Raj Nexus xpress

Raj Nexus xpress Director: Md Al Ashad
Cell: +880 1773-841 741
A New business side coming soon relise!! Thank You�

21/06/2020
21/06/2020

father's Day

21/06/2020
🚺 পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে নিচের চারটি কাজ অবশ্যই বর্জন করুন 🚺 ১। পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা জল, কোমল পানীয় এবং নারিকেল খাব...
09/06/2020

🚺 পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে নিচের চারটি কাজ অবশ্যই বর্জন করুন 🚺

১। পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা জল, কোমল পানীয় এবং নারিকেল খাবেন না।
-
২। এইসময় মাথায় শ্যাম্পু ব্যাবহার করবেন না। কারণ পিরিয়ডের সময় চুলের গোড়া আলগা হয় ফলে লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে।শ্যাম্পু ব্যবহার এসময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী
মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।
-
৩। এইসময় শশা খাবেন না। কারণ শশার মধ্যে থাকারস পিরিয়ডের রক্তকে জরায়ু প্রাচীরে আটকে দিতে পারে। যার ফলে আপনার বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
-
৪। এছাড়াও লক্ষ্য রাখবেন, পিরিয়ডের সময় যেন শরীরে শক্ত কিছুর আঘাত না লাগে, বিশেষত পেটে। পিরিয়ডের সময়টায় জরায়ু খুব নাজুক থাকে ফলে অল্প আঘাতেই মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। যার ফলে পরবর্তীতে জরায়ু ক্যান্সার, জরায়ুতে ঘাঁ কিংবা বন্ধ্যাত্যের ঝুঁকি থাকে।
-
গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা জল পান করার ফলে পিরিয়ডের রক্ত বের না হয়ে জরায়ু প্রাচীরে জমাট বাঁধতে পারে। যা পরবর্তী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে জরায়ু টিউমার বা ক্যান্সারের আকার ধারণ করতে পারে। তাই কুসুম কুসুম গরম জল খাবেন।
-
দয়াকরে এই তথ্যটুকু আপনার স্ত্রী, মা, বোন, কন্যা সকলের কাছে পৌঁছে দিন যেকোন কিংবা কারো মাধ্যমে। আপনার মাধ্যমে যদি একজন নারীও উপকৃত হয় সেটাও পরম পাওয়া।
জরায়ু ক্যান্সার ও বন্ধ্যান্ত মুক্ত হোক আমাদের মা, বোনেরা।।

( collected)

07/06/2020

ভ্যাকসিন না আশা পর্যন্ত আমাদের শরীরের করোনা এন্টিবডি তৈরী করতে হবে। তাই সবাই প্রস্তত হই শারিরীক ও মানসিক ভাবে।

পজিটিভ হলে যা জানা জরুরি:

1. ভিটামিন সি (যথাসম্ভব)
2. ভিটামিন ই (ট্যাবলেট পাওয়া যায়)
3. প্রতিদিন সকাল ১১টার মধ্যে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রোদ পোহানো.
4. কমপক্ষে একটি করে ডিম প্রতিদিন।
5. প্রতিদিন কমপক্ষে ৭-৮ ঘন্টা ঘুম।
6. প্রতিদিন কমপক্ষে ১.৫ লিটার জল পান এবং প্রতি বেলায় গরম খাবার খাওয়া.
এই কাজ গুলোই হাসপাতালে করা হয়।

•• করোনা ভাইরাসের দেহের pH এর মান 5.5 থেকে 8.5

•• তাই এর চেয়ে বেশি pH level এর খাবার গ্রহনের মাধ্যমে আমরা এর রাসায়নিক গঠন ভেংগে দিতে পারি।

•• 5.5 থেকে 8.5 এর থেকে বেশি pH level এর কিছু খাবার হল :
* লেবু - 9.9 pH
* পাতিলেবু - 8.2 pH
*এভোকাডো - 15.6 pH
* রসুন- 13.2 pH *
* আম- 8.7pH
* ছোট কমলা - 8.5pH
* আনারস- 12.7 pH
* কমলালেবু - 9.2 pH
* তারই সাথে জিংক ট্যাবলেট খেতে পারি।

এর বাহিরেও চীন যে ভাবে করেনা ভাইরাস প্রতিহত করেছে তাও নেওয়া যেতে পারে।

চীনের প্রতিটি বাড়িতেই করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রুগী আছে।কিন্তু সেখানকার বাসিন্দারা এই ভাইরাস এর জন্য কোনো ওষুধ বা ভ্যাকসিন নিচ্ছেন না।তারা এর চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন।এর পরিবর্তে তারা গরম পানির ভাপ দিয়ে ভাইরাসকে বিনাশ করছেন।এর জন্য তারা মাত্র ৩টি কাজ করছেন।
সেগুলো হলোঃ

১. তারা দিনে চারবার কেটলি থেকে গরম পানির ভাপ নিচ্ছেন।

২. দিনে চারবার গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করছেন।

৩. আর দিনে চারবার গরম চা পান করছেন।
এভাবে টানা চারদিন এই ৩টি কাজ করেই ভাইরাসটিকে দমন করছেন তারা।
এভাবেই পঞ্চম দিনে হচ্ছেন করোনা নেগেটিভ।

সুত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন।

•• আপনি কিভাবে বুঝবেন যে আপনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত?

