Al Shakuruu Enterprise

Al Shakuruu Enterprise Helping Service

24/01/2026

আমরা ভালো কোয়ালিটির পাথর সাপ্লাই দিয়ে থাকি, সারা দেশে।

আপনার প্রয়োজন মতো জেনে নিন ইন্ডিয়ান ভিসার ধরনঃ🗣️ট্যুরিস্ট ভিসাভারত ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশী নাগরিকরা আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান...
13/08/2021

আপনার প্রয়োজন মতো জেনে নিন ইন্ডিয়ান ভিসার ধরনঃ
🗣️ট্যুরিস্ট ভিসা
ভারত ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশী নাগরিকরা আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব অথবা সন্তানদের সঙ্গে সাক্ষাতের উদ্দেশ্যে; বেড়ানো, তীর্থযাত্রা বা অন্য যে-কোন উদ্দেশ্যে।
🗣️ট্রানজিট ভিসা
বাংলাদেশী নাগরিকরা ভারতের ওপর দিয়ে সড়ক, নৌ বা বিমানপথে যাতায়াতে ইচ্ছুক। বিমানবন্দর/সমুদ্রবন্দর দিয়ে সরাসরি যাতায়াতের জন্য কোন ভিসার প্রয়োজন নেই,
🗣️ডাবল এন্ট্রি ভিসা/ট্রানজিট ভিসা
বাংলাদেশী নাগরিকরা ভারতের ওপর দিয়ে বিমান/ রেল/সড়ক/সমুদ্রপথে তৃতীয় কোন দেশে ভ্রমণেচ্ছু তাৎক্ষণিক বিমান/রেল/সড়ক/সমুদ্রপথের নিশ্চিত টিকেট প্রদর্শন করতে হবে।
🗣️বিজনেস ভিসা
যথাযথ কর্তৃপক্ষের রেজিস্ট্রিকৃত বা স্পন্সরকৃত বাংলাদেশের প্রকৃত ব্যবসায়ী/বিনিয়োগকারী; বিজনেস ভিসাধারীর স্ত্রী/স্বামী, শিশু সন্তান ও পিতা-মাতা এন্ট্রি (x) ভিসার আবেদন করার যোগ্য।
🗣️স্টুডেন্ট ভিসা
বাংলাদেশী ছাত্র যারা সরকারি, সরকার-অনুমোদিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, স্কুলে ভর্তি হয়েছেন।
🗣️এমপ্লয়মেন্ট ভিসা
ভারত সরকারের নিয়োগকৃত বাংলাদেশী পেশাজীবী; উভয় দেশের খ্যাতনামা সংস্থায় নিয়মিত এসাইনমেন্টপ্রাপ্ত ভারত ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশী পেশাজীবী; এ ধরনের ভিসা আবেদনকারীর স্ত্রী/স্বামী, শিশু সন্তান ও পিতা-মাতা এন্ট্রি ভিসার আবেদন করার যোগ।
🗣️মেডিক্যাল ভিসা
স্বীকৃত ডাক্তার/ক্লিনিক/হাসপাতালের অগ্রিম অ্যাপয়েন্টমেন্টসহ বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য ভারত ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশী নাগরিক।
🗣️মেডিক্যাল এটেন্ডেন্ট
মেডিক্যাল রেকর্ডে রোগ নির্ণয় ও বিশেষায়িত চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তার কথা সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ থাকতে হবে;আবেদনকারী/রোগীর নিকটতম পারিবারিক সদস্যরা মেডিক্যাল এটেন্ডেন্ট ভিসা পাবার যোগ্য।
🗣️জার্নালিস্ট ভিসা
খ্যাতিমান মুদ্রণ ও বৈদ্যুতিক মাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক/অন্যান্য প্রতিনিধিরা; ভ্রমণেচ্ছু সাংবাদিক/প্রতিনিধিরা জার্নালিস্ট ভিসা পাবার যোগ্য
🗣️রিসার্চ ভিসা
ভারতে চাকরি/ফেলোশিপ প্রাপ্ত অথবা আর্কাইভ ও লাইব্রেরিতে বিশেষ গবেষণার জন্য বাংলাদেশী শিক্ষা/প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রিসার্চ স্কলার/ফেলোবৃন্দ
🗣️এন্ট্রি ভিসা
বাংলাদেশী নাগরিক ভারতীয় নাগরিক বা তাদের সন্তানদের বিয়ে করেছেন; ভারতের বিখ্যাত প্রতিষ্ঠানে অলাভজনক/অবাণিজ্যিক পারফরম্যান্সের জন্য ভারত ভ্রমণেচ্ছু শিল্পী/সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব/শিক্ষাবিদ/পেশাজীবী; বিজনেস, স্টুডেন্ট ও এমপ্লয়মেন্ট ভিসাধারীদের স্ত্রী/স্বামী, সন্তান ও পিতা-মাতা
🗣️কনফারেন্স ভিসা
ভারতে অনুষ্ঠেয় সম্মেলন, সেমিনার বা কর্মশালায় যোগদানের জন্য ভ্রমণেচ্ছু বাংলাদেশী নাগরিক।
Thank you stay safe & stay with us

