Siddik Tower, Under of Krishi Bank, Oposit Side Upazilla

Siddik Tower, Under of Krishi Bank, Oposit Side Upazilla Tutoring, Tutorial, Help Tips, Tips Help, Health Tips, Tips Help, Tips.

I want share with every facebook user (Tips, Health Tips, Tips Health, Tutorial, Tutoring, Tutorial Tips, Tips Tutorial Etc.

21/12/2017

Photoshop Mockup Practice with smart Object.

25/05/2017

্মার্ট_জাতীয়_পরিচয়পত্র_সম্পর্কি

স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র মুদ্রণের লক্ষ্যে উপজেলা পর্যায়ে সংশোধনের বিশেষ সুযোগ

সারাদেশে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র মুদ্রণ ও বিতরণের লক্ষ্যে ৩ পর্যায়ে সকল জেলার সদর উপজেলায় এবং ৪র্থ পর্যায়ে অন্যান্য সকল উপজেলায় স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ করা হবে। ইতোমধ্যে স্মার্ট কার্ড মুদ্রণের জন্য ৩য় পর্যায়ের অন্তভূক্ত এলাকায় সংশোধন কার্যক্রম সম্পাদন করা হয়েছে। বর্তমানে ৪র্থ পর্যায়ে স্মার্ট কার্ড মুদ্রণের লক্ষ্যে সিটি কর্পোরেশন ও জেলার সদর উপজেলা ব্যতিত সকল উপজেলায় সংশোধনের বিশেষ কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে।

উপজেলা পর্যায়ে সংশোধনের আবেদন গ্রহণ করা হবে আগামী ০১ জুন’২০১৭খ্রি: পর্যন্ত। নাগরীকদের নির্ভূল স্মার্ট জাতীয় পরিচয় পত্র প্রদানের জন্যেই এমন সীদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র নিবন্ধন অনুবিভাগ, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়, ঢাকা উপ-পরিচালক মো: রুহুল আমিন মল্লিক এর ১৭/০৫/২০১৭ তারিখে স্বাক্ষরিত উপজেলা নির্বাচন কর্মাকর্তা বরাবরে প্রেরিত চিঠিতে এতথ্য জানানো হয়েছে।

চিঠিতে উল্লিখিত কার্যক্রম ব্যাপক ভাবে গ্রহণের জন্য মসজিদ, মন্দির, স্কুল, কলেজ, পত্রিকায় প্রেস বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, ক্যাবল অপারেটর, স্থানীয় জনপ্রতিনিধীগণের মাধ্যম সহ সম্ভাব্য পস্থায় প্রচারনার জন্য বলা হয়েছে। প্রচারণার জন্য একটি টেক্সট সংযুক্ত করা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে- অতি সত্বর আপনার এলাকায় স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কার্যক্রম শুরু হতে যাচ্ছে। সর্বাধুনিক প্রযুক্তির নির্ভুল স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র পাওয়ার লক্ষ্যে নাগরীকের জাতীয় পরিচয়পত্রে বর্ণিত তথ্য সঠিক আছে কিনা দেখে নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। কোন তথ্যের সংশোধনের প্রয়োজন হলে আগামী ০১/০৬/২০১৭ তারিখ এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানা নির্বাচন অফিসে যোগাযোগ করে নির্ধারিত ফরমে আবেদন জমা প্রদান করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। #

১ আগষ্ট থেকে হবে সবার হাতে স্মার্টকার্ড।আগামী আগষ্ট মাসের ১ তারিখ থেকে ভোটারদের হাতে ১০ বছরের জন্য উন্নমানের জাতীয় পরিচয়...
05/05/2015

১ আগষ্ট থেকে হবে সবার হাতে স্মার্টকার্ড।

আগামী আগষ্ট মাসের ১ তারিখ থেকে ভোটারদের হাতে ১০ বছরের জন্য উন্নমানের জাতীয় পরিচয়পত্র বা স্মার্টকার্ড বিতরনের কার্যক্রম শুরু হবে। সবার হাতে স্মার্টকার্ড তুলে দিবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের (এনআইডি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সুলতানুজ্জামান মোঃ সালেহ উদ্দিন সাংবাদিকদের জানান, জুলাই মাসের শেষ দিকে না হলেও আগষ্ট মাসের ১ তারিখ থেকে সবার হাতে স্মার্টকার্ড তুলে দেওয়া হবে। বর্তমানে চালু লেমিনেটেড জাতীয় পরিচয় পত্রটি ফেতর দিয়ে বিনামূল্যে উন্নমানের স্মার্টকার্ড পাবেন ভোটাররা। নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইট থেকে প্রাপ্ততথ্যে জানা গেছে, স্মার্টকার্ডে ৩ অস্তারে ২৫ টির মতো নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য ও আন্তার্জাতিক মানদন্ড বজায় রেখ ৮টি বৈশিষ্ট্য নিশ্চিত করা হবে। জাতীয় পরিচয় পত্রে জালিয়াতি রোধে নাগরিকদের দেওয়া হবে যন্ত্রে পাঠযোগ্য স্মার্টকার্ড। বর্তমানে এক পৃষ্টায় নাম, পিতা ও মাতার নাম, জন্মতারিখ এবং আইডি নাম্বার এবং অপর পৃষ্ঠায় ঠিকানা সংবলিত লেমিনেটিং কার্ড পাচ্ছেন ভোটাররা। স্মার্টকার্ডে নাগরিকের এসব তথ্যই থাকবে।

