Diploma-in-Computer Engineering

Diploma-in-Computer Engineering This page is provide guildline for diploma in computer enggineering students...
if you need any query then inbox us.

14/08/2022

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স ০৩ বছর করা হলে যে সকল সমস্যা হবে...
১. তখন ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার হওয়া যাবে না ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ান হতে হবে।
২. চাকরি ক্ষেত্রে ১০ম গ্রেড থাকবে না, ১৩-১৬ তম গ্রেডে নেমে আসবে।
৩. এখন আছেন উপ-সহকারী প্রকৌশলী তখন হবেন ফোরম্যান/মেকানিক/টেকনিশিয়ান
৪. এখন আছেন ২য় শ্রেণির কর্মকর্তা তখন হবেন ৩য়/৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী।
৫. পড়াশোনার মান থাকবে না, সিলেবাস শর্ট হবে, জ্ঞানের পরিধি ছোট হবে।
৬. সামাজিক মর্জাদা হ্রাস পাবে।

13/08/2022

৩ বছরে ডিপ্লোমা করা মানে। সাব-এসিস্ট্যান্টের পোস্ট ডিপ্লোমা স্টুডেন্টদের জন্য আজীবন নিষিদ্ধ করে দেওয়া।
এয়টা বুয়েট, চুয়েট,রুয়েটিয়ানদের একটা চক্রান্ত মাত্র।

27/01/2022

পলিটেকনিক ডিপ্লোমা ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বাের্ড আওতাধীন সকল সরকারি পলিটেকনিক ডিপ্লোমা ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২১ -২০২২ । পলিটেকনিক ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২ কারিগরী বোর্ডর ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট btebadmission.gov.bd -এ প্রকাশিত হয়েছে । পলিটেকনিক ডিপ্লোমা ভর্তির নোটিশ, আবেদনের প্রক্রিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল ।

সরকারি পলিটেকনিক ডিপ্লোমা ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২২
২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষে ০৪ (চার) বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং, ডিপ্লোমা-ইন-ফরেষ্ট্রি, ডিপ্লোমা-ইন- এগ্রিকালচার, ডিপ্লোমা-ইন-ফিসারিজ, ডিপ্লোমা-ইন-লাইভস্টক এবং ডিপ্লোমা-ইন-ট্যুরিজম এন্ড হসপিটালিটি কোর্সে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির জন্য ন্যূনতম যোগ্যতা সাপেক্ষে অন-লাইনে আবেদন করতে পারবেন । ভর্তির বিস্তারিত তথ্যসমূহ আলোচনা করা পূর্বে গুরুত্বপূর্ণ তারিখগুলো নিচে দেওয়া হল ।

অনলাইনে আবেদন শুরু : ০৮ জানুয়ারী ২০২২
আবেদনের শেষ সময় (সরকারী) : ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২২

আবেদনের শেষ সময় (বেসরকারী) : —-

ফল প্রকাশ :

আবেদন লিংক : www.btebadmission.gov.bd

আবেদনের নূন্যতম যোগ্যতা
যে কোন সালে এসএসসি ও সমমানের উত্তীর্ণরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে পলিটেকনিক ভর্তি বা ভর্তি আবেদনের ক্ষেত্রে কোন বয়সসীমা নেই। তবে সকল প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য আলাদা আলাদা যোগ্যতার প্রয়োজন হবে । আপনি যদি প্রতিটি কোর্সের ন্যূনতম আবেদন যোগ্যতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চান তবে স্ক্রল করে লেখাটির নিচের অংশে গিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি ভালভাবে পড়ুন

আবেদনের প্রক্রিয়া
অন-লাইনে আবেদনের পূর্বে শিক্ষার্থী কে ডাচবাংলা মোবাইল ব্যাংকিং (রকেট), শিওরক্যাশ ও বিকাশ এর মাধ্যমে আবেদন ফি ১৫০/- (একশত পঞ্চাশ টাকা মাত্র) প্রদান করতে হবে। অন-লাইনে সর্বোচ্চ ১৫টি প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি-তে আবেদন করা যাবে

►ধাপ-১ :রকেট এর মেনু পেতে *৩২২ # ডায়াল করে Bill Pay নির্বাচন করুন ।
ধাপ-২ :নিজ রকেট একাউন্ট হলে Self অন্যের রকেট একাউন্ট হলে Others নির্বাচন করে মোবাইল নম্বর দিন।
ধাপ-৩ :Biller ID এর জন্য Others নির্বাচন করুন।
ধাপ-৪: Biller ID – 220 ইনপুট দিন।
ধাপ-৫: Bill No এ এন্ট্রি দিন (স্পেস দেওয়ার প্রয়োজন নেই)।
ধাপ-৬ :এসএসসি Roll Number দিন।
ধাপ-৭ :Amount এ 150 টাকা এন্ট্রি দিন।
ধাপ-৮ :রকেট একাউন্টের Pin Number প্রদান করুন।
ধাপ-৯ :Payment সম্পন্ন হলে Successful SMS প্রদর্শিত হবে। SMS এ প্রদর্শিত Transaction ID
সংরক্ষণ করুন।

রকেট ছাড়াও আপনি বিকাশ ও শিউর ক্যাশে টাকা প্রদান করতে পারবেন ।
প্রার্থী নির্বাচন পদ্ধতি
প্রার্থী নির্বাচনে কোন ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। কেবলমাত্র এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার ফলাফলের
ভিত্তিতে প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।

