Dairy Farm Management Bangladesh

Dairy Farm Management Bangladesh Cattle Farm Management & Development Consultancy
(1)

আপনি কি গরুর খামার করে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে চাচ্ছেন? কিন্তু, কিভাবে গরুর খামার করবেন চিন্তিত? খামার করে লাভ করতে পারবেন কিনা চিন্তিত? তাহলে এখনি আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। আপনাকে একজন সফল খামারী করা আমাদের দ্বায়িত্ব। একটি খামারকে সঠিক পরিকল্পনায় ও ম্যানেজমেন্টে স্থাপন করে সফলতা নিশ্চিত করাই আমাদের লক্ষ্য। যাতে একজন নতুন খামারি লসের সম্মুখীন না হয় এবং সঠিক ভাবে খামার করে লাভবান হতে পারেন। আমাদের খ

ামার ম্যানেজমেন্ট সেবায় পাচ্ছেন,,,
★ আপনার বিস্তারিত তথ্যের উপর "ফার্মিং প্লান" প্রস্তুত। এতে খামার ব্যবসায় সফলতা নিশ্চিত করবে।
★ গরু পালন, খামার পরিচালনা ও মারকেটিং প্রশিক্ষন।
★ স্বল্প টাকায় আধুনিক খামার ডিজাইন ও নির্মান।
★ উন্নত জাতের গরু।
★ প্রয়োজনীয় মালামাল ও যন্ত্রপাতি।
★ দক্ষ শ্রমিক।
এবং দীর্ঘমেয়াদি (১বছর) খামার পরিচালনায় দক্ষ গাইডলাইন ও সকল প্রকার সহযোগীতা পাবেন।

সঠিকভাবে একটি খামার করতে প্রয়োজনীয় সকল সেবা আমাদের কাছেই পাচ্ছেন। এতে করে আপনার গরুর খামার করতে কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না এবং খামার ব্যবসায় লাভবান হবেন।
আপনি আমাদের সেবা গ্রহন করলে আমরা সরাসরি খামার প্রজেক্টে গিয়ে আমাদের দ্বায়িত্বে সব কাজ সম্পন্ন করবো। সারা বাংলাদেশে আমাদের সার্ভিস প্রদান করা হয়।

আমাদের ফিঃ
প্রযেক্ট ইনভেস্টের মোট পরিমানের উপরে ৭% হারে ফি প্রযোজ্য।
ফি পরিশোধের শর্তঃ
দুই কিস্তিতে ফি পরিশোধ করতে হবে। অগ্রীম কোন ফি নেয়া হয় না। প্রযেক্টের অর্ধেক কাজ সম্পন্ন হলে ৫০% ফি পরিশোধ করতে হবে এবং প্রযেক্ট সম্পন্ন শেষে বাকি ৫০% ফি প্রদান করতে হবে।

বিস্তারিত জানতে অনুগ্রহপূর্বক যোগাযোগ করুন-
+8801837351561
E-mail: [email protected]
www.facebook.com/dairyfarmmanagement
[Dairy Farm Management Bangladesh]

পৃথিবীর মধ্যে  সবথেকে বেশি বছর বেঁচে থাকা গরু এটি ১৯৪৫ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৪৮ বছর বেঁচে থাকে এই গরুটি, পৃথিব...
16/09/2025

পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে বেশি বছর বেঁচে থাকা গরু এটি ১৯৪৫ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ৪৮ বছর বেঁচে থাকে এই গরুটি, পৃথিবীর সবথেকে বেশি বাছুর ও জন্ম দেন এই গরুটি মোট ৩৯ বার গর্ভধারণ করে এই গাভীটি।
আপনার গাভী বাপরিচিত কারো গাভীকে সর্বোচ্চ কতবার বাচ্চা দিতে দেখছেন বা শুনছেন কমেন্টে বলবেন?

15/09/2025

কেমন?..... জার্সির ওলান!

