আপগ্রেডেশন করতে হচ্ছে। আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে আপগ্রেডেশনসহ এনবিআরকে হস্তান্তর করা হবে। এরপর এনবিআর এটি পর্যালোচনা করবে।

অপরদিকে করপোরেট রিটার্নের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন,এনবিআরের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় চাহিদা দেওয়া হচ্ছে।সে অনুযায়ী সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্টের কাজ করতে হবে। যেহেতু এটি নতুন ডেভেলপমেন্ট, সেজন্য কিছুটা সময় লাগবে।কবে নাগাদ এটি সম্পন্ন হবে—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,দিনক্ষণ সম্পর্কে এখনই স্পষ্ট করে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে দুই থেকে তিন মাস সময় লেগে যেতে পারে।

এদিকে,চলতি করবর্ষ থেকে অনলাইনে রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে করদাতারা যাতে ব্যাংকের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিটার্নে যুক্ত করতে পারেন, সে বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংকের সঙ্গে কাজ করছে এনবিআর।এটি বাস্তবায়ন হলে করদাতাকে আলাদাভাবে ব্যাংকের তথ্য রিটার্নে উল্লেখ করতে হবে না।তবে এটি বাধ্যতামূলক করা হবে না বলে এনবিআর কর্মকর্তারা জানান।

তারা বলেন,করদাতা যদি স্বেচ্ছায় ব্যাংকের তথ্য রিটার্নে দিতে চান,দিতে পারবেন।আবার কোনো কারদাতা যদি তার সব ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে না দিয়ে কয়েকটি ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের তথ্য দিতে চান সেটিও করতে পারবেন।তবে যেসব করদাতা স্বয়ংক্রিয়ভাবে তথ্য দিতে চাইবেন না,তারা নিরীক্ষা ঝুঁকির মধ্যে থাকবেন।

সংশ্লিষ্টরা জানান, ব্যাংকের চারটি তথ্য রিটার্নে উল্লেখ করতে হয়। এগুলো হচ্ছে—২০২৬ সালের ৩০ জুন অ্যাকাউন্ট ব্যালেন্স, সুদ থেকে আয়, সুদের আয় থেকে কর্তিত উৎসে কর এবং সার্ভিস চার্জ বাবদ কর্তিত অর্থ।

এনবিআর সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে এনবিআরের সঙ্গে জাতীয় সঞ্চয়পত্র অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআরটিএ) অ্যাপ্লিকেশন প্রোগামিং ইন্টারফেস (এপিআই) রয়েছে। এর ফলে কোনো করদাতার সঞ্চয়পত্র ক্রয় করে থাকলে কিংবা গাড়ির মালিকানা থাকলে, তার তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিটার্নে যুক্ত হয়। তবে আগামীতে অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংস্থার সঙ্গে এপিআই করার বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

এনবিআরের প্রথম সচিব পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা আমার দেশকে বলেন, সব ধরনের আর্থিক লেনদেনের তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে রিটার্নে যুক্ত করা গেলে কর ফাঁকির পরিমাণ কমবে এবং সরকারের রাজস্ব আহরণ বাড়বে।

চলতি করবর্ষে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার রিটার্ন দাখিলে ব্যক্তি করদাতা ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের আয়কর রিটার্ন দাখিলে পুরো করবর্ষকে চারটি ভাগে বিভক্ত করেছে এনবিআর।নতুন বিধান অনুযায়ী,ব্যক্তিশ্রেণির করদাতা যদি ২০২৫-২৬ আয়বর্ষের রিটার্ন চলতি করবর্ষের ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে দাখিল করেন তাহলে তিনি করছাড় সুবিধা পাবেন। এ সময়ে যিনি আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন তিনি আদায়যোগ্য করের ৫ শতাংশ কিংবা ২৫ হাজার মধ্যে যেটি কম; সেটি পাবেন।

১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে যেসব ব্যক্তি করদাতা আয়কর রিটার্ন দাখিল করবেন তারা নিয়মিত করদাতা হিসাবে বিবেচিত হবেন। এ সময়ে যারা রিটার্ন দাখিল করবেন তারা করছাড় সুবিধা যেমন পাবেন না,তেমনি জরিমানাও গুনতে হবে না। তবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চ সময়ে যেসব করদাতা রিটার্ন দাখিল করবেন, তাদেরকে জরিমানা গুনতে হবে।জরিমানার পরিমাণ হবে আদায়যোগ্য করের ২ শতাংশ কিংবা তিন হাজার টাকার মধ্যে যেটি সর্বোচ্চ।

সবশেষ ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন সময়ের মধ্যে রিটার্ন দাখিলকারীকে আদায়যোগ্য করের ৫ শতাংশ কিংবা ৫ হাজার টাকার মধ্যে যেটি সর্বোচ্চ তা পরিশোধ করতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ে রিটার্ন জমা দিতে ব্যর্থ ব্যক্তি খাত করদাতাদের জন্য আগেও জরিমানার বিধান ছিল। বিলম্বের জন্য ১ হাজার টাকা এবং প্রতিদিনের জন্য ৫০ টাকা হারে জরিমানা ধার্য করা ছিল।

