FMG tv

FMG tv আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন। সুদকে হারাম। এই বাণীকে সামনে রেখে গ্রাহকের আস্থা অর্জনে বদ্ধ পরিকর।

10/06/2023

কাজ করছি, ইসলামিক বই, রিচার্জ অফার ও মধু নিয়ে।

আছে লিচু ফুলের মধু
সরিষা ফুলের মধু
কালোজিরা মধু
চাকের মধু
মধুময় বাদাম।

আপনার ও আপনার পরিচিত কারো কিছু
প্রয়োজন হলে যোগাযোগ করুন ইনবক্সে অথবা
ইমু, হোয়াটসঅ্যাপে : 01797371869

04/02/2021

শায়খ আহমাদুল্লাহর করোনা পজেটিভ; তাঁর সুস্থতা কামনায় দোয়ার আবেদন রইল

আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান, সবার প্রিয় শায়খ আহমাদুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভুগছিলেন। অসুস্থতা সত্ত্বেও তিনি বিরামহীনভাবে কাজ করেছেন। গতকাল তিনি নাটোরে পূর্বনির্ধারিত একটি মাহফিলে আলোচনা করেন। মাহফিল চলাকালে তিনি অসুস্থতা বোধ করেন। নাটোর থেকে ফেরার পথে তাঁর শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। অবস্থা গুরুতর হলে রাত ৩:০০ টায় তাঁকে ঢাকার পান্থপথের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকগণ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাঁর ফুসফুস ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান। হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরপরই তাঁর শরীর থেকে কোভিড টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। টেস্টে তাঁর করোনা পজিটিভ ধরা পড়ে।

দীনের দাঈর জন্য সবাই দোয়া করবেন। আল্লাহ যেন তাঁকে দ্রুত আরোগ্য দান করেন। তিনি যেন শিগগিরই আমাদের মাঝে সুস্থ শরীরে ফিরে আসতে পারেন এবং দীন ও উম্মাহর খেদমতে পূর্বের মতো পূর্ণোদ্যমে আত্মনিয়োগ করতে পারেন।

http://jamirinews24.com/2021/02/04/শায়খ-আহমাদুল্লাহর-করোনা/

27/12/2020

ইতালির পম্পেই শহরে দুই হাজার বছর আগের রোমানদের ফাস্ট ফুডের দোকানের সন্ধান পাওয়া গেছে। রোমের একটি সংবাদমাধ্যমে প....

07/07/2020

প্রজন্মের পক্ষ থেকে
আল্লামা আহমদ শফী ও
আল্লামা বাবুনগরীর প্রতি খোলা চিঠি
——————————————

শায়খুল ইসলাম আল্লামা আহমদ শফী এখন এমন এক বয়সে উপনীত, যখন মানুষের নিজস্ব কোনো চিন্তা গঠন হয় না। নিজে নিজে কিছু করার সক্ষমতার সময়গুলো তিনি ফেলে এসেছেন দূর অতীতে। এই পর্যায়ের মানুষদের চিন্তা, সিদ্ধান্ত ও সক্রিয়তার পুরোটাজুড়েই থাকে ঘনিষ্ঠজনদের বিচরণ। তাই ভালো-মন্দের কৃতিত্ব-দায়টাও প্রধাণত তাদেরই প্রাপ্য। কিন্তু ইতিহাস বড় নিষ্ঠুর। ইতিহাস এমন মহানদের জীবনময় কর্মগুলোকে যেমন তাদের জীবনীতে আলোকপাত করে, তাদের শেষ জীবনের এই ঘনিষ্ঠজনদের তৎপরতাগুলোকেও তাদেরই জীবনসূচীতে গেঁথে রাখে।

বাংলাদেশের ইতিহাসে ইসলামপন্থীদের অবিস্মরণীয় ঐক্যমতের যে আকাশছোঁয়া জনপ্রিয়তা আল্লামা আহমদ শফী পেয়েছেন, তা এক কথায় অভূতপূর্ব ও অতুলনীয়। ২০১৩ সালে হেফাজতের অভ্যুদয় তাঁকে জাতীয় পর্যায়ের এই সমীহ জাগানিয়া উচ্চতায় আসীন করেছে। হাটহাজারীর গোশানাশীন বুজুর্গী থেকে তিনি বাংলাদেশের এক মহান প্রভাবক ব্যক্তিত্বে পরিণত হয়েছেন। এই সময়টাতে তিনি বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত ও শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব।