গত বছরের ১৬ই ডিসেম্বর জাতিকে স্মার্ট এনআইডি কার্ড উপহার দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল নির্বাচন কমিশনের (নিক)। এ উপলক্ষে গত বছরের জুন মাসেই নির্বাচন কমিশনের জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন অনুবিভাগের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এসএমএস, টিভিস্ক্রল, রোমান ব্যানার, প্রেস অ্যাড, টিভি অ্যাড, বিলবোর্ড, থিম সংয়ের খসড়া অনুমোদন করিয়ে নেয়া হয়েছিল। বিভিন্ন কারণে বিজয় দিবসে স্মার্টকার্ড দিতে না পারার পর চলতি বছরের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে স্মার্টকার্ড দেয়ার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করে নির্বাচন কমিশন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ওই দিন স্মার্টকার্ডের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন বলে এনআইডির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানোও হয়েছিল। কিন্তু ওই দিনও স্মার্টকার্ড দিতে পারেনি ইসি।
গত ২৬ মার্চ ইসির ঘোষিত তারিখে স্মার্টকার্ড দিতে না পারা সম্পর্কে এনআইডির মহাপরিচালক বলেন, ‘তিন সিটি নির্বাচনের জন্য ঢাকা ও চট্টগ্রামে জাতীয় পরিচয়পত্রের কার্যক্রম বন্ধ ছিল। ২৯ এপ্রিল থেকে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ১ আগস্ট থেকে আমরা সবার হাতে স্মার্ট কার্ড তুলে দিতে পারব।’
১৮ বছরের কম বয়সীদের স্মার্টকার্ড
স্মার্ট এনআইডি কার্ডের সাথে ১৮ বছরের কম বয়সী নাগরিকদেরকেও এনআইডি কার্ড কিভাবে দেওয়া যায় তা নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে। জাতীয় পরিচয় নিবন্ধন বিধিমালাতেও ১৮ বছরের কম বয়সী নাগরিকদের যারা ভোটার হওয়ার যোগ্যনা তাদের এনআইডি কার্ড দেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে। ১৮ বছরের কম বয়সী নাগরিকদের এনআইডি কার্ড দেওয়ার বিষয়ে এনআইডির মহাপরিচালক বলেন্ এনআইডি কার্ড শুধু ভোটাররা পাবেন তা হতে পারে না। ভোটার হওয়ার যোগ্যনা এমন অনেকেই এ দেশের নাগরিক। সে কারনেই ১৬-১৭ বয়সীদের এ পরিচয় পত্র দেওয়া যেতে পারে।
প্রথম বার ফ্রি
জাতীয় পরিচয়পত্র প্রথম বার পাওয়া যাবে ফ্রিতে। কিন্তু হারিয়ে গেলে এই স্মার্টকার্ড টাকা ছাড়া মিলবেনা। প্রথম বার হারিয়ে অথবা নষ্ট হলে ২০০ টাকা দ্বিতীয় বারের জন্য ৩০০ টাকা পরবর্তি যে কোন সময়ের জন্য ৫০০ টাকা দিতে হবে।এছাড়া জরুরীি ভিত্তিতে পরিচয় পত্র পেতে হলে ৩০০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত লাগবে। আর নবায়ন করতে হলে ১০০ টাকা করে নির্বাচন কমিশনকে দিতে হবে।

