18/04/2023
াতে_যে_আমল_গুলো_করতে_পারেন
★মাগরিবের নামাজ আদায়ের পর ২ রাকাত করে ৬ রাকাত আউয়াবিনের নামাজ আদায় করতে পারেন।
★মহান আল্লাহ পাকের রহমত পাওয়ার উদ্দেশ্যে গোসল করতে পারেন।এই গোসলের অনেক ফজীলত রয়েছে।
★গোসলের পর ২ রাকাত তাহিয়্যাতুল অযু নামাজ পড়তে পারেন।
★এশার নামাজের পূর্বে ২ রাকাত করে ৮ রাকাত নফল নামাজ আদায় করতে পারেন। সূরা ফাতেহার সাথে সূরা ইখলাস ৫ বার।
★এবার মা-বাবা কে কদমবুছি করে উভয়ের দোয়া নিয়ে মসজিদে গিয়ে এশার নামাজের সাথে তারাবীহ সহ আদায় করুন। মনে রাখবেন উনাদের দোয়ার বরকতে ইবাদাতে অন্যরকম শান্তি পাবেন।
★এরপরঃ "সালাতুত তাসবী" নামাজ আদায় করতে পারেন। এই নামাজের প্রতি রাসুলুল্লাহ দঃ খুব বেশী গুরুত্ব দিয়েছেন। দৈনিক না পারলে সপ্তাহে আর সপ্তাহে না পারলে মাসে আর তাও না পারলে জীবনে একবার হলেও আদায়ের কথা বলেছেন।
★এখন নিজের সাধ্যমত নফল নামাজ পড়তে থাকুন যত টুকু আপনার পক্ষে আদায় করা সম্ভব হয়।
★পবিত্র কুরআন শরীফের সূরা ইয়াসিন, সূরা আর রহমান, সূরা মুলক, সূরা দুখান,আয়াতুল কুরসি পড়ুন।
★যত পারেন মুহাব্বতে দরুদ শরীফ পড়ুন। মনে রাখবেন স্বয়ং আল্লাহ পাক ও ফেরেস্তাগণ দরুদ শরীফ পড়েন।
★নামাজের সুরাতে বসে চোখ বন্ধ করে মহান আল্লাহ পাকের স্বরনে একাগ্রচিত্তে জিকির করুন এবং আল্লাহ পাকের দরবারে বেশী বেশী তাওবা করুন।
★কালেমা গুলো পড়ার চেষ্টা করুন।
★আউলিয়ায়ে কেরাম ও নিজ আত্মীয়স্বজন যারা ইন্তেকাল করেছেন সম্ভব হলে উনাদের জিয়ারত করুন,আর সম্ভব না হলে জিয়ারতের নিয়্যতে সূরা ফাতিহা,সূরা ইখলাছ ৩ বার এবং দরুদ শরীফ আদায় করে দোয়া করুন।
★এবার মোনাজাত করুন। সকল উম্মতে মুহাম্মদী দঃ-এর জন্য,মা-বাবা,ভাই-বোন,প্রতিবেশী,আত্মীয় স্বজন,বন্ধু-বান্ধব এবং নিজের জন্য দোয়া করুন।
★এই দোয়াটি পড়ুনঃ "আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নী"।
★ সকল প্রকার রোগ ব্যাধি থেকে বিশেষ করে বড় ধরনের মহামারী থেকে মুক্তির জন্য সকল মানবজাতির জন্য খাস করে দোয়া করুন।
★নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী যতটুকু সম্ভব ফকির মিসকিনদের কিছু দান খয়রাত করুন।
★সাহরি খেয়ে রোজার নিয়্যত করুন।
★অবশ্যই অবশ্যই ফজরের নামাজ আদায় করুন।
#আল্লাহ_পাক_আমল_করার_তাওফিক_দান_করুন 🥀