1. গলা চুলকাবে
2. গলা শুকিয়ে আসবে
3. শুকনা কাশি হবে
4. তীব্র জ্বর
5. শ্বাস ছোট হয়ে আসবে
6. গন্ধ ও স্বাদের অনুভুতি চলে যাবে

•• তাই এই লক্ষনগুলো দেখার সাথে সাথে গরম জল ও লেবুর রস খেতে শুরু করুন। এবং ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
শেয়ার করুন আপনি জানুন অন্যকে জানতে সহায়তা করুন। সুস্হ থাকুন, সাবধানে থাকুন।
Copied

30/05/2020

৷৷৷৷৷৷৷৷৷ আতঙ্কজনিত ভীতি বা PHOBIA৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷
জুয়েলের বয়স বাইশ। ছোটবেলা থেকেই তার মাকড়সার ভীতি। যে ঘরে একটি ছোট্ট মাকড়সা দেখা যাবে সেই ঘরে তাকে কোনভাবেই ঢোকানো যাবে না। এমন হয়েছে যে সে কারো বাসায় বেড়াতে গিয়ে মাকড়সার জাল দেখে ছিটকে বেরিয়ে চলে এসেছে। এমনকি মাকড়সার ছবি দেখেও সে প্রায়ই চিৎকার করে ওঠে।
আকাশের সমস্যা অন্য ধরনের। তার বয়স প্রায় পঁচিশ । সে উঁচু জায়গা থেকে নিচে তাকাতে ভয় পায়। বড় বিল্ডিংয়ের ছাদ তো দূরের কথা, জানালার কাছেও সে যায় না। চার-পাঁচতলার ওপর কারো বাসায় সে দাওয়াত খেতে যায় না- চাকরির ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে অফিস ১৪ তলায় দেখে সে ইন্টারভিউ না দিয়ে নিচ থেকেই ফেরত এসেছে।
√√ ফোবিয়া কি?
প্রকৃত বিপদের উপস্থিতি ছাড়াই কোন বস্তু বা পরিস্থিতির প্রতি অত্যধিক ভয়কে বলে ফোবিয়া। গুরুতর কোন পরিস্থিতির ক্ষেত্রে উদ্বেগের অনুভূতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক একটি ঘটনা, কিন্তু কোন বাস্তব কারণ বা বিপদ ছাড়াই উদ্বিগ্ন অনুভব করা কখনো স্বাভাবিক নয়।
♦ফোবিয়ার শারীরিক লক্ষণ ♦
★হার্টবিট বেড়ে যাওয়া ★পেটে অসুবিধা
★গলা-মুখ শুকিয়ে যাওয়া ★ডায়রিয়া
★ প্রচণ্ড ঘাম ★বুকে ব্যাথা ★মাথা ঘোরা
★পেশিতে টান ★ কাঁপুনি ★ঝিমঝিম ভাব
★নিঃশ্বাস নিতে অসুবিধা★অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
♦ফোবিয়ার মানসিক লক্ষণ♦
★অমূলক ভয় ★বাইরের লোকজন এড়িয়ে চলা ★আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া★হতাশ হয়ে পড়া
★উদ্বিগ্নতা বোধ করা
কেন হয় এই ফোবিয়া?
শৈশবের ঘটনা-দুর্ঘটনা, একজন মানুষের বেড়ে ওঠা, তার মনের গড়ন, পরিবার, ব্যক্তিত্ব ইত্যাদি কারণে ফোবিয়া হতে পারে। গুরুতর পরিস্থিতিতে ফোবিয়া থেকে প্যানিক এট্যাক ডিসঅর্ডার জাতীয় অন্যান্য এ্যাংজাইটি ডিসঅর্ডারের সৃষ্টি হতে পারে।সাধারণভাবে ফোবিয়া কয়েক ধরনের হতে পারে। যেমনঃ

