28/08/2025
Mohsin ul Hakim সুন্দরবনকে দস্যু মুক্ত করতে,, তার অবদান সর্বপ্রথম দিকে রাখতে হবে। ❤️❤️
কাহিনী :- ২০০৯ সাল,, শ্রদ্ধেয় মোহসিন ভাই,, ঘূর্ণিঝড় আয়লার বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি স্বচক্ষে দেখতে তিনি ছুটে যান সুন্দরবন উপকূলে,, সেখানে গিয়ে মানুষের কাছে জানতে পারেন সুন্দরবনের জলদস্যু সম্পর্কে, এবং তাদের ভয়াবহ আচরণ সম্পর্কে। তখন তিনি এই সম্পর্কে ভাবতে থাকেন যে কিভাবে সুন্দরবনকে জলদস্যু থেকে রক্ষা করা যায়।
✅ যেমন বলা তেমন কাজ, মোহসিন উল হাকিম --- তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত সাংবাদিক, লেখক ও ব্লগার । তিনি স্বনামধন্য যমুনা টিভির একজন জনপ্রিয় সাংবাদিক ❤️
✅ ২০০৯ সালের পর তিনি নিয়মিত সুন্দরবনে চলাচল শুরু করেন। কখনো মাঝিদের সাথে সুন্দরবনে বসবাস,, কখনো গ্রামে বসবাস,, কখনো বনের ভিতরে।
তিনি এত সাহসিকতার পরিচয় দেখিয়েছেন যেটা বলার বাইরে।
✅ সুন্দরবনে চলাচলের সময় তার সাথে পরিচয় হন বেলায়েত সরকার নামের একজন সাহসী জেলের। তারপর থেকে উনি সর্বদা মহসিন ভাইকে সুন্দরবনের বিভিন্ন জায়গা চেনান এবং সুন্দরবন সম্পর্কে পরিচিত করান।
✅ তিনি আস্তে আস্তে সুন্দরবনের ভয়াবহ জলদস্যুদের সাথে সাক্ষাৎ করা শুরু করেন। প্রথম অবস্থায় সকল জলদস্যু বিশ্বাস করতে না পারলেও,, মোহসিনুল হাকিম ভাইয়ের ব্যবহার, মন-মানসিকতা এবং তাদের সাথে বন্ধুত্বসুলভ আচরণের মাধ্যমে প্রত্যেকটি জলদস্যুর মন জয় করে নেন তিনি।
🔰 তিনি জানতে পারেন যে এই জলদস্যু উপকূলবর্তী এলাকা হয় জীবিকার তাগিদে নিজেদের পরিবারের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য এই কর্ম বেছে নেন। আস্তে আস্তে যদিও আমি গল্পটি খুবই সংক্ষেপে প্রকাশ করলাম,,, একদিন দুইদিন নয়,, প্রায় ৮ থেকে ৯ বছর বড় সময় ধরে মহসিন-উল হাকিম এই জলদস্যুতের সাথে বন্ধুত্ব সুলভ আচরণ করে তাদের সু- পথ দেখাতে সাহায্য করেন। তিনি তাদের বোঝান সুন্দরবন এর গুরুত্ব। এইভাবে আস্তে আস্তে তিনি সরকারের সাথে কথা বলেন এবং জলদস্যুদের আত্মসমর্পণের মাধ্যমে বিনা শাস্তিতে কর্মের ব্যবস্থা করতে সরকারের কাছে আবেদন জানান।
🔰 এর মাধ্যমে জলদস্যুরা অন্ধকার জগত থেকে ফিরে এসে সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করেন।
💢 ২০১৬ সালের ৩১ শে মে,, প্রথমবারের মতো মহসিনুল হাকিম সব থেকে বড় নামকরা,,, জলদস্যু,,, -------- মাস্টার বাহিনীকে ----- সরকারের কাছে আত্মসমর্পণ করতে ,, সহযোগিতা করেন। এরপর একে একে প্রত্যেক জলদস্যু মহসিনুল হাকিমকে বিশ্বাস করতে আরও দীঢ় হন।
✅💢 এরপর পর্যায়ক্রমে,, শান্ত বাহিনী, আলম বাহিনী , খোকাবাবু বাহিনী , ছয়টি বাহিনী সহ আরো ছোট ছোট জলদস্যু সরকারের কাছে পর্যায়ক্রমে আত্মসমর্পণ করেন এবং প্রত্যেকের ব্যবহৃত পিস্তল বন্দুক গোলাগুলি সরকারের কাছে জমা করেন।
✅💢🔰❤️ এই ধারাবাহিকতায় ২০১৮ সালে,, এর মধ্যে টানা দুই বছর আত্মসমর্পণ করতে করতে,,
❤️ 💢 ❤️ ১ নভেম্বর ২০১৮ সালে,, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী,, সুন্দরবনকে জলদস্যুমুক্ত ঘোষণা করেন। ✅❤️
💢💢 আপনারা মুহসিনুল হাকিমের সুন্দরবনের অলিগলির এবং বিভিন্ন জলদস্যু মুক্ত ঘটনা ভিডিও সহকারে দেখতে,, পারবেন Mohsin Ul Hakim তার ব্যক্তিগত ফেসবুক পেইজে অসংখ্য ভিডিও এবং ছবি দেওয়া আছে। সুন্দরবনের এই সমস্ত কাহিনী নিয়ে তিনি নিজে রচনা করেছেন,, ✅ রূপান্তরের গল্প ❤️❤️ নামক একটি পুস্তক যেখানে সমস্ত সুন্দরবনের এই জলদর্শ্য মুক্ত করার কাহিনী এবং দস্যুদের সাথে সম্পর্ক করার সমস্ত কাহিনী উল্লেখ করেছেন।
💐🌹💢💢🌺🌺 সর্বশেষ সম্মানিত Mohsin ul Hakim,, ভাই এর কাছে অসংখ্য কৃতজ্ঞতা সম্মান ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছি,, তার এই অসামান্য সাহসিকতার পরিচয় দিয়ে নিজের জীবনকে বাজি রেখে সুন্দরবনকে জলদস্যমুক্ত করার জন্য। 😍❤️❤️