Harun Group

Harun Group Satmatha,rangpur,Bangladesh

18/09/2017
18/08/2017

পুষ্টিমূল্যঃ গোল মরিচে আমিষ, চর্বি এবং প্রচুর পরিমাণে ক্যারোটিন, ক্যালসিয়াম ও লৌহ থাকে।
ভেষজ গুণঃ
হজমে সহায়তা করে
স্নায়ু শক্তি বাড়ায়
দাঁতের ব্যাথা কমানোতে সহায়তা করে
মাংসপেশী ও হাড়ের জোড়ার ব্যাথা উপশম করে
কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে
ব্যবহারঃ মসলা হিসেবে গোল মরিচের ব্যবহার রয়েছে।
উপযুক্ত মাটি ও জমিঃ পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত হয় ও আর্দ্রতা বেশি এমন এলাকায় গোল মরিচ ভাল জন্মে। এ ফসল ১০-৪০ ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রা সহ্য করতে পারে। পিএইচ ৪.৫-৬.০ পর্যন্ত এ ফসল ফলানো যায়। পাহাড়ি এলাকার মাটি এ ফসল চাষের জন্য খুব উপযোগী।
জাত পরিচিতিঃ স্থানীয় জাত
চারা তৈরিঃ গোল মরিচে ৩ ধরনের লতা/কান্ড দেখা যায়। ১. প্রধান কান্ড যার পর্বমধ্য বড়, ২. রানার ডগা (সুট) ও ৩. ফল ধারণকারী পার্শ্বীয় শাখা। রানার ডগা হতে কাটিং এর মাধ্যমে বংশ বিস্তার করা হয়। শীর্ষ ডগা ও ব্যবহার করা যায়। ফেব্রুয়ারী-মার্চ মাসে ২-৩ টি পর্বসন্ধি (গিট) যুক্ত কান্ড কাটিং হিসেবে নার্সারীতে বা পলি ব্যাগ লাগানো হয়। পলি ব্যাগ উর্বর মাটি দিয়ে ভরাট করা হয়। কাটিং-এ ছায়ার ব্যবস্থা রাখা হয় ও প্রয়োজনে সেচ দিতে হয়। মে-জুন মাসে কাটিং লাগানোর উপযোগী হয়।
চারা লাগানোঃ গোল মরিচ ঠেস গাছের ছায়ায় লাগাতে হয়। ঠেস গাছ আগে থেকে ২.৫x২.৫ মি. দূরত্বে লাগিয়ে গোল মরিচের কাটিং লাগানো হয়। ২-৩ টি কাটিং এক গর্তে লাগানো হয়।
সার ব্যবস্থাপনাঃ
প্রতি গর্তে ৩০০ গ্রাম ইউরিয়া, ১১০ গ্রাম টিএসপি ও ৪৫০ গ্রাম পটাশ দিতে হয়। তবে এ পরিমাণ সার তৃতীয় বছর হতে দিতে হবে। এ পরিমাণের ১/৩ ভাগ ১ম বছর এবং ২/৩ ভাগ দ্বিতীয় বছরে দিতে হবে। সার সাধারণতঃ বছরে দু’বারে দিতে হয়। একবার মে-জুন মাসে ও পরের বার আগষ্ট-সেপ্টেম্বর মাসে দিতে হয়। এছাড়া প্রতি বছর প্রতি গর্তে মে-জুন মাসে ১০ কেজি পঁচা গোবর ও প্রতি ১ বছর অন্তর-অন্তর প্রতি গর্তে ৬০০ গ্রাম চুন দিতে হবে।
সেচ ও আগাছা ব্যবস্থাপনাঃ আগাছা দেখা দিলে পরিষ্কার করতে হবে ও মাটিতে রসের অভাব হলে পানি সেচ দিতে হবে। ডগা বাড়তে থাকলে ঠেস গাছের সাথে বেঁধে দিতে হবে।
রোগবালাই ব্যবস্থাপনাঃ
পোকার নামঃ ফ্লি বিটল
এ পোকার আক্রমণে শতকরা ৩০ -৪০ ভাগ ক্ষতি হতে পারে। সে কারনে এ পোকা দেখা মাত্র প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। পূর্নাঙ্গ বিটল কালো পাখা যুক্ত, মাথা ও ঘাড় হলদে বাদামী বর্ণের।
ক্ষতির নমুনাঃ পূর্ণাঙ্গ ও কীড়া উভয় গাছের কচি অংশ খেয়ে নষ্ট করে। পূর্ণাঙ্গ বিটল ফল ছিদ্র করে ফলের মধ্যে ঢুকে ভেতরের অংশ খায়। আক্রান্ত ফল প্রথমে হলুদ ও পরে কালো হয়। কীড়া ফলের বীজ ছিদ্র করে ভেতরের অংশ খায়। ছায়াযুক্ত স্থানে এ পোকার আক্রমণ বেশি হয়।
জীবন চক্রঃ স্ত্রী বিটল জুলাই মাসে কচি ফলে ১-২ টি ডিম পাড়ে। প্রতিটি পোকা ১০০ টি করে ডিম পাড়ে। ৫-৮ দিনে ডিম থেকে কীড়া বের হয়। কীড়া ২০-৩২ দিন পরে পুত্তলিতে পরিণত হয়। ৬-৭ দিন পর পুত্তলি হতে পূর্ণাঙ্গ বিটল বের হয়। পূর্ণাঙ্গ বিটল ৩৯-৫০ দিন বাঁচে।
ব্যবস্থাপনাঃ নিয়মিত গাছ ছাঁটাই করে বৃদ্ধি কমাতে হবে। অনুমোদিত কীটনাশক প্রয়োগ করতে হবে।
রোগ ব্যবস্থাপনাঃ
নার্সারীঃ
নার্সারীতে পাতা পচা ও ঢলে পড়া রোগ দেখা যায়। পাতা পচা রোগে পাতায় কাল দাগ পড়ে এবং ঢলে পড়া রোগ হলে কাটিং নেতিয়ে পড়ে।
দমনঃ ব্যাভিস্টিন বা কপার অক্সি ক্লোরাইড নামক ছত্রাক নাশক প্রতি দশ লিটার পানিতে ২০ গ্রাম হারে ১০-১২ দিন অন্তর অন্তর ৩ বার প্রয়োগ করলে এ রোগ দমন করা যায়।
মাঠেঃ
হটাৎ ঢলে পড়া রোগ
লক্ষণঃ
পাতার উপর কালো দাগ পড়ে এবং পরে দাগ বড় হয়।
কচি পাতা ও ডগা আক্রমণে কালো হয়ে যায়। অধিক আক্রমণে গাছ মরে যায়।
গোড়া সহ সকল স্থানে আক্রমণ ছড়াতে পারে।
বর্ষা মৌসুমের শেষে আক্রমণ হলে গাছ হলুদ হয়ে ঢলে পড়তে পারে।
দমনঃ
মাটিসহ গাছ তুলে ধ্বংস করা
রোগমুক্ত কাটিং ব্যবহার
পরিচর্যার সময় শিকড়ে ক্ষত করা যাবেনা
সাকার (ডগা) মাটিতে বাড়তে দেয়া যাবেনা
০.২% হারে কপার অক্সিক্লোরাইড প্রয়োগ
ফসল তোলাঃ মে-জুন মাসে ফুল আসে এবং ৬-৮ মাস পর ফল তোলা যায়। থোকায় ২/১টি ফল উজ্জ্বল কমলা বা বেগুণী হলে সংগ্রহ করে ৭-১০ দিন রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়।

06/08/2017

ভালো মানের বীজ সরবরাহ-ই ‘এস পি এম’র লক্ষ্য

দেশের চাষিদেরকে ভালো মানের বীজ সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে ‘এস পি এম সিড’ বিভিন্ন ফসলের একাধিক জাতের বীজ উৎপাদন করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো.সাজ্জাদ হোসেন পবন।

রংপুর: দেশের চাষিদেরকে ভালো মানের বীজ সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে ‘এস পি এম সিড’ বিভিন্ন ফসলের একাধিক জাতের বীজ উৎপাদন করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির মহাব্যবস্থাপক (জি এম) কাজী জাহিদ।

দেশের বৃহৎ বীজ উৎপাদনকারী এই প্রতিষ্ঠানটিকে একটি গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, দেশের আবহাওয়া ও মাটির সঙ্গে খাপ খায় এমন বীজ উৎপাদন করে চাষিদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে এস পি এম সিড। ফলে চাষিরা এ প্রতিষ্ঠানের বীজ ব্যবহার করে ঘরে ‘সোনালী’ ফসল তুলতে পারছেন।

তিনি জানান, উত্তরাঞ্চলের আটটি জেলায় বীজ উৎপাদন হচ্ছে কৃষকদের সঙ্গে চুক্তির মাধ্যমে। এতে ওই এলাকায় বীজ উৎপাদনে কৃষকরা অংশগ্রহণ করার পাশাপাশি ব্যবসায়ী হয়ে উঠছেন। এর ফলে ওইসব এলাকায় ভালো মানের বীজ সরবরাহ নিশ্চিত করে কৃষির উন্নয়নে ভূমিকা রাখা সম্ভব হচ্ছে।


৩১টি ফসলের ১৮২ জাতের সবজির বীজ সরবরাহ করছে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখ করে কাজী জাহিদ বলেন, শুধু নিজ দেশে নয় এস পি এম বীজ বিশ্বেও সমাদৃত। আমাদের ডন-২১ নামের করলার একটি জাত রয়েছে যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চাষিরা আস্থার সঙ্গে ব্যবহার করছেন। এই বীজের গ্রহণযোগ্যতা অনেক ভালো।

এছাড়া বীজের মধ্যে অন্যতম হলো টমেটো, বরবটি, লাউ, ঝিঙা, চিচিংগা, জালি, মরিচ, শিম
এছাড়া কৃষকের উন্নয়নে বিভিন্ন পরামর্শমূলক সভা, বীজ বিতরণ, উঠান বৈঠক, ফসলের ফলন বৃদ্ধিতে করণীয়সহ নানা বিষয়ে কাজ করছে এস পি এম।

সব ধরনের গ্রাহকের কথা বিবেচনায় এনে এস পি এম সিড বিভিন্ন প্যাকেজ তৈরি করে বীজ বাজারজাত করে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

বাংলা নিউজ

28/07/2017
27/07/2017

অনেকেরই অনেক অভিযোগ থাকে , যে আল্লাহ্ তার দু‍আ কবুল করেন নাই।
যারা এই অভিযোগ করেন, তাদের কতজন সিনসিয়ারলি আর পূর্ণ আস্থার সাথে দুআ করেছিলেন এটা নিয়ে নিজের মনকে প্রশ্ন করা দরকার! তাহলেই উত্তর বেরিয়ে আসবে।

বান্দা কিছু চাইবে আর আল্লাহ্ দিবেন না এটা কখনও হতেই পারে না।
আল্লাহর কি অভাব আছে নাকি যে দিতে কৃপণতা করবেন?

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ্‌ লজ্জাশীল, তোমাদের মধ্য থেকে কেউ যখন আল্লাহ্‌ কাছে দু হাত তুলে কিছু চায়। তখন সেটা যদি তার জন্য কল্যাণকর হয় তবে আল্লাহ্‌ তা তাকে দেন, আর যদি তা তার জন্য কল্যাণকর না হয় তবে আল্লাহ্‌ তাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে লজ্জা পান, ফলে তাকে কিছু না কিছু দিয়েই থাকেন।
রাবি - সালমান আল ফারসি রাদিআল্লাহু আনহু
হাদিস - আবু দাউদ

সমস্যা মানুষের মাঝে। মানুষই আল্লাহর কাছে চেয়ে নিতে জানে না।
অনেকে দুআ কবুলের ব্যপারে অস্থির হয়ে যায়, যার কারনে দুআ কবুল হয়না।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘দুআ কবুলের ব্যপারে তাড়াহুড়ো করলে দুআ কবুল হয় না। - মুসলিম ও তিরমিজি

#অনেকে দুআ করে ঠিকই কিন্তু তাদের মনে সংশয় কাজ করে আল্লাহ্ দুআটা কবুল করবেন কিনা, অথবা এমন ভাব নিয়ে থাকে আল্লাহ কবুল করলে করুক না করলে নাই।
দরকার টা তো আপনার, তাহলে এত ড্যম কেয়ার ভাব নিয়ে দুআ কেন করেন?
আল্লাহর কাছে কেঁদে কেঁদে ভিখেরির মত চাইতে হবে। আর এতে অবশ্যই লজ্জার কিছু নেই। বরং এতে আল্লাহ্ খুশিই হবেন। সবকিছুর মালিক যিনি, তার কাছে চাইতে লজ্জা কিসের?

দুআও একটা ইবাদাত তাই নিখুঁত ভাবে পূর্ণ বিশ্বাস, ধৈর্য্য ও আশা নিয়ে দুআ করতে হবে।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
তুমি আল্লাহর নিকট এমনভাবে দুআ করো যেন তুমি তাঁর প্রতি দৃঢ় আস্থাবান। কেননা নিশ্চয়ই আল্লাহ তা'আলা উদাসীন ও অমনোযোগী অন্তরের কোন দুআ কবুল করেন না।
রাবি - আবু হুরায়রা রাদিআল্লাহু আনহু
হাদিস - তিরমীযি

সব শেষে অবশ্যই আল্লাহ সুবহানাহুর যেকোন ফায়সালার উপর সন্তুষ্ট থাকতে হবে।
কারণ আল্লাহই বান্দার ভালোমন্দ সবথেকে ভাল বোঝেন আর সেই অনুযায়ী বান্দাকে দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ দুনিয়াতে দুআর বিনিময় দিলেন না তার মানে এই না যে তিঁনি আপনাকে বঞ্চিত করলেন। আল্লাহ্ প্রত্যেকটা সিনসিয়র হৃদয়ের ডাকে অবশ্যই সাড়া দেন‌। হয় ইহকালে নাহয় আখিরাতে।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন,
‘কোনো মুসলমান যদি এমন দুআ করে যাতে কোনো গুনাহ বা আত্মীয়তা ছিন্ন করার আহবান না থাকে, তাহলে আল্লাহ তাকে তিনটির যে কোনো একটি বিনিময় দান করেন-
১. হয় সাথে সাথে তার দুআ কবুল করেন,
২. না হয় আখিরাতের জন্য সঞ্চিত রাখেন,
৩. এ পরিমাণ ক্ষতিকর কিছু থেকে তাকে হিফাযাত করেন।
তখন সাহাবারা (রাদিআল্লাহু আনহুম) বললেন, তাহলে আমরা বেশি বেশি দুআ করবো। জবাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, আল্লাহ তার চাইতে অধিক দাতা।
রাবি- আবু সাঈদ রাদিআল্লাহু আনহু
হাদিস - তিরমীযি

আল্লাহ্ অবশ্যই যে কোন হালাল দুআর জবাব দেন, বান্দাকে শুধু সঠিক পদ্ধতিতে চাইতে হবে আর সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করতে হবে।

আল্লাহ্ তৌফিক দিন সবাইকে...

সাজ্জাদ হোসেন পবন

Address

Rangpur
5300

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

01750173231

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Harun Group posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share