Online Technical Support

Online Technical Support This is technical problem solving Page. We always discuss some new features about Internet, new technology, account privacy Etc. Mahmudul Hasan

Like our Page Online Technical support stay genius & make your life easier...
Thanks for Join with us..

হার্ডডিস্ক কি ?হার্ড ডিক্স একটি Non-Valotile Electro Megnetic Data Storage Device. সর্বপ্রথম ১৯৫৬ সালে আইবিএম হার্ডডিক্স...
04/09/2021

হার্ডডিস্ক কি ?

হার্ড ডিক্স একটি Non-Valotile Electro Megnetic Data Storage Device.
সর্বপ্রথম ১৯৫৬ সালে আইবিএম হার্ডডিক্স উদ্ভাবন করে। আইবিএম হলো আমেরিকার একটি বিখ্যাত প্রযুক্তি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। যার পূর্ণরূপ হল “ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিন’স কর্পোরেশন“। এরপর ১৯৬০ এর দশকে সর্বপ্রথম কম্পিউটারের তথ্য সংরক্ষণ মাধ্যম হিসেবে হার্ডডিক্স এর ব্যবহার শুরু হয়। বর্তমানে প্রায় ২০০ টিরও বেশী কোম্পানি হার্ডডিস্ক উৎপাদন ও বিপণনের সাথে জড়িত। এসবের মধ্যে সিগেট, তোশিবা, ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল ইত্যাদি অন্যতম।
তবে হার্ডডিক্স সবচেয়ে বহুলভাবে ব্যবহৃত হয় কম্পিউটারে। এজন্য হার্ডডিস্ককে কম্পিউটারের স্মৃতি সংরক্ষণের জায়গা বলা হয়ে থাকে। এর মাধ্যমে কম্পিউটারে থাকা যাবতীয় তথ্য, ছবি, অডিও, ভিডিও, বিভিন্ন ফাইল, সফটওয়্যার ইত্যাদি নিরাপদ সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে। পরবর্তীতে প্রয়োজনে এসব সংরক্ষিত তথ্যগুলোকে পুনরুদ্ধার করা কিংবা বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করা যায়।
তবে একটি কথা জেনে রাখা ভালো যে, কম্পিউটারে সাধারণত তথ্য সংরক্ষণের জন্য দুইটি জায়গা থাকে। এর একটি হলো হার্ডডিস্ক এবং অন্যটি র‍্যাম। হার্ডডিক্স হলো কম্পিউটারের স্থায়ী মেমোরি, এখানে আপনার রাখা সব ধরনের তথ্য দীর্ঘদিন পর্যন্ত নিরাপদ থাকে। অন্যদিকে র‍্যাম হলো অস্থায়ী মেমোরি। র‍্যাম শুধুমাত্র কিছুক্ষণের জন্য বিভিন্ন প্রয়োজনীয় তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে।
আকার-আকৃতিতে হার্ডডিস্ক হচ্ছে পাতলা গোলাকার ধাতব পাতের সমন্বয়ে গঠিত এক ধরনের ছোট ডিভাইস। তথ্য সংরক্ষণের জন্য হার্ডডিক্সে থাকা ধাতব পাত বা চাকতি গুলো চুম্বকীয় ক্ষমতা সম্পন্ন হয়ে থাকে। চৌম্বকীয় পদ্ধতিতে হার্ডডিস্ক তথ্য সংরক্ষণ করে থাকে এবং এ তথ্যগুলো রিড করা বা পড়ার জন্য একাধিক হেড ব্যবহার করা হয়।
হার্ডডিস্ক কত প্রকার
তবে প্রথম হার্ডডিক্স আবিষ্কারের পর থেকে এর উন্নয়নের জন্য গবেষকরা ক্রমাগত চেষ্টা চালাচ্ছেন। যার ফলস্বরূপ হার্ডডিক্সের বেশ কয়েকটি উন্নত ভার্সন উদ্ভাবন করা সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে বাজারে সাধারণত চার ধরনের হার্ডডিস্ক পাওয়া যায়। তথ্য ধারণ ক্ষমতা, বৈশিষ্ট্য, স্পিড ও আকৃতিতে এদের মধ্যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। হার্ডডিস্ক গুলো হলো-
PATA (পাটা): PATA এর পূর্ণরুপ হলো Parallel Advanced Technology Attachment যা পৃথিবীতে আবিষ্কৃত সর্ব প্রথম হার্ডডিস্ক। এ হার্ডডিস্ক গুলো খুবই সাধারণ মানের হয়ে থাকে। এগুলোর ডাটা ট্রান্সফারের গতি সর্বোচ্চ ১৩৩ মেগাবাইট পার সেকেন্ড পর্যন্ত হয়ে থাকে। মানের দিক থেকে সবচেয়ে নিম্নমানের হার্ডডিস্ক এগুলো।
SATA (সাটা): SATA এর পূর্ণরুপ হলো Seria ATA যা বর্তমানে আমরা কম্পিউটার বা ল্যাপটপ ব্যবহার করে থাকি। এই হার্ডডিস্ক গুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো দামের দিক থেকে এগুলো অনেক সস্তা। এছাড়া এ হার্ড ড্রাইভ গুলো অনেক কম পাওয়ার ব্যবহার করে থাকে। বর্তমানে সবচেয়ে ব্যবহৃত হয় এসব SATA টাইপের হার্ডডিস্ক গুলো।
SCSI (এসসিএসআই): SCSI এর পূর্ণরুপ হলো Small Computer System Interface যা আমরা ল্যাপটপ বা কম্পিউটারে ইন্টারনাল বা এক্সটারনাল এ দুই ধরনের মেমোরি হিসেবেই ব্যবহার করে থাকি। গতির দিক থেকে এগুলো অনেক ফাস্ট হয়। এছাড়া এক্সটার্নালি ব্যবহার করা যায় বলে কোন ডাটা সরিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রেও এধরনের হার্ডডিস্ক ব্যবহার করা হয়।
SSD (এসএসডি): SSD এর পূর্ণরুপ হলো Solid State Drives যা বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বেশি গতির হার্ডডিস্ক। অনেক ছোট হওয়ায় এবং কম পাওয়ার কনজিউম করার মতো ব্যবস্হা করে এগুলোকে তৈরি করা হয়েছে। স্থায়িত্বের ক্ষেত্রেও SSD সেরা। SATA হার্ডডিস্ক গুলোর চেয়ে SSD এর গতি কয়েকগুন বেশি হয়ে থাকে। বর্তমান সময়ে এসএসডি (SSD) অনেক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে।
(SSD নিয়ে পরে আলোচনা করা হবে)

