দুষ্টু ছেলে আর মিষ্টি মেয়ে

দুষ্টু ছেলে আর মিষ্টি মেয়ে দুষ্টমি করবেন বেয়াদবি না

11/08/2019
 # কিছু টিপস,অনেক সময় উপকারে আসতে পারে। সময় হলে একটু পড়ে নিবেন প্লিজ??১। রাতে একা একা হাটলে যদি বুঝতে পারেন পিছে কেউ আছ...
03/08/2019

# কিছু টিপস,
অনেক সময় উপকারে আসতে পারে। সময় হলে একটু পড়ে নিবেন প্লিজ??
১। রাতে একা একা হাটলে যদি বুঝতে পারেন পিছে কেউ আছে, তাইলে শুধু ঘাড় ঘুরাবেন না। পুরো শরীর ঘুরিয়ে দেখবেন। ঘাড় ঘুরালে মটকে দেবার সম্ভাবনা আছে।
২। বিছানার ওপর সাপ দেখতে পেলে আগেই মারবেন না, আপনার ক্ষতি হতে পারে। আগে চলে যেতে বলবেন। কারন জিন সাপের রুপ ধারন করে। মারামারি করতে গিয়ে আপনি মারাও যেতেপারেন, কারন এক সাহাবি এই সাপের রুপ ওয়ালা জিনের সাথে মারামারি করতে গিয়ে মারা গিয়েছিল। আর যদি চলে না যায়, তবে বুঝবেন আসলেই ওটা সাপ, তখন মারবেন বা তাড়িয়ে দিবেন।
৩। যদি রাতে দেখেন গাছের কোন ডাল বা বাঁশ ঝুকিয়ে পরেছে তবে তার ওপর দিয়ে যাবেন না। আয়াতুল কুরসি পড়বেন। তাইলে দেখবেন আবার ঠিক হয়ে গেছে, তখন যাবেন।
৪। শুধু গভির রাতে যদি যেকেউ বাহির থেকে আপনার নাম ধরে ডাকলে সাড়া দিবেন না। ৩ বার ডাকার পর সাড়া দিবেন।
৫। গাছে যদি কিছু বসা দেখতে পারেন তাইলে তার দিকে তাকিয়ে থাকবেন না। চুপ করে মাটির দিকে তাকিয়ে চলে যাবেন।
৬। যদি একা রাতে আপনার রুমে এসে দেখেন আপনিই রুমে বসে আছেন। মানে নিজেকে নিজেই দেখতে পারেন, তাইলে ভয় পাবেন না। ওটা আপনার সাথে থাকা জিন। (কারিন জিন)। শুধু চোখ বন্ধ করে আয়াতুল কুরসি পড়বেন ও তারপর চোখ খুলবেন।
৭। রাতে কখনো চিত হয়ে ঘুমাবেন না। আর যদি ভয়ের স্বপ্ন দেখেন, তাইলে উঠে বুকের বাম পাশে আস্তে আস্তে করে ৩ বার থুতু দিবেন। - বুখারি শরিফ
৮। পুকুরে গোছল করলে যদি বুঝতে পারেন কেউ আপনার পা ধরে টানিয়ে নিয়ে যাচ্ছে তবে প্রথমে চিৎকার দিবেন। ও সাথে সাথে দোয়া ইউনুস পড়া শুরু করবেন। কারন পুকুরে বা নদী তে জিন থাকে।
৯। যদি রাতের বেলা একা একা দেখতে পারেন কুকুর আপনার কাছে আক্রমণ করতে আসছে আর কুকুর টা কে যদি অস্বাভাবিক মনে হয়, তাইলে যথাক্রমে মাটিতে একটা সারকেল আঁকাবেন ও ওই সারকেলের ভিতর দাঁড়িয়ে আয়াতুল কুরসি পড়বেন।
১০। যদি দেখেন আপনি রাতের বেলা তে পথ
ভুলিয়ে যাচ্ছেন বা একই পথে বার বার ফিরিয়ে
আসছেন বা অনেক দূর যাওয়া পরও গন্তব্যে
পৌছাতে পারছেন না, তবে আজান দিবেন।
তাইলে সব ঠিক হয়ে যাবে। গয়রান নামক জিন
আপনাকে এই ধকায় ফেলাইছে।
১১। রাতে ঘুমের মধ্যে যদি বুঝতে পারেন আপনার
বুকে কেউ ভর করে আছে। তবে চিৎকার দিবেন
না। চিৎকার দিলে কোন লাভ হবে না, কারন
আপনার চিৎকার মুখ দিয়ে বের হবে না। আপনার
যানা যেকোনো সুরা পাঠ করবেন।
১২। মরা মানুষের আত্মা যদি দেখতে পারেন
তাইলে ভয় পাবেন না। ওটা আত্মা নয়। জিন
ওই মরা মানুষের রুপ ধারন করেছে। শুধু সালাম
দিয়ে চলে যাবেন।
১৩। গভীর রাতে একা রাস্তায় হাঁটার
সময় যদি দেখেন কালো কুকুর বা কালো বিড়াল
আপনার বামপাশ থেকে আপনাকে ক্রস করার
চেষ্টা করছে তবে ক্রস করতে দিন। কোন
সমস্যা নেই। এটা সমাজের কুসংস্কার। তবে
তাকে মারবেন না।
১৪। অনেকেই বলে কবরস্থান একটা পবিত্র
স্থান। কথা টি ঠিক তবে কবরস্থানে ঘুল নামক
জিন থাকে। তাই পবিত্র স্থান হলেও সর্তকের
সাথে চলবেন।
১৫। আয়নার মধ্যে জিন প্রবেশ করতে পারে।
তাই গভির রাতে আয়না না দেখাই ভাল। আর
আয়না তে সবসময় পদ্যা দিয়ে রাখবেন। বাথরুম
আয়না না রাখাই ভাল কারন বাথরুমে খান্নাস
নামক জিন থাকে, যদিও দুর্বল জিন। আর
আয়নার সামনে গিয়ে এই দোয়া পাঠ করবেন
"আল্লাহুম্মা হাসানতা খালকি ওয়া আহাসিন
খুলুকি"
১৬। বাসার ছাদের ওপর জিন বসবাস করে, তাই
গভির রাতে একলা ছাদে যাইবেন না। গেলে
কাউকে সাথে নিয়ে যাবেন
১৭। যদি আপনি একা একা কোন মিস্টি বা পিঠা
জাতিও কিছু খেতে থাকেন ও দেখলেন যে কোন
বিড়াল আপনাকে ডিস্টার্ব করছে তবে তাকেও
খেতে দিন। কখনোই তাড়িয়ে দিবেন না বা
মারবেন না। কারন কোন সময় জিনও আকৃতি
ধারন করে আসে, ও মিস্টি জাতিও জিনিস
তাদের প্রিয় খাবার।
১৮। অতিরিক্ত রাগ করবেন না। আমাদের মাঝে
মধ্যে রাগ এতোটাই বেড়ে যায় যে মুখ দিয়ে কথা
আটকে আটকে যায়। এই রাগের কারনে জিন
আপনার শরিরে প্রবেশ করতে পারে। তাই রাগ
হলে বসে পরবেন, বা বসে থাকবে দাঁড়িয়ে
যাবেন। তাইলে জিন প্রবেশ করতে পারবে না।
১৯। মাগরীবের সময়, রাত ২/৩ টা ও
আমাবস্যার সময় জিন দের প্রভাব বেশি থাকে।
তাই এই সময় সর্তক থাকবেন। ছোট বাচ্চাদের
নিরাপদে রাখবেন ও মাগরীবের সময় বিসমিল্লা
বলে ঘরের দরজা বন্ধ করে দিবেন।
২০। প্রতিনিয়ত যদি ভয়ের স্বপ্ন দেখেন ও
প্রতিনিয়ত দেখেন যে ওপর থেকে নিচে পরে
যাচ্ছেন তাইলে আপনি ব্ল্যাক ম্যাজিকে
আক্রান্ত।
*** আমার পোষ্ট যদি আপনাদের সামান্য ভাল
লেগে থাকে অথবা উপকারে এসে থাকে,কমেন্টে অন্তত একটাবার জানাইয়েন........
আপনাদের সুখী জীবনই আমার কাম্য।
সবাই লাইক, শেয়ার দিয়ে পাশে থাকেন
যেন আরো ভাল পোস্ট করতে পারি ইনশাআল্লাহ!!
আপনার শেয়ারের কারনে আপনার কাছের মানুষ গুলো জানতে পারবে কিছু তথ্য যাদের এসব ব্যাপারে জানা অতীব জরুরি।।
# শুকরিয়া

