অমাবস্যার গল্প ও জ্ঞানের পসরা: Omabossar Golpo & Gayner Posra :-

  • Home
  • Bangladesh
  • Rangpur
  • অমাবস্যার গল্প ও জ্ঞানের পসরা: Omabossar Golpo & Gayner Posra :-

অমাবস্যার গল্প ও জ্ঞানের পসরা: Omabossar Golpo & Gayner Posra :- This Page Will Adviced All To Live Happy And Sound Life.It Also Help For Realizing Our Right Or Wrong

06/03/2022
Pliz,,,subscribe my chanel,,, pliz pliz pliz,,, ,,,,,,,,
29/10/2021

Pliz,,,subscribe my chanel,,, pliz pliz pliz,,,
,,
,,,
,,,

দুর্গা,,কার্তিক,, গণেশ,, লক্ষ্মী,, স্বরস্বতী,,সিংহ,,, আর অসুরের ভয়ংকর যুদ্ধ

05/04/2019

হরে কৃষ্ণ, শুভ সকাল।
একটি শিক্ষামূলক গল্প।
একটি ছোট জলাশয়ে দুটি মাগুরমাছ থাকত । একটি মাছ ধার্মিক এবং আরেকটি অধার্মিক । ধার্মিক মাছটি সবসময় ভগবানের নাম সংকীর্তন করতো , আর অধার্মিক মাছটি কে বলতো -- ওরে ভগবানকে স্মরণ কর , পরম মঙ্গলের অধিকারী হবি । অধার্মিক মাছটি বলত -- তুই ওসব কর গিয়ে , আমার ভালো লাগে না , আমার এই জীবন টা কে আমি উপভোগ করতে চাই । ধার্মিক মাছটি তবুও সবসময় অধার্মিক মাছটি কে বোঝাতো ।
একদিন কিছুটা অনিচ্ছা স্বত্বেও অধার্মিক মাছটি বললো -- ঠিক আছে তুই যখন এত করে বলছিস কাল থেকে আমিও তোর সাথে নাম করবো । বেশ কিছুদিন পর গ্রামের জেলেরা ওই জলাশয়ে মাছ ধরতে আসলো । ওই দুটো মাগুরমাছও ধরা পড়লো জালে । অধার্মিক মাগুরমাছটি কাঁদতে কাঁদতে ধার্মিক মাগুর মাছটিকে বললো -- এর আগেও কতবার জেলেরা মাছ ধরতে এসেছে কিন্তু আমরা কোনদিন ধরা পড়িনি । আর , আজ আমরা দুজনেই একসাথে ধরা পড়লাম । কি হলো তোর ভগবানের নাম-জপ করে ! বরং মৃত্যু মুখে পতিত হলাম । ধর্ম করে লাভ নেই , ওতে কিচ্ছু হয় না ।
ধার্মিক মাছটি কিন্তু অবিচল , সে শান্তভাবে অত্যন্ত জোড়ের সাথে অধার্মিক মাছটি কে বললো -- ওরে , তিনি যা করেন মঙ্গলের জন্যই করেন , ভরসা রাখ আর তাঁর নাম কর , তিনি দয়াময় , অদ্ভুত তাঁর লীলা , অনন্ত তাঁর দয়া । আমরা ক্ষুদ্র হতে পারি কিন্তু তুচ্ছ নই তাঁর কাছে । ধার্মিক মাছটির কথা শুনে অধার্মিক মাছটি কিছুটা আশ্বস্ত হলো ।
