08/02/2026
গুরুত্বপূর্ণ ফতোয়া জামায়াত ইসলামী ও অনান্য দল সম্পর্কে।
যখন এমন পরিস্থিতি আসে যেখানে দুটি পথই পুরোপুরি ভালো না, বরং দুটোতেই কিছু না কিছু ক্ষতি আছে—তখন ইসলাম বলে: 👉 বড় ক্ষতি এড়াতে ছোট ক্ষতিকে বেছে নেওয়া বৈধ, বরং প্রয়োজনীয়।
এটা কোনো আদর্শ অবস্থা নয়,
বরং জরুরি বাস্তবতার (ضرورة) কারণে নেওয়া সিদ্ধান্ত।
ফিকহের মূলনীতি
উলামায়ে কেরাম এই নীতিটাকে আরও কয়েকভাবে ব্যাখ্যা করেছেন—
الضرر الأشد يُزال بالضرر الأخف
বড় ক্ষতি দূর করতে ছোট ক্ষতি গ্রহণ করা যায়।
درء المفاسد مقدم على جلب المصالح
উপকার আনার চেয়ে ক্ষতি প্রতিরোধ করা অগ্রাধিকারযোগ্য।
রাজনীতির বাস্তব প্রয়োগ
ধরুন—দুটি দলের মধ্যেই কিছু ইসলামবিরোধী দিক আছে,
কিন্তু—এক দল ইসলাম, দাওয়াহ, দ্বীনী শিক্ষা ও মুসলমানদের জন্য অধিক ক্ষতিকর ও অন্য দল তুলনামূলকভাবে কম ক্ষতিকর তাহলে ইসলামি দৃষ্টিতে: 👉 কম ক্ষতিকর দলকে বেছে নেওয়া “আখাফফুস দারারাইন” নীতির অন্তর্ভুক্ত।
এটা মানে এই না যে তাকে আদর্শ মনে করা হচ্ছে,
বরং বলা হচ্ছে—“এর মাধ্যমে বড় ফিতনা ও বড় ক্ষতি ঠেকানো যাচ্ছে।”
গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা
এটা ভালোটাকে ছেড়ে খারাপ বেছে নেওয়া নয়,
বরং খারাপ অনিবার্য হলে, কম খারাপটা নেওয়া।
এই নীতি স্থায়ী আদর্শ না,
বরং অস্থায়ী সমাধান।
সংক্ষেপে
যখন দুটো অপশনই নিখুঁত না,
তখন ইসলাম বলে—
যেটাতে উম্মাহর ক্ষতি কম, সেটাই গ্রহণযোগ্য।
তাই বর্তমানে যদিও জামায়াতের মাসালা গত কিছু ভুল থাকতে পারে তবুও অন্যান্য দলের কুফরী গনতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদ আক্বীদার চেয়ে জামায়াতের আক্বীদা অনেক ভালো ও পরিষ্কার,তাই জামায়াত কে নির্বাচিত করা জনগণের মৌলিক দায়িত্ব।
অন্যদিকে যে সমস্ত আলেম ও মুরুব্বি গনতন্ত্র ও জাতীয়তাবাদ এর পক্ষে ফতোয়া দিচ্ছে তাদের ফতোয়া বাতিল বাতিল বাতিল।
সংগৃহীত