Rahaman International Industries

Rahaman International Industries Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rahaman International Industries, Business service, Feni, Rajshahi Division.

সামর্থ্য থাকলে কখনোই গ্রামে থাকা উচিত না।গ্রামে ১০০ বিঘা জমির মালিক হওয়ার চেয়ে শহরে এক টুকরো ভাড়া বাসায় থাকা অনেক ভালো,অ...
23/06/2024

সামর্থ্য থাকলে কখনোই গ্রামে থাকা উচিত না।
গ্রামে ১০০ বিঘা জমির মালিক হওয়ার চেয়ে শহরে এক টুকরো ভাড়া বাসায় থাকা অনেক ভালো,অনেক সম্মানের,অনেক আরামদায়ক।
গ্রামে স্থায়ীভাবে বসবাস করাটাকে কোন সূচকে এগিয়ে রাখা যায় আসলে?

এখানে বেশিরভাগ মানুষ এতই টক্সিক যে তারা তাদের ব্যাক্তিগত জীবনের থেকে আপনার জীবন নিয়ে বেশি চিন্তিত।আপনার চুল বড় কেন,আপনি বোরকা পড়েন না কেন,অনার্সে পড়লেও মেয়ের বিয়ে দেয়না কেন,বয়স ২৫ পেরিয়ে গেলেও এখনো জব হয়না কেন, আপনার ব্যাচমেট কেউ বিদেশে গিয়ে লাখ লাখ টাকা কামায় আপনি এখনো পড়াশুনা করেন কেন এসব আজগুবি বিষয় নিয়ে তাদের অনেক টেনশন।মাঝে মাঝে দেখবেন আপনার নিজের ফ্যামিলিও যেসব বিষয় নিয়ে চিন্তিত নয় অন্যান্য মানুষ এর থেকে বেশি চিন্তিত।

গ্রামের টক্সিক বিষয়গুলোর আরেকটি বড় পার্ট হচ্ছে ঝগড়া,
আপনি এমন কোনো বাড়ি খুজে পাবেন না যেখানে জায়গা-জমি নিয়ে কোনো বিরোধ নেই।প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এই ফ্যামিলি সেই ফ্যামিলির সাথে কোনো একভাবে ঝগড়া লেগেই থাকে।
১ ইঞ্চি জায়গা নিয়ে মাথা ফাটাফাটি,অশ্লিল ভাষায় গালাগালি,মামলা মোকদ্দমা চলতেই থাকে।

এইজন ওইজনের নামে গোপনে প্যাচ লাগিয়ে ঝগড়া বাদিয়ে দেওয়া,কাউকে পছন্দ নাহলে তার নামে জায়গায় অজায়গায় বদনাম রটিয়ে দেওয়া,এমনকি বিয়ে আসলেও গোপনে প্যাচ লাগিয়ে দেওয়া গ্রামের বেশিরভাগ মানুষের যেনো একটি নিত্যদিনের কাজ।

গ্রামের বেশিরভাগ মানুষ ই এতটা অজ্ঞ যে তারা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার বুঝেনা,ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বুঝেনা,এমবিবিএস ডাক্তার এর মানে বুঝেনা।
তাদের কাছে সরকারি চাকুরী মানে পুলিশ(হউক কনস্টেবল), সেনাবাহিনী(হউক সৈনিক), প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষক এসব ই।আর একজন নার্সিং এ পড়া স্টুডেন্টকে যেমনভাবে ডাক্তার ভাবে তেমনি সরকারি মেডিকেলে এমবিবিএস পড়ুয়া কাউকেও সেরকম ই ভাবে। তাদের কাছে আপনি সরকারের কত গ্রেডের চাকুরী করেন তার থেকে গুরুত্বপূর্ণ আপনি প্রাইভেট জব করেন নাকি সরকারি।আপনি যদি প্রাইমারি স্কুলের পিওন ও হোন তাও মেয়ে বিয়ে দিতে রাজি,কিন্তু বেসরকারি যতো ভালো চাকুরী ই করেন,আমতা আমতা করবেই।
তাদের কাছে আপনার উচ্চশিক্ষা গ্রহনের থেকে আপনার সে বন্ধুর দাম বেশি যে এসএসসির পর সৈনিক/কনস্টেবল/ বিদেশে বা কোনো কাজে চলে গেছে।

আর টক্সিসিটির সবচেয়ে বিরক্তিকর পার্ট হচ্ছে গ্রামের চায়ের দোকানগুলো।গ্রামের প্রতিটি চায়ের দোকানে চায়ে চুমুক উঠেই গীবত দিয়ে।যেখানে কার বৌয়ের বাচ্চা হচ্ছেনা,কার বৌ প্র‍্যাগন্যান্ট থেকে শুরু করে রাজনীতি,অর্থনীতি,খেলাধুলা কোনোটার ই গবেষণা বাকি থাকেনা।যার অধিকাংশই আবার গুজব।

(এতসবের মাঝেও গ্রামে কিছু আপনার শুভাকাঙ্ক্ষী থাকেই,যারা আপনাকে বুঝতে চায়,বুঝে,বুঝার চেষ্টা করে।যারা অন্যের ব্যাক্তিগত জীবন নিয়ে এত আগ্রহী নয়,যারা মানে উচ্চশিক্ষা অর্জনের থেকে বিদেশে চলে যাওয়া কিংবা কোনো কাজে চলে যাওয়া কখনোই বেটার অপশন নয়,যারা চায়ের কাপে মিথ্যা আর গীবতের ধুয়ো উঠায় না।তাদের স্যালুট,তারা আজীবন সম্মানপ্রাপ্য)

(জন্ম থেকেই গ্রামের পলিমাটি গায়ে মেখেও,একজন খাটি গ্রাম্য মানুষ হয়েও এ কথাগুলো লিখার একমাত্র কারন তিক্ততা)

©Asaduzzaman Nur

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা অফিসে ‘গ্রুপথিংক’ যে কারণে সমস্যাজনক এবং যেভাবে তা এড়াবেন১৯৭২ সালে ‘গ্রুপথিংক’ শব্দটা প্রথম ব্যবহার...
24/02/2023

ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা অফিসে ‘গ্রুপথিংক’ যে কারণে সমস্যাজনক এবং যেভাবে তা এড়াবেন

১৯৭২ সালে ‘গ্রুপথিংক’ শব্দটা প্রথম ব্যবহার করেন অ্যারভিং জ্যানিস। তিনি ছিলেন একজন সোশ্যাল সাইকোলজিস্ট বা সামাজিক মনোবিজ্ঞানী। একটা গ্রুপ বা দলের মানুষেরা যেভাবে সামাজিক চাপের কারণে (অপেক্ষাকৃত) খারাপ সিদ্ধান্ত নেয়, সেটা বোঝাতেই ‘গ্রুপথিংক’ শব্দটি ব্যবহৃত হয়।

দলের লোকেরা অবচেতন মনেই দলের ঐক্য ঠিক রাখতে চায়। সেজন্যে একে অন্যের কথার সাথে একমত হয়। আর এভাবেই সিদ্ধান্ত নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়।

