10/06/2026
একটা তিতা সত্য কথা বলি, রাজশাহীর বাজারগুলোতে এক কেজি আমের দাম ৪৬-৫০ টাকা। কৃষক এই ৪৬-৫০ টাকা নিয়ে বাড়ি যায়।
সেই আমের কুরিয়ার চার্জ ১৩-১৬ টাকা, হোম ডেলিভারি হলে ২৪-২৬টাকা,বাগান থেকে যানবাহন ভাড়া করে কুরিয়ারে নিয়ে যাওয়ার জন্য অটো ভাড়া, বড় ক্যারেটের মূল্য ২৫০ টাকা,ছোট ক্যারেট ১২০ টাকা। প্যাকেজিংয়ের জন্য পেপার,বস্তা বিল চার্জ ১৮-২০ টাকা।
মানে ব্যাপারটা হলো ঘোড়া আর লাগামের দাম সমান সমান। ১ কেজি আমের ভাড়া ২৪-২৬ টাকা এটা চুরি নয় ডাকাতি নয় রীতিমতো কুরিয়ার সার্ভিসের নৈরাজ্য।
৬০ টাকার আম ১২০-১৪০ টাকায় বাধ্য করছে মানুষকে কিনতে। কৃষক তো দাম পাচ্ছেনা। কিন্তু গালি কৃষকই খাচ্ছে।
বাজার থেকে কেনা আমের মধ্যে মেজর কিছু সমস্যাও আছে।
১. বাজারে, ভ্যানে আমগুলো দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করে বিক্রির জন্য কেমিক্যাল প্রয়োগ করে। ভয়ংকর মাত্রার কেমিক্যাল। আপনার বাজারের যেকোনো দোকানে খেয়াল করলেই বুঝবেন, সেইম আম ৫-১৫ দিন পর্যন্ত সাজিয়ে রাখে, পঁচে না।
২. অনলাইনে অর্ডার করলে কুরিয়ারে যেভাবে পরম যত্নে পাঠানো হয়, বাজারের আমগুলো ট্রাক ভর্তি করে লোড-আনলোডে সেই যত্ন থাকে না৷ ফলে আমের স্বাদে কিছুটা পরিবর্তন হয়।
৩. বাজারের আমগুলো মিক্সড জাতের। একেকটার সাইজ যেন একেকরকম, খেতেও ভিন্ন ভিন্ন স্বাদ। আর আমাদের কাছে ১০ ক্যারেট আম নিলেও প্রতিটার সেইম স্বাদ পাবেন।
যুক্তি তর্কের বাইরে আসল সত্য কথা হচ্ছে অনলাইনে আমের দাম আসলেই বেশি হয়ে যায়। এটা নিয়ে আমরা প্রতি সিজনে বহুবার কথা বলেছি।
আরো বড় কথা হচ্ছে যত কিছুই বলেন, যত দামই হোক একটা মহল আম অর্ডার করবেই। স্বাস্থ্য সচেতন, অর্থবান অনেক ক্যাটাগরীর কাস্টমার থাকবেই।
কেমিক্যাল ফ্রি, ফ্রেশ আম স্বল্প দামে পেতে চাই Fresh fruits service পেজে মেসেজ দিন।
হিমসাগর আম খুব দ্রুত শেষ হয়ে যাবে।ধন্যবাদ