আল্লামা আহমদ শফীর এই সন্মান ও প্রভাব ওনাকে বাংলাদেশে ইসলামপন্থীদের অবিসংবাদিত প্রতীকে পরিণত করেছে। এর পেছনে নিয়ামকের ভূমিকা রেখেছে ওনার সর্বজনগ্রহনযোগ্যতা তথা মাকবূলিয়তে আম্মাহ। কাজেই আজকের আল্লামা আহমদ শফী শুধু একজন ব্যক্তি নন, একটি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। যেই প্রতিষ্ঠানের ভিত রচনায় যেমন ব্যক্তি আহমদ শফীর শতাব্দীকালের কর্মের ভূমিকা রয়েছে, তেমনি ভূমিকা রয়েছে সারাদেশের ওই সকল আলেমদের, যারা বছর বছর ধরে তাঁর আনুগত্য করেছেন নির্দ্বিধায়, তাঁর নেতৃত্বের কথা জোরগলায় বলে বেড়িয়েছেন মিম্বর থেকে রাজপথে। একজন জাতীয় প্রভাবক আহমদ শফী বিনির্মাণের ইতিহাস রচিত হয়েছে বহু শহীদের লাল লহুতে। আল্লামা আহমদ শফী তাই ঘনিষ্ঠজনদের নিকট জাতির আমানত। শত শহীদের রক্তবিধৌত লাল উপাখ্যান।

হেফাজতের মহা জাগরণ যেমন গোশানাশীন আহমদ শফীকে জাতীয় প্রতীকে পরিণত করেছে, তেমনি হাদীসের মসনদনাশীন জুনায়েদ বাবুনগরীকেও দিয়েছে জাতীয় বীরের গৌরবজনক খেতাব। তাই আল্লামা আহমদ শফীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত ভিত্তিহীন অভিযোগ যেমন শুধু হাটহাজারী মাদরাসার এহতেমামের বিরুদ্ধেই চ্যালেঞ্জ নয়, বরং জাতির শ্রদ্ধার আসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার নামান্তর। তেমনি বাবুনগরীর দিকে অভিযোগের অঙ্গুল শুধু হাটহাজারীর হাদীসের মসনদকেই ঝাঁকুনি দেয় না, গোটা জাতির ভালোবাসার আসনেও আঘাত করে। আর তাই আল্লামা আহমদ শফীর বিরুদ্ধে আনীত ভিত্তিহীন কোনো অভিযোগের যেমন অপনোদন জরুরি, একইভাবে আল্লামা বাবুনগরীর দিকে উত্তোলিত অসৎ আঙ্গুলগুলোও মুড়িয়ে দেওয়া প্রয়োজন। যারা প্রথমটি করেছেন, দ্বিতীয়টি করাও তাদের দায়িত্ব। যারা দ্বিতীয়টি করবেন, প্রথমটিও তাদেরকে স্মরণে রাখতে হবে। এই যে হেফাজতের জাগরণ, আহমদ শফীর সন্মান, বাবুনগরীর গৌরব আর শত শহীদের রক্তের ঋণ সব মিলিয়েই আমরা হেফাজতি। এটাই আমাদের স্পর্ধিত পরিচয়। এই পরিচয়েই আমরা শীর উঁচু করে আছি, সোজা রেখেছি মেরুদন্ডের হাড়।

