Alokito

Alokito প্রতিভা আপনার প্রকাশিত করবো আমরা
প্রতিযোগিতা নয় সত্যতা জানুন
(1)

05/09/2026

কুড়িগ্রামে তিস্তার ক্রসবাঁধে ভাঙন, আতঙ্কে নদীপাড়ের ২০ হাজার মানুষ

#সংবাদ

04/09/2026

গংগাচড়ায় বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত

#সংবাদ

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বাংলাদেশের সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে...
04/09/2026

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যালঘু হিসেবে নয়, বাংলাদেশের সমান অধিকারভুক্ত নাগরিক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, তবে জাতীয়তা হিসেবে সবাই বাংলাদেশের নাগরিক। ধর্মীয় স্বাধীনতা, সহাবস্থান ও সামাজিক শান্তি-সম্প্রীতি বজায় রাখাই সরকারের লক্ষ্য।

শুক্রবার শ্রীশ্রী ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দির মেলাঙনে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত শ্রী কৃষ্ণ এর জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে ঐতিহাসিক কেন্দ্রীয় জন্মাষ্টমী মিছিলের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে মহানগর সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি শ্রী গোপাল চন্দ্র দেবনাথের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান ও নৃগোষ্ঠী বিষয়ক বিশেষ সহকারী শ্রী বিজন কান্তি সরকার ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. আব্দুস সালামসহ আরও অনেকে।

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উদ্দেশ্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা বিশ্বাস করি আপনারা বিচার করেছেন বিগত নির্বাচনে আপনারা অসুর শক্তির বিপক্ষে রায় দিয়েছেন। আগামীতেও গণতন্ত্রকে সুদৃঢ় করার জন্য অসাম্প্রদায়িকতা বজায় রাখার জন্য আমরা দৃশ্যমান কাজ করেছি। সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পরে বিগত ছয় মাসে আমরা সব ধর্মের ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান এবং স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছি। এটা দৃশ্যমান অতীতে যারা মনে করত অতীতের ফ্যাসিবাদী শক্তি যে এই দেশের সনাতন ধর্মী ভাই-বোনদের ভোট, তাদের জন্য ভোট ব্যাংক সেই ভ্রান্ত ধারণা এবার ভঙ্গ করে দিয়েছেন আপনারা। কারণ আমরা সবাই বলি ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার এবং নিরাপত্তা পাবার অধিকার সবার। বাংলাদেশের সংবিধানে সব ধর্মের ধর্ম চর্চার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রকে নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে ধর্মের ভিত্তিতে কোনো বৈষম্য করা যাবে না সেটাও আছে এবং ধর্মীয় স্বাধীনতার জন্য সব ধর্মাবলম্বী উপাসনালয়ের নিরাপত্তা ও উপাসনালয় স্থাপনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হয়েছে। আমরা শুধু সেটা কিতাবে সংবিধানে ধারণ করে বসে থাকতে চাই না।