ফেনী, লক্ষীপুর ও নোয়াখালী নিয়ে গঠিত কর-অঞ্চল নোয়াখালী -তে আবারো (শীঘ্রই) আসতে যাচ্ছে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি৷ বিস্তারিত জান...
14/07/2026

ফেনী, লক্ষীপুর ও নোয়াখালী নিয়ে গঠিত কর-অঞ্চল নোয়াখালী -তে আবারো (শীঘ্রই) আসতে যাচ্ছে নতুন নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি৷ বিস্তারিত জানতে ফলো দিয়ে সাথে থাকুন৷

১৪.০৭.২০২৬ফেনী, লক্ষীপুর ও নোয়াখালী নিয়ে গঠিত কর-অঞ্চল নোয়াখালী -র ট্যাক্সেস বার রেনোভেশনের উদ্দেশ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা৷...
14/07/2026

১৪.০৭.২০২৬
ফেনী, লক্ষীপুর ও নোয়াখালী নিয়ে গঠিত কর-অঞ্চল নোয়াখালী -র ট্যাক্সেস বার রেনোভেশনের উদ্দেশ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা৷
সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ০১-০৮-২০২৬ তারিখ হতে সমস্ত কার্যক্রম নতুন ভবনে চলবে...

আয়কর অঞ্চল নোয়াখালী-রআমাদের (নতুন) বর্তমান ঠিকানা:মাস্কাট প্লাজানাপিতের পুল প্রধান সড়ক, সদর, নোয়াখালী৷  fans
13/07/2026

আয়কর অঞ্চল নোয়াখালী-র
আমাদের (নতুন) বর্তমান ঠিকানা:
মাস্কাট প্লাজা
নাপিতের পুল
প্রধান সড়ক, সদর, নোয়াখালী৷

fans

13/07/2026

"ওয়ারিশ সম্পত্তির দলিল"

ওয়ারিশ সম্পত্তি কেনা বা গ্রহণ করার আগে দলিল সঠিকভাবে যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় একজন ওয়ারিশ তার নিজের অংশের চেয়ে বেশি জমি বিক্রি করেন অথবা সব ওয়ারিশের সম্মতি ছাড়াই জমি বিক্রি করে থাকেন। যার ফলে ভবিষ্যতে মামলা-মোকদ্দমা, বিরোধ কিংবা জমির দখল সংক্রান্ত জটিলতাও দেখা দেয়।

তাই ওয়ারিশ সম্পত্তির দলিল যাচাই করার জন্য নিচের বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে।‌ যেমন:
১. মূল দলিল যাচাই করুন,
প্রথমে দেখুন সম্পত্তিটি মৃত ব্যক্তি কীভাবে অর্জন করেছিলেন। যেমন, ক্রয় দলিল, দানপত্র, হেবা, বণ্টননামা, আদালতের ডিক্রি
নাকি উত্তরাধিকার সূত্রে প্রাপ্ত দলিল।
মূল দলিল থেকে মালিকানার ধারাবাহিকতা (Chain of Title) নিশ্চিত করুন।
২. মৃত্যুসনদ যাচাই করুন অর্থাৎ
যার সম্পত্তি তিনি সত্যিই মারা গেছেন কি না, তা নিশ্চিত হতে মৃত্যুসনদ পরীক্ষা করুন।
৩. ওয়ারিশ সনদ সংগ্রহ করুন যেমন, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন থেকে ইস্যুকৃত ওয়ারিশ সনদে কারা আইনগত ওয়ারিশ তা যাচাই করুন।
৪. সব ওয়ারিশের নাম মিলিয়ে দেখুন, দলিলে উল্লেখিত বিক্রেতাদের নাম ও ওয়ারিশ সনদের নাম মিলিয়ে দেখুন যে,
কোনো ওয়ারিশ বাদ পড়েছে কি না তা নিশ্চিত করুন।
৫. বিক্রেতা তার অংশই বিক্রি করছেন কিনা ? একজন ওয়ারিশ কেবল তার নিজের প্রাপ্য অংশই বিক্রি করতে পারেন। তার অংশের বেশি জমি বিক্রি করলে ভবিষ্যতে বিরোধ দেখা দেয় পরবর্তীতে কোর্ট-কাচারি পর্যন্ত যায়।
৬. খতিয়ান যাচাই করুন: সি.এস (CS), এস.এ (SA), আরএস (RS), বি.এস/বি.আর.এস/ সিটি জরিপ (BS/ B.R.S/City Survey)
খতিয়ানে মালিকের নাম, দাগ নম্বর ও জমির পরিমাণ মিলিয়ে দেখুন।
৭. নামজারি (Mutation) আছে কিনা যাচাই করুন এবং নামজারি কার নামে হয়েছে তাও যাচাই করুন। যদিও নামজারি মালিকানার একমাত্র প্রমাণ নয়, তবে এটি গুরুত্বপূর্ণ একটি রেকর্ড।
৮. খাজনা (ভূমি উন্নয়ন কর) পরিশোধের তথ্য দেখুন
সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করা হয়েছে কি না তা যাচাই করুন।
৯. দাগ নম্বর ও জমির অবস্থান মিলিয়ে দেখুন
দলিল, খতিয়ান এবং মৌজা নকশায় দাগ নম্বর একই আছে কি না, তা নিশ্চিত করুন।
১০. দলিল অফিস থেকে সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করুন
শুধু ফটোকপির উপর নির্ভর করবেন না। প্রয়োজনে সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে সার্টিফাইড কপি সংগ্রহ করুন।
১১. দলিলে কোনো জালিয়াতির লক্ষণ আছে কি না দেখুন, যেমন: কাটাছেঁড়া, ওভাররাইটিং, ভুল নাম, ভুল দাগ নম্বর, ভুয়া সাক্ষী, জাল স্বাক্ষর এসব বিষয়ে সতর্ক থাকুন।
১২. আদালতে উক্ত জমি সংক্রান্ত কোন ধরনের মামলা- মোকদ্দমা আছে কি না খোঁজ নিন।
১৩. বাস্তব দখল পরীক্ষা/যাচাই করুন অর্থাৎ জমিতে বাস্তবে কার দখল আছে তা সরেজমিনে দেখে নিন। স্থানীয় প্রতিবেশীদের কাছ থেকেও তথ্য সংগ্রহ করুন।
১৪. সব ওয়ারিশের সম্মতি প্রয়োজন কিনা বুঝুন, যদি পুরো/সম্পূর্ণ সম্পত্তি বিক্রি করা হয়, তবে সব ওয়ারিশের অংশ ও অধিকার বিবেচনা করা হয়েছে কি না, নিশ্চিত করুন।
১৫. প্রয়োজনে কোন একজন ভিজ্ঞ আইনজীবীর মাধ্যমে লিগ্যাল অপিনিয়ন/ভেটিং করান
জমি কেনার আগে।
বি.দ্র: শুধু দলিল থাকাটাই নিরাপদ নয়, শুধু খতিয়ান থাকলেই মালিকানা নিশ্চিত হয় না এবং শুধু নামজারি থাকলেই মালিকানা প্রমাণ হয় না।
অর্থাৎ সব কাগজপত্র, মালিকানার ধারাবাহিকতা, ওয়ারিশের অধিকার এবং বাস্তব দখল এসবকিছু একসাথে যাচাই করতে হবে।

