Good Food

Good Food we have provide best product service for you.

যুগ যুগ ধরেই  চিকিৎসার জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে ভেষজ উপাদানগুলো।  গাছপালা লতা পাতা দিয়েই তৈরি হচ্ছে এই ঔষধ। যা ব্যবহার করে ...
06/09/2020

যুগ যুগ ধরেই চিকিৎসার জন্য ব্যবহার হয়ে আসছে ভেষজ উপাদানগুলো। গাছপালা লতা পাতা দিয়েই তৈরি হচ্ছে এই ঔষধ। যা ব্যবহার করে উপকৃত হচ্ছে দেশের মানুষ।
🌴আপনাদের যারা নানা ধরনের জটিল ও কঠিন সমস্যায় ভুগছেন তাদের অনুরোধ করে বলব আশে পাশে ক্যানভেসার এবং শর্টটাইম ফল পাওয়া যায় এসব ঔষধ খাবেন না তাহলে চিরদিনের জন্য যৌবন হারানোর আশংকা আছে।
🌴আপনাদের কথা বিবেচনা করে Good food নিয়ে এসেছে একটি আকর্ষণীয় প্যাকেজ.
সম্পুর্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মুক্ত।
🌴৪ টি রোগের কাজ করে থাকে এই বাজিকরন প্যাকেজ
১) শারীরিক চাহিদা কম বা আগ্রহ কমে যাচ্ছে
২) ইরেকটাইল ডিসফাংশন জনিত সমস্যা
৩) দ্রুত পতন
৪) শুক্রানু কম ( যাদের বাচ্চা হচ্ছে না)
🌱প্যাকেজটির মুল্য ৭৫০ টাকা মাত্র
🌴চিকিৎসা পদ্ধতি:
অর্শগন্ধা চুর্ন, শতমুল চুর্ন, শিমুল মুল চুর্ন, তেতুল বীজ
🌴এই আইটেমগুলো সংগ্রহ করে। ২ চা চামচ করে নিয়ে সকালে এবং রাতে সেবন করবেন ইনশাআল্লাহ আল্লাহর ইচ্ছায় দ্রুতই আপনি এই রোগগুলি থেকে মুক্তি পেয়ে যাবেন।
🌴খাবার নিয়মঃ রাতে ভিজিয়ে রেখে সকালে ভিজানো গুড়া একটি ছাকনিতে ছেকে শুধু পানি টুকু খেয়ে ফেলবেন এবং সকালে ভিজিয়ে রাতে একই ভাবে খাবেন। ইনশাআল্লাহ দ্রুতই রোগমুক্ত হবেন ইনশাআল্লাহ।
অর্ডার করতে ইনবক্সে, আমাদের পেইজে অথবা সরাসরি নিচের নাম্বারে যোগাযোগ করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭

অতি শীঘ্রই আমরা পণ্য ণিয়ে বা জারে  আসছি ইনশাল্লাহ
26/08/2020

অতি শীঘ্রই আমরা পণ্য ণিয়ে বা জারে
আসছি ইনশাল্লাহ

মালটার পুষ্টিগুণ: মালটায় প্রচুর পরিমাণে ফ্লামনয়েট রয়েছে। শরীরের জন্য প্রয়োজনী নিউট্রিসাস ও ভিটামিন রয়েছে মুসাম্বিতে। শুধ...
20/08/2020

মালটার পুষ্টিগুণ: মালটায় প্রচুর পরিমাণে ফ্লামনয়েট রয়েছে। শরীরের জন্য প্রয়োজনী নিউট্রিসাস ও ভিটামিন রয়েছে মুসাম্বিতে। শুধু তাই নয়, প্রচুর পরিমাণে মিনারেলসও রয়েছে এতে।

মালটার উপকারিতা: অনেকেই হজমের সমস্যায় ভুগে থাকেন। যা খান তা ঠিক মতো হজম হয় না। এই হজম ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে মালটা খুবই উপকারি। এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্লামনয়েট রয়েছে, যা হজমে সাহায্যকারী এসিড বেশি মাত্রায় বাইরে বের করতে সাহায্য করে। চিকিৎসকরাও হজম ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য মালটা খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

মালটা কোষ্ঠকাঠিণ্য থেকেও মুক্তি দিয়ে থাকে। এতে থাকা ভিটামিন সি শরীরের রক্ত চলাচলকে স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। শুধু তাই নয়, উচ্চ রক্তচাপ দূর করতে ও হৃদযন্ত্রকে ভালো রাখতেও সাহয্য করে। আর ভিটামিন সি শরীরের নানা রকম রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতেও সাহায্য করে থাকে। ঋতু পরিবর্তনের সময় অনেকেরই জ্বর হয়ে থাকে। আর জ্বর হলে একটা বমি বমি ভাব হয়। এ বমি ভাব বা জ্বর কমানোর জন্য মালটা খুবই উপকারি।