15/01/2021

এই করোনা পরিস্থিতিতে,
বর্ডার বন্ধ থাকার কারনে, অনেকে ভারতে যেতে পারছেননা এবং অনেকের ঔষধও শেষ হয়ে গেছে।
ঔষধ শেষ হওয়ায় কারনে বিরম্বনার শিকার হতে হচ্ছে।
এই বিরম্বনার হাত থেকে বাচার জন্য আমাদের প্রতিষ্ঠান ভারত থেকে প্রস্ক্রিপসন অনুযায়ী ঔষধ এনে দিচ্ছে।

ভারতীয় ঔষধ আনার জন্য যোগাযোগ করুন- ০১৭৬৬-২০২৯৩৯

10/10/2020

আজকের তারিখ টা মনে রাখার মতো ১০১০২০২০

৮২০ বছরের দুর্গ এখন পাঁচতারকা হোটেলঅ্যাসফোর্ড মধ্যযুগীয় ও ভিক্টোরিয়ান দুর্গ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে ৮২০ বছর ধরে। কালের বিবর্ত...
09/10/2020

৮২০ বছরের দুর্গ এখন পাঁচতারকা হোটেল

অ্যাসফোর্ড মধ্যযুগীয় ও ভিক্টোরিয়ান দুর্গ হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে ৮২০ বছর ধরে। কালের বিবর্তনে এটি এখন পাঁচতারকা হোটেল। ঐতিহ্যবাহী এ দুর্গ করোনার কারণে বন্ধ।
দ্বাদশ শতাব্দীতে এংলো নরম্যান ও ডি বার্গো পরিবার এ দুর্গ নির্মাণ করে। এর প্রায় ৫১৫ বছর পরে ১৭১৫ সালে ওরানমোর ও ব্রাউন পরিবার পুরো অ্যাসফোর্ড এস্টেট প্রতিষ্ঠা করে। ঠিক তখন থেকেই পর্যটকদের কাছে আকর্ষণীয় ঐতিহাসিক এই স্থানটি।

২৬ হাজার একরের এ এস্টেটটিতে অবকাশযাপনে এসেছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান। এখানে এসে বিয়েও করেছেন অনেক নামিদামি তারকা।

করোনার কারণে দর্শনার্থীরা দুর্গে প্রবেশ না করতে পারলেও, ক্যাসেলটির পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া লক করিব হ্রদে বোটে করে ঘুরে এর সৌন্দর্য উপভোগ করতে পারছেন ভ্রমণপিপাসুরা।

হলিউডের পর্দা কাঁপানো নায়ক জেমস বন্ড ও বিখ্যাত খেলোয়াড় ররি ম্যাকরয় বিয়ে করেছেন এই অ্যাসফোর্ড ক্যাসেলে এসে। এখানে ভ্রমণ করেছেন রোনাল্ড রিগ্যানও। বিশ্বের যে কয়টি দর্শনীয় স্থান রয়েছে অ্যাসফোর্ড ক্যাসল এর অন্যতম।

দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে ষাটগম্বুজ মসজিদেকরোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ৬ মাস পর খুলে দেয়া হয়েছে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ। এ...
09/10/2020

দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়ছে ষাটগম্বুজ মসজিদে

করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ৬ মাস পর খুলে দেয়া হয়েছে বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ। এতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা দর্শনার্থীরা উপভোগ করছেন ষাটগম্বুজ মসজিদের স্থাপত্যশৈলী। তবে থাকা এবং খাওয়ার জন্য মানসম্মত হোটেল-রেস্তোঁরা না থাকায় ভোগান্তিতে পড়া দূর থেকে আসা দর্শনার্থীরা এসব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
দেশে বিশ্ব ঐতিহ্যের তালিকাভুক্ত বাংলাদেশের তিনটি দর্শনীয় স্থানের মধ্যে দু'টিই বাগেরহাট জেলায়। একটি বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ ফরেস্ট সুন্দরবন এবং প্রায় সাড়ে ৬'শ বছর আগে নির্মিত ষাটগম্বুজ মসজিদ। করোনা পরিস্থিতিতে দীর্ঘ ছয় মাস বন্ধ ছিল ষাটগম্বুজ মসজিদ। এখনও দর্শনীর্থীদের বন্ধই রয়েছে সুন্দরবন।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর দর্শনার্থীদের জন্য মসজিদটি খুলে দেয়া হয়। এরপর থেকে প্রতিদিনই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন মসজিদ এলাকায়। তাদের অভিযোগ, পর্যটন এলাকা হিসেবে হোটেল-মোটেল, রেস্তোঁরা, অন্যান্য অবকাঠামো গড়ে না ওঠায় পড়তে হয় নানা বিড়ম্বনায়।

দর্শনার্থীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কাজ করছে বলে জানান বাগেরহাট টুরিস্ট পুলিশের উপ-পরিদর্শক আল মামুন। আর বাগেরহাটকে বিশ্ব ঐতিহ্যের দু'টি স্থাপনার অপূর্ব মেলবন্ধন হিসেবে তুলে ধরেন বাগেরহাট প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাস্টোডিয়ান গোলাম ফেরদাউস।
দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়ার পর থেকে দশদিনে সাড়ে ৬ হাজার দর্শণার্থী এসেছেন ষাটগম্বুজ মসজিদে।

ষাট গম্বুজ মসজিদ:
বাংলাদেশের বাগেরহাট জেলার দক্ষিণ-পশ্চিমে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। মসজিদটির গায়ে কোনো শিলালিপি নেই। তাই এটি কে নির্মাণ করেছিলেন বা কোন সময়ে নির্মাণ করা হয়েছিল সে সম্বন্ধে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায় না। তবে মসজিদটির স্থাপত্যশৈলী দেখলে এটি যে খান জাহান আলী নির্মাণ করেছিলেন সে সম্বন্ধে কোনো সন্দেহ থাকে না। ধারণা করা হয়, তিনি ১৫শ' শতাব্দীতে এটি নির্মাণ করেন। এ মসজিদটি বহু বছর ধরে ও বহু অর্থ খরচ করে নির্মাণ করা হয়েছিল। পাথরগুলো আনা হয়েছিল রাজমহল থেকে। এটি বাংলাদেশের তিনটি বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের একটি; এই মসজিদটির জন্য বাগেরহাট শহরটিকেই বিশ্ব ঐতিহ্যবাহী স্থানের মর্যাদা দেয়া হয়েছে। ১৯৮৫ খ্রিষ্টাব্দে ইউনেস্কো এই সম্মান দেয়।

মসজিদটি উত্তর-দক্ষিণে বাইরের দিকে প্রায় ১৬০ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ১৪৩ ফুট লম্বা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বাইরের দিকে প্রায় ১০৪ ফুট ও ভিতরের দিকে প্রায় ৮৮ ফুট চওড়া। দেয়ালগুলো প্রায় ৮ দশমিক ৫ ফুট পুরু। ষাট গম্বুজ মসজিদে গম্বুজের সংখ্যা মোট ৮১টি, সাত লাইনে ১১টি করে ৭৭টি এবং চার কোনায় ৪টি মোট ৮১টি।