এদিকে জেলেরা মাছ নিয়ে যে যার ঘরে ফিরে গেল । এক জেলে তার বউকে ডেকে বললো -- এই দেখ বউ , আজ দুটো মাগুরমাছ ধরেছি , এ দুটোকে ভালো করে রান্না কর , আমি বাজার থেকে ঘুরে আসি । এই কথা শুনে অধার্মিক মাছটি তো উচ্চস্বরে কাঁদতে লাগলো , ধার্মিক মাছটি কে তিরস্কার করতে লাগলো , তোর কথা শুনে আজ আমার এই দুর্গতি । কেন যে ভগবানের নাম করতে গেলাম ! দিব্যি হেসে খেলে জীবন কাটছিলো , আর ওই ভগবানের নাম করে আজ প্রাণ সংশয় । কিচ্ছু নেই ওই নামে ৷
এদিকে জেলে বউ বঁটি নিয়ে বসে সবার প্রথম ওই অধার্মিক মাছটিকেই খপ করে ধরে ভালো করে ছাই মাখাতে লাগলো । আর অধার্মিক মাছটি কেঁদে কেঁদে বলতে লাগল - তুই আমার এত সর্বনাশ করলি ! ধার্মিক মাছটি বললো -- ওরে মরতে তো হবেই , একদিন আগে আর পরে । তুই কান্না কাটি বন্ধ করে তাঁকে ডাক , তাঁর নাম কর । তাঁর দয়ার অন্ত নেই । মৃত্যতো দোর গোড়ায় , না হয় নাম করতে করতেই মর ।
তখন অধার্মিক মাছটি উচ্চস্বরে আকুল হয়ে ভগবানকে ডাকতে লাগলো । জেলে বউ মাছটি কাটতে যাবে এমন সময় জেলে হন্তদন্ত হয়ে এসে বউকে বললো -- ও বউ মাছ দুটো কি কেটে ফেলেছিস ? জেলে বউ বললো - এখনো কাটিনি , এই ছাই মাখাচ্ছিলাম কাটবো বলে । তুমি এমন হাঁপাতে হাঁপাতে এলে কেন, কি হয়েছে ?
তখন জেলে বললো -- আরে , হাটে গিয়ে শুনলাম এই রাজ্যের রাজা পুকুর কেটেছেন , কাল তার উদ্বোধন হবে । একজোড়া মাগুরমাছ চাই , রাজা পুকুরে ছাড়বেন । আর যে দুটো মাগুরমাছ নিয়ে দিতে পারবে রাজা তাকে অনেক পুরস্কার দেবেন । তুই তাড়াতাড়ি মাছ দুটো কে পরিষ্কার করে দে , আমি রাজার কাছে দিয়ে আসি ।
এদিকে অধার্মিক মাছটির প্রাণে শান্তি এলো । ধার্মিক মাছটি বললো -- দেখেছিস আমার প্রভুর কত দয়া । অধার্মিক মাছটি কথা বলতে পারলো না , কৃতজ্ঞতায় পরিপূর্ন হয়ে গেল তার অন্তঃকরণ । মনে মনে ভাবলো -- ওগো , আমার মতো তুচ্ছাতি তুচ্ছ জীবের প্রতিও তোমার এত্ত দয়া !
পরেরদিন প্রতিষ্ঠিত হল পুকুর । তেল , সিঁদুর মাখিয়ে স্বর্ণ অলংকার পরিয়ে মাছ দুটি কে ছাড়া হলো পুকুরে । রাজা হুকুম দিলেন - এই মাছ দুটির যেন ঠিক মতো পরিচর্যা হয় , আর এদের যেন কখনও ধরা না হয় । মাছ দুটি পরম সুখে সেই পুকুরে জীবন অতিবাহিত করতে লাগলো । আর দ্বন্দ্ব রইলো না অধার্মিক মাছটির মনেও । ভগবানের দয়ার কথা আর অস্বীকার করতে পারলো না সে!
জয় শ্রী কৃষ্ণ চৈতন্য প্রভু নিত্যানন্দ।
শ্রীঅদৈত্য গদাধর শ্রীবাসাদি গেীর ভক্তবৃন্দ।।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।
------------------জয় শ্রীরাধা মাধব ---------------
-------

