Rima Khan

Rima Khan Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rima Khan, Business Center, Satkhira.

Permanently closed.
31/10/2025

যারা আমাকে ফলো দিবেন আমি রাতে আবার তাহাদের ফলো ব্যাক দিবো ইনশাআল্লাহ

31/10/2025
31/10/2025

জুম্মা মোবারক

13/02/2023

এই গুরুপটা গল্পে সবাই ফলো দিয়ে পাশে থাকবেন

13/02/2023

বান্ধবীকে_ধর্ষণ!
পর্ব:‌ ০১

ইরা: প্লিজ অনিক আমাকে ছেড়ে দে!!! আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আমি আর পারছিনা।।।

ইরার কোন কথাই অনিক শুনলো না। জোর করে ইরা কে ধর্ষণ করলো। তারপর ইরার উপর থেকে উঠে দাঁড়ালো!!!

ইরা: জানিস অনিক তোর মতো জানোয়ার এতদিন আমার বেস্ট ফ্রেন্ড ছিল ভাবতেও আমার গা ঘিনঘিন করছে। আমার সাথে এরকম ঘটনা ঘটার আগে আমার মৃত্যু হল না কেন???

ইরার কান্না যেন অনিকের বুকে ছুরির আঘাত এর মত লাগে। সে তো ইচ্ছে করে এমন টা করতে চাইনি। কত করে বলেছিলাম ইরাকে আমি তোকে ভালোবাসি। প্লিজ আমায় ছেড়ে অন্য কারো হওয়ার কল্পনাও করিস না। কিন্তু ইরা ঠিকই অন্য কারো হওয়ার চেষ্টা চালায়। তাই তো আজকে এই দুর্ঘটনা।।।

অনিক: কেঁদো না প্লিজ!!! তোমায় কত করে বলছি আমায় ছেড়ে যেও না। আমার ভালোবাসাটা বোঝার চেষ্টা করো। তবুও তুমি আমার কোন কথায় পাত্তা দিলে না!!!

ইরা: তুই আমার সবকিছু কেড়ে নিয়ে এখন নেকা সাজোস তাইনা??? তোকে কতবার বলছিলাম তোর প্রতি আমার কোন ফিলিংস নেই??? আর তোকে তো সব সময় বন্ধুর মত ভেবেছি এর বাহিরে আর কিছুই না। তাজানা সত্ত্বেও এমন করলি কেন তুই??? এখন সমাজে কোন মুখ নিয়ে বাঁচবো???

ইরার যেন‌ কান্না আর থামছে না। কোনোভাবে বিশ্বাস করতে পারছে না তার সাথে এরকম কিছু ঘটেছে!!!

অনিক: সরি বিশ্বাস কর ইরা আমি ওরকম কিছু করতে চায়নি??? তোকে হারানোর ভয়ে আমি অন্ধ হয়ে গেছিলাম। তাইতো আমায় হিংস্র হতে হলো। আর সমাজ কিছু বলবেনা। কারণ আজ থেকে তুই আমার অনিক চৌধুরীর বউ হয়ে বাচবি।।।

অনিক ও কাঁদছে!!! আর কাঁদবেই না কেন??? সেই ক্লাস সেভেন থেকে ওদের ফ্রেন্ডশিপ। কখনো কাঁদতে দেয়নি ইরা‌কে। ধীরে ধীরে স্কুল; কলেজ; ভার্সিটি সবকিছু শেষ করে দুজন। এর ভেতর কতবার অনিক ওর মনের কথা ইরাকে বলেছে। কাজকর্মে বুঝিয়েছে। কিন্তু আমার কোন কথাই ইরা পাত্তা দিত না। আর আজ ইরা বিয়ে করতে বসেছে। যা ইরার অজান্তেই হচ্ছে। অথচ অনিক এখন ওয়াড্লে তে নামকরা বিজনেসম্যান হয়ে সবার কাছে পরিচিত।।।

অনিক: দেখ মিমি তোর চোখের পানি আমার বুকে সবকিছু দুমড়ে-মুচড়ে দিচ্ছে তাই প্লিজ কান্না করিস না???