যেকোন সালে এসএসসি পাসকৃত ছাত্র/ছাত্রীদের ক্ষেত্রে জিপিএ ৫,০০ প্রাপ্ত সকল বিষয়ের ওপর সর্বোচ্চ ৬৮ গ্রেড পয়েন্ট ধরে প্রাপ্ত জিপিএ এর ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে (১৪ বিষয়ের প্রতি বিষয়ে গ্রেড পয়েন্ট ৫ হিসেবে ১৪x৫=৭০ হওয়ার কথা। কিন্তু চতুর্থ বিষয়ে ২ পয়েন্ট বাদ দেয়ার কারণে সর্বোচ্চ পয়েন্ট ৬৮ উল্লেখ করা হয়েছে)। ২০১৭ সালে এসএসসি পাসকৃত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সকল বিষয়ের ওপর সর্বোচ্চ ৫৩ গ্রেড পয়েন্ট ধরে প্রাপ্ত জিপিএ এর ভিত্তিতে মেধাক্রম। নির্ধারণ করতে হবে (১১ বিষয়ের প্রতি বিষয়ে গ্রেড পয়েন্ট ৫ হিসেবে ১১x৫=৫৫ হওয়ার কথা। কিন্তু চতুর্থ বিষয়ে ২ পয়েন্ট বাদ দেয়ার কারণে সর্বোচ্চ পয়েন্ট ৫৩ উল্লেখ করা হয়েছে)। ২০১৬ সালে এসএসসি পাসকৃত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সকল বিষয়ের ওপর সর্বোচ্চ ৪৮ গ্রেড পয়েন্ট ধরে প্রাপ্ত জিপিএ এর ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করতে হবে (১০ বিষয়ের প্রতি বিষয়ে গ্রেড পয়েন্ট ৫ হিসেবে ১০x৫=৫০ হওয়ার কথা। কিন্তু চতুর্থ বিষয়ে ২ পয়েন্ট বাদ দেয়ার কারণে সর্বোচ্চ পয়েন্ট ৪৮ উল্লেখ করা হয়েছে)। এক্ষেত্রে ৬৮ পয়েন্ট ও ৫৩ পয়েন্ট কে ৪৮ পয়েন্টর সাথে সমতুল্য করে হিসাব করা হবে। সাধারন শিক্ষা বাের্ডের পয়েন্ট ,উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএসসির পয়েন্ট , মাদ্রাসা শিক্ষা বাের্ডের পয়েন্ট ও কারিগরি শিক্ষা বাের্ডের পয়েন্ট এবং ‘ও’ লেভেলের পয়েন্ট সমতুল্য করে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে।

আবেদন ফর্ম পূরণের প্রক্রিয়া
আবেদনকারী রকেট, শিওরক্যাশ ও বিকাশ এর মাধ্যমে আবেদন ফি প্রদান করার ৩০ মিনিট পর অন-লাইনে
আবেদন শুরু করবে। ভর্তির ওয়েবসাইট www.btebadmission.gov.bd– এ গিয়ে পেমেন্টকৃত প্রোগ্রাম এর
সংশ্লিষ্ট বাটনে ক্লিক করবে। ক্লিক করার পর আবেদনকারী সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামের ওয়েব পেজ দেখতে পাবে।
পরবর্তীতে আবেদনকারী Apply Now বাটনে ক্লিক করে তার এস.এস.সি রোল নম্বর, রেজিস্ট্রেশন নম্বর,
বোর্ডের নাম, পাসের সন ও তার মোবাইল নম্বর এন্ট্রি পূর্বক Next’ Button ক্লিক করবে। আবেদনকারীকে তার
মোবাইল নম্বর সতর্কতার সহিত প্রদান করতে হবে।পরবর্তীতে সমস্ত যোগাযোগ এবং প্রয়োজনীয় তথ্যাদি প্রদত্ত
মোবাইল নম্বরে প্রেরণ করা হবে।
Next’ Button ক্লিক করার পর আবেদনকারী তার যাবতীয় তথ্য দেখতে পাবে। (যদি আবেদনকারী ফি
প্রদান না করে থাকে- সে ক্ষেত্রে আবেদনকারী আবেদন ফি প্রদান করেনি এরূপ Message প্রদর্শিত হবে।)
আবেদনকারী তার স্ক্যানকৃত ছবি (ফরমেট *.jpg , সাইজ 50KB এবং 150px x 120px) আপলোড
করবে। আপলোড করার পর নীচের Save and Next’ Button ক্লিক করবে। সফল ভাবে তথ্য সংরক্ষিত হলে
আবেদনকারী একটি সিকিউরিটি কোড দেখতে পাবে। আবেদনকারীকে অবশ্যই সিকিউরিটি কোডটি ভবিষ্যতে
ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করতে হবে। এরপর Next বাটনে ক্লিক করলে Applicant’s Account পেজ প্রদর্শিত
হবে। ঐ পেজে আবেদনকারী তার সংশ্লিষ্ট প্রোগ্রামের Apply Now বাটনে ক্লিক করবে। এরপর আবেদনকারী
উক্ত প্রোগ্রামের অপশন ফরম দেখতে পারবে। অপশন ফরমে আবেদনকারী তার ভর্তিচ্ছু প্রোগ্রামসমূহ Drop Down মেনুতে দেখতে পাবে।
Selection Criteria প্রদর্শিত হলে আবেদনকারীকে পছন্দনীয় জেলা, ঐ জেলার প্রতিষ্ঠান এবং ঐ প্রতিষ্ঠানের
সিফ্ট, টেকনোলজি নির্বাচন করে‘ Add Selected Institute’ Button এ ক্লিক করতে হবে। এভাবে
আবেদনকারী সর্বোচ্চ ১৫টি প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজির পছন্দক্রম নির্বাচন করতে পারবে। পছন্দক্রম নির্বাচন করার পর
Submit’ Button এ ক্লিক করে নির্বাচিত প্রোগ্রাম এ আবেদন সম্পন্ন করবে। সফলভাবে আবেদন সম্পন্ন হলে
আবেদনকারী বাম পার্শ্বে আবেদনকৃত প্রোগ্রামের নাম দেখতে পাবে এবং Submit-কৃত আবেদনটি প্রিন্ট নিতে
পারবে।
সরকারি প্রতিষ্ঠানে (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) আবেদনের জন্য আবেদনকারী কোটা Selection এর Drop Down
মেনু দেখতে পাবে। প্রোগ্রামে আবেদন করার পূর্বে আবেদনকারী তার প্রযোজ্য কোটা নির্বাচন করে তার নির্দিষ্ট
প্রোগ্রাম Submit করবে। একই প্রার্থীর একাধিক কোটা প্রযোজ্য হলে- Drop Down মেনু থেকে একাধিক কোটা
নির্বাচন করতে হবে।
আবেদনকারী তার প্রোগ্রামে Select প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি ও তার পছন্দক্রম দেখতে পারবে। আবেদনকারী
চাইলে তার আবেদনকৃত প্রোগ্রামে প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি’র পছন্দক্রম পরিবর্তন এবং নতুন প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি
সংযোজন ও পূর্বেও Select-কৃত প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি বিয়োজন করতে পারবে। আবেদনকারী ভবিষ্যতে নির্ধারিত
সময়ের মধ্যে Applicant Login অপশন থেকে SSC Roll, Board, Passing Year ও Security Code এন্ট্রিকরে Applicant’s Account পেজ এ যেতে পারবে এবং চাইলে তার আবেদনকৃত প্রোগ্রামে
প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি’র পছন্দক্রম পরিবর্তন এবং নতুন প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি সংযোজন ও পূর্বেও Select-কৃত
প্রতিষ্ঠান/টেকনোলজি বিয়োজন করতে পারবে।
একই আবেদনকারী একাধিক প্রোগ্রামে (যেমন- ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিং, এগ্রিকালচার টেকনোলজি ইত্যাদি)
আবেদন করতে চাইলে- আবেদনকারী কে প্রত্যেক প্রোগ্রামের জন্য আলাদা আলাদা Payment সম্পন্ন করতে
হবে। Payment সম্পন্ন করে Applicant Login অপশন থেকে SSC Roll, Board, Passing Year ও
Security Code এন্ট্রি করে পূর্বের নিমাবলী অনুসরন করে আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