...ব্রেকাপের কিছুদিন পর ছেলেটা গিয়েহঠাৎ করে মেয়েটাকে শক্ত করে জড়িয়েমেয়েটা চমকে উঠে পিছনে তাকিয়ে দেখেছেলেটা তাকে জড...
02/08/2019

...ব্রেকাপের কিছুদিন পর ছেলেটা গিয়ে
হঠাৎ করে মেয়েটাকে শক্ত করে জড়িয়ে
মেয়েটা চমকে উঠে পিছনে তাকিয়ে দেখে
ছেলেটা তাকে জড়িয়ে ধরে আছে।
মেয়েটা অবাক হয়ে যায়।
যে ছেলে রিলেশন থাকা কালিন তার
হাত ধরতে গেলে ভয়ে হাত কাঁপত,
সেই ছেলে তাকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরেছে
তাও আবার ব্রেকাপের পর।
মেয়েটা নিজেকে ছাড়িয়ে নিয়ে চোখ মুখ
কঠর করে বললো,,,
- কি হচ্ছে এটা?
ছেলেটা সরল ভাবে উত্তর দিল........
- ভালবাসি তো।
মেয়েটা রেগে গিয়ে বললো,,,
- খবরদার বদ পোলা আমার সামনে ন্যাকামি করবা না!
ছেলেটা আরো সরল ভাবে বললো,,,
- ভালবাসি,ন্যাকামি করতে যাব কেন?
মেয়েটা আরো এক ধাপ রেগে গিয়ে
বললো,,,
- কিসের ভালবাসা? ব্রেকাপের পর কোন ভালবাসা
থাকতে পারে না।তোমার মত বদ ছেলেকে
আমি আর
একটুও ভালবাসি না! তোমার সাথে আমার কোন
সম্পর্ক
নাই।
মেয়েটার রাগ দেখে ছেলেটা ভয়ে মিনমিন
করে বললো,,,
- এহ্ বললেই হলো আর ভালবাসে না!
ভালবাসা কি এত সস্তা নাকি যে ব্রেকআপ বললেই
সব
শেষ হয়ে যাবে?
ছেলেটার মিনমিন কথা শুনে মেয়েটা চোখ
রাঙিয়ে বলে,,,
- কি বললা তুমি?
- না মানে বলছিলাম কি ব্রেকআপ তো তুমি করছ
তাই
আমার জন্য তোমার মনে কোন ভালবাসা নাই, শুধু
রাগ
আছে।তবে এতে আমার খুব একটা সমস্যা
হবে না,আমার মনে যে পরিমান ভালবাসা আছে
সেটা তোমার রাগের সাথে পাল্লা দিয়ে সুন্দর
মত চলে
যাবে দুজনের।রাগময় ভালবাসা হবে আমাদের।
ছেলেটার বোকা বোকা কথা শুনে মেয়েটার
রাগ
অনেকটা কমে যায়।এই বোকা ছেলেটাকে যে
রাগের
আড়ালে কি পরিমান ভালবাসে মেয়েটা,
সেটা কোনদিনও বোকা
ছেলেটাকে বুঝতে
দেয় না।মেয়েটা রাগি কণ্ঠে বলে,,,
- খবরদার আমার আশেপাশে ঘুড় ঘুড় করবা না।
তোমার
সাথে যা ছিল সব শেষ!
বাড়িওয়ালার ছেলেটা বেশকিছুদিন ধরে আমার
পিছু ঘুড়ছে,গতকাল তো প্রোপজও করেছে!
ভাবতেছি আর সাপ্তাখানি ঘুড়িয়ে প্রোপজালটা
এক্সেপ্ট করে নিব!
মেয়েটার কথা শুনে ছেলেটার চেহারায়
কষ্টের
একটা ছাপ ফুটে উঠে। চোখ দুটো ছল ছল
করে
উঠে।অসহায় দৃষ্টি নিয়ে মেয়েটার দিকে তাকিয়ে
থাকে।
মেয়েটা খুব ভালকরে বুঝতে পারে তার বলা মিথ্যা
কথাটা ছেলেটার ভিতরে গিয়ে আঘাত করেছে।
মেয়েটার ভীষন মায়া হয়,কান্না চলে আসে।
অনেক কষ্টে
কান্না চেপে ছেলেটার দিকে
তাকায়।ছেলেটা বোকা বোকা একটা হাসি দিয়ে
বলে।
- ৭ দিন,সেটা তো অনেক সময়।এই কদিন না হয়
তোমার
সাথে থাকি।উহু আমাকে তোমার ভালবাসতে হবে
না,
শুধু তোমাকে ভালবাসতে বাধা দিও না প্লিজ।তুমি
যখন
ভালবেসে ঐ ছেলের হাত ধরবে তখন আমি
আস্তে করে হারিয়ে যাব। আর কোনদিন
তোমার
সামনে আসব না।
ছেলেটার কথা শুনে মেয়েটা আর কান্না
চেপে
রাখতে পারে না।ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠে।হাতটা
মুঠো করে
ছেলেটার দিতে তাঁক করে বলে,,,
- আর কোনদিন যদি আমাকে কষ্ট দাও,বদ
ছেলে দেইখো তোমাকে আমি কি করি!
মেয়েটার কথা শুনে ছেলেটা ভিজা চোখ নিয়ে
মেয়েটার দিকে তাকিয়ে থাকে।
মেয়েটা ধমক দিয়ে বলে,,,
- দাঁড়িয়ে আছ কেন?
জড়িয়ে ধরো আগের থেকে শক্ত করে
ধরবা।
মেয়েটার কথা শুনে বোকা ছেলেটা লজ্জায়
মাথা
নিচু করে দাঁড়িয়ে থাকে।
মেয়েটা চোখ মুছতে মুছতে বলে,,,
- কি হলো ধরছ না কেন?
ছেলেটা আসতে করে বলে,,,
- আমার না ভীষন লজ্জা লাগছে!
মেয়েটা চোখ রাঙিয়ে বলে,,,
- তখন ধরলে কি করে?
- তখন তো তোমাকে হাড়ানোর ভয়টা এত
তীব্র
ছিলে যে লজ্জা ভয় কোনটাই কাজ করছিল না!
ছেলেটার কথা শুনে মেয়েটার চোখ আবার
ভিজে উঠে।ভিজা চোখ নিয়ে ছেলেটার কলার
চেপে ধরে বলে,,,
- এখন যদি তুমি আমাকে না জড়িয়ে ধর,চিরদিনের
জন্য ব্রেকাপ করে চলে যাব!
ছেলেটা চিৎকার করে বলে উঠে,,,
- এই না না আমি তোমাকে জড়িয়ে ধরব।
ছেলেটা মেয়েটাকে খুব শক্ত করে জড়িয়ে
ধরে।আর মেয়েটা ছেলেটার বুকে মুখ
লুকিয়ে মনে মনে বলে,,,
- তোমার এই জড়িয়ে ধরার জন্য হলেও রোজ
একবার করে ব্রেকাপ করব বদ
ছেলে,দেখেনিও!