ইরা: তুই তোর এই নষ্ট মুখে আমার নাম আর নিবি না। তোকে কত ভাল বন্ধু ভাবতাম। আর তুই আজ আমায় সমাজে সবার নিকট ধর্ষিতা বানিয়ে দিলি।।।

অনিক: সরি!!! তোকে বাজে শব্দে ডাকার কোনো ওয়েই আমি রাখবো না। আজকের মধ্যে তোকে বিয়ে করে খুব সুখে রাখবো দেখিস।।।

অনিকের কথা শুনে ইরার মাথায় যেন আগুন জ্বলছে। হাত মুঠো করে শক্তভাবে অনিক এর বুকে-পিঠে কিল ঘুষি দিয়েই যাচ্ছে!!!

ইরা: তোর মত পশুকে আমি বিয়ে করবো??? প্রশ্নই আসেনা!!! তোর মত কুত্তা কে বিয়ে করার চেয়ে আমার মরে যাওয়া আমার জন্য ভালো হবে।

অনিক: এই এভাবে বলো কেন??? তুমি মরে গেলে আমি বাচবো কি করে???

ইরা: ধুর তোর মতো জানোয়ারের সাথে কথা বলাই বৃথা??? আমায় বাসায় দিয়ে আয়' তাছাড়া যদি মনে করিস তোর চাহিদা এখনও মিটেনি। তাহলে আমায় যত সময় ভালো লাগে ভোগ করে নে। আমি তোকে কিছুই বলবো না।।।

অনিক: তুমি আমায় এতটা খারাপ ভেবো না???

ইরা: তাই নাকি!!! এই যে কিছুটা সময় আগে আমার সব কেড়ে নিলি। আর এখন বলছিস ওরকম বলোনা???

অনিক: এমন বলিস কেন??? তুই একটিবার ভেবে দেখ তোর সাথে এমন করার শুধু একটাই কারন খুঁজে পাবি। আর সেটা হলো আমি তোকে বড্ড বেশি ভালোবাসি। তোকে হারানোর ভয় এটা করেছি???

ইরা: তুই আমার এত বড় ক্ষতি করলি। শুধু তোর সুখের জন্য। আমায় এমন ভাবে ধর্ষণ করলি যার ফলে আমায় মরতে হবে।

অনিক: কে বলেছে তোকে মরতে হবে। এই যে আমার বুকের ওপরে যেভাবে মাথা রেখে আছিস।। ঠিক সেইভাবে আজীবন রাখবো দেখিস। আর তোকে কতবার না বললাম ওই বাজে শব্দটা মুখেও নিবিনা। মানিত আমি অপরাধ করেছি। কিন্তু তা তো শুধু তোকে পাওয়ার জন্য।।।

ইরা: তুই যদি তোর মুখে আর একবার ভালবাসি বলিস তাহলে আমি নিজেকে এখানেই শেষ করে দিব???

অনিক: না না!!! তুই এমনটা করিস না??? আমি তোকে ছেড়ে দিয়েছি। এখন লক্ষী মেয়ের মত বেনারসি পরে তৈরী হয়ে নে। আমরা বিয়ে করবো।।।

ইরা: নো চান্স!!! তোকে বিয়ে করার চেয়ে মরে যাওয়া আমার জন্য ভালো হবে।।।

অনিক: এমন করিস না ইরা!!! এমনিতেই তোকে হারিয়ে ফেলার ভয় টা অনেক তীব্র???

ইরা: তোর কি চাহিদা পূরণ হয়েছে নাকি আমায় এখনো খালি গা নিয়ে পড়ে থাকতে হবে???

অনিক: না না তুই বেনারসি টা পড়ে নে। তোকে আর কষ্ট করতে হবে না।।।

ইরা: এই নে শাড়িটা পরিয়ে দে। তোর পুরুষত্বের জন্য হাত পা ব্যথা করছে নড়তে পারছি না ঠিকমত!!!

