SME Consultant Bd

SME Consultant Bd দেশে ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্পের বিকাশ সহায়তা করা

ওরাকল প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন এক রাতেই এলন মাস্ককে পেছনে ফেলে হয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ! মাত্র এক রাতেই তার সম্পদ...
13/09/2025

ওরাকল প্রতিষ্ঠাতা ল্যারি এলিসন এক রাতেই এলন মাস্ককে পেছনে ফেলে হয়েছেন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী মানুষ! মাত্র এক রাতেই তার সম্পদ বেড়েছে প্রায় ১০১ বিলিয়ন ডলার যা বাংলা টাকায় প্রায় প্রায় ১২ লক্ষ ১০ হাজার কোটি টাকা ।
টেক দুনিয়ায় এই রেকর্ড ভাঙা ওঠা–নামা সত্যিই অবাক করার মতো! 🤯
আপনার মতে কে বেশিদিন টিকবে “বিশ্বের ধনী” আসনে ল্যারি এলিসন না এলন মাস্ক?
ল্যারির Oracle নিয়ে সংক্ষিপ্ত
ওরাকল হলো একটি আমেরিকান সফটওয়্যার ও ক্লাউড কোম্পানি, ডাটাবেস টেকনোলজির জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত।
মূল পণ্য: Oracle Database, Oracle Cloud (OCI), Fusion/NetSuite ERP, Java, MySQL ইত্যাদি।
১৯৭৭ সালে ল্যারি এলিসন সহ-প্রতিষ্ঠা করেন (পুরোনো নাম: Software Development Laboratories)।
ভিশন: “ডেটা হলো কোম্পানির হৃদপিণ্ড”— তাই দ্রুত, নিরাপদ, স্কেলেবল ডাটাবেস বানানোই ছিল প্রথম লক্ষ্য।
স্ট্র্যাটেজি: বড় এন্টারপ্রাইজকে টার্গেট, আক্রমণাত্মক সেলস, আর ধারাবাহিক অ্যাকুইজিশন (PeopleSoft, Sun Microsystems, NetSuite—যার ফলে Java/MySQL-ও আসে ওরাকলের ছায়ায়)।
OCI (Oracle Cloud Infrastructure): কম খরচে হাই-পারফরম্যান্স ক্লাউড; ডেটাবেস ও AI/GenAI ওয়ার্কলোডে ফোকাস।
Industry Apps: ব্যাংকিং, টেলিকম, হেলথ, রিটেইল—রেডি সল্যুশন।
Autonomous Database: নিজে নিজে টিউনিং/প্যাচিং—ডিবিএ কাজ কমে যায়।
বিশাল ডেটা সমুদ্র সামলাতে ওরাকল এখনও “এন্টারপ্রাইজ-গ্রেড” স্ট্যান্ডার্ড।
ব্যাংক, টেলকো, সরকার—ক্রিটিকাল সিস্টেমে ওরাকলের নির্ভরতা বেশি।
AI যুগে ডেটা সেন্ট্রিক আর্কিটেকচারে ওরাকলের ডিবি + ক্লাউড কম্বো শক্তিশালী প্রস্তাব।
ব্যাংকিং/ফিনটেক, টেলকো, বড় রিটেইল/এফএমসিজি—অনেক জায়গায় ওরাকল ডিবি/ইআরপি ব্যবহৃত।
স্কিলসেটের চাহিদা: SQL/PL-SQL, DBA, Fusion/NetSuite কনসাল্টিং, OCI—চাকরি ও ফ্রিল্যান্স দুইখানেই সুযোগ।

উদ্যোক্তা বা এন্টারপ্রেনিওর হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি একটি নতুন ব্যবসা শুরু করার ঝুঁকি নেন এবং সেটিকে সফল করার জন্য কাজ...
31/08/2025

উদ্যোক্তা বা এন্টারপ্রেনিওর হলেন এমন একজন ব্যক্তি যিনি একটি নতুন ব্যবসা শুরু করার ঝুঁকি নেন এবং সেটিকে সফল করার জন্য কাজ করেন। সহজ ভাষায়, তিনি কোনো একটি নতুন ধারণা বা সুযোগকে বাস্তবে রূপ দেন।