গম্বুজগুলোর নকশা গোলাকার এবং উপরের দিকে সরু হয়ে গেছে। গম্বুজের কার্ণিশের কাছে বলয়াকার ব্যান্ড ও চূঁড়ায় গোলাকার গম্বুজ আছে। মিনারগুলোর উচ্চতা, ছাদের কার্নিশের চেয়ে বেশি। সামনের দু'টি মিনারে প্যাঁচানো সিঁড়ি আছে এবং এখান থেকে আজান দেবার ব্যবস্থা ছিল। এদের একটির নাম রওশন কোঠা, অপরটির নাম আন্ধার কোঠা। মসজিদের ভেতরে ৬০টি স্তম্ভ বা পিলার আছে। এগুলো উত্তর থেকে দক্ষিণে ৬ সারিতে অবস্থিত এবং প্রত্যেক সারিতে ১০টি করে স্তম্ভ আছে। প্রতিটি স্তম্ভই পাথর কেটে বানানো, শুধু ৫টি স্তম্ভ বাইরে থেকে ইট দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। এই ৬০টি স্তম্ভ ও চারপাশের দেয়ালের ওপর তৈরি করা হয়েছে গম্বুজ। মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ (৬০ গম্বুজ) মসজিদ হলেও এখানে গম্বুজ মোটেও ৬০টি নয়। ৭৭টি গম্বুজের মধ্যে ৭০টির উপরিভাগ গোলাকার এবং পূর্ব দেয়ালের মাঝের দরজা ও পশ্চিম দেয়ালের মাঝের মিহরাবের মধ্যবর্তী সারিতে যে সাতটি গম্বুজ সেগুলো দেখতে অনেকটা বাংলাদেশের চৌচালা ঘরের চালের মতো। মিনারে গম্বুজের সংখ্যা ৪টি; এ হিসেবে গম্বুজের সংখ্যা দাঁড়ায় মোট ৮১তে। তবুও এর নাম হয়েছে ষাটগম্বুজ।

ঐতিহাসিকরা মনে করেন, সাতটি সারিবদ্ধ গম্বুজ সারি আছে বলে এ মসজিদের নাম সাত গম্বুজ এবং তা থেকে ষাটগম্বুজ নাম হয়েছে। আবার অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন, গম্বুজগুলো ৬০টি প্রস্তরনির্মিত স্তম্ভের ওপর অবস্থিত বলেই নাম ষাটগম্বুজ হয়েছে।

মসজিদের ভেতরে পশ্চিম দেয়ালে ১০টি মিহরাব আছে। মাঝের মিহরাবটি আকারে বড় এবং কারুকার্যমণ্ডিত। এ মিহরাবের দক্ষিণে ৫টি ও উত্তরে ৪টি মিহরাব আছে। শুধু মাঝের মিহরাবের ঠিক পরের জায়গাটিতে উত্তর পাশে যেখানে ১টি মিহরাব থাকার কথা সেখানে আছে ১টি ছোট দরজা।

কারো কারো মতে, খান-ই-জাহান এই মসজিদটিকে নামাজের কাজ ছাড়াও দরবার ঘর হিসেবে ব্যবহার করতেন, আর এই দরজাটি ছিল দরবার ঘরের প্রবেশ পথ। আবার কেউ কেউ বলেন, মসজিদটি মাদরাসা হিসেবেও ব্যবহৃত হত। ইমাম সাহেবের বসার জায়গা হিসেবে রয়েছে মিম্বার।

পাসপোর্ট-টিকিট ছাড়াই ঘুরে আসুন বিশ্ব!ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি গগলস। এ গগলসের মাধ্যমে বি...
09/10/2020

পাসপোর্ট-টিকিট ছাড়াই ঘুরে আসুন বিশ্ব!