"গুন্ডী বউ"পর্ব-১লেখক :পিচ্চি কবি lady killerআমি সারা জীবন ব্যাচেলর থাকতে চেয়েছিলাম।কিন্তু মা বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল বলে...
31/07/2019

"গুন্ডী বউ"
পর্ব-১

লেখক :পিচ্চি কবি lady killer

আমি সারা জীবন ব্যাচেলর থাকতে চেয়েছিলাম।কিন্তু মা বিয়ের জন্য চাপ দিচ্ছিল বলে আমি ঢাকা থেকে বাড়ীতে আসি নি।
কিন্তুু ইদের ছুটিতে বাড়ীতে এসে বিপদে পড়েছি।
আজ মা আমাকে বলেছে মেয়ে দেখতে যেতে হবে।
আমি তো বিয়ে করতে এখনও রাজি না।বিয়ে মানে পরাধীনতা।আর বৌয়ের প্যাড়া।
সারাজীবন দেখে আসছি আমার বাবার বিয়ের করুন পরিনতি।
আমার বাবা আমার মতোই বোকা সোকা একটা মানুষ।বিয়ে করেছিল আমার মাকে।কিন্তু আমার মা বাবার সরলতার সুযোগ নিয়ে বাবাকে চরকার মতো ঘোরায়।
আমি জন্মের পর থেকে সেটা দেখে আসছি।এখনও দেখছি।
আমার মায়ের অনুমতি ছাড়া বাবা ঘরের বাইরে পর্যন্ত যায় না।
আর কোন কাজে একটু এদিক ওদিক হলেই মা এমন করে যেন উনিই এবাড়ীর চেয়্যারম্যান আর বাবা মেম্বর।
আমিও বাবার মতো খাল কেটে কুমির আনতে চাই না।
অবশেষে আমাদের বাড়ীর চেয়ারম্যান এর আদেষে তার সাথে আমাকে,বোন রিমাকে আর বাবাকে যেতে হচ্ছে মেয়ে দেখতে।মায়ের বান্ধবির মেয়ে।
মেয়ের বাড়িতে বসে আছি। শরীরটা ঘেমে ভিজে যাচ্ছে ফ্যান চলা শর্তেও।খালি টেনশন আর টেনশন।
মেয়েকে আমাদের সামনে আনা হলো।মেয়েটার নাম নিলা।
আমি মেয়ের দিখে তাকিয়ে আতকে উঠলাম।মনে হচ্ছে এটা মায়ের মতই হবে।
সবাই বললো আমাদের দুজনকে আলাদাভাদে কথা বলার জন্য।
মা আমাকে মেয়েটির সাথে যেতে বললেন।আর মেয়েটিকে কানে কানে কি যেন বলে দিলেন।
আমি মেয়েটির সাথে ঘরে গিয়ে ছোফায় ভ্যাবলা কান্ত মত হয়ে বসে পড়লাম।
যাতে মেয়েটা আমাকে পছন্দ না করে।
আমি চুপচাপ বসে ছিলাম।তখন নিলা বলে উঠলো---
---কিছু বলবেন?
---না আমার কিছু বলার নেই।
মনে হচ্ছে ও বিরক্ত হচ্ছে।
---ঐ মিয়া আমাকে পছন্দ হয়েছে??
----জি ই ই হয়েছে।
---আপনি তোতলান ক্যান?
---আসলে আমি এই বিয়েতে রাজি না।
---কিন্তু আমিতো রাজি।আর আপনি রাজি না হলে একঘুসিতে নাক ফাটিয়ে দেব।(ঘুসি উচিয়ে)
---নাহ আমি রাজি।
এরপর আমরা বাড়ীতে চলে আসলাম।
মা বিয়ের দিন ঠিক করেছে ১মাস পর বিয়ে।
কিন্তু ঐ মেয়েকে আমি কোন মতেই বিয়ে করবো না।
ওটা মেয়ে না অন্য কিছু।
ওকে বিয়ে করলে আমাকে বাবার মতো চেয়ারম্যানি ছেড়ে মেম্বরি ধরতে হবে।
কিন্তু আমি মেম্বরি চাই না চেয়ারম্যানই চাই।
এদিকে মা আমার অফিসে ফোন করে ২মাসের ছুটিও নিয়ে নিয়েছে।নইলে অফিসের নাম করে পালিয়ে যেতাম।
আমি বাবাকে ব্যাপারটা বললাম।বাবা আমার ব্যাপারটা বুঝলেন।
তিনি বুদ্ধি দিলেন বাড়ি থেকে পালানোর।
আর বাবা আমাকে সাহায্য করবে।
মা আমাকে আর বাইরেও যেতে দেয় না।বিয়ের দিন ঘনিয়ে আসল।আর ৫দিন বাকি।
বাবা আজকে বাজারে গেলে আমার জন্য ঢাকার একটা বাস টিকিট কেটে আনবে।আর পরশু পালাবো রাতে।
বিয়ের আর আজ বাদে আর দুইদিন বাকি।
আজ রাতেই পালাবো যে করে হোক।
রাতেবাবা আমাকে নিয়ে এগিয়ে দিল স্টেশনে ।
আমি মনে মনে খুসি।বাড়ী থেকে পালাতে পড়ে।
কিন্তুু বাবার কি হবে মা বাবকে আস্ত রাখবে না।
বাবা বললেন ওনাকে নিয়ে কোন চিন্তা না করতে।
বাস আর ১০মিনিট পর ছাড়বে।
বাবা আমাকে বিদায় দিয়ে চলে গেলেন।
বাস ছাড়ার মিনিট চারেক বাকি তখন কেউ আমার কাধে হাত রাখলো।
পিছন ফিরে দেখি আমার জল্লাদ মামা।
আমি শেষ উনি কিভাবে জানলো?
নিঃশ্চয় মা কিছু বুঝতে পেরে এনাকে পাঠিয়েছে।
আমি বাস থেকে নিচে নেমে দেখি বাবাও নিচে দাড়িয়ে।তাকে দুজন ধরে রেখেছে।
মানে আমরা ধরা পড়ে গেলাম আমাদের খবর আছে।
বাড়িতে গেলে বাড়ির চেয়ারম্যান বিচার করে আমাদের বাপ বেটার বিয়ের আগ পর্যন্ত খাওয়া বন্ধ করে দিলেন।
মানে ২দিন না খেয়ে থাকতে হবে।
আমাদের উকিল হয়ে বোন আপিল করলো কিন্তু কাজ হচ্ছে না।
কি আর করা উনার আদেষ আমাদের মাথা পেতে নিতে হলো।
অবশেষে বিয়ের দিনটা এসে গেল।
কি ভাবছেন এদুইদিন না খেয়ে ছিলাম?
আরে নাহ।আমার বোন আছে না।
ও ওর ঘরে আলাদা করে রাইসকুকারে ভাত ও আলু সিদ্ধ করে খায়িয়েছে আমাদের। অবশ্য মা জানে না।
বোনটা ছিল বলে বাচা।
অবশেষে বিয়ে বাড়ীতে বরের বেশে পৌছালাম।
কাজী বিয়ে পড়াতে এসে ফিরে গেল।
সারা বিয়ে বাড়িতে হৈ চৈ পড়ে গেল কারণ বর কবুল বলে নি।
কি জন্য বলবো বলেন।৩বার কবুল বললেই যে আমি আমার স্বাধীনতা হারাবো।
অবশেষে মা কাজী সাহেবকে নিয়ে হাজির।
মা কাজীকে বললেন---নিন এবার বিয়ে পড়ান আমি ছিলাম না বলে ও কবুল বলে নি।
কাজি আবারও বিয়ে পড়াচ্ছে।
কবুল বলতে বললো মায়ের ভয়ে বলেই দিলাম।
অবশেষে বৌ নিয়ে বাড়িতে ফিরলাম।
রাত ১১টার মতো বাজে ছাদে দাড়িয়ে জিবনে প্রথম একটা সিগারেট ধরালাম শুনেছি এটা টেনশন কমায়।
কিন্তুু ধরানোটা বৃথা হয়ে গেল।একটানের বেশি দিতে পারি নি।
একটান যখন দিয়েছি তখনই মনে পড়লো এটাতে নাকি ক্যান্সার হয়।
তাই ফেলে দিয়েছি।
দাড়িয়ে দাড়িয়ে ভাবছি আমার অবস্থাও কি বাবার মতো হবে???
তখনই মা বললো ---ঐ তোর এখানে কি? যা ঘরে যা বৌমা একা আছে।
মায়ের আদেষে সবার কাঙ্খিত আর আমার অনা কাঙ্খিত বাসর ঘরে ঢুকলাম।
দরজাটা বন্ধ করে পিছনে তাকালাম দেখি বউ খাট থেকে উঠেছে মনে হয় সালাম করবে।
কিন্তুু ও কোমরে শাড়ী পেচাতে পেচাতে আসছে কেন?
ও আমার কাছে এসেই শেরওয়ানির কলারটা চেপে ধরলো।ধরেই বললো---
---ঐ মিয়া আপনার জন্য আজ আমার মান সম্মান সব শেষ।আজ আপনার খবর আছে।
আমি ভয়ে কেপে উঠলামম আর জিগ্যেস করলাম --- আমি আপনার কি করেছি।
(চলবে......)