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার সুজাপুর কামারপাড়া গ্রামে এক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছে। একটি গাভী একসাথে চারটি বাছুর প্রসব করেছে। ...
12/09/2025

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলার সুজাপুর কামারপাড়া গ্রামে এক বিস্ময়কর ঘটনা ঘটেছে। একটি গাভী একসাথে চারটি বাছুর প্রসব করেছে। এর মধ্যে দুটি বাছুর সুস্থভাবে বেঁচে আছে এবং দুঃখজনকভাবে বাকি দুটি জন্মের পর মারা গেছে। এ ঘটনা স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

#দিনাজপুর #ফুলবাড়ী #গাভীরবাচ্চা #বাংলাদেশ

🌿 গাছের পাতার ভাষা শিখুন 🌿আপনার গাছ কথা বলে ~ পাতার রঙ, গঠন, আর অবস্থা দিয়ে! দেখুন কী বলছে :💧 আরও পানির দরকার :শুকনো পাত...
07/07/2025

🌿 গাছের পাতার ভাষা শিখুন 🌿

আপনার গাছ কথা বলে ~ পাতার রঙ, গঠন, আর অবস্থা দিয়ে! দেখুন কী বলছে :

💧 আরও পানির দরকার :
শুকনো পাতা, পাতার কিনারায় হলুদ দাগ, ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া

☀️ আরও ছায়ার দরকার :
পুড়ে যাওয়া বা অতিরিক্ত হলুদ হয়ে যাওয়া পাতা

🌥️ আরও রোদের দরকার :
বিবর্ণ পাতা, দুর্বল ও কাত হয়ে যাওয়া কান্ড

🌊 অতিরিক্ত পানি পাচ্ছে :
পাতা হলদে, শিকড়ে পচন ধরছে

🍄 ছত্রাকজনিত সমস্যা (ফাঙ্গাল ইনফেকশন) :
পাতায় দাগ, ফাংগাস বা ছাঁচ

🐛 পোকামাকড় খেয়েছে :
ছিদ্রযুক্ত পাতা, পোকামাকড়ের উপস্থিতি

🔍 পর্যবেক্ষণ করুন, যত্ন নিন, ভালোবাসা দিন। গাছ সুস্থ থাকবে, বাড়বে সবুজ প্রশান্তি! 🌱

🐄 গরু পালনে লাভবান হতে চাইলে, শুরুটা হোক বাছুরের যত্ন থেকে!একটি স্বাস্থ্যবান গরুর পেছনে থাকে সুস্থ ও সচেতন বাছুর পালনের ...
19/06/2025

🐄 গরু পালনে লাভবান হতে চাইলে, শুরুটা হোক বাছুরের যত্ন থেকে!

একটি স্বাস্থ্যবান গরুর পেছনে থাকে সুস্থ ও সচেতন বাছুর পালনের গল্প।
অনেকেই মনে করেন গরু বড় হলে তবেই লাভ আসে। কিন্তু বাস্তবতা হলো — বাছুরের জন্মের প্রথম ১ বছরই গরু পালনের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করে!

🔸 জন্মের পর প্রথম ৩০ মিনিটের মধ্যে মায়ের দুধ (কলস্ট্রাম) খাওয়ান — রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ওঠে
🔸 নাড়ি কেটে জীবাণুমুক্ত করুন এবং গরমে শীতল, শীতে উষ্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করুন
🔸 দুধের পাশাপাশি ২ সপ্তাহ পর থেকেই Calf Starter ও খড় খাওয়াতে শুরু করুন
🔸 প্রতি ৩ মাস পরপর কৃমির ওষুধ দিন এবং সময়মতো টিকাদান করুন
🔸 ৬ মাস পর ধীরে ধীরে পূর্ণ গরুর খাবারে অভ্যস্ত করুন
🔸 পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন থাকার পরিবেশ, বিশুদ্ধ পানি ও পর্যাপ্ত আলো-বাতাস নিশ্চিত করুন

👉 বাছুর যত সুস্থ থাকবে, তত দ্রুত বেড়ে উঠবে এবং ভবিষ্যতে দুধ বা গোশতের উৎপাদন বেশি হবে।
সঠিক যত্নই পারে একটি সাধারণ বাছুরকে করে তুলতে লাভজনক সম্পদ।

📢 যারা ছোট পরিসরে খামার করছেন বা করতে যাচ্ছেন — মনে রাখবেন,
“বাছুর বাঁচলে, গরু বাঁচে। আর গরু বাঁচলে, খামার টিকে যায়।”

#বাছুর_যত্ন #গরু_পালন #খামার_ব্যবসা
#বাছুর_হেলথ #গরুর_খাদ্য #গ্রামীন_উন্নয়ন

এখানে ছাগলের মূত্রনালীর পাথর (Urinary Calculi) সম্পর্কিত তথ্যগুলো বাংলায় দেওয়া হলো:⦿ ছাগলের মূত্রনালীর পাথর (Urinary Cal...
18/06/2025

এখানে ছাগলের মূত্রনালীর পাথর (Urinary Calculi) সম্পর্কিত তথ্যগুলো বাংলায় দেওয়া হলো:

⦿ ছাগলের মূত্রনালীর পাথর (Urinary Calculi in Goat)
★ খাসি ছাগলের একটি সাধারণ বিপাকীয় রোগ।
★ এটি ঘটে যখন ক্যালকুলি (পাথর), যা সাধারণত ফসফেট লবণ দ্বারা গঠিত হয়, মূত্রনালীতে আটকে যায় এবং প্রস্রাব বন্ধ করে দেয়।

⦿ কারণসমূহ (Causes)
★ ফসফরাস ও ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ ঘন খাদ্য খাওয়ানো।
★ ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের ভারসাম্যহীনতা।
★ পর্যাপ্ত জলের অভাব / খনিজ পদার্থে উচ্চ মাত্রার জল সরবরাহ।

⦿ ক্লিনিকাল লক্ষণ (Clinical Signs)
★ পেটে ব্যথা / ফোঁটা ফোঁটা প্রস্রাব।
★ মূত্রনালীর স্ফীতি / ফেটে যাওয়া।
★ উদ্বেগ / অস্থিরতা / ক্ষুধামন্দা (Anorexia)।
★ ফুলে যাওয়া বা কুঁজো দেখা যাওয়া।
★ পেটের নিচে শোথ (Edema)।
★ লেজ ঝাঁকানো।
★ পেটে লাথি মারা / প্রস্রাব করার জন্য চাপ দেওয়া।

⦿ রোগ নির্ণয় (Diagnosis)
★ ক্লিনিকাল লক্ষণ।
★ ইউরিনালিসিস (পেটের এক্স-রে, সিটি স্ক্যান বা আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে)।

⦿ চিকিৎসা (Treatment)
★ অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের মৌখিক ডোজ (১ কেজি/শরীরের ওজন) প্রস্রাবকে অ্যাসিডিক করে এবং ক্রিস্টাল দ্রবীভূত করতে পারে।
★ প্রদাহের জন্য NSAIDs (নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগস)।
★ ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের ক্ষেত্রে সালফার অ্যান্টিবায়োটিক (ট্রাইমেথোপ্রিম-সালফামেথক্সাজল)।
★ ব্যথা ব্যবস্থাপনার জন্য অ্যাসিটামিনোফেন।

⦿ প্রতিরোধ (Prevention)
★ ভেড়া বা ছাগলের বাছুরকে যত দেরিতে সম্ভব castration (খাসী করা) করুন।
★ গ্রীষ্মকালে পরিষ্কার / ঠাণ্ডা জল অপরিহার্য।
★ খাবারে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের অনুপাত ২:১ রাখুন।
★ জলের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য খাবারে ৩-৪% লবণ যোগ করুন।

ডা: মো: ইউনুস আলী
ভেটেরিনারি সার্জন
উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল সিংড়া, নাটোর।

গরুর খামার ঘর (সেড) তৈরিঃ (বিস্তারিত বর্ণনা)গরুর খামারে মুনাফার ৪টি শর্তের একটি হল গরুর জন্য আরামদায়ক ঘরের ব্যবস্থা করা।...
03/06/2025

গরুর খামার ঘর (সেড) তৈরিঃ
(বিস্তারিত বর্ণনা)

গরুর খামারে মুনাফার ৪টি শর্তের একটি হল গরুর জন্য আরামদায়ক ঘরের ব্যবস্থা করা।

গরুর খামার ঘর তৈরি করতে জানা অর্থ কিভাবে আপনি নিজের নির্দিষ্ট টাকা ও জায়গা দিয়ে গরুর জন্য সর্বোচ্চ আরামদায়ক সেডের ব্যবস্থা করবেন। এর জন্য আপনাকে গরুর ঘরের বিভিন্ন অংশের মাপ এবং এই মাপগুলো কম-বেশি করলে কি সুবিধা-অসুবিধা তা জানতে হবে।

গরুর ঘর তৈরির নিয়ম
প্রথমে আমরা ঠিক করব খামারে দুই সারিতে নাকি এক সারিতে গরু পালব। দুই সারির নিয়ম বুঝলে এক সারি সহজেই বোঝা যাবে। দুই সারি করে হিসাব করলে ১০ টি গরুর জন্য প্রতি সারিতে ৫ টি করে গরু থাকে। আর মাঝে হাটার জন্য একটি রাস্তা। সুতরাং এক সারি গরু ও মাঝের রাস্তার জায়গার হিসাব করলেই ঘরের জায়গার হিসাব বেড়িয়ে যাবে ইংশাল্লাহ।