জন্ডিস রোগ সারাতেও মালটা খুবই কার্যকরী ভূমিকা পালন করে থাকে। জন্ডিস লিভারজনিত একটি রোগ। আর মালটা হলো খুবই সহজপাচ্য খাবার। খুব সহজেই এটা হজম করা যায়। এটি লিভারকে ঠান্ডা রাখতেও সাহায্য করে থাকে। লিভারের কার্যক্ষমতাকে স্বাভাবিক রাখতেও সাহায্য করে মালটা। ভিটামিন সি এর অভাবে দাঁতের গোড়া বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়ে। অনেক সময় ঠোঁটের পাশে ঘা হয়, ঠোঁট ফেটে যায়, ঠোঁটে ফোঁড়া হয়ে থাকে, এসব রোগ ভিটামিন সি এর অভাবে হয়ে থাকে। আর ভিটামিন সি এর ঘাটতি পূরণ করে থাকে মালটা।

গরমে অনেকেরই পানিশূণ্যতা দেখা দেয়। তখন বেশির ভাগ সময় কোল্ড ড্রিকংস খেয়ে থাকি। এই কোল্ড ড্রিকংস না খেয়ে মালটা খেলে শরীরের প্রয়োজনীয় ভিটামিন ও মিনারেলসের ঘাটতি পূরণ হবে। যা শরীরকে ডি-হাইড্রেডের হাত থেকেও রক্ষা করবে। মালটায় ভিটামিনের পাশাপাশি ফলিক এসিড রয়েছে। যা শরীরের মাংসপেশিকে অনেক বেশি মজবুত করে। ফলে হাড়ের ঘনত্ব ভালো থাকে। যা হাড়গুলোকে মজবুত করতে সাহায্য করে। এর ফলে আথ্রারাইটিসের মতো সমস্যা থাকে না। বিশেষ করে মহিলাদের প্রসাবজনিত নানা রকম সমস্যা থাকে। এ সমস্যাগুলো বেশির ভাগই হয়ে থাকে কিডনি বা ব্লাডারের দূর্বলতা থেকে। এ দূর্বলতা থেকে রক্ষা করতে পারে মালটা।

মালটায় প্রচুর পটাশিয়াম রয়েছে। যা কিডনি ও ব্লাডারকে শক্তশালী করে থাকে আর যে কোনো রকমের ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই কোল্ড ড্রিংকস বাদ দিয়ে মালটা খাওয়ার অভ্যাস করতে হবে। তবে শরীরের নানা রকম সমস্যার হাত থেকে রক্ষা পাবেন। গর্ভবতী নারীদের জন্য মালটা খুবই ভালো। এতে থাকা ভিটামিন সি গর্ভস্থ শিশুর মস্তিষ্ককে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে থাকে।

ত্বকের ক্ষেত্রেও মালটা খুবই উপকারি। মালটার রস খেলে বা মুখে মাখলে ত্বকের মৃত কোষগুলো পরিষ্কার হয়ে যাবে। এতে ত্বক নরম হবে, ত্বকের রুক্ষতা দূর হবে। এছাড়াও স্কিন টোন হালকা করতে মালটা খুব ভালো কাজ করে। মালটার রস, দুধ ও শশার রস নিয়ে এরসঙ্গে পেস্ট করে নিবেন। এটি মুখে লাগিয়ে কিছু সময় অপেক্ষা করে ধুঁয়ে নিতে হবে। শীতকালে ঠোঁট শুকিয়ে যায়। এজন্য মালটার রস মধুর সঙ্গে মিশিয়ে ঠোঁটে লাগাতে পারেন। তবে ঠোঁট নরম হবে, গোলাপি হবে আর ফেটে যাওয়ার সমস্যাও দূর হবে।
অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ফোন করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭ নাম্বারে।

বর্তমানে সৌন্দর্য বৃদ্ধিকারী উপাদান গুলির মধ্যে একটি অন্যতম সুপরিচিত নাম হল অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরা রূপচর্চায় ব্যবহারের ...
19/08/2020

বর্তমানে সৌন্দর্য বৃদ্ধিকারী উপাদান গুলির মধ্যে একটি অন্যতম সুপরিচিত নাম হল অ্যালোভেরা। অ্যালোভেরা রূপচর্চায় ব্যবহারের পাশাপাশি এটি শরীরের নানা রোগ কমাতে সহায়তা করে। অ্যালোভেরার গুনাগুন সর্বত্র সুপরিচিত। অ্যালোভেরা শরীরকে ঠান্ডা রাখার পাশাপাশি সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত সব ঋতুতেই অ্যালোভেরার ব্যবহার করা যায় এবং এটি সহজেই পাওয়া যায়। অ্যালোভেরাতে ভিটামিন এ, বি, সি, ই এবং ফলিক অ্যাসিডের মতন উপাদানগুলি পাওয়া যায়। অ্যালোভেরা প্রচুর সৌন্দর্য প্রসাধনীতে ব্যবহৃত হয়। এছাড়া স্বাস্থ্যরক্ষাতেও অ্যালোভেরার ব্যবহার করা হয়। এমনকি বহু ঔষধ তৈরীতে অ্যালোভেরা ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