আমরা এটাও বুঝি, হেফাজতে ইসলাম শুধু একটি সংগঠনের নাম নয়, এটি একটি স্কুল অফ থট। একটি অমর চেতনার নাম। হেফাজতের সাংগঠনিক পরিচয়ের চেয়ে এর আদর্শিক পরিচিতিটা অনেক বেশি মহিয়ান। আল্লামা আহমদ শফী এবং আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরীর প্রতি প্রজন্মের আত্মমর্যাদাবান সন্তান হিসাবে প্রথমত আবেদন দ্বিতীয়ত অধিকার তৃতীয়ত দাবি আর সর্বশেষ আমাদের স্পষ্ট পয়গাম হচ্ছে, এই জনপদের রাসূলপ্রেমী জনতা আপনাদেরকে যে ভালোবাসা আর সম্মান দিয়েছে এবং যেই সুযোগ আর সুবিধার দুয়ার খুলে দিয়েছে প্রতিদানে আপনারা তাদের উঁচু মাথাটাকে লজ্জার গ্লানিতে ডুবিয়ে দেবেন না। তাদেরকে জাতির সামনে হাস্যকর বানাবেন না। নতুন কোনো অর্জনের পালক সংযোজন করার আর প্রয়োজন নেই, ন্যূনতম অর্জিত গৌরবের পরিচয়কে ধ্বংস করে দেবেন না।

পরিস্কার করে বলতে গেলে, বাতাসে যে মাইনাস প্লাসের গুজব ভাসছে, আমরা সেটাকে গুজবের পরিধিতেই সীমাবদ্ধ দেখতে চাই। ওই অশুভ সংবাদটি যেন সত্যে পরিণত না হয়। এমনিতেই সংগঠন হেফাজতে ইসলামের সেই প্রভাব আর নেই। এখন যেটা টিকে আছে, সেটা হলো- হেফাজতি গৌরব আর আত্মমর্যাদার পরিচয়। হেফাজত সংগঠনের কাছ থেকে আমাদের চাওয়া এতটুকুই, আমরা ওই আত্মমর্যাদা আর গৌরবটুকু নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই, এগিয়ে যেতে চাই নতুন কোনো বালাকোট আর নতুন কোনো সাইয়্যেদ আহমদ শহীদের সন্ধানে। হেফাজতকে যে বা যারা দ্বিখণ্ডিত করবে, মাইনাস প্লাসের কাঁচি টকওমী ফোরামর সাথে অন্য কেউ থাকলেও হেফাজতিরা নেই।