★সামাজিকভীতি বা সোশ্যাল ফোবিয়া(Social phobia): এটি উদ্বিগ্নতাজনিত একটি রোগ। এতে আক্রান্তরা পরিচিত মানুষের সমাগম হয় এমন স্থান এড়িয়ে চলে। তারা মনে করে অন্যরা তার কেবল দোষত্রুটি বের করছে আর তাকে ক্ষুদ্র মনে করছে বা অবজ্ঞা করছে।
★বড় খোলা জায়গা বা ভিড়ের প্রতি ভীতি এগোরাফোবিয়া(Agoraphobia): এটিও উদ্বিগ্নতাজনিত অসুখ। এতে আক্রান্তরা খোলা জায়গায় যেতে ভয় পায়। বড় মাঠ বা বিশাল সমতলভূমি বা সমুদের পাড় সব জায়গাতেই নিজেকে অনিরাপদ ভাবে।
★উচ্চতাভীতি বা অ্যাক্রোফোবিয়া (Acrophobia):
উঁচু স্থানে উঠতে ভয় পান বা ওপর থেকে নিচে তাকাতে পারেন না। যাদের এ ধরনের ভীতি রয়েছে তারা বিনোদনকেন্দ্রের বিভিন্ন রাইডে উঠতেও ভয় পান। অতিমাত্রায় এ ভীতি থাকলে কাউন্সেলিং ও চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
★বদ্ধ জায়গার ভীতি বা ক্লাসট্রোফোবিয়া (Claustrophobia):
এ ধরনের অসুখে যাঁরা ভোগেন তাঁদের সব সময় মনে হয় ছোট কোনো ঘরে তাঁরা আটকে যাবেন বা দম বন্ধ হয়ে যাবে। জানালা খোলা রাখেন। অনেক সময় তাঁরা ঘরের দরজা বন্ধ রাখতেও ভয় পান। অপরিচিত জায়গার কোনো ঘর হলে এ ভয় আরো বেশি হয়। এঁরা লিফটে উঠতেও ভয় পান।
★পানিভীতি বা অ্যাকুয়াফোবিয়া (Aquaphobia): এ ধরনের ভীতিতে যাঁরা ভোগেন তাঁরা সমুদ্রে যাত্রা করতে পারেন না, সমুদ্রে গোসলও করতে পারেন না, নদীতেও তাঁদের সমান ভীতি। এমনকি অনেকে বাথটাবের পানিকেও ভয় পান।
★অ্যারাকনোফোবিয়া বা মাকড়সার ভীতি(Arachnophobia):
মেয়েদের মধ্যে এই ভীতি বেশি। মাকড়সা না দেখলেও হঠাৎ করে তাঁরা ঘরের কোণে, বাথরুমে, রান্নাঘরে ইত্যাদি জায়গায় মনে করেন মাকড়সা আছে। মাকড়সার জাল বা মাকড়সা দেখলে তো এই ভীতি আরো বেশি মাত্রায় হয়।
★সাপভীতি বা অফিডিয়ো ফোবিয়া(Ophidiophobia)
:এরা সাপ নিয়ে এমন ভীত থাকে যে গ্রামের বা মেঠোপথ দিয়ে হাঁটতে ভীষণ ভয় পায়। কোনো প্রাকৃতিক পরিবেশে সাপ আছে ভেবে ও ধরনের পরিবেশ এড়িয়ে চলেন।
★কুকুরভীতি বা সাইনোফোবিয়া( Cynophobia): কমবেশি বহু মানুষের মধ্যে এটি আছে। যদিও বেশির ভাগ ক্ষেত্রে কুকুর মানুষকে আগে আক্রমণ করে না কিন্তু এ রোগে আক্রান্তরা মনে করে কুকুর বুঝি তাকে আক্রমণ করার জন্যই অপেক্ষা করছে।
★বজ্রপাতভীতিঅ্যাস্ট্রাফোবিয়া (Astraphobia): বজ্রপাতের শব্দ হলেই এরা আতঙ্কবোধ করে। বজ্রপাতের ভয়ে ঘরের বাইরে যেতে চায় না। এটাও চিকিৎসাযোগ্য অসুখ।