সূত্রঃ dev.dailynayadiganta.com/detail/news/19551

30/04/2015

তাবলীগ জামাতের গোঁমর ফাঁস

যারা প্রচলিত তাবলীগ করেছে, পরবর্তীতে তারা তা পরিত্যাগ করেছে। কারণ তাদের নিকট তাবলীগের গোঁমর ধরা পড়েছে। এরকম কিছু প্রমান আপনাদের নিকট পেশ করছি।
১. মৌলভী ইলিয়াছ মেওয়াতীর আবিষ্কার করা তাবলীগ জামাত ব্রিটিশ সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্য পেত। যেমন জমিয়তে ওলামায়ে দেওবন্দ এর মহাসচিব মৌঃ হেফজুর রহমান সাহেব নিজেই স্বীকার করেছেন যে, “মৌলভী ইলিয়াসের তাবলীগী আন্দোলন প্রথমদিকে হুকুমতের (ব্রিটিশ সরকারের) পক্ষ থেকে হাজী রশীদ আহমদের মাধ্যমে কিছু টাকা পেত। পরে বন্ধ হয়ে গেছে। (মোকালামাতুস সাদারাইন, পৃষ্ঠা নং-৮ দেওবন্দ হতে প্রকাশিত, সূত্রঃ তাবলীগী জামাত, পৃষ্ঠা নং ৯৯)। আর এজন্যই ইলিয়াছ মেওয়াতী তার মালফুজাত ১৫৯ এ উল্লেখ করেন, “আমি রাজনৈতিক কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞ। তারা সরকারকে তাদের প্রতি আকৃষ্ট করে রেখেছে। সেজন্য আমি নিশ্চিন্তে নিজের কাজ (তাবলীগ) করতে পেরেছি।”
২. ভারতে যখন হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা হল, তখন হাজার হাজার মুসলমানদের হিন্দুরা হত্যা করেছিল। এর প্রতিবাদ সব ইসলামী দলই করেছিল। একমাত্র তাবলীগী দল চুপ ছিল। এর পুরস্কারস্বরূপ তারা ইন্দ্রিরা গান্ধীর সময়েও তাদের তাবলীগী দাওয়াত চালানোর অনুমতি পায়, যখন রাজনৈতিক-অরাজনৈতিক অন্য সকল ইসলামী দলকে নিষিদ্ধ ও বাঁধা দেওয়া হয়।
৩. ইলিয়াছ মেওয়াতী বলেন, “ইলিয়াছি তাবলীগ দুশমনকে খুশি করে এবং দোস্ত কে নাখোশ করে।” (দেখুন মালফুজাত নং ১৭৯)।
পাঠকগণ! গভীরভাবে খেয়াল করুন! ইলিয়াছ মেওয়াতীর কথায় স্পষ্ট বোঝা যায় যে, তারা ইসলমী আকিদার বিরোধী। তা নাহলে দুশমনগণ কেন তাদের কাজে খুশি হবে? দোস্ত বা বন্ধু কেন নাখোশ বা বেজার হবে? যারা ইসলামের বন্ধু তারা কোনদিন ইসলামের কাজে নাখোশ হয় না। যারা ইসলামের শত্র“ কেবল তারাই অনৈসলামিক কাজে খুশি হয়। অতএব তাবলীগ জামাত যে ইসলামী আকিদার পরিপন্থী তা ইলিয়াছ মেওয়াতীর কথায় স্পষ্ট বোঝা যায়।
৪. মৌলবী ইলিয়াছ মেওয়াতীর শ্যালক এবং প্রচলিত তাবলীগ জামাতের প্রধান কর্মকর্তা মাওলানা এহতেশামুল হাসান দেওবন্দী যিনি যৌবন কাল হতে বৃদ্ধাবস্থা পর্যন্ত প্রচলিত তাবলীগ জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মৌলবী ইলিয়াছ মেওয়াতীর সাথে কাটিয়েছেন এবং তাঁর প্রধান খলিফা। তিনি (এহতেশামুল হাসান) তার লিখিত উর্দু কিতাব ‘যিন্দেগী কি সিরাতুল মুস্তাকিম’ এ বলেন- “বস্তি নিজাম উদ্দীনের বর্তমান তাবলীগ আমার জ্ঞান, বিবেক, কুরআন, হাদিস অনুযায়ী সঠিক নহে বরং মুজাদ্দিদ আলফেসানী (রহ.), হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ (রহ.), মুহাদ্দিস দেহলবী (রহ.) ও হক্কানী আলেমগণের মত ও পথের খেলাফ। যে সমস্ত আলেমগণ এই তাবলীগে শরীক আছেন, তাদের দায়িত্ব এই যে, সর্ব প্রথম এই কার্যকে কুরআন হাদিস এবং অতীতকালের ইমাম ও হক্কানী আলেমগণের মত ও পথের সাথে সামঞ্জস্য করা। কেননা, ইহা দ্বীন ও তাবলীগের নামে একটি বিভ্রান্তিকর বিষয় প্রচার করছে। এই বিভ্রান্তিকর বিষয় প্রচারের কারণে সকল প্রকার বালা মুসিবত নাজিল হবার হেতু বলেও আমি মনে করি। তাই জনসাধারণকে সাবধান করতে এই বিষয় লিখতে বাধ্য হচ্ছি। তাবলীগ জামাতের ৬ উসুল ও তাদের আকিদা তথা কর্মকান্ড দেখে আমার কাছে দিনের আলোর মতই পরিস্কার যে, তারা বিদআতে সাইয়্যাহ (মন্দ বিদআত) এর মধ্যে ডুবে গেছে। কেননা এই তাবলীগের আন্দোলন কুরআন, হাদিস ও পূর্ববর্তী উলমাগণের মতামত ও দলিলের উপর ভিত্তি করে করা হয়নি। (সূত্রঃ যিন্দেগী কি সিরাতুল মুস্তাকিম)
৫. মাওলানা আব্দুর রহিম যিনি ১৩/১৪ বছর তাবলীগ জামাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ছিলেন, তিনি ১৯৬৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী মাদরাসা দারুল উলুম নোমানিয়া তাওয়ালী, জেলাঃ মোজাফফরনগরে দেওবন্দ ও সাহারানপুরের খ্যাতনামা মুহাদ্দিস, মুফতি মুবাল্লেগ উলামায়ে কেরামগণের উপস্থিতিতে বলেছিলেন, “আশ্চর্য্যের বিষয় এই যে, যে কাজ উলামায়ে কেরামের তা এমন এক শ্রেণীর লোক আঞ্জাম দিচ্ছে যারা দ্বীন সম্পর্কে কেবলমাত্র অজ্ঞই নয়, অধিকন্তু নিজেদের হীনতা, মূর্খতা ও অপকর্মের দরুণ সমাজের চোখে সমাদৃত নয়। কবির ভাষায়ঃ ‘যদি কোন জাতির পথ প্রদর্শক হয় কাক (মূর্খ লোক), তবে উহা তাদেরকে ধ্বংসের পথ প্রদর্শন করে।’’ তিনি বক্তৃতায় আরও বলেন, আমি খোদার শপথ করে বলছি যে, অনিচ্ছা সত্বেও ধর্মীয় প্রয়োজনে আমি তাবলীগ জামাতের সমালোচনা করছি। কেননা এ জামাতের নাবালেগ মুবাল্লোগগণ যখন জনসাধারণের মধ্যে ওয়াজ করতে আরম্ভ করে অথচ মূর্খদের জন্য ওয়াজ করার অনুমতি শরিয়তে নেই। তারা তাবলীগ জামাতের ফজিলত বয়ান করতে করতে সীমা অতিক্রম করে চলছে। চিন্তার বিষয়, সনদ ব্যতিত কোন ব্যক্তি কম্পাউন্ডার পর্যন্ত হতে পারে না। কিন্তু লোকেরা দ্বীনকে এত সহজ মনে করে নিয়েছে যে, যার ইচ্ছা হয় ওয়াজ করতে দাঁড়িয়ে যায়। তাই বলা যায় অনভিজ্ঞ ডাক্তার জীবনের জন্য বিপদ এবং নিম-মোল্লা (তাবলীগ জামাতের সদস্য) ঈমানের জন্য বিপদ। যে কাজ আলেমের, সে কাজের দায়িত্ব যদি অজ্ঞ লোকেরা গ্রহণ করে উহার গুরুতর পরিনাম সম্পর্কে নবী করিম (সা.) এরশাদ করেন ‘যখন কাজের দায়িত্ব অপাত্রে ন্যস্ত হবে-তখন তোমরা কিয়ামতের জন্য অপেক্ষা করতে থাক।’ আপনারা অবগত আছেন যে, কৃষি কাজের অনভিজ্ঞ লোকের হাতে লাঙ্গল দিলে সে হালের বলদকে ক্ষত-বিক্ষত করে ছাড়বে। কামারকে ঘড়ি তৈরি করতে দিলে, উহার পরিণাম মারাত্মক হবে। তিনি বক্তৃতায় আরও বলেন, তাবলীগ আন্দোলন কোন দলিল ভিত্তিক নহে। হইাকে লইয়া কেউ যদি দলিল প্রমানের লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়, তাকে অবশ্যই পরাজয় বরণ করতে হবে এবং তাবলীগ আন্দোলন বিফল সাব্যস্ত হবে। (‘উসুলে দাওয়াত ও তাবলীগ’ নামক উর্দু কিতাবের ৫০-৬০ পৃষ্ঠা দেখুন, তাবলীগ জামাত-১৫৬-১৬৯ পৃষ্ঠা দেখুন)
________________________________________
তাদের কথা দ্বারাই তাদের গোঁমর ফাঁস হয়ে গেছে। তাদের কথা দ্বারাই প্রমান হয় যে, তারা ভন্ড। ইসলামের কোন দল নয়, বরং ইসলাম বহির্ভূত দল। ৩৬ হিজরীতে খারিজীরা হযরত আলী (রা.) এর দল ত্যাগ করে নিজস্ব দল গঠনের জন্য ইরাকে আবদুল্লাহ বিন ওহাব রাসেবীর গৃহে সমবেত হয়। এটাই ছিল খারেজীদের প্রথম ইজতিমা। ইলিয়াছি তাবলীগীরাও ঐ দলেরই একটি শাখা। তারা আউলিয়ায়ে কেরাম গণের দল ত্যাগ করে নতুন দল গঠন করেছে। তাবলীগ জামাতের এ সমস্ত গোঁমর মানুষকে জানানো সকল মুসলমানের ঈমানী দায়িত্ব। তাবলীগ জামাতীরা বলে থাকেন, তাবলীগ হলো নবীওয়ালা কাজ। এটা তাদের বিভিন্ন কিতাবেও লিখিত আছে। যেমন তাবলীগী নেতা মুহাম্মদ মুযাম্মিল হক লিখিত ‘তাবলীগ জামাত প্রসঙ্গে ১৩ দফা’ কিতাবের ১৪ পৃষ্ঠায় উল্লেখ করেছেন যে, “প্রচলিত তাবলীগ হলো নবীওয়ালা কাজ।” নবীজি ওফাতের পর এই কাজ পরিচালনা করা আমাদের সকলের দায়িত্ব (নাউযুবিল্লাহ)। একটু গভীরভাবে চিন্তা করুন নবীওয়ালা কাজ, এটা কি সাধারণ কাজ? এলেম নাই, আমল নাই এমন মানুষ কি নবীওয়ালা কাজ করার যোগ্যতা রাখে? সাহাবায়ে কেরামগণ ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার জন্য মসজিদে মসজিদে গাট্টি নিয়ে ছুটাছুটি করেছেন কি?
সব প্রশ্নের উত্তর: না।
তাহলে অশিক্ষিত মূর্খ ব্যক্তিগণ তাবলীগের নামে দাওয়াত দিয়ে নবীওয়ালা কাজ করছেন তা সঠিক নয়, বরং নবীজির শানে চরম বেয়াদবী। নবীওয়ালা কাজ সকল উম্মত করতে পারে না। একমাত্র যারা নবীজির গুণে গুণান্বিত হতে পেরেছে, তারাই নবীওয়ালা কাজ করতে পারে। যেমন নবীজি (সা.) এরশাদ করেন,ﺍﻦ ﺍﻠﻌﻠﻤﺎﺀ ﻮﺮﺜﺔ ﺍﻻﻨۢﺒﻳﺎﺀ (ইন্নাল উলামউ ওয়া রাসাতুল আম্বিয়া – আল হাদিস) অর্থাৎ “নিশ্চয়ই আলেমগণ হলো নবীর ওয়ারিশ।” এই হাদিস শরীফ হতে বোঝা যায় যে, নবীজির ওয়ারিশ সকলে নয়, একমাত্র আলেমগণ। হাদিস শরীফে আল্লাহর নবী আরও বলেন, ﺨﻳﺭﺍﻠﺧﻳﺎﺮ ﺨﻴﺎﺮﺍﻠﻌﻟﻤﺎﺀ ﻮﺸﺮ ﺍﻠﺸﺮﺍﺮ ﺷﺮﺍﺭ ﺍﻠﻌﻟﻤﺎﺀ (খায়রুল খিয়ারি খিয়ারুল উলামা ওয়াশাররুশ শিরারি শিরারুল উলামা – আল হাদিস) অর্থাৎ “ভালোর চেয়ে ভাল হলো আলেম এবং খারাপের চেয়ে খারাপ হলো আলেম।” এ হাদিস শরীফ হতে বোঝা যায় যে, আলেম দুই প্রকার। যথা উলামায়ে হক্কানী বা প্রকৃত আলেম এবং উলামায়ে ছু অর্থাৎ অসৎ আলেম। আর উলামায়ে হক্কানীগণ হলেন নবীজির ওয়ারিশ বা নায়েবে নবী। এই নায়েবে নবীগণই তাবলীগ বা নবীওয়ালা কাজ করার যোগ্যত রাখে, সাধারণ লোক নয়।