অ্যালোভেরার জেল এর মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি বৈশিষ্ট্যগুলো ছোটখাটো ব্যথা, পুড়ে যাওয়া, কেটে যাওয়ার মতন সমস্যা গুলিতে খুব ভালোভাবে কাজ করে। অ্যালোভেরার পাতার পাশাপাশি আলোভেরা জেল কিংবা অ্যালোভেরার জুস আমাদের শরীরের নানা রোগ-ব্যাধি কমাতে সাহায্য করে। মূলতঃ অ্যালোভেরা জুসকে আমরা শরীরের একটা উপকারী হেলথ ড্রিঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করতে পারি। অ্যালোভেরার গাছ বাড়ির বারান্দায় কিংবা ছাদে সহজেই তৈরি করা যেতে পারে। অ্যালোভেরার মধ্যে থাকা প্রাকৃতিক ঔষধী যে কোনো রকম রোগকে চটপট কমিয়ে শরীরকে ভালো করে তোলে

অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ফোন করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭ নাম্বারে।

মরিয়ম খেজুর:অতি প্রাচীন কাল থেকেই খেজুর একটি জনপ্রিয় ফল। বিশেষ করে মুসলমানদের নিকট এই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। খেজুর খেতে য...
19/08/2020

মরিয়ম খেজুর:
অতি প্রাচীন কাল থেকেই খেজুর একটি জনপ্রিয় ফল। বিশেষ করে মুসলমানদের নিকট এই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। খেজুর খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এটি নানা ধরণের পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর। এটি হলো পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎস। খেজুরের মধ্যে ক্যালরি, প্রোটিন, শর্করা, সুগার, মিনার‍্যালস, ভিটামিন এ, বি, সি, ই, কে, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, দস্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পাওয়া যায়।

খেজুরের মধ্যেও রয়েছে ভিন্নতা। স্বাদের দিক থেকে আমরা বিভিন্ন ধরণের খেজুর দেখতে পাই, যেমন- আজওয়া, মরিয়ম, আনবারা, সাফাওয়ি, মুসকানি, খালাস, ওয়াসালি, বেরহি, শালাবি, ডেইরি, মাবরুম, ওয়ান্নাহ, সেফরি, সুক্কারি, খুদর প্রভৃতি খেজুর। এদের মধ্যে আমাদের নিকট সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো আজওয়া এবং মরিয়ম খেজুর। মরিয়ম খেজুরের জন্য বিখ্যাত হলো ইরান। এটি খুবই সুস্বাদু এবং উচ্চ প্রোটিন সমৃদ্ধ খেজুর। আমরা মরিয়ম খেজুর ইরান থেকে আমদানি করে আপনাদের জন্য সরবরাহ করে থাকি।

অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ফোন করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭ নাম্বারে।

আজওয়া খেজুর:অতি প্রাচীন কাল থেকেই খেজুর একটি জনপ্রিয় ফল। বিশেষ করে মুসলমানদের নিকট এই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। খেজুর খেতে য...
19/08/2020

আজওয়া খেজুর:
অতি প্রাচীন কাল থেকেই খেজুর একটি জনপ্রিয় ফল। বিশেষ করে মুসলমানদের নিকট এই ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। খেজুর খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনি এটি নানা ধরণের পুষ্টিকর উপাদানে ভরপুর। এটি হলো পুষ্টির প্রাকৃতিক উৎস। খেজুরের মধ্যে ক্যালরি, প্রোটিন, শর্করা, সুগার, মিনার‍্যালস, ভিটামিন এ, বি, সি, ই, কে, ক্যালসিয়াম, লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম, ফসফরাস, সোডিয়াম, দস্তার মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান পাওয়া যায়।

খেজুরের মধ্যেও ভিন্নতা রয়েছে। স্বাদের দিক থেকে আমরা বিভিন্ন ধরণের খেজুর দেখতে পাই, যেমন- আজওয়া, মারিয়াম, আনবারা, সাফাওয়ি, মুসকানি, খালাস, ওয়াসালি, বেরহি, শালাবি, ডেইরি, মাবরুম, ওয়ান্নাহ, সেফরি, সুক্কারি, খুদর প্রভৃতি খেজুর। এদের মধ্যে আমাদের নিকট সবচেয়ে জনপ্রিয় হলো আজওয়া এবং মারিয়াম খেজুর। আজওয়া খেজুর উৎপন্ন হয় সৌদি আরবের মদিনায়। ছোট সাইজের এই খেজুরটি খুবই সুস্বাদু। এই খেজুরটি বর্তমান বাজারে সবচেয়ে দামী খেজুর। আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) এই খেজুর পছন্দ করতেন।

অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ফোন করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭ নাম্বারে।

মরা মোটামুটি প্রায় সবাই জানি আপেল এর ব্যাপারে।আসুন আমরা দেখে নেবো আপেলের কি কি গুনাগুন রয়েছে নেবো।1.সাদা ঝকঝকে দাঁতআপেল ...
19/08/2020

মরা মোটামুটি প্রায় সবাই জানি আপেল এর ব্যাপারে।আসুন আমরা দেখে নেবো আপেলের কি কি গুনাগুন রয়েছে নেবো।

1.সাদা ঝকঝকে দাঁত
আপেল খেলে দাঁতের দারুণ উপকার হয়। তার কারণ, আপেলে কামড় দিয়ে যখন আমরা চিবোতে শুরু করিই, তখন আমাদের মুখের ভিতর লালার সৃষ্টি হয়। এই পদ্ধতিতে দাঁতের কোণা থেকে ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া বেরিয়ে আসে। এর ফলে সেই ব্যাকটেরিয়া আর দাঁতের কোনও ক্ষতি করতে পারেনা। তাই বলে, শুধু আপেল খেয়ে দাঁতের যত্ন নিতে যাবেন না যেন! মনে করে, পেস্ট ব্রাশ ব্যবহার করে দাঁতের যত্ন নেবেন।

2.ক্যান্সার দূর করে
আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ-এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, আপেল খেলে অগ্ন্যাশয়ে ক্যান্সারের সম্ভাবনা প্রায় ২৩% হারে কমে। কারণ আপেলের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনল থাকে। এছাড়াও কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা আপেলের মধ্যে এমন কিছু উপাদানের সন্ধান পেয়েছেন, যা ট্রিটারপেনয়েডস নামে পরিচিত। এই উপাদানটি লিভার, স্তন এবং কোলোনের মধ্যে ক্যান্সারের কোষ বেড়ে উঠতে বাঁধা দেয়। ন্যাশানাল ক্যান্সার ইন্সটিটিউট ইন দ্য ইউ এস- এর গবেষণা থেকে জানা যায় যে, আপেলের মধ্যে যে পরিমাণে ফাইবার থাকে, তা মলাশয়ের ক্যান্সার রোধে সাহায্য করে।

3.ডায়াবেটিসের সমস্যা কমায়
যে সকল মেয়েরা প্রতিদিন আপেল খান, তাদের ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা ২৮% কমে যায়। তার কারণ, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা রক্তে শর্করার পরিমাণ সঠিক রাখতে সাহায্য করে।

4.কোলেস্টেরল কমায়
আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা অন্ত্রের ফ্যাট কমাতে সাহায্য করে। যার ফলে কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক থাকে। আর একবার শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমতে শুরু করলে হার্টের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।

5.হার্ট ভালো রাখে
আগেই বলা হয়েছে যে, আপেলের মধ্যে যে ফাইবার থাকে, তা কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও, আপেলের খোসার মধ্যে যে ফেনলিক উপাদান থাকে, তা রক্তনালিকার থেকে কোলেস্টেরল দূর করতে সাহায্য করে। এর ফলে হার্টে রক্তচলাচলা স্বাভাবিক থাকতে। ফলে হৃদযন্ত্রের কোনও ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা কমে।

6.গলস্টোন সারাতে সাহায্য করে
পিত্তথলির মধ্যে অতি পরিমাণে কোলেস্টেরল জমে গেলে তখন গলস্টোন হয়। গলস্টোন কমানোর জন্য ডাক্তাররা সব সময় ফাইবার সমৃদ্ধ ফল বা খাদ্য খাওয়ার উপদেশ দেন। সেই সঙ্গে গলস্টোন সারাতে ওজন এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। প্রসঙ্গত, এই সবকটি কাজ যাতে ঠিক মতো হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে আপেলের কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে।

7.ডায়ারিয়া এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
আপনি কি সারাদিনে বারে বারে বাথরুমেই যেতে থাকেন? কোনও কিছু খেলেই বাথরুমে দৌড়াতে হয়? আবার এমনও কি হয়, যখন বাথরুমে গেলেন তখন দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়? অথচ কিছুতেই পেট পরিষ্কার হয় না। তাহলে এই দুই সমস্যারই একটাই ওষুধ। তা হল, আপেল, যা প্রয়োজন অনুযায়ী বর্জ্য থেকে অতিরিক্ত জল টেনে রাখতে পারে। ফলে একদিকে যেমন অতিরিক্ত বার বাথরুমে যেতে হয় না, তেমনিই হজম শক্তি বৃদ্ধি করে, সেই সঙ্গে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও দূর করে।