এ  কাজ ভূলেও করতে যাবেন না।কারণ মশা বদ্ধ পানিতে ডিম পারে। ড্রেনের পানি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বয়ে যায় তাই মশা ড্...
30/07/2019

এ কাজ ভূলেও করতে যাবেন না।

কারণ মশা বদ্ধ পানিতে ডিম পারে। ড্রেনের পানি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় বয়ে যায় তাই মশা ড্রেনের পানিতে না বরং বাসার আশেপাশের জমে থাকা পানি থেকেই বেশি হচ্ছে ।

হারপিক আর ব্লিচিং একত্রে বিষাক্ত ক্লোরিন গ্যাস তৈরি করবে, যা আপনার ফুসফুসের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকেও বন্ধ করে দিতে পারে। এটা সম্পূর্ণ একটি গুজব। সতর্ক থাকুন..
আর ঢাকায় রাস্তার যত কুকুর বিড়াল আছে তারা ড্রেন বা এ সব বহমান পানি খেয়েই থাকে।
একসাথে পানি বিষাক্ত করলে কি একটা অবস্থা হবে বুঝতে পারছেন?
তাই আমাদের উচিত নিজেদের বাসার আশেপাশেটা পরিষ্কার করা, তাহলেই অনেক কিছু সমাধান হয়ে যাবে।

তথ্যঃ সংগ্রহীত

 #নিজেকে_ভাগ্যবতী_মনে_করি #শাবানা যখন নায়িকা১৭ বছর রুপালি পর্দায় নেই নায়িকা শাবানা। স্বামী ওয়াহিদ সাদিককে নিয়ে প্রবাসজীব...
30/07/2019

#নিজেকে_ভাগ্যবতী_মনে_করি

#শাবানা যখন নায়িকা১৭ বছর রুপালি পর্দায় নেই নায়িকা শাবানা। স্বামী ওয়াহিদ সাদিককে নিয়ে প্রবাসজীবন কাটাচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে। এবার এক বছর পর গত এপ্রিল মাসে ঢাকায় এসেছেন তাঁরা। গত মঙ্গলবার বিকেলে দাঁতের চিকিৎসা করিয়ে বিশ্রামে আছেন। গতকাল বুধবার সকালে কথা বলেন প্রথম আলোর সঙ্গে। বললেন, কীভাবে কাটছে তাঁর প্রবাসজীবন

#সিনেমায় কাজ করতে করতে হুট করে যুক্তরাষ্ট্রে চলে গেলেন কেন?