★মাইসোফোবিয়া (Mycophobia): এটি হলো ময়লার ভীতি।। কিছু কিছু মানুষ আছে যারা ময়লা-আবর্জনা দেখে ভয় পায়। সাধারণত এরা ময়লা-আবর্জনা গায়ে লাগলেই তা পরিস্কার করার জন্য অস্থির হয়ে পড়ে।
★পাখিভীতি বা অর্নিথোফোবিয়া(Ornithophobia): ছোট বা বড় পাখি যেমনই হোক, এ রোগে আক্রান্তরা পাখিকে শত্রু মনে করে এবং ভীষণ ভয় পায়।
★রক্তভীতি বা হেমোফোবিয়া(Hemophobia): এটি অনেকের মধ্যেই আছে। এরা রক্তদান করতে পারে না, এমনকি পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য অল্প রক্ত দিতে ভীষণ ভয় পায়। এমনকি অন্য কারো রক্ত ঝরছে এটা দেখতেও পারেন না। অনেক সময় অজ্ঞান হয়ে পড়ে যান।
★এরোফোবিয়া বা উড্ডয়নভীতি( Aerophobia):এরোপ্লেনে চড়ার প্রতি এধরনের মানুষদে ভীষণ ভয় কাজ করে বলে এরা সাধারণত বিমানে চড়ে না।
★চুলভীতি বা চ্যাটোফোবিয়া: এরা মানুষের চুল বা পশুর লোমসব দেখেই ভয় পান। এতে আক্রান্তের সংখ্যা কম।
এছাড়াও আরও কয়েক ধরনের phobia যেমনঃ
★একুসটিকোফোবিয়া (Acousticophobia) – শব্দ ভীতি।
★আগ্রাফোবিয়া (Agraphobia) – যৌন নিপীড়নের ভয়।
★আইচমোফোবিয়া (Aichmophobia) – তীক্ষ্ন বা ধারালো বস্তুর ভয়।
★এলগোফোবিয়া (Algophobia) – ব্যাথ্যার ভয়।
★এজিরোফোবিয়া (Agyrophobia) – রাস্তা পারাপারের ভয়।
★এন্ড্রোফোবিয়া (Androphobia) – মানুষের ভয়।
★এনথ্রোপোফোবিয়া (Anthropophobia) – মানুষের সঙ্গী হওয়া বা এজাতীয় ভয়(একধরনের সামাজিক ব্যাধি) ।
★এনথোফোবিয়া (Anthophobia) – ফুলের ভয় ★এসট্রফোবিয়া (Astraphobia)- বিদ্যুত চমক বা বাজ পড়ার ভয়।
★এটিচিফোবিয়া (Atychiphobia) – অকৃতকার্য হওয়ার ভয়।
★অটোফোবিয়া (Autophobia) – এককীত্বের ভয়।
★এভিয়োফোবিয়া (Aviophobia)– উড়ার ভয়।
★ডেসিডোফোবিয়া (Decidophobia) – সিদ্ধান্ত নেয়ার ভয়।
★ডেন্টালফোবিয়া (Dental phobia) – ডেন্টিস্ট বা দাঁত সম্মন্ধীয় ব্যাপারে ভয়।
★ডিসপোসোফোবিয়া (Disposophobia) – কোন কিছু হারানোর ভয়।
★ইমেটোফোবিয়া (Emetophobia) – বমি করার ভয়।
★জিমনোফোবিয়া (Gymnophobia) – নগ্নতার ভয়
★হেলিয়োফোবিয়া (Heliophobia) – সূর্য অথবা সূর্যের আলোর ভয়
★টেলিফোন ফোবিয়া( Telephone phobia) – ফোন ধরা বা কথা বলার ভয়।
★থানাটোফোবিয়া (Thanatophobia) – মারা যাওয়ার ভয়।
★টোকোফোবিয়া( Tokophobia) – সন্তান জন্মদানের ভয়।
★ট্রামাটোফোবিয়া (Traumatophobia) – আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার ভয়।
★জেনোফোবিয়া( Xenophobia) – বিদেশি, অচেনা কিছু বা লোকের ভয়।

