25/06/2026
2 দিন আগে রংপুর মেডিকেলের যেই ছেলেটাকে গ্রেফতার করা হল সেইটা নিয়ে কিছু পয়েন্ট বলি-
অনেক ক্ষেত্রেই স্টুডেন্ট টিচার এর প্রতি দুর্বল হলে, স্টুডেন্টকে না শাসন করে উলটো স্টুডেন্ট এর বাবা-মাই যদি দেখে ছেলে ভাল জায়গার ছাত্র, ফিউচারে পোটেনশিয়াল আছে তবে তার সাথে মেয়েকে গোছায় দেবার জন্য উঠে পড়ে লাগে। বিশেষ করে ক্লাসলেস তবে একটু পয়সা আছে, মান্ধাতার আমলের ফ্যামিলির মধ্যে এই টেনডেন্সি আছে। ইনফ্যাক্ট ছেলেকে বেশি ভালো লেগে গেলে অপবাদ দিয়ে হলেও মেয়েকে ছেলের ঘাড়ে গুজে দেবে। আগে লজিং মাস্টারদের সাথে এইটা অনেক বেশি হইত। যাই হোক, গরীবের ছেলে টিউশন না করে কই যাবে! নিজের বাপ-মা ভালো হইলে তো আর মান সম্মান এর গুষ্টি সুদে অপর এর বাসায় পড়াইতে যাওয়া লাগে না। তারপরেও এই ঘটনার পর
থেকে যারা ফিমেল স্টুডেন্ট পড়াও একটু বুঝেশুনে।
স্টুডেন্ট এর সাথে প্রেম করে কট খাইলেও তোমার দোষ, সে প্রোপোজ করলেও তোমার দোষ। তোমার প্রথম দোষ তুমি ছেলে, দ্বিতায় দোষ তুমি গরীব। এইকারণে দেখবেন, ছাত্রীর সাথে স্যার কট খাইলে স্যার এর ক্যারিয়ার নষ্ট হয়, আর ওই ছাত্রী হয়ে যায় ইনফ্লুয়েন্সার। কারণ -কিছু পা চাটা বেটা মানুষ আছে, এরা মেয়েদের কাছে ভাল হবার জন্য দশটা ছেলের ক্ষতি করতেও একবার ভাবে না। ওরা ওই স্যারকে লুইচ্চা বলে ট্রল করে আর সেই মেয়েরে বানায় কুইন।
চ্যাটের কিছু আইন আছে- "বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ ", এরপর সম্পর্ক হলে বেটা মানুষ এর দোষ। মজা নেই দুইজন, অথচ শাস্তির বেলায় সব দোষ বেটা মানুষ এর। মেয়ে সব কচি খোকা। পজিটিভ ডিসক্রিমিনেশন এর নামে
বালছাল শুরু করছে।
আর আমি না বেটা জাতটাকে নিয়ে খুব ফ্রাস্টেটেড। এইগুলো কাঠ গোলাপ গুজে ন্যাকামী সোদাইতে পারে, পথ কুকুর নিয়ে লিখতে পারে, মেয়েদের সাথে কিছু হলে সেইটা নিয়ে উপন্যাস লিখতে পারে কিন্তু একটা নিষ্পাপ ছেলের জন্য দুইটা কথা লিখতে পারে না!