8.ওজন কমাতে সাহায্য করে
কত মানুষই তো আছেন, যারা অতিরিক্ত ওজনের কারণে জর্জরিত। আবার শুধুমাত্র এই কারণে, নানারকম রোগও শরীরে বাসা বাঁধতে শুরু করে। এমনকি, ডায়াবেটিস, হাড়ের রোগ কত কিছুই না হয়। তাই সেই সমস্ত রোগকে যদি বিদায় জানাতে চান, তাহলে নিয়ম করে আপেল খান। ফলটিতে উপস্থিত ফাইবার আপনার পেট ভরাতে সাহায্য করে কোনও ক্যালরি ছাড়াই। এর ফলে ওজনও নিয়ন্ত্রণে চলে আসে।

9.লিভার সুস্থ থাকে
আমরা যা কিছু খাই, তার মধ্যে কিছু না কিছু ক্ষতিকারক পদার্থ থাকে। ফলে আমাদের লিভারের ক্ষতি হতে শুরু করে। যে কারণে লিভারকে সুস্থ রাখাটা খুবই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়ায়। তবে লিভারকে ১০০ শতাংশ সুস্থ রাখতে পারে আপেল। এটি খুব সহজেই লিভারে জমা হওয়া ক্ষতিকারক উপাদানদের বেরিয়ে যেতে সাহায্য করে।

10.রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আপেলের মধ্যে এক ধরনের অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে, যা কুয়েরসেটিন নামে পরিচিত। এটি আমাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং আমাদের শরীর ভাল রাখতে সাহায্য করে।

অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ফোন করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭ নাম্বারে।

আঙুর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কেন? ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন—যা স্ব...
18/08/2020

আঙুর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। কেন? ছোট এ রসালো ফলটিতে আছে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ ও ভিটামিন—যা স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য দরকারি। সুস্বাদু এ ফলের আছে নানা খাদ্য ও ভেষজ গুণ।
আঙুরে রয়েছে ভিটামিন কে, সি, বি১, বি৬ এবং খনিজ উপাদান ম্যাংগানিজ ও পটাশিয়াম। আঙুর কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়াবেটিস, অ্যাজমা ও হৃদরোগের মতো রোগ প্রতিরোধে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
আঙুরের বীজ ও খোসায় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে, যা বার্ধক্য রোধে কাজ করে। শুধু তাই নয়, হৃৎপিণ্ড এবং রক্তনালিগুলোকে বুড়িয়ে যাওয়ার হাত থেকেও রক্ষা করে। আঙুরের সেলুলাস ও চিনি কোষ্ঠকাঠিন্য রোধে সহায়ক। যাঁরা রক্ত সঞ্চালনের ভারসাম্যহীনতায় ভোগেন, তাঁদের জন্য আঙুরের জুস খুবই উপকারী। আঙুরের ফাইটোনিউট্রিয়েন্টস নিয়মিত রক্ত সঞ্চালনের সহায়ক ও ইনসুলিন বৃদ্ধি করে। আঙুরের জুসে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টিইনফ্লামিটরির মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাদান রয়েছে, যা অঙ্গপ্রত্যঙ্গের প্রদাহ দূর করে। এই প্রদাহ ক্যানসার রোগ সৃষ্টির প্রধান কারণ হতে পারে। এ ছাড়া উচ্চ রক্তচাপ, ডায়রিয়া, ত্বক ও মাইগ্রেনের সমস্যা দূর করতেও আঙুর সহায়তা করে।