সামাজিক মনোবিজ্ঞান ছাড়া গবেষণার অন্যান্য ক্ষেত্রেও “গ্রুপথিংক” নিয়ে অধ্যয়ন করা হয়। ‘গ্রুপথিংক’ বিষয়টা বেশ গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার কারণ হল, এর ফলেই সিদ্ধান্ত গ্রহণকারীরা কূপমন্ডুক হয়ে যান, অর্থাৎ তারা চিন্তাভাবনার দিক দিয়ে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়েন।

দলের সবাই মিলে বাজে সিদ্ধান্ত নেয়ার পরেও কেউই এর বিরোধিতা কেন করে না, তা ‘গ্রুপথিংক’ এর মাধ্যমেই ব্যাখ্যা করা যায়।

রাজনৈতিক দল অথবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মত একই ধরনের চিন্তাধারার মানুষদের মধ্যে ‘গ্রুপথিংক’ এর প্রবণতা দেখা যায় অনেক সময়।

কোনো প্রতিষ্ঠানে “গ্রুপথিংক” চলতে থাকলে কর্মী এবং ম্যানেজাররা এমন প্রশ্ন করা থেকে বিরত থাকেন, যেটা বিতর্ক তৈরি করতে পারে এবং প্রতিষ্ঠানের সংস্কৃতি বা কালচারের বিপরীতে যেতে পারে।

তাই ম্যানেজারের দায়িত্বে থাকা সবাইকেই ‘গ্রুপথিংক’ এর বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। একইসঙ্গে গ্রুপথিংক এর বিষয়টা প্রতিষ্ঠান বা অফিসের কালচার থেকে বাদ দেয়ার চেষ্টা করতে হবে। কিন্তু কেন গ্রুপথিংক এড়িয়ে চলা উচিৎ, তা নিয়েই বিস্তারিত আলোচনা করা হবে এবার।

# যে কারণে এগিয়ে যাওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে গ্রুপথিংক

দলের মধ্যে গ্রুপথিংক হচ্ছে কিনা, এবং কর্মস্থলে বিভিন্নভাবে এর প্রকাশ ঘটছে কিনা, সেটা খেয়াল করা ম্যানেজারদের দায়িত্ব। কারণ অফিসে যখন গ্রুপথিংক কালচার শুরু হয়ে যায়, তখন সবচেয়ে মেধাবী কর্মীর কাছ থেকেও ভাল কোন আইডিয়া পাওয়া যায় না। অথচ এমন আইডিয়া হয়ত পুরো প্রতিষ্ঠানকেই বদলে দিতে পারত। কিন্ত গ্রুপথিংক এর কারণে একমত না থাকলেও মেধাবী কর্মীরা কোনো সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে না।
আবার কোম্পানিতে যারা সৃজনশীল চিন্তা করে, গ্রুপথিংক এর কারণে তারাও আর নতুন চিন্তা করে না। তখন ব্যক্তিপর্যায় থেকে ভাল কোনো আইডিয়াও আর আসে না। এভাবে নতুন আইডিয়া, নতুন সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হয় কোম্পানি।

প্রচলনের বাইরে গিয়ে কোনো মতামত দিলে লোকে কী বলবে, এমন দুঃশ্চিন্তা (সচেতন বা অচেতনভাবে) কর্মীদের মধ্যে থাকলে মেধাবী কর্মীরা কোম্পানি ছেড়ে চলে যেতে পারে। এবং চাকরি বদলে তারা এমন প্রতিষ্ঠানে চলে যেতে পারে, যেখানে কোম্পানি মিটিংয়ে নতুন এবং অপ্রচলিত আইডিয়া সামনে নিয়ে আসতে উৎসাহ দেয়া হয়।

তাই গ্রুপথিংক এর কারণে কোম্পানিতে দৃশ্যমান এবং অদৃশ্য দুই ধরনের প্রভাব পড়ে। আর এই প্রভাবই পরে কোম্পানির জন্যে নানান ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়।

# গ্রুপথিংক হচ্ছে কিনা যেভাবে বুঝবেন

ধরা যাক, আপনি মোটামুটি বড় একটা কোম্পানির সিইও। আপনি ভাবছেন কীভাবে কোম্পানির ব্যবসা বিদেশের মাটিতেও শুরু করা যায়। হয়ত আগে থেকেই বিদেশে ব্যবসা শুরু করার বিষয়ে একটু দ্বিধার মধ্যে ছিলেন আপনি। তাই ঠিক করলেন বিষয়টা নিয়ে অফিসের অন্য কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করবেন। এবং তাদের মতামতের ওপর ভিত্তি করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঠিক করবেন।

দেখা গেল, অফিসের সকল কর্মকর্তা আপনার মতামতের সঙ্গেই সহমত জানাল। আপনার মতো তারাও বিদেশে ব্যবসা শুরু করা নিয়ে আপত্তি জানাল। কিন্তু মিটিংয়ে হয়তো এমন অনেকেই ছিলেন, যারা মনে করেন অন্য প্রতিষ্ঠানের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে বিদেশে ব্যবসা শুরু করা উচিৎ। কারণ আপনার সবচেয়ে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানটিও হয়তো এখন বিদেশে ব্যবসা শুরু করার কথা ভাবছে। অথচ গ্রুপথিংক হওয়ার ফলে আপনি মিটিংয়ে ভিন্নমতের মানুষদের কথা শোনার সুযোগ পেলেন না। ফলে কৌশলের দিক দিয়ে সঠিক সিদ্ধান্তটিও নিতে পারলেন না।

মিটিংয়ে এমন কখনো হয়েছে যে, আপনি কোনো একটা কথা বলার জন্যে ভাবছিলেন, কিন্তু তারপর কথাটা আর বললেন না। কারণ আপনার মনে হল যে, কথাটা হয়তো গ্রুপ বা দলের উদ্দীপনা নষ্ট করে দিতে পারে।

অথবা কর্মক্ষেত্রে এমন কোনো টিমের সঙ্গে কাজ করেছেন, যেখানকার সদস্যরা মন খুলে তাদের মতামত জানাতে পারে না? যদি আপনার সাথে এমন হয়ে থাকে, তবে গ্রুপথিংক এর শিকার আপনিও।

সংখ্যাগরিষ্ঠ, অর্থাৎ দল ভারি যেদিকে, তাদের সাথে একমত হলে সবসময় ভাল ফল আসে না।

ইতিহাসে গ্রুপথিংক এর নেতিবাচক দুটি উদাহরণ হচ্ছে ‘চ্যালেঞ্জার স্পেস শাটল দুর্ঘটনা’ এবং ‘বে অফ পিগস আক্রমণ’।

প্রথম ঘটনায় স্পেস শাটলের ইঞ্জিনিয়াররা মহাকাশযান ওড়ানোর কয়েকমাস আগে থেকেই জানত যে, এর কিছু সরঞ্জাম ঠিকমতো কাজ করছে না। কিন্ত তারা ভেবেছিল কথাটা প্রচার হয়ে গেলে দুর্নাম রটতে পারে। তাই ত্রুটি থাকা সত্ত্বেও মহাকাশযান ওড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