র‌্যাম কী ?RAM এই তিন অক্ষরের ওয়ার্ডে আমরা সবাই পরিচিত।র‍্যাম মোবাইল বা কম্পিউটারের একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। RAM এর...
08/08/2021

র‌্যাম কী ?
RAM এই তিন অক্ষরের ওয়ার্ডে আমরা সবাই পরিচিত।র‍্যাম মোবাইল বা কম্পিউটারের একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

RAM এর পূর্ণরূপ হলো (Random Access Memory)। RAM সাধারণত মাদারবোর্ড এর সঙ্গে সংযুক্ত থাকে,এটি সুপার ফাস্ট (super-fast) অস্থায়ী মেমোরি যা কম্পিউটার,মোবাইলে বন্ধ বা switched off করলে তার কাজ শেষ হয়, এবং এর মধ্যে থাকা সব ইনফরমেশন বা তথ্য মুছে যায়।

আপনি কম্পিউটারে BIOS (basic input/output system) এর সাহায্যে র‍্যাম এ মুজুত থাকা তথ্য গুলিকে চেক করতে পারেন।তাহলে চলুন এবার দেখি ram কিভাবে কাজ করে।
Ram এর কাজ কি ? What Does Computer Memory (RAM) Do?
ram বা Random Access Memory কিভাবে কাজ করে আমরা একটি উদহারণ দিয়ে বুঝার চেষ্টা করছি,

ধরুন আপনি অফিসে নিজের টেবিলে বসে আছেন এবং কোনো একটি কাজ করার জন্য আপনার একটি ফাইলের প্রয়োজন হলো,কিন্তু সেই ফাইল টি অন্য ঘরে আছে,