ইরার কাছ থেকে শারি-জুয়েলারি নিয়ে পরম যত্নে পরিয়ে দিল অনিক তারপর ইরাকে নিয়ে কাজী অফিসে যায়। সাইনবোর্ড দেখে ইরা কোন রিয়েক্ট করেনি। সে আগেই কিছুটা আচ করতে পেরেছিল এরকম কিছু হবে। তবুও নিজেকে শক্ত করে রাখে। মনে মনে প্রতিজ্ঞা করে এর ফল সে নিবেই??? দেখতে দেখতে বিয়ের সকল কাজ শেষ হয়। কিন্তু ইরা কোনো রিয়্যাকশন করেনি। ওর হাবভাব দেখে যে কেউ ভাববে যে নিজে থেকে সবকিছু করেছে??? কিন্তু কেউ তার ভিতরে কি চলছে তা দেখতে পায় না!!! তারপর বিয়ে করে অনিক ইরাকে তার বাসায় নিয়ে আসে।।।

ইরা: ভেতরে নিয়ে চল এমনিতেই হয়তো শেষ দেখা দেখবি???

অনিক: কি বলিস তুই??? শেষ দেখা মানে কি হুমমম।।।

ইরা তোর কুকর্মের ফলে আমায় বাঁচতে দেলি না??? আজ যে করেই হোক আমি সুইসাইড করবো???

বান্ধবীকে_ধর্ষণ
পর্ব: ০২ Last_part

ইরা:- আজ যে করেই হোক আমি সুইসাইড করবো!!!

ইরার কথাটা বলতে সময় লাগলে ও অনিকের জড়িয়ে ধরতে সময় লাগেনি। কারেন্টের গতির চেয়েও বেশি স্পিডে বুকের সাথে মিশিয়ে নেয় ইরাকে। বাহুডোরে শক্ত করে জড়িয়ে চোখের পানি ছেড়ে দেয় অনিক।

অনিক:- ইরা তুমি এমন অলক্ষ্মী কথা বলো কেন???
বলেছিনা তোমায় ভালোবাসি বলেই তো এতো কিছু করেছি। বরাবরের মতো এবারও বলছি অপরাধ টা আমার জঘন্য। কিন্তু এজন্য তুমি নিজের কোনো ক্ষতি করো না। প্লিজ প্লিজ প্লিজ!!!

ইরা:- ঠিকই!!! তো অপরাধ তুই করছিস সাজা নিজেকে কেন দিব। তোর এই কাজের প্রতিশোধ আমি নিবো???

---তারপর তারা রুমে যায়। কিন্তু ইরা কান্না করে চলেছে---

অনিক:- এই ইরা তুমি কাঁদছো কেন??? কষ্ট হচ্ছে তোমার তাই না। খুব ক্ষুধা লাগছে বুঝি??? এই যে আমি হাত ধুয়ে এসে খাইয়ে দিব কেমন???

অনিক যেন আর এক সেকেন্ডও দাঁড়ায়নি সোজা ওয়াশ-রুমে ঢুকে কোনমতে হাতটা ধুয়ে এসে পড়ে বিছানায়। বিছানায় বসে খাবারগুলো মাখিয়ে ইরার মুখের দিকে এক লোকমা বাড়িয়ে দেয় অনিক।।। বাম হাত দিয়ে আলতো করে মুছে দেয় ইরার চোখের পানি।।।

অনিক:- বউ-পাখি হা করো!!! খাবে তো সেই সকাল থেকে না খেয়ে আছো নাও হাঁ করো???

ইরা:- ওই কুত্তা তোর ওই মুখ দিয়ে আরেকবার যদি বউ পাখি বলিস তাহলে তোর একদিন কি আমার একদিন দেখে নিবি!!! শালা;

অনিক:- প্লিজ ইরা রাগ হলে আমায় মার;কিল;ঘুষি;থাপ্পড় যা ভাললাগে দাও তবুও না খেয়ে থেকো না প্লিজ!!!