02/04/2019

একটি শিক্ষনীয় গল্প.....
এক গ্রামে একজন কৃষক ছিলেন.. তিনি দুধ থেকে দই ও মাখন তৈরি করে বিক্রি করতেন.. একদিন কৃষকের স্ত্রী মাখন তৈরি করে কৃষককে দিলেন বিক্রি করতে.. কৃষক তা বিক্রি করার জন্য গ্রাম থেকে শহরের উদ্দেশ্যে রওনা হলেন.. মাখন গুলো গোল-গোল রোল আকৃতিতে রাখা ছিল.. যার প্রত্যেকটির ওজন ছিল ১ কেজি করে.. শহরে পৌঁছে কৃষক প্রতিবারের ন্যায় পূর্ব নির্ধারিত দোকানে মাখন গুলো দিয়ে পরিবর্তে চা.. চিনি.. তেল ও তার সংসারের প্রয়জনীয় দ্রব্যাদি নিয়ে আসতেন..
আজ কৃষক চলে যাওয়ার পরে দোকানদার মাখনের রোল গুলো একটা একটা করে ফ্রিজে রাখার সময় ভাবলেন মাখনের ওজন সঠিক আছে কিনা আজ একবার পরীক্ষা করে দেখা যাক.. মাখনের রোল গুলো ওজন করতেই উনি দেখলেন মাখনের ওজন আসলে ১ কেজি নয় তা প্রতিটা আছে ৯০০ গ্রাম করে.. পরের সপ্তাহে আবার কৃষক উক্ত দোকানে মাখন বিক্রি করতে গেলেন..
দোকানের সামনে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে দোকানদার কৃষকের উদ্দেশ্যে চিৎকার করে বলতে লাগলেন.. ‘বেরিয়ে যাও আমার দোকান থেকে.. এবার থেকে কোন বেঈমান চিটিংবাজের সাথে ব্যাবসা কর.. আমার দোকানে আর কোনদিন পা রাখবে না.. ৯০০ গ্রাম মাখন ১ কেজি বলে বিক্রি করা লোকটার মুখ আমি দেখতে চাইনা.. কৃষক বিনম্র ভাবে কম্পিত স্বরে দোকানদারকে বললেন-
দাদা! দয়া করে রাগ করবেন না.. আসলে আমি একজন খুবই গরিব মানুষ.. দাড়িপাল্লার বাটখারা কেনার মতো পয়সা আমার নেই.. তাই আপনার থেকে প্রতিবার যে এক কেজি করে চিনি নিয়ে যেতাম.. সেটাই দাড়িপাল্লার একপাশে রেখে অন্য পাশে মাখনের রোল মেপে নিয়ে আসতাম।।.
গল্প থেকে যা শিখনীয় ....
আপনি অপরকে যেটা দেবেন.. সেটাই পরে আবার আপনার কাছে ফিরে আসবে..তা সেটা সম্মান হোক বা ঘৃণা..