উদ্যোক্তার মূল বৈশিষ্ট্য
ঝুঁকি গ্রহণ: একজন উদ্যোক্তা আর্থিক এবং ব্যক্তিগত ঝুঁকি নিতে প্রস্তুত থাকেন। তিনি জানেন যে তার ব্যবসা সফল নাও হতে পারে, তবুও তিনি ঝুঁকি নিয়ে এগিয়ে যান।

সৃজনশীলতা ও নতুনত্ব: উদ্যোক্তারা নতুন কিছু তৈরি করতে বা বিদ্যমান কোনো সমস্যার নতুন সমাধান বের করতে পারদর্শী হন। তারা গতানুগতিক ধারার বাইরে গিয়ে চিন্তা করেন।

নেতৃত্ব ও পরিচালনা: একজন সফল উদ্যোক্তা কেবল একটি ধারণা নিয়ে বসে থাকেন না, বরং সেই ধারণাটিকে বাস্তবে রূপ দেওয়ার জন্য একটি দল পরিচালনা করেন এবং সামনে থেকে নেতৃত্ব দেন।

আবেগ ও দৃঢ়তা: তাদের মধ্যে নিজের কাজের প্রতি গভীর আগ্রহ ও আবেগ থাকে। ব্যর্থতা এলেও তারা হাল ছাড়েন না, বরং সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে পুনরায় চেষ্টা করেন।

দূরদৃষ্টি: তারা ভবিষ্যতের বাজার এবং গ্রাহকের চাহিদা সম্পর্কে একটি পরিষ্কার ধারণা রাখেন এবং সেই অনুযায়ী পরিকল্পনা করেন।

উদ্যোক্তা কেন গুরুত্বপূর্ণ?
উদ্যোক্তারা একটি দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তারা নতুন নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করেন, নতুন পণ্য ও সেবা বাজারে আনেন এবং দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে অবদান রাখেন। যেমন, ধরুন একজন ব্যক্তি নতুন ধরনের হাতে তৈরি ব্যাগ তৈরির একটি ছোট ব্যবসা শুরু করলেন। এই কাজের জন্য তিনি কিছু মানুষকে নিয়োগ করলেন, এতে কর্মসংস্থান তৈরি হলো। তার পণ্য যদি বাজারে জনপ্রিয় হয়, তাহলে তিনি অর্থনীতির চাকাকে সচল রাখতে সহায়তা করছেন।

সংক্ষেপে, উদ্যোক্তা হলেন একজন স্বপ্নদ্রষ্টা এবং একজন নির্মাতা, যিনি তার স্বপ্নকে বাস্তবে পরিণত করার জন্য সাহস এবং নিষ্ঠার সাথে কাজ করেন।

সংকল্প আপনাকে আপনার লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করে এবং অধ্যবসায় সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আপনাকে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়...
27/08/2025

সংকল্প আপনাকে আপনার লক্ষ্য নির্ধারণে সাহায্য করে এবং অধ্যবসায় সেই লক্ষ্যে পৌঁছানোর জন্য আপনাকে নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে উৎসাহিত করে। এই দুটি গুণ একজন উদ্যোক্তাকে সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাতে সাহায্য করে।

16/08/2025

স্যাম অল্টম্যান (OpenAI-এর CEO)-কে জিজ্ঞেস করা হলো যে, তার মতে একটা সফল স্টার্টআপের বা অনলাইন ব্যবসার ‘গোপন রহস্য’ কী?

তার উত্তরটা এতটাই সহজ ছিলো যে, শুনলে অবাক হতে হয়!

স্যামের মতে - "এমন একটি প্রোডাক্ট বা সার্ভিস তৈরি করুন যা এতটাই ভালো যে, মানুষ নিজে থেকেই তাদের বন্ধুদের কাছে এর প্রশংসা করবে। যদি এটা করতে পারেন, আপনার অর্ধেক কাজ সেখানেই শেষ।"

একবার Google-এর কথা ভাবুন। তাদের কোনো মার্কেটিং ক্যাম্পেইনের দরকার হয়নি। এটি এতটাই দ্রুত এবং ভালো ছিল যে, মানুষ মুখে মুখে এর প্রচার করেছে।

অথবা Facebook-এর কথা ভাবুন, যা বিজ্ঞাপন ছাড়াই বছরের পর বছর ধরে ছড়িয়ে পড়েছে শুধু মানুষের ভালো লাগার কারণে।