ভ্রমণপিপাসুদের জন্য সুখবর নিয়ে এসেছে ভার্চুয়াল রিয়্যালিটি গগলস। এ গগলসের মাধ্যমে বিনামূল্যে ঘরে বসেই পৃথিবী ঘুরে আসার এক দারুণ সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে। একটা ভিআর হেডসেট থাকলেই এখন ঘরে বসে ঘুরে আসতে পারবেন সারা পৃথিবী। দেখে নেওয়া যাক, ভিআর হেডসেটের সাহায্যে সেরা কোনো কোনো জায়গা ঘুরতে পারবেন।

মাউন্ট এভারেস্ট
এবার অক্সিজেন সিলিন্ডার পিঠে না নিয়েই আপনি যেতে পারবেন ৮.৮৪৮ মিটার উচ্চতার মাউন্ট এভারেস্টে। সোফার স্টুডিওর বানানো এ ভিআর ট্র্যাভেলের মাধ্যমে আপনি ৫টি গুরুত্বপূর্ণ ধাপে মাউন্ট এভারেস্ট চড়তে পারবেন। যাত্রা শুরু হবে বেসক্যাম্প থেকে। একে একে খুম্বু আইসফলস, লোতসে ফলস, হিলারি স্টেপ পেরিয়ে সব শেষে পৌঁছে যাবেন মাউন্ট এভারেস্টের মাথায়। পাহাড়ের ভ্যানটেজ পয়েন্টে ওঠার সময় গড মোড চালু করে দিতে ভুলবেন না যা এই ভিআরে সম্ভব।

এস্কেপ নাও: দ্য আইকনস
পুরস্কারপ্রাপ্ত ভিআর ফিল্মমেকার তারিক মহম্মদের বানানো এই ‘এস্কেপ নাও: দ্য আইকনস’ সব থেকে বেশি দেখা ভিআর ট্র্যাভেল সিরিজ। ৬ মিলিয়নের ভিউ এ সিরিজ এখন পর্যন্ত পেয়েছে। সব বড় ভিআর প্ল্যাটফর্মে এ ৭টি এপিসোডের সিরিজ পাওয়া যায়। এ সিরিজে আপনার মিলবে ইজিপ্টের পিরামিড, ইতালির ফ্লোরেন্স এবং রোম, লন্ডন, ওয়াশিংটন ডিসি, নিউ ইয়র্ক সিটি এবং ব্রুকলিন ঘোরার অভিজ্ঞতা।

রোম রি-বর্ন
দু’ঘণ্টার মধ্যে আপনি প্রাচীন রোম ঘুরে নিতে পারবেন। মান্দারিয়ান, ইংরেজি এবং ইতালিয়ান ভাষায় প্রাপ্ত ২ ঘণ্টার এই জার্নিতে আপনাকে এয়ার বেলুনে করে গোটা প্রাচীন রোম ঘুরে দেখানো হবে। বর্তমানে যার অধিকাংশর কোনও অস্তিত্বই নেই। এয়ার বেলুনে করে আপনি থিয়েটার ডিস্ট্রিক্ট, ইম্পেরিয়্যাল প্যালেস, কলোসিয়াম, সার্কাস ম্যাক্সিমাস-এর মতন আরও বেশ কিছু জায়গা ঘুরে নিতে পারবেন।

অ্যান্টার্কটিক ওশান
বিস্তৃত সমুদ্র, সঙ্গে মাইলের পর মাইল বরফ। জলের তলায় ডুব দিলেই বিভিন্ন মেরু প্রদেশের জলজ প্রাণী। এই ভিআর ট্র্যাভেলের মাধ্যমে অ্যান্টার্কটিকার জলের নিচে ঘুরে আসা যাবে। মূলত বাচ্চাদের দেখানোর জন্য এটি বানানো হয়েছে।