27/03/2019

শিক্ষণীয় পোস্ট:-
এক মহিলা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখলো উঠানের সামনে তিনজন বৃদ্ধ ব্যক্তি বসে আছেন।তিনি তাদের কাউকেই চিনতে পারলেন না। তাই বললেন, ‘আমি আপনাদের কাউকেই চিনতে পারলাম না,কিন্তু আপনারা হয়তো ক্ষুধার্ত। আপনারা ভেতরে আসুন,আমি আপনাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করছি...‘
তারা জিজ্ঞেস করলেন ‘ বাড়ির কর্তা কি আছেন?’ মহিলা বললেন,’না’। ‘তিনি বাইরে গেছেন।’
‘তাহলে আমরা আসতে পারবো না।‘
সন্ধ্যায় যখন বাড়ির কর্তা ঘরে ফিরে সব শুনলেন তখন তিনি বললেন,'যাও তাদের বলো যে আমি ফিরেছি এবং তাদের ঘরে আসার জন্যে অভ্যর্থনা জানাচ্ছি।‘
মহিলা বাইরে গেলেন এবং তাদের ভেতরে আসতে বললেন।কিন্তু তারা বললো,‘আমরা এভাবে যেতে পারি না।'
মহিলা জিজ্ঞেস করলেন,’ কিন্তু কেন? আবার কি সমস্যা?’
বৃদ্ধ লোকেদের মধ্যে একজন বললেন,’আমাদের মধ্যে একজনের নাম সম্পদ।‘আরেক জনের দিকে নির্দেশ করে বললেন,’তার নাম সাফল্য এবং আমি ভালবাসা।এখন আপনি ভেতরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিন আমাদের কাকে আপনি ভেতরে ঢুকতে দেবেন।'
মহিলা যখন ভেতরে গিয়ে সব খুলে বললেন তখন তার স্বামী অত্যন্ত খুশি হয়ে গেলেন এবং বললেন,'আসাধারন! চল আমরা সম্পদকে ডাকি,তাহলে আমরা ধনী হয়ে যাব!'
তার স্ত্রী এতে সম্মতি দিলেন না,’নাহ,আমার মনে হয় আমাদের সাফল্যকেই ডাকা উচিত।' তাদের মেয়ে ঘরের অন্য প্রান্তে বসে সব শুনছিলো। সে বলে উঠলো,'তোমাদের কি মনে হয় না আমাদের ভালবাসাকেই ডাকা উচিত? তাহলে আমাদের ঘর ভালবাসায় পূর্ন হয়ে উঠবে।'
লোকটি বললো,‘ঠিক আছে আমরা তাহলে আমাদের মেয়ের কথাই শুনবো, তুমি বাইরে যাও এবং ভালবাসাকেই আমাদের অতিথি হিসেবে ডেকে নিয়ে এসো।‘
মহিলাটি বাইরে গেলেন এবং বললেন’আপনাদের মধ্যে ভালবাসা কার নাম? অনুগ্রহ করে তিনি ভেতরে আসুন,আপনিই আমাদের অতিথি।' ভালবাসা নামের বৃদ্ধ উঠে দাড়ালেন এবং বাড়ির দিকে হাটতে শুরু করলেন,বাকী দুজনও উঠে দাড়ালেন এবং তাকে অনুসরন করতে লাগলেন।
মহিলাটি এতে ভীষন অবাক হয়ে গেলেন এবং বললেন, 'আমিতো শুধু ভালবাসা নামের বৃদ্ধকে ভেতরে আসার আমন্ত্রন জানিয়েছি,আপনারা কেন তার সাথে আসছেন?’
বৃদ্ধ লোকেরা বললো,'আপনি যদি সম্পদ আর সাফল্যকে আমন্ত্রন করতেন তবে আমাদের বাকী দুজন বাইরেই থাকতাম,
কিন্তু আপনি যেহেতু ভালবাসাকে আমন্ত্রন জানিয়েছেন,সে যেখানে যায়,আমরা দুইজনও সেখানেই যাই।
যেখানেই ভালবাসা থাকে,সেখানেই সম্পদ ও সাফল্যও থাকে।‘

★★★ একটি শিক্ষনীয় গল্প ★★★, অতি প্রাচীনকালে। সমস্ত পৃথিবী তখন এক রাজার শাসনে চালিত হত। সে রাজার নাম হলো সুরথ। যেমন ধার্ম...
07/11/2018