পলিটেকনিক ভর্তির ফলাফল
অন-লাইনে আবেদন গ্রহণ শেষ হলে- কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের ভর্তি নীতিমালা ২০২২ অনুসরন করে ফলাফল
শিক্ষার্থীদেরকে তাদের মোবাইলে SMS-এর মাধ্যমে ফলাফল জানিয়ে দেয়া হবে। তাছাড়া ও শিক্ষার্থীরা ভর্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট www.btebadmission.gov.bd থেকে User ID (Applicant ID) এবং Security Code ব্যবহার করে তাদের ফলাফল জানতে পারবে। ফলাফল প্রকাশের তারিখ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানাবে।

20/01/2022

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং কেন পড়বেন?

বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড এর অধীনে ৮ সেমিস্টার ৪ বছর মেয়াদে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং (Diploma in Engineering) কোর্স বর্তমানে চালু আছে। এবং তার পাশাপাশি বর্তমান সময়ে সবচাইতে সম্ভাবনা ময় আলোকিত ক্যারিয়ার হিসেবে ধরে নিচ্ছে মানুষ। কারন এ কোর্স শেষ করার পর সরকারি যেকোন চাকরিতে ২য় শ্রেণির গেজেট দারি কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি হয়।

এছাড়া ও দেশে যে কোনো চাকরি করার পাশাপাশি বৈদেশিক কর্ম সংস্থানের বিশাল একটি সুযোগ রয়েছে। আবার কেউ চাইলে উচ্চতর ডিগ্রি নেওয়ার জন্য সে দেশের বাহিরে যেতে চাইলে ও পারবে।
ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং (Diploma in Engineering) পাশ করার পরেও B.Sc ইঞ্জিনিয়ারিং (B.Sc Engineering) পড়ার সুযোগ আছে তা ছাড়াও ২ বছরের AMIE পরীক্ষা দিয়েও B.Sc ইঞ্জিনিয়ার (B.Sc Engineer) হওয়া যায় ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করার পর মর্যাদাপূর্ণ চাকরি অথবা কেউ চাইলে নিজের ইচ্চে মতো ব্যবসা বা অন্য কিছু করতে পারে ডিপ্লোমা কোর্সের সার্টিফিকেট টি সারা বিশ্বে স্বীকৃত প্রাপ্ত।
বলা যায় বর্তমানে সেশনজট ছাড়া একটি শিক্ষা ব্যবস্থা।

ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার কেন হবেন?

বিশ্বের যে সকল দেশে কারিগরি শিক্ষাকে অনেক গুরুত্ব দিয়েছে তারাই আজ তত বেশি অর্থনৈতিকভাবে সম্পদশালী হয়েছে। উন্নয়নশীল দেশ ঘুলোর উন্নয়নের দিকে তাকালে এবং পর্যালোচনা করলে বুজা যাবে দেশের সকল ধরনের শিক্ষিত জনগোষ্ঠি একত্রিত হয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখলেও এখানে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে কারিগরি শিক্ষা। বিশেষ করে মধ্যমস্তরের কারিগরি শিক্ষা বা ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং। অর্থাৎ অর্থনৈতিক উন্নয়নে এটি সরাসরি কারিগরি ও দক্ষ জনশক্তি ব্যবহারের সাথে সামনা সামনি ভাবে জড়িত। কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত জনগোষ্ঠির সম্পৃক্ততার হারের উপর গড় বাৎসরিক মাথাপিছু আর্ন নিবিড়ভাবে নির্ভরশীল। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কারিগরি শিক্ষার প্রতি গুরুত্বারোপ করায় আজ তারা উন্নত বিশ্বের কাতারে অবস্থান নিশ্চিত করেছে।
বিশ্বায়নের এই যুগে ইন্ডাস্ট্রির সংখ্যা ক্রমশই বাড়তে আছে। আর এই কারণে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষার গুরুত্ব অপরিশিম।নিশ্চিত কর্মসংস্থানের একমাত্র মাধ্যম হচ্ছে ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা। সারা বিশ্বে জেনারেল শিক্ষার চেয়ে কারিগরি শিক্ষা বেশ জনপ্রিয়

15/06/2020
02/12/2019

ডিপ্লোমা যদি কম্পিউটার এ পড়তে ইচ্ছুক থাকেন তবে শুরু থেকেই যেকোন একটি বিষয়ে দক্ষ হয়ে উঠুন । না হলে কোর্স শেষে বসে থাকতে হবে অন্যদের মতডিপ্লোমা যদি কম্পিউটার এ পড়তে ইচ্ছুক থাকেন তবে শুরু থেকেই যেকোন একটি বিষয়ে দক্ষ হয়ে উঠুন । না হলে কোর্স শেষে বসে থাকতে হবে অন্যদের মতো ।

19/09/2019

কম্পিউটারে পড়ে ‍যদি ভালো কিছু নিজের ও পরিবারের জন্য করতে চান, তাহলে নিজেকে স্কিলফুল মানুষ তৈরি করেন ।
জীবনে অনেক সিনেমা দেখেছেন এখনো সময় আছে ফিরে আসার, যদি ফিরে না আসেন তবে আপনার জীবনের সিনেমা মানুষ দেখবে । তখন বলবেন কম্পিউটারে পড়ে কিছু করা যায় না ।