স্যাম অল্টম্যানের মতে, এই অবিশ্বাস্য গ্রোথের পেছনে কয়েকটি সাধারণ কিন্তু শক্তিশালী নীতি কাজ করে:

১. এমন কিছু বানান যা এক কথায় বোঝানো যায়:
একজন ব্যবহারকারী যদি আপনার প্রোডাক্টকে এক লাইনে ব্যাখ্যা করতে না পারে, তাহলে সে কখনওই এটা শেয়ার করবে না। যে আইডিয়াগুলো সবচেয়ে বেশি ভাইরাল হয়, সেগুলো বোঝানোও সবচেয়ে সহজ।

২. স্রোতের সাথে চলুন, উল্টোদিকে নয়:
এমন একটি মার্কেটে কাজ শুরু করুন যা ইতোমধ্যেই বড় হচ্ছে। ইন্টারনেট যখন জনপ্রিয় হচ্ছিল, তখন Google এসেছিল। অনলাইন সোশ্যাল নেটওয়ার্ক যখন অপরিহার্য হয়ে উঠছিল, তখন Facebook এসেছিল। স্রোত আপনাকে অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাবে।

৩. আসল ট্রেন্ডকে চিনতে শিখুন:
আসল ট্রেন্ড হলো সেটাই, যেখানে ব্যবহারকারীরা বারবার ফিরে আসে এবং অন্যদেরও আসতে বলে। এটা এক সপ্তাহের হাইপ নয়, বরং মাস বা বছর ধরে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে।

আর সবচেয়ে অসাধারণ বিষয়টা কী জানেন?

স্যাম অল্টম্যান বিশ্বাস করেন, এই সময়ে একজন মানুষ একাই একটি বিলিয়ন-ডলারের কোম্পানি তৈরি করতে পারে!

একসময় যে টুলগুলো ব্যবহার করার জন্য শত শত মানুষের টিম লাগত, তা এখন আপনার হাতের মুঠোয়: AI, ক্লাউড কম্পিউটিং এবং গ্লোবাল পেমেন্ট সিস্টেম—এসবের সাহায্যে আপনি একাই ডিজাইন, নির্মাণ, মার্কেটিং এবং সারা বিশ্বে আপনার প্রোডাক্ট পৌঁছে দিতে পারেন।

তাই, এমন একটি আইডিয়া বেছে নিন যা আপনাকে উত্তেজিত করে এবং তাকে এতটাই অসাধারণ করে তুলুন যে, আপনার প্রথম ব্যবহারকারীরাই এর মার্কেটিং শুরু করে দেয়।

কারণ, বিলিয়ন-ডলারের গল্পগুলো ঠিক এভাবেই শুরু হয়।

পোস্টটি শেয়ার করে আপনার প্রোফাইলে সেভ করে রাখুন, কারণ এই সহজ কথাগুলোই হয়তো আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে!

#উদ্যোক্তা #ব্যবসাপরামর্শ #স্টার্টআপ #প্রেরণা

HDPE Extrusion Machine (High-Density Polyethylene Extrusion Machine) হলো একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিন যা HDPE প্লাস্টিক দিয়...
08/07/2025

HDPE Extrusion Machine (High-Density Polyethylene Extrusion Machine) হলো একটি ইন্ডাস্ট্রিয়াল মেশিন যা HDPE প্লাস্টিক দিয়ে বিভিন্ন প্রোডাক্ট তৈরি করে, বিশেষ করে পাইপ, শীট, প্রোফাইল, ফিল্ম ইত্যাদি। এটি এক্সট্রুশন প্রক্রিয়ায় কাজ করে।

🔧 HDPE Extrusion Machine এর কাজ কী?
HDPE Extrusion Machine মূলত নিচের ধাপগুলোতে কাজ করে:

Raw Material Feed করা:

HDPE প্লাস্টিক গ্রানিউল (ছোট দানা) হপার বা ফিডারে ঢোকানো হয়।

Melting (গলানো):

মেশিনের স্ক্রু এবং হিটার সিস্টেমের মাধ্যমে HDPE ধীরে ধীরে গলে যায়।

Pressurized Extrusion:

গলা প্লাস্টিক স্ক্রু মেকানিজমের মাধ্যমে ডাই (Die) এর মধ্যে দিয়ে ঠেলে দেওয়া হয়।

Shaping (আকৃতি দেওয়া):

