TazkiyahLife

TazkiyahLife Inspiring Lifestyle Since its inception, alhamdulillah we started 2 branches in Rajshahi and 12 sales point in all main cities.
(2)

We have plan to expand Tazkiyah network within country. We appreciate any suggestion/ comments of latent demands, new products idea to develop our true-life product lines. As well as we encourage joint investment proposal from brother(s) who wish to serve the society.

25/02/2026

সিয়ামের মাকরুহ ৩

কফ গিলে ফেলা

কোন কোন আলিম কফ গিলে ফেললে সিয়াম ভেঙে যাবে বলেছেন। কিন্তু থুতুর ন্যায় কফ গিলে ফেললেও সিয়াম ভাঙবেনা বলেছেন অন্যান্য 'উলামা। তবে কফ যদি মুখে উঠে আসে, সেটা ফেলে দেয়াই উত্তম। গিলে ফেলা মাকরুহ।

তেমনিভাবে মুখে থুতু জমিয়ে জমিয়ে গিলে ফেলাটাও অনেল উলামা মাকরুহ বলেছেন।

ওয়াল্লাহু আ'লাম।

25/02/2026

সিয়ামের মাকরুহ ২

নিজ স্ত্রীকে চুমু খাওয়া বা স্পর্শ করা

আয়িশাহ (রদিয়াল্লাহু 'আনহা) বলেন: রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সিয়াম অবস্থায় (তাঁর স্ত্রীকে) চুমু খেতেন এবং স্পর্শ করতেন, কিন্তু তিনি ছিলেন তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংযমী। (বুখারী ১৯২৭ ও মুসলিম ১১০৬)

একদল উলামা "তিনি ছিলেন তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংযমী" থেকে বলছেন যে যদি চুমু খেলে বা স্পর্শ করলে কামনার উদ্রেক হয়, তাহলে তা মাকরুহ। কামনার উদ্রেক না হলে মাকরুহ নয়।

আরেকদল উলামা বলেছেন "তিনি ছিলেন তোমাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সংযমী" অংশ দ্বারা কামনার উদ্রেক উদ্দেশ্য নয়, বরঞ্চ তিনি (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কখনো সিয়াম অবস্থায় সঙ্গম বা বীর্যপাতের দিকে ধাবিত হতেন না সেটাই উদ্দেশ্য। তাই তারা নিজ স্ত্রীকে চুমু খাওয়া বা স্পর্শ করাকে কোন অবস্থাতেই মাকরুহ মনে করেননি, কামনার উদ্রেক ঘটুক বা না। বীর্যপাত বা সঙ্গম না ঘটলে সেটাকে তারা মাকরুহ বলেননি।

ওয়াল্লাহু আ'লাম।

25/02/2026

মাকরুহ মানে হল অপছন্দনীয় অর্থাৎ আল্লাহর কাছে অপছন্দনীয় কাজ।

উসূলে ফিক্বহের ভাষায়, যে সকল কাজ করলে গুনাহ নেই কিন্তু ছেড়ে দিলে নেকী আছে, তাদেরকে বলে মাকরুহ। হানাফী ফিক্বহের উসূলে এটাকে বলে মাকরুহ তানজিহি। সিয়ামের সুন্নাহ এর পর আমরা এরপর জানব সিয়ামের মাকরুহ বিষয় সমূহ নিয়ে, ইনশা আল্লাহ।

সিয়ামের মাকরুহ ১

উদুর (ওজুর) সময় অতিতিক্ত গড়গড়া/কুলি করা ও নাকের বেশি গভীরে পানি নেওয়া।

তিনি (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, "সম্পূর্ণরূপে উদূ কর এবং দাড়ি দিয়ে পানি ভালোভাবে খিলাল কর ও নাক দিয়ে ভালোভাবে পানি টেনে নাও, সিয়াম না থাকলে।" [সুনান আবি দাউদ, ১৪২]

এখান থেকে আমরা দেখতে পাই যে সিয়াম অবস্থায় নাকের বেশি গভীরে পানি নেওয়া উচিত নয়। উলামাগন অনূরুপ কথা বেশি কুলি-গড়গড়ার ক্ষেত্রেও বলেছেন।