প্রজন্মের পক্ষে
কওমী ফোরাম
৭জুলাই’২০২০

মেনশন করুন আপনার প্রিয় মানুষকে যাকে আপনি বলতে চান......👇
27/06/2020

মেনশন করুন আপনার প্রিয় মানুষকে যাকে আপনি বলতে চান......👇

10/02/2020

এক.
বিয়ে করবো। মেয়ে দেখতে গেলাম। দেখা শেষ। ছোট বোন বললো, ভাইয়া এক হাজার টাকা দেন। আমার প্রশ্ন, কেনো? সে বলে এটা নিয়ম, মেয়ে দেখে টাকা দিতে হয়। আমি অবাক! কেনো? সে ও তো আমাকে দেখলো। তাহলে জরিমানাটা আমার হবে কেনো? তার ও তো উচিৎ আমাকে কিছু দেয়া। কিন্তু তা কখনো হয় না। ( ইসলামে নেই, তবে সমাজে এটাই হয়)
দুই.
মেয়ে পছন্দ হলো। কথাবার্তা ফাইনাল। আমাকে পাঁচ ভরী স্বর্ণ, পাঁচ লাখ টাকা মোহরানা, আরো পঞ্চাশ হাজার টাকা প্রসাধনী বাবৎ দিতে হবে। কিন্তু কেনো? বিয়ে তো আমি একা করছি না, সে ও তো আমাকে বিয়ে করছে। তাহলে সব আমি বহন করবো কেনো?
তিন.
সব দিয়ে এবার কাবিন নামায় স্বাক্ষর করতে গিয়েও থমকে গেলাম! কাজী মহোদয় শর্ত শুনিয়ে দিলেন, আজ থেকে কনের অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থানের সম্পুর্ণ দায় দায়িত্ব আপনার এবং তা হতে হবে যুগোপযোগী। এখানেও আমি পুরুষ পরাজিত।
চার.
বিয়ের পর গেলাম হানিমুনে। চার দিন পাঁচ তারকা হোটেলে কাটালাম। বিশ হাজার টাকা বিল পরিশোধ করার বেলায় সে পাশে সরে দাঁড়ালো। ওপেন হলো আমারই ব্যাংক কার্ডের পাসওয়ার্ড। তাহলে আমি কী একাই বিনোদিত হয়েছি? সে উপভোগ করেনি? বিলটা কিন্তু আমি একাই দিলাম।
পাঁচ.
হোটেল থেকে বের হলাম। বড়োসড়ো ব্যাগটা বহন করে গাড়িতে নিতে হবে। তাকে বললাম, নাও। মুসকি হেসে পেছনে সরে গেলো। ভাবখানা এমন, যেনো এটা তার কাজ নয়! ব্যাগে কি শুধু আমার কাপড় চোপড় ছিলো? তার ছিলো না? শেষে আমিই ব্যাগটা বহন করে গাড়িতে তুললাম। কারণ আমি পুরুষ, আমি যে পরিবারের কুলি!
ছয়.
বছর ঘুরতেই সন্তানের আগমনী বার্তা। হাসপাতালে সিজার। সব মিলে মোটা অংকের টাকা খরচ। সন্তান দুজনের হলেও বিল পরিশোধ করতে হলো আমাকেই।
ংহার .
এসব অধিকার ইসলাম নারীকে দিয়েছে।
নারীবাদীদের বলছি, ইসলামের দেয়া এসব অধিকার যদি তোমাদের কাছে কম মনে হয়, তাহলে আগে উপরোক্ত এক তরফা নিয়মগুলোতে সমতা আনো। তারপর নারী-পুরুষ সমতার পক্ষে শ্লোগান দিতে এসো। ইসলাম নারীকে যথাযথ অধিকার দিয়েছে, সম্মান দিয়েছে পুরুষের চেয়ে উঁচু করে।
নারীবাদী পুরুষদের বলছি, যদি নারীদের ঘরে অবস্থান তোমাদের কাছে বৈষম্য বলে মনে হয়; রাস্তাঘাটে, অফিস-আদালতে নারী-পুরুষ সহাবস্থান জরুরি মনে হয়, তাহলে সবার আগে ঘরের বৌকে তার বাপের বাড়ি পাঠিয়ে দাও! একটা মেয়েকে তার মা-বাবা-ভাইবোনদের মায়া মমতা থেকে বঞ্চিত করে তোমার কাছে রেখে দেয়ার অধিকার কে দিলো তোমায়? কই, এক্ষেত্রে তো সমান অধিকারের কথা বলতে দেখা যায় না তোমাদের! সবখানে নারী-পুরুষ সমতা অথচ এখানে কবি নীরব!
নারীর ঘরের কাজকে অমানবিক বললেও ফুটবল কে তার অধিকার বলে চালিয়ে দাও তোমরা। দারুণ ধাপ্পাবাজ তোমরা ওহে নারীবাদীরা!

ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন... আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া কিশোরগঞ্জ-এর মুহতামিম এবং বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাব...
29/01/2020

ইন্না-লিল্লাহ ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন...

আল-জামিয়াতুল ইমদাদিয়া কিশোরগঞ্জ-এর মুহতামিম এবং বাংলাদেশ কওমি মাদরাসা শিক্ষাবোর্ড ‘বেফাকুল মাদারিসিল আরাবিয়া’র (বেফাক) সহ-সভাপতি আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ রহ.আজ বুধবার বিকাল ৫:০০ টায় ইন্তেকাল করেছেন।

আল্লামা আযহার আলী আনোয়ার শাহ্ র.এর নামাজে জানাযা আগামীকাল দুপুর ২:০০ টায় শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে অনুষ্ঠিত হবে।

আমরা সবাই দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা হযরতকে জান্নাতের উঁচু মাকাম দান করুন। আমিন।

27/01/2020
অভাব কাকে বলে?অর্থনীতি ক্লাসে একজন স্যার রুমে ঢুকেইসামনে বসা ছেলেটিকে প্রশ্ন করলেন, বলোতো অভাব কাকে বলে?-'অর্থনীতিতে বস্...
23/01/2020