ডাই অনুযায়ী HDPE এর একটি নির্দিষ্ট আকৃতি তৈরি হয়। যেমন – পাইপ, শীট, ফিল্ম।

Cooling (ঠান্ডা করা):

পানির সাহায্যে বা এয়ার কুলিং সিস্টেমে গরম HDPE কে ঠান্ডা করে শক্ত করা হয়।

Cutting / Winding:

প্রোডাক্টটি প্রয়োজন অনুযায়ী কাটা হয় বা রোল আকারে সংরক্ষণ করা হয়।

🏭 এই মেশিন দিয়ে সাধারণত কী কী তৈরি হয়?
HDPE Water Pipe

Electrical Conduit Pipe

HDPE Sheets/Boards

Agricultural Irrigation Pipe

HDPE Film (for packaging)

📌 উপকারিতা:
উচ্চ উৎপাদন ক্ষমতা (High Output)

টেকসই ও পরিবেশ বান্ধব প্রোডাক্ট তৈরি

লম্বা সময় পর্যন্ত মেশিন চালানো যায়

HDPE recycle করে ব্যবহার করা যায়

সত্যিই, উদ্যোক্তা হওয়া মানে শুধু পণ্য তৈরি করা নয়, বরং সেই পণ্যকে বাজারজাত করার জন্য একটি সমগ্র ব্যবসায়িক কাঠামো নির্...
05/07/2025

সত্যিই, উদ্যোক্তা হওয়া মানে শুধু পণ্য তৈরি করা নয়,
বরং সেই পণ্যকে বাজারজাত করার জন্য একটি সমগ্র ব্যবসায়িক কাঠামো নির্মাণ করা। উদ্যোক্তা হিসেবে আপনাকে সৃজনশীলভাবে চিন্তা করতে হবে এবং ব্যবসার সব দিক যেমন অর্থনৈতিক পরিকল্পনা, মার্কেটিং কৌশল, এবং সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট নিয়ে কাজ করতে হবে। এটি একটি দূরদর্শী ভূমিকা যেখানে শুধু পণ্য নয়, পুরো ব্যবসার উন্নয়ন ও সম্প্রসারণের উপর জোর দেওয়া হয়। উদ্যোক্তা হওয়া মানে সমস্যার সমাধানকারী হয়ে ওঠা এবং নতুন সুযোগ খুঁজে নিয়ে সেই সুযোগকে কাজে লাগানো।

09/06/2025

তুমি এখনও তোমার স্বপ্ন পূরণ করতে পারছো না, কারণ তুমি অনেক বেশি কেয়ার করো!
কে কী বলবে, কে কি মতামত দিবে, ব্যর্থ হলে কেমন অবস্থা হবে, কতটা লজ্জা পেতে হবে—এসব ভেবে তুমি এগোতেই পারো না।
কারণ, তুমি এখনো সহজ একটা আর্ট রপ্ত করো নাই— 'গুরুত্বহীন কিছুকে কেয়ার না করা'।

সমাজ তোমাকে এমনভাবে প্রোগ্রাম করেছে তুমি সবকিছুর ব্যাপারেই চিন্তিত হচ্ছো।
তুমি কেমন দেখতে, কেমন কথা বলো, মানুষ কী ভাববে—এসব নিয়ে তুমি সবসময় চিন্তিত।
অথচ এখন, ইন্টারনেটের এই স্বর্ণযুগে, যেখানে হাতের এক ক্লিকের নাগালে রয়েছে তোমার স্বপ্নের জীবন, সেখানেও তুমি অন্যদের ভয়েই পা বাড়াতে পারো না।

তুমি কল্পনা করো, এখনকার টিনএজাররা তাদের মা-বাবাকে রিটায়ারে পাঠাচ্ছে। আর, প্রাপ্তবয়স্করা এখনো নিজের স্বপ্ন পূরণে ভয় পায়!
তোমার পূর্বপুরুষরা যদি এই সময় দেখে যেত, তারা হয়তো তোমার মুখের ওপর থুতু দিত। কারণ, তোমার সামনে যা যা দরকার সব আছে, তবুও তুমি থেমে আছো শুধুমাত্র কিছু মানুষের কারণে—যারা ১০ বছর পরই তোমার জীবনে থাকবে না।