তিনি বলেন, বাস্তবে আমরা এই সম্প্রীতি, এই স্বাধীনতা নিশ্চিত করব এবং আমরা সেই ঘোষণা দিয়েছি। এখন পর্যন্ত সেই নিশ্চয়তা আমরা বিধান করেছি। রায় আপনারা দেবেন। বিচারক আপনারা আমরা এদেশের সবাই নাগরিক হিসেবে বসবাস করতে চাই। ধর্মীয় পরিচয় থাকতে পারে, কিন্তু ধর্মীয় পরিচয়টা এখানে কোনো মুখ্য নয়। আমরা নাগরিকের পরিচয়ে এখানে থাকতে চাই। বাংলাদেশের সব নাগরিক মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান, নৃগোষ্ঠী যারাই হোক তারা ধর্মীয়ভাবে সাংস্কৃতিকভাবে নিজ নিজ ধর্মচর্চা, ধর্মীয় অনুষ্ঠান, ধর্মীয় স্বাধীনতা বহাল থাকবে বজায় থাকবে ও পালন করবেন। কিন্তু জাতীয়তা হিসেবে আমরা সবাই বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে থাকব ও আমাদের মধ্যে সম্প্রীতি থাকবে।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, একটাই আমাদের পরিচয়, এজন্যই আমরা বলি আমাদের নেতা বলেছেন সবার আগে বাংলাদেশ। যদি সবার আগে বাংলাদেশ হয় তাহলে আমরা সবার আগে বাংলাদেশি তারপরে আমাদের ধর্মীয় পরিচয় সাংস্কৃতিক পরিচয় নৃতাত্ত্বিক পরিচয়, সবার আগে বাংলাদেশি এবং সবার জন্য বাংলাদেশ। এই হচ্ছে আমাদের নীতি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আপনারা বাংলাদেশের স্বাধীন নাগরিক। কেউই সংখ্যালঘু হিসেবে নিজেদের পরিচয় দেবেন না। এটা আমরা আশা করি। আমরা আশা করি আপনারা সবাই পরিচয় দেবেন ধর্মের ভিত্তিতে নয় নাগরিকত্বের ভিত্তিতে দেবেন। এদেশের সমান অধিকারভুক্ত একজন সিটিজেন হিসেবে এটা আমরা আশা করতে পারি। আমরা ব্যাকরণগতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি শব্দটা ব্যবহার করি, কেননা এই শব্দটা সাহিত্যে ধারণ করে গেছে। যদি সাম্প্রদায়িক শব্দটা আমরা ব্যবহার না করতাম, আমরা যদি বলতাম সামাজিক এবং ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখবো তাহলে সুন্দর হতো।

তিনি বলেন, তাহলে আমরা আজকে থেকে কি বলব? ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখবো, সামাজিক সম্প্রীতি এবং শান্তি বজায় রাখবো। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উল্লেখ করার প্রয়োজন নেই। এটা হবে ধর্মীয় সম্প্রীতি সহাবস্থান এবং সামাজিক শান্তি এবং সম্প্রীতি।

বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা থেকে জয়পু...
04/09/2026

বড়সড় দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেলেন জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। আজ শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে ঢাকা থেকে জয়পুরহাটের উদ্দেশে রওনা হলে সকাল ৯টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার কিচক বড় ব্রিজের পূর্ব পাশে হরিপুর এলাকায় এক পথচারী রাস্তা পারাপারের সময় তিনি দুর্ঘটনার কবলে পড়েন। এ সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন এবং গাড়িটি রাস্তা থেকে পাশের ফসলের মাঠে গিয়ে পড়ে যায়।

পথচারী ও স্থানীয় লোকজন প্রতিমন্ত্রীকে ওই অবস্থায় উদ্ধার করে সড়কের ওপরে তোলেন। এ ঘটনায় তিনি হাঁটু ও দুই পায়ে আঘাত পেলেও তার স্ত্রী নাজমা বেগম অক্ষত রয়েছেন। প্রতিমন্ত্রী জয়পুরহাটে দুই দিনের সরকারি সফরে আসার পথে এ দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাকে কালাই পৌর শহরের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। বর্তমানে তিনি ওই বাড়িতেই অবস্থান করছেন।

জানা গেছে, আজ সকালে ঢাকা থেকে দুই দিনের সরকারি সফরে আসার পথে জয়পুরহাটে পৌঁছার আগেই সড়কে এক পথচারীকে বাঁচাতে বড়সড় বিপত্তি ঘটে। ওই সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে গাড়িটি পাশের ফসলের মাঠে গিয়ে পড়ে যায়। এই দুর্ঘটনায় হাঁটু ও দুই পায়ে ব্যাথা পেয়েছেন প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা করানো হয়। এ সময় প্রতিমন্ত্রীর গাড়িচালকও আহত হন। ওই ঘটনায় এক নারী পথচারী গুরুতর আহত হন। তাকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী আব্দুল বারী বলেন, দুর্ঘটনা থেকে আমরা রক্ষা পেয়েছি। রাস্তা থেকে গাড়িটি ফসলের মাঠে পড়ে গিয়ে স্থির অবস্থায় দাঁড়িয়ে থাকে। এতে হাঁটু ও দুই পায়ে ব্যথা পেয়েছি।