★★★ একটি শিক্ষনীয় গল্প ★★★
,

অতি প্রাচীনকালে। সমস্ত পৃথিবী তখন এক রাজার শাসনে চালিত হত। সে রাজার নাম হলো সুরথ। যেমন ধার্মিক তেমনি ন্যায় পরায়ন তেমনি কোমল উদার। সেই উদারতা আর কোমলতার সুযোগে চারিদিক থেকে যবনেরা মাথা তুলে উঠল। একটু একটু করে তারা সুরথ রাজার রাজ্য গ্রাস করতে লাগলো। কালক্রমে তারা বলশালী আর সংঘবদ্ধ হয়ে রাজা সুরথের রাজধানী আক্রমন করলো। আত্মীয় স্বজন সকলেই রাজা সুরথকে পরিত্যাগ করে পালালো। তখন পরাজিত সুরথ রাজ্য, রাজপ্রাসাদ, স্ত্রী পুত্র, আত্মীয় স্বজন সকলকে ত্যাগ করে একাকি নিবিড় অরন্যে আশ্রয় নিলেন। অরন্যে অরন্যে গাছের তলায় দিন আর রাত কাটে। অরন্যের ফলমূল খেয়ে কোনো রকমে প্রানধারন করেন। তৃষ্ণার সময় ঝর্নার কাছে গিয়ে অঞ্জলি ভরে জলপান করেন। সারাক্ষন অন্তরে জ্বলতে থাকে দুর্ভাবনা। নিজের রাজ্যের জন্যে দুর্ভাবনা নয়, তিনি ভাবেন তার অবর্তমানে তার আত্মীয় স্বজনেরা কি করছে? শত্রুদের হাতে হয়ত তারা নির্যাতিত হচ্ছে, হয়ত অশ্রুজলে উপবাসে তাদের দিন কাটছে। নিজের দুঃখ ভুলে সুরথ অসীম মমতায় তার আপনজনদের দুঃখের কথাই ভাবেন। এক একবার তার মনে হয় কেনো তাদের কথা ভেবে তিনি এই নিদারুন কষ্ট পাচ্ছেন? তার বিপদের সময় তারাই তো সর্বপ্রথম তাকে ত্যাগ করেছিল অথচ তিনি কেনো অষ্টপ্রহর তাদেরই কথা ভাবছেন? মনে মনে স্থির করেন আর অপরের কথা ভাববেন না কিন্তু অতর্কিতে দেখেন কখন সেই তাদেরই কথা তার সমস্ত অন্তর জুড়ে তাকে ব্যথিত করে রেখেছে। দুর্ভাবনায় পাগলের মতো বনে বনে ঘুরে বেড়ান। হঠাৎ একদিন দেখতে পেলেন তারই মতোন নিঃসঙ্গ একজন লোক বিষন্ন মুখে গাছতলায় বসে আছে। রাজা সুরথ লোকটির কাছে এগিয়ে গিয়ে বিনীতভাবে জিজ্ঞাসা করেন কে ভাই তুমি? এই জনহীন নিবিড় অরন্যে একা বসে কি ভাবছো?
সেই সহানুভূতির স্পর্শে লোকটির দুচোখ অশ্রু সজল হয়ে ওঠে। বলে আমার দুঃখের কাহিনী কাউকে বলবার নয়। আমার নাম সমাধি বৈশ্য। এক সময়ে আমার চেয়ে ধনী বনিক আর কেউ ছিল না। অকাতরে যেমন ধন উপার্জন করেছি তেমনি অকাতরে সেই ধন দরিদ্র নিঃস্ব লোকেদের বিতরন করতাম। লজ্জার কথা কি বলবো আমার নিজের স্ত্রী পুত্রেরা আমার সেই দানের সবচেয়ে বড় বাঁধা হয়ে উঠল এবং তারাই ষড়যন্ত্র করে আমার জীবন নাশের চেষ্টা করে। কোনো রকমে প্রান নিয়ে এই অরন্যে পালিয়ে এসেছি।