কিভাবে ব্লগস্পট ব্লগে গুগল ম্যাপ যুক্ত করবেনইন্টারনেট ব্যবহার করেন আর গুগল ম্যাপ এর কথা যানেন না এটা অভাবনীয়। তারপরও নতু...
29/04/2015

কিভাবে ব্লগস্পট ব্লগে গুগল ম্যাপ যুক্ত করবেন

ইন্টারনেট ব্যবহার করেন আর গুগল ম্যাপ এর কথা যানেন না এটা অভাবনীয়। তারপরও নতুনদের জন্য গুগল ম্যাপ নিয়ে আংশিক কিছু বলে জাচ্ছি।গুগল ম্যাপ খুবি দরকারি একটি জিনিস। গুগল ম্যাপের মাধ্যমে খুব সহজেই পৃথিবীর বিভিন্ন স্থান সম্পর্কে জেনে নিতে পারবেন। যুগের চাহিদা, প্রযুক্তির ব্যবহার আর বিশ্বের সাথে তাল মেলাতে এটি একটি অনন্য প্রযুক্তি। বিশেষ করে কেনাকাটার জন্যে ওয়েব সাইট গুলোতে এটি বেশ কার্যকারী ক্রেতা এবং কিক্রেতা দের অবস্থান জানতে, এবং কমিউনিটি ওয়েব সাইট গুলতে এখন ম্যাপ বা লোকেশন এর ব্যবহার হচ্ছ। যাই হোক অনেক কিছুই বলে পেল্লাম, আজকে আমার আলোচনার বিষয় "কিভাবে ব্লগস্পটে গুগল ম্যাপ যুক্ত করবেন"।

প্রথমে https://maps.google.com/ এই লিঙ্ক যান, এরপর সেখানে আপনি যেই স্থান টিকে আপনার ব্লগে দেখাতে চাইছেন সেটা সার্চ করুন।

এবার আপনি আপনার লোকেশন পেয়ে যাবে একটু নিচে দেখুন সেটিংস্‌ বাটন আছে তাতে ক্লিক করুন এবং সব উপর থেকে "Share or embed map"