মাস্টারওয়ার্কস: জার্নি থ্রু হিস্ট্রি
ফারব্রিজের দ্বারা বানানো এই ফ্রি ট্র্যাভেল এক্সপেরিয়েন্স দর্শককে তিনটি মহাদেশ দেখিয়ে আনবে, সঙ্গে ৩০০০ বছরের মানব ইতিহাস সম্বন্ধে জানান দেবে। প্রাচীন থাইল্যান্ড দেখানোর পাশাপাশি এই ভিআর ইনকা মন্দিরের রহস্যও উদ্ঘাটন করাবে আপনার চোখের সামনে।

জুরাসিক ওয়ার্ল্ড
ফেলিক্স এন্ড পল স্টুডিওর বানানো এই ভিআর-এ আপনি ডাইনোসোরদের যুগে চলে যেতে পারবেন। এই ভিআরের মাধ্যমে আপনি একদম সামনে থেকে ডাইনোসরদের দেখতে পারবেন। ডাইনোসরদের জগৎ থেকে মুছে যাওয়ারও সাক্ষী থাকবেন আপনি এই ভিআরের মাধ্যমে।

অবশেষে খুলছে নেপালের পর্যটনের দুয়ারঅবশেষে বিদেশি পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিচ্ছে নেপাল। মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে ...
09/10/2020

অবশেষে খুলছে নেপালের পর্যটনের দুয়ার

অবশেষে বিদেশি পর্যটকদের জন্য সীমান্ত খুলে দিচ্ছে নেপাল। মহামারি করোনা ভাইরাসের কারণে প্রায় ছয় মাস বন্ধ থাকার পর নেপাল সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তবে শুরুতেই চাইলেই যে কেউ এখন নেপালে যেতে পারবেন না। বিদেশি পর্যটকদের নেপাল ভ্রমণের জন্য অবশ্যই করোনা নেগেটিভ সার্টিফিকেট সঙ্গে নিতে হবে। পরীক্ষা করাতে হবে নেপালের উদ্দেশে যাত্রার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে।
কোভিড-১৯ ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট কমিটির সুপারিশ পর্যালোচনা করে দেশটির মন্ত্রিসভা এসব সিদ্ধান্ত নেয়।
করোনার কারণে বন্ধ করে দেয়ার প্রায় ছয় মাস পর ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট চালু করার অনুমতি দেয়া হয়েছিল। অনুমতি দেয়া হয়েছে এক শহর থেকে অন্য শহরে বাস চলাচল, হোটেল এবং রেস্তোরাঁগুলোও খুলে দেয়ার।
ট্রেকিং ও পর্বতারোহী গ্রুপ বিদেশি ক্লায়েন্টদের পর্বতারোহণে নিয়ে যেতে পারবে ১৭ অক্টোবর থেকে। বিদেশি পর্যটকদের নেপালে যাওয়ার অনুমতি দেয়ার এ সিদ্ধান্ত ব্যবসায়ীদের জন্য নিশ্চিতভাবে সুখবর।

পর্যটক আসতে শুরু করেছে রাঙামাটিতেপ্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে পর্যটক আসতে শুরু করেছেন রাঙামাটিতে। হ্রদ, পাহাড় ও ঝরনার অপূর্ব ...
09/10/2020

পর্যটক আসতে শুরু করেছে রাঙামাটিতে

প্রকৃতির সৌন্দর্য দেখতে পর্যটক আসতে শুরু করেছেন রাঙামাটিতে। হ্রদ, পাহাড় ও ঝরনার অপূর্ব মিতালি প্রকৃতির রানী এ জায়গাটি। এসব মায়াবী সৌন্দর্য দেখতে প্রতিবছরই জেলায় বাড়ছে পর্যটকের আনাগোনা।
ঝরনা ধারার মতোই অসীম সৌন্দর্য উপকরণে প্রকৃতি অপরূপ সাজে সাজিয়েছে রাঙামাটিকে। শুধু প্রাকৃতিক উপকরণই নয় ১৯৬০ সালে তৈরি হওয়া কাপ্তাই হ্রদও আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে গেছে। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে প্রকৃতির এই রূপ দেখতে প্রতি বছর দেশি-বিদেশি মিলিয়ে কমপক্ষে ৫ লাখ দর্শনার্থী আসেন।