রাজা সুরথ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেন হে বন্ধু আমাদের দুজনারই ভাগ্য একরকম বলে বিধাতা আজ আমাদের এই অরন্যে মিলিয়ে দিয়েছেন। সমাধি বৈশ্য বলেন কিন্তু আমার আসল দুঃখের কথা আপনাকে এখনো বলা হয়নি। আমার টাকা কড়ি অর্থ সর্বস্ব গিয়েছে বলে আমার দুঃখ নেই। আমি এই নির্জন অরন্যে বসে অষ্টপ্রহর তাদেরই দুর্ভাবনায় কাঁদছি, যারা আমার সঙ্গে এই শত্রুতা করেছে। যত চেষ্টা করছি আর তাদের কথা ভাববো না ততই তাদের মুখ স্পষ্ট হয়ে ফুটে উঠছে, ততই তাদের বিরহে মনটা জ্বলে পুড়ে যাচ্ছে। আমি বনিক, লেখাপড়া বিশেষ কিছুই জানি না। তাই আপনাকে জিজ্ঞাসা করছি, বলতে পারেন কেনো এ রকম হচ্ছে? যারা করলো জীবনের চরম শত্রুতা কেনো তাদের কথা ভেবেই বুকে জেগে উঠছে হাহাকার?
সমাধিকে বুকে জড়িয়ে ধরে সুরথ বলেন বন্ধু তোমার সঙ্গে আমার আশ্চার্য মিল, যাদের সহায় না পেয়ে আজ আমি রাজ্যচ্যুত, আশ্রয়চ্যুত, এই অরন্যে তাদের কথা ভেবেই অষ্টপ্রহর আমার চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়ছে। আমিও বিস্ময়ে ভাবছি কেনো এমন হয়? এর কোনো উত্তরই আমি খুঁজে পাচ্ছি না। এইভাবে সেই জনহীন অরন্যে রাজ্যহারা সুরথ আর সর্বস্বহারা সমাধি বৈশ্যের নিবিড় বন্ধুত্ব গড়ে উঠল।
একদিন তারা ঘুরতে ঘুরতে দেখতে পেলেন সামনেই এক ঋষির আশ্রম। মেধা ঋষির আশ্রম। আশ্রমের ভেতর গিয়ে তারা দুজনে ঋষির চরনে লুটিয়ে পড়লেন এবং আশ্রয় প্রার্থনা করলেন। তাদের জীবনের কাহিনী শুনে মেধা ঋষি সস্নেহে তাদের আশ্রয় দিলেন।
তখন রাজা সুরথ ঋষিকে জিজ্ঞেস করলেন হে মহাজ্ঞানী একটা প্রশ্নের উত্তর না পেয়ে আমরা দুজনেই বড় ব্যথিত আছি। আপনাকে তার উত্তর দিতে হবে। যে আত্মীয় স্বজনেরা আমাদের শত্রুতা করেছে আমরা কেনো তাদেরই কথা ভেবে কষ্ট পাচ্ছি।
ঋষি হেসে বললেন, বৎস এর নাম হলো মমতা, মায়া। এই মায়া দিয়েই জগৎ সংসারকে নারায়ন বেঁধে রেখেছেন। মহাদেবী মহামায়ার এই হলো খেলা।
আধ্যাত্বিক হোক বা জাগতিক যে এই মহামায়ার বন্ধন কে ছিন্ন করতে পারবে সেই প্রকৃত পক্ষে সিদ্ধিলাভ করতে পারবে ।