কেঁদে দেয় অনিক। ইরার কষ্ট দেখে ওর আর সহ্য হচ্ছে না। ইরা কিছু সময় অনিকের দিকে তাকায়। হয়তো চোখের পানিগুলো মিথ্যা নাকি সত্যি তা দেখার জন্য!!!

ইরা:- খাইয়ে দে ভালো করে। রাতের-বেলা তো আগের মতো তোর পুরুষত্ব দেখাতে হবে তাই না???

অনিক কোন কথা না বলেই খাইয়ে দেয় লোকমা টা!!! ইরার মুখ দিয়ে কোন কথা বের হচ্ছে না। অনবরত কেদেই চলেছে!!!

অনিক:- খেয়ে নাও না বউ পাখি???

সেই আগের লোকমার মতই আবারও মুখে তুলে দেয় পরের লোকমা টা এভাবে 2-3 লোকমা খেয়ে নিল ইরা। ঠিক তখনই ইরার মাথায় দুষ্টবুদ্ধি জাগে প্রতিশোধ নেওয়ার। প্রতিবারের মতো এবারও এক লোকমা মুখে দেয় ইরার। যেইনা হাতটা বের করবে অনিক অমনি ইচ্ছাকৃতভাবে হাতে কামড় বসিয়ে দেয় ইরা!!!

অনিক:- উফফফ! আউচচচ!!!

ব্যথায় কুকিয়ে ওঠে অনিক। কিন্তু পরে ইরার মুখের দিকে তাকিয়ে চুপ হয়ে যায়। এভাবে প্রতি লোকমা খাবার এর বিনিময়ে প্রতিবার আঙ্গুলে দাঁত বসিয়ে দেয় ইরা। অনিক কিছু বলেনি মুখ বুজে সহ্য করে গেছে। অনিকের মুখে যে বিষন্নতার ছাপ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। এরকম কষ্ট ভরা মুখ দেখলে ইরার ভেতরটা যেন ফেটে যেত। অথচ আজ ইরা যেন আরো খুশি হয়েছে।।।

অনিক:- প্লেটের খাবার তো শেষ!!! আরো আনব কি???

ইরা:- কিরে আমার শরীর নিয়ে টেনশন করছিস??? আরে চিন্তা করিস না??? তুই চাইলে সারারাত আমায় ভোগ করিস!!! কোন অসুবিধা হবে না।।।

অনিক কাঁদছে।।। ওর কাছে যে কোন উত্তর নাই!!! ওর নিজের ভুলটা যে কত বড় ছিল তা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছে এখন।।।

ইরা:- এখন থেকে নিজেকে কষ্ট দেওয়ার কথা মাথা তেই আনবো না। তোর পাপের ফল তোকে হারে হারে বোঝাবো।।।

সকালের শুরুতেই পাখির কিচির-মিচির শব্দে ভোগ ঘুম ভাঙ্গে ইরার। মিটিমিটি আলোয় চোখ খুলে দেখে তার গায়ে শাড়ি পরানো।

ইরা:- আমার গায়ের শাড়ি এলো কি করে। আমি তো কাল শাড়িটা পড়ি নি। তাহলে কে পরালো???

ভাবতেই মিমি লাফ দিয়ে ওঠার চেষ্টা করে। কিন্তু পারেনি। কারণ অনিক ওর পা জড়িয়ে ধরে শুয়ে আছে। তার ওপর ইরার পায়ের দিকের কাপড়টা একটু উপরে চলে গেছে। তা দেখে ইরার মাথায় যেন আগুন জ্বলতে লাগলো। সব ঘটনা একসাথে ঘুরপাক খেতে লাগে। চোখ বুজে রাগের আভাস টা যেন দ্রুত এসে গেল।

ইরা:- ওই কুত্তা!!! তুই রাতে আবারো সুযোগ নিয়ে আমায় ভোগ করেছিস। আমি তোকে চিবিয়ে খেয়ে ফেলবো। লুচ্চা;বদমাশ। তোর লজ্জা করেনা একটা মেয়েকে নিয়ে এভাবে খেলতে???