এ-লেভেল শেষে বড় মেয়ে সুমীকে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে পাঠানো হলো। এর এক বছর পর যুক্তরাষ্ট্রের ইয়েল ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হলো ছোট মেয়ে উর্মি। তাঁরা আমাকে মিস করছিল। দেশে আমার চোখের সামনেই ছিল, কাজের ফাঁকে দেখাশোনা করতে পারতাম। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পর সেটা আর করা যাচ্ছিল না। মা হিসেবে কিছু দায়িত্ব-কর্তব্য আছে না? তাই ছেলে নাহিনকে নিয়ে আমি আর ওয়াহিদ সাদিক চলে গেলাম। অভিনয় তো অনেক দিন করলাম। লাখো মানুষের ভালোবাসায় শাবানা হলাম। সন্তানদেরও তো সময় দেওয়া দরকার।

#এত মানুষের ভালোবাসা ছেড়ে যেতে খারাপ লেগেছিল?

সিনেমার জগৎটাও আমার একটা পরিবার ছিল। রাত-দিন বিরতিহীনভাবে কাজ করেছি। সহশিল্পী, পরিচালক, এফডিসির পরিবেশটা মিস করিনি তা নয়। কিন্তু মানুষের জীবনে একটা সময় আসে, যখন আর কোনো উপায় থাকে না। মানুষের জীবনের ধাপে ধাপে কিছু সময় আসে, যখন সময় বুঝে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। আমি নিজেকে খুবই ভাগ্যবতী মনে করি। আল্লাহ আমাকে সবদিক থেকে পরিপূর্ণ করেছেন।

#আপনার সন্তানেরা কে কী করছেন?

সুমী ইকবাল এমবিএ ও সিপিএ করেছে। তবে এখন পুরোদস্তুর গৃহিণী। ছোট মেয়ে উর্মি সাদিক মাস দুয়েকের মধ্যে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি সম্পন্ন করবে। ছেলে নাহিন সাদিক রটগার্স বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স করে এখন ব্লুমবার্গে চাকরি করছে।

#যুক্তরাষ্ট্রে আপনার সময় কাটে কীভাবে?

ওখানে তো সংসার ও বাইরের সব কাজ নিজেকেই করতে হয়। তাই ব্যস্ততা অনেক। তবে কাজের ফাঁকে ইন্টারনেট ঘেঁটে বাংলাদেশের খোঁজখবর রাখি। এসব করেই সময় কেটে যায়।

#শাবানা এখননিজের সিনেমা দেখেন?

টেলিভিশনে দেশের চ্যানেলে নিজের সিনেমা দেখলে খুব ভালো লাগে। পুরোনো স্মৃতিগুলো মনে পড়ে যায়।

#এখনকার সিনেমার খোঁজখবর রাখেন?

শাকিব খানের সিনেমা টেলিভিশনে দেখেছি। কয়েক বছর ধরে তাঁর নাম শুনছি, অপু বিশ্বাসের কথাও শুনেছি। শুনলাম শাকিব নাকি এখন ভারতেও বেশ জনপ্রিয়। আমাদের দেশের শিল্পী ওই দেশে জনপ্রিয়, এটা শুনে খুব ভালো লেগেছে। এ ছাড়া পত্রিকার মাধ্যমে মাহী ও পরীমনির কথাও জেনেছি।

#জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে এবার আপনাকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হচ্ছে। কেমন লাগছে?

অনেক আনন্দ ও গর্ববোধ হচ্ছে। এটা শুধু আমার একার নয়, আমার বাবা-মা, আমার পরিচালক, যাঁরা আমাকে তৈরি করেছিলেন এবং আমার দর্শকদের, যাঁরা আমাকে শাবানা বানিয়েছেন—সবার জন্য আনন্দের।

বিয়ের পাঁচ মিনিট অাগে দিনা অামাকে মেসেজ দিল, "আমার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, অামাকে তুমি ক্ষমা করে দিও"তাড়াতাড়ি করে ফোন দিলাম। ফো...
29/07/2019

বিয়ের পাঁচ মিনিট অাগে দিনা অামাকে মেসেজ দিল, "আমার বিয়ে হয়ে যাচ্ছে, অামাকে তুমি ক্ষমা করে দিও"

তাড়াতাড়ি করে ফোন দিলাম। ফোন কেটে দিয়ে মেসেজ দিল, "বিয়ের অনুষ্ঠানে সবাই অাছে।এখন কথা বলা যাবেনা"

অাবারো শেষ মেসেজ ছিল, "ক্ষমা করে দিও"
অাসলে সেই মূহূর্তে কেউ তার প্রেমিকাকে ক্ষমা করতে পারবে কিনা অামার জানা নেই। তাকে ক্ষমা করব কি করবনা সেটা নিয়ে তখন ভাবিনি। শুধু এটা ভেবেছিলাম, তার বিয়ে হয়ে গেলে অামি কি করে থাকব?

একবার গাড়ির নীচে পড়ে অামার পা অালাদা হয়ে রাস্তার নীচে পড়েছিল। আমি যখন জোরে চিৎকার করলাম তখন খেয়াল হল আসলে আমি এটা স্বপ্ন দেখছিলাম। অামার পায়েরতো কিছুই হয়নি।

দিনার মেসেজের কথোপকথন শেষ হওয়ার পরও ভাবছিলাম এটা স্বপ্ন। হয়তো কিছুক্ষনের মধ্যে অামার ঘুম ভেঙ্গে যাবে।
আমি জোরে চিৎকার দিয়েও দেখি ঘুম ভাঙ্গেনি। দু'চোখ বেয়ে টপ টপ করে পানি পড়তেছ।

সে রাতে অামি একটুও ঘুমাইনি। সহ্য করতে না পেরে কয়েকবার চেষ্টা করেছি ফোন দিতে। কিন্তু মোবাইল বন্ধ।

সকাল এগারোটা। পরিত্যাক্ত বাড়ির ছাদে শুয়ে অাছি। রাত থেকে কিছুই যায়নি পেটে। এক কাত হয়ে শুয়ে থাকার কারনে দুইটি চোখের পানি একই দিকে নামতেছে।

সাড়ে এগারোটার দিকে দিনা অামাকে ফোন করে বলতেছে, "বিশ্বাস করো বিয়েটা অামার ইচ্ছাতে হয়নি।"
জানতে চেয়েছি, "তুমি বাধা দিয়েছিলে? যেন বিয়েটা না হয়।"
দিনা কোন কথা বলেনি।
আবারো বললাম, যেহেতো তোমার ইচ্ছের বিরুদ্ধেই বিয়েটা হয়েছে তাহলে তুমি চলে এসো। আমি তোমাকে অাবার বিয়ে করব। দিনা উত্তরে বলেছিল, "মেয়েদের বিয়ে একবারই হয়"

নিজেকে বড্ড বেহায়া অার নির্লজ্জ মনে হয়। তবুও আমি দিনার একটি ফোনের জন্য চাতক পাখির মত অপেক্ষা করি। দিনাও আমাকে প্রায়ই ফোন দেয়।