*************
ধন্যবাদ

06/07/2026

মুসলিম আইনে হেবা বিল এওয়াজ (Hiba-bil-Ewaz) হলো বিনিময় বা প্রতিদানের শর্তে সম্পত্তি দান。অর্থাৎ, দাতা কোনো সম্পত্তি দান করবেন এবং এর বিনিময়ে গ্রহীতা দাতার সন্তুষ্টির জন্য পবিত্র কোরআন, জায়নামাজ, তসবিহ বা প্রতীকী কোনো মূল্যের বস্তু প্রদান করবেন。বাস্তবে এটি এক ধরণের বিক্রিয়。হেবা বিল এওয়াজের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও নিয়মাবলি:প্রকৃতি: এটি সাধারণ 'হেবা' (নিঃশর্ত দান) এর মতো নয়。সাধারণ হেবা কেবল রক্তের সম্পর্কের মাঝে সীমাবদ্ধ থাকলেও, হেবা বিল এওয়াজ রক্তের বাইরের যে কোনো ব্যক্তির সাথে করা যায়。দখল: এটি বিক্রয়ের মতো কাজ করায় সম্পত্তি হস্তান্তর সম্পন্ন করার জন্য আলাদা করে দখল হস্তান্তরের প্রয়োজন হয় না。বাতিলযোগ্যতা: একবার রেজিস্ট্রি ও লেনদেন সম্পন্ন হলে, এটি সাধারণ হেবার মতো সহজে প্রত্যাহার করা যায় না。রেজিস্ট্রেশন: মুসলিম আইন অনুযায়ী এই দলিল অবশ্যই রেজিস্ট্রি করতে হবে

BEPZA তে নিয়োগ ২০২৬আবেদনের শেষ তারিখ: 30/07/2026চাকুরির সব খবর আমাদের পেইজে।লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।
05/07/2026

BEPZA তে নিয়োগ ২০২৬
আবেদনের শেষ তারিখ: 30/07/2026
চাকুরির সব খবর আমাদের পেইজে।
লাইক দিয়ে সাথে থাকুন।

Address

N. S Plaza, Room No: 07, Boro Mosjid More, Main Road, Noakhali, Maijdee Court
Noakhali Sadar Upazila
3800

Opening Hours

Monday 09:00 - 19:00
Tuesday 09:00 - 19:00
Wednesday 09:00 - 19:00
Thursday 09:00 - 19:00
Saturday 09:00 - 19:00
Sunday 09:00 - 19:00

Telephone

+8801725101985

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tax & Vat Solution BD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tax & Vat Solution BD:

Shortcuts

Share