Abdullah Al Mamun

Abdullah Al Mamun islamic cultural world

20/06/2026
শায়খে চরমোনাই মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম হাফিজাহুল্লাহকে নিয়ে এই নির্বাচনের পর সবচেয়ে বেশি সমালোচনা পেয়েছি আমি। নির্দিষ্ট একট...
21/02/2026

শায়খে চরমোনাই মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম হাফিজাহুল্লাহকে নিয়ে এই নির্বাচনের পর সবচেয়ে বেশি সমালোচনা পেয়েছি আমি। নির্দিষ্ট একটা দলের পক্ষ থেকেই সেটা হয়েছে। উনি কী বলছেন, কেন বলেছেন; এসবের ধার কেউ ধারেনি। আওয়ামী লীগ আমলে রাষ্ট্রদ্রোহের মামলা খাওয়া, লীগের হাতে সরাসরি শারিরীকভাবে আঘাত পাওয়া, জুলাইতে একমাত্র প্রতিনিধিত্বশীল আলেম হিসেবে প্রকাশ্যে রাজপথে থাকা মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম একটা দলের ব্যাপারে কিছু কথা বলেন কারণে উনার কোনোকিছুই সঠিক না! জুলাইতে উনার অনবদ্য অবদান স্বীকৃতি দিতেও তারা রাজি না। এই দলটা অবশ্য তাদের দল না করলে সে জীবনে জুলাই মাস পার করেনি এমন অবস্থাতেই থাকে। পৃথিবীতে ইহুদীবাদী জায়নবাদীদের বাদ দিলে এই দলটার মত এমন বিশ্রি দলদাস আমি কোথাও দেখিনি। এই দলদাসরা মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম সাহেবকে নিয়ে এমন বিশ্রিসব সমালোচনায় মেতে উঠে যার কোনো ভিত-ভিত্তি কখনওই নাই। ছিলোও না। এবারের নির্বাচনের পর সেই সমালোচনার ধার এতটাই মজবুত ছিলো যে আরও অনেক জায়গাতেই সেটার ঢেউ উঠেছে। অথচ নির্বাচনে তিনি হেরেছেন আপোষহীনতা দেখিয়েই। একটু আপোষ করে নিলেই তিনি এখন এমপি থাকতেন!

অথচ এই আপোষহীনতাই ঈমান ইসলামের সম্পদ। আমি বা কেউ সেটা সমর্থন করি কি না সেটা পরের বিষয়। শায়খে চরমোনাইর সাথে সুযোগ হলে বিনয়ের সাথে বলিও সেটা! কিন্তু এই আপোষহীনতা প্রশ্নে তিনি ধমকই দিয়েছেন সর্বদা। কেউ যদি এই আপোষহীনতা মানতে পারে সেটা তার শক্তি। আধ্মাতিক শক্তি।

শায়খে চরমোনাই নিয়ে এই সমালোচনার কারণে দুইটা কথা লিখতে মন চাইতেছে। কয়েকটা সমালোচনা ভাংতেও মন চাচ্ছে। লাস্টে একটা স্পষ্ট সমালোচনাও লিখবো অবশ্যই।

১. মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-এর রাজনীতিকে অন্তত দুইবার জীবন দিয়েছেন! ২০১৩ সালে একবার। ২০২৪ সালে একবার। দুইবারই তিনি নিজের জীবনকে রিস্কে ফেলে দলকে বাঁচিয়েছেন। রাজনীতির জন্য যেই রিস্ক এবং অ্যাগ্রেসিভ মুভ দরকার সেটা তিনিই নিতে পেরেছেন বারবার কিন্তু সেটাকে পলিটিক্যালি ইউটিলাইজ করা যায়নি কারণে তিনি বুমেরাং ময়দানে পতিত হয়েছেন। এমনকি আমি মনে করি, উনিসহ সিস্টেমগত ফাংশনাল থাকলে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ২০২৬ সালের নির্বাচনেও বিপর্যয়ে পড়তো না। অনেকেই বেশ জানাশোনাহীন কথা বলে অথচ মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম নির্বাচনী সমঝোতার বিপক্ষে তো ছিলেনই না এবং যেখানে তিনি মনে করেছেন ঝামেলা হতে পারে সেখান থেকে নিজেই সরে থেকেছেন। তবুও কোনো বিশৃঙ্খলা সমঝোতা নিয়ে হতে দেননি। এমনকি যখন ইসলামী আন্দোলনের লেয়াজু কমিটি সমঝোতার দেন-দরবার করতে পারতেছেন না এবং সমঝোতা ভেঙ্গে যাচ্ছে তখন শায়খে চরমোনাইকেই আনা হয়েছিলো সমঝোতার জন্য। তিনি প্রবল আন্তরিকতার সাথেই এসেছিলেন কিন্তু একটা মোড়ল দলের দুই একটা লোভী আর প্রতারকের কারণে এই ঐতিহাসিক সমঝোতাটা হয়নি। এই প্রতারক হারামজাদাগুলো ডিপস্টেটের গু খেয়ে বসেছিলো! ইসলামী আন্দোলনের আমীর থেকে নিয়ে সবাইকে হাতে ধরে ধরে অবজ্ঞা করেছে। এখন মারা খেয়ে আবার তাদেরকেই পিন্ডি চটকাচ্ছে। পাইছে একজন মুফতী ফয়জুল করীমকে! তার উপর দিয়েই সব ঝাড়তেছে। খোদাতায়ালা এই প্রতারকদেরকে চরমভাবে লাঞ্চিত করুক। আরও করুক!!

২. একশ তেরচল্লিশ আসনের বয়ান এবং শায়খে চরমোনাইর এমপি না হতে পারার বিষয়টি অনেকের কাছে বেশ চটকদার মজাদার বিষয়। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এর নির্বাচনী দৃশ্যত ভরাডুবি নিয়েও তারা বেশ মজা নেয় অথচ ওই দল ও জোটের তেত্রিশবার সরকার গঠনের ঘোষণা নিয়ে তাদের কোনো সমস্যা হয় না। সেগুলো কোনো লজ্জার বিষয় হয় না। তাদের সব টেনেটুনে ৭০/৭৫ আসন নিয়েও তারা লজ্জিত হয় না। অথচ এই ১৪৩ জাস্ট একটা সাংগঠনিক প্রেডিকশন। জোট সমঝোতা থাকলে এই প্রেডিকশন অবশ্যই মিলে যেতো।

দ্বিমূখী জোটের দিকে জনসাধারণের দৌড় এবং ডিপস্টেট ও খলিলরা বিএনপি জামায়াতের বাইরে আর একটা দলকে স্টাবলিশমেন্ট দেওয়ার প্রচেষ্টায় বহুত কিছুই যে ঘটাইছে সেটা এই অপপ্রচারকারী বট শয়তানদের বললেও বুঝবে না কারণ এই শয়তানীতে তারা নিজেরাই কানেক্ট ছিলো।

৩. মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম রাজনৈতিক সিন্দাবাদ অবশ্যই। আপোষহীন থেকে আদর্শ আঁকড়ে ধরে যেই পলিটিক্স করার কথা সেটা তিনি বারবার করে দেখিয়েছেন। প্রচলিত শয়তানির রাজনীতিতে দৃশ্যমান সফলতা না পেলেও আদর্শ ও ঈমানের যেই দৃঢ়তা তিনি দেখিয়েছেন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশকে আদর্শিক ট্র্যাকে রাখতে যেই শ্রম ও সারাটা জীবন দিয়ে দিয়েছেন এটাকে মোটেও হালকা করে দেখার সুযোগ নাই। এখানে তিনি অনন্য। উনার ত্যাগ ও ছাড় দেওয়ার ইতিহাসধারা অবশ্যই প্রবল রকমের মজবুত। এজন্য শায়খে চরমোনাইর কিছু নেগেটিভিটি আমলে নিলেও তিনি পজিটিভধারায় অনেক বড় স্টেক নিয়েই আছেন! যেই স্টেকের কাছেও কেউ যেতে পারবে না।

মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম সাহেব যদি স্ট্রং উপদেষ্টা নিয়োগ দেন এবং পলিটিক্যাল প্রোপার ব্রান্ডিং করেন এখনও তিনি ইসলামপন্থীদের অনবদ্য নেতা হয়ে সামনে আসতে পারেন। এবং এটা করার দায়িত্ব সব সময়ই সংগঠনের। আমীর হামজার মত এমন ফাউল একজনকেও সংগঠনের শক্তি দিয়ে এমপি বানিয়ে সংসদে পাঠানোর ঘটনাও কোনো কোনো সংগঠনের আছে! এটাই বাস্তব।

নোট : আমি মুফতী সৈয়দ ফয়জুল করীম সাহেবের একশ সমালোচনা করতে পারবো কিন্তু কারো পরিকল্পিত সমালোচনা নামের বদমাইশিতে প্রভাবিত হতে পারবো না। যে সংগঠনের লোকজন এটা করতেছেন তারা ভুল করতেছেন। প্রায় কথাই টুইস্ট বানিয়ে অপপ্রচার করতেছেন। এই অপপ্রচারে মুমিন অন্তত বিচলিত হয় না।

আমি শায়খে চরমোনাইর আফিয়াত ও হায়াতে তাইয়্যেবার দোয়া করছি। তিনি ইসলামী রাজনীতির সিন্দাবাদ হয়ে আসুক এটাই কামনা করছি। আমিন।।

13/01/2026

যারা ক্ষমতায় যাওয়ার আগেই
ইনসাফ কায়েম করতে পারেনাই
তারা ক্ষমতায় গেলে কতটুকু ইনসাফ কায়েম করবে
এটা আপনাদের বিবেকের কাছে প্রশ্ন রেখে গেলাম।

১১ দলকে ১১০ দিয়ে নিজের জন্য রেখে দিয়েছে ১৯০ আসন সমঝোতার বড় চমৎকার ইনসাফ! যারা নিজেদের শরিকদের ভিতরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা কর...
13/01/2026

১১ দলকে ১১০ দিয়ে নিজের জন্য রেখে দিয়েছে ১৯০ আসন সমঝোতার বড় চমৎকার ইনসাফ!
যারা নিজেদের শরিকদের ভিতরে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে পারে নাই তারা দেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করবে কিভাবে?
প্রশ্নঃ রেখে গেলাম সচেতন দেশ প্রেমিক ও শিক্ষিত সুশীল সমাজের কাছে।

12/01/2026

জামায়াতকে সমঝোতায় না রাখার গুঞ্জন!

সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া ইসলামী দলসমূহ শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে বাদ দিয়ে আসন সমঝোতা করতে যাচ্ছে সম্ভবত। ইসলামী দলসমূহের পক্ষ থেকে জামায়াতকে ১৪০টি আসন দেওয়ার পরও তারা ২০০/১৯০টা আসনের নিচে নামতে রাজি না হওয়া ও সিদ্ধান্ত ব্যতিত এককভাবে এনসিপির সঙ্গে আলোচনা-সহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে এমনটা হতে পারে বলে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। বাকি কারণগুলি ইদানিংয়ের শরিয়াহপরিপন্থী কোনো ব্যাপারও হতে পারে।

জামায়াতের ২০০/১৯০ আসনের লোভের কারণে আলোচিত সমঝোতা আলোর মুখ দেখছে না! অতিতে ৩০ আসনের বেশি নির্বাচন না করা জামায়াত, সমঝোতা বা ঐক্য ভাঙার জন্য দায়ী। তবে জামায়াত ছাড়া বাকি দলগুলোর মাঝে সমঝোতা থাকছে হয়ত। ঢাকার বাতাসে এমন খবরই ভেসে বেড়াচ্ছে।