তাহলে আপনি যখন কাজ শুরু করবেন তখন আপনাকে সেই ফাইল টি আনতে ওই ঘরে যেতে হবে এবং সেটি আনার পরে নিজের টেবিলে রেখে কাজ করবেন।

কিন্তু এখন আপনি মাত্র ১ টি কাজ করছেন,কিন্তু যখন অনেক গুলো কাজ একসঙ্গে করবেন তখন অনেক গুলো ফাইল থাকবে এবং অনেক গুলো ফাইল রাখার জন্য বড় টেবিলের প্রয়োজন পড়বে।

তারফলে আপনার যখনই যে ফাইল দরকার পড়বে সেটা কাছেই টেবিলে পেয়ে যাবেন, এবার যখন আপনার কাজ শেষ হয়ে যাবে তখন সব ফাইল আবার সেই ঘরে রেখে আসবেন, তো আপনার মোবাইল বা কম্পিউটারে যে ram থাকে ঠিক এই ভাবে কাজ করে।

অন্য ঘরে যেখানে ফাইল গুলো মুজুত রয়েছে সেটা ধরুন মোবাইলের ইন্টারনাল মেমরি বা কম্পিউটার হার্ডডিস্ক যেখানে আপনার সব app,সফটওয়্যার বা file মজুত থাকে বা স্টোর থাকে।

আর যে টেবিলে বসে কাজ করছেন সেটা ram, তো এখানে ram এর কাজ হচ্ছে আপনি যে app বা file অথবা যতগুলো ফাইল বা সফটওয়্যার একসঙ্গে চাইবেন সেগুলি ইন্টারনাল মেমরি বা হার্ডডিস্ক থেকে এনে আপনার নির্দেশে রান (run) করবে।

এবার যত বেশি ram (যত বড়ো টেবিল) থাকবে তত বেশি ফাইল বা বড়ো বড়ো এপ্লিকেশন লোড করতে পারবে।

আরো সহজ ভাবে বলতে হলে,

ধরুন আপনি মোবাইল কে কোনো নির্দেশ দিলেন,যথা কোনো একটি গেম এপ্লিকেশন এ টাচ করলেন, সেই নির্দেশ সিপিইউ (processor) এর কাছে যাবে এবং সিপিইউ সেই নির্দেশ ram কে দিবে এবার ram সেই ফাইল বা গেম কে storage (ইন্টারনাল মেমরি/হার্ডডিস্ক) থেকে নিয়ে run করবে তারপর আপনার সেই গেম ওপেন হবে।

আপনি যখন কোনো app বা game মোবাইলে ও সফটওয়্যার কম্পিউটার এর মধ্যে ইনস্টল করেন তখন সেটি ইন্টারনাল মেমরি/হার্ডডিস্ক এ লোড হয় কিন্তু রান করে ram।

এখানে ram যদি বেশি থাকে তাহলে তত বেশি ফাইল ওপেন করতে পারবে,আর কম থাকলে slow হবে বা হ্যাং করবে।এবার নিশ্চয়ই মোবাইল বা পিসি কেন slow হয় বুঝতে পারছেন।

মূলকথা হচ্ছে সিপিইউ এবং ram আপনার নির্দেশ মত কাজ করে যায়,কিন্তু আপনি ডাইরেক্ট র‍্যাম কে নির্দেশ দিতে পারবেন না,সিপিইউ যখন র‍্যাম এর প্রয়োজন পরে তখন সে র‍্যাম কে নির্দেশ দেয়।আরো বিস্তারিত বুঝতে হলে আপনাকে সিপিইউ কিভাবে কাজ করে সেটা জানতে হবে। সেটা পরের পোস্টে আলোচনা করব।
RAM এর প্রকারভেদ (Types of RAM).
সাধারণতঃ ram ২ ধরণের হয়–

static ram (স্ট্যাটিক ram )- স্ট্যাটিক ram খুব ফাস্ট এবং ব্যয়বহুল হয়,এটি সিপিইউ এ ক্যাশে মেমোরি হিসাবে ব্যবহার করা হয়।