অভাব কাকে বলে?
অর্থনীতি ক্লাসে একজন স্যার রুমে ঢুকেই
সামনে বসা ছেলেটিকে প্রশ্ন করলেন, বলো
তো অভাব কাকে বলে?
-'অর্থনীতিতে বস্তুগত বা অবস্তুগত কোনো
দ্রব্য পাওয়ার আকাঙ্খাকে অভাব বলে।'
ছেলেটি উত্তর দিল।
-এটা তো অর্থনীতির ভাষা, সাধারণত অভাব
কাকে বলে?
ছেলেটি মাথা নিচু করে বেঞ্চের দিকে
তাকিয়ে আছে। কি বলবে ভাবছে সে।
স্যার আবার তাড়া দিলেন 'বলো অভাব
কাকে বলে?'
ছেলেটি এবার বলতে শুরু করল।
১. আমি কলেজে আসার সময় মা আমাকে
ভাড়া দিতে গিয়ে তার ব্যাগ তন্ন তন্ন করে
খুঁজে অনেক কষ্টে ২০/৩০ টাকা বের করে
দেন, আর আমি বাসা থেকে বের হয়ে ৫/৭
মিনিট পর বাসায় ফিরে ভাড়ার টাকাটা
মাকে দিয়ে বলি, মা! আজ কলেজে ক্লাস
হবে না। মা তখন বলেন আগে খবর নিবি না
কলেজ হবে কিনা?মায়ের সাথে এই লুকোচুরি
হচ্ছে অভাব।
২. বাবা যখন রাত করে বাসায় আসেন মা তখন
বাবাকে জিজ্ঞেস করেন এত রাত হলো কেন
ফিরতে?বাবা বলেন ওভারটাইম ছিল।
ওভারটাইম না করলে সংসার কিভাবে চলবে?
বাবার এই অতিরিক্ত পরিশ্রম হচ্ছে আমার
কাছে অভাব।
৩. ছোট বোন মাস শেষে প্রাইভেট টিচারের
টাকা বাবার কাছে চাইতে যখন সংকোচবোধ
করে সেটাই অভাব।
৪. মাকে যখন দেখি ছেঁড়া কাপড়ে সেলাই
দিতে দিতে বলে কাপড়টা অনেক ভাল আরো
কিছুদিন পরা যাবে এটাই অভাব।
৫. মাস শেষে টিউশনির পুরো টাকাটা মায়ের
হাতে দিয়ে বলি, মা এটা তুমি সংসারে খরচ
করো, মা তখন একটা স্বস্তির হাসি হাসেন।
এই স্বস্তির হাসি হচ্ছে অভাব।
৬. বন্ধুদের দামী স্মার্টফোনের ভিড়ে
নিজের নর্মাল ফোন লজ্জায় যখন লুকিয়ে
রাখি এই লজ্জাই আমার কাছে অভাব।
৭. অভাবী হওয়ায় কাছের মানুষগুলো যখন
আসতে আসতে দূরে সরে যায়, এই দূরে সরে
পড়াটাই আমার কাছে অভাব।.
পুরো ক্লাসের সবাই দাঁড়িয়ে গেল! অনেকের
চোখে পানি! স্যার চোখের পানি মুছতে
মুছতে ছেলেটিকে কাছে টেনে নিলেন।
বস্তুতঃ আমাদের সহপাঠীদের মধ্যে এমন
অনেকেই আছে, যারা কয়েক মাস অপেক্ষা
করেও বাড়ি থেকে সামান্য টাকা পায় না।
সব দুঃখ-কষ্টকে আড়াল করে হাসিমুখে
দিনের পর দিন পার করে দেয় খেয়ে না
খেয়ে!
তাদের হাসির আড়ালে লুকিয়ে থাকা কষ্টটুকু
বুঝার সুযোগ হয়তো আমাদের হয়ে ওঠেনা
এইটা আমাদের অভাব!