আঁকাবাঁকা পথ থেকে ঝুলন্ত সেতু। লোকালয় কিংবা বিস্তীর্ণ পাহাড়ি সবুজ। পরতে পরতে ছড়িয়ে থাকা অপার সৌন্দর্য সববয়সী মানুষকে কাছে টানে। তাই করোনা ভীতিকে উপেক্ষা করে লোকজনের আনাগোনা বাড়ছে। অচিরেই জমজমাট হবে পর্যটনকেন্দ্রটি।
আমাদের প্রকৃতি এখন নতুন রূপে সেজেছে। পর্যটকও আসতে শুরু করেছে। হোটেল-মোটেলও খুলেছে। অন্য সময়ের থেকে ৪০ শতাংশ পর্যটক আসছে।
বিভিন্ন ঋতুতে ভিন্ন ভিন্ন আমেজে প্রকৃতি যেন নিজেকে সাজায়। এখন শরতের রূপলাবণ্য দেখতে আমন্ত্রণ জানান। প্রতিদিন হাজারো পর্যটকের মনে স্বস্তির আভা ছড়িয়ে যে সূর্য অস্তাচলে ডুব দেয়, পরের সকালে সে যেন ফিরে আসে আরও বেশি শোভা নিয়ে ।

পর্যটনের নতুন মাত্রা, কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল শুরুশুধু টেকনাফ নয়, বর্তমানে কক্সবাজার থেকেও বঙ্গোপসাগর পাড়ি দি...
09/10/2020

পর্যটনের নতুন মাত্রা, কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন জাহাজ চলাচল শুরু

শুধু টেকনাফ নয়, বর্তমানে কক্সবাজার থেকেও বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন যান পর্যটকরা। প্রতিদিন যাওয়া-আসায় ১৯০ কিলোমিটার পাড়ি দিতে হয় জাহাজে। রোমাঞ্চকর এই সমুদ্র ভ্রমণ বেশ উপভোগ করেন পর্যটকরা। যা কক্সবাজারের পর্যটনে যোগ করেছে নতুন মাত্রা।
সকাল না হতেই জাহাজ ঘাটে দেখা যায় মানুষের দীর্ঘলাইন। সবাই ছুটেন কে কার আগে জাহাজে উঠবেন। এরপর শুরু হয় কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটকবাহী জাহাজে সমুদ্র ভ্রমণের রোমাঞ্চকর যাত্রা।

পর্যটন মৌসুম শুরু না হতেই, টেকনাফ নয়, এবার কক্সবাজার থেকেই বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে সরাসরি প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনে ভ্রমণে যাচ্ছেন পর্যটকরা।

আগে সড়কপথে যাত্রীদের কক্সবাজার থেকে টেকনাফ গিয়ে সেখান থেকে সেন্টমার্টিনের জাহাজে উঠতে হতো। কক্সবাজার থেকে সরাসরি এই জাহাজ চালু হওয়ায় সড়ক পথে ভ্রমণের ঝক্কি ও সময় দুটোই কমবে। তাই দারুণ খুশি পর্যটকরা।
পর্যটকদের কথা চিন্তা করে কক্সবাজার থেকে সরাসরি সেন্টমার্টিন যাওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে বলে জানালেন জাহাজ কর্তৃপক্ষ।

কর্ণফুলী এক্সপ্রেস'র ইনচার্জ ফজলে আলী মোহাম্মদ খুরশীদ জানান, তারা আরেকটি জাহাজ সংগ্রহ করেছেন। খুব শিগগিরই সেটাও চালু হবে বলে আশা করছেন।

কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন জানান, অনুমতি সাপেক্ষে কক্সবাজার-সেন্টমার্টিন নৌরুটে একটি মাত্র পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করছে। তবে, বিআইডব্লিউটিএ-সহ নৌ-পরিবহন সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সংস্থার অনুমোদন ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ছোট ছোট জাহাজ চলাচলেরও অনুমোদন দেয়া হবে।