গরুর খামার তৈরির নকশা
প্রথমে ঘরের চওরা। একটি গরুর জন্য মাথা থেকে পেছন পর্যন্ত ৬ থেকে ৮ ফুট পর্যন্ত জায়গা দিতে হবে। আমরা ধরে নিলাম এটি ৭ ফুট(জায়গা বেশি থাকলে ৮ ফুট করা ভাল) । গরুর সামনে খাবার পাত্রের জন্য ২.৫ ফুট জায়গা আর পেছনে ড্রেনের জন্য 0.৫ ফুট জায়গা রাখা হল।
সুতরাং এক সারি গরুর জন্য টোটাল ৭ + ২.৫ + 0.৫ = ১০ ফুট জায়গা দরকার। এবং দুই সারির জন্যে চওরায় ২০ ফুট।

গরুর খামার তৈরির নকশা
মাঝের রাস্তা মিনিমাম ৪ থেকে ১০ ফুট রাখতে হয়। আমরা এখানে ৪ ফুট ধরলাম। সুতরাং ঘরের চওড়া টোটাল ২০ + ৪ = ২৪ ফুট।

একটি গরুর জন্য তার সামনে ৪ ফুট( জায়গা বেশি থাকলে সাড়ে ৪ ফুট) জায়গা দিতে হবে, অর্থাৎ গরু থেকে গরুর দুরত্ব হবে ৪ ফুট। তাহলে ৫ টি গরুর জন্য ২০ ফুট। সাথে গেটের জন্য ৪ ফুট লাগবে।
সুতরাং মোট লম্বা ২৪ ফুট, গেট মাঝ রাস্তা দিয়ে হলে ২০ ফুট।

আমাদের দেশের শেডের উচ্চতা নরমালি ১০/১৩ বা ১২ / ১৫ ফিট বা ১২ / ১৪ ইত্যাদি হয়ে থাকে। শেড যত উচু হবে তত ভালো। আধুনিক বড় খামারগুলোতে ৪০-৫০ ফিট শেড উচু করতে হয়।

হেড টু হেড / টেল টু টেল
হেড টু হেডঅর্থ হল গরু গুলো ভেতরে পরস্পরের মুখোমুখি দাঁড়াবে। এক্ষেত্রে গোবর বাইরে পড়বে।
টেল টু টেল অর্থ গরুগুলো পরস্পরের বিপরীতে দাঁড়াবে, গোবর ভেতরে পড়বে।

দুটো সিস্টেমেরই সুবিধা – অসুবিধা আছে। নিচে তুলে ধরা হল-

হেড টু হেডের সুবিধাঃ
১। খাবার দিতে সুবিধাঃ হেড টু হেডের ক্ষেত্রে গরুগুলো মুখোমুখি দাড়াবার কারনে দ্রুত ও ভালোভাবে খাবার দেওয়া যায়।
২। গ্যাসের সমস্যা কমঃ গোবর – প্রসাব বাইরের দিকে পড়ার কারনে ভেতরে গ্যাসের সমস্যা কম হয়।
৩। গরুর গুতোর বিপদ নেইঃ গরু গুলো খাবার পাত্রের অপর পাশে থাকার কারনে গুতো খাবার বিপদ কম।
৪। ছেড়ে গরু পালনের জন্য সুবিধাঃ গরুর পেছনে খালি মাঠ বা জায়গা থাকে। ফলে এক্ষেত্রে হেড টু হেড সিস্টেম একমাত্র উপায়।

টেল টু টেলের সুবিধাঃ
১। পর্যাপ্ত আলো বাতাসঃ গরুর মুখ বাহিরের দিকে থাকার কারনে পর্যাপ্ত আলো বাতাস পায়।
২। দ্রুত গোবর-মূত্র পরিস্কার করা যায়ঃ দুই সারির গোবর এক দিকে পরার কারনে সহজে ও দ্রুত পরিস্কার করা যায়।
৩। দুধ দোয়ানোতে সুবিধাঃ ভেতরের দিকে থাকার কারনে দুই সারি গাভি থেকে সহজে দুধ নেওয়া যায়।
৪। শ্বাসজনিত রোগ সহ অন্যান্য রোগ ছড়াবার সম্ভাবনা কমঃ প্রায় সব রোগ মুখের শ্বাস, লালা, নাকের মিউকাস ইত্যাদি দিয়ে ছড়ায়। গরুগুলো একে অপরের বিপরীত দিকে থাকার কারনে এটির সম্ভাবনা কম।
৫। একটি ড্রেনই যথেস্টঃ পাশে একটু বেশি জায়গা দিয়ে মাঝে একটি ড্রেন দিয়েই সমস্ত ময়লা দূর করা যায়।
৬। গোসলে সুবিধাঃ দ্রুত ও সহজে গোসল দেওয়া যায়।