অনিকের শরীরের ওপর হাত দিয়ে থাপ্পরাচ্ছে আর কথাগুলো বলতেছে। ইরার ভয়েস শুনে তাড়াতাড়ি উঠে পড়ে অনিক। কিছু বুঝে উঠার আগেই সারা শরীরে আঘাত করতে লাগে ইরা।।।

ইরা:- তুই এত খারাপ আমি কখনো ভাবি নি??? তুই তো আস্ত একটা লুচ্চা। যেখানে ঘুমের মধ্যে ও মেয়েদের ছাড়ে না।।। তোর চাহিদা মিটিয়ে আমায় শাড়ি পড়িয়ে দিয়েছিস তাই না??? যাতে আমি কিছু মনে না করি??? কিন্তু তোর মত জানোয়ারকে কখনোই মেনে নিব না আমি।।।

অনিক আর কিছু বলেনি!!! রাতের বেলা অনিকের ছোট বোনকে ডেকেই ওর শাড়িটা পাল্টে দেয়। আসলে ইরা সেই ঘটনার পর থেকে অনিককে যতটা খারাপ ভাবছে। সে কিন্তু অতটাও খারাপ নয়। এভাবে অনিক প্রতিদিন ইরাকে নিজ হাতে খাইয়ে দেয়। আর ইরা কামড় বসিয়ে প্রতিশোধ নেয়। ইরা‌ খুব বেশি ঝাল দিয়ে রান্না করে। অনিক তা হাসিমুখে খেয়ে নেয়। ইরা অনিককে অনেক অপমান করে??? কিন্তু অনিক কোনো অভিযোগ করে না। মুখ বুজে সব সহ্য করে।।। কারণ ইরাকে সে অনেক অনেক ভালোবাসে। ওর কেয়ার নেওয়া;আগলে রাখা সেবা করা;রাত জেগে পাহারা দেওয়া এসব করতো।
ইরা সবকিছুতেই মুগ্ধ হয়ে ওঠে অনিকের প্রতি। আস্তে আস্তে দুর্বল হয়ে যায় ইরা।।। পড়ে বুঝতে পারে সত্যিই অনেক ভালোবাসে অনিক তাকে।।। হারানোর ভয়ে ইরার সাথে ওই বাজে কাজটা করে!!! তারপর আর ভালো না বেসে থাকতে পারে নি ইরা অনিককে??? দুজন মিলে খুব সুন্দর করে সংসার গুছিয়ে নেয়!!! এখনতো ইরাও অনিককে ছাড়া চলতেই পারে না।।। বড্ড ভালোবেসে ফেলেছে অনিককে।।।