ফোন দিয়ে সে তার শশুর শাশুড়ীর প্রশংসা করে। তাকে নাকি নিজের মেয়ের মতই অাদর যত্ন করে।
কখনো তার স্বামীর প্রশংসা করে। তার স্বামী তাকে অনেক ভালবাসে। ভাল একটা চাকুরী করে ইত্যাদি। অার আমি বেহায়ার মত দিনার সুখের গল্প শুনি।

ফোনের শেষের কথাগুলো থাকে আবেগে ভরপুর।
"শ্রাবণ তুমি অামাকে ক্ষমা করে দিও, অামি তোমাকে ঠকিয়েছি। তুমি অামাকে ভুলে যাও।"

অার যখন বলি, হ্যাঁ অামি তোমাকে অাস্তে অাস্তে ভুলতে শুরু করেছি।
তখন তার অভিমানী সুর, "অাসলে তুমি অামাকে কখনো ভালবাসোনি। ভালবাসলে অামাকে ভুলতে পারতেনা।"

একেকবার নিজের ভুল স্বীকার করে বলে, "জানো? আমি দুই নৌকায় পা দিয়েছি। স্বামীর ভালবাসাও ছাড়তে পারি

বাসর ঘরে ঢুকে পাশে বসতেইবৌ আমাকে বলল....----ঘড়িতে তাকিঁয়ে দেখুন তো কয়টা বাজে??বাসর রাতে বৌয়ের এমন সাহসী প্রশ্নে কিছু...
28/07/2019

বাসর ঘরে ঢুকে পাশে বসতেই
বৌ আমাকে বলল....
----ঘড়িতে তাকিঁয়ে দেখুন তো কয়টা বাজে??
বাসর রাতে বৌয়ের এমন সাহসী প্রশ্নে কিছুটা বিচলিত
হলাম।তখন ঘড়িতে তাকিঁয়ে দেখি রাত ১২.৩০মিঃ।আমি
বৌয়ের পাশে বসে আস্তে করে বললাম.....
----শোনো আমার এখন বিয়ে করার কোন ইচ্ছেই ছিলো
না।আমার বাবা-মায়ের পছন্দেই তোমাকে বিয়ে করেছি।
তবে আমার কারো সাথে কোন সম্পর্ক ও নেই।কিন্তু আমি
বিয়ের জন্য মানসিক ভাবে প্রস্তুত ছিলাম না।তাই আমি
এখন চাইলেও এত সহজে তোমাকে বউ হিসেবে মানতে বা
বৌয়ের অধিকার দিতে পারবোনা।
কথা গুলো বলে শেষ করা মাত্র ই
নতুন বউ আমার পাঞ্জাবির কলারটা চেপে ধরে বলল.....
----আমাকে কি খেলার পুতুল মনে হয় নাকি??পছন্দ হয়নি,
বিয়ে করতে চাননি এইটা আগে বলতে পারলেন না??
নিজের মায়ের মন রক্ষা করতে আমার সব আশা-স্বপ্ন কে
কেন বলিদান দিতে হবে?
বিয়ে করার ইচ্ছে নেই,এইটা আমাকে আগে বললেই
পারতেন।তবেই আমি আমার পক্ষ থেকে বিয়ে ভেঙে
দিতাম।মায়ের প্রতি ভন্ড ভক্তি শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে
আমার জীবনটা কেন এইভাবে নষ্ট করে দিলেন হুম?
আমি তো আপনার কোন ক্ষতি করিনি।এখন আমি
যেভাবে বলব সেভাবেই সব হবে। ঠিক আছে????
বলেই কলার টা ছেড়ে দিলো।পরে আবার বলল....
----আচ্ছা যা হবার তা তো হয়েই গেছে।
দিতে হবে না আপনাকে বউয়ের অধিকার।
যান নিচে গিয়ে ঘুমান।একদম খাটে ঘুমাতে পারবেন না।
বলেই আমার বালিশ পা ফ্লোরে ছুড়ে মারলো।আমি ও
বাধ্য ছেলের মতো ফ্লোরেই শুয়ে পড়লাম।আর মনে মনে
ভাবতে লাগলাম,কেমন গুন্ডি মেয়ে রে বাবা।জীবনেও
এমন মেয়ে দেখিনী।
মনে তো হচ্ছে জীবন পুরাই তেজপাতা করে ছাড়বে।
ফ্লোরে ঘুমই আসছেনা।কখনই ফ্লোরে ঘুমাই নি।কিন্তু
আজকে নিজের অমতে বিয়ে করার কারনেই ফ্লোরে
ঘুমাতে হচ্ছে।
এর মধ্যে মশার আন্দোলন। ইসসসসসস,,,,,,সহ্য হচ্ছেনা।চোখ
বন্ধ শুয়ে করে আছি।কখন জানি ঘুমটা লেগে গেছে
বুঝতেই পারিনি।হঠাৎই সজাগ হয়ে দেখি আমার শরীরে
কম্বল আর পাশে ও মশার কয়েল লাগানো।মনটাতে একটু
স্বস্তি পেলাম,চোর হলেও মানুষ ভালো।
মনে মায়া-দয়া আছে।
পরের দিন ঘুম থেকে উঠেই দেখি টেবিলে চা রাখা।চা
খেয়ে,ফ্রেশ হয়ে রুমে বসে ফোন টিপছিলাম তখন ই
তানিয়া (আমার বৌ)এসে বললো.....
----এইযে সেই কতক্ষন যাবত খাবার নিয়ে সবাই অপেক্ষা করছে