এ বিষয়ে কালাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইদুল ইসলাম জানান, প্রতিমন্ত্রীর গাড়ির জয়পুরহাটে আসার পথে এক পথচারী রাস্তা পারাপারের সময় এই বিপত্তি ঘটে। পুলিশ খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী আঘাত পেয়েছেন। এক নারী পথচারী গুরুতর আহত হয়েছেন।

দোয়া কুনুত শুধু মুখস্থ করে পড়ার একটি দোয়া নয়; এর প্রতিটি বাক্যের মধ্যে একজন মুমিনের হেদায়াত, নিরাপত্তা, আল্লাহর আশ্রয়, ব...
04/09/2026

দোয়া কুনুত শুধু মুখস্থ করে পড়ার একটি দোয়া নয়; এর প্রতিটি বাক্যের মধ্যে একজন মুমিনের হেদায়াত, নিরাপত্তা, আল্লাহর আশ্রয়, বরকত ও তাকদিরের প্রতি আত্মসমর্পণের গভীর শিক্ষা রয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাহাবি হাসান ইবনে আলী (রা.)-কে বিতরের কুনুতে এই দোয়া শিখিয়েছিলেন। হাদিসটি সুনানে আবু দাউদে বর্ণিত এবং সহিহ হিসেবে গ্রেড করা হয়েছে।

দোয়া কুনুতের মূল শিক্ষা ও ফজিলত

১. হেদায়াতের জন্য সবচেয়ে বড় আবেদন
দোয়ার শুরুতেই বলা হয়—

اللَّهُمَّ اهْدِنِي فِيمَنْ هَدَيْتَ
অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি যাদের হেদায়াত দিয়েছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে আমাকে হেদায়াত দিন।

এখানে শুধু সঠিক পথ চাওয়া নয়; বরং সেই পথে অটল থাকার তাওফিকও চাওয়া হচ্ছে। কারণ মানুষ সঠিক পথ চিনেও কখনো তা থেকে বিচ্যুত হতে পারে।

২. আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চাওয়া
দোয়ায় রয়েছে—

وَعَافِنِي فِيمَنْ عَافَيْتَ
অর্থ: আপনি যাদের নিরাপত্তা ও সুস্থতা দিয়েছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে আমাকে নিরাপত্তা দিন।

এটি শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি ঈমান, চরিত্র ও জীবনের বিভিন্ন অনিষ্ট থেকে আল্লাহর নিরাপত্তা চাওয়ার শিক্ষা দেয়।

৩. আল্লাহর অভিভাবকত্ব কামনা
وَتَوَلَّنِي فِيمَنْ تَوَلَّيْتَ
অর্থ: আপনি যাদের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেছেন, তাদের অন্তর্ভুক্ত করে আমারও অভিভাবকত্ব গ্রহণ করুন।

একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় আশ্রয় আল্লাহ। মানুষের শক্তি সীমিত, কিন্তু আল্লাহর সাহায্য সীমাহীন।

৪. জীবনে বরকতের প্রার্থনা
وَبَارِكْ لِي فِيمَا أَعْطَيْتَ
অর্থ: আপনি আমাকে যা দিয়েছেন, তাতে বরকত দিন।

এখানে একটি অসাধারণ শিক্ষা রয়েছে—শুধু বেশি সম্পদ চাওয়া নয়; বরং যা পেয়েছি, তাতেই বরকত চাওয়া। অল্প সম্পদে বরকত থাকলে সেটিই মানুষের জন্য কল্যাণকর হয়ে উঠতে পারে।

৫. অকল্যাণ থেকে রক্ষা পাওয়ার আবেদন
وَقِنِي شَرَّ مَا قَضَيْتَ
অর্থ: আপনি যা নির্ধারণ করেছেন, তার অনিষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করুন।

অর্থাৎ মানুষ জানে না কোন পরিস্থিতির মধ্যে তার জন্য কী কল্যাণ লুকিয়ে আছে। তাই মুমিন নিজের দুর্বলতা স্বীকার করে আল্লাহর কাছে আশ্রয় নেয়।

৬. তাকদিরের প্রতি পূর্ণ আস্থা
এরপর বলা হয়—

إِنَّكَ تَقْضِي وَلَا يُقْضَى عَلَيْكَ
অর্থ: নিশ্চয়ই আপনি সিদ্ধান্ত দেন; আপনার বিরুদ্ধে কেউ সিদ্ধান্ত দিতে পারে না।