তুমি হয়তো ভাবছো—“আমি দুর্বল না। আমি আলাদা। আমি আমার স্বপ্নের পেছনে দৌড়াই কে কি বললো তার পাত্তা না দিয়েই।”
কিন্তু মনে মনে তুমি জানো, তুমি থেমে আছো। তুমি যদি সত্যিই সৎ হও তাহলে স্বীকার করতে পারবে যে, তুমি সর্বশক্তি দিয়ে কারো কোনো কিছুর তোয়াক্কা না করে তোমার স্বপ্নের পেছনে ছুটছো না।

আমি চাই তুমি একটা ব্যাপার গভীরভাবে বুঝো—এই মানুষগুলোর কেউই আসলে গুরুত্বপূর্ণ না। যারা তোমাকে বিচার করছে, যারা তোমাকে ছোট করে দেখছে—তারা ১০ বছর পর তোমার জীবনের আশেপাশেও থাকবে না।
তুমি যদি ব্যর্থও হও, লজ্জা পাও, কিংবা জীবনে কিছু বড় ধাক্কা খাও—তবুও সেগুলোর কিছুই তোমার পরিবারকে সারাজীবনের জন্য সেটল করার সঙ্গে তুলনীয় না।

তাই আমি তোমাকে একটা টেকনিক শেখাতে চাই। এটা হলো– লেটার টু দ্যা ওল্ড ম্যান টেকনিক।

প্রতি কয়েক মাস অন্তর আমি আমার ৯০ বছর বয়সী নিজেকে একটা চিঠি লিখি—আমার সেই বৃদ্ধ ভার্সনটা যে আর কোনো স্বপ্ন পূরণ করতে পারবে না।
আমি তাকে শেয়ার করি—এই মুহূর্তে আমি কী করছি এবং তাকে জিজ্ঞেস করি, "তুমি কী মনে করো, আমি যে পথে হাঁটছি সেটা কেমন? আমি এই মুহূর্তে কী কী করছি যেগুলো তোমার জন্য কষ্ট ও আফসোসের কারণ হবে?"

তারপর আমি নিজেকে সেই বৃদ্ধর জায়গায় কল্পনা করি—যে হলো আমি নিজেই।

সে একটা কাঠের চেয়ারে বসে আছে। চারপাশে তার পরিবারের সদস্য, তার বংশধর। সে মামুলি কোনোকিছু নিয়ে মোটেই ভাবে না। তার ব্যর্থতাগুলো আর তাকে কষ্ট দেয় না। সে আর ছোটখাটো লজ্জা, ব্যর্থতা, বা কে কী বললো এসব নিয়ে মাথা ঘামায় না। যারা একসময় তাকে বিচার করেছিল, উপহাস করেছিল, তাকে ব্যর্থ মনে করেছিল—তাদের কেউই আর তার জীবনে নেই।

সে চিন্তা করছে সেই সময়গুলো নিয়ে—যখন সব সম্ভব ছিল, সে যেসব পদক্ষেপ নিতে পারত, কিন্তু সুযোগের মুখোমুখি হয়েও পিছিয়ে গিয়েছিল।

তার জীবনের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে, সে শুধু একটা জিনিস নিয়ে কষ্ট পায়—যেসব স্বপ্ন সে পূরণ করতে পারলো না শুধুমাত্র ভয় বা লজ্জার কারণে, চেষ্টা না করার কারণে, অন্যের মতামতের কারণে, তুচ্ছ অজুহাতের কারণে।

আমি তার চোখ দিয়ে দেখি, আর তার দৃষ্টিকোণ থেকে আমার কাছে চিঠির উত্তর লিখি। আর যখন সে আমাকে চিঠি লেখে তখন সে সেসব উপদেশই দেয়—লিগ্যাসি ও ফ্যামিলির জন্য যেগুলোর গুরুত্ব আছে।

এই টেকনিক চরম কার্যকরী। কারণ, এটা তৎক্ষণাৎ তোমার দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয় এবং তোমাকে বোল্ড একশন নিতে বাধ্য করে।
এখন প্রশ্ন হলো, তুমি কি এই টেকনিক একবার হলেও চেষ্টা করবে?
অবশ্যই নিজে ট্রাই করে না দেখে এটাকে ফালতু টেকনিক বোলো না। কোনো কিছুকে ইউজলেস বলার আগে সেটা নিজে করে দেখো।