১৯৬১ সালে কিউবার ‘বে অফ পিগস’ এলাকাতে যুক্তরাষ্ট্রের আক্রমণও কৌশলের দিক দিয়ে ভুল সিদ্ধান্ত ছিল। কিন্তু ওপর মহলে থাকা কর্তাব্যক্তিদের কেউই এই আক্রমণের সফলতা নিয়ে নিজেদের ভিন্নমত প্রকাশ না করায় শেষে এই আক্রমণ পরিচালিত এবং ব্যর্থ হয়।

# গ্রুপথিংক এর লক্ষণ

জ্যানিস এর মতে, গ্রুপথিংক সাধারণত এমন জায়গায় হয়ে থাকে, যেখানে:
• একজন ক্ষমতাবান ও প্রভাব বিস্তারকারী নেতা থাকে
• গ্রুপের মধ্যে বন্ধন অনেক শক্ত থাকে
• সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য বাইরে থেকে গ্রুপের ওপর অনেক চাপ থাকে

মূলত গ্রুপথিংক বেশ প্রচলিত এবং স্বাভাবিক ঘটনা। বিভিন্ন পরিস্থিতি আর পরিবেশে বিভিন্ন ধরনের দলের মধ্যে গ্রুপথিংক হতে পারে। তাই গ্রুপথিংক এর মূল লক্ষণগুলি জানা থাকলে এ ব্যাপারে সাবধান থাকা সহজ হয়। লক্ষণগুলি জেনে নেয়া যাক।

১. সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তি বানিয়ে তা নিজেদের কাছেই ব্যাখ্যা করা

দলের সদস্যরা অনেক সময় নিজেদেরকে বোঝাতে পারে যে, তাদের সিদ্ধান্তের বিপরীতে তথ্য উপাত্ত থাকলেও তাদের নেয়া সিদ্ধান্তই সঠিক। অন্যদের মতামত তারা এই যুক্তিতে উড়িয়ে দিতে পারে যে, “আমাদের সাথে যারা একমত হয়নি, তারা সমস্যাটা নিয়ে আমাদের মত এত বিস্তারিত গবেষণা করেনি।”

২. সহকর্মীদের চাপ

একজন সদস্য যখন বাকিদের চেয়ে ভিন্ন কোনো মত দেয়, অথবা কোনো সিদ্ধান্তের পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করতে বলে, তখন দলের বাকি সদস্যরা তার ওপর চাপ প্রয়োগ করতে পারে। এবং অনেক সময় তাকে শাস্তিও দেয়া হতে পারে এ ধরনের কথা বলে যে, “যদি তুমি মনে করো আমরা ভুল করছি, তাহলে তুমি দল থেকে বেরিয়ে যেতে পারো।”

৩. আত্মতৃপ্তি

কয়েকবার সফল হওয়ার পর কোনো গ্রুপ বা দল মনে করতে পারে যে, তারা যে সিদ্ধান্ত নেবে, সেটাই ঠিক। কারণ নিজেদের ওপরে তাদের আর কোনো সংশয় থাকে না। এমন মনোভাব দলের মধ্যে জন্মাতে পারে যে, “আমাদের কাজই প্রমাণ করে আমরা কত সফল। আমাদের কেউ থামাতে পারবে না!”

৪. নিজেদের নৈতিকতা নিয়ে উঁচু ধারণা

দলের প্রতিটি সদস্য নিজেকে নীতিবান মনে করে। তাই সবাই যেখানে নীতিবান, সেখানে কোনো অনৈতিক সিদ্ধান্ত নেয়া হবে, তা যেন কেউ ভাবতেই পারে না! তবে সিদ্ধান্ত নেয়ার জন্য মূল্যবোধের মতো বিষয়কে ভিত্তি হিসেবে ধরলে সবার মতের সাথে মিল হওয়ার ব্যাপারে চাপ আরো বেশি থাকে।

কারণ সবার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করলে সেটা বাকিদের চোখে অনৈতিক মনে হবে। গ্রুপের সদস্যরা এমন অবস্থায় নিজেদের বোঝাতে পারে যে, “আমরা সবাই বুঝতে পারি কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল। আর আমরা যে সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সেটা অবশ্যই ঠিক।”

৫. স্টেরিওটাইপ করা বা বাঁধাধরা নিয়মে চিন্তা করা

একটা গ্রুপের সবার চিন্তাভাবনা একই রকম হয়ে গেলে তারা গ্রুপের বাইরের মানুষের চিন্তাধারাকে তূলনামূলক খারাপ এবং ভিন্ন মনে করতে পারে। এমন দৃষ্টিভঙ্গির কারণে গ্রুপের বাইরের মানুষকে তারা অবমূল্যায়ন করে। যেমন অন্য কোনো পেশার কেউ তাদের ব্যাপারে ভিন্নমত প্রকাশ করলে তারা বলতে পারে যে, “এই পেশার লোকেরা সুযোগ পেলেই ঝগড়া করে। এমনকি সব প্রমাণ তাদের দাবির বিরুদ্ধে থাকলেও তারা ঝগড়াই করবে!”

৬. সেন্সরশিপ

বাকিদের সাথে খাপ খাওয়ানোর জন্য দলের সদস্যরা তাদের মতামতকে সেন্সর করতে পারে। দলের কেউ ভাবতে পারে যে, “সবাই যেখানে একই কথা ভাবছে, সেখানে আমি আরেকটা ভাবছি কেন! নিশ্চয়ই এখানে আমিই ভুল।”

এমনকি বাইরে থেকে কোনো ভিন্নমত এলে অনেক সময় সেটাকেও দলীয় ভাবে সেন্সর করে দেয়া হয়। এ নিয়ে দলের একজন আরেকজনকে বলতে পারে, “আরে এইসব কথায় কান দিও না! এ ব্যাপারে ওরা আসলে কিছুই জানেই না।”

৭. সবার সম্মতি পাওয়ার ভ্রান্ত ধারণা

কেউ যখন তার মনের কথা জানায় না, তখন গ্রুপের সবাই ভাবে সবার সম্মতি নিয়েই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আর এটাই হচ্ছে গ্রুপ থিংক এর সবচেয়ে বড় সমস্যা। আর এভাবেই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে। মিটিং-এ বলা হতে পারে, “সবাই যখন একই মতামত দিচ্ছে, তাহলে সিদ্ধান্ত এটাই থাকল!”