★★★★ একটি শিক্ষনীয় গল্প ★★★★,একদিন ধর্মরাজ যম নিরঞ্জন নামের এক লোকের বাড়িতে গেলেন। সেখানে গিয়ে তিনি নিরঞ্জনকে ডাকলেন। ,—...
02/11/2018

★★★★ একটি শিক্ষনীয় গল্প ★★★★
,
একদিন ধর্মরাজ যম নিরঞ্জন নামের এক লোকের বাড়িতে গেলেন। সেখানে গিয়ে তিনি নিরঞ্জনকে ডাকলেন।
,—নিরঞ্জন।
— বলুন ধর্মরাজ।
— আজ থেকে তোমার আয়ু শেষ।তোমাকে এখন যেতে হবে।
,
তখন নিরঞ্জন মনে মনে চিন্তা করলো
—সর্বনাশ! এত তারাতারি তো মরা যাবে না।
তাই সে বুদ্ধি খাটিয়ে যম কে বলল
,
— ধর্মরাজ। আপনি এই প্রথম আমার বাড়িতে এলেন।আপনাকে সেবা না করিয়ে কিছুতেই ছাড়বো না।
,
— দেখো নিরঞ্জন আজকে অনেকের মৃত্যু হবে।আমার হাতে সময় খুব কম। এই দেখো কত বড় লিস্ট।সবার কাছে যেতে হবে।তোমার নাম লিস্টের প্রথমে আছে।তোমার কাছেই আগে আসলাম।দেরি করো না।
,
— না প্রভু! আমার বাড়িতে আপনাকে সেবা করতেই হবে।
,
এই বলে নিরঞ্জন নানারকম খাবারের আয়োজন করলো। ধর্মরাজ তা পরম তৃপ্তি সহকারে খেতে লাগলেন।এই সুযোগে নিরঞ্জন চুপিচুপি গিয়ে খাতার লিস্ট থেকে তার নাম টা কেটে শেষে লিখল।খাওয়া শেষে ধর্মরাজ নিরঞ্জন কে বললেন
,
— নিরঞ্জন! তুমি আমাকে যে সেবা করালে তাতে আমি সন্তুষ্ট। তাই আজ তোমার জন্য একটা ছাড় আছে,
,
— কি ছাড় প্রভু?
,
— আজকে আমি লিস্টের শেষ থেকে আত্মা নেওয়া শুরু করবো।।।।।।।।
,
,
শিক্ষাঃ আমরা যতই মৃত্যুর হাত থেকে পালাতে চেষ্টা করি না কেন যখন আমাদের আয়ু শেষ হবে তখন আমাদের মরতেই হবে।তাই মৃত্যুকে ভয় করে নয়,মৃত্যুকে জয় করতে আমাদের সবসময় সৃষ্টিকর্তাকে স্মরণ করতে হবে

,
,
,★★★ হরে কৃষ্ণ ★★★

19/06/2017

কাপড়চোপড়
শেষ খন্ড
**
বাকি টাকা পেয়ে কাপড়ওয়ালা বলল 'আমি আজ আপনাদের সামনে এক আশ্চর্য ও বিশ্বসেরা চোপড় দেখাব।তবে এই চোপড়ের এক অলৌকিক মহিমা রয়েছে।এ চোপড় সবাই দেখতে পারবে না।যাদের মা সতী এবং নিষ্কলঙ্ক শুধু তারাই এ চোপড় দেখতে পারবে'।এই বলে কাপড়ওয়ালা বাক্স খুলে আগে মন্ত্রীকে দেখাল।কিন্তু বাক্সে তো কিছুই নেই।তাই মন্ত্রী কিছুই দেখতে পেল না।তখন কাপড়ওয়ালা মুচকি হেসে বলল "কি হল মন্ত্রীমশাই ? কেমন হয়েছে চোপড়"।তখন মন্ত্রী চিন্তা করল যদি আমি বলি যে এখানে কিছু নেই তাহলে সবাই বলবে যে আমার মা অসতী।তাই সে আনন্দিত হয়ে বলল"চমৎকার চোপড়।এত সুন্দর চোপড় আমি কোনদিনও দেখিনি"।তারপর কাপড়ওয়ালা রাজাকে বলল"দেখুন তো রাজামশাই কেমন চোপড়?"তখন রাজা খালি বাক্স দেখে চিন্তা করতে লাগল মন্ত্রীর মা সতী হল আর আমার মা অসতী নাকি?তখন রাজাও বলল"অসাধারন চোপড়। আমিতো এটাই চেয়েছিলাম"তখন কাপড়ওয়ালা রাণিমা সহ একে একে রাজপ্রাসাদের সবাইকে দেখাল।সবাই বলল সুন্দর চোপড়।রাজপ্রাসাদের সবাই কাপড়ওয়ালার জয় দিতে লাগল।তখন রাজা ঐ চোপড় রাণিকে পড়তে বলল।তখন রাণি বলল"না না না।এই চোপড় পড়লে চোপড়ে সম্মান থাকবে না।তার চেয়ে বরং ওটা আলমারিতেই তোলা থাক"
****
***
*
কি বুঝলেন সবাই ?