কোলস্টেরলের মাত্রা কমায়
রক্তে কোলস্টেরলের মাত্রা কমায় আঙুর। এতে টরোস্টেলবেন নামে এক ধরনের যৌগ থাকে যা কোলস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে।
হাড় শক্ত করে
আঙুরে প্রচুর পরিমাণে তামা, লোহা ও ম্যাংগানিজের মতো খনিজ পদার্থ থাকে যা হাড়ের গঠন ও হাড় শক্ত করতে কাজ করে।
অ্যাজমা প্রতিরোধ
আঙুরের ঔ​ষধি গুণের কারণে এটি অ্যাজমার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে। ফুসফুসে আর্দ্রতার পরিমাণ বাড়ায় ছোট এই ফল।
বদহজম দূর করে
নিয়মিত আঙুর খেলে বদহজম দূর হয়। অগ্নিমান্দ্য দূর করতেও আঙুর কার্যকর।
ভুলে যাওয়া
অনেকে ছোট ছোট বিষয়গুলো দ্রুত ভুলে যান। আবার কোনো ঘটনা বেমালুম স্মৃতি থেকে মুছে যায়। এটা কিন্তু একধরনের রোগ, হেলাফেলার কিছু নয়। এই রোগ এড়াতে খেতে পারেন আঙুর।
মাথাব্যথা
হঠাৎ করে মাথাব্যথা শুরু হয়ে গেল। এ সময় আঙুর খেলে আরাম বোধ হবে।
চোখের স্বাস্থ্য
চোখ ভালো রাখতে কার্যকর এই ফল। বয়সজনিত কারণে যাঁরা চোখের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য ভালো দাওয়াই এই ফল।
স্তন ক্যানসার
স্তন ক্যানসারের ঝুঁকিতে আছেন এমন রোগীরা খেতে পারেন আঙুর। গবেষণায় দেখা গেছে, আঙুরের উপাদানগুলো ক্যানসার সৃষ্টিকারী কোষের বিরুদ্ধে কাজ করতে সক্ষম।
কিডনির জন্য
আঙুরের উপাদানগুলো ক্ষতিকারক ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা সহনশীল অবস্থায় রাখে।
সেই সঙ্গে কিডনির রোগব্যাধির বিরুদ্ধেও লড়াই করে।
ত্বকের সুরক্ষায়
আঙুরে থাকা ফাইটো কে​মিক্যাল ও ফাইটো নিউট্রিয়েন্ট ত্বকের সুরক্ষায় কাজ করে। আর আছে প্রচুর ভিটামিন সি। এটি ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখে।
বয়সের ছাপে বাধা
শরীরের ফ্রি রেডিকেলস ত্বকে বলিরেখা ফেলে দেয়। আঙুরে থাকা ভিটামিন সি আর অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট এই ফ্রি রেডিকেলের বিরুদ্ধে লড়ে, শরীরে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।
চুলের যত্নে
দিঘল চুল একটু অযত্নেই খুশকিতে ভরে যায়। চুলের আগা ফেটে গিয়ে রুক্ষ হয়ে পড়ে। ধূসর রঙের হয়ে যায় কখনো। সব শেষে চুল ঝরতে থাকে। এই সমস্যা এড়াতে খেতে পারেন আঙুর। শুধু চুল ভালোই থাকবে না, মাথায় নতুন চুলও গজাবে।
তাই সবারই দিনে একবার হলেও আঙুর খাওয়া উচিত।

অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ফোন করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭ নাম্বারে।

পার্সিমন : জাপানের দক্ষিণাঞ্চল ও চীন পার্সিমনের উৎপত্তিস্থান। ইহা জাপানের অন্যতম প্রধান ফল। আমাদের দেশের গাব একই পরিবারে...
18/08/2020

পার্সিমন : জাপানের দক্ষিণাঞ্চল ও চীন পার্সিমনের উৎপত্তিস্থান। ইহা জাপানের অন্যতম প্রধান ফল। আমাদের দেশের গাব একই পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। পার্সিমনের গাছ একটি পত্রমোচক মাঝারি আকারের বৃক্ষ, ফল দেখতে টমেটোর মতো, পাকা অবস্থায় হলুদ বা কমলা, ফুলের বৃত্তি স্থায়ীভাবে ফলের সাথে সংযুক্ত থাকে। ইহার কোন কোন জাতের গাছ কেবলমাত্র স্ত্রীফুল (pistillate constants)। কোন কোনটা কেবলমাত্র পুরুষ ফুল (staminate constants) এবং অন্যান্যগুলো পুরুষ ও স্ত্রী (staminate sporadics) উভয় প্রকার ফুল উৎপাদন করে। সব জাতেই বিশেষ ধরনের আবহাওয়ায় বীজ হীন ফল উৎপাদন করে। বাংলাদেশে জুলাই-সেপ্টেম্বরে ফল পাকে। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাউ জার্মপ্লাজম সেন্টারে ৩টি বড় গাছ আছে,যা থেকে ২০১০ সাল থেকে ফল দিচ্ছে।

অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ফোন করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭ নাম্বারে।

ড্রাগন ফ্রুটের খোসা ছাড়িয়ে সেটিকে কাটলে তার ভিতরে আপনি পাবেন পুষ্টির এক অমূল্য সঞ্চিত ধনভাণ্ডার যা আপনার স্বাস্থ্যের পাশ...
16/08/2020

ড্রাগন ফ্রুটের খোসা ছাড়িয়ে সেটিকে কাটলে তার ভিতরে আপনি পাবেন পুষ্টির এক অমূল্য সঞ্চিত ধনভাণ্ডার যা আপনার স্বাস্থ্যের পাশাপাশি আপনার সন্তানের স্বাস্থ্যকেও বাড়িয়ে তুলবে।ড্রাগন ফ্রুটের মধ্যে কার্বোহাইড্রেটের উপস্থিতি কোনও গর্ভবতী মহিলার মধ্যে তার শক্তি পুনরুদ্ধারের জন্য বেশ উপকারী বলে প্রমাণিত।অতিরিক্তভাবে, এর মধ্যস্থ পর্যাপ্ত পরিমাণে ক্যালসিয়াম শিশুর হাড় গঠণের বিকাশকে প্রভাবিত করে।এ সময় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাটি বাড়িয়ে তোলাও খুবই গুরুত্বপূর্ণ আর সেটি সম্পন্ন হয়ে থাকে এই ফলের মধ্যে উপস্থিত আয়রণ, পটাশিয়াম এবং একাধিক অন্যান্য প্রোটিনগুলির দ্বারা।