এবার আলোচনা করা যাক কোনটি ভালো। দেখা যাচ্ছে টেল টু টেলের সুবিধা অনেক বেশি। কিন্তু হেড টু হেডের সুবিধাগুলো কি আসলেই সুবিধা কিনা, কিংবা সেগুলোর গুরুত্ব কতটুকু সেটা একটু দেখা যাক।

প্রথমত, খাবার দেবার সুবিধার কথা যদি ভাবা হয় তাহলে অন্য দিকে গোবর পরিস্কার, গোসল, দুধ দোয়ানো সহ অনেক কাজে অসুবিধা বেশি। কাজেই এ পয়েন্টটি টিকছে না। দ্বিতীয়ত, গোবরের গ্যাসের কথা ভাবতে গিয়ে গরু যদি আলো বাতাস কম পায় তাহলে সেটা তেমন কাজে দিবে না।
এদিকে গাভির ক্ষেত্রে গুতোর তেমন সম্ভাবনা নেই। ফ্যাটেনিং এর ক্ষেত্রে এটি অনেক গুরুত্বপূর্ন। তবে টেল টু টেলে যদি খাবার বাইরে থেকে দেওয়া যায় তাহলে এ সমস্যাটা থাকছে না।
তবে ছেড়ে গরু পালার ক্ষেত্রে হেড টু হেডের বিকল্প নেই। আমাদের দেশে এখন অনেক আধুনিক খামার গড়ে উঠছে যেগুলোতে গরু ছেড়ে পালার সিস্টেম থাকে। এসব ক্ষেত্রে হেড টু হেড সবচেয়ে ভালো। অন্যথায় টেল টু টেল সিস্টেম হেড টু হেডের চেয়ে অনেক গুনে ভালো।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে একটি ব্যাপার মাথায় রাখতে হবে যে শেড বানাবার সময় বেশিরভাগ খামারি নিজের সুবিধার কথা ভাবে, গরুর সুবিধা না (অবশ্য বর্তমানে অনেক শিক্ষিত খামারির সংখ্যা বাড়ছে) । হেড টু হেড হলে সে সহজেই খাবার পানি দিতে পারবে। অথচ খামারে লাভ করার সূত্রের ৪ নাম্বার শর্ত ছিল গরুকে আরামদায়ক পরিবেশ দেওয়া।

তবে অনেক খামারির পক্ষে আসলে হেড টু হেড ছাড়া উপায় থাকে না। আলাদা ঘর না থাকার কারনে চোরের উপদ্রপের ভয়ে বাহিরের দেয়াল উচা বা টিন দিয়ে ঘেরাও করে ফেলতে হয়। ফলে গরুকে হেড টূ হেড রাখতে হয়। আবার জায়গার স্বল্পতার কারনে অনেকের বাহিরে গিয়ে খাবার দেবার উপায় থাকে না।
কিন্তু একটু বুদ্ধি করে টিনের মাঝে জানালার মত করে ফাকা করে রাখলে বাহির থেকে খাবার দেওয়া যায়। আবার রাতে বন্ধ করে রাখা যায়। কিন্তু ওই যে বললাম, বেশিরভাগ খামারি এই কস্ট টুকু করতে চায় না।

ঘরের মেঝে কেমন হবে
উদ্দেশ্য হল যাতে সহজের পরিস্কার করা যায় এবং গরুর জন্য কোন সমস্যার না হয়।
ফ্লোর বা মেঝে দুই ভাবে বানানো যায় –
১। ইট দিয়ে সলিং
২। ঢালাই

১। ইট দিয়ে সলিংঃ বালু দিয়ে তার উপর ইটের সলিং পেতে সিমেন্ট বালুর মশলা তৈরি করে দুইটি ইটের সংযোগ স্থলে মশলা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে।
এটি খুব ভালো ভাবে করতে হবে। অন্যথায় কদিন পর পর ইট উঠানোর ঝামেলা আছে। এমনকি এখন না হলেও ৪/৫ বছর পর ইট উঠে যায় এবং উচু নিচু হয়ে যায়। ফাকা জায়গা দিয়ে গরুর প্রসাব ও গাসলের পানি কাদা তৈরি হয়।

২। ঢালাইঃ সিমেন্ট মশলা দিয়ে একেবারে ঢালাই দেওয়া হয়। ভালভাবে না দিলে এখানেও কদিন পর পর ঢালাই উঠে যায়।
ঢালাইতে পিছলে গরু পরে যাবার সম্ভাবনা থাকে। তাই সাবধান থাকতে হবে।