# গ্রুপথিংক যেভাবে এড়াতে হয়

গ্রুপথিংক এড়ানোর জন্য প্রয়োজন হচ্ছে এমন একটা প্রক্রিয়া থাকা, যাতে সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যে অনুমানগুলি করা হয়েছিল, সেগুলি পুনরায় ভেবে দেখা যায়।

এছাড়াও সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে তা যাচাই করা এবং সিদ্ধান্তের পেছনে কোনো ঝুঁকি আছে কিনা, তা মূল্যায়ন করাটাও গুরুত্বপূর্ণ। তাই একটা বড় সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে নিশ্চিত করতে হবে আপনার দল যেন সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় এই বিষয়গুলি মাথায় রাখে:
• সিদ্ধান্ত গ্রহণের লক্ষ্য অনুসন্ধান করা
• বিকল্প সিদ্ধান্ত খোঁজা
• কোনো ভয় ছাড়াই সিদ্ধান্তের সমালোচনা করার জন্য উৎসাহ দেয়া
• পছন্দের সিদ্ধান্তের সাথে কোনো ঝুঁকি জড়িয়ে আছে কিনা, তা দেখা
• অনুমান পরীক্ষা করে দেখা
• প্রয়োজনে বাদ দেয়া সিদ্ধান্তগুলি আবার পরীক্ষা করে দেখা
• বাইরের উৎস থেকে প্রাসঙ্গিক তথ্য যোগাড় করা
• বস্তুনিষ্ঠভাবে তথ্য পর্যালোচনা করা
• অন্তত একটা বিকল্প পরিকল্পনা হাতে রাখা

এই বিষয়গুলি যাতে সহজে মাথায় থাকে, সেজন্য অনেক ধরনের কৌশল আছে। এর মধ্যে কিছু কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হলো। এর মধ্যে এক বা একাধিক কৌশল কাজে লাগিয়ে দলের কাজের ধরন বদলাতে পারেন। এভাবে গ্রুপথিংক থেকে নিজের দলকে রক্ষা করতে পারবেন এবং আরো ভাল সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

# গ্রুপথিংক এড়াতে সাহায্য করবে যেসব কৌশল:

১. ব্রেইনস্টর্মিং বা মাথা খাটানো

দলের মধ্যে ব্রেইনস্টর্মিং এর চর্চা করা হলে সমালোচনার ভয় ছাড়াই সবাই নিজেদের আইডিয়া শেয়ার করতে পারবে।

২. প্রতি সদস্যকে আলাদা ভাবে অংশ নিতে দেওয়া

গ্রুপের সকল সদস্যদের আলাদা আলাদাভাবে নিজেদের কথা বলার সুযোগ দিতে হবে। এর ফলে সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় প্রভাব বিস্তার করে, এমন সদস্যদের আধিপত্য কমানো যাবে।

৩. সিক্স থিংকিং হ্যাটস

“সিক্স থিংকিং হ্যাটস” নামের কৌশল কাজে লাগালে দলীয়ভাবে একটা সমস্যাকে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থেকে দেখা যাবে। এই কৌশলে দলের প্রত্যেককে একই সমস্যা আলাদা আলাদা দিক থেকে ভাবতে বলা হয়। এতে করে কোনো সিদ্ধান্তই সমালোচনার ঊর্ধ্বে থাকবে না।

৪. ডেলফি টেকনিক: ডেলফি টেকনিকে দলের সদস্যরা আলাদাভাবে নিজেদের মতামত দেয়। দলের বাকিরা কী মতামত দিচ্ছে, সেটা তারা জানতে পারে না। ফলে বাকিদের সাথে একমত না হলেও এখানে কাউকে সমস্যায় পড়তে হয় না।

# গ্রুপথিংক থেকে যেভাবে বের হতে হবে

এসব কৌশল কাজে লাগানোর পরও যদি আপনার অফিসে গ্রুপথিংক দেখা যায়, তখন জরুরি হচ্ছে এর পেছনে থাকা কারণ বুঝতে পারা। এবং কারণ খুঁজে বের করার পরে দ্রুততম সময়ে তা সমাধানের চেষ্টা করা। এজন্য এর মধ্যে যেকোনো পরামর্শ অনুসরণ করতে পারেন:

১. অফিসে সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াতে কোনো সমস্যা না থাকলেও আপনাকে নজর রাখতে হবে গ্রুপথিংক এর কোনো লক্ষণ লেখা যাচ্ছে কিনা। এবং গ্রুপথিংক এর কোনো লক্ষণ চিহ্নিত করার সাথে সাথেই এই বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।

২. যদি গ্রুপথিংক এর লক্ষণ দেখা যায়, তবে বিষয়টি নিয়ে দলের সবার সাথে কথা বলতে হবে। দলের বাকিরাও বিষয়টি স্বীকার করলে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সময় স্বতস্ফূর্তভাবে নিজেদের মতামত জানাতে পারবে।

৩. কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার পরে কী কী ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, সেটা খুঁজে বের করতে হবে। অফিস এবং আপনার ক্লায়েন্টদের ওপর এর কী প্রভাব পড়তে পারে, সে বিষয়েও আলোচনা করতে হবে। যদি দেখা যায় অনেক বেশি ঝুঁকি আছে (যেমন ব্যক্তিগত সুরক্ষা জনিত কোনো সমস্যা) তবে নতুন সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যেন সিদ্ধান্তটি ভাল ভাবে যাচাই করে নেয়া হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে।

৪. প্রয়োজনে অন্যদের, অর্থাৎ গ্রুপের বাইরের মানুষের মতামতও নেয়া যেতে পারে। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ব্যবহার করে নিজেদের অনুমান যাচাই করতে পারেন। আসলেই পরিবর্তনের দরকার আছে কিনা বুঝতে ওপরের পরামর্শ বা কৌশল আবার অনুসরণ করে দেখতে পারেন।

৫. উপরে যেসব কৌশল এবং পরামর্শের কথা বলা হয়েছে, সেগুলির সাথে দলের বাকিদের পরিচয় করিয়ে দিতে পারেন। এতে করে ভবিষ্যতে গ্রুপ থিংক এড়ানো সম্ভব হবে।

#গ্রুপথিংক

ব্যবসা ক্ষেত্রে সর্বকালের সেরা ২৫টি উদ্ভাবন ও কিছু মজার তথ্যপৃথিবীর বুকে মানুষ যতদিন ধরে আছে, ততদিন ধরে তারা নিজেদের মধ্...
19/02/2023

ব্যবসা ক্ষেত্রে সর্বকালের সেরা ২৫টি উদ্ভাবন ও কিছু মজার তথ্য

পৃথিবীর বুকে মানুষ যতদিন ধরে আছে, ততদিন ধরে তারা নিজেদের মধ্যে জিনিসপত্র কেনাবেচা করে আসছে। সেই প্রাচীন আমলে লেনদেন বলতে বোঝাতো পাথরের কুঠারের বিনিময়ে ভল্লুকের চামড়ার পরিধেয়। আজকের লেখায় পৃথিবী বদলে দেওয়া যেসব উদ্ভাবনের কথা বলা হচ্ছে, সেগুলি না এলে আমাদের অবস্থা হয়তো এখনও প্রাচীন আমলের মতই থাকতো।

১. টাকা (খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০)

ব্যবসা বাণিজ্য শুরু হওয়ার প্রথম এক মিলিয়ন বছর পর্যন্ত লেনদেন বলতে শুধু ‘বিনিময় প্রথা’ (Barter) বোঝানো হতো। মূলত একটি জিনিসের বিনিময়ে অন্য একটা জিনিস অদলবদল করা হতো বিনিময় প্রথায়। এবং লেনদেন করা জিনিসগুলি হাতে হাতে বিনিময় করতে হতো।