আর আপনি ঘরে বসে আছেন কেন?এখনি নিচে চলুন আগে......??বলেই আমার কানের কাছে এসে আস্তে করে
বললো...
-----নাকি খাবার টা রুমে নিয়ে আসবো?
আমি তো হার্ট এ্যাটাক হতে হতে বেচেঁ গেছি।আমি তো
ভাবছিলাম,বউ বুঝি এইবার ও কলার ধরেই আমাকে খাবার
টেবিলে নিবে।কিন্তু না,বউয়ের স্বর পাল্টে গেছে,তবে
কি বউ আমার প্রেমে পড়ে গেল নাকি??কথাটা ভাবতে
ভাবতেই বউয়ের দিকে তাকালাম।হা হয়ে তাকিঁয়ে
আছি,বউ তো আমার হেব্বি সুন্দরী।রাতে তো ভাবছিলাম
হিটলারনি।এখন দেখি না মায়াময়ী।এইবার যে আমি
বউয়ের প্রেমে পড়ে গেলাম।নিজেই নিজেকে বললাম...
----পিন্টু মনে হয় তুই তোর হিটলারনি বউয়ের প্রেমে পড়ে
গেছিস।
হঠাৎ একটা বিকট শব্দে বাস্তবে ফিরলাম।
সামনে তাকিঁয়ে বউ আমার ফ্লোরে পরে চোখ বন্ধ করে
আছে।বুঝতে পারলাম,পাগলীটা খুবই ব্যথা পাইছে।
দৌড়ে গিয়ে টেনে তুলে বসাতে গেলাম আর অমনি
আস্তে করে বলল.....
----কেমন স্বামী গো আপনি??
আমি তো একটু ভ্যাবাচ্যকা খেয়ে গেলাম।
বললাম...
----আমি আবার কি করলাম।
বৌ বলল....
----আমি মাটিতে পরে আছি কই কোলে করে নিয়ে
বিছানায় শোয়াবেন,তা না করে আমার হাত ধরে
টানছেন।
সাথে সাথেই আমি কোলে করে নিয়ে বিছানায় শুইয়ে
দিলাম।
আমায় শক্ত করে জড়িয়ে ধরে বলল....
----ইচ্ছে করে এইভাবে ই ধরে রাখি সারাটা জীবন।কিন্তু
আপনি তো আমাকে পছন্দই করেন না।
কথা শেষ করেই তানিয়া দীর্ঘ নিঃশ্বাস ছাড়লো।
আমারও বুকের ভিতরটা দুমড়ে মুচড়ে গেল।আমারো খুব বলতে ইচ্ছা হচ্ছিল *
কপালে একটা চুমো একেঁ দিয়ে বলি ...
----পাগলী আমি যে তোমাকে ভালোবেসে ফেলেছি
গো।
কিন্তু পারলাম না।কোথায় জানি একটা বাধাঁ
পাচ্ছিলাম।এই সুযোগে তানিয়া আমাকে ঠেলে
বিছানায় ফেলে দিয়ে দৌড়ে পালালো।আমি শুধু ওর
চলে যাওয়ার পানে তাকিঁয়ে রইলাম।পরক্ষনেই খেয়াল
হলো,ও তো ব্যথা পাইছে।যার কারনে কোলে করে
উঠাতে হলো।বুঝতে আর বাকি রইলো না,এইবার ও
আমাকে বোকা বানানো হয়েছে।
পাগলিটার সাথে খুনসুটি প্রেম করতে করতেই কেটে গেল
২টা বছর।এখন কেউ কাউকে ছাড়া কিছু ভাবতেই পারিনা।
আমার পাগলীটা এখন গর্ভবতী।
তাই খুব যত্ন নেই তার।আজকেই বাচ্চা হবার তারিখ
দিয়েছে ডাক্তার।
আমি অফিসে ছিলাম,হঠাৎই বাবার ফোন পেয়ে ছুটে
গেলাম হসপিটাল।গিয়েই শুনলাম আমার ঘর আলো করে
এসেছে এক ছোট্ট রাজকন্যা।
কিন্তু....
আমার পাগলিটার কোন সাড়া শব্দ পাচ্ছিনা কেন??ভয়ে
আৎকে উঠলাম।অনেকের মুখেই শুনেছি,বাচ্চা জন্ম দিতে
গিয়ে মারা গেছে অনেক মা।সে ভয়েই বাচ্চা নিতে
চাইনি।কিন্তু ওর নাকি বাচ্চা লাগবেই।
ওর ইচ্ছে পূরন করতে গিয়েই কি তবে......???
আর ভাবতেই পারছিনা।
আর একটা মিনিট ও নষ্ট না করে,দৌড়ে গেলাম কেবিনে।
গিয়ে দেখি বাচ্চা টা হাত পা নাড়িয়ে খেলছে।
কিন্তু তানিয়া চোখ বন্ধ করে রাখছে।
ওর নিঃশ্বাস আছে কি নাই তা দেখার মতো ধৈর্য আমার
ছিলোনা।তাই তানিয়াকে জড়িয়ে চিৎকার দিয়ে
ফেললাম।
সাথে সাথেই কানের কাছে একটু ব্যথা অনুভব করলাম।
পরে দেখি তানিয়া আমার আস্তে করে কানে কামড়
দিয়ে বলল....
-----কি ভাবছিলা তোমাকে একা রেখে চলে যাবো??
আরে না গো,আমি চলে গেলে,তোমাকে জ্বালাবে
কে??
আমিও বুকে শক্ত করে জড়িয়ে ধরে রাখলাম।আর
বললাম,বড্ড ভালোবাসি রে পাগলি তোকে।ছাড়বোনা
কখনই। 💗💗💗