খামারে ঘরের মেঝে ঢালু দিতে হবে যাতে গোবর ময়লা সহজেই ড্রেনে চলে যায়। মাঝের রাস্তার স্লোপ বা ঢালু মাঝখান থেকে দুই দিকে যাবে। এতে পানি দু দিকে চলে যাবে। মেঝের ঢাল সামনে থেকে ড্রেনের দিকে গাভীর ক্ষেত্রে প্রতি ফিট এর জন্য ০.২৫ ইঞ্চি এবং ষাড় গরুর জন্য ০.৫০ ইঞ্চি করে দিতে হবে। ফলে ৮ ইঞ্চির জন্য গাভির ক্ষেত্রে ২-৩ ইঞ্চি এবং ষাড় গরুর ক্ষেত্রে ৪-৫ ইঞ্চি ঢাল দিতে হবে।
গাভির চেয়ে ষাড় গরুতে ঢাল বেশি দেবার যুক্তি হিসেবে বলা হয় যে পেছনে বেশি ঢালু থাকলে পেছনে মাংস তারাতারি বাড়ে। কিন্তু এটি সাইন্টিফিক কিনা জানি না।

গরুর খাবার ও পানির হাউস ( চারি )
অনেকে ভাবেন খাবার হাউস যত উচু হবে তত ভালো, গরু সহজে খেতে পারবে। ব্যাপারটাকে তারা অনেকটা ডাইনিং টেবিলের মত বানিয়ে ফেলেছেন। মানুষের যেমন ডাইনিং টেবিলে খেতে সুবিধা হয়, গরুর ক্ষেত্রেও তেমনটা ভাবা হচ্ছে।

কেন ডাইনিং টেবিল নয় ?

গরু স্বাভাবিক ভাবে মাঠে নিচে থেকে ঘাস খায়। এটাই তার স্বভাব। তাই খাবার জায়গা উচা করে দেওয়া অর্থ তার স্বভাবের বিরুদ্ধে কাজ করা।
এছাড়া মুখ নিচের দিকে থাকার কারনে মুখ দিয়ে যথেস্ট লালা আসে যা খাবারের হজমে সহায়ক। অথচ খাবার স্থান উচা করে দিলে যথেস্ট পরিমান লালা আসে না।
আলাদা খাবার ও পানির পাত্র করতে ব্যাপক পরিমান খরচ হয়, অথচ এই খরচের কোন প্রয়োজন ছিল না।

তাই গরুর সামনে সামান্য উচু দেওয়াল করে লোহার পাইপ বা বাশ টেনে দিতে হবে (নিচের ছবির মত)। এর সামনে ফ্লোরেই খাবার রাখতে হবে। পানি আলাদা একটি পাত্র বা কাটা ড্রামে দেওয়া যেতে পারে কিংবা জায়গা থাকলে পানির জন্য আলাদা লাইন করতে হবে।

কিন্তু কিছু পুরোনো গরুর খামার ভিসিট করলে অনেকের মনে নিচের প্রশ্নগুলো আসবে ?

পুরোনো খামারে তো খাবার হাউজ উচু করে দেওয়া আছে। তাদের তো লস হচ্ছে না।
পাত্র উচু করে দেওয়ার জন্য গরু খাচ্ছে না বা অসুস্থ হয়েছে এমন তো কোন প্রমান নেই।
এভাবে ফ্লোরে খাবার দিলে খাবার নস্ট হয়।
হ্যা, পুরোনো পদ্ধতিতে খাবার দিলে আপনার লস হবে তা নয়, কারন গরু তো এর জন্য খাওয়া বন্ধ রাখবে না। তবে

এটি গরুর জন্য আরামদায়ক বা স্বাভাবিক হবে না।
হাউজ উচু করতে অতিরিক্ত খরচ হবে।
প্রযুক্তি সর্বদাই পরিবর্তন হয়। টিকে থাকে তারাই যারা প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে চলতে পারে।
আর ফ্লোরে খাবার নস্ট দূর করার জন্য উপরের ব্যাপারটিকে ঠিক রেখেই আমরা একটি ব্যবস্থা নিতে পারি। সেটা হল খাবারের হাউস বানানো হবে কিন্ত তার গভীরতা হবে একেবারে ফ্লোরের কাছাকাছি, উচ্চতা গরুর সামনে ১২ ইঞ্চি এবং বাইরের দিকে ১৮ ইঞ্চি।