♦ফোবিয়ার চিকিৎসা♦
★কাউন্সেলিং ও সাইকোথেরাপির মাধ্যমে ধাপে ধাপে ভয়ের উৎসের মুখোমুখি হওয়া এবং সমস্যাটির সম্বন্ধে চিন্তাপ্রক্রিয়ায় পরিবর্তন আনা।
★একই ফোবিয়ায় আক্রান্ত অন্যান্য মানুষদের সাথে গ্রূপ থেরাপি।
★কগনিটিভ বিহেভিয়রাল থেরাপি।
★ভয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত উদ্বেগের উপশমের ওষুধের ব্যবহার।
★যোগব্যায়াম ও ধ্যান জাতীয় রিল্যাক্সেশন টেকনিক।
Counselling Psychologist & Psychotherapist
Cell:01711345291,01991333503

Cya nic_Rnx

30/05/2020

কিছু অবাক করা সাইকোলজিক্যাল হ্যাক কী?
আপনি যদি দৈনন্দিন জীবনে একটু কৌশলী হন তাহলে চারপাশের পরিবেশ সহজে অবজার্ভ করতে পারবেন। এজন্য আপনাকে কিছু সাইকোলজিক্যাল হ্যাক জানতে হবে।
কয়েকটা সাইকোলজিক্যাল হ্যাক দেখে নিন
১. নার্ভাসনেসের সময় চুইংগাম চিবাতে পারেন
সাইকোলজিস্ট রায়ান এন্ডারসনের মতে,নার্ভাস থাকলে আমাদের মস্তিষ্ক ঠিকমতো কাজ করে না।তখন আপনি চুইংগাম চিবিয়ে মস্তিষ্ককে বোকা বানাতে পারেন।এতে ব্রেইন মনে করবে আপনি নার্ভাস নয় কারণ অলরেডি কাজ করছেন( চুইংগাম চিবানো)।এভাবে নার্ভাস অবস্থায় ও মস্তিষ্ককে বার্তা দিতে পারছেন যে আপনি শান্ত আছেন
২.দাঁড়িয়ে আড্ডা দেওয়ার সময় সঙ্গীর পায়ের পাতার দিকে নজর রাখুন
যার সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছেন তার পায়ের আঙ্গুল যদি আপনার দিকে নির্দেশ করা থাকে তাহলে বুঝবেন সে আপনার কথায় মনোযোগী। যদি তার পায়ের আঙ্গুল অন্যদিকে মুখ করা থাকে বুঝবেন সে আলাপে আগ্রহী নয়। তার মনোযোগ অন্য কোথাও...
ছবিতে সবার মনোযোগ ভদ্রমহিলার দিকে
৩.সঙ্গীর রাগ এড়াতে তাৎক্ষণিকভাবে তার মুখ বরাবর বসে পড়ুন
এটা অদ্ভুত শোনালেও সাইকোলজিক্যালি প্রমাণিত এক্সপেরিমেন্ট। যখন আপনি রাগান্বিত ব্যক্তির মুখ বরাবর বসে পড়বেন ঘটনার আকস্মিকতায় সে অবাক হবে এবং আপনার নৈকট্য তার রাগকে নিমিষেই কমিয়ে দেবে।
৪.একদল লোকের কাছে সাহায্য না চেয়ে একজনের নিকট সাহায্য চাইবেন
যখন আপনি কয়েকজনের সামনে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করবেন সেটা ভালো ফলাফল বয়ে আনবে না।কারণ অনেকজন থাকায় তারা পরস্পরের উপর দায় চাপিয়ে দেবে এতে আপনার সাহায্য পাওয়ার সম্ভাবনা কমে যাবে।
কিন্তু একজনের কাছে চাইলে তার সামর্থ্য থাকলে অবশ্যই সাহায্য পাবেন কারণ এখানে দায়িত্ব এড়ানোর সুযোগ নেই
৫.সুপারশপে রাগী কাস্টমারকে নিবৃত করার উপায়
আপনি যদি সুপারশপের ক্যাশে বসেন তাহলে আপনার ঠিক পেছনে একটা আয়না ঝুলিয়ে দিন।যাতে টাকা বিনিময়ের সময় কাস্টমারের চেহারা দেখা যায়।এতে কেউ রেগে গেলে তার বিশ্রী চেহারা আয়নায় ভেসে উঠব, কেউই নিজেকে খারাপভাবে দেখতে চায় না।ফলে আপনাকে কোন রাগী কাস্টমারের মুখোমুখি হতে হবে না
৬.হ্যান্ডশেকের সময় হাতের তালু উষ্ণ এবং শুষ্ক রাখুন
উষ্ণ হাত আপনার পজিটিভ এটিটিউড এর লক্ষণ। হ্যান্ডশেকের সময় হাত উষ্ণ থাকলে সঙ্গী আপনাকে কনফিডেন্সড ভাববে।
হাত যদি শীতল থাকে তাহলে সঙ্গী মনে করবে আপনি নার্ভাস এবং দূর্বল। তাই হ্যান্ডশেকের পূর্বে দুই হাতের তালু ঘষে নিন হাতকে শুকনো রাখার চেষ্টা করুন
৭.আড্ডা দেওয়ার সময় বারবার সঙ্গীর নাম নিন
আমরা সবাই অন্যের মুখে নিজের নাম শুনতে চাই। একটা প্রাচীন প্রবাদ আছে যে,সবার পছন্দের টপিক হচ্ছে তারা নিজে।তাই কথা বলার সময় বারবার সঙ্গীর নাম নিন।
ব্রো,বাড্ডি,ড্যুড, ভাই বলার চেয়ে নাম ধরে ডাকুন এতে সহজে সঙ্গীর মন জয় করতে পারবেন
৮.নিজের স্কিল বাড়াতে চাইলে শেখা মাত্রই অন্যকে শেখানোর চেষ্টা করুন
যখন আপনি নতুন কোন কাজ শিখলেন সেটা নিজে বারবার প্র্যাকটিস করার চাইতে কাউকে শেখানো শুরু করুন।এতে কাজটি বেশি আয়ত্তে আসবে।
দেখুন>শিখুন>শেখান
৯.রাগান্বিত সঙ্গীর সামনে শান্ত থাকুন
আপনার সঙ্গী যদি রেগে যায় আপনার উপর তখন প্রতিক্রিয়া দেখাবেন না।একদম শান্ত থাকুন।আপনার নির্লিপ্ততা তাকে শীঘ্রই অনুতপ্ত করবে এবং আপনার কাছে দুঃখ প্রকাশ করবে সে, নিশ্চিত থাকুন।
১০.প্রথম ও শেষ ইমপ্রেশন ভালো রাখুন
মানুষের সাইকোলজি হচ্ছে সে কারো সম্পর্কে পুরোপুরি মনে রাখে না। মানব মস্তিষ্ক সাধারণত প্রথম ও শেষ স্মৃতি মনে রাখে। এজন্য কারো স্মৃতিতে থাকার ইচ্ছে হলে প্রথম ও শেষ ইমপ্রেশনস ভালো রাখুন।
এই হ্যাকস গুলো প্রয়োগ করুন ডেইলি লাইফে দেখবেন কত সহজ হয়ে পড়েছে জীবন!
Collected
Cya nic_Rnx