এটি আল্লাহর সর্বময় ক্ষমতার প্রতি বিশ্বাসের ঘোষণা। বান্দা চেষ্টা করবে, দোয়া করবে, কিন্তু চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আল্লাহর—এই বিশ্বাস একজন মুমিনের অন্তরে প্রশান্তি তৈরি করে।

৭. প্রকৃত সম্মান কোথায়, তা শেখায়
দোয়ায় বলা হয়েছে—

إِنَّهُ لَا يَذِلُّ مَنْ وَالَيْتَ
অর্থ: আপনি যার বন্ধু ও অভিভাবক, সে কখনো অপমানিত হয় না।

মানুষের কাছে সম্মান পাওয়ার চেয়ে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও নৈকট্য অর্জন অনেক বড় বিষয়। দোয়া কুনুত আমাদের সেই সত্যটি মনে করিয়ে দেয়।

দোয়া কুনুতের সবচেয়ে বড় বার্তা

দোয়া কুনুতের দিকে গভীরভাবে তাকালে দেখা যায়, এতে একজন মানুষের জীবনের প্রায় মৌলিক সব চাহিদাই রয়েছে—

হেদায়াত → নিরাপত্তা → আল্লাহর অভিভাবকত্ব → বরকত → অকল্যাণ থেকে সুরক্ষা → তাকদিরের প্রতি আত্মসমর্পণ।

অর্থাৎ একজন মুমিন যেন আল্লাহর কাছে বলছে:
“হে আমার রব, আমাকে সঠিক পথে রাখুন, নিরাপদ রাখুন, আপনার আশ্রয়ে রাখুন, আমার প্রাপ্তিতে বরকত দিন এবং আমার অজানা অনিষ্ট থেকে আমাকে রক্ষা করুন।”

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়

দোয়া কুনুতের ফজিলত সম্পর্কে কথা বলার সময় নির্দিষ্ট কোনো ‘এতবার পড়লে এত সওয়াব’ বা ‘এতবার পড়লে অমুক সমস্যা অবশ্যই দূর হবে’—এ ধরনের দাবি সহিহ দলিল ছাড়া করা উচিত নয়। তবে রাসুলুল্লাহ নিজে হাসান ইবনে আলী (রা.)-কে এই দোয়া শিখিয়েছেন—এটাই এর মর্যাদার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল।

আর কুনুত কখন পড়া হবে—এ বিষয়ে ফিকহি মতভেদ রয়েছে। বিতরের কুনুতের ব্যাপারে বিভিন্ন মাযহাব ও আলেমের মধ্যে পড়ার সময় ও নিয়মে কিছু পার্থক্য আছে। তাই এ বিষয়ে নিজের অনুসৃত মাযহাব বা বিশ্বস্ত আলেমের নির্দেশনা অনুসরণ করা ভালো।

সবচেয়ে সুন্দর বিষয় হলো, দোয়া কুনুত শুধু ঠোঁটে উচ্চারণ না করে এর অর্থ হৃদয়ে ধারণ করা। কারণ আমরা যখন বলি, ‘আল্লাহুম্মাহদিনি’—হে আল্লাহ, আমাকে হেদায়াত দিন, তখন আসলে আমরা স্বীকার করছি—আল্লাহর সাহায্য ছাড়া আমরা নিজেরাও নিজেদের সঠিক পথে ধরে রাখতে পারি না।

03/09/2026

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর ১৮ তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে মহাস্থান মাজার জামে মসজিদে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

#সংবাদ

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের খাটিয়াগড় গ্রামে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ ...
03/09/2026

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের খাটিয়াগড় গ্রামে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১০ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। পুকুরের মালিক নাসির উদ্দিন ফকিরের দাবি, পূর্বশত্রুতার জেরে প্রতিবেশী মোর্শেদ শেখ পুকুরে বিষ প্রয়োগ করেছেন।