ওয়াল্লাহু আ'লাম।

24/02/2026

সিয়ামের সুন্নাহ ৯

"আমি সায়িম(রোজাদার)" একথা বলা

আবু হুরাইরা (রদিয়াল্লাহু 'আনহু) থেকে বর্ণিত, নবী (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন "সিয়াম একটি ঢাল, তাই যখন তোমাদের কেউ সিয়াম থাকে, তখন সে অশ্লীল কথা বলবে না বা নির্বোধের মতো আচরণ করবে না। যদি কেউ তার সাথে লড়াই করে বা তাকে অপমান করে, তবে সে বলবে, 'আমি সায়িম, আমি সায়িম।'" [সুনান আবি দাউদ, ২৩৬৩]

চলতে ফিরতে মানুষের সাথে বাক-বিতন্ডা হয়ে যেতে পারে। একজন সায়িম নিজে থেকে তা শুরু করবেনা আর অন্য কেউ শুরু করলেও সে "আমি সায়িম" এ কথা বলবে এবং অপ্রয়োজনীয় বাক-বিতন্ডায় অংশ নিয়ে নিজের ঢালকে দুর্বল করে ফেলবেনা।

ওয়াল্লাহু আ'লাম।

23/02/2026

সিয়ামের সুন্নাহ ৮

'উমরাহ পালন

আল-বুখারী (১৭৮২) ও মুসলিম (১২৫৬) বর্ণনা করেছেন যে ইবনে আব্বাস (রদিয়াল্লাহু 'আনহু) বলেছেন: আল্লাহর রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) আনসারদের এক মহিলাকে—ইবনে আব্বাস (রদিয়াল্লাহু 'আনহু) তাঁর নাম উল্লেখ করেছিলেন, কিন্তু আমি তা ভুলে গেছি—বললেন, "আমাদের সঙ্গে হাজ্জ আদায় করতে তোমাকে কী বাধা দিয়েছিল?" তিনি বললেন: আমাদের কাছে মাত্র দুইটি উট ছিল, আর তার ছেলের পিতা ও ছেলে একটি উটে হাজ্জ করতে গিয়েছিলেন, এবং তিনি আমাদের জন্য অন্য উটটি রেখে গিয়েছিলেন যাতে আমরা তাতে পানি বহন করতে পারি। তিনি (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন: "যখন রমাদান আসবে, তখন উমরাহ কর, কারণ (সেই মাসে) উমরাহ হাজ্জ করার সমতুল্য।"

'উলামাগণ বলেন যে রমাদানে উমরাহ করলে হাজ্জের সমপরিমান নেকী হয়, কিন্তু হাজ্জ ফরয হলে সেই ফরযিয়াত আদায় হয়না। অর্থাৎ হাজ্জ ফরয হলে হাজ্জ অবশ্যই আলাদাভাবে করতে হবে।

তবে কারো যদি রমাদানে উমরাহ করার সামর্থ্য হয়, যে যেন সেই সুযোগটি গ্রহণ করে।

ওয়াল্লাহু আ'লাম।

23/02/2026

সিয়ামের সুন্নাহ ৭

কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুতের প্রচেষ্টা বৃদ্ধি

আবূ হুরায়রা (রদিয়াল্লাহু 'আনহু) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, "রাতের শেষ এক-তৃতীয়াংশে প্রত্যেক রাতেই আল্লাহ তা’আলা দুনিয়ার আকাশে নেমে আসেন এবং বলেন, "আমিই রাজধিরাজ, যে আমাকে ডাকে আমি তার ডাককে কবুল করি, যে আমার কাছে চায় আমি তাকে দেই, যে আমার কাছে ক্ষমা ভিক্ষা করে আমি তাকে ক্ষমা করে দেই।" ফজরের আলো উদ্ভাসিত না হওয়া পর্যন্ত এভাবেই চলতে থাকে।"

হাদীস থেকে পাওয়া যায় যে রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) রমাদানের রাতগুলিতে প্রায় সারা রাত কিয়াম করতেন। বিশেষ করে শেষ দশকের রাতগুলিতে সারারাত জেগে ইবাদাত করতেন।