(collected)

"মাদরাসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুঃখে কাঁদছি না,কাঁদছি ঐ দুঃখে জাতিটা ধংষ হতে যাচ্ছে জেনে।"------------------------------------...
21/01/2020

"মাদরাসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার দুঃখে কাঁদছি না,
কাঁদছি ঐ দুঃখে জাতিটা ধংষ হতে যাচ্ছে জেনে।"
------------------------------------------------------------
দারুল উলূম দেওবন্দ মাদরাসায় একজন উস্তাদ দরস দিচ্ছেন, হঠাৎ কী মনে করে নীরব হয়ে গেলেন, ছাত্ররা লক্ষ করল উস্তাদের চোখ দিয়ে টপ টপ
করে মুক্তোর মতো পানি পড়ছে, অবাক বিস্ময়ে ছাত্ররা জিজ্ঞেস করলো, হুজুর!
আপনি কাঁদছেন কেনো ?
জবাবে উস্তাদ বললেন, এই এলাকার জমিদার বৃটিশের মনসন্তুষ্টির জন্য তার অধীনস্থ কৃষকদের প্রতি নির্দেশ দিয়েছে, যদি কোনো কৃষক দেওবন্দ
মাদরাসায় চাঁদা দেয়, তবে তাকে তার জমি চাষ করতে দিবে না।
কৃষকরা জমি হাতছাড়া হয়ে যাবার ভয়ে মাদরাসায় চাঁদা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে!
প্রত্যুত্তরে ছাত্ররা বলে, হুজুর!
এ জন্য আপনি কাঁদছেন কেনো ?
বৃটিশের গোলাম ওই জমিদারের অধীনস্থ কৃষকরা যদি আমাদের মাদরাসায় চাঁদা না দেয়, তবে কি মাদরাসা বন্ধ হয়ে যাবে ?
আমরা হজরত বেলাল (রাঃ)র রুহানি আওলাদ, প্রয়োজনে না-খেয়ে থাকব, অনশনে মরব, তবুও নবীজির লাঠির দাগে -দাগে যেই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা হয়েছে তা থেকে অধ্যয়ন বন্ধ করবনা !
উস্তাদ বললেন, মাদরাসা বন্ধ হয়ে যাবে, এই দুঃখে আমি কাঁদছি না।
বরং যে জমিদার বৃটিশের ধোঁকায় পড়ে মাদরাসায় চাঁদা দেয়া বন্ধ করেছে, আকাশ থেকে মহান আল্লাহ কি তার রিজেক বন্ধ করে দেন, আমি সেই দুঃখে কাঁদছি!
এর বেশ কিছু দিন পর দেখা গেলো, একটা ভিক্ষুক প্রতিদিন দেওবন্দ মাদরাসায় এসে ছাত্রদের কাছে খাবার তালাশ করে, ছাত্ররা কিছু
দিলে নিয়ে নেয়, না-দিলে ক্ষুধার জ্বালায় অস্থির হয়ে ছাত্রদের অহেতুক গালি গালাজ করে।
ছাত্ররা এর প্রতিবাদ করলে একজন উস্তাদ বলেন, এই
ফকিরের পূর্ব পুরুষ জমিদার ছিল, সেই জমিদার যেদিন থেকে হুমকি দিয়ে কৃষকদের চাঁদা দেয়া বন্ধ করে দেয়, সে দিন থেকে আল্লাহ তায়ালা তার
রিজিক বন্ধ করে দেন, এই ভিক্ষুক হচ্ছে সেই জমিদার বংশের বেঁচে থাকা শেষ সন্তান, যে আজ ভিক্ষার থলি নিয়ে দুয়ারে -দুয়ারে ঘুরছে।
অতএব, আজো যারা ভাবছেন, মাদরাসায় চাঁদা না দিয়ে মাদরাসা বন্ধ করে দিবেন, তারা জেনে রাখুন!
মাদরাসা বন্ধ হবে না, আপনি নিজেই বন্ধ হয়ে যাবেন, কেননা এ-মাদরাসাগুলো কিয়ামত পর্যন্ত টিকে থাকার জন্যই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে !.............
আল্লাহ আমাদেরকে সঠিকটা বুঝার তৌফিক দান করুন। সংগৃহীত