30/05/2020

#মানসিক_স্বাস্থ্য_ও_কোভিড_১৯
~আহমেদ হেলাল
সহযোগী অধ্যাপক, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট, ঢাকা~
উপদেশগুলো দেওয়া যত সহজ, পালন করা ততই কঠিন। বৈশ্বিক মহামারি একটি অস্বাভাবিক পরিস্থিতি। এই অস্বাভাবিক সময়ে আতঙ্কগ্রস্ত ও উদ্বিগ্ন হওয়াই স্বাভাবিক। এ সময় কোনো কিছুতে সহজে মন বসে না।
বিজ্ঞান বলে, এ সময়ে মানসিক চাপ কমাতে না পারলে রোগ প্রতিরোধক্ষমতা কমবে আর চিন্তাভাবনা এলোমেলো হওয়ার কারণে স্বাস্থ্যসতর্কতাও ঠিকমতো মানা যায় না। এ জন্য ঘরবন্দী অবস্থায় মন ভালো রাখতেই হবে। থাকতে হবে মানসিক চাপমুক্ত। যাঁরা চাকরি বা ব্যবসা করেন কিংবা পড়ালেখা করেন, তাঁরা এ সময় বাইরে যেতে পারছেন না। ঘরের ভেতর মনটা তো ছটফট করবেই। এই অস্থিরতা আর ছটফটানি কমাতে যা যা করা উচিত, তা হলো:
● দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন: সবার আগে আপনার মনোভাব আর দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে ফেলুন। এটি একটি যুদ্ধাবস্থা। এই যুদ্ধে জিততে হলে আপনাকে ঘরে থাকতেই হবে। তাই নিজেকে ঘরবন্দী ভাববেন না। কিছুই করছেন না, এটা ভাববেন না।
● রুটিন পাল্টাবেন না: ঘরে আছেন, অফিস বা কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ—এই চিন্তায় দৈনন্দিন রুটিন আমূল বদলে ফেলবেন না। স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে যতটুকু সময় অফিসে কাটাতেন বা পড়ালেখা করতেন, এ সময়টুকুতে বাড়িতে বসে অফিসের কাজ বা পড়ালেখা করার চেষ্টা করবেন।
● ঘুমের নিয়ম: রাতে বেশি জাগবেন না। বেশি বেলা পর্যন্ত ঘুমাবেন না। দিনের বেলা বিছানায় বা সোফায় শুয়ে থাকবেন না।
● ‘করোনা’, ‘করোনা’ নয়: সারা দিন যদি কেবল করোনা নিয়েই পড়ে থাকেন, টিভি আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেবল করোনার সংবাদ দেখতে থাকেন, তবে সত্যিকারের ভাইরাসের আক্রমণের আগেই আপনি একধরনের তথ্য-ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়বেন। জীবন করোনাময় হয়ে যাবে। তাই অন্যান্য বিষয়ে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্টা করুন।
● সামাজিক যোগাযোগ: সামাজিক দূরত্ব রাখতে বলা হয়েছে এই করোনাকালে। বিকল্প উপায়ে সামাজিক যোগাযোগ বজায় রাখবেন। প্রতিদিন আত্মীয়স্বজন ও বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে ফোন, মেসেঞ্জারে যোগাযোগ করুন। তাঁদের কুশলাদি জানুন।
● পরিবার গুরুত্বপূর্ণ: পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে, নিরাপদভাবে গুণগত সময় কাটান। ঘরোয়া খেলাগুলো খেলুন। বিশেষ করে শিশুদের চাওয়া-পাওয়ার দিকে বেশি মনোযোগী হোন। সবাই মিলে একটি সিনেমা দেখে, সেটা নিয়ে আলোচনা করুন। বই পড়ায় হয়তো মন বসবে না। তাই সবাই মিলে কয়েকটি বই নির্দিষ্ট করে সবাইকে সেগুলো পড়ে একটি ছোট আলোচনার ব্যবস্থা করুন। লুডু, ক্যারমের মতো ঘরোয়া খেলা খেলতে পারেন।
● ঘরোয়া কাজে অংশ নিন: ঘরের কাজে পরিবারের ছোট–বড়, নারী-পুরুষ—সবাই অংশ নিন। এতে একজনের ওপর কাজের চাপ কমে যাবে আর প্রত্যেকের মানসিক চাপ কম থাকবে।
● নিজেকে সময় দিন: প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে নিজেকে নিয়ে ভাবুন। জানালার ধারে বা বারান্দায় অল্প সময়ের জন্য বসুন। প্রয়োজনে ডায়েরি লিখতে পারেন।
● ইতিবাচকভাবে কাজে লাগান: লেখালেখির অভ্যাস থাকলে লিখুন। অনলাইনে অনেক ওয়েবসাইট আছে (গুগল গ্যারেজ, বিদেশি ভাষা শেখা), যেখানে অনেক কিছু শেখা যায়, সেগুলো শেখার চেষ্টা করুন।
● কী খাবেন: এ সময় শারীরিক কাজগুলো কম হয়। আর চাপের কারণে বাড়তে পারে ওজন। সব মিলিয়ে পুষ্টিকর অথচ ওজন বাড়ে না, এমন ধরনের খাদ্য গ্রহণ করবেন। চিনি, চর্বি, কোমল পানীয় বর্জন করবেন। শাকসবজি ভালো করে ধুয়ে সেদ্ধ করে খাবেন।
● স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন: কোভিড-১৯–এর কোনো লক্ষণ দেখা দিলে বিচলিত না হয়ে টেলিফোনে স্বাস্থ্য বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। আতঙ্কিত হয়ে আগেই হাসপাতালে ছুটবেন না। মনে রাখবেন, আপনার ছোটাছুটি রোগটির বিস্তার বাড়াতে পারে। তাই সবার আগে টেলিফোনে পরামর্শ নিন।