সাধারণ উপাদানগুলির পাশাপাশি, পিতায়া মধ্যস্থ ফোলিক অ্যাসিডের উপস্থিতি শিশুর স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশের ক্ষেত্রে উপকারী বলে প্রমাণিত।তাছাড়াও এর ভিটামিন C, ফাইবার এবং বিটা-ক্যারোটিনগুলি হল মায়ের সার্বিক স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান।এর মধ্যস্থ আরেকটি মূল উপাদান হল লাইকোপেন যা ড্রাগন ফলের একটি অনন্য বৈশিষ্ট্য।এটি বিভিন্ন হৃদ সমস্যা, হাইপারটেনশনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সহায়তা করার পাশাপাশি ক্যান্সারের সম্ভাবনাকেও হ্রাস করে।

অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ফোন করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭ নাম্বারে।

কাঁচা খেজুর নাম শুনতেই জ্বীবে জল আসে,,,অন্যান্য খেজুরের তুলনায় এ খেজুর আকারে বড়, স্বাদও অসাধারণ হওয়ায় খাওয়ার আকর্ষণ বেশী...
15/08/2020

কাঁচা খেজুর নাম শুনতেই জ্বীবে জল আসে,,,অন্যান্য খেজুরের তুলনায় এ খেজুর আকারে বড়, স্বাদও অসাধারণ হওয়ায় খাওয়ার আকর্ষণ বেশী
খেজুরের উৎপত্তি:
হজরত মারইয়াম (আ.) যখন প্রসব-বেদনায় কাতর হয়ে উঠেন, সে সময়ে তিনি খেজুর গাছের নিচে অবস্থান করছিলেন, তখন আল্লাহ তাকে লক্ষ্য করে বলেন, ‘তুমি এ খেজুর গাছের কাণ্ড তোমার দিকে নাড়া দাও, (দেখবে) তা তোমার ওপর পাকা ও তাজা খেজুর ফেলছে।’ -সূরা মারইয়াম: ২৫
খেজুরের উপকারিতা:

১) মস্তিষ্ক সচল রাখেঃ খেজুর মস্তিষ্ককে প্রাণবন্ত রাখে।আমাদের ক্লান্ত শরীরে যথেষ্ট পরিমাণ শক্তির যোগান দিতে সক্ষম এই খেজুর।
২) গ্লুকোজের অভাব রোধে:সারাদিন রোজা রাখার পর পেট খালি থাকে বলে শরীরে গ্লুকোজের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। খেজুর সেটা দ্রুত পূরণ করতে সাহায্য করে।
৩) গর্ভবতী মায়ের খাবারঃযেসব মায়েরা গর্ভবতী বা ৭/৮ মাস সময় থেকে গর্ভবতী মায়েদের জন্য খেজুর একটি উৎকৃষ্ট খাদ্য। সাধারণত এই সময়টা গর্ভবতী মায়েদের শরীরে অনেক দুর্বলতা কাজ করে। তখন খেজুর মায়েদের শরীরের এই দুর্বলতা কাটাতে অনেক সাহায্য করে।
৪) শক্তিদায়ক খাবার: খেজুরে পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালরি থাকে, খেজুর নিয়মিত খেলে আপনার শরীর ও মন দুটাই ভাল থাকবে।
৫) ক্যান্সার রোধে:পেটের ভেতরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্যানসারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে খেজুর।আমাদের মুখগহ্বরের ক্যান্সার রোধেও এই ফল বেশ কার্যকরী।
(৬) প্রতি ১০০ গ্রাম খেজুরে ৩২৪ মিলিগ্রাম ক্যালরি থাকে। ক্যালরির পরিমাণ বেশি থাকে,খেজুর শিশুদের জন্যও অনেক উপকারী একটি ফল।
(৭) খেজুরে রয়েছে ৭৭.৫% কার্বহাইড্রেট, যা অন্যান্য খাদ্যের বিকল্প শক্তি হিসেবে কাজ করে।
(৮) ক্ষুধা নিবারণের বিকল্প খাদ্য হিসেবে আমরা ২-৪টি খেজুর খেয়ে এক গ্লাস পানি পান করতে পারি।
(৯) খেজুরে রয়েছে ৬৩ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম ও ৭.৩ মিলিগ্রাম লৌহ যা হাড়,দাঁত,নখ,ত্বক, চুল ভালো রাখতে সহয়তা করে।
(১০)আয়রনের পরিমাণও রয়েছে খেজুরে। তাই রক্তস্বল্পতা ও শরীরের ক্ষয়রোধ করতে খেজুরের রয়েছে বিশেষ গুণ।
অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ফোন করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭ নাম্বারে।

ইংরেজিতে Rambutan আর এর বৈজ্ঞানিক নাম Nephelium lappaceum. এটি প্রধানত দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ফল। এটি আমাদের দেশের লিচুর মত...
15/08/2020

ইংরেজিতে Rambutan আর এর বৈজ্ঞানিক নাম Nephelium lappaceum. এটি প্রধানত দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার ফল। এটি আমাদের দেশের লিচুর মতো সুস্বাদু , সুমিষ্ট, সুগন্ধযুক্ত, রসালো এবং লোভনীয় একটি ফল। মালয়-ইন্দোনেশিয়া এর আদি জন্মস্থান। ২২-৩০° সে. তাপমাত্রা রাম্বুটানের জন্য অধিক উপযোগী। ফলটি দেখতে অনেকটা ভেরেন্ডা ফলের মতো। গাঢ় সবুজ রঙের ভেরেন্ডা বীজের বহিরাবরণে থাকে নরম কাঁটা। ভেরেন্ডার বীজ থেকে ক্যাস্টর ওয়েল প্রস্তুত করা হয় যা গ্রিজ তৈরির কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সবুজ খোসাযুক্ত এই ভেরেন্ডা বীজের সাথে রাম্বুটানের কিছুটা মিল খুঁজে পাওয়া যায়। ইন্দোনেশিয় ভাষায় rambut শব্দের অর্থ hair বা চুল। ফলের খোসায় চুলের ন্যায় বস্তু থাকায় ফলটির এমন নামকরণ করা হয়েছে। অত্যন্ত সুস্বাদু ও সুমিষ্ট এ ফলটি পাকলে সবুজাভ হলদে রঙ ধারণ করে। প্রজাতিভেদে হালকা লাল, বাদামী এমনকি কালচে রঙের রাম্বুটানও দেখা যায়। ফলের খোসায় নরম কাঁটার মতো লোম/চুল থাকায় আমাদের দেশে অনেকে একে ‘দাঁড়িওয়ালা লিচু’ নামকরণ করেছে। রাম্বুটান একটি চির সবুজ গাছ। প্রজাতিভেদে এ গাছের উচ্চতা ১০ থেকে ১৫ মিটার পর্যন্ত হয়। পাতার দৈর্ঘ ১০-৩০ সে.মি। ফলের দৈর্ঘ্য হয় ৩ থেকে ৬ সেমি. আর ফলের বেড় হয় ৩ থেকে ৪ সেমি. পর্যন্ত। ফুল খুবই ছোট ২.৫ থেকে ৫ মিলি মিটার হয়ে থাকে। বীজের সাইজ হয় ১ থেকে ১.৩ সে. মিটার। প্রতি থোকায়১০ থেকে ২০ টি পর্যন্ত ফল ধরে। পুরুষ ফুল এবং স্ত্রী ফুল আলাদা আলাদা গাছে হয়। আবার কিছু গাছ আছে যাতে একই সাথে পুরুষ ও স্ত্রী ফুল ফোটে। রাম্বুটানের ফুলে প্রচুর পরিমাণে নেকটার বা পুষ্পরস থাকে। আর পুষ্পরস আহরণের জন্য প্রচুর মৌমাছি আসে। মৌমাছি এবং অন্যান্য কীট পতঙ্গের মাধ্যমে প্রধানত রাম্বুটান ফলের পরাগায়ণ সংঘটিত হয়। এ ফুলের মধু খুবই উন্নত মানের। প্রাপ্ত বয়ষ্ক প্রতিটি গাছে বছরে ৫০০০ হতে ৬০০০ ফল আসে। যার ওজন হয় ৬০ থেকে ৭০ কেজি। হেক্টর প্রতি ফলন ২০ টন। ফল পাকার পর গাছ থেকে সংগ্রহ করতে হয়, তা না হলে ফলের মিষ্টতা কমে যায়। ফুল আসার পর থেকে ফল সংগ্রহ পর্যন্ত সময় লাগে ১৫ থেকে ১৮ সপ্তাহ। রাম্বুটান ফল গোলাকার ও ডিম্বাকৃতির হয়ে থাকে। খোসা ছাড়ানোর পর যে শাঁষ পাওয়া যায় তার রঙ সাদা। শাঁস খাওয়ার পর যে বীজটা থাকে তা ফেলে না দিয়ে বাদামের ন্যায় ভেজে খাওয়া হয়। ভাজা বীজও বেশ সুস্বাদু। রাম্বুটান গাছে সাধারণত বছরে দুইবার ফল আসে। প্রথমবার ফল পাকে জুন-জুলাই মাসে আর দ্বিতীয়বার ডিসেম্বর মাসে।
অর্ডার করতে পেইজের ইনবক্সে মেসেজ দিন অথবা ফোন করুন ০১৯৫৪-৬৮৯৯৯৭ নাম্বারে।

Address

Kalabagan, Dhanmondi, Dhaka
Raja Bazar
1205

Telephone

01954689997

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Good Food posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share