কাজেই সিয়াম অবস্থায় রাতের সলাত (কিয়ামুল লাইল) বা তাহাজ্জুতে আমাদের প্রচেষ্টা বৃদ্ধি করা উচিত। এমনিতেই আমরা সুহুর করতে উঠি। সুহুরের পাশাপাশি আমরা কিয়ামের জন্যও কিছু সময় চাইলেই বের করতে পারি।

ওয়াল্লাহু আ'লাম।

22/02/2026

সিয়ামের সুন্নাহ ৬

বেশি বেশি নফল ইবাদাত

সায়িমকে আল্লাহ এমনিতেই বেশি পছন্দ করেন। তাই সিয়াম অবস্থায় অন্যান্য ভাল কাজ বা নফল ইবাদাত বেশি থেকে বেশি করা উচিত। যেমন: দান-সাদাকা, কুর'আন তিলাওয়াত, গরীব-মিসকিনদের খাওয়ানো বা এরকম আরো যত ভাল কাজ আছে তা সিয়াম অবস্থায় বেশি করা

22/02/2026

সিয়ামের সুন্নাহ ৫

সিয়াম অবস্থায় ও ইফতারের পূর্বে দু'আ করা

আবু হুরায়রা (রদিয়াল্লাহু 'আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, "তিন ব্যক্তির দোয়া ফিরিয়ে দেওয়া হয় না। রোজাদার যখন ইফতার করে, ন্যায়পরায়ণ শাসক এবং মজলুমের দোয়া। আল্লাহ দোয়া মেঘের ওপর তুলে নেন, আসমাানের দরজা খুলে দেন এবং রব্ব বলেন, আমার সম্মানের শপথ, আমি অবশ্যই তোমাকে সাহায্য করব যদিও কিছুটা বিলম্ব হয়।"

সিয়াম অবস্থায় ব্যাক্তি আল্লাহর বিশেষ ইবাদাতে লিপ্ত আছে, তাই তার উচিত দু'আ কবুলের সময়গুলিতে বেশি বেশি দু'আ করা। তাছাড়াও দু'আ নিজেই একটা ইবাদাত ও নেকীর কাজ।

আর বিশেষ করে ইফতারের ঠিক আগ মূহুর্ত হল অব্যার্থ দু'আর সময়, যা কারোরই হেলায় হারানো উচিত নয়।

ওয়াল্লাহু আ'লাম।

21/02/2026

সিয়ামের সুন্নাহ ৪

খেজুর দিয়ে সিয়াম ভাঙা

আনাস বিন মালিক (রদিয়াল্লাহু 'আনহু) বলেন, "রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সলাতের পূর্বে কাঁচা খেজুর দিয়ে সিয়াম ভাঙতেন। যদি তা না পেতেন তাহলে শুকনো খেজুর দিয়ে আর তাও না পেলে পানি দিয়ে।"

পেট ভরে ইফতার না করে খেজুর খেয়েই মাগরিবের সলাতের উদ্দেশ্যে যাওয়াটাই সুন্নাহ।কেউ খেতে চাইলে সলাতের পর খেতে পারে।

যেহেতু কাঁচা খেজুর আমাদের দেশে সহজে পাওয়া যায়না, তাই শুকনো খেজুর, যেগুলো আমরা কিনি, সেগুলো দিয়েই সিয়াম ভাঙা উত্তম।

কোন কোন 'আলিম বিজোড় সংখ্যক খেজুরের কথা বলে থাকেন। তবে ইফতারের জন্য বিজোড় সংখ্যা প্রমাণিত নয়। তবে বিজোড় সংখ্যা আল্লাহ ভালবাসেন, তাই অনেকে বিজোড় সংখ্যাকে উত্তম বলেছেন।

যদি কোন খাবার বা পানি না থাকে, তাহলে সূর্য অস্ত যাবার সাথে সাথে সিয়াম ভাঙার নিয়াত করতে হবে মনে মনে।