অন্যদিকে টাকা ব্যবহার করে কোনো কিছু কেনাবেচার সময় কেবল এর মূল্য হস্তান্তর করা হয়। টাকা আসার ফলে পণ্যের বিনিময়ে অন্য পণ্য বিনিময় করার প্রয়োজন আর থাকলো না। ফলে বিশাল পরিমাণের পণ্যও টাকার বিনিময়ে বিক্রি করা সম্ভব হলো।

মজার তথ্য: পৃথিবীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মুদ্রা যেটি চালু ছিল, সেটা ছিল পাথরের তৈরি আর এর ওজন ছিল ৪ টনেরও বেশি।

২. অ্যাবাকাস (খ্রিষ্টপূর্ব ২৭০০)

টাকা উদ্ভাবনের ফলে বড় আকারের আর্থিক লেনদেন করা সম্ভব হয়েছিল। তাই তখন লেনদেন করা পণ্য এবং টাকা হিসাব করার জন্যে দ্রুত ও সহজ ব্যবস্থার প্রয়োজন দেখা দেয়। সেই চাহিদা থেকে সুমেরীয় সভ্যতায় প্রথম অ্যাবাকাস উদ্ভাবিত হয়। তবে অ্যাবাকাস আরো নিখুঁত হয়েছিল চীনে এসে।

মজার তথ্য: ১৯৫০ সাল পর্যন্ত অ্যাবাকাস পরিচালনায় দক্ষ যে কেউ হিসাব-কিতাবের কাজে নিযুক্ত একজন অ্যাকাউন্টটেন্টকে দিব্যি হারিয়ে দিতে পারতেন। সেই অ্যাকাউন্টটেন্ট ‘অ্যাডিং মেশিন’ (এক ধরনের ক্যালকুলেটর) এর সাহায্য নিলেও অ্যাবাকাস ব্যবহার করা লোকের সঙ্গে পেরে উঠতেন না।

৩. বাণিজ্য আইন (খ্রিষ্টপূর্ব ১৭৭২)

রাজা হাম্বুরাবি তার আইন উদ্ভাবন করার আগে ক্রেতাদের কাছ থেকে পাওনা টাকা বুঝে পাওয়ার কোনো নিশ্চয়তা ছিল না। বিক্রেতাদের হাতে তখন একটাই উপায় ছিল, নিজের সৈন্য সামন্ত নিয়ে ক্রেতাদের আক্রমণ করে টাকা আদায় করা।

মজার তথ্য: ওল্ড টেস্টামেন্ট এর ‘বুক অফ জেনেসিস’-এ হাম্বুরাবির আইনের একটা ছোট অংশ ছিল।

৪. স্টক (খ্রিষ্টপূর্ব ১০০)

প্রথম পাবলিক স্টক বা শেয়ার বাজার এর গোড়াপত্তন হয়েছিল রোমান রিপাবলিক-এ। রোমের নাগরিকরা সরকারি সেবা প্রদান করে, এমন প্রাইভেট কোম্পানির শেয়ার কেনাবেচার সুযোগ পেয়েছিল। এই উদ্ভাবনের পর সাধারণ মানুষও রোমের বিশাল অর্থভাণ্ডারের ভাগিদার হওয়ার সুযোগ পায়।

মজার তথ্য: প্রথম স্টক মার্কেট উদ্ভাবনের কিছু দিন পর প্রথম স্টক মার্কেট ধ্বসও হয়েছিল।

৫. সুদ (খ্রিষ্টপূর্ব ২৭)

ক্রেতারা যদি তাদের হাতে থাকা টাকাই কেবল খরচ করে, তবে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেমে যাবে। স্টক এর পাশাপাশি সুদ এর উদ্ভাবনের কারণে সেই সময়ের রোম হয়ে ওঠে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের প্রাণকেন্দ্র। বর্তমানে আমেরিকার ওয়াল স্ট্রিট যেমন, অনেকটা তেমনই।

মজার তথ্য: নগদ বা বাকিতে টাকা ধার দেওয়ার বিষয়টা রোমান সাম্রাজ্য প্রসারের জন্য অনেক জরুরি ছিল।

৬. কাগুজে টাকা (৯৬০ সাল)

এই সময়ের আগ পর্যন্ত টাকা বলতে বোঝানো হত ধাতব মুদ্রাকে। মুদ্রার মূল্য ছিল সেই মুদ্রা তৈরিতে ব্যবহৃত ধাতুর মূল্যের সমান। তবে কাগুজে মুদ্রা টাকার মানকে আরো বিমূর্ত বা কাল্পনিক করে তোলে। সেই সময় থেকে মূল্যবান ধাতব মুদ্রা কেন্দ্রীয়ভাবে কোনো নির্দিষ্ট ভল্টে জমা রাখা শুরু হয়।

মজার তথ্য: ২০ শতকের মাঝামাঝি পর্যন্ত টাকা দিয়ে এর সম পর্যায়ের ধাতু বিনিময় করা যেত।

৭. ব্যাংকিং (১১২৯ সাল)

এক স্থানে টাকা জমা করে অন্য স্থান থেকে সেটা উত্তোলন করার ব্যবস্থা থাকাতে যুদ্ধের সময় ক্রুসেডারদের বেশ সুবিধা হয়েছিল। ইউরোপ থেকে তাদের অস্ত্র এবং মালামাল “পবিত্র ভূমি”তে টেনে নিয়ে যাওয়ার দরকার পড়েনি।

মজার তথ্য: পৃথিবীর প্রথম ব্যাংকাররা ছিল মূলত এক খৃষ্টান ধর্মসম্প্রদায়, যারা নিজেদেরকে “টেম্পলার” বলত।

৮. ডাবল এন্ট্রি বুককিপিং (১৪৯৪ সাল)

রেনেসা’র সময়কে সবাই মনে রেখেছে প্রিন্টিং প্রেস এর উদ্ভাবনের জন্য। তবে নিঃসন্দেহে এ সময়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন ছিল যখন উদ্যোক্তা লুকা পাচোলি একই পৃষ্ঠায় কোম্পানির লাভ এবং ক্ষতি রেকর্ড করার পদ্ধতি বের করেছিলেন।

মজার তথ্য: গত ৫০০ বছরে কর্পোরেট জগতে পরিচিত “ব্যালেন্স শিট” এর খুব একটা পরিবর্তন ঘটেনি।

৯. অ্যাডিং মেশিন (১৬৪২ সাল)

অ্যাবাকাস দিয়ে কেবল যোগ এবং বিয়োগ করা যেত। তবে ব্লেইজ প্যাসকেল এর উদ্ভাবিত মেক্যানিকাল ক্যালকুলেটর-এ ধরনের কাজ পর পর অনেকবার করা যেত। ফলে এর সাহায্যে গুণ এবং ভাগ করাও সম্ভব ছিল।

মজার তথ্য: প্যাসকেল তার জীবনের অধিকাংশ সময় ধর্মতত্ত্বের পিছনে ব্যয় করেন।

১০. টাইপরাইটার (১৭১৪ সাল)