সমাপ্ত

10/02/2023

স্যার যখন হাসবেন্ড
লেখিকারিসা
পর্ব:২
- আসসালামুয়ালাইকুম কেমন আছো??
- ওয়ালাইকুমুস সালাম, আলহামদুলিল্লাহ ভালো আছি, কে আপনি??
- কে আবার তোমার হবু স্বামী বলছি
- কি বলছেন এসব পরিচয় দেন নয়তো ফোন কাটলাম
- আরে ওয়েট ওয়েট আমি নাঈম তোমার স্যার
- ওও স্যার কি ছু কি বলবেন না মানে এত বার ফোন দিয়েছিলেন তাই বললাম
- হুম বলবোই তো আমি কাল কে আমার আম্মু আব্বু কে তোমার বাসায় পাঠাবো আমাদের বিয়ের কথা বলতে
- নাহহ এ আমি আপনাকে বিয়ে করতে পারবো না
- বিয়ে তোমাকে করতেই হবে বাই কলিজা ঘুমিয়ে পর
- হ্যালো
-.....
হ্যালো
-...
উফফ বাসায় এখন কি বলব আমি আম্মু তো আমাকেই ভুল বুঝবে
ধুর যা হওয়ার হবে ঘুমিয়ে পরি🥱🥱
আম্মু: কি রে উঠবি না ১০ টা বাজে তো কলেজ এ যাবি না?
- উমম আম্মু আজকে কলেজ এ যাব না
আম্মু: কেনো রে মা
কিছু বলতে যাব এমন সময় আব্বু আম্মু কে ডেকে বলতেছে নুহা কে দেখতে এসেছে
আমি: সালা আর আসার সময় পেলো না ঘুম এর ১২ টা বাজিয়ে দিলো
রুম থেকে বের হয়েই দেখি স্যার আমার দিকে তাকিয়ে আছে তারাহুরো করে রুমে গেলাম একটু পর দরজার কে জানি ঠ্ক ঠ্ক করতেছে দরজা খুলেই দেখি স্যার কি ছু বলার আগেই দরজাটা ভিতর থেকে লাগিয়ে দিল
স্যার: আজ কে বাঁচাবে তোমাকে
- কি হহচ্চে স্যার আমার থেকে দূরে থাকুন প্লিজ
- নাহ আজ তোমাকে আমি অনেক ভালোবাসবো রে
- নাহহ এ কাজ করবেন না বাসায় আম্মু আব্বু আছে দেখতে পেলে মেরে ফেলবে
- তুমি শুধু আমার

এটা বলেই আমাকে বিছানায় ফেলে দিল চিৎকার করতে ও পারছি না ... অনেক কিছুই মাথায় আসছে বাসায় তো সবাই তাহলে একজন অপরিচিত লোক কে আমার রুমে কেন ঢুকতে দিলো আম্মু এসব নিয়ে ভাবতেছি হঠাৎ কেমন জানি একটা অনুভূতি হলো কেউ আমার গলায় মুখ গুজে দিয়ে কিস করতাছে তখন এ হুস এলো আমার যে এই কাজ স্যার করতেছে খুব বিরক্ত লাগছিলো
- স্যার আমাকে ছেড়ে দিন প্লিজ আমি চাই না বিয়ের আগে কোনো পরপুরুষের ছোঁয়া লাগুক আমার গায়ে 😥
- আমি তো পরপুরুষ না ২ দিন পর এই তো আমাদের বিয়ে তখন তো সব কিছুই আমার
- আপনাকে একটা কথা বলি সত্যি কথা বলবেন কিন্তু স্যার 😐
- হ্যা বলো কি বলবা
- আমার রুমে কিভাবে আসলেন আর আম্মু কি বারোন করে নাই?🥺
- আন্টি তো নিজেই আসতে বললো
- মানে ?
- উফ কথা বলিও না তো অসুবিধা হচ্ছে
- স্যার আমি ইয়ে মানে বাথরুমে যাব একটু😐
- ওকে

কি করবো বাথরুম থেকে বের হলেই তো সব শেষ করে দিবে

10/02/2023

আমি নু্হার বাড়ির নিচে দাঁড়িয়ে আছি।

নুহার আজ বিয়ে। এ যে সে বিয়ে নয়। একেবারে আলিশানি বিয়ে।

নুহা আমার গার্লফ্রেন্ড। আচ্ছা যার আজ বিয়ে তাকে কি গার্লফ্রেন্ড বলা যায়?

কি জানি বলা যায় কিনা। কিন্তু আমি বলছি।

আমি নিজে নুহা কে বলেছি, "নুহা তুমি বিয়ে করে ফেলো। "

নুহা অবাক হয়ে আমার দিকে তাকিয়ে ছিলো।

" অন্য লোক কে বিয়ে করার জন্য বুঝি তোমার সাথে এতদিন প্রেম করেছি?"