আরেকটা কথা মনে রেখো—তোমার কেয়ারিং হলো এক ধরনের মেন্টাল কারেন্সি। তুমি যতবার কোনো কিছুকে কেয়ার করো, ততবার তুমি এটা খরচ করো।
বেশিরভাগ মানুষ এটাকে বেপরোয়া অপচয় করে এমন সব জিনিসে যেগুলোর কোনো গুরুত্ব নাই—সেলিব্রেটি বা ইনফ্লুয়েন্সারদের স্ক্যান্ডাল, এমন কোনো দেশের যুদ্ধ যেখানে তারা কখনো যায়ইনি, কোন প্রেসিডেন্ট কী টুইট করল ইত্যাদি। আর এসবের মধ্যে সবচেয়ে বাজে, সেটা হলো—অপরিচিত মানুষজন তাদের নিয়ে কী ভাবছে!

শ্রেষ্ঠ মানুষরা শুধুমাত্র অল্প কিছু জিনিস নিয়ে ভাবে। কারণ, তারা অনলাইনের সিগমা মেল সেজন্য নয়, তারা নিজের মেন্টাল এনার্জির মূল্য বুঝে।

তুমি তোমার মনোযোগকে টাকা হিসেবে ভাবো। এবার, যা কিছুতে তুমি কেয়ার দাও তা কি বিনিয়োগের উপযুক্ত? তুমি কি বিনিয়োগের রিটার্ন পাচ্ছো? নাকি তুমি তোমার এনার্জি অপচয় করছো?

আমি কোন ব্যাপারগুলো কেয়ার করি?
আমি আমার ফ্যামিলিকে কেয়ার করি।
আমার লক্ষ্য ও আমার লিগ্যাসিকে কেয়ার করি।
আর, আমি আল্লাহকে কেয়ার করি।

আমি আর অন্য কিছুকে কেয়ার করি না।
ডোনাল্ড ট্রাম্পকে না।
লেটেস্ট স্পোর্টস গেম, জিটিএ সিক্স-কে না।
বা এন্ড্রু টেট ওর ফ্যানগুলোর সাথে ক্রিপ্টো স্ক্যাম করলো তা নিয়ে না।
কোথায় কোন দেশে যুদ্ধ লাগলো তা নিয়েও না।

আমি এইসব বাইরের বিষয় নিয়ে মাথা ঘামাতে পারিনা, কারণ এগুলো আমাকে কোনো উপকার করে না।
আর ঠিক এই দৃষ্টিভঙ্গিতেই তোমাকেও বিষয়গুলো দেখতে হবে।
তোমার মনোযোগই হলো কারেন্সি, তাই সেটা বুঝে-শুনে খরচ করো।

তুমি যখন গুরুত্বহীন বিষয়কে কেয়ার করা বন্ধ করে দাও, তখন তোমার জীবন হালকা হয়ে যাবে—কারণ তুমি আর অপ্রয়োজনীয় বোঝা বয়ে চলছো না, তোমার মন পরিষ্কার ও শার্প হয়ে উঠবে, আর তোমার এনার্জি ফুল থাকবে।
এই এনার্জিই তোমাকে ম্যাগনেটিক করে তোলে—মানুষ টের পায়, তুমি ফোকাসড।

মনে রেখো, কিছু মানুষ নৈতিকতার ভান করবে। তারা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করবে; বুঝাবে যেন তারা যুদ্ধ বা সাম্প্রতিক যেকোনো বিশ্ব সংকট সম্পর্কে কেয়ার করে।
আর তুমি সতর্ক না হলে, তারা তোমাকেও তাদের এনার্জি ক্ষয়ের মধ্যে টেনে নিয়ে যাবে। তারা তাদের এনার্জি নিঃশেষ করে, তোমারও করতে চায়।

তারা হয়তো তোমাকে মানসিকভাবে প্রভাবিত করার চেষ্টা করবে, এমনভাবে বলবে, যেন তুমি কেয়ার না করায় তুমি একটা খারাপ মানুষ।
কিন্তু ব্যাপারটা এত হালকা নয়—এটা হলো তুমি কোথায় তোমার এনার্জি ব্যয় করবে, তা নির্ধারণের বিষয়।

তাই, তুমি কেয়ার না করায় কেউ যদি তোমার ওপর দোষ চাপায় সেটা তারই সমস্যা। তুমি তাদের অনুভূতির জন্য দায়ী না। কেউ যদি তাদের কন্ট্রোলের বাইরে এমন কিছুর পেছনে এনার্জি নষ্ট করতে চায়, সেটা ওদের সিদ্ধান্ত।