বিদ্র ঃ পোস্ট টি মন ছুয়ে নিলে,,একটি সেয়ার একটি লাইক আর
আপনার মতামত

★★গল্পটা পড়ে দেখেন অনেক সুন্দর★★ ওর সাথে পারিবারিক ভাবেই বিয়েটা হয়েছিলো,বাসর রাতে ওর প্রথম প্রশ্ন ছিলো,কয়টা প্রেম করছ...
28/07/2019

★★গল্পটা পড়ে দেখেন অনেক সুন্দর★★

ওর সাথে পারিবারিক ভাবেই বিয়েটা হয়েছিলো,

বাসর রাতে ওর প্রথম প্রশ্ন ছিলো,কয়টা প্রেম করছেন,,?
আমি ওর মুখের দিকে অনেকক্ষন তাকিয়ে ছিলাম,
আবার বলেছিলো,কয়টা প্রেম করছেন,?
আমি বলেছিলাম একটাও না!
উওরটা শুনে অনেক খুশি হয়েছিলো পাগলিটা,বলেছিলো এখন থেকে শুধু আমাকেই
ভালোবাসবেন,অন্য কোন মেয়ের দিকে তাকালে মেরে ফেলবো!হাহাহাহাহা......
ও আমাকে কতটা ভালোবাসে বুঝছিলাম সেই দিন,,।যেদিন আমি ওর চাচাতো বোনের সাথে হেঁসে হেঁসে কথা বলেছিলাম কিছুক্ষন,
ও আমাকে জড়িযে ধরে সে কি কান্না!
আমাকে বলেছিলো, তোমাকে না বলেছি আর
কারো সাথে কথা বলবে
না, আমি শইতে পারিনা,
আমি মরে গেলে ইচ্ছেমত কথা বলো!
তখন আর নিষেধ করবো না!
ওর কাঁন্না দেখে আমি নিজেই কেঁদেছিলাম,,,
হঠাৎ একদিন ও আমাকে বলেছিলো,আমি নাকি
বাবা হবো!
কথাটা শুনে যে কি খুশি হয়েছিলাম বোঝাতে পারবো না!
ওকে কোলে করে সারা বাড়ি ঘুরেছিলাম।
ও আমাকে বলতো রান্না করার সময় ওকে পিছন থেকে জড়িয়ে না থাকলে নাকি ওর রান্না করতে ইচ্ছে করে না।
আমি ওর সব আবদার হাসি মুখে পুরন করতাম।
বড্ড ভালোবাসতাম ওকে,
এখনো বাসি,,,,,,,,,
ও আমাকে বলেছিলো,আমাকে জড়িয়ে ধরে না ঘুমালে নাকি ওর ঘুমই আসে না!
সারারাত জড়িযে ধরে থাকতো আমাকে,
তাই কোথাও রাতে থাকতাম না যত রাতই
হোক বাসায় আসতাম!
ও যখন ৬ মাসের অন্তঃসন্তা তখন আমাকে বলেছিলো,আমাকে ছাড়া তোমার কেমন লাগবে গো?
আমি ওর কথা উওর দিতে পারি নি শুধু কেঁদেছিলাম!
ও আমাকে প্রায় বলতো,আমার যদি কিছু
হয়ে যায় তুমি আবার আরেক টা বিয়ে করো না যেন!
মরে গিয়েও তোমাকে অন্য কারও হতে দিবো না!
আমাকে ভুলে যেও না.....
ওর কথা শুনে কাঁদতাম.....
ঘুমানোর সময় আমাকে বলতো,আমাকে ছাড়া ঘুমানোর চেষ্টা করো...?
বলা তো যায় না..........
আমি ওকে আরও জড়িয়ে শক্ত করে জড়িয়ে ধরতাম!
একদিন ওর ব্যথা উঠলো! সাথে সাথে ওকে হাসপাতালে নিয়ে গেলাম/.....
ও আমাকে বলেছিলো,আমার যদি
কিছু হয়ে যায় প্লিজ আমাকে ভুলে যেও না!
বড্ড ভালোবাসি তোমাকে;
কথাটা শুনে কান্না ধরে রাখতে পারি নি!
ওকে বলেছিলাম,কিছু হবে না তোমার আমি তো আছি পাগলি....
কিছু হতে দিবো না!ও আমাকে বলেছিলো,
শেষ বারের মত একবার
বুকে নিবে?
কথাটা বলেই হাউ মাউ করে কেঁদে দিছিলো!
আমিও কান্না ধরে রাখতে পারি নি,ও আমাকে ছেড়ে দিতে চাইছিলো না, জড়িয়ে ধরে কাঁদছিলো!
আমিও কাঁদছিলাম!
সবাই হা করে তাকিয়ে ছিলো......
নিয়েছিলাম ওকে বুকে
কিন্তু এটাই যে শেষবার বুঝতে পারি নি,বুঝতে পারলে কখনোই ছেড়ে দিতাম না,ও আমাকে বলছিলো আমার সাথে তুমিও চলো আমার খুব ভয় করছে!
ডাক্তারকে কত বার বলেছিলাম আমিও ওর পাশ্বে থাকবো!
কিন্তু আমাকে যেতে দিলো না.....
অপারেশন থিয়েটার থেকে একটা বাচ্চার কান্নার আওয়াজ শুনলাম আর খুশিতে মনটা ভরে গেলো তবে খুশি স্থায়ি হলোনা বেশীক্ষন,
বাচ্চাকে পেলাম,কিন্তু ওকে আর পেলাম না!
পাগলেন মত ওর কাছে গেলাম,দেখলাম সাদা কাপড় দিয়ে ওকে ঢেকে রাখছে।
কাপড়টা সরাতেই অজ্ঞান হয়ে গেছিলাম!
জ্ঞান ফেরার পর দেখলাম ওকে খাটলিতে শুয়ে রাখছে।
ওর কাছে গেলাম আর বলেছিলাম এই কই যাও আমাকে ছেড়ে?
আমার রাতে ঘুম হয় না
তোমাকে ছাড়া জানো না?
তোমাকে না জড়িয়ে ঘুমালে আমার ঘুম হয় না
জানো না?পাগলি আমার....
কেন চলে যাচ্ছো?
এই উঠো উঠো অনেক তো ঘুমালা আর কত ঘুমাবে?
আমার কথা মনে পড়েনি?
এই তুমি না বলেছিলে আমার চোখের জল তুমি সহ্য করতে পারো না!
এই দেখো আমি কাদছি,
এই উঠো,আরে উঠো না!
প্লিজ উঠো!
ও শুনলোই না আমার কথা ঘুমিয়ে থাকলো!
ওকে যখন নিয়ে যাচ্ছিলো আমি পাগলের মত আচরন করছিলাম।
তবুও উঠলো না!
চলে গেলো,ও আমাকে বলতো যে দিন হারিয়ে যাবো সেই দিন বোঝবে কতটা ভালোবাসি
তোমাকে!
চলে গেলো,হারিয়ে গেলো!
আমাকে ভালোবাসা কাকে বলে শিখিয়ে গেলো আর রেখে গেলো ওর আর আমার ভালোবাসার সৃতি আমাদের সন্তান,,,
★★★

মা ফোন করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে যখন বলে তুই নাই বাসায় আমার খেতে ইচ্ছে করছেনা। তুই খেয়েছিস বাবা? তখন ভাবি এটাই হয়তো ভালোবাসা....
27/07/2019

মা ফোন করে কান্নাজড়িত কণ্ঠে যখন বলে তুই নাই বাসায় আমার খেতে ইচ্ছে করছেনা। তুই খেয়েছিস বাবা? তখন ভাবি এটাই হয়তো ভালোবাসা..!

মাস শেষে বিশ হাজার টাকা বেতন পেয়ে আট হাজার টাকা পাঠানোর পরে বাবা যখন বলে আমাদের আর খরচ কি? তোর টাকা লাগলে বলিস। অথচ আমি জানি আমি ছাড়াও ফ্যামিলিতে আরো পাচজন সদস্য আছে। তখন ভাবি বাবার এই মিথ্যা কথাটাই হয়তো ভালোবাসা..!

বাসা থেকে আসার সময় দাদু যখন বলে আজকে না গেলে হয়না? তার
টলটলে চোখ দেখে মনে হয় এই মায়াকেই হয়তো ভালোবাসা বলে...!

ভাবী ফোন করে যখন বলে পনেরো দিন হয়ে গেলো অথচ তুমি আমার বাসায়
একবারো আসনাই, যাও আজকে থেকে কথা বন্ধ। তখন মনে হয় এইতো ভালোবাসা..!

বন্ধুর থেকে ধার করা টাকায় ছোটভাইকে দেয়া জামা পরে যখন ও নাচানাচি করে, নিষ্পাপ মুখের ওই হাসিটুকু দেখলে মনে হয় এই হচ্ছে ভালোবাসা..!

বোনের বাসায় একটু দেরি করে গেলেই যখন বলে, কেন আসছিস? আমার কোনো ভাই নাই,আবার পরক্ষণেই জড়িয়ে ধরে ভ্যাঁ করে কেঁদে দেয়। তখন মনে হয় এই হচ্ছে শুদ্ধতম ভালোবাসা...!!!

শুধু প্রেয়সীর ললাটে চুম্বন দেয়াকে ভালোবাসা বলেনা। ভালোবাসা ছড়িয়ে আছে জীবনের পরতে পরতে, শুধু নিতে জানতে হয়, বুঝে নিতে হয়...!!

বি দ্র ঃ পোস্ট টা পড়ে যদি একটু মন ছুয়ে থাকে তাহলে লাইক
কমেন সেয়ার দিয়ে পাসে থাকবেন

Address

Rangpur

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দুষ্টু ছেলে আর মিষ্টি মেয়ে posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share