19/06/2017

কাপড়চোপড়
-২য় খন্ড
***
পরদিন কাপড়ওয়ালা আর কাপড় বিক্রি করতে গেল না।বিষন্ন মনে বাড়ির এক কোনে বসে চিন্তা করতে লাগল।এসব দেখে তার বউ বলল "কিগো কি হয়েছে।ব্যবসায় না গিয়ে এখানে বসে কি চিন্তা করছ"।তখন কাপড়ওয়ালা বলল"আর বল না।কাল রাজার কাছ থেকে ৩১ হাজার টাকা বায়না নিয়েছি চোপড় বানানোর জন্য।এক সপ্তাহের মধ্যে এখন চোপড় কোথায় পাই বলত?"এই শুনে তার বউ হাসতে লাগল।বলল"যে রাজা বোঝেনা যে কাপড় থাকে কিন্তু চোপড় থাকে না তাকে ঠকানো কঠিন কাজ না"।এই বলে সে কাপড়ওয়ালার কানে কানে বুদ্ধি দিল।পরদিন কাপড়ওয়ালা একটি সুন্দর ফাকাবাক্স নিয়ে রাজপ্রাসাদে হাজির হল।তারপর সে রাজামশাইকে ডাকল।রাজপ্রাসাদের সবাই তখন ছুটে এল চোপড় দেখতে।রাজা জিজ্ঞেস করল"কই ? দেখাও তোমার চোপড়।"কাপড়ওয়ালা তখন মুচকি হেসে বলল"উ !হু! তা হবেনা ।আগে আমার পাওনা বাকি ২০ হাজার টাকা এইখানে রাখেন তারপর দেখেন"তখন রাজা তার কোষাধ্যক্ষ কে আদেশ দিলেন টাকা দেওয়ার জন্য।কোষাধ্যক্ষ টাকা দিল।
**
চলবে-

29/03/2017

কাপড়চোপড়
১ম খন্ড

একদা এক রাজা ও এক রাণি রাজপ্রাসাদে গল্প করছিলেন।এমন সময় এক কাপড়ওয়ালা হাকতে লাগল "কাপড়চোপড় লাগবে কাপড়চোপড়"তখন রাণি রাজাকে কাপড়চোপড় কিনতে বললেন।রাজা তখন সুন্দর একখানা কাপড় কিনে রাণিকে দেখালেন এবং বললেন "দেখতো পছন্দ হয় কিনা? রাণি বললেন "কাপড় তো খুব পছন্দ হয়েছে কিন্তু এর সাথে চোপড় কোথায়? রাজা ভাবল "তাইতো চোপড় তো কেনা হয়নি।তখন রাজা কাপড়ওয়ালাকে ডেকে বলল "ও ভায়া! সুন্দরচেয়ে একখানা চোপড় দেখাও তো।কাপড়ওয়ালা তখন কৌতুহলদৃষ্টিতে জিজ্ঞাসা "চোপড়? রাজা বলল "কেন এখনিতো তুমি কাপড়চোপড় লাগবে বলে হাকছিলে।কাপড় তো নিলাম এখন চোপড় দাও।তখন কাপড়ওয়ালা পরে গেল মহাবিপদে।রাজাকে কিভাবে বোঝাবে যে চোপড় বলে কিছু নেই।তখন কাপড়ওয়ালা একটা ফন্দি আটল।বলল "রাজামশাই এখানে যা চোপড় আছে তা আপনার পছন্দ হবে না।তারচে আমি এক সপ্তাহের মধ্যে রাণিমার জন্য সুন্দর একখানা চোপড় গড়ে আনব।রাজা বলল "বেশ বেশ! তার দাম কত? কাপড়ওয়ালা বলল "একান্ন হাজার টাকা।অগ্রিম বায়না একত্রিশ হাজার।রাজা তখন কাপড়ওয়ালাকে টাকা দিল।কাপড়ওয়ালা নাচতে নাচতে বাড়ির দিকে রওনা দিল।
চলবে -

Address

Rangpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অমাবস্যার গল্প ও জ্ঞানের পসরা: Omabossar Golpo & Gayner Posra :- posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অমাবস্যার গল্প ও জ্ঞানের পসরা: Omabossar Golpo & Gayner Posra :-:

Share