তুমি এসব হালকাপনায় লিপ্ত হয়ো না। কারো অনুভূতির দায় তোমার না। তারা যেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে না, তাতে যদি টাইম নষ্ট করতে চায়, করুক। তুমি তোমার এনার্জি বাঁচাও।

তোমার টাইম ও এনার্জি অমূল্য, একবার চলে গেলে আর ফেরত আসবে না।
তাই, আর ১ সেকেন্ডও তোমার কোনো উপকারে আসেনা এমন কিছুতে নষ্ট করার আগে সেই বৃদ্ধকে একটা চিঠি লেখো।
কারণ, যে মানুষটির আর অযথা টাইম ও এনার্জি খরচ করার সামর্থ্য নেই, সে-ই তোমাকে মনে করিয়ে দেবে—ওই সব বিষয় আসলে কতটাই না তুচ্ছ ছিল।

যেসব ব্যর্থতা, লজ্জা, ভয় এখন তোমার মনে হচ্ছে বিশাল, সেগুলোও তার কাছে তুচ্ছ।

তুমি জন্মেছো জয় করার জন্য, সৃষ্টির জন্য, নির্মাণের জন্য, সাহসীভাবে বাঁচার জন্য।
যখন তুমি অহেতুক, যেসব তোমার উপকার করেনা সেসব ব্যাপারকে পাত্তা দেয়া বন্ধ করবে, তখন বুঝবে—তোমার স্বপ্নের জীবন আসলে কখনই তোমার সাধ্যের বাইরে ছিলনা।
এটা শুধু তোমার দৃঢ় সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় ছিল।
এটা শুধু অপেক্ষায় ছিল—কখন তুমি দ্বিধাগ্রস্ত হওয়া বন্ধ করবে।

তাই, সাহস নিয়ে এগিয়ে চলো, নিঃসংকোচে বাঁচো এবং জগতে তোমার যা প্রাপ্য, তা বুঝে নাও।

জীবন তোমার সিদ্ধান্ত তোমার, আল্লাহ সহায় হোক

আপনাকে ছাড়া কি আপনার ব্যবসা চলে?যদি উত্তর "না" হয়, তাহলে দুঃখিত — আপনি একটা চাকরি তৈরি করেছেন নিজের জন্য, ব্যবসা নয়।স...
10/05/2025

আপনাকে ছাড়া কি আপনার ব্যবসা চলে?

যদি উত্তর "না" হয়, তাহলে দুঃখিত — আপনি একটা চাকরি তৈরি করেছেন নিজের জন্য, ব্যবসা নয়।

সত্যিকারের ব্যবসা গড়ে তুলতে হলে ৩টি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হয়:

- সিস্টেম তৈরি করুন।
আপনি না থেকেও যেন কাজ চলতে পারে। কীভাবে অর্ডার নেবে, কীভাবে ডেলিভারি হবে, কীভাবে কাস্টমারের সমস্যা সমাধান হবে — সবকিছুর জন্য স্পষ্ট নিয়ম ও প্রক্রিয়া তৈরি করতে হবে।

- টিম তৈরি করুন, সময় কিনুন।
আপনার সময় সীমিত। দিনে ২৪ ঘণ্টার বেশি কাজ করা সম্ভব নয়। তাই অন্যের সময় (ট্যালেন্ট) কিনতে হবে — মানে কর্মী নিয়োগ করতে হবে এবং দায়িত্ব ভাগ করে দিতে হবে।
আপনি একা দিনে ৮ ঘণ্টা কাজ করতে পারেন। কিন্তু যদি চারজনকে নিয়োগ দেন, তাহলে প্রতিদিন ৩২ ঘণ্টার কাজের আউটপুট পাবেন। চিন্তা করুন, কত দ্রুত উন্নতি হবে। তবে সাথে সাথে ম্যানেজমেন্টও ডেভেলপ করতে হবে।

- স্কেলযোগ্য পণ্য তৈরি করুন।
এমন পণ্য বা সেবা তৈরি করুন যেটা একাধিকবার বিক্রি করা যাবে, বড় করা যাবে, নতুন বাজারে নেওয়া যাবে।
যেমন, ১০ হাজার টাকা খরচ করে যদি ১০০টি প্রোডাক্ট বানিয়ে ১৫ হাজারে বিক্রি করতে পারেন, তাহলে একইভাবে ১ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা আয় করা সম্ভব।
কিন্তু আপনি যদি প্রতিটা প্রোডাক্ট নিজের হাতে বানান, তাহলে প্রতিদিনের উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই সীমিত থাকবে।

