12/01/2026
জামায়াতকে সমঝোতায় না রাখার গুঞ্জন!
সমঝোতার উদ্যোগ নেওয়া ইসলামী দলসমূহ শেষ পর্যন্ত জামায়াতকে বাদ দিয়ে আসন সমঝোতা করতে যাচ্ছে সম্ভবত। ইসলামী দলসমূহের পক্ষ থেকে জামায়াতকে ১৪০টি আসন দেওয়ার পরও তারা ২০০/১৯০টা আসনের নিচে নামতে রাজি না হওয়া ও সিদ্ধান্ত ব্যতিত এককভাবে এনসিপির সঙ্গে আলোচনা-সহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ কারণে এমনটা হতে পারে বলে আলোচনা শোনা যাচ্ছে। বাকি কারণগুলি ইদানিংয়ের শরিয়াহপরিপন্থী কোনো ব্যাপারও হতে পারে।
জামায়াতের ২০০/১৯০ আসনের লোভের কারণে আলোচিত সমঝোতা আলোর মুখ দেখছে না! অতিতে ৩০ আসনের বেশি নির্বাচন না করা জামায়াত, সমঝোতা বা ঐক্য ভাঙার জন্য দায়ী। তবে জামায়াত ছাড়া বাকি দলগুলোর মাঝে সমঝোতা থাকছে হয়ত। ঢাকার বাতাসে এমন খবরই ভেসে বেড়াচ্ছে।
এও শুনেছি, ইসলামী দলগুলোর পক্ষ থেকে দেওয়া ১৪০ আসনে এখনও রাজি হলে জামায়াত-সহই সমঝোতা টিকে যাবার সম্ভাবনা রয়েছে।
কারও কারও ভাষ্য— জামায়াতকে ইসলামী দলগুলো গ্রহণ করে প্রকারন্তরে বিএনপির রোষানল থেকে বাঁচিয়েছে কিন্তু তারা নিজেদের সর্বেসর্বা মনে করে অন্যান্য দলকে নিজেদের খেয়াল খুশি মতো আসন বন্টন করে দিচ্ছে! অথচ এটা তাদের অধিকারের মধ্যেই পড়ে না। এমনকি তারা এককভাবে নির্বাচনে সর্বোচ্চ ৩টা আসন পাওয়া দল, কিন্তু তাদের এটিটিউট ও মন্তব্যে মনে হচ্ছে আগে আরও কয়েকবার সরকার গঠন করেছিল!
কারণ আরও আছে— ইসলামী দলগুলো জামায়াতকে স্পেস দিয়ে যে উদারতা দেখিয়েছে, তার বুকে ছুড়ি মেরেছে জামায়াত। তারা এনসিপি, এলডিপি ও এবি পার্টি নিয়ে ইসলামী সমঝোতার ভেতর আরেকটা জোট তৈরি করে! এবং এরপর থেকেই সমঝোতার মূলনীতি থেকে বেরিয়ে “জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোট” বলে মিডিয়ায় আলাপ উঠায়! বাস্তবতা হলো শুরু থেকে বেশ বহুদিন পর্যন্ত এই সমঝোতার ধারপাশেও ছিল না জামায়াত। এমনকি ইসলামী দলগুলোর আলোচনায়ও ছিল না তারা। তারা যুক্ত হয় আন্দোলনরত দলসমূহের পিআর, গণভোট-সহ ৫দফা দাবির সঙ্গে একাত্বতার মধ্য দিয়ে।
দেখা যাক সর্বশেষ কী হয়!