১৫০ বছর ধরে তুমুল জনপ্রিয় এই মেশিন বিভিন্ন আকার এবং ধরনে পাওয়া যেত এবং ব্যবসার কাজে সবখানে ব্যবহার করা হতো।

মজার তথ্য: কী বোর্ডের ওপরের সারির বর্ণগুলি দিয়ে সবচেয়ে বড় যে ইংরেজি শব্দ আপনি তৈরি করতে পারবেন, সেটাই হল ‘টাইপরাইটার’ (Typewriter)।

১১. ট্রেড ইউনিয়ন (১৮১৮ সাল)

ট্রেড ইউনিয়ন আসার পর সাপ্তাহিক ৪০ ঘণ্টা কাজ করার নিয়ম এবং শ্রমিকদের স্বাস্থ্যবীমার মতো বিষয়গুলি চালু হয়। এই ট্রেড ইউনিয়নই পুঁজিবাদের ‘লেসে ফেয়ার’ (laissez faire) বা মুক্ত বাজার অর্থনীতির যত খারাপ দিক আছে, সেগুলিকে দমিয়ে রাখে।

মজার তথ্য: জার্মানির গাড়ি শ্রমিকরা ইউনিয়নভুক্ত হওয়ার ফলে যুক্তরাষ্ট্রের গাড়ি শ্রমিকদের চেয়ে বেশি বেতন পায়। কিন্তু এর পরও জার্মানির গাড়ি কোম্পানিগুলি যুক্তরাষ্ট্রের কোম্পানিগুলির চেয়ে বেশি মুনাফা আয় করে।

১২. টেলিগ্রাফ (১৮২৩ সাল)

মানুষ যখন টেলিগ্রাফ ব্যবহার করে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে তৎক্ষণাৎ তথ্য পাঠাতে সক্ষম হয়েছিল, নিঃসন্দেহে তখনই তথ্য যুগ শুরু হয়।

মজার তথ্য: টেলিগ্রাফ আসার আগে যুক্তরাষ্ট্রের ইস্ট কোস্ট থেকে ওয়েস্ট কোস্টে কোনো খবর পৌঁছাতে কমপক্ষে ১০ দিন চলে যেত।

১৩. প্রোগ্রাম করা যায় এমন কম্পিউটার (১৮৩৭ সাল)

চার্লস ব্যাবেজ (১৭৯১-১৮৭১) এর তৈরি করা ‘অ্যানালিটিকাল ইঞ্জিন’ ছিল প্রোগ্রাম করা যায় এমন প্রথম কম্পিউটার। ভবিষ্যতের কম্পিউটার যুগ এবং ‘আইবিএম’ এর মত উদ্ভাবনী কম্পিউটার প্রতিষ্ঠানের ব্যাপারে তখনই অনুমান করা গিয়েছিল। আর এখন কম্পিউটার এবং কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলিই ব্যবসা জগতের মেরুদণ্ড হয়ে আছে।
মজার তথ্য: বিশ্বের প্রথম কম্পিউটার প্রোগ্রামার অ্যাডা লাভলেস কম্পিউটার আবিষ্কারেরও অনেক আগে ১৮৮০ সালে, হিসাব করার একটি মেশিনের আইডিয়া তৈরিতে সাহায্য করেন। যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স ডিপার্টমেন্ট ১৯৯০ সালে বানানো নতুন একটি কম্পিউটারের নাম রাখে ‘অ্যাডা’।

১৪. ক্রেডিট কার্ড (১৮৮৭ সাল)

১৮৮৮ সালে প্রকাশিত এডওয়ার্ড বেলামির লেখা ‘লুকিং ব্যাকওয়ার্ড’ উপন্যাসে কেনাকাটার জন্যে ‘ক্রেডিট কার্ড’ নামের একটা জিনিসের বর্ণনা ছিল। তবে এই পরিকল্পনা সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়িত হয় ১৯২১ সালে, যখন ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন তাদের সেরা কাস্টমারদের জন্য এই সেবা চালু করে।

মজার তথ্য: প্লাস্টিক কার্ড আসার কারণে ক্রেডিট কার্ড জালিয়াতি অনেক কমে গিয়েছিল।

১৫. ন্যূনতম মজুরি (১৮৯৪ সাল)

প্রথম নূন্যতম মজুরীর প্রচলন শুরু করেছিল নিউজিল্যান্ড। বর্তমানে বিশ্বের প্রতি ১০টি দেশের মধ্যে ৯টি দেশেই নূন্যতম মজুরি চালু আছে।

মজার তথ্য: অস্ট্রেলিয়ার ন্যূনতম মজুরি যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে প্রায় দুই গুণ বেশি।

১৬. সেলস প্রক্রিয়া (১৯০৪ সাল)

অর্থনীতিবিদ পি ডব্লিউ সিয়ার্লস তার এক প্রবন্ধে সেলস এর কাজ আরো গোছানো, অনুমানযোগ্য এবং পুনরাবৃত্তিমূলক করার জন্য একটা নিয়ন্ত্রিত পদ্ধতির কথা বলেন।

মজার তথ্য: শুরুর দিকে সেলস ম্যানুয়ালে সেলসম্যানরা কথা বলার সময় হাত কীভাবে নাড়াবে সে বিষয়ে নির্দিষ্ট ভাবে বলা থাকত।

১৭. সেলস ট্রেনিং (১৯১৬ সাল)

পৃথিবীর প্রথম সেলস ট্রেনিং কনফারেন্সে ‘ফোর্ড’, ‘বারোস’ (Burroughs) এবং ‘এনসিআর’ এই ৩ প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশ নিয়েছিল। এই কনফারেন্সে পণ্য বিক্রি করার জন্য সেলসম্যানদের “মানসিক সতর্কতা” আছে কিনা, সে বিষয়ে একটা পরীক্ষা দিতে হয়েছিল।

মজার তথ্য: প্রথম কনফারেন্সে এছাড়া একজন ফ্রেনোলজিস্ট (মানুষের মাথার গঠন দেখে যারা চরিত্র বিশ্লেষণ করতেন) ছিলেন, যিনি জোর দিয়েছিলেন সেরা বিক্রয় প্রতিনিধিদের অবশ্যই উঁচু কপাল থাকতে হবে!