আমি উত্তর দিতে পারিনি।

পরে নুহা কে আমি কঠিন গলায় বললাম,
" তোমাকে বিয়ে করে নিজের করে রাখার সামর্থ্য আমার নেই। আমি বেকার মানুষ প্রেম করা আমার হয়ত বা সাজে কিন্তু তোমার মতন আদরের মেয়েকে বিয়ে করে তোমার সারাটা জীবন নষ্ট করাটা আমার সাজে নাগো। তুমি আমাকে ক্ষমা করো।"

এই কথা ই ছিলো নুহার সাথে শেষ কথা।

এরপর আমি গা ঢাকা দেই। গ্রামে মামার বাড়ি যাই মাস তিনেক এর জন্য নুহার কাছ থেকে পালিয়ে।

মোবাইল নাম্বার বদলিয়ে ফেলি। কারো সাথেই কোনো যোগাযোগ রাখি না যাদের মাধ্যমে নুহা আমার খোঁজ পাবে।

আমি সফল হয়েছি। নুহা আমাকে তন্য তন্য করে খুঁজেছে কিন্তু পায় নি।

আমি খুব খুশি। খুব বড় ঘরে নুহার বিয়ে হচ্ছে। ও অনেক সুখে থাকবে।

আমার সাথে টোনাটুনির সংসার করার স্বপ্ন ওকে সত্যি করতে দিই নি আমি।

মেয়েটা বড্ড বেশি স্বপ্নালু। বাস্তবতা বোঝে না।

আমার সাথে বিয়ে করলে যে তার জীবন কত দুঃসহ হয়ে যেত তাকে আমি তা বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছি বারবার।

প্রতিবার ই আমার কাঁধে মাথা রেখে আস্তে আস্তে বলতো,
" সৌম্য শুধু তোমাকে চাই। এই অট্টালিকা, টাকা, সম্পদ, গহনা কিছুই না। শুধু তোমার শ্বাসে শ্বাস নিতে, তোমার গায়ের গন্ধে আমি বাঁচতে চাই। আর কিচ্ছু টি না।"

আমাকে তাই পালাতে হলো।

এই মেয়ে বাস্তবতা বুঝে না, প্রেম বুঝে।

কিন্তু আমাকে আবার ফিরতে হলো। লোভে পড়ে।
নুহা কে কণে সাজে একবার দেখার লোভ আমাকে টেনে নিয়ে আসলো নুহার বাড়ির সামনে।

ওর বাড়ির সামনে একশ জোনাক বাতির আলো। আলোয় উদ্ভাসিত চারপাশ।

আমি উঁকিঝুঁকি মারছি। কখন আসে আমার নুহা। আমার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ।

আমার বুকের পাঁজর।

হোক না সে অন্যের বউ।

কিন্তু সে যে শুধু আমার মনের রাজ্যের রানী।

ঘন্টা খানেক হলো আমি বসে বসে মশার কামড় খাচ্ছি। কিন্তু নুহার কোনো খবর নেই।

কিন্তু বরপক্ষ চলে এসেছে। নুহার বর যেনো স্বয়ং রাজপুত্র। নুহার কপালে কত সুন্দর বর আর নুহা কিনা প্রেম করেছে আমার মতন কপালপোড়া কে।

পাগলী মেয়ে একটা।

বসতে বসতে একটু ঝিমুনির মতন আসছে আমার। তখন কে যেনো চিৎকার দিয়ে উঠলো,
" ওরে নুহা রে বলে।"

সাথে সাথে আরো অনেক মানুষের চিৎকার।

আমি কিছু বুঝে উঠার আগে ই দেখি কত গুলো মানুষ নুহা কে কোলে করে গাড়িতে উঠিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

পেছন থেকে আর্ত চিৎকার।

" আমার মেয়ের কি হলো রে? কিসের দুঃখে ও বিষ খেলো রে?"