এরপর একটি পেজ আসবে সেখানে দেখুন "Share link" এবং "Embed map" দুটি অপশন আছে তার মধ্যে থেকে আপনি "Embed map" এ ক্লিক করুন করুন এবং ক্লিক করার পর একটি বক্স পাবেন, সেই বক্সের কোড গুল কপি করে নিন। কপি করার আগে অবশ্যই আপনার প্রয়োজনমত কোড এর সাইজ ঠিক করে নিন। তার পর কোড কপি করুন।

এরপর আপনার ব্লগার ব্লগ লগইন করুন এবং ড্যাশবোর্ড থেকে Layout → Add a Gadget → HTML/Javascript এ ক্লিক করুন এবং উপরে যে কোড গুলো কপি পেস্ট করেছেন সেগুলো Content ঘরে বসিয়ে Save করে দিন। এক্ষেত্রে অবশ্যই ঠিক করে নিন আপনি কোন যাইগাই ম্যাপটি দেখাতে চান। এরপর না বুজলে ভিডিও দেখে দেখে করেনঃ
https://www.youtube.com/watch?v=3Epqm5wrgVY

copy by: tt

Find local businesses, view maps and get driving directions in Google Maps.

আমি সেন্ট ভ্যালেনটাইন বলছি….আসুন কিভাবে ১৪ফেব্রুয়ারি ভ্যালেটাইন ডে (বিশ্ব ভালোবাসা দিবস)হলো তা জেনে নিন…অনেক দিন আগের কথ...
13/02/2015

আমি সেন্ট ভ্যালেনটাইন বলছি….আসুন কিভাবে ১৪ফেব্রুয়ারি ভ্যালেটাইন ডে (বিশ্ব ভালোবাসা দিবস)হলো তা জেনে নিন…

অনেক দিন আগের কথা....আমি (ভ্যালেটাইন) তখন রোমে বাস করতাম..
৩য় শতকে কথা...তখন রোমের রাজা ছিলেন..ক্লুডিয়াস ২য়
তিনি স্বৈরাচারি রাজা ছিলেন
আমি তাকে ঘৃণা করতাম...শুধু আমি নই..আমারা,রোমের সর্ব জন সাধারনও
ক্লুডিয়াস ২য় চেয়েছিলেন রোমের সেনাবাহিনী হবে সেই সময় কার পৃথিবীর বৃহত্তম সেনাবাহিনী...
তাই তিনি সৈনিক নিয়োগ শুরু হলো.....কিন্তু অনেকেই যুদ্ধ করতে চাইলো না...
রাজা ক্লুডিয়াস ২য় বেকায়দায় পড়লেন...
তিনি ভাবতে থাকলেন এবার কি করা যায়..........
দুষ্টু বুদ্ধি এলো মাথায়,তিনি ভাবলেন যদি কেউ বিবাহ না করে তাহলে যুদ্ধে সবাই মন দেবে..
রাজা ক্লুডিয়াস ২য় নির্দেশ দিলেন .....রোমে নতুন বিবাহ নিষিদ্ধ ....
যুবক যুবতিরা গেলেন খেপে।
তারা রাজাকে নিষ্ঠুর রাজা বলে সম্বোধন করলেন....

আমি (ভ্যালেটাইন) তখন রোমের ধর্ম যাজক ছিলাম..
কিন্তু আমারই এক শিষ্য প্রেমে আবদ্ধ হলো...তারা বিয়ে করতে চাইলো...
কিন্তু রাজা ক্লুডিয়াস ২য় এর নির্দেশ...আমি কি করি....
আমি রোমের ধর্ম যাজক প্রেমকে আস্বিকার করি কি করে....
তাই গোপন বিবাহ আয়োজন করলাম..

2

একটি আন্ধকার ঘর,একটি জ্জ্বলন্ত মোমবাতি,আমি এবং আমার শিষ্য প্রেমিক যুগল...
আমি বিড়বিড় করে মন্ত্র উচ্চারণ করলাম....

কিন্তু হায়..'যেখানে বাঘের ভয় সেখানে সন্ধ্যা হয়'

তাই গোপন সূত্রে খরব পেয়ে সেনাবাহিনী আমাকে ধরে নিয়ে গেলো....
নিক্ষেপ করলো অন্ধকারাগারে......
আমার মৃত্যু দণ্ড ঘোষনা করা হলো...

আমি যখন জেলে বন্দি ছিলাম তখন আমাকে দেখতে রোমের যুবক যুবতিরা এসেছিলো...
সবাই আমার বন্ধু-বান্ধবী...

এসেছিলো হাতে নিয়ে রক্ত গোলাপ...

সেই জেলের রক্ষির ছোট্ট মেয়ে আমার সাথে দেখা করতে চাইলো...
তার সাথে নিরবে কাথা বললাম...
সে বললো 'কেন তুমি গোপনে বিয়ে দিলে...তোমাকে সকলের সামনে বিয়ে দিতে হতো'

তাই আমার (ভ্যালেটাইন) মৃত্যুর আগে আমি আমার বন্ধুদের প্রতি একটি নেট লিখেছিলাম........"ভলোবাসা...তোমার ভ্যালেনটাইলের পক্ষ থেকে"
১৪ ফেব্রুয়ারি ২৬৯ খ্রীষ্টাব্দ, আমার মৃত্যু দিন আসন্ন...
এই দিনই আমার (ভ্যালেটাইন) দেহ থেকে আমার মাথা আলাদা করা হয়.....

এর পর অনেক দিন কেটে গেছে....গঙ্গা-পদ্মা দিয়ে অনেক জল বয়ে গেছে
৪৯৬ খ্রীষ্টাব্দের কথা...রোমের পোপ জেলাসিয়াস ১৪ ফেব্রুয়ারি কে ভালোবাসা দিন হিসাবে ঘোষনা করেন..
আমার(ভ্যালেটাইন) মৃত্যু দিনকে আমার স্মরণে......
এবং আজও এই দিনটি প্রেম বিনিময়ের দৃষ্টান্ত হয়ে আছে.....

প্রেমিক প্রেমিক আমি (ভ্যালেটাইন) চিরদিন তোমার পাশে আছি ...তোমার পাশেই থাকবো....

তোমরা অকুতোভয়ে এগিয়ে যাও..........