১৮. ব্যবসায় মনোবিজ্ঞান বা বিজনেস সাইকোলজি (১৯২৬ সাল)

‘দ্য সাইকোলজি অফ পার্সোনাল সেলিং’ বইটিতে প্রথম মানুষের দমিয়ে রাখা আকাঙ্ক্ষার সাথে ব্যবসা, অর্থাৎ কেনাবেচার সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছিল।

মজার তথ্য: বইটির একটা সঠিক অনুমান ছিল যে, মানুষ যখন কিছু কেনার সিদ্ধান্ত নেয়, তখন তার মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষে পরিবর্তন আসে।

১৯. ফটোকপি মেশিন (১৯৩৮ সাল)

পদার্থবিজ্ঞানী চেস্টার কার্লসন “ছবি ছাপানোর প্রক্রিয়া” আবিষ্কার করার সময় তার হয়তো কোনো ধারণাই ছিল না যে এই উদ্ভাবনের ফলে কোনোদিন বন উজাড় করার মতো কাগজের ব্যবহার হবে।

মজার তথ্য: প্রথম বাণিজ্যিক ফটোকপি মেশিন দিয়ে কাগজ নয়, বরং মাইক্রোফিল্মের ওপর প্রিন্ট করা হয়েছিল।

২০. ই-কমার্স (১৯৭২ সাল)

অনলাইনে প্রথম পণ্য ক্রয়-বিক্রয় হয়েছিল স্ট্যানফোর্ডের ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ল্যাবরেটরি’ এবং ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অফ টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের মধ্যে। তারা এ সময় ব্যবহার করেছিল ‘ARPANET’ নামের একটি নেটওয়ার্ক। এই নেটওয়ার্ককেই বর্তমান ইন্টারনেটের পূর্বসূরী হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

মজার তথ্য: গঞ্জিকা ছিল অনলাইনে বিক্রি হওয়া প্রথম পণ্য।

২১. মোবাইল ফোন (১৯৭৩ সাল)

মোবাইল ফোন আসার আগে আপনি যখন অফিস থেকে বের হতেন, তখন মানসিকভাবেও অফিস থেকে বের হতে পারতেন। অর্থাৎ, মাথায় বা নিজের মোবাইলে কাজের বোঝা নিয়ে ঘরে ফিরতে হতো না তখন। কিন্তু মোবাইল ফোন আবিষ্কারের পর আপনাকে সবাই এখন সব সময় চাইলেই খুঁজে পাচ্ছে। এতে করে ছুটির দিনও হয়তো আর আগের মতো কাটাতে পারছেন না।

মজার তথ্য: যত ডাকাতি হয়, তার এক তৃতীয়াংশ থেকে অর্ধেকের পেছনেই মোবাইল ফোনের ভূমিকা আছে।

২২. সমস্যার সমাধান বিক্রি (১৯৭৫ সাল)

আমেরিকার প্রতিষ্ঠান ‘ওয়াং ল্যাবরেটরি’ সেলস বা বিক্রয় এর ধারণাই বদলে দিয়েছিল। আগে সেলসম্যানরা গ্রাহকদের সামনে তাদের মুখস্থ বুলি আওড়ে তাদেরকে কাগজের নির্দিষ্ট জায়গায় স্বাক্ষর করতে বলত। কিন্তু ওয়াং ল্যাবরেটরি বিক্রয়ের কাজে নতুন সম্ভাবনা আর সুযোগ এনে দেয়। গ্রাহকের চাহিদা এবং প্রয়োজন অনুসারেও যে সমাধান দেয়া যায়, সেই ধারণা তাদের হাত ধরেই শুরু হয়।

মজার তথ্য: সমাধান বিক্রি সংক্রান্ত বিষয়ে অসংখ্য বই এ পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছে।

২৩. আইবিএম পার্সোনাল কম্পিউটার (১৯৮১ সাল)

আইবিএম এর পার্সোনাল কম্পিউটার বাজারে আসার আগে ব্যবসার কাজে ব্যবহার হত মেইনফ্রেম এবং মিনি কম্পিউটার, যেগুলি থাকত ডেটা সেন্টারে। কিন্ত এরপর এক দশকের মধ্যেই প্রায় সব ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ডেস্কে পার্সোনাল কম্পিউটার জায়গা করে নেয়।

মজার তথ্য: পৃথিবীতে এক বিলিয়নেরও বেশি পার্সোনাল কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে এখন।

২৪. সিআরএম—কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট (১৯৯৩ সাল)

বিভিন্ন সফটওয়্যার কোম্পানি কয়েক দশক ধরে চেষ্টা করছিল এমন কিছু তৈরি করার। তবে ১৯৯৩ সালে ‘সেইবেল সিস্টেমস’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান প্রথমবারের মত সেলস টিমের কর্মীদের জন্যে একটি ‘কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ তৈরি করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে ‘সেইবেল’ কোম্পানিটি ‘ওরাকল’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের অংশ।

মজার তথ্য: যেসব প্রতিষ্ঠান ‘সিআরএম সফটওয়্যার’ ব্যবহার করতে চায়, তাদের প্রায় অর্ধেকের বেশিই শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হয়।

২৫. আইপ্যাড (২০১০ সাল)

মাইক্রোসফট সহ অনেক কোম্পানি চেষ্টা করছিল ব্যবহার করার উপযোগী ট্যাবলেট কম্পিউটার তৈরি করতে। তবে শেষ পর্যন্ত প্রথম ট্যাবলেট হিসেবে বাজারে আসে আইপ্যাড, যেটা সত্যিকার অর্থেই ব্যবহার উপযোগী। তাই মানুষের কাছেও এটি খুবই জনপ্রিয় হয়।

মজার তথ্য: অ্যাপল যে পরিমাণ আইপ্যাড তৈরি করে, কোনো কোম্পানি এত পরিমাণ পার্সোনাল কম্পিউটার তৈরি করতে পারে না।

(ছবিতে ফরাসি গণিতবিদ ও পদার্থবিদ ব্লেইস প্যাসকেল এর ১৬৪২ সালে উদ্ভাবিত প্রাথমিক ক্যালকুলেটর যন্ত্র ‘প্যাসকেলাইন’।)

#ব্যবসা #উদ্ভাবন #প্রযুক্তি

26/01/2023

২০০৯ সালে দুইজন ব্রিটিশ লেখক

(i) জোশুয়া গ্লেন
(ii) রব ওয়াকার

“ দি সিগনিফিকেন্ট অবজেক্ট ” নামে একটি সামাজিক গবেষণা করেন। তারা দুজন EBAY নামক একটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান থেকে প্রায় গড় এক ডলার মূল্যে ২০০ টা অপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনেছিলেন।

তারপর তারা ২০০ জন সৃজনশীল লেখককে খুঁজে বের করেছিল এবং তাদেরকে বলেছিল এই ২০০ টি পণ্যের জন্য আলাদা আলাদা গল্প তৈরি করতে।

বেশ কিছুদিন যাবত পরিশ্রম করার পর যখন সেই ২০০ টি পণ্যের জন্য গল্পগুলো তৈরি হয়ে গিয়েছিল, তখন সেই লেখক দুইজন আবার এই একই পণ্যগুলো নতুন গল্পের মাধ্যমে একই ই-কমার্স প্রতিষ্টানে বিক্রি করা শুরু করল।

তারপর অবাক করে দেওয়ার মত ঘটনা ঘটলো….

