আল মিফশা - Al-Mifsha

আল মিফশা - Al-Mifsha ১০০% হালাল ও খাঁটি পণ্যের নিশ্চয়তা

নিজস্ব বাগানের ক্ষিরশেপাতি আম
12/06/2021

নিজস্ব বাগানের ক্ষিরশেপাতি আম

12/06/2021

আসসালামু আলাইকুম
এইমুহুর্তে ক্ষিরশেপাত আমের ডেলিভারি চলছে সারাদেশে। ল্যাংড়া এবং লক্ষ্মণভোগ (লোখনা/ ডায়াবেটিস) আমের প্রি-অর্ডারে ডেলিভারি চলছে।

ক্ষিরশাপাত প্রতি কেজির মূল্যঃ ৭৫ টাকা + প্যাকিং + কুরিয়ার চার্জ

নুন্যতম অর্ডারঃ ১০ কেজি।

১০ কেজি নিলে কার্টুন এবং ২০ কেজি নিলে ক্যারেট দেয়া হবে। ১ক্যারেট=২০~২৪ কেজি। কার্টুনের আম থেতলে যায় এবং নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। ক্যারেটের আমের নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক অনেক কম।

ক্ষিরশেপাতি আম সর্বোচ্চ ১০ দিন সহজলভ্য থাকবে এবং প্রতিদিন দামের তারতম্য হয়। শেষের দিকে যোগান কমতে থাকে এবং দাম বাড়তে থাকে।

ভিডিও তে আমাদের নিজস্ব বাগানের আম ক্যারেট করা হচ্ছে যেটা সাভার চলে গেছে আলহামদুলিল্লাহ। নিজেদের বাগান ছাড়াও অন্য বাগানের আম সংগ্রহ চলছে।

আসসালামু আলাইকুম আমাদের রাজশাহী-নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে হাজার হাজার একর জমিজুড়ে আমের বাগান। বরেন্দ্র এলাকার মাটির কারনে এ...
05/06/2021

আসসালামু আলাইকুম
আমাদের রাজশাহী-নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে হাজার হাজার একর জমিজুড়ে আমের বাগান। বরেন্দ্র এলাকার মাটির কারনে এইসব গাছের আমের মিষ্টতা অন্য এলাকার গাছের তুলনায় অনন্য।
সাহস করে এবারই প্রথম আমের অর্ডার নিচ্ছি।
এখন গোপালভোগ এবং ক্ষিরশেপাত আম ভাঙা চলছে। ল্যাংড়া এবং লক্ষ্মণভোগ (লোখনা/ ডায়াবেটিস) আম আরও কিছুদিন পর ভাঙা শুরু হবে।

এইমুহুর্তে গোপালভোগ এবং ক্ষিরশেপাত আমের ডেলিভারি চলছে সারাদেশে।

প্রতি কেজির মূল্যঃ ৭৫ টাকা + প্যাকিং + কুরিয়ার চার্জ

ল্যাংড়া এবং লক্ষ্মণভোগ (লোখনা/ ডায়াবেটিস) আমের প্রি-অর্ডার নিচ্ছি। এগুলো সম্পূর্ণ ম্যাচিউর হতে আরও ৭ দিন মত সময় লাগবে।

নুন্যতম অর্ডারঃ ১০ কেজি।

১০ কেজি নিলে কার্টুন এবং ২০ কেজি নিলে ক্যারেট দেয়া হবে। ১ক্যারেট=২০~২৪ কেজি। কার্টুনের আম থেতলে যায় এবং নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। ক্যারেটের আমের নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক অনেক কম।

এই আম সর্বোচ্চ ১৫-২০ দিন সহজলভ্য থাকে এবং প্রতিদিন দামের তারতম্য হয়। শেষের দিকে যোগান কমতে থাকে এবং দাম বাড়তে থাকে।

মহান আল্লাহ তায়া’লা ব্যাবসা কে করেছেন হালাল এবং সুদ কে করেছেন হারাম। আল্লাহ আমাদের হালাল রিজিকের পথ প্রসস্থ করে দিন। আমিন।

05/06/2021

আসসালামু আলাইকুম
আমাদের রাজশাহী-নওগাঁর বরেন্দ্র অঞ্চলে হাজার হাজার একর জমিজুড়ে আমের বাগান। বরেন্দ্র এলাকার মাটির কারনে এইসব গাছের আমের মিষ্টতা অন্য এলাকার গাছের তুলনায় অনন্য।
সাহস করে এবারই প্রথম আমের অর্ডার নিচ্ছি।
এখন গোপালভোগ এবং ক্ষিরশেপাত আম ভাঙা চলছে। ল্যাংড়া এবং লক্ষ্মণভোগ (লোখনা/ ডায়াবেটিস) আম আরও কিছুদিন পর ভাঙা শুরু হবে।