Dynamic RAM(ডায়নামিক ram )- আমরা কম্পিউটারে যে ram ব্যবহার করি সেটা ডায়নামিক ram। ডায়নামিক ram slow ও কম দামী হয় হয়।
তহলে যখন অনেক গুলো এপ্লিকেশন ওপেন করবেন মোবাইলে আর যদি হ্যাং করে তাহলে বুঝবেন আপনার মোবাইলে ram কম আছে,

আবার কম্পিউটারে অনেক গুলো ট্যাব ওপেন করে slow চললে বুঝবেন ram এর ঘার্তি রয়েছে।আপনি যদি কোনো নুতুন মোবাইল ফোন কিনতে যান তাহলে মিনিমান ৪ জিব ram মোবাইল নেওয়ার চেষ্টা করবেন।আর কম্পিউটার বা ল্যাপটপ হলে ৮ জিব র‍্যাম অবশ্যই নিবেন।

তাহলে কম্পিউটারে অন্য কম্পুনেন্ট গুলোর কাজ বুঝতে পারবেন।আশা করি ram এর কাজ কি সেটা বুঝতে পেরেছেন যদি আরো অন্য কিছু জানতে চান তাহলে অবশই কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ

04/08/2021
কম্পিউটার প্রসেসর এর জেনারেশন কি ?প্রসেসর হচ্ছে কম্পিউটার এর প্রান, এর মূল চালিকাশক্তি। প্রসেসর মূলত  দুইটি কোম্পানি তৈর...
01/08/2021

কম্পিউটার প্রসেসর এর জেনারেশন কি ?
প্রসেসর হচ্ছে কম্পিউটার এর প্রান, এর মূল চালিকাশক্তি। প্রসেসর মূলত দুইটি কোম্পানি তৈরি করে। ইন্টেল ও এএমডি। আমাদের দেশে মূলত ইন্টেল সবচে বেশি ব্যাবহার হয়। তবে ইউরোপে এএমডির বাজার বেশি। এই “জেনারেশন” শব্দটা শুধু ইন্টেল কোম্পানি তার তৈরি প্রসেসরগুলোর বিক্রির কাজে ব্যাবহার করে। এটা কোন আন্তর্জাতিক শব্দ না,এর কোন মানও নেই। পুরোপুরি ইন্টেলের ব্যাবসা বাড়ানোর একটা পদ্ধতি। জেনারেশন হলো, ইনটেল প্রতি বছর যে প্রসেসর তৈরি করে তার উৎপাদন টেকনিক কতটা উন্নত এবং কতটা ছোট। ইনটেল প্রত্যেক বছরে অর্থাৎ প্রসেসর এর প্রতিটি নতুন জেনারেশন এ এই ট্র্যান্সিস্টর গুলো কতো বেশি ক্ষুদ্র করে বানিয়েছে তা প্রকাশ করে। কম্পিউটার প্রসেসর এর ট্র্যান্সিস্টর গুলো যত বেশি ক্ষুদ্র হবে ততো বেশি দ্রুত গতি সম্পূর্ণ হবে, ততো বেশি দক্ষ হবে এবং কম পাওয়ার ব্যবহার করবে।
Core i3 , i5 , i7
ইন্টেলের প্রচলিত সেলেরন , পেন্টিয়াম প্রসেসর গুলোর ব্যাবহার দিন দিন উঠে যাচ্ছে , তার যায়গা নিয়ে নিচ্ছে ইন্টেলের কোর প্রসেসর । বর্তমানে ইন্টেলের core i3 , core i5 , core i7
এই ৩ টি প্রসেসর এ সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয়। এগুলো থেকেই মুলত জেনারেশন শব্দটি ইন্টেল ব্যাবহার করছে ।
ক্লক স্পিড , ক্যাশ ম্যামরী , পাওয়ার ইউজ এই সব সুবিধা দিয়ে জেনারেশন পরিবর্তন হচ্ছে ।
ইনশাল্লাহ এটি নিয়ে বিস্তারিত ভিডিও আসবে।

Address

Haragach
Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online Technical Support posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share