তারা ১২৯ ডলার খরচ করে পণ্যগুলো কিনেছিল কিন্তু কিছুদিন পর সমস্ত পণ্য ৮০০০ ডলারে বিক্রি হয়ে গেল অর্থাৎ বলতে গেলে ৬০০০% রিটার্ন।

পুরো ঘটনা থেকে শিক্ষণীয় বিষয় হল ✍️

“ উপরে যা ঘটেছিল তা হয়েছিল মাত্র স্টোরি টেলিং নামক একটি দক্ষতার কারণে ” আবার একই ঘটনা ঘটেছিল apple এর প্রতিষ্ঠাতা স্টিভস জবের সাথে।

যখন তাকে তাঁর প্রতিষ্ঠান থেকে বের করে দেওয়া হয়েছিল, তখন তিনি পিকসার অ্যানিমেশন নামে একটি প্রতিষ্ঠান শুরু করেছিল সেখান থেকে তিনি স্টোরি টেলিংয়ের শক্তিকে বুঝতে পেরেছিলেন।

এবং পরবর্তীতে তিনি আবার তার তৈরি করা প্রতিষ্ঠানে যুক্ত হলেন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে এবং একটি পর একটি নতুন পণ্য বাজারে নিয়ে আসলেন এবং তার কোম্পানিকে পুরো পৃথিবীর এক নাম্বার কোম্পানিতে রূপান্তর করেছিলেন। আমরা সবাই জানি সেই কোম্পানির গল্প, যাদের বিখ্যাত পণ্যগুলো হল”

(i) আইপড
(ii) আইফোন
(iii) আইওএস
(iv) অ্যাপল কম্পিউটার

দেখেন বস “ এই পৃথিবীর প্রত্যেকটা বিলিয়নিয়ার একেক জন করে সর্বোচ্চ সেরা স্টোরি টেলার।

নতুন করে এলসি করতে না পারায় জাপান থেকে আমদানীকৃত গাড়ির স্টক শেষ হয়ে আসছে!!!😞বেশিরভাগ আমদানিকারক নতুন করে এলসি দিতে না...
25/01/2023

নতুন করে এলসি করতে না পারায় জাপান থেকে আমদানীকৃত গাড়ির স্টক শেষ হয়ে আসছে!!!😞

বেশিরভাগ আমদানিকারক নতুন করে এলসি দিতে না পারায় মোংলা পোর্টে আমদানিকৃত গাড়ি প্রায় শেষ হয়ে আসছে। বর্তমানে ৯৪৬টি গাড়ি বন্দরের বিভিন্ন শেডে রক্ষিত রয়েছে{(৯৪৬ টির মধ্যে মামলা ও বিভিন্ন জটিলতায় আটকে আছে ২৫০~৩০০) ডেলিভারী যোগ্য গাড়ী ৬৫০টি} ধারনা করা হচ্ছে আমদানীকারকরা প্রতিদিন গড়ে ৪০~৫০টি গাড়ি খালাশ করে নিলে ৮~১০ দিন পর আর কোন গাড়ি মোংলা বন্দরে থাকবে না। এই নিয়ে উৎকন্ঠার মধ্যে রয়েছে সংশিষ্ট ব্যবসার সাথে জড়িতরা।
- Collected

25/01/2023

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকছে ১৮ কোম্পানির শেয়ারে

শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ১৮টি কোম্পানির শেয়ারে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা। এই ১৮টি কোম্পানির বেশির ভাগেরই শেয়ারদর আটকে আছে ফ্লোর প্রাইসে। তবুও নভেম্বরের তুলোনায় ডিসেম্বর মাসে এই ১৮টি কোম্পানিতেক বেড়েছে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের ঝুঁক। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) তথ্য বিশ্লেষণ করে এ তথ্য জানা গেছে।

আমারস্টক সূত্র বলছে এই ১৮টি কোম্পানির প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১ শতাংশের বেশি।এর মধ্যে কোম্পানিগুলোর সর্বোচ্চ ৫.৭৮ শতাংশ থেকে সর্বনিম্ন ১.০২ শতাংশ পর্যন্ত প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে।

প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আগ্রহের শীর্ষে থাকা এই ১৮টি কোম্পানির মধ্যে রয়েছে আনোয়ার গ্যালভানাইজিং, বেঙ্গল উইনসোর, বেক্সিমকো লিমিটেড, বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, বেক্সিমকো ফার্মা, সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল, জেমিনী সী ফুড, এইচ আর টেক্সটাইল, ইন্ট্রাকো সিএনজি, ন্যাশনাল টি, ওরিয়ন ইনফিউশন, প্রগতি ইন্স্যুরেন্স, পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স, রেনাটা, সালভো কেমিক্যাল, সাউথবাংলা এগ্রিকাচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক, সিনোবাংলা এবং ওয়েস্টার্ন মেরিন শিফেয়ার্ড লিমিটেড।

ন্যাশনাল টি: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৮.৯৭ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ১৪.৭৫ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ৫.৭৮ শতাংশ।

সাউথবাংলা এগ্রিকাচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৯.৮২ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ১৪.৭৮ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ৪.৯৬ শতাংশ।

প্রগতি ইন্স্যুরেন্স: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৯.৬৭ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ২৪.৩৫ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ৪.৬৮ শতাংশ।

ওরিয়ন ইনফিউশন: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৫.১০ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ৯.৫২ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ৪.৪২ শতাংশ।

জেমিনী সী ফুড: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৪.৬২ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ৮.২১ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ৩.৫৯ শতাংশ।

বাংলাদেশ জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৩৫.৭৫ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ৩৮.৩৯ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ২.৬৪ শতাংশ।

আনোয়ার গ্যালভানাইজিং: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৩.১৪ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ২৫.৬২ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ২.৪৮ শতাংশ।

বেঙ্গল উইনসোর: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৭.৩৯ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ২৯.৮৫ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ২.৪৬ শতাংশ।

ইন্ট্রাকো সিএনজি: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২০.৯০ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ২৩.০৭ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ২.১৭ শতাংশ।

ওয়েস্টার্ন মেরিন শিফেয়ার্ড: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৬.১৪ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ১৮.২০ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ২.০৬ শতাংশ।

সিনোবাংলা: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৫.২০ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ৬.৮৬ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১.৬৬ শতাংশ।

বেক্সিমকো লিমিটেড: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৯.৮৮ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ৩১.৩৫ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১.৪৭ শতাংশ।

এইচ আর টেক্সটাইল: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৫.৮৮ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ৭.৩১ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১.৪৩ শতাংশ।

রেনাটা: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৯.২৯ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ২০.৬৫ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১.৩৬ শতাংশ।

সালভো কেমিক্যাল: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ৮.৭৩ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ৯.৯৮ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১.২৫ শতাংশ।

সি অ্যান্ড এ টেক্সটাইল: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ১৪.৪৯ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ১৫.৬৭ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১.১৮ শতাংশ।

বেক্সিমকো ফার্মা: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২২.১৩ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ২৩.২০ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১.০৭ শতাংশ।

পূরবী জেনারেল ইন্স্যুরেন্স: নভেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ ছিল ২৪.৫৪ শতাংশ। ডিসেম্বর মাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়ে অবস্থান করছে ২৫.৫৬ শতাংশে। অর্থাৎ একমাসে কোম্পানিটিতে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগ বেড়েছে ১.০২ শতাংশ।

সোর্স: শেয়ারনিউজ২৪.কম, ২৪ জানুয়ারি ২০২৩

Address

Feni
Rajshahi Division
3900

Telephone

8801842994040

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rahaman International Industries posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share