প্রাচীর থেকে নালা দিকে খাবার ও পানির হাউজের জন্য ২.৫ ফিট। প্রতি গরুর জন্য সামনে ৪ ফিট। সুতরাং দুই গরু তে ৮ ফিট। তাহলে মাঝে একটা ২ ফিট পানির হাউজ বানিয়ে বাকি ৬ ফিট অর্থাৎ ৩ ফিট করে প্রতি গরুতে একটা খাবার হাউজ হবে। পানির হাউজ একত্রে বানাবার কারনে জায়গা কম লাগবে, ওদিকে খাবার হাউজে বেশি জায়গা দেওয়া যাবে। এছাড়া আলাদা ভাবে বানালে ৪ ফিটের মধ্যে খাবার হাউজে ২.৫ ফিট এবং পানির হাউজে ১.৫ ফিট করে নিতে হবে। আলাদা রাখার সুবিধা হল এক গরুর রোগ হলে পাশের গরু সহজে সেই রোগে আক্রান্ত হবে না। এছাড়া বোঝা যাবে কোন গরুটি কেমন পানি খাচ্ছে।

ঘরের চাল কেমন হবে ?
কয়েক ধরনের আছে। যেমন –

১। ঢালাইঃ খরচ বেশি, কিন্তু গরমে তাপ নিয়ন্ত্রনে থাকে। গরুর প্রধান সমস্যা হয় গরমে, শীতে না।
২। টিনের চালঃ খরচ কম, কিন্তু গরম বেশি কিন্তু শীতে ঘর অনেক ঠান্ডা থাকে। এক্ষেত্রে গরম কমাতে চালের নিচে ইন্সুলেসন দেওয়া যেতে পারে।
৩। প্লাস্টিকের চাল = মরিচা ধরে না, রোদের তাপে গরম হয় না, দিনের বেলা আলো পৌছায়।

শেডের চারপাসে ওয়াল কিভাবে দিতে হবে ?
ওয়াল ২.৫ ফুট সবচেয়ে ভালো। তবে চোরের ভয় থাকলে ৩ ফুট পর্যন্ত করে এর উপরে জানালাসহ টিন দেওয়া যেতে পারে। তবে সবচেয়ে ভালো হয় নেট দিয়ে ঘিরে দিলে। অনেকে ভাবেন শীতে ঠান্ডা লাগবে। কিন্তু আমাদের দেশে গরুর জন্য শীত নয়, প্রধান সমস্যা হয় গরমে।

গরুগুলোকে কি পাইপ /বাশ দিয়ে আলাদা করে দিতে হবে ?
সেডে গরুগুলোকে পাইপ বা বাশ দিয়ে আলাদা করে দিলে এক গরু অন্য গরুর দিকে পায়খানা করতে পারবে না, পেছনের দিকে করবে, ফলে পরিস্কারের সময় সুবিধা হবে। কিন্তু পায়খানা করবে সে গরু বসলে সেটির অপর বসবে, আর গাভি হলে টিট দিয়ে জীবাণু ঢুকে যাবে।

ড্রেনের মাপ কেমন হবে ?
প্রসাব ও গোবর যাবার ড্রেনের জন্য – ড্রেন ০.৫ থেকে ১.৫ ফিট লম্বা এবং ১ থেকে ২.৫ ফিট গভীর হতে হবে। তবে ড্রেনের ওপর খোলা থাকলে গভীরতা যাতে বেশি না হয় সে দিকে লক্ষ রাখতে হবে। গরুর পা পড়ে এক্সিডেন্ট হবার সম্ভাবন রয়েছে।

শেড কি পূর্ব পশ্চিম নাকি উত্তর দক্ষিন ?
পূর্ব – পশ্চিমে শেড করার ব্যাপারটি পোল্ট্রিতে যত গুরুত্বপূর্ণ, গরুর খামারের ক্ষেত্রে তত নয়। কারন পোল্ট্রিতে এমোনিয়া গ্যাস জমলে অনেক রোগের সৃষ্টি হয়ে মুরগি মারা যায়, যেমন, ঠান্ডা বিশেষ করে মাইকোপ্লাসমা দ্বারা এবং পরবর্তীতে ঠান্ডার কারনে আরো অনেক রোগের আগমন। কিন্তু গরুর ক্ষেত্রে প্রোডাকসনে প্রবলেম নিয়ে আসে তা নয়। তবে চেস্টা করতে হবে পূর্ব পশ্চিমে করার।

শীতকালে আমাদের দেশে বায়ু সাধারণত উত্তর অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়ে থাকে। অন্যদিকে গ্রীষ্মকালে ভূ-পৃষ্ঠের প্রচন্ড উত্তাপে ভারতের পশ্চিম-কেন্দ্রভাগ জুড়ে একটি নিম্নচাপ কেন্দ্রের সৃষ্টি হয়। ফলশ্রুতিতে বঙ্গোপসাগর থেকে একটি উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুস্রোত বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে উল্লিখিত নিম্নচাপের দিকে প্রবাহিত হয়। কাজেই সেড পূর্ব পশ্চিম বরাবর লম্বা করলে সহজেই বাতাস চলাচল করতে পারবে।

আরো একটি সুবিধা হল যে সূর্যের আলো তখন গরুর পেছনে অর্থাৎ প্রসাব ও গোবরের ওপর পরে, ফলে ন্যাচারালি কিছুটা জীবানুমুক্ত হয়। কিন্তু সেড উত্তর দক্ষিনে লম্বা করলে সূর্যের আলো সরাসরি গরুর মুখে পড়বে।

♻️ শেয়ার করে অন্যকে দেখার সুযোগ করে দিন এবং আপনার প্রোফাইলে শেয়ার করে রেখে দিন কাজের সময় খুঁজে পেতে সুবিধা হবে।

#ডেইরিফার্ম #গরুপালন

আপনি কি জানেন, ইসলামিক নিয়মে গরু জবাইয়ের সময় গরু কোনো ব্যথাই অনুভব করে না?জার্মানির হ্যানোভার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শু...
02/06/2025

আপনি কি জানেন, ইসলামিক নিয়মে গরু জবাইয়ের সময় গরু কোনো ব্যথাই অনুভব করে না?
জার্মানির হ্যানোভার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর শুলজ এবং ড. হাজিম এই বিষয়ে এক বিস্ময়কর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা করেছিলেন — যা সত্যিই চোখে জল এনে দেয়।

📊 পরীক্ষার ফলাফল ছিলো এমন:

✅ প্রথম ৩ সেকেন্ডে:
EEG রিপোর্টে কোনো ব্যথার সিগন্যাল দেখা যায়নি। গরু কোনো অনুভূতিই পায়নি।

✅ পরবর্তী ৩ সেকেন্ডে:
রক্ত ঝরতে ঝরতে ব্রেইনে অক্সিজেন পৌঁছায় না, ফলে গরু গভীর ঘুমের মতো এক অচেতন অবস্থায় চলে যায়।

✅ ৬ সেকেন্ড পর:
EEG গ্রাফ সম্পূর্ণ Zero! — অর্থাৎ তখনও কোনো ব্যথা নেই।

✅ খিচুনি যা আমরা দেখি, সেটি আসলে ব্যথা নয়, বরং Spinal cord-এর এক প্রাকৃতিক Reflex।

📚 (উল্লেখিত গবেষণা: জার্মানির হ্যানোভার ভেটেরিনারি ইউনিভার্সিটির মিষ্টার শুলজ ও ড. হাজিম।)

🌟 সুবহানাল্লাহ!
আল্লাহ রাব্বুল আল-আমীন তাঁর প্রতিটি নির্দেশে যে কতটা করুণাময়, এই পরীক্ষাই তার প্রমাণ।
যারা বলেন, ইসলাম পশুকে কষ্ট দেয় — তারা যদি জানতেন এই রহমতের গভীরতা, তাহলে চোখে অশ্রু নিয়ে বলে উঠতেন:

"এতোই দয়ার ধর্ম, যার প্রতিটি হুকুমেই করুণার ছোঁয়া!"

📌 শেয়ার করুন এই পোস্টটি, যেন সবাই জানে — ইসলাম শুধুই একটি ধর্ম নয়,
এটি মানবতা, বিজ্ঞান আর দয়ার অপূর্ব এক মিলন। 🕋❤️

প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক- কোরবানির পশু পরিবহনের জনসচেতনতার নীতিমালা;        #কোরবানি  #গরুপালন  #ডেইরিফার্ম
01/06/2025

প্রাণী সম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক- কোরবানির পশু পরিবহনের জনসচেতনতার নীতিমালা;

#কোরবানি #গরুপালন #ডেইরিফার্ম

31/05/2025

গরুর বায়ু ত্যাগে ব্যাপক পরিবেশ দূষণ, নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্ভাবন সম্পর্কে কি বললেন- ডক্টর আবেদ চৌধুরী

Address

Rangpur

Telephone

8801837351561

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dairy Farm Management Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dairy Farm Management Bangladesh:

Share