19/03/2017
মেয়েদের নিয়ে একটা পোষ্ট করলাম
দয়া করে সবাই একটু সময় দিবেন!!
পৃথিবীর সব মেয়েগুলো কিন্তু এক নয়!!
তাদের ও একটা সরল সুন্দর মন আছে!!
তারা আমাদের ছেলেদের মত সব পারে না!!
তারা সবার কথা চিন্তা করেই সিদ্ধান্ত নেয়!!
তারা পরিস্তিতির চাপে অনেক কিছু ত্যাগ করে!!
এবং কি তার ভালোবাসা পর্যন্ত মাটি চাপা দেয় এই বুকের
মাঝেই!!
এই আমি বলছি,,
আমি নিশ্চুপ জানি!!
মেয়েরা কত সহজে একটা ছেলেকে বিশ্বাস
করে ফেলে!!
কারণ আমি একজন না অনেক অনেক জনের
সম্পর্কে জানি!!
প্রতিটা মেয়ের মধ্যেই আমরা অন্য
একজনের ছায়া খুঁজে পাই!! তাই
তাদের আমরা কখনো মায়াবতী
কখনো রুপবতী কখনো লজ্জ্বাবতী
বলে থাকি সব মেয়েকেই আপনি!!..
দামী শাড়ি কিংবা দামি ডায়মন্ডের
নেকলেস দিয়ে খুশী করতে পারবেন না!!
পৃথিবীতে এখনো এমন অনেক মেয়ে
আছে যারা শুধু ভালোবাসার মায়ায়
বছরের পর বছর এক ছাদের নীচে,,
জোড়া তালি দেওয়া কাপড় পড়েও
সুখে আছে!!
এসব মেয়েরা দামী শাড়ি গহনা চায় না,
কিন্তু তার চেয়েও দামী একটা জিনিষ
চায়!! সেটা হল গভীর ভালোবাসা, যার
সাথে শাড়ি গহনার কোন তুলনা হয় না
স্বামীর প্রয়োজনে তাদের গলার মালাটা
খুলে নিলেও মনে কষ্ট পায় না!!
কিন্তু অকারণে আপনারবলা,
সেই একটি কঠোর কথায় তাদের
পায়ের নীচের মাটিটা টলে ওঠে!!!...
কিন্তু তারা এই ভালোবাসার ভাগ টা অন্য কাউকে
দিতে চায় না!!
হ্যা....হয়তো আপনাদের কাছে এসব
কিছুই না!!! আর অনুভূতি-প্রবণ মানুষরা
খালি কলসি ও না, যে বেশী বেজে
বেজে বলবে আমার তো অনেক
দুঃখ আছে.,,,
এদের দুঃখরা সন্ধ্যা
তারার সাথে কথা বলে, এদের চোখের
পানি শুধু এদের ছায়া আর সৃষ্টিকর্তাই
দেখে!!!
বোকা মেয়েরা ভালোবাসাটা নিয়ে
মাথায় ঘামায় না!! এই জন্যই
হুমায়ন আহমেদ লেখেছেন বোকা
মেয়েরাই নাকি সুখী হয় মাথার
উপরে ছাদ, মাস শেষে
চাইনিজে খাওয়া ভালো কাপড়
পড়তে পেরেপাড়া পড়শিদের কাছে,
গল্প করতে পেরেই অনেকে সন্তুষ্ট
চিত্তে দিন যাপন করে!!.
স্বামীরদের
অনুভূতি নিয়ে বোকারা মাথা ঘামায়
না কিংবা ভ্রুকুটি..অবহেলা নিয়ে
চিন্তা করার সময় তাদের নেই!!!
সিরিয়ালের ফাঁকে ফাঁকে!!
স্বামী কই গেলো, কোথায় ঘুমালো...
কার দিকে তাকাল এসব নিয়ে
কেয়ার করার ফুরসত তাদের কই....!!!
একদম ই না!!
আর অনুভূতি-প্রবণ নারী মাত্রই!!
স্বামীর ব্যাপারে ঈর্ষাপ্রবণ,অন্য
কোন নারীর সাথে ভাগ না করতে
চাইলে যদি হিংসুক বলেন!!
এই হিংসাটা করার অধিকার
কী তার নেই?তার তো নিজের
স্বামীকে অন্যের সাথে ভাগ করে
নেওয়ার কথা না!! এটাও ভালোবাসার
একটা প্রকাশ!!
আর যে নারী নিজের স্বামীকে ভাগ
করে নিতে পারবে সে নিজেও যে
নিজেকে অন্যের সাথে ভাগ করে
দিতে পারে, সেটা বুঝতে কী খুব
বেশী বুদ্ধির দরকার আছে!!
তখন তো ওলিতে গলিতে এইটা নিয়ে,,
গুজব ও ওঠিয়ে দিবে তাই না কি??
যে ছাড় দেয় সে ছাড় নেয় --
অনুভূতি-প্রবণ মেয়েগুলোরই যতো
সমস্যা! শাড়ি গহনা না দিলেও কষ্ট নেই!!
কিন্তু আপনার একটা স্বার্থপরতার
আচরণ নিমিষেই..এই মেয়েগুলোর
দুনিয়া অন্ধকার করে দেয়!!
খুব কষ্ট পায়,,
অনেক ভালোবাসা আর শ্রদ্ধা রইলো
এই সকল অনুভূতি প্রবন মেয়েগুলোর জন্য
দেখুন হয়তো আপনার ঘরের
মায়াবতী "মা...রুপবতী আদুরে
বোনটা আর আপনার লজ্জাবর্তী
বউটা-ও,,,খুব অনুভূতিপ্রবন,,, তাদের
একটু বুঝতে চেষ্টা করুন প্লিজ!
তাহলে তাদের আর কোন দুঃখ
থাকবে না!!
আমি জানি শত্তিকারের মেয়েদের
টাকা-পয়সা, গহনা, ডায়ামনসেট,
দামি দামি ড্রেস, বাড়ি, গাড়ী,
ছাড়াই শক্তি কারের মেয়েদের
ভালোবাসা দিয়েও মন জয়
করা যায়!!
আর যে মেয়েদের ভালোবাসা দিয়ে মন
জয় করতে পারবেন ঐ মেয়েকে
কোটি কোটি টাকা দিয়েও মন পাবেন না!!
তাই আমি বলতে চাই এখনো দেশে ভালো
মেয়েও আছে, সব মেয়েকে এক দৃষ্টিতে
দেখা উচিৎ না!!