30/05/2020

.... ............. Sleep Deprivation.....
(ঘুমের সমস্যা,কারণ,না ঘুমানোর ফলাফল ও তা মোকাবেলা করার উপায় )
ইদানিং ফিরোজ সাহেব তার অফিসের কাজে মনোনিবেশ করতে অসুবিধা অনুভব করছে।ম্যানেজার পদে আছে বিধায় তাকে অনেক বড় সিদ্ধান্ত নিতে হয় কিন্তু ইদানিং সিদ্ধান্ত নিতে তার প্রবলেম হয়ে যাচ্ছে। সবসময় তার ক্লান্ত এবং মনটাও বিষন্ন লাগছে।দিনের বেলা চোখ ঘুমে জড়িয়ে যাচ্ছে।কিন্তু রাতে তার ঠিকমত ঘুম হচ্ছে না।এভাবে ঘুমের অভাবের দরুন ফিরোজ সাহেবের ব্লাড প্রেশার ও ওজন বেড়ে যায়।
♦ঘুম কী ও ঘুমের প্রকারভেদ♦
দিনের চব্বিশ ঘন্টার মধ্যে ঘুম হচ্ছে সেই সময় যখন আমরা আমাদের চারপাশ সম্বন্ধে অবহিত থাকি না।
ঘুম প্রধানত দুধরনের হয়।
যথাঃ-i)রেম
ii)নন রেম
i)রেমঃ
রেম ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক সজাগ থাকে এবং আমরা স্বপ্ন দেখি।
ii)নন রেম
এই ঘুমের সময় আমাদের মস্তিষ্ক নিষ্ক্রিয় থাকে, তবে শরীর নড়াচড়া করতে পারে।
♦কতটা ঘুম আমাদের প্রয়োজন?♦
এটা প্রধানত আমাদের বয়সের উপর নির্ভর করে।
√ ছোট শিশু দিনে সতের ঘন্টা ঘুমায়।
√একটু বড় হলে তারা রাতে ৮/৯ ঘন্টা ঘুমায়।
√প্রাপ্তবয়স্কদের সাধারনতঃ ৭/৮ ঘন্টা ঘুমের প্রয়োজন।
♦না ঘুমানোর ফলাফল♦
√ঘুম না হলে অথবা কম ঘুমে আয়ু কমে যায়।
√ ঘুমের অভাব আমাদের ভালো থাকা বা না থাকাকে অনেকখানি প্রভাবিত করে।অনেকেই আছেন যারা এক রাত না ঘুমালেই একদম ভেঙে পড়েন।
√একটানা দীর্ঘ দিন না ঘুমানোর ফলে আচরণ ও কাজে মারাত্মক প্রভাব পড়ে। মনোযোগ ও শর্ট টাইম মেমোরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, হেলুসিনেশন হয়, এমনকি মস্তিষ্ক বিকৃতিও হতে পারে।
√না ঘুমোবার ফলে আমাদের ম্যাজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।
√আমাদের মধ্যে বিষন্নতা,উদ্বিগ্নতা,হতাশা বেড়ে যায়।
√হার্টের সমস্যার মতন নানান জটিল শারীরিক রোগ দেখা দিতে পারে।
♦ঘুম না আসার কারণ♦
√মানসিক অশান্তি।
√কর্মক্ষেত্রে অসুবিধা।
√কোন কিছু নিয়ে অতিরিক্ত দুশ্চিন্তা করা।
√ মানসিক চাপ।
√ ঘুমের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ না থাকা।
√ ঘুমের ঔষধের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে যাওয়া।
√ধুমপান, মদ্যপান, ক্যাফেইন জাতীয় খাবার যা ঘুমের সমস্যা তৈরি করে এমন খাবার খাওয়া।
√ পেটে ক্ষুধা নিয়ে ঘুমাতে যাওয়া।
√রাতের বেলায় গুরুপাক খাবার খাওয়া।
√শোবার ঘরে বেশি শব্দ বা বেশি গরম কিংবা বেশি ঠান্ডা ঘুম না আসার কারণ হতে পারে।
√বিছানা বেশি ছোট বা আরামদায়ক না হলে।
√প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে না গেলে।
♦ঘুমের সমস্যা মোকাবিলা করার উপায়♦
ঘুমের সমস্যা দূর করার কিছু কার্যকর মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতি রয়েছে।এই মনোবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে ঘুমের সমস্যা কার্যকর ভাবে দূর করা সম্ভব। এখানে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলঃ
♣প্রতিদিন একটা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো।
♣ঢিলেঢালা আরামদায়ক পোষাক পরুন। ঘরে হালকা আলো জ্বেলে রাখুন।
♣দিনের বেলা ঘুমানোর অভ্যাস পরিত্যাগ করা।
♣ঘুমাতে যাওয়ার আগে আলোর সংস্পর্শে যতটা কম আসা যায় আর সকালের আলোতে যত বেশি থাকা যায় তত ভালো ঘুম হবে।এজন্য বিছানার চাদর ও পর্দার রং হতে হবে হালকা (সাদা,হলুদ,টিয়া,আকাশি ইত্যাদি)