বিশ্ব ভালবাসা দিবস কি ? মুসলমানরা এটাকে কিভাবে গ্রহন করবে?এক নোংরা ও জঘন্য ইতিহাসের স্মৃতিচারণের নাম বিশ্ব ভালবাসা দিবস।...
13/02/2015

বিশ্ব ভালবাসা দিবস কি ? মুসলমানরা এটাকে কিভাবে গ্রহন করবে?

এক নোংরা ও জঘন্য ইতিহাসের স্মৃতিচারণের নাম বিশ্ব ভালবাসা দিবস। এ ইতিহাসটির বয়স সতের শত সাঁইত্রিশ বছর হলেও ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’ নামে এর চর্চা শুরু হয় সাম্প্রতিক কালেই। দুই শত সত্তর সালের চৌদ্দই ফেব্রুয়ারির কথা। তখন রোমের সম্রাট ছিলেন ক্লডিয়াস। সে সময় ভ্যালেন্টাইন নামে একজন সাধু, তরুণ প্রেমিকদেরকে গোপন পরিণয়-মন্ত্রে দীক্ষা দিত। এ অপরাধে সম্রাট ক্লডিয়াস সাধু ভ্যালেন্টাইনের শিরশ্ছেদ করেন। তার এ ভ্যালেন্টাইন নাম থেকেই এ দিনটির নাম করণ করা হয় ‘ভ্যালেন্টাইন ডে’ যা আজকের ‘বিশ্ব ভালবাসা দিবস’।

বাংলাদেশে এ দিবসটি পালন করা শুরু হয় ১৯৯৩ইং সালে। কিছু ব্যবসায়ীর মদদে এটি প্রথম চালু হয়। অপরিণামদর্শী মিডিয়া কর্মীরা এর ব্যাপক কভারেজ দেয়। আর যায় কোথায় ! লুফে নেয় বাংলার তরুণ-তরুণীরা। এরপর থেকে ঈমানের ঘরে ভালবাসার পরিবর্তে ভুলের বাসা বেঁধে দেয়ার কাজটা যথারীতি চলছে। আর এর ঠিক পিছনেই মানব জাতির আজন্ম শত্রু শয়তান এইডস নামক মরণ-পেয়ালা হাতে নিয়ে দাঁত বের করে হাসছে। মানুষ যখন বিশ্ব ভালবাসা দিবস সম্পর্কে জানত না, তখন পৃথিবীতে ভালবাসার অভাব ছিলনা। আজ পৃথিবীতে ভালবাসার বড় অভাব। তাই দিবস পালন করে ভালবাসার কথা স্মরণ করিয়ে দিতে হয়! আর হবেই না কেন! অপবিত্রতা নোংরামি আর শঠতার মাঝে তো আর ভালবাসা নামক ভালো বস্তু থাকতে পারে না। তাই আল্লাহ তা‘আলা মানুষের হৃদয় থেকে ভালবাসা উঠিয়ে নিয়েছেন।

বিশ্ব ভালবাসা দিবসকে চেনার জন্য আরও কিছু বাস্তব নমুনা পেশ করা দরকার। দিনটি যখন আসে তখন শিক্ষাঙ্গনের শিক্ষার্থীরা বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা তো একেবারে বেসামাল হয়ে উঠে। নিজেদের রূপা-সৌন্দর্য উজাড় করে প্রদর্শনের জন্য রাস্তায় নেমে আসে। শুধুই কি তাই ! অঙ্কন পটীয়সীরা উল্কি আঁকার জন্য পসরা সাজিয়ে বসে থাকে রাস্তার ধারে। তাদের সামনে তরুণীরা পিঠ, বাহু আর হস্তদ্বয় মেলে ধরে পছন্দের উল্কিটি এঁকে দেয়ার জন্য। তারপর রাত পর্যন্ত নীরবে-নিবৃতে প্রেমিক বা প্রেমিকার সাথে খোশ গল্প। এ হলো বিশ্ব ভালবাসা দিবসের কর্মসূচি! বিশ্ব ভালবাসা দিবস না বলে বিশ্ব বেহায়াপনা দিবস বললে অন্তত নামকরণটি যথার্থ হতো।

ইন্টারনেট হতে সংগৃহীত।

ইউছুফ আলী
বসুরহাট আই.টি সেন্টার
মোবাইল: ০১৮৪০৮৩০২৩০

এর সম্পর্কে আর বেশী কিছু বলা লাগবেনা।যার মাথায় এত বুদ্ধি তাকে চিনতে কারো ভুল হওয়ার কথা নাতারপরও নামটা বলে দিই আবু সুফিয়া...
11/02/2015

এর সম্পর্কে আর বেশী কিছু বলা লাগবেনা।
যার মাথায় এত বুদ্ধি তাকে চিনতে কারো ভুল হওয়ার কথা না
তারপরও নামটা বলে দিই আবু সুফিয়ান সুমন।

রেজোয়ান হোসেন রিয়াদমাত্র কয়েক বছর আগের নিষ্পাপ সে চেহারা... এখন কি মিল আছে সে চেহারা আর বর্তমান চেহারার সাথে দেখুনhttps:...
11/02/2015

রেজোয়ান হোসেন রিয়াদ
মাত্র কয়েক বছর আগের নিষ্পাপ সে চেহারা... এখন কি মিল আছে সে চেহারা আর বর্তমান চেহারার সাথে দেখুন
https://www.facebook.com/profile.php?id=100007663097850

এক সময় বর্তমানের তুলনায় যখন আমরা চিকনা ছিলাম তখন মুখটাকে ফুলিয়ে রাখতাম। যাতে করে মুখটা ভরাট দেখা যায় তেমনি একটি আমাদের ন...
31/01/2015

এক সময় বর্তমানের তুলনায় যখন আমরা চিকনা ছিলাম তখন মুখটাকে ফুলিয়ে রাখতাম। যাতে করে মুখটা ভরাট দেখা যায় তেমনি একটি আমাদের নুরুল্লা আল মারুফ ভাই এর মধ্যে লক্ষ্য করা যাচ্চে।

আর এখন তার ফটো গুলো দেখেনতো মুখকি ফুলান লাগতেছে না কি ফুলাই আছে।
https://www.facebook.com/nurullah.maruf