ওয়াল্লাহু আ'লাম।

21/02/2026

সিয়ামের সুন্নাহ ৩

দ্রুত ইফতার করা

সাহল বিন সাদ (রদিয়াল্লাহু 'আনহু) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, "লোকেরা ভাল থাকবে যতক্ষন তারা দ্রুত ইফতার করবে।" [আল-বুখারী (১৯৫৭) এবং মুসলিম (১০৯৮)]

আবু দাঊদে (২৩৫৩) এই হাদীস আবু হুরাইরাহ (রদিয়াল্লাহু 'আনহু) থেকে বর্ণিত হয়েছে যেখানে "... কেননা ইহুদী ও খৃষ্টানরা দেরী করে" এই কথাটুকু অতিরিক্ত আছে।

অর্থাৎ সূর্য অস্ত গেছে নিশ্চিত হওয়ার সাথে সাথে ইফতারে দেরী না করাটাই সুন্নাহ। আমরা প্রায় কেউই অবশ্য সূর্য দেখিনা, আযান শুনি। আর মুয়াযযিনগণও ক্যালেন্ডার বা অ্যাপ দেখে আযান দেন। এ ক্ষেত্রে সাবধান থাকা জরুরী।

তবে দ্রুত করতে যেয়ে সূর্য দিগন্তে থাকা অবস্থায় কেউ যেন ইফতার না করে। জেনে বুঝে এমনটা করলে সিয়াম হবেনা এবং কাযা আদায় করে দিতে হবে।

ওয়াল্লাহু আ'লাম।

20/02/2026

সিয়ামের সুন্নাহ ২

দেরীতে সুহুর করা

যাইদ বিন ছাবিত (রদিয়াল্লাহু 'আনহু) থেকে বর্ণিত, আমরা রাসূলুল্লাহর (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সাথে সুহুর করলাম। এরপর তিনি সলাতের জন্য দাঁড়ালেন। আমি (আনাস বিন মালিক (রদিয়াল্লাহু 'আনহু)) জিজ্ঞেস করলাম সুহুর ও আযানের মধ্যে সময় কতটুকু ছিল? তিনি (যাইদ বিন ছাবিত (রদিয়াল্লাহু 'আনহু)) বললেন পঞ্চাশটি আয়াত তিলাওয়াতের জন্য যথেষ্ট।

শায়খ সলীহ আল-উসায়মীন (রহিমাহুল্লাহ) মধ্যম দৈর্ঘ্যের, বেশি বড় বা ছোট নয় এমন, পঞ্চাশটি আয়াত তিলাওয়াত করেন ৬ মিনিটে।

শায়খ বিন-বায (রহিমাহুল্লাহ) বলেন এই সময় হল ৫-৭ মিনিট।

অর্থাৎ, দেরীতে সুহুর করাটাই সুন্নাহ, যদিও রাতের শেষ তৃতীয়াংশে হলেই সেটা সুহুর বলে গণ্য হয়।

ওয়াল্লাহু আ'লাম।

20/02/2026

সিয়ামের সুন্নাহ ১

সুহুর:

রাতের শেষ তৃতীয়াংশকে বলা হয় সাহর। আর এই সময়েই করতে হয় সুহুর (সেহরি)।

রাসূলুল্লাহ (সল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, "তোমরা সুহুর করো, কেননা এর মধ্যে আছে বারাকাহ (বৃদ্ধি)"

সুহুর সিয়ামের শর্ত নয়, তবে একটি উৎসাহিত সুন্নাহ যা একজন সায়িমকে সারাদিন চলার ও ইবাদাত করার শক্তি যোগায়।

Address

শুদ্ধ বাজার, শিরোইল স্টেশন রোড
Rajshahi
6100

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:30
Wednesday 16:00 - 20:00
Thursday 16:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 16:00 - 20:00

Telephone

+8801886281434

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when TazkiyahLife posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to TazkiyahLife:

Share

Our Story

Since its inception, Alhamdulillah we started 2 branches in Rajshahi and 12 sales points in all main cities. We have plan to expand Tazkiyah network within country. We appreciate any suggestion/ comments of latent demands, new products idea to develop our true-life product lines. As well as we encourage joint investment proposal from brother(s) who wish to serve the society.