এইমুহুর্তে গোপালভোগ এবং ক্ষিরশেপাত আমের ডেলিভারি চলছে সারাদেশে।

প্রতি কেজির মূল্যঃ ৭৫ টাকা + প্যাকিং + কুরিয়ার চার্জ

ল্যাংড়া এবং লক্ষ্মণভোগ (লোখনা/ ডায়াবেটিস) আমের প্রি-অর্ডার নিচ্ছি। এগুলো সম্পূর্ণ ম্যাচিউর হতে আরও ৭ দিন মত সময় লাগবে।

নুন্যতম অর্ডারঃ ১০ কেজি।

১০ কেজি নিলে কার্টুন এবং ২০ কেজি নিলে ক্যারেট দেয়া হবে। ১ক্যারেট=২০~২৪ কেজি। কার্টুনের আম থেতলে যায় এবং নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। ক্যারেটের আমের নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা অনেক অনেক কম।

এই আম সর্বোচ্চ ১৫-২০ দিন সহজলভ্য থাকে এবং প্রতিদিন দামের তারতম্য হয়। শেষের দিকে যোগান কমতে থাকে এবং দাম বাড়তে থাকে।

মহান আল্লাহ তায়া’লা ব্যাবসা কে করেছেন হালাল এবং সুদ কে করেছেন হারাম। আল্লাহ আমাদের হালাল রিজিকের পথ প্রসস্থ করে দিন।
আমিন।।

 #ঘি_কথনআমরা অনেকেই মনে করি, ঘি খেলেই বুঝি বেড়ে যাবে ওজন! ঘি খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে, এ ধারণা ভুল নয়। তবে একাধিক গবেষণ...
20/09/2020

#ঘি_কথন
আমরা অনেকেই মনে করি, ঘি খেলেই বুঝি বেড়ে যাবে ওজন! ঘি খেলে ওজন বেড়ে যেতে পারে, এ ধারণা ভুল নয়। তবে একাধিক গবেষণায় এটা প্রমানিত হয়েছে যে, নির্দিষ্ট পরিমাণ ঘি, সঠিক পদ্ধতি মেনে নিয়মিত খেতে পারলে ওজন বাড়বে না, বরং কমবে। এ ছাড়াও ঘি-এর একাধিক উপকারিতা রয়েছে।

🍁মস্তিষ্কের সচলতা বজায় রাখতে প্রয়োজন উপকারি ফ্যাটের। ঘি-এ রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যাসেনশিয়াল ফ্যাট, যা মস্তিষ্কের কোষের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। স্মৃতিশক্তির বৃদ্ধিতেও ঘি বিশেষ কার্যকরী ভূমিকা পালন করে।

🍁খালি পেটে ঘি খেতে পারলে শরীরে ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে শুরু করে। এই ওমেগা ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রক্তে উপস্থিত খারাপ কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে আনতে সাহায্য করে। ফলে হার্টের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়।

🍁ঘি-এ রয়েছে কে ২ এবং সিএলএ নামক দুটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। একই সঙ্গে এই দুটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের ক্ষতিকর টক্সিক উপাদানগুলিকে শরীর থেকে বের করে দিয়ে ক্যান্সারের আশঙ্কাও কমিয়ে দেয়।

🍁খালি পেটে নিয়মিত ঘি খেতে পারলে শরীরে বিশেষ কিছু উপাদানের মাত্রা বাড়তে শুরু করে যা অস্থিসন্ধির সচলতা বাড়িয়ে তোলে এবং একই সঙ্গে শরীরে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি মেটাতেও সাহায্য করে। ফলে হাড়ের যে কোনও রোগে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেকটাই কমে যায়।

🍁প্রতিদিন খালি পেটে ঘি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে ত্বকের কোলাজেনের উৎপাদন বেড়ে যায়। ফলে ত্বক হয়ে ওঠে সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল।

🍁ঘি-এ থাকা ‘মিডিয়াম চেন ফ্যাটি অ্যাসিড’ শরীরে জমে থাকা ফ্যাট সেল গলাতে সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের মতে, প্রতিদিন ২ চামচ ঘি খালি পেটে খেতে পারলে শরীরে রক্ত সঞ্চালনের মাত্রা বৃদ্ধি পাবে। ২-৩ চামচ ঘি ভাত বা রুটির সঙ্গে খেতে পারলে বাড়বে হজম ক্ষমতা। একই সঙ্গে পরিপাকতন্ত্রকে চর্বিমুক্ত করার পাশাপাশি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাকেও নির্মূল করতে সাহায্য করে। এ ছাড়াও অ্যালার্জি প্রতিরোধে, সর্দি-কাশির কষ্ট কমাতে ঘি অত্যন্ত কার্যকরী একটি উপাদান।