আমার শশুর মশাই। আজ থেকে ৫ বছর আগের ছবি।আর এখন দেখুন কেমন বদলে গেল........কাজী নজরুল ইসলাম। (নিরব) (রুপা)https://www.face...
29/01/2015

আমার শশুর মশাই। আজ থেকে ৫ বছর আগের ছবি।
আর এখন দেখুন কেমন বদলে গেল........
কাজী নজরুল ইসলাম। (নিরব) (রুপা)
https://www.facebook.com/nazrul.nerob

বিয়ের পর মানুষ মনে হয় এমনিতেই বদলে যায়। যেমন তার নামটাও বদলে গেল।

27/10/2014

রাস্তায় ফুল বিক্রি করেন অভিনেত্রী বনশ্রী

এক বন্ধুকে বলছিলাম বনশ্রীকে খুঁজে পাচ্ছি না। বন্ধুটা রসিকতা করে জবাব দিলো ‘রামপুরা টেলিভিশন ভবনের কাছে গিয়ে রিকশা নিয়ে বনশ্রী চলে যান’। রামপুরা যেতে হয়নি কষ্ট করে, ঢাকার শাহবাগেই খুঁজে পাওয়া গেল বনশ্রীকে।

দুদিন ধরে শহরে কি এক অদ্ভুত দুষ্টু বৃষ্টি হচ্ছে। যেন ফোটা ফোটা কুয়াশা পরে। একেই হয়তো বলে শীত বৃষ্টি। সেই বৃষ্টি মাথায় নিয়ে ২৭ অক্টোবর সকালে হাজির হই শাহবাগের ফুল মার্কেটে। খোঁজ পাওয়া যায় এখানেই এখন ফুল বিক্রি করেন বনশ্রী। হলদে গাদা, লাল গোলাপ, সাদা দোলনচাঁপা, রজনীগন্ধা, বেলি, সহ নানা ফুল ঘেরা পরিবেশে বসে আছেন বনশ্রী।

শুধু নামটাই বলছি তার পরিচয়টা বলা হলো না। বনশ্রী বাংলা চলচ্চিত্রের এক সময়কার জনপ্রিয় এবং পরিচিত এক অভিনেত্রীর নাম। বাবা মার হাত ধরে ৭ বছর বয়সেই শিবচর থেকে ঢাকায় আসেন। বাবা ঠিকাদারি কাজ করতেন। দুই বোন আর এক ভাই তারা। বনশ্রী ছোটবেলা থেকেই সংস্কৃতি চর্চার মধ্যে ছিলেন। উদীচীর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ভালো গান করতেন। অভিনয় শেখার জন্য সুবচন নাট্য সংসদে যোগ দেন, মহিলা সমিতি মঞ্চের দর্শকের কাছেও পরিচিত মুখ বনশ্রী। তারপর বিটিভির ‘স্পন্দন’ অনুষ্ঠানে নিয়মিত আবৃত্তি করেছেন। প্রায় দশটির মত বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেলও হয়েছিলেন তিনি।

এরপরই চলচ্চিত্রে পা রাখেন। ‘সোহরাব-রুস্তম’ চলচ্চিত্রটির মাধ্যমে তার বাংলা ছবির দুনিয়ায় অভিষেক হয়। আর প্রথম ছবিতেই হিরো ছিলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। এসব গল্প শুনছিলাম বনশ্রীর মুখে, ফুলের ঘ্রাণে মুগ্ধ হয়ে।

এরপর তিনি ‘নেশা’, ‘মহাভূমিকম্প’, ‘প্রেম বিসর্জন’, ‘ভাগ্যের পরিহাস’ নামের চলচ্চিত্রগুলোতে অভিনয় করেন। তিনি বলেন, ‘চলচ্চিত্রে যখন কাজ শুরু করি তখন থেকেই আমার টার্গেট ছিল জনপ্রিয় হিরোদের সঙ্গে কাজ করবো। তাই আমি মান্না, অমিত হাসান, রুবেল এদের নায়িকা হয়ে কাজ করেছি।’

নিষ্ঠুর দুনিয়া নামে একটি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছিলেন তিনি। কিন্তু ছবিটি শেষ পর্যন্ত মুক্তি পায়নি। একসময়কার ব্যস্ততম অভিনেত্রী এখন ফুটপাতে বসে ফুল বিক্রি করেন। কেন এই ফুল বিক্রি? এবার বনশ্রী বলেন, ‘দেখুন আমি এর আগে বাসে বাসে বই বিক্রি করে সংসার চালাতাম। সংসার বলতে আমি আর আমার সাড়ে তিন বছরের ছেলে আপন [মেহেদী হাসান আপন]। কিন্তু ছেলেকে কোলে নিয়ে বাসে বাসে বই বিক্রি করাটা কষ্টের। এত কষ্ট আমি সয্য করতে পারছিলাম না। তাই ছেলেকে এতিম খানায় দিয়ে, এখন ফুল বিক্রি করছি। আমি যখন নায়িকা ছিলাম তখন প্রায় প্রতিদিনই ঢাকা ক্লাবে আসতাম কাজ না থাকলে। সেই ঢাকা ক্লাবের টেনিস মার্কার হিসেবে কাজ করতে জীবন ভাই। তিনি একদিন আমাকে রাস্তায় দেখে বললেন ‘আরে ম্যাডাম আপনি কেন বাসে বাসে বই বিক্রি করবেন। তখন তিনি আমাকে ফুল বিক্রি করার কাজ দেন।’

নিজের ক্যারিয়ার নষ্ট, সংসারও টিকলো না, মেয়ে বৃষ্টিকে হারালেন এখন একমাত্র সম্বল শিশু সন্তান আপনকেও ঠিকমত লালন পালন করতে পারছেন না। এসব নানা কারণে বনশ্রী এর মাঝে মানসিকভাবে ভেঙে পরেন। পরে তিনি মানিকগঞ্জের আসক্তি পুনর্বাসন নিবাস আপনে চারমাস মানিসক চিকিৎসা নেন। আর ছেলেকে দিয়ে দেন সাভারের একটি এতিম খানায়।