- উদাহরণ:
আপনি যদি নিজেই প্রতিদিন দোকানে বসে রুটি বানান, তাহলে আপনি রুটির কারিগর।
কিন্তু যদি বেকারির রেসিপি ঠিক করে দেন, কর্মী নিয়োগ করেন, ডেলিভারির সিস্টেম তৈরি করেন, এবং দোকানের বাইরে থেকেও অর্ডার নিতে পারেন — তাহলে আপনি একজন উদ্যোক্তা।

- আরেকটি বাস্তব উদাহরণ:
মুদি দোকানও ব্যবসা, সুপারশপও ব্যবসা।
পার্থক্য হলো — মুদি দোকানে মালিককে প্রতিদিন নিজে থাকতে হয়,
কিন্তু সুপারশপে মালিক ছাড়াও ব্যবসা চলে, কারণ সেখানে সিস্টেম তৈরি আছে।

হ্যাঁ, শুরুতে হয়তো নিজের হাতে অনেক কাজ করতে হবে বা চাকরির টাকা জমিয়ে ব্যবসা শুরু করতে হতে পারে।
কিন্তু শুরু থেকেই লক্ষ্য রাখা উচিত — সিস্টেম তৈরি করা।

কাজ করুন নিজের ওপর নয়, নিজের তৈরি করা সিস্টেমের ওপর আস্থা রাখুন।
চাকরির মতো নয়, সত্যিকারের ব্যবসা তৈরি করুন

07/05/2025

নিজের পরিবারের দায়িত্ব সামলাতে চাকরি করুন।
শত পরিবারের রিজিক আহরণের মাধ্যম হতে চাইলে উদ্যোক্তা হোন।

Send a message to learn more

২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত, লাড্ডুবক্স হল হায়দ্রাবাদের একটি স্বাস্থ্য-সচেতন মিষ্টি ব্র্যান্ড যা চিনি এবং প্রিজারভেটিভ মুক্ত প...
30/04/2025

২০২০ সালে প্রতিষ্ঠিত, লাড্ডুবক্স হল হায়দ্রাবাদের একটি স্বাস্থ্য-সচেতন মিষ্টি ব্র্যান্ড যা চিনি এবং প্রিজারভেটিভ মুক্ত পণ্য সরবরাহ করে আলাদা। এই ব্র্যান্ডটি উদ্যোক্তা দম্পতি সানদীপ যোগীপার্টি এবং কবিতা গোপু দ্বারা চালু করা হয়েছিল, উভয়ই অভিজ্ঞ ইঞ্জিনিয়ার।

হায়দ্রাবাদে ফিরে আসার ইচ্ছা এবং উদ্যোক্তা হওয়ার প্রতি তার আবেগ দ্বারা অনুপ্রাণিত সানদীপ তার স্ত্রী কবিতা, যিনি একজন সমানভাবে দক্ষ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, এর সাথে অংশীদারিত্ব করে তাদের উদ্যোগ শুরু করেন। কর্পোরেট জগতে পাঁচ বছরেরও বেশি সময় কাটানোর পর, এই দম্পতি এই নতুন যাত্রা শুরু করার জন্য ২০১৯ সালে ভারতে ফিরে আসেন।

ফিরে আসার পর, সানদীপ ছয় থেকে আট মাস ভারত জুড়ে ভ্রমণ করেছিলেন, সেই সময় খাদ্য এবং ফিটনেস শিল্প তার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিল। মিষ্টির প্রতি তার ব্যক্তিগত ভালোবাসা, বেশিরভাগ শক্তি এবং প্রোটিন বারে লুকানো উপাদান রয়েছে এই উপলব্ধির সাথে মিলিত হয়ে, একটি স্বাস্থ্যকর মিষ্টির বিকল্প তৈরির ধারণা তৈরি করে। এটি ২০২০ সালে লাড্ডুবক্সের জন্মকে অনুপ্রাণিত করে, যার প্রাথমিক বিনিয়োগ ছিল ₹১ লক্ষ।

Address

Bscic
Rajshahi
6201

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SME Consultant Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share