আমি আর দাঁড়িয়ে থাকতে পারলাম না। আমার মাথা ঘুরাতে লাগলো। পায়ের তলার মাটি সরে গেলো যেনো।

কোনো দিকে না তাকিয়ে ছুটলাম নুহার পিছু।

হাসপাতালে নুহা শুয়ে আছে। আমি অপরাধী র মতন ওর সামনে দাঁড়িয়ে।

নুহা মুখ ফুলিয়ে রেখেছে। কথা বলছে না।

আমি সাহস নিয়ে ওর হাত টা চেপে ধরতেই বাঘিনী র মতন আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়লো।

আমি ভয় পেয়ে পিছু হটতে যেতে চেয়ে ও আর পারলাম না। তার আগে ই নুহা ওর সমস্ত শক্তি দিয়ে আমাকে জড়িয়ে ধরলো। আর চিৎকার করে কাঁদতে লাগলো।

একটু শান্ত হতে ই আমি বললাম,
" আমি এমন করেছি বলে তোমার বিষ খেতে হবে? যদি তোমার কিছু হয়ে যেত? আমি তো মরে যেতাম।"

নুহা আমার কান টা তার মুখের কাছে নিয়ে ফিসফিস করে বললো,
" আমি বিষ খাইনি বেশি অল্প একটু খালি মুখে পুরেছি যাতে গন্ধ পেয়ে সবাই বুঝে আমি বিষ খেয়েছি।"

আমার চোখ কপালে।
" কিন্তু কেনো এমন করলে?"

" আমি জানতাম আমার বিয়ের দিন তুমি আশেপাশে ই থাকবা আমাকে কণে সাজে দেখার জন্য। আমাকে কণে সাজে দেখার জন্য তো পাগল ছিলা তুমি। তাই একটু বিষ মুখে দিয়ে বিয়ে ও ভাঙলাম আর তোমাকে ও পেলাম সারাজীবন এর জন্য। এবার আর কোনো কথা হবে না। টোনাটুনির সংসার হবে শুধু।"

ভালোবাসা এমনই
সুমাইয়া আফরোজ

10/02/2023

একটা মেয়েকে জিজ্ঞেস করেছিলো বিয়ের আগের আর পরের মধ্যে পার্থক্য কি?
বিয়ের আগে ছিলাম বাবার বাড়ির মেয়ে আর এখন হয়েছি শ্বশুর বাড়ির বউমা।
আগে আমার মুখে সবাই খাবার তুলে দিতো,,আর এখন আমাকেই সবার মুখে খাবার তুলে দিতে হয়।
আগে একটু ব্যাথা পেলে চিল্লাচিল্লি করে সারা বাড়ি মাথায় তুলে ফেলতাম,,আর এখন অনেক ব্যাথা পেলেও একটা শব্দ ও করিনা!

আগে হাসার জন্য আম্মু বকতো। আর এখন কাঁদতে গেলেও ভয় হয়। আগে একটু মন খারাপ হলেই আম্মু বুঝে ফেলতো,,কিন্তুু এখন ভিতর টা চুরমার হয়ে গেলেও কেউ বুঝে নাহ।💔
আগে নিজের পছন্দকে অনেক বেশি প্রায়োরিটি দিতাম,, এখন অন্যের পছন্দের উপর ডিপেন্ড করতে হয়!
আগে ঘুরতে অনেক ভালো লাগতো, এখন একটু সময় বিশ্রাম নিতে পারলেই খুশি।
আগে গান গাইতাম,, কিন্তুু এখন কথা বলতে গেলেও হিসেব করে বলি।
আগে ভাবতাম বাহিরের জগৎ টা তে অনেক শান্তি।
কিন্তুু এখন বুঝি মায়ের আচলের নিচেই শান্তিতে ছিলাম।
আগে ইচ্ছে করলেই আম্মুকে হুটহাট জড়িয়ে ধরা যেতো,,আর এখন জড়িয়ে ধরতে ইচ্ছে হলেও অনেক দিন অপেক্ষা করতে হয়!
©️রিমাখান

09/02/2023

. মাঝে মাঝে মন চায়......সবকিছু ছেড়ে দিয়ে ...এখন যে আমার পোস্ট টা পড়েতেছে..!🤗.তার প্রেমে পড়ে যাই...!🙈🙈🤣
কেউ আছো নি🫶

Address

Satkhira

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rima Khan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share