বনশ্রী বই বিক্রেতা থেকে ফুল বিক্রেতা, এক সময় থাকতেন আলিশান ফ্ল্যাটে এখন শেখের টেকের বস্তিতে। ছেলে থাকে এতিম খানায় তিন বেলা খাবারের নিশ্চয়তা নেই। এই পরিস্থিতির জন্য কাকে দায়ি করবেন আপনি? ফুলের রাজ্যে বনশ্রী উত্তর খুঁজে বেড়ান। তিনি বলেন, ‘দেখুন আমার আসলে সঠিক কোন গাইড ছিল না বা আমাকে বুদ্ধি পরামর্শ দেওয়ার লোক ছিল না। ফারুক ঠাকুর যখন ঝামেলায় পরেন আমি তখন একা হয়ে যাই। আমার কোন ব্যাকআপ ছিল না। আমার বাবা মার কাছ থেকেও আমি কোন সঠিক দিক নির্দেশনা পাইনি। এই শহরে একা একটি মেয়ে টিকে থাকার জন্য যে কি লড়াই করতে হয় তা আপনাদের জানা নেই।’

[চোখের কোনে বনশ্রীর পানি। তিনি কান্না আড়াল করেন ওড়ানায় মুছে। কণ্ঠ ভারি হয়ে আসে তার।] তিনি আবার বলা শুরু করেন, ‘আমার এখন কুত্তা বিলাইয়ের মত জীবন যাপন করতে হচ্ছে। এটা কি আমার অপরাধের জন্য। নাকি আমাদের চারপাশের সিস্টেমের জন্য? আমার সংসার, আমার সন্তান, স্বামী কিছু নেই এখন আমার।’

[আবার চুপ হয়ে যান বনশ্রী]

আচ্ছা এর মাঝে শুনেছিলাম আপনাকে নায়ক অনন্ত জলিলসহ অনেকেই সহযোগিতা করেছেন। তারা টাকা দিয়েছেন…

এবার যেন একটু রেগে গেলেন বনশ্রী, রাগ কণ্ঠে নিয়ে বলেন, ‘অনেকেই টাকা দিয়েছে, অনন্ত জলিল দিয়েছেন ১৩ হাজার টাকা, ইলিয়াস কাঞ্চন দশ হাজার টাকা, চ্যানেল আইতে থেকে এবং আরো একটি প্রতিষ্ঠান কিছু টাকা দিয়েছিল। কিন্তু তা খুবই সামান্য। আমার এ টাকার দরকার নেই। আমি গেলাম অনন্ত জলিলের অফিসে গিয়ে তাকে বললাম আমাকে চাকরি দেওয়ার জন্য। কারণ আমি সেলাইয়ের কাজ জানি। তিনি আমাকে চাকরি দিলেন না। তার অফিসের দারোয়ান আর ড্রাইভার আমার সঙ্গে অভদ্র আচরণ করেছে, অপমান করেছে। এরপর একদিন অনন্ত জলিল আমাকে বললেন, তিনি প্রতি মাসে আমাকে এক হাজার টাকা দিবেন আর ১৫ কেজি চাউল। কিন্তু আজ পর্যন্ত আমি তা পাইনি। আমি তো ভিক্ষা চাই না। আমাকে কাজ দেন। তাও কেউ আমাকে কাজ দিচ্ছে না। তাই আমি ফুলের ব্যবসায় নেমেছি। এখানে যদি আমাকে সবাই সহযোগিতা করে আশা রাখি ফুলের ব্যবসাটা দাঁড় করাতে পারবো। আমি সবাইকে অনুরোধ করবো আমার ফুলের দোকান থেকে ফুল নিতে। সব রকমের ফুল আমি সরবরাহ করবো।’

বনশ্রী আরো জানান, তার ফুলের দোকানের নাম ঠিক করেছেন চন্দ্রমালিকা পুষ্প কুঞ্জ। শাহবাগের ফুল মার্কেটেই তিনি একটি ফুলের দোকান নিতে চান। কিন্তু তার অর্থ নেই। তাই এখন ফুটপাতেই বসে ফুল বিক্রি করছেন। বনশ্রীর স্বপ্ন ফুলের দোকানটা দাঁড় করাতে পারলে শিশু সন্তান আপনকে নিজের কাছে নিয়ে আসবেন। তিনি বলেন, ‘ছেলেটা এতিমখানায় গিয়ে সব সময় মনমরা হয়ে থাকে। বুকটা ফেটে যায় ছেলের মুখ দেখলে। ছেলের জন্য অশান্তি লাগে। টাকা হলেই ভালো থাকার জায়গা পেলেই ছেলেকে নিয়ে আসবো।’

আপনি তো এর মাঝে ‘মাটির পরী’ নামে একটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছিলেন। অভিনয়টা কি করতে চান না আর?

একটা লম্বা শ্বাস ফেলে বনশ্রী বলেন, ‘মাটির পরী চলচ্চিত্রে আমাকে দিয়ে অভিনয় করিয়ে ফকিরের মত এক হাজার টাকা ধরিয়ে দিছে। এরকম হলে কি কাজ করা যায় বলেন। আমার মনে প্রাণে তো অভিনয়। আমি তো অভিনয় করতেই চাই কিন্তু ভালো সুযোগ পাচ্ছি না। আর অভিনয় করতে গেলেও তো খরচ লাগে। সেটাও তো আমার কাছে নাই।’

কথা হচ্ছিলে ফুল মার্কেটে বসেই। বনশ্রীকে এই মার্কেটের সবাই আপন করে নিয়েছেন। কিন্তু বনশ্রী কি ফুল ক্রেতা না বিক্রেতা এটা অনেকেই বুঝতে পারেন না। রাস্তায় দাঁড়িয়ে বসে ফুল বিক্রি করতে সমস্যা হয় তার। তাই টাকার অপেক্ষায় আছেন। টাকা জমিয়ে দোকান দিবেন তিনি। ছেলেকে নিয়ে আসবেন। বনশ্রীর এই ছোট্ট স্বপ্ন পূরণ হোক সেই কামনা থাকলে। ফুলের ঘ্রাণে ফুলের রঙে ভরে উঠুক বনশ্রী আর তার শিশু সন্তান আপনের জীবন।

from http://www.bdmonitor.net/newsdetail/detail/200/96199

Address

Basurhat, Companigonj, Noakhali
Noakhali Sadar Upazila
3850

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Siddik Tower, Under of Krishi Bank, Oposit Side Upazilla posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Siddik Tower, Under of Krishi Bank, Oposit Side Upazilla:

Share