19/05/2021
২০৩০ সালে আইটি খাতে বাংলাদেশ কোথায় পৌঁছাবে ?
বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের অর্থনীতিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনতে পারে যে খাতগুলো, বর্তমান প্রেক্ষাপটে আইটি সেক্টর তার মধ্যে অগ্রগণ্য। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, পোশাক ও সেবা খাতের সঙ্গে আগামি দিনে এই আইটি খাতই প্রতিযোগিতা করবে। সরকারও আইটি খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য এবং এর অগ্রযাত্রা আরো কয়েক ধাপ এগিয়ে দিতে একের পর এক বিভিন্ন সময়োপযোগী উদ্যোগ নিচ্ছে।
⏩আইটি খাতের উন্নয়নের জন্য ইতিমধ্যে সরকার ২০২৪ সাল পর্যন্ত আইটি খাতের সব ট্যাক্স মওকুফ করে দিয়েছে।
⏩সফটওয়্যার খাতে এক সময় বাংলাদেশ সম্পূর্ণ আমদানি এবং পাইরেসি নির্ভর ছিল। কিন্তু দেশে এই খাতের দ্রুত বিকাশ ঘটেছে। সফটওয়্যার শিল্পের হাত ধরে আইটি খাতে বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জন বাড়ছে তরতর করে। পৃথিবীর একশোটির বেশি দেশে বাংলাদেশি সফটওয়্যার রপ্তানি হচ্ছে।
⏩গত বছর বাংলাদেশ দক্ষিণ কোরিয়ায় ১২টি শিল্প রোবট রপ্তানি করেছে। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ৯ কোটি ৫০ লক্ষ এবং মোবাইল সিম ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ১৬ কোটি ৪০ লক্ষ।
⏩এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরে বাংলাদেশ পঞ্চম বৃহত্তম ইন্টারনেট ব্যবহারকারী দেশ। আমরা দ্রুত নগদহীন সমাজে পরিণত হচ্ছি। গত বছর, ই-বাণিজ্য লেনদেন $ ২৬০ মিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে।
⏩হাতে হাতে স্মার্টফোন, বাসায় ব্রডব্যান্ড সংযোগ আর মোবাইল ইন্টারনেট বাংলাদেশের মানুষকে নিয়ে গেছে নতুন এক সময়ে। এতে জীবনযাত্রা যেমন সহজ হয়েছে, তেমনি বেড়েছে কর্মসংস্থান।
⏩দেশে ৬০০,০০০ আইটি ফ্রিল্যান্সার রয়েছে, যারা অনলাইনে বিভিন্ন মার্কেট প্লেসে কাজ করছেন এবং শত শত মিলিয়ন ডলার আয় করছেন। এখন বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় বৃহত্তম ফ্রিল্যান্সিং দেশ।
⏩প্রতিটি প্রতিষ্ঠান প্রযুক্তিনির্ভর হচ্ছে, এই কারণে ২০৩০ সালে আইটি সেক্টরে ২০ লাখ দক্ষ জনবল প্রয়োজন হবে। তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলাদেশের উন্নতির প্রশংসা ইতিমধ্যে সারা বিশ্ব থেকেই আসছে।
⏩আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ বাংলাদেশ হবে বিশ্বের ২৪তম বৃহৎ অর্থনৈতিক দেশ।
আর এই সাফল্য অর্জনে চালিকশক্তি হিসেবে ভূমিকা রাখবে দেশের সব খাতে আইসিটির স্মার্ট ব্যবহার।