বর্তমানে কক্সবাজার থেকে সেন্টমার্টিনে চলাচলকারী জাহাজটিতে যাত্রা করতে পর্যটকদের গুনতে হবে সর্বনিম্ন ২ হাজার ও সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা। কক্সবাজার বিআইডব্লিউটিএ ঘাট থেকে প্রতিদিন সকাল ৭টায় সেন্টমার্টিনের উদ্দেশ্যে জাহাজটি ছেড়ে যায়।

বন্ধের পর আবারো খুলেছে পর্যটকমুখর মহাস্থানগড়করোনার কারণে প্রায় ছয় মাস বন্ধের পর আবারো পর্যটক মুখর হয়ে উঠছে প্রাচীন সভ্যত...
09/10/2020

বন্ধের পর আবারো খুলেছে পর্যটকমুখর মহাস্থানগড়

করোনার কারণে প্রায় ছয় মাস বন্ধের পর আবারো পর্যটক মুখর হয়ে উঠছে প্রাচীন সভ্যতার নগরী বগুড়ার মহাস্থানগড়। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসছে দর্শনার্থী।
প্রায় আড়াই হাজারের পুরনো সভ্যতার নগরী পুন্ড্রবর্ধন। কয়েক শতাব্দি পর্যন্ত এই স্থানটি ছিল মৌর্য,গুপ্ত,পাল ও সেন রাজাদের প্রাদেশিক রাজধানী। পরে হিন্দু সামন্ত রাজাদের রাজধানী ছিল। প্রতিদিনই এই প্রাচীন সভ্যতার নির্দশন দেখতে দেশি বিদেশিরা ভিড় জমাতো।

কিন্তু করোনার কারণে দীর্ঘদিন বন্ধের পর আবারো পর্যটক মুখর হচ্ছে। দীর্ঘদিন পর আসতে পেরে খুশী দর্শনার্থীরা।
শিগগিরই আগের মত দেশি-বিদেশি পর্যটকে মুখর হয়ে উঠবে মহাস্থানগড়।

যেসব ক্যাটাগরিতে পুনরায় ভিসা চালু করলো ভারতঅনলাইন ভিসা সার্ভিস চালু করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। তবে এখনই দেয়া হচ্ছে না পর্যটক...
09/10/2020

যেসব ক্যাটাগরিতে পুনরায় ভিসা চালু করলো ভারত

অনলাইন ভিসা সার্ভিস চালু করেছে ভারতীয় হাইকমিশন। তবে এখনই দেয়া হচ্ছে না পর্যটক ভিসা। শুক্রবার ইন্ডিয়া ভিসার অনলাইন পোর্টালে এ তথ্য জানানো হয়।
ভিসা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে কয়েকটি নির্দিষ্ট ক্যাটাগরিতে ভিসা পাওয়া যাবে। তবে দ্রুতই পর্যটকসহ অন্যান্য ক্যাটাগরিতেও ভিসা চালু করার কথাও জানিয়েছে হাইকমিশন। যেসব ক্যাটাগরিতে ভিসা পাওয়া যাবে সেগুলো হলো- মেডিকেল, ব্যাবসা, চাকরী, সাধারণ প্রবেশ, সাংবাদিক, কূটনৈতিক, অফিসিয়াল, আনঅফিসিয়াল।
উল্লেখ্য, করোনা মহামারি ঠেকাতে সীমান্ত বন্ধসহ প্রতিটা দেশের সাথে সাথে ভারতও তার ভিসা বন্ধ করে দেয়। এর ফলে দীর্ঘদিন ধরেই বন্ধ রয়েছে দেশটিতে প্রবেশের সুযোগ। করোনা প্রাদূর্ভাব কিছুটা কমে যাওয়ার ফলেই পুনরায় ভিসা চালু করলো দেশটি।

Address

Upashahar, Cantonment Road
Rajshahi
6202

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 23:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 23:00
Saturday 09:00 - 23:00
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

+8801766202939

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Al Shakuruu Enterprise posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Al Shakuruu Enterprise:

Share