20/01/2020

#না দেখেই বিয়ে:
অতঃপর বাসরঘরে যা দেখলেন যুবক ***
যুবতীর গুণের প্রশংসা শুনে তার প্রতি মুগ্ধ হয়ে না দেখেই বিয়ে করেন এক যুবক।
স্ত্রীকে বাসর ঘরে গিয়েই প্রথম দেখেন।
কিন্তু স্ত্রীর ঘোমটা খুলতেই তিনি মনোবেদনায় বিষণ্ণ হয়ে পড়েন।
দেখেন, তার পরম কাঙ্খিত স্ত্রী রূপসী নয়, কালো।
তাই তিনি স্ত্রীর কক্ষ ত্যাগ করেন।
মনের দুঃখে স্ত্রীর কাছে আর ফিরে আসেন না।
নাম তার #আমের_বিন_আনাস ।
অবশেষে স্ত্রী নিজেই তার কাছে যান।
প্রিয় স্বামীকে বলেন, ওগো!
তুমি যা অপছন্দ করছো,
হয়তো তাতেই তোমার কল্যাণ নিহিত আছে, এসো।
অতঃপর #আমের স্ত্রীর কাছে যান এবং বাসর ঘরে রাত যাপন করেন।
কিন্তু দিনের বেলা স্ত্রীর অসুন্দর চেহারার প্রতি তাকাতেই তার মন খারাপ হয়ে যায় আবার।
মনের দুঃখে #আমের এবার বাড়ি ছেড়ে দেন।
চলে যান বহুদূরে, অন্য শহরে।
এদিকে বাসর রাতেই যে তার স্ত্রী গর্ভবতী হয়েছেন,
এ খবর তিনি রাখেন না।
#আমের ভিনদেশে লাগাতার বিশঁটি বছর কাটান।
বিশ বছর পর তিনি নিজ শহরে ফেরেন।
এসেই প্রথমে নিজ বাড়ির কাছের সেই প্রিয়
মসজিদে ঢোকেন।
ঢুকেই দেখেন এক সুদর্ষন যুবক পবিত্র কোরআনের মর্মস্পর্শী দরস পেশ করছেন।
আর বিশাল মসজিদ ভরা মানুষ পরম আকর্ষণে তা হৃদয়ে গেঁথে নিচ্ছে।
তাঁর হৃদয়গ্রাহী দরস শুনে আমেরের
অন্তর বিগলিত হয়ে যায়।
#আমের লোকদের কাছে এই গুণী মুফাসসিরের নাম জানতে চাইলে লোকেরা বলেন,
ইনি #ইমাম_মালেক । (আল্লাহু আকবার)
#আমের আবার জানতে চান,
ইনি কার ছেলে? লোকেরা বললো,
এই এলাকারই #আমের বিন আনাস নামের এক ব্যক্তির ছেলে।
যিনি বিশ বছর আগে বাড়ি থেকে চলে গেছেন,
আর ফিরে আসেননি।
আবেগে উত্তাল #আমের ইমাম মালেকের কাছে
এসে বললেন,
আমাকে আপনার বাড়িতে নিয়ে চলুন।
তবে আমি আপনার মায়ের অনুমতি ছাড়া আপনার ঘরে প্রবেশ করবো না।
আমি আপনার ঘরের দরজায় দাঁড়িয়ে থাকবো।
আপনি ভেতরে গিয়ে আপনার মাকে বলবেন,
দরজায় একজন লোক দাঁড়িয়ে আছেন।
তিনি আমায় বলেছিলেন,
তুমি যা অপছন্দ করছো,
হয়তো তাতেই তোমার কল্যাণ নিহিত আছে।
এ কথা শুনেই ইমাম মালেকের মা বললেন,
হে মালেক, দৌঁড়ে যাও,
সম্মানের সঙ্গে উনাকে ভেতরে নিয়ে আসো,
উনিই তোমার বাবা।
দীর্ঘ দিন দূরদেশে থাকার পর উনি ফিরে এসেছেন।
এই হলেন সেই গুণবতী মা,
যিনি ইমাম মালেক (রহ:) -এর মতো সন্তান গড়ে তোলার কারিগর।
তাই রূপবতী নারী দ্বারা নয়,
গুণবতী ও দ্বীনদার নারীদের মাধ্যমেই পৃথিবী আলোকিত হয়।
collected

Address

Ramna

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when FMG tv posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to FMG tv:

Share