♣ রাতের অন্ধকারের সঙ্গে ঘুমের একটা নিবিড় সম্পর্ক আছে । তাই ঘুমানোর আগে ঘরের পর্দা টেনে দিয়ে অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ তৈরি করতে হবে। কোলাহলপূর্ণ পরিবেশে ঘুম হয় না।
♣ঘুমানোর জন্য উপযুক্ত আরামদায়ক ও শান্ত স্থান নির্বাচন করে নিন।ভালো ঘুমের জন্য শোবার ঘরের সাথে শারীরিক তাপমাত্রা মিলিয়ে নিতে হবে ।
♣ঘুমোবার পূর্বে শারীরিক ব্যায়াম বা পরিশ্রম করলে ঘুম ভালো হয়।দৈনন্দিন জীবনের মানসিক চাপ ঘুমের উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। যারা নিয়মিত ব্যায়াম করেন, তারা দ্রুত ঘুমিয়ে পড়তে পারেন।
♣পারলে ঘুমোবার ২/৩ ঘন্টা আগে গোসল করে ফেলুন।
♣বিছানা শুধুমাত্র ঘুমের জন্যই ব্যবহার করুন, বিছানায় শুয়ে বসে টিভি দেখা, খাওয়া পড়াশোনা করা, এগুলো যতটা সম্ভব না করা ভাল। মোটকথা,বিছানার সাথে ঘুমের একটা নিবিড় সম্পর্ক তৈরি করা উচিত। গবেষকদের মতে, “বিছানার চাদর পরিষ্কার থাকলে ৭৫ শতাংশ মানুষেরই ঘুম ভালো হয়।”
♣রাতে চিনিযুক্ত খাবার বেশি খেলে ঘুমে সমস্যা হয়। খেতে পারেন গরম দুধ।এতে ঘুম ভালো হয়।
♣শুয়ে পড়ার ১৫ মিনিটের মধ্যে যদি ঘুম না আসে তাহলে শুয়ে না থেকে উঠে একটু হাটাহাটি করা উচিত, এরপরে ঘুম চলে আসলে ঘুমাতে যেতে হবে ।
♣বিছানায় শুয়ে পরার পরে আর মোবাইল চালানো উচিত নয়।এছাড়া শুয়ে শুয়ে টিভি বা কম্পিউটার দেখাও উচিত না।
♣শুয়ে পরার পরে মাথায় হাজারো চিন্তা আসতে থাকে, কাল কি করবো না করবো, কি হবে না হবে, আজকে কি হয়েছে, কি হলে ভালো হতো? শুয়ে পরার পরে মাথা থেকে এই সকল চিন্তাগুলোকে পানিতে ফেলে দিন, মাথা ফাকা করে দিয়ে ঘুমাতে যান, ভাবুন কালকেরটা কালকে দেখা যাবে, যা হয়েছে তা হয়ে গেছে। এভাবেই শরীর এবং মনকে রিলাক্স করতে করতে ঘুমের প্রতি মনোনিবেশ করুন।
♣রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতের বেলায় নিজ বিছানায় শোয়ার (ঘুমানোর আগে) সময় নিজ হাত গালের নিচে রাখতেন।
অতঃপর বলতেন-
‏ اَللَّهُمَّ بِاسْمِكَ أَمُوتُ وَأَحْيَا
উচ্চারণ- আল্লাহুম্মা বিসমিকা আমুতু ওয়া আহইয়া।
অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আপনারই নামে মরে যাই আবার আপনারই নামে জীবন লাভ করি।’
আর যখন (ঘুম থেকে) সজাগ হতেন, তখন বলতেন-
الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أَحْيَانَا بَعْدَ مَا أَمَاتَنَا وَإِلَيْهِ النُّشُورُ
উচ্চারণ- ‘আলহামদু লিল্লাহিল লাজি আহইয়ানা বা’দা মা আমাতানা ওয়া ইলাইহিন নুশুর।’
অর্থ : ‘সব প্রশংসা ওই আল্লাহর জন্য, যিনি মৃত্যুর পর আমাদের জীবন দান করেছেন এবং তার দিকেই আমাদের পুনরুত্থান।’............ এগুলোকে "sleep hygiene"বলা হয়।
ঘুমের সমস্যাটা আমাদের জীবনে খুবই কমন একটা সমস্যা।বিজ্ঞানীরা বরাবরই ঘুমের ওপরে যথেষ্ট জোর দিয়ে আসছেন। ঘুমের সমস্যা মোকাবিলা করার জন্য আমরা প্রয়োজনে মনোবিজ্ঞানীদের শরণাপন্ন হতে পারি।
Collected
Cya nic_Rnx

Address

Rajshahi Centrail Tarminal
Rajshahi
6200

Opening Hours

Monday 17:00 - 20:00
Tuesday 08:00 - 12:30
Wednesday 17:00 - 20:00
Thursday 17:00 - 20:00
Friday 17:00 - 20:00
Saturday 17:00 - 20:00
Sunday 17:00 - 20:00

Telephone

+8801773841741

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Raj Nexus xpress posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Raj Nexus xpress:

Share