পুকুরে চাষ করা কই মাছ মরে পচে ভেসে উঠছে। এতে আশপাশে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। পুকুর মালিকের দাবি, সেখানে চাষ করা প্রায় দুই লাখ প্রাপ্তবয়স্ক কই মাছের মধ্যে ৮০ শতাংশই মারা গেছে।

নাসির উদ্দিন ফকিরের ছেলে সাজ্জাদ ফকিরের দাবি, বুধবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে মোর্শেদ শেখ একটি পলিথিনের প্যাকেট থেকে বিষাক্ত ট্যাবলেট পুকুরে ছুড়ে ফেলেন। বিষয়টি দেখে তিনি মোর্শেদকে আটকাতে এগিয়ে গেলে তাকে ঘুষি মেরে পালিয়ে যান মোর্শেদ।

সাজ্জাদ আরও জানান, পরে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসেন। এ সময় মোর্শেদ ফেলে যাওয়া পলিথিনের প্যাকেট পরীক্ষা করে সেখানে বিষাক্ত পদার্থের আলামত পাওয়া গেছে বলে তিনি দাবি করেন।

প্রতিবেশী সুমন ফকির বলেন, সাজ্জাদ ফকির ও মোর্শেদ শেখের মধ্যে বাকবিতণ্ডার শব্দ শুনে তিনি ঘটনাস্থলে যান। পরে মোর্শেদের ফেলে যাওয়া পলিথিনের প্যাকেট নাকের কাছে নিয়ে বিষাক্ত পদার্থের গন্ধ পেয়েছেন বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষ্য, ঘটনার পর বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকে পুকুরে অসংখ্য মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখা যায়।

তবে মোর্শেদ শেখ তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

গোপালগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থলে একজন কর্মকর্তাকে পাঠানো হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর থানায় নেওয়ার সময় স্বজনদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির সুযোগে...
03/09/2026

সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তারের পর থানায় নেওয়ার সময় স্বজনদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তির সুযোগে হাতকড়াসহ পালিয়ে গেছেন আসির মিয়া (৩০)। পরে হাতকড়া পরা অবস্থায় ফেসবুক লাইভে এসে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন তিনি। এদিকে, পালিয়ে যাওয়ার পর অভিযান চালিয়ে অজ্ঞাত স্থান থেকে হাতকড়া উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার দামোধরদপী পয়েন্টে এ ঘটনা ঘটে। পলাতক আসির মিয়া ওই এলাকার বাসিন্দা। তিনি একটি মারামারির মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে বৃহস্পতিবার আসির মিয়াসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে শান্তিগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নুর উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল দামোধরদপী পয়েন্টে অভিযান চালিয়ে মারামারির মামলার আসামি আসির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে থানায় নেওয়ার সময় তার স্বজনেরা বাধা দেন। এ সময় পুলিশের সঙ্গে তাদের ধাক্কাধাক্কি হয়।

একপর্যায়ে পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে হাতকড়া পরা অবস্থায় আসির মিয়া পালিয়ে যান। পরে তিনি ফেসবুক লাইভে এসে হাতে হাতকড়া পরা অবস্থায় নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আজির উদ্দিন বলেন, ‘শুনেছি, আসির মিয়াকে আটকের সময় হট্টগোল হয়। সে সময় তিনি পুলিশের হাতকড়াসহ পালিয়ে যান।’

আসির মিয়া পালিয়ে যাওয়ার পর তাকে পুনরায় গ্রেপ্তারে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান শুরু করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে একটি অজ্ঞাত স্থান থেকে হাতকড়াটি উদ্ধার করা হয়। তবে এ সময় আসির মিয়াকে পাওয়া যায়নি।

শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলী উল্লাহ বলেন, ‘আমার একজন কর্মকর্তা নিয়মিত মামলার আসামিকে গ্রেপ্তারের পর কয়েকজন নারী ঝামেলা সৃষ্টি করেন। তখন আসামি পালিয়ে যায়।’

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুজন সরকার বলেন, ‘সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে হাতকড়া উদ্ধার করা হয়েছে। দ্রুতই আসামিকে গ্রেপ্তার করা হবে। এ ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে ১৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।’

Address

Rangpur Sadar
Rangpur
5400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alokito posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share