এও শুনেছি, ইসলামী দলগুলোর পক্ষ থেকে দেওয়া ১৪০ আসনে এখনও রাজি হলে জামায়াত-সহই সমঝোতা টিকে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে।

কারও কারও ভাষ্য— জামায়াতকে ইসলামী দলগুলো গ্রহণ করে প্রকারন্তরে বিএনপির রোষানল থেকে বাঁচিয়েছে কিন্তু তারা নিজেদের সর্বেসর্বা মনে করে অন্যান্য দলকে নিজেদের খেয়াল খুশি মতো আসন বন্টন করে দিচ্ছে! অথচ এটা তাদের অধিকারের মধ্যেই পড়ে না। এমনকি তারা এককভাবে নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৩টা আসন পাওয়া দল, কিন্তু তাদের এটিটিউট ও মন্তব্যে মনে হচ্ছে আগে আরও কয়েকবার সরকার গঠন করেছিল!

কারণ আরও আছে— ইসলামী দলগুলো জামায়াতকে স্পেস দিয়ে যে উদারতা দেখিয়েছে, তার বুকে ছুড়ি মেরেছে জামায়াত। তারা এনসিপি, এলডিপি ও এবি পার্টি নিয়ে ইসলামী সমঝোতার ভেতর আরেকটা জোট তৈরি করে! এবং এরপর থেকেই সমঝোতার মূলনীতি থেকে বেরিয়ে “জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট” বলে মিডিয়ায় আলাপ উঠায়! বাস্তবতা হলো শুরু থেকে বেশ বহুদিন পর্যন্ত এই সমঝোতার ধারপাশেও ছিল না জামায়াত। এমনকি ইসলামী দলগুলোর আলোচনায়ও ছিল না তারা। তারা যুক্ত হয় আন্দোলনরত দলসমূহের পিআর, গণভোট-সহ ৫দফা দাবির সঙ্গে একাত্বতার মধ্য দিয়ে।

দেখা যাক সর্বশেষ কী হয়!

12/01/2026

এখনও পর্যন্ত কিছু বলতে চাচ্ছি না! ইসলাম দেশ জাতির জন্য ভালো কিছুর প্রত্যাশা_________

পীর সাহেব চরমোনাই হাফি'র শুধু একটা ঘোষণা পরিবর্তন করে দিতে পারে আগামীর রাজনীতির পুরো সমীকরণ। তবে মনে রেখো আমাদের ত্যাগ, এটা এই জাতির অবশ্য'ই মনে রাখতে হবে! পীর সাহেব চরমোনাই নিজে কোন আসনে দাঁড়ান নাই! নির্বাচন করেন নাই! শুধুমাত্র এই জাতিকে একটা সুন্দর সমাজ উপহার দেওয়ার জন্যই তিনি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন! আর তার সাথে'ই আপনারা বিশ্বাস ঘাতকতা করলেন! তবে কি আপনারা পার পেয়ে যাবেন? মোটেই না! দেখেন না কি করি! বাংলাদেশের ইতিহাস মূহর্তেই বদলে যায়! অতএব ইতিহাস বদলাতে এই জাতির একটুও সময় লাগবে না! যাস্ট ওয়েট!

মুফতি সৈয়দ রেজাউল করীম পীর সাহেব চরমোনাই হাফি'র শুধু একটা ঘোষণা পরিবর্তন করে দিতে পারে আগামীর রাজনীতির পুরো সমীকরণ। তবে পীর সাহেব চরমোনাই'র এই ত্যাগ আজীবন জাতির মনে থাকবে ইনশাআল্লাহ্।

Address

Raipur
3710

Telephone

+8801777298803

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Abdullah Al Mamun posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share