 #আদি_চমচম, শিবগঞ্জের দেড়শ' বছরের ঐতিহ্যের ধারক-------------------------------------------------------------------------...
15/09/2020

#আদি_চমচম, শিবগঞ্জের দেড়শ' বছরের ঐতিহ্যের ধারক
----------------------------------------------------------------------------------------------

# চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জের আদি চমচমের ইতিহাস বাংলার নবাবি আমলের। শিবগঞ্জের আদি চমচম এ জেলার দেড়শ’ বছরের ঐতিহ্যের ধারক।প্রাচীন বাংলার রাজধানী গৌড় তথা অবিভক্ত ভারতের মালদহ জেলার থানা ছিল শিবগঞ্জ। সে সময় এ অঞ্চলে ছিল অনেক ময়রার বসবাস। দেশভাগের পর অনেকে মালদহে চলে গেলেও বেশকিছু পরিবার থেকে যায় শিবগঞ্জে। সেই সময় থেকে শুরু করে তারা এখনো পৈতৃক এ পেশা ধরে রেখেছেন। এই চমচমের নাম শুনলেই জিভে পানি চলে আসে। নানা আকারের সুস্বাদু চমচমের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে চমৎকার ডিজাইন আর কড়া মিষ্টির আবরণের ভেতর গোলাপি আভাযুক্ত নরম অংশ।ঐতিহ্যবাহী এ চমচম পাওয়া যায় কেবল চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ পৌর শহরের তিনটি দোকানে। অতুলনীয় স্বাদ, গন্ধ আর বর্ণের সংমিশ্রণে পোড়ানো ইটের মতো রঙ আদি চমচমের।১৮৫৮ সালের দিকে শিবগঞ্জ বাজারে ‘আদি চমচমের’ আবির্ভাব ঘটান স্থানীয় নরেন্দ্র কুমার সরকার। তার মিষ্টির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে সোনামসজিদ, কানসাট ছাড়িয়ে তৎকালীন মহকুমা শহর চাঁপাইনবাবগঞ্জে। তার মৃত্যুর পর এ ব্যবসার হাল ধরেন তার দুই ছেলে তাবল সরকার এবং ইন্দ্রভূষণ সরকার।বর্তমানে তিনপুরুষের আদি চমচমের ব্যবসায় চালাচ্ছেন ইন্দ্রভূষণ সরকার ছাড়াও তাবল সরকারের ছেলে অরুণ কুমার সরকার এবং অপর ভাই বিজয় কুমার সরকারের ছেলে রিপন কুমার সরকার।শিবগঞ্জ বাজারে পাশাপাশি তিনটি আদি চমচমের দোকান। আদি চমচম, আসল আদি চমচম ও নিউ আদি চমচম। তিনটি দোকানকে কেন্দ্র করেই বিখ্যাত মিষ্টি শিল্প হিসেবে গড়ে উঠেছে। গরুর খাঁটি দুধের ছানা ছাড়া আদি চমচম তৈরি অকল্পনীয়।এছাড়া যে কেউ ইচ্ছা করলেই আদি চমচম তৈরি করতে পারে না। এ চমচম তৈরির সঙ্গে এ অঞ্চলের আবহাওয়া ও পানির বিশেষ বৈশিষ্ট্য জড়িত রয়েছে।এর আগে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের মিষ্টি তৈরির কারিগররা এই আদি চমচম তৈরির চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন। সুস্বাদু আদি চমচম তৈরির জন্য একমাত্র শিবগঞ্জের পানি ও আবহাওয়াই উপযোগী।আদি চমচমের মূল বিশেষত্ব হচ্ছে কড়া পাকে বিশেষ কায়দায় ছানা, মেওয়া ও চিনির সমন্বয়ে তৈরি মিষ্টি। অস্থিরচিত্তে বা আনমনে থাকলে কখনোই আদি চমচম তৈরি করা সম্ভয় নয়। মাপমতো চুলার আগুনের তাপ দিয়ে আদি চমচমের বৈশিষ্ট্য ধরে রাখতে হয়। চিনি সিরা (রস) তৈরিতেও বিশেষভাবে নজর রাখতে হয়।আগুনের তাপের তারতম্য হলে স্বাদ-গন্ধ-বর্ণে আদি চমচমের স্বকীয়তা নষ্ট হয়ে যায়। এ অঞ্চলের আদি চমচম তৈরির প্রসিদ্ধ কারিগর ছিলেন ভাদু সাহা। তার হাতের তৈরি মিষ্টি ছিল অতুলনীয়। তিনি প্রায় আধামণ ওজনের আদি চমচমও তৈরি করতে পারতেন।স্বাধীনতা-উত্তর চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনীতে তার তৈরি বিশাল এ আদি চমচম প্রদর্শিত হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ বাজারের মিষ্টান্ন ভান্ডাররগুলোতে সুস্বাদু ও আকারে বড় ধরনের মিষ্টি তৈরি হয়। যার কথা শুনলে অনেকে অবাক হতে পারেন। শিবগঞ্জের মিষ্টির জনক নরেন শাহ দেশ বিভাগ তথা ’৪৭ সালের আগে পরলোকে গেছেন। এ ছাড়া ১৯৭১ সালের পর প্রধান ৪ জন কারিগর তবল শাহ, মদন শাহ, বিজয় শাহ এবং তিনকড়ি শাহ পরলোকগমন করলেও তাদের অনেক শিষ্য ও বংশধর এখনও জীবিত। তারা মিষ্টি তৈরি করে থাকেন।
সংশ্লিষ্ট এলাকার সচেতন প্রবীণ ব্যক্তিদের মুখে শোনা যায়, এক সময় এই আদি চমচমের আকার ছিল ৪০ সের বা এক মণ পর্যন্ত। ক্রেতার অর্ডার পেলে সেগুলো তৈরি করা হতো। এগুলো দেশের বিভিন্ন জেলাসহ বিদেশে বাংলাদেশের প্রবাসীরা রফতানি করেছে। মাঝে মধ্যে এ দেশের নেতা বা গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের উপহার দেয়া হতো। ১৯৭২ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের সাধারণ মানুষের পক্ষ থেকে ৩৫ সের ওজনের ১টি চমচম উপহার দেয়া হয়েছিল। সেই বছরই মন্ত্রী আবদুর রব সেরনিয়াবাতকে ২৫ সের ওজনের ১টি, ১৯৮২ সালে শিবগঞ্জ উপজেলার কোটবাজারে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এইচ এম এরশাদকেও ২৮ কেজি ওজনের ১টি করে আদি চমচম সংশ্লিষ্ট এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপহার দেয়া হয়েছিলো।

আসসালামু আলাইকুম lআসুন জেনে নেই কেন চাপাইনবাবগঞ্জ এর আদি চমচম এত বিখ্যাত -
10/09/2020

আসসালামু আলাইকুম l
আসুন জেনে নেই কেন চাপাইনবাবগঞ্জ এর আদি চমচম এত বিখ্যাত -

Adi Chancham of Shibganj, one of the most famous Chapainawabganj

আসসালামু আলাইকুম আমি সুরাইয়া তাহমিদা, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ববিদ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের মেয়ে, বর্তমান ঠিকানা রাজশাহী। ঢাকার শের-ই-বা...
09/09/2020

আসসালামু আলাইকুম
আমি সুরাইয়া তাহমিদা, উদ্ভিদ রোগতত্ত্ববিদ। চাঁপাইনবাবগঞ্জের মেয়ে, বর্তমান ঠিকানা রাজশাহী। ঢাকার শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিভাগে অনার্স-মাস্টার্স এবং থিসিস কমপ্লিট করেছি।

লেখাপড়ার মাঝে সবথেকে বেশি যে জিনিসটা উপলব্ধি করেছি সেটা হলো ফুড সিকিউরিটি এবং নিরাপদ খাদ্য। শিল্পায়নের বৃদ্ধি এবং কৃষি জমির হ্রাসের কারনে আমাদের এই শহুরে ব্যাস্ত জীবনে নিরাপদ ও খাঁটি পণ্যের অভাব অবর্ণনীয়। সেই চিন্তা থেকে খাবার নিয়ে কাজ শুরু করা।

বর্তমানে খুবই অল্প পরিসরে কাজ শুরু করেছি। কাজ করছি খাঁটি ঘি, সরিষার তেল, মধু এবং চাঁপাইয়ের প্রায় দেড়শ বছরের পুরনো বিখ্যাত আদি চমচম ও দম মিষ্টি নিয়ে। পর্যাপ্ত সাড়া পেলে ইনশাআল্লাহ আরও কিছু পণ্য নিয়ে কাজ করার ইচ্ছে আছে।
আমার এই ছোট্ট উদ্যোগে আপনাদের সবাইকে স্বাগতম ❤

Address

Rajshahi

Telephone

+8801724774965

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when আল মিফশা - Al-Mifsha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to আল মিফশা - Al-Mifsha:

Share