16/09/2018

দো‘আর আদব :
দো‘আর বেশ কিছু আদব রয়েছে, যেগুলো অনুসরণ করলে দো‘আ কবুলের আশা করা যায়। নিম্নে দো‘আর কয়েকটি আদব উল্লেখ করা হল : কবুল কবুল
1. একনিষ্ঠভাবে আল্লাহ তা‘আলার কাছে দো‘আ করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ ٱدۡعُونِيٓ أَسۡتَجِبۡ لَكُمۡۚ ﴾ [غافر: ٦٠]
‘তোমরা আমার কাছে দো‘আ কর, আমি তোমাদের দো‘আয় সাড়া দেব।[গাফির : ৬০।]
2. উযু অবস্থায় দো‘আ করা। যেহেতু দো‘আ একটি ইবাদত তাই উযু অবস্থায় করাই উত্তম।
হাতের তালু চেহারার দিকে ফিরিয়ে দো‘আ করা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘তোমরা যখন আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবে তখন হাতের তালু দিয়ে প্রার্থনা করবে। হাতের পিঠ দিয়ে নয়।[আবূ দাউদ : ১৪৮৬।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আমল সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে,
‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দো‘আ করার সময় হাতের তালু তাঁর চেহারার দিকে রাখতেন।’ [তাবারানী : ১১/১২২-৩৪] এটিই প্রয়োজন ও বিনয় প্রকাশের সর্বোত্তম পন্থা, যাতে একজন অভাবী কিছু পাবার আশায় দাতার দিকে বিনয়াবনত হয়ে হাত বাড়িয়ে দেয়।
৩. হাত তোলা। প্রয়োজনে এতটুকু উঁচুতে তোলা যাতে বগলের নিচ দেখা যায়। রাসূলুল্লাল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামবলেন,
‘যে ব্যক্তি তার উভয় হাত উঠায় এবং আল্লাহর কাছে কোন কিছু চায়, আল্লাহ তাকে তা দিয়েই দেন।’ [তিরমিযী : ৩৬০৩]
1. আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা করা এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামএর ওপর সালাত ও সালাম পাঠ করা।
ফুযালা ইবন উবায়েদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতের মধ্যে এক ব্যক্তিকে এভাবে দো‘আ করতে শুনলেন যে, সে আল্লাহ তা‘আলার প্রশংসা করল না, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওপর সালাত ও সালাম পাঠ করল না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বললেন, ‘এ লোকটি তাড়াহুড়া করল।’ এরপর তিনি বললেন,
‘তোমাদের কেউ যখন দো‘আ করবে, তখন সে যেন প্রথমে তার রবের প্রশংসা করে এবং তার স্তুতি জ্ঞাপন করে। এরপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ওপর সালাত ও সালাম পাঠ করে। অতঃপর যা ইচ্ছে প্রার্থনা করে।’ [আবূ দাউদ : ১৪৮৩]
অন্য হাদীসে এসেছে,
‘প্রত্যেক দো‘আ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রতি সালাত না পড়া পর্যন্ত বাধাপ্রাপ্ত অবস্থায় থাকে।’ [দায়লামী : ৩/৪৭৯১; সহীহুল জামে’ : ৪৫২৩]
নিজের জন্য ও নিজের আপনজনদের জন্য কল্যাণের দো‘আ করা, মন্দ বা অকল্যাণের দো‘আ না করা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘বান্দার দো‘আ কবুল হয়, যতক্ষণ না সে কোনো পাপ কাজের বা আত্মীয়তার বন্ধন ছিন্ন করার দো‘আ করে।’[মুসলিম : ৭১১২]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেন,
‘তোমরা তোমাদের নিজদের, তোমাদের সন্তান-সন্তুতির এবং তোমাদের সম্পদের ব্যাপারে বদদো‘আ করো না।’[মুসলিম : ৩০০৯]
2. দো‘আ কবুল হওয়ার দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে আল্লাহর কাছে দো‘আ করা।
‘কবুল হবার দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে তোমরা আল্লাহর কাছে দো‘আ কর। জেনে রাখো, নিশ্চয়ই আল্লাহ গাফেল ও উদাসীন হৃদয় থেকে বের হওয়া দো‘আ কবুল করেন না।’ [তিরমিযী : ৩৪৭৯]
দো‘আর সময় সীমা লঙ্ঘন না করা। সা‘দ রা. বলেন, হে বৎস! আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি :
‘অচিরেই এমন এক সম্প্রদায় আসবে যারা দো‘আয় সীমা-লঙ্ঘন করবে।’ [আহমদ : ১/১৭২]
আর সে সীমালঙ্ঘন হচ্ছে, এমন কিছু চাওয়া যা হওয়া অসম্ভব। যেমন, নবী বা ফেরেশতা হবার দো‘আ করা। অথবা জান্নাতের কোন সুনির্দিষ্ট অংশ লাভের জন্য দো‘আ করা।
3. বিনয় প্রকাশ ও কাকুতি-মিনতি করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ وَٱذۡكُر رَّبَّكَ فِي نَفۡسِكَ تَضَرُّعٗا وَخِيفَةٗ وَدُونَ ٱلۡجَهۡرِ مِنَ ٱلۡقَوۡلِ بِٱلۡغُدُوِّ وَٱلۡأٓصَالِ ﴾ [الاعراف: ٢٠٥]
‘আর তুমি নিজ মনে আপন রবকে স্মরণ কর সকাল-সন্ধ্যায় অনুনয়-বিনয় ও ভীতি সহকারে এবং অনুচ্চ স্বরে।’[আ‘রাফ : ২০৫]
4. ব্যাপক অর্থবোধক ও নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে বর্ণিত শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করা। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করেছেন তা জামে‘ তথা পূর্ণাঙ্গ ও ব্যাপক। এক বর্ণনায় এসেছে,
‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ব্যাপক অর্থবোধক দো‘আ পছন্দ করতেন এবং অন্যগুলো ত্যাগ করতেন।’ [আবূ দাউদ : ১৪৮২।]
5. আল্লাহ তা‘আলার সুন্দর নামসমূহ ও তাঁর সুমহান গুণাবলির উসীলা দিয়ে দো‘আ করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
﴿ وَلِلَّهِ ٱلۡأَسۡمَآءُ ٱلۡحُسۡنَىٰ فَٱدۡعُوهُ بِهَاۖ ﴾ [الاعراف: ١٨٠]
‘আল্লাহর রয়েছে সুন্দর নামসমূহ, সেগুলোর মাধ্যমে তোমরা তাঁর নিকট দো‘আ কর।’ [আ‘রাফ : ১৮০। ]
6. ঈমান ও আমলে সালেহ তথা নেক কাজের উসীলা দিয়ে দো‘আ করা।
ক. ঈমানের উসীলা দিয়ে দো‘আ করার উদাহরণ কুরআনুল কারীমে উল্লিখিত হয়েছে,
﴿ رَّبَّنَآ إِنَّنَا سَمِعۡنَا مُنَادِيٗا يُنَادِي لِلۡإِيمَٰنِ أَنۡ ءَامِنُواْ بِرَبِّكُمۡ فَ‍َٔامَنَّاۚ رَبَّنَا فَٱغۡفِرۡ لَنَا ذُنُوبَنَا وَكَفِّرۡ عَنَّا سَيِّ‍َٔاتِنَا وَتَوَفَّنَا مَعَ ٱلۡأَبۡرَارِ ١٩٣ ﴾ [ال عمران: ١٩٣]
‘হে আমাদের রব, নিশ্চয় আমরা শুনেছিলাম একজন আহবানকারীকে, যে ঈমানের দিকে আহবান করে যে, ‘তোমরা তোমাদের রবের প্রতি ঈমান আন’। তাই আমরা ঈমান এনেছি। হে আমাদের রব আমাদের গুনাহসমূহ ক্ষমা করুন এবং বিদূরিত করুন আমাদের ত্রুটি-বিচ্যুতি, আর আমাদেরকে মৃত্যু দিন নেককারদের সাথে।’ [আলে-ইমরান : ১৯৩।]
খ. আমলে সালেহ তথা নেক কাজের উসীলা দিয়ে দো‘আ করার উদাহরণ হাদীসে উল্লিখিত হয়েছে,
‘তিন ব্যক্তি যাত্রাপথে রাত যাপনের জন্য একটি গুহায় আশ্রয় নেয়। হঠাৎ পাহাড় থেকে একটি পাথর খসে পড়ে গুহার মুখ বন্ধ হয়ে যায়। এমন অসহায় অবস্থায় তাদের প্রত্যেকে নিজ নিজ নেক আমলের উসীলা দিয়ে দো‘আ করে। একজন বৃদ্ধ পিতা-মাতার খেদমত, অপরজন অবৈধ যৌনাচার থেকে নিজকে রক্ষা এবং তৃতীয়জন আমানতের যথাযথ হেফাযতের উসীলা দিয়ে পাথরের এই মহা বিপদ থেকে মুক্তির জন্য আল্লাহর নিকট দো‘আ করলেন। তাদের দো‘আর ফলে পাথর সরে গেল। তারা সকলেই নিরাপদে গুহা থেকে বের হয়ে এলেন।’ [বুখারী : ২১১১।
7. নিজের গুনাহের কথা স্বীকার করে দো‘আ করা। উদাহরণস্বরূপ, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘মাছের পেটে থাকাবস্থায় ইউনুস আলাইহিস সালাম যে দো‘আর মাধ্যমে আল্লাহ তা‘আলাকে ডেকেছিলেন (অর্থাৎ لاَ إِلَهَ إِلاَّ أَنْتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنْتُ مِنَ الظَّالِمِين লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নী কুনতু মিনায যালিমীন। ‘আপনি ছাড়া কোন ইলাহ নেই। আপনি পবিত্র মহান। নিশ্চয় আমি ছিলাম যালিম।’) যেকোনো মুসলমান ব্যক্তি তা দিয়ে দো‘আ করলে আল্লাহ তা‘আলা তার দো‘আ কবুল করে নেবেন।’ [তিরমিযী : ৫০৫৩; মুস্তাদরাক হাকেম : ৪৪৪৩]
8. উচ্চ স্বরে দো‘আ না করা; অনুচ্চ স্বরে দো‘আ করা। আল্লাহ তা‘আলা বলেন,
‘তোমরা তোমাদের রবকে ডাক অনুনয় বিনয় করে ও চুপিসারে। নিশ্চয় তিনি পছন্দ করেন না সীমালঙ্ঘনকারীদেরকে।’ [আ‘রাফ : ৫৫।]
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
‘হে লোক সকল, তোমরা নিজদের প্রতি সদয় হও এবং নিচু স্বরে দো‘আ করো। কারণ তোমরা বধির বা অনুপস্থিত কাউকে ডাকছো না। নিশ্চয় তিনি (তাঁর জ্ঞান) তোমাদের সাথেই আছেন। তিনি অতিশয় শ্রবণকারী, নিকটবর্তী।’ [বুখারী : ৯২২৯; মুসলিম : ২৭০৪।]
9. আল্লাহর কাছে বারবার চাওয়া। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাই করতেন। ইবন মাসঊদ রা. বলেন,
‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দো‘আর বাক্যগুলো তিনবার করে বলতে এবং তিনি তিনবার করে ইস্তেগফার করতে পছন্দ করতেন।’ [মুসনাদ আহমদ : ১/৩৯৪।]
10. কিবলামুখী হয়ে দো‘আ করা। আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ রা. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,
‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা‘বামুখী হলেন। অতপর কুরাইশদের কয়েকজনের জন্য বদ-দো‘আ করলেন, তারা হল, শাইবা ইবন রবী‘আ, উতবা ইবন রবী‘আ, ওয়ালীদ ইবন উতবা এবং আবূ জাহল ইবন হিশাম। আল্লাহর কসম, আমি তাদেরকে মৃত অবস্থায় লুটিয়ে পড়ে থাকতে দেখলাম। রোদ তাদেরকে বদলে দিয়েছিল। তখন ছিল গরমের দিন।’ [বুখারী : ৩৯৬০; মুসলিম : ১৭৯৪। ]

21/05/2016

"আল্লাহর প্রত্যেকটি ফয়সালাই ন্যায়বিচারের ওপর ভিত্তিশীল। সুতরাং কোন অবস্থাতেই অভিযোগের ভাষা যেন তোমার মুখে উচ্চারিত না হয়।"
- ইমাম গাজ্জালী (রহ)

20/05/2016

আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, “যখন তোমাদের কেউ শয্যা গ্রহণ করবে, তখন সে যেন নিজ লুঙ্গীর একাংশ দ্বারা তার বিছানাটা ঝেড়ে নেয়। কারণ, সে জানে না যে, তার অনুপস্থিতিতে কি কি জিনিস সেখানে এসেছে। তারপর এই দো‘আ পড়বে,
بِاسمِكَ رَبِّي وَضَعْتُ جَنْبِي، وَبِكَ أَرْفَعُهُ، إِنْ أَمْسَكْتَ نَفْسِي فَارْحَمْهَا، وَإِنْ أَرْسَلْتَهَا، فَاحْفَظْهَا بِمَا تَحْفَظُ بِهِ عِبَادَكَ الصَّالِحِينَ
‘বিসমিকা রাবিব অদ্বা‘তু জানবী অবিকা আরফা‘উহু ফাইন আমসাকতা নাফসী ফারহামহা অইন আরসালতাহা ফাহফাযহা বিমা তাহফাযু বিহী ইবা-দাকাস স্বা-লিহীন।’
অর্থাৎ হে আমার প্রতিপালক! আমি তোমারই নামে আমার পার্শ্ব রাখলাম এবং তোমারই নামে তা উঠাইব। অতএব যদি তুমি আমার আত্মাকে আবদ্ধ করে নাও, তাহলে তার প্রতি করুণা করো। আর যদি তা ছেড়ে দাও, তাহলে তাকে ঐ জিনিস দ্বারা হিফাজত কর, যার দ্বারা তুমি তোমার নেক বান্দাদের করে থাক।”
রিয়াদুস স্বালেহীন ১৪৬৮।
[সহীহুল বুখারী ৬৩২০, ৭৩৯৩, মুসলিম ২৭১৪]

20/05/2016

টেকনিকে মনে রাখুন ১৪ দিয়ে:
--------------------------
© শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস- ১৪
ডিসেম্বর।
-
© বিশ্ব ডায়াবেটিস দিবস- ১৪
নভেম্বর।
-
© পানামা খালের গভীরতা- ১৪
মিটার।
-
© চীনের প্রতিবেশী দেশ- ১৪ টি।
-
© পবিত্র কোরআনের সূরা সংখ্যা ১১৪
টি।
-
© পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবস-
১৪ আগষ্ট।
-
© সনেটে পংক্তি বা লাইন থাকে-
১৪টি।
-
© বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত মোট
উপন্যাস- ১৪টি।
-
© মনমোহন সিং ভারতের- ১৪তম
প্রধানমন্ত্রী
ছিলেন।
-
© কুরআনে মোট সিজদার আয়াত-
১৪টি।
-
© জাতিপুঞ্জ চুক্তিতে মোট- ১৪টি
দফা ছিল।
-
© বাংলাদেশে পরমানু চিকিৎসা
কেন্দ্র-
১৪টি।

19/05/2016

সবার জানা জরুরী যে সূর্য কি পৃথিবীর চার দিকে ঘুরে?
মান্যবর শায়খ উত্তরে বলেন যে, শরীয়তের প্রকাশ্য দলীলগুলো প্রমাণ করে যে, সূর্যই পৃথিবীর চতুর্দিকে ঘুরে। এই ঘুরার কারণেই পৃথিবীতে দিবা-রাত্রির আগমণ ঘটে। আমাদের হাতে এই দলীলগুলোর চেয়ে বেশী শক্তিশালী এমন কোন দলীল নাই, যার মাধ্যমে আমরা সূর্য ঘূরার দলীলগুলোকে ব্যাখ্যা করতে পারি। সূর্য ঘুরার দলীলগুলো হলঃ আল্লাহ তাআ’লা বলেন,
) ﻓَﺈِﻥَّ ﺍﻟﻠَّﻪَ ﻳَﺄْﺗِﻲ ﺑِﺎﻟﺸَّﻤْﺲِ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻤَﺸْﺮِﻕِ ﻓَﺄْﺕِ ﺑِﻬَﺎ ﻣِﻦْ ﺍﻟْﻤَﻐْﺮِﺏِ (
“আল্লাহ তাআ’লা সূর্যকে পূর্ব দিক থেকে উদিত করেন। তুমি পারলে পশ্চিম দিক থেকে উদিত কর।” (সূরা বাকারাঃ ২৫৮) সূর্য পূর্ব দিক থেকে উঠার মাধ্যমে প্রকাশ্য দলীল পাওয়া যায় যে, সূর্য পৃথিবীর উপর পরিভ্রমণ করে।
২) আল্লাহ বলেনঃ
ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺭَﺃَﻯ ﺍﻟﺸَّﻤْﺲَ ﺑَﺎﺯِﻏَﺔً ﻗَﺎﻝَ ﻫَﺬَﺍ ﺭَﺑِّﻲ ﻫَﺬَﺍ ﺃَﻛْﺒَﺮُ ﻓَﻠَﻤَّﺎ ﺃَﻓَﻠَﺖْ ﻗَﺎﻝَ ﻳَﺎﻗَﻮْﻡِ ﺇِﻧِّﻲ ﺑَﺮِﻱﺀٌ ﻣِﻤَّﺎ ﺗُﺸْﺮِﻛُﻮﻥَ “অতঃপর যখন সূর্যকে চকচকে অবস্থায় উঠতে দেখলেন তখন বললেনঃ এটি আমার পালনকর্তা, এটি বৃহত্তর। অতপর যখন তা ডুবে গেল, তখন বলল হে আমার সম্প্রদায়! তোমরা যেসব বিষয়ে শরীক কর আমি ওসব থেকে মুক্ত।” (সূরা আনআ’মঃ ৭৮) এখানে নির্ধারণ হয়ে গেল যে, সূর্য অদৃশ্য হয়ে যায়। একথা বলা হয়নি যে, সূর্য থেকে পৃথিবী ডুবে গেল। পৃথিবী যদি ঘূরত তাহলে অবশ্যই তা বলা হত।
৩) আল্লাহ বলেনঃ
) ﻭَﺗَﺮَﻯ ﺍﻟﺸَّﻤْﺲَ ﺇِﺫَﺍ ﻃَﻠَﻌَﺖْ ﺗَﺘَﺰَﺍﻭَﺭُ ﻋَﻦْ ﻛَﻬْﻔِﻬِﻢْ ﺫَﺍﺕَ ﺍﻟْﻴَﻤِﻴﻦِ ﻭَﺇِﺫَﺍ ﻏَﺮَﺑَﺖْ ﺗَﻘْﺮِﺿُﻬُﻢْ ﺫَﺍﺕَ ﺍﻟﺸِّﻤَﺎﻝِ (
“তুমি সূর্যকে দেখবে, যখন উদিত হয়, তাদের গুহা থেকে পাশ কেটে ডান দিকে চলে যায় এবং যখন অস্ত যায়, তাদের থেকে পাশ কেটে বাম দিকে চলে যায়।” (সূরা কাহাফঃ ১৭) পাশ কেটে ডান দিকে বা বাম দিকে চলে যাওয়া প্রমাণ করে যে, নড়াচড়া সূর্য থেকেই হয়ে থাকে। পৃথিবী যদিনড়াচড়া করত তাহলে অবশ্যই বলতেন সূর্য থেকে গুহা পাশ কেটে যায়। উদয় হওয়া এবং অস্ত যাওয়াকে সূর্যের দিকে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। এটা থেকে বুঝা যায় যে, সূর্যই ঘুরে। পৃথিবী নয়।
৪) আল্লাহ বলেনঃ
) ﻭَﻫُﻮَ ﺍﻟَّﺬِﻱ ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞَ ﻭَﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭَ ﻭَﺍﻟﺸَّﻤْﺲَ ﻭَﺍﻟْﻘَﻤَﺮَ ﻛُﻞٌّ ﻓِﻲ ﻓَﻠَﻚٍ ﻳَﺴْﺒَﺤُﻮﻥَ (
“এবং তিনিই দিবা-নিশি এবং চন্দ্র-সূর্য সৃষ্টি করেছেন। সবাই আপন আপন কক্ষ পথে বিচরণ করে।” (সূরা আমবীয়াঃ ৩৩) ইবনে আব্বাস বলেন, লাটিম যেমন তার কেন্দ্র বিন্দুর চার দিকে ঘুরতে থাকে, সূর্যও তেমনিভাবে ঘুরে।
৫) আল্লাহ বলেনঃ
) ﻳُﻐْﺸِﻲ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞَ ﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭَ ﻳَﻄْﻠُﺒُﻪُ ﺣَﺜِﻴﺜًﺎ (
“তিনি রাতকে আচ্ছাদিত করেন দিনের মাধ্যমে, দিন দৌড়ে দৌড়ে রাতের পিছনে আসে।” (সূরা আ’রাফঃ ৫৪) আয়াতে রাতকে দিনের অনুসন্ধানকারী বলে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। অনুসন্ধানকারী পিছনে পিছনে দ্রুত অনুসন্ধান করে থাকে। এটা জানা কথা যে, দিবা-রাত্রি সূর্যের অনুসারী।
৬) আল্লাহ তাআ’লা বলেনঃ
) ﺧَﻠَﻖَ ﺍﻟﺴَّﻤَﺎﻭَﺍﺕِ ﻭَﺍﻟْﺄَﺭْﺽَ ﺑِﺎﻟْﺤَﻖِّ ﻳُﻜَﻮِّﺭُ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭِ ﻭَﻳُﻜَﻮِّﺭُ ﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭَ ﻋَﻠَﻰ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞِ ﻭَﺳَﺨَّﺮَ ﺍﻟﺸَّﻤْﺲَ ﻭَﺍﻟْﻘَﻤَﺮَ ﻛُﻞٌّ ﻳَﺠْﺮِﻱ ﻟِﺄَﺟَﻞٍ ﻣُﺴَﻤًّﻰ ﺃَﻟَﺎ ﻫُﻮَ ﺍﻟْﻌَﺰِﻳﺰُ ﺍﻟْﻐَﻔَّﺎﺭ(
অর্থঃ “তিনি আসমান ও জমিন সৃষ্টি করেছেন যথাযথভাবে। তিনি রাত্রিকে দিবস দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং দিবসকে রাত্রি দ্বারা আচ্ছাদিত করেন এবং তিনি সূর্য ও চন্দ্রকে কাজে নিযুক্ত করেছেন। প্রত্যেকেই বিচরণ করে নির্দিষ্ট সময়কাল পর্যন্ত। জেনে রাখুন, তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাশীল।” (সূরা যুমারঃ ৫) আয়াতের মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম যে, পৃথিবীর উপরে দিবা-রাত্রি চলমান রয়েছে। পৃথিবী যদি ঘুরতো তাহলে তিনি বলতেন, দিবা-রাত্রির উপর পৃথিবীকে ঘূরান। আল্লাহ তাআ’লা বলেন, “সূর্য এবং চন্দ্রের প্রত্যেকেই চলমান”। এই সমস্ত দলীলের মাধ্যমে জানা গেল যে, সুস্পষ্টভাবেই সূর্য ও চন্দ্র এক স্থান থেকে অন্য স্থানে চলাচল করছে। এ কথা সুস্পষ্ট যে, চলমান বস্তকে বশীভুত করা এবং কাজে লাগানো একস্থানে অবস্থানকারী বস্তকে কাজে লাগানোর চেয়ে অধিক যুক্তিসঙ্গত।
৭) আল্লাহ বলেনঃ
) ﻭَﺍﻟﺸَّﻤْﺲِ ﻭَﺿُﺤَﺎﻫَﺎ ﻭَﺍﻟْﻘَﻤَﺮِ ﺇِﺫَﺍ ﺗَﻠَﺎﻫَﺎ (
“শপথ সূর্যের ও তার কিরণের, শপথ চন্দ্রের যখন তা সূর্যের পশ্চাতে আসে।” (সূরা আশ্-শামসঃ ১-২) এখানে বলা হয়েছে যে, চন্দ্র সূর্যের পরে আসে। এতে প্রমাণ পাওয়া যায় যে, সূর্য এবং চন্দ্র চলাচল করে এবং পৃথিবীর উপর ঘুরে। পৃথিবী যদি চন্দ্র বা সূর্যের চার দিকে ঘুরত, তাহলে চন্দ্র সূর্যকে অনুসরণ করতনা। বরং চন্দ্র একবার সূর্যকে, আর একবার সূর্য চন্দ্রকে অনুসরণ করত। কেননা সূর্য চন্দ্রের অনেক উপরে। এই আয়াত দিয়ে পৃথিবী স্তীর থাকার ব্যাপারে দলীল গ্রহণ করার ভিতরে চিন্তা-ভাবনার বিষয় রয়েছে।
৮) মহান আল্লাহ বলেনঃ
) ﻭَﺍﻟﺸَّﻤْﺲُ ﺗَﺠْﺮِﻱ ﻟِﻤُﺴْﺘَﻘَﺮٍّ ﻟَﻬَﺎ ﺫَﻟِﻚَ ﺗَﻘْﺪِﻳﺮُ ﺍﻟْﻌَﺰِﻳﺰِ ﺍﻟْﻌَﻠِﻴﻢِ , ﻭَﺍﻟْﻘَﻤَﺮَ ﻗَﺪَّﺭْﻧَﺎﻩُ ﻣَﻨَﺎﺯِﻝَ ﺣَﺘَّﻰ ﻋَﺎﺩَ ﻛَﺎﻟْﻌُﺮْﺟُﻮﻥِ ﺍﻟْﻘَﺪِﻳﻢِ , ﻟَﺎ ﺍﻟﺸَّﻤْﺲُ ﻳَﻨْﺒَﻐِﻲ ﻟَﻬَﺎ ﺃَﻥْ ﺗُﺪْﺭِﻙَ ﺍﻟْﻘَﻤَﺮَ ﻭَﻟَﺎ ﺍﻟﻠَّﻴْﻞُ ﺳَﺎﺑِﻖُ ﺍﻟﻨَّﻬَﺎﺭِ ﻭَﻛُﻞٌّ ﻓِﻲ ﻓَﻠَﻚٍ ﻳَﺴْﺒَﺤُﻮﻥَ(
“সূর্য তার নির্দিষ্ট অবস্থানে আবর্তন করে। এটা পরাক্রমশালী, সর্বজ্ঞ আল্লাহর নির্ধারণ। চন্দ্রের জন্যে আমি বিভিন্ন মনযিল নির্ধারিত করেছি। অবশেষে সে পুরাতন খর্জুর শাখার অনুরূপ হয়ে যায়। সূর্যের পক্ষে চন্দ্রকে নাগাল পাওয়া সম্ভব নয়। রাতের পক্ষেও দিনের অগ্রবতী হওয়া সম্ভব নয়। প্রত্যেকেই আপন আপন কক্ষপথে পরিভ্রমণ করে।” (সূরা ইয়াসীনঃ ৩৮-৪০) সূর্যের চলা এবং এই চলাকে মহা পরাক্রমশালী আল্লাহর নির্ধারণ বলে ব্যাখ্যা করা এটাই প্রমাণ করে যে, সূর্য প্রকৃতভাবেই চলমান। আর এই চলাচলের কারণেই দিবা-রাত্রি এবং ঋতুর পরিবর্তন হয়। চন্দ্রের জন্য মনযিল নির্ধারণ করার অর্থ এই যে, সে তার মনযিলসমূহে স্থানান্তরিত হয়। যদি পৃথিবী ঘুরত, তাহলে পৃথিবীর জন্য মনযিল নির্ধারণ করা হত। চন্দ্রের জন্য নয়। সূর্য কর্তৃক চন্দ্রকে ধরতে না পারা এবং দিনের অগ্রে রাত থাকা সূর্য, চন্দ্র, দিন এবং রাতের চলাচলের প্রমাণ বহন করে।
৯) নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আবু যরকে বলেছেনঃ
ﺃَﺗَﺪْﺭِﻱ ﺃَﻳْﻦَ ﺗَﺬْﻫَﺐُ ﻗُﻠْﺖُ ﺍﻟﻠَّﻪُ ﻭَﺭَﺳُﻮﻟُﻪُ ﺃَﻋْﻠَﻢُ ﻗَﺎﻝَ ﻓَﺈِﻧَّﻬَﺎ ﺗَﺬْﻫَﺐُ ﺣَﺘَّﻰ ﺗَﺴْﺠُﺪَ ﺗَﺤْﺖَ ﺍﻟْﻌَﺮْﺵِ ﻓَﺘَﺴْﺘَﺄْﺫِﻥَ ﻓَﻴُﺆْﺫَﻥُ ﻟَﻬَﺎ ﻭَﻳُﻮﺷِﻚُ ﺃَﻥْ ﺗَﺴْﺠُﺪَ ﻓَﻠَﺎ ﻳُﻘْﺒَﻞَ ﻣِﻨْﻬَﺎ ﻭَﺗَﺴْﺘَﺄْﺫِﻥَ ﻓَﻠَﺎ ﻳُﺆْﺫَﻥَ ﻟَﻬَﺎ ﻳُﻘَﺎﻝُ ﻟَﻬَﺎ ﺍﺭْﺟِﻌِﻲ ﻣِﻦْ ﺣَﻴْﺚُ ﺟِﺌْﺖِ ﻓَﺘَﻄْﻠُﻊُ ﻣِﻦْ ﻣَﻐْﺮِﺑِﻬَﺎ
“হে আবু যর! তুমি কি জান সূর্য যখন অস্ত যায় তখন কোথায় যায়? আবু যার বললেন, আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় আরশের নীচে গিয়ে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে এবং পুনরায় উদিত হওয়ার অনুমতি চায়। অতঃপর তাকে অনুমতি দেয়া হয়। সে দিন বেশী দূরে নয়, যে দিন অনুমতি চাবে কিন্তু তাকে অনুমতি দেয়া হবে না। তাকে বলা হবে যেখান থেকে এসেছ, সেখানে ফেরত যাও। অতঃপর সূর্য পশ্চিম দিক থেকেই উদিত হবে।” এটি হবে কিয়ামতের পূর্ব মুহূর্তে। আল্লাহ সূর্যকে বলবেন, যেখান থেকে এসেছ সেখানে ফেরত যাও, অতঃপর সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়ার বিষয়টি সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে, সূর্য পৃথিবীর উপরে ঘুরছে এবং তার এই ঘুরার মাধ্যমেই উদয়-অস্ত সংঘটিত হচ্ছে।
১০) অসংখ্য হাদীছের মাধ্যমে জানা যায় যে, উদয় হওয়া, অস্ত যাওয়া এবং ঢলে যাওয়া এই কাজগুলো সূর্যের সাথে সম্পৃক্ত। এগুলো সূর্য থেকে প্রকাশিত হওয়া খুবই সুস্পষ্ট। পৃথিবী হতে নয়।
হয়তো এ ব্যাপারে আরো দলীল-প্রমাণ রয়েছে। সেগুলো আমার এই মুহূর্তে মনে আসছেনা। তবে আমি যা উল্লেখ করলাম, এই বিষয়টির দ্বার উম্মুক্ত করবে এবং আমি যা উদ্দেশ্য করেছি, তা পূরণে যথেষ্ট হবে। আল্লাহর তাওফীক চাচ্ছি!(শায়েখ সালেহ আল উসাইমীন)

Address

Rangpur
